হারামাইন হজ্জ গ্রুপ

হারামাইন হজ্জ গ্রুপ Haramain Hajj Group
“আল্লাহর ঘরের পথে আপনার বিশ্বস্ত সহযাত্রী”
হজ্জ ও উমরাহ সার্ভিস—অভিজ্ঞতা, আমানত ও খিদমতের সাথে।
📞 যোগাযোগ করুন ইনবক্সে

উমরাহ - জুলাই ২০২৬ ব্যাচ
03/08/2026

উমরাহ - জুলাই ২০২৬ ব্যাচ

03/08/2026

জুলাই ২৬ ব্যাচের - উমরাহ হাজীদের রাতের খাবার,,,

03/08/2026

জাবালে মালাইকা (ফেরেশতাদের পাহাড়), বদর প্রান্তর।

🕋 ২০২৭ সালের হজ্জ নিবন্ধন শুরু 🕋হারামাইন হজ্জ গ্রুপবিশ্বাস • আমানত • অভিজ্ঞতা • শরিয়াহসম্মত হজ্জ ব্যবস্থাপনা"আপনার হজ্জ...
15/07/2026

🕋 ২০২৭ সালের হজ্জ নিবন্ধন শুরু 🕋
হারামাইন হজ্জ গ্রুপ
বিশ্বাস • আমানত • অভিজ্ঞতা • শরিয়াহসম্মত হজ্জ ব্যবস্থাপনা
"আপনার হজ্জকে আমরা শুধু সফর নয়, ইবাদতের এক প্রশান্তিময় যাত্রায় রূপ দিতে চাই।"
________________________________________
🌿 কেন বেছে নেবেন হারামাইন হজ্জ গ্রুপ?
• দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: ১৬ বছরের সফল ও নির্ভরযোগ্য হজ্জ ব্যবস্থাপনার গৌরবময় ট্র্যাক রেকর্ড।
• যোগ্য শরিয়াহ মুআল্লিম: দেওবন্দ, আল আযহার, মক্কা ও মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র ও অভিজ্ঞ মুআল্লিমদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান।
• দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব: সাবেক সৌদি হজ্জ মিশন-সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিপ্লব হাসান বাইজিদ-এর সুনিপুণ পরিচালনা।
• সঠিক হজ্জ শিক্ষা: হজ্জ-পূর্ব পূর্ণাঙ্গ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, ওরিয়েন্টেশন এবং কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক ব্যবহারিক নির্দেশনা।
• শতভাগ স্বচ্ছতা: সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিরাপদ নিবন্ধন প্রক্রিয়া, লিখিত চুক্তি এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হিসাব।
• উন্নত সেবা: মক্কা ও মদিনায় মানসম্মত আবাসন, পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, আরামদায়ক পরিবহন এবং ২৪ ঘণ্টা নিবিড় সাপোর্ট।
________________________________________
💚 আমাদের অঙ্গীকার ও মূলনীতি
আমানতদারিতা • আন্তরিকতা • স্বচ্ছতা • নিরাপত্তা • সুন্নাহর অনুসরণ
• 🌙 আমরা হাজীদের গ্রাহক নয়, আল্লাহর সম্মানিত মেহমান হিসেবে সেবা করি।
• 🤲 প্রতিটি কাজ আমানত, প্রতিটি সেবা আমাদের কাছে ইবাদত।
• 🕌 আমাদের লক্ষ্য—আপনার মন থাকবে শুধু আল্লাহর ইবাদতে; বাকি সব দায়িত্ব আমাদের।
• 🌹 আমাদের কাছে লাভের চেয়ে বড় হলো—একজন হাজীর সন্তুষ্টি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
________________________________________

✨ মাবরুর হজ্জের জন্য আমাদের বিশেষ আয়োজন
• ✔️ হজ্জ-পূর্ব বিশেষ প্রশিক্ষণ ও মাসআলা শিক্ষা ক্যাম্প।
• ✔️ মিনা, আরাফাত ও মুযদালিফায় অভিজ্ঞ টিমের সার্বক্ষণিক নিবিড় উপস্থিতি।
• ✔️ জরুরি চিকিৎসা ও ২৪ ঘণ্টা যেকোনো প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তার সমন্বয়।
• ✔️ সম্পূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক প্রতিটি হজ্জের রোকন পালনে সার্বিক সহযোগিতা।
________________________________________
📌 এজেন্সি নির্বাচনের আগে একজন হাজীর করণীয়:
এজেন্সি চূড়ান্ত করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন— সরকারি লাইসেন্স আছে কি না, লিখিত চুক্তি দিচ্ছে কি না, হোটেল ও সার্ভিসের বিবরণ আগে জানাচ্ছে কি না এবং অভিজ্ঞ শরিয়াহ মুআল্লিম আছেন কি না। হারামাইন হজ্জ গ্রুপ এই সবকিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছে শতভাগ!
________________________________________
"আপনার হজ্জ হোক নিশ্চিন্ত, সুন্দর ও মাবরুর—এই আমাদের অঙ্গীকার।"
বিশ্বাসের সাথে হজ্জ, সুন্নাহর পথে সফল সফর।
📞 আজই যোগাযোগ ও নিবন্ধন করুন:
• 📱 হোয়াটসঅ্যাপ/মোবাইল: ০১৭১৯২০৩৩৯৬
• 📍 অফিস: ঢাকা,সিরাজগঞ্জ,কিশোরগঞ্জ খুলনা,বগুড়া,রাজশাহী,রংপুর
• 🌐 ওয়েবসাইট: haramainhajjgroup.com
#হজ্জ২০২৭ #হজ্জপ্রিরেজিস্ট্রেশন

🕋 হারামাইন হজ্জ গ্রুপের সাথে পূরণ করুন পবিত্র হজ্জ ও ওমরাহর স্বপ্ন 🤲হজ্জ ২০২৭ সালের প্রাক-নিবন্ধন চলছে!এখনই সরকারি নির্ধ...
12/07/2026

🕋 হারামাইন হজ্জ গ্রুপের সাথে পূরণ করুন পবিত্র হজ্জ ও ওমরাহর স্বপ্ন 🤲

হজ্জ ২০২৭ সালের প্রাক-নিবন্ধন চলছে!
এখনই সরকারি নির্ধারিত ফি ৩০,০০০ টাকা জমা দিয়ে আপনার আসন নিশ্চিত করুন।

✨ আমাদের সেবাসমূহ:
✅ সরকার অনুমোদিত হজ্জ সার্ভিস
✅ উন্নত মানের হোটেল ব্যবস্থা
✅ বাংলা খাবারের ব্যবস্থা
✅ অভিজ্ঞ গাইড ও ভ্রমণ সহায়তা
✅ ভিসা প্রসেসিংসহ সম্পূর্ণ সহযোগিতা

📞 যোগাযোগ করুন:
01719-203396

📍 অফিস:
পৌর বাসস্ট্যান্ড, ধানগড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ।

হারামাইন হজ্জ গ্রুপ
আপনার বিশ্বস্ত হজ্জ ও ওমরাহ সঙ্গী।

#হারামাইন_হজ্জ_গ্রুপ #হজ্জ২০২৭ #প্রাক_নিবন্ধন #হজ্জ #ওমরাহ

সমুদ্র পথে হজ্জযাত্রা,,চট্টগ্রাম বন্দর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের হজযাত্রার অন্যত...
08/07/2026

সমুদ্র পথে হজ্জযাত্রা,,

চট্টগ্রাম বন্দর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের হজযাত্রার অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মোগল আমল থেকে ব্রিটিশ শাসন এবং পরবর্তী পাকিস্তান আমল পর্যন্ত বাংলা, আসাম, সিলেট, ত্রিপুরা, কাছার ও পার্বত্য অঞ্চলের হাজার হাজার মুসলমান প্রতিবছর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জেদ্দাগামী জাহাজে চড়ে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতেন। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে হজযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কয়েক শতাব্দীব্যাপী এই গৌরবময় ঐতিহ্যের অবসান ঘটে।

ব্রিটিশ শাসনামলে চট্টগ্রাম বন্দর, কলকাতা, করাচি ও মুম্বাইয়ের পাশাপাশি জেদ্দাগামী হজযাত্রার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। হজ মৌসুম শুরুর কয়েক মাস আগে আরব থেকে আগত মোয়াল্লেমরা চট্টগ্রামে এসে সম্ভাব্য হজযাত্রী সংগ্রহ, কাফেলা গঠন এবং মক্কা, মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা, জেদ্দা ও মদিনায় তাঁদের আবাসন, আহার, পরিবহন এবং ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার সার্বিক ব্যবস্থা করতেন। সরকারি তত্ত্বাবধান সীমিত থাকলেও এই সুসংগঠিত বেসরকারি ব্যবস্থাপনাই দীর্ঘকাল হজ পরিচালনার প্রধান ভিত্তি হিসেবে কার্যকর ছিল।

১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে হজ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে ওঠে। চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে প্রতিষ্ঠিত হজ ক্যাম্পে হজযাত্রীদের নিবন্ধন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকাদান, পাসপোর্ট ও ভ্রমণসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হতো। ১৯৪৮ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৩,৮৯৫ জন হজযাত্রী জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করেন। দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত যাত্রীদের সুবিধার্থে বিশেষ ট্রেন ও স্টিমার সার্ভিসের ব্যবস্থা থাকত।

১৯৫০-এর দশকে বিমানযোগে হজযাত্রার সূচনা হলেও উচ্চ ব্যয়ের কারণে অধিকাংশ হজযাত্রী সমুদ্রপথকেই বেছে নিতেন। ব্রিটিশ মালিকানাধীন Empire Orwell ও Sirdhana, বোম্বে-ভিত্তিক মোগল শিপিং লাইন্সের Islami ও Muhammadi এবং পরবর্তীতে Safina-e-Arab নিয়মিতভাবে চট্টগ্রাম ও করাচি বন্দর থেকে জেদ্দায় হজযাত্রী পরিবহন করত। সমুদ্রপথে এই দীর্ঘ যাত্রা ছিল কষ্টসাধ্য, কিন্তু তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী হওয়ায় সাধারণ মানুষের কাছে এটিই ছিল সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম।

১৯৬০ সাল থেকে পাকিস্তান সরকারের প্যান ইসলামিক স্টিম শিপ কোম্পানির অধীনে হজযাত্রী পরিবহনে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানটির ‘সফিনা-এ-আরব-১’, ‘সফিনা-এ-আরব-২’, ‘সফিনা-এ-মুরাদ’, ‘সফিনা-এ-হুজ্জাজ’ এবং ‘সফিনা-এ-আবিদ’ জাহাজ নিয়মিতভাবে চট্টগ্রাম ও করাচি বন্দর থেকে জেদ্দায় হজযাত্রী পরিবহন করত। এর পাশাপাশি ‘এমভি শামস’ চট্টগ্রাম ও করাচি বন্দরের মধ্যে নিয়মিত চলাচল করত। এসব জাহাজের মধ্যে ‘সফিনা-এ-হুজ্জাজ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য; প্রায় চার হাজার যাত্রী বহনের সক্ষমতা নিয়ে এটি ছিল সে সময়ের অন্যতম বৃহৎ হজবাহী জাহাজ। হজ মৌসুম শেষ হলে এসব জাহাজ পণ্য পরিবহনেও ব্যবহৃত হতো।

১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে জাহাজের তৃতীয় শ্রেণি বা ডেকে ভ্রমণের ভাড়া ছিল প্রায় ৪৫২ টাকা, যা তখনকার অধিকাংশ পরিবারের বহু বছরের সঞ্চয়ের ফল। দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়া ছিল ৮৮২ টাকা এবং প্রথম শ্রেণির জন্য গুনতে হতো ১,২৫৭ টাকা। এর বাইরে স্যানিটেশন কর, স্থানীয় যানবাহন ব্যয় এবং বাড়িভাড়া বাবদ আরও ৮৪ টাকা ১২ পয়সা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হতো। ফলে হজযাত্রা ছিল শুধু ধর্মীয় নয়, একই সঙ্গে একটি বড় অর্থনৈতিক প্রস্তুতির বিষয়।

সমুদ্রপথে হজযাত্রার মূল্যবান সমকালীন দলিল হলো ১৯৫৪ সালে The Irish Times-এ প্রকাশিত “An Irishman's Diary on a Pilgrim Ship to Jeddah” শীর্ষক নিবন্ধ। এর লেখক Norman Freeman, যিনি British India Steam Navigation Company-এর Sirdhana জাহাজে কর্মরত ছিলেন। জেদ্দা থেকে প্রায় দেড় হাজার হজযাত্রীকে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে আনার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার দুর্ভোগ, অসুস্থতা এবং একই সঙ্গে যাত্রীদের গভীর ধর্মবিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক দৃঢ়তার এক অনন্য চিত্র অঙ্কন করেছেন।

ফ্রিম্যানের বর্ণনায় দেখা যায়, প্রতিদিন জাহাজে আজান ও জামাতে নামাজের আয়োজন হতো এবং কিবলার দিক নির্দেশের জন্য বিশেষ ঘূর্ণায়মান নির্দেশক ব্যবহার করা হতো। একজন চিকিৎসক, তিনজন চিকিৎসা-সহকারী ও তিনজন নার্স যাত্রীদের চিকিৎসাসেবা দিতেন। তবু অসুস্থতা ও বার্ধক্যের কারণে কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করতেন; আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বিধি অনুসারে তাঁদের জানাজা শেষে সমুদ্রে দাফন করা হতো। কয়েক সপ্তাহ পর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হজযাত্রীরা যখন স্বজনদের কাছে ফিরতেন, তাঁদের মুখে কষ্টের নয়, বরং হজ পালন সম্পন্ন করার গভীর প্রশান্তির ছাপই সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠত।

চট্টগ্রাম বন্দরের সমুদ্রপথে হজযাত্রার ইতিহাস কেবল একটি পরিবহন ব্যবস্থার ইতিহাস নয়; এটি বাংলাদেশের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সামুদ্রিক ঐতিহ্যের এক অনন্য অধ্যায়। সরকারি নথি, সমকালীন সংবাদপত্র, প্রশাসনিক দলিল, স্মৃতিকথা এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিবরণে সংরক্ষিত এই ইতিহাস আমাদের সামুদ্রিক ঐতিহ্য, হজ ব্যবস্থাপনা এবং উপমহাদেশের মুসলিম সমাজের সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিবর্তনের এক অমূল্য দলিল ও উত্তরাধিকার।

27/06/2026

সৌদি চেক পোস্টের ওয়েটিং রুম,,,,

26/06/2026

সৌদি মোয়াল্লেম অফিস,,,

25/06/2026

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের স্থান,,,যেখানে ইসলামের ১ম যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল,,

24/06/2026

মসজিদে কেবলাতাইন, মদীনা
=====>>================

মসজিদ আল-কিবলাতাইন বা 'দুই কিবলার মসজিদ' মদিনায় অবস্থিত ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মসজিদ। এখানেই নবী মুহাম্মদ (সা.) নামাজরত অবস্থায় আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে কিবলা পরিবর্তন (বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে মক্কার কাবা শরিফ) করার নির্দেশ লাভ করেন।গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:অবস্থান: মদিনার খালিদ বিন ওয়ালিদ সড়কে (বনু সালামা অঞ্চলে) অবস্থিত, যা মসজিদে নববী থেকে প্রায় ৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে।ঐতিহাসিক ঘটনা: ২ হিজরির (৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) রজব মাসে জোহরের নামাজের সময় এই নির্দেশ আসে। নামাজরত অবস্থাতেই নবী (সা.) ফিলিস্তিনের জেরুজালেমের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে মক্কার কাবার দিকে ফিরে বাকি নামাজ সম্পন্ন করেন।স্থাপত্য: ১৯৮৭ সালে সৌদি সরকার মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করে। আগে এতে জেরুজালেম ও মক্কার দিকে মুখ করা দুটি মিহরাব ছিল। আধুনিক নকশায় পুরোনো মিহরাবটি সরিয়ে ফেলা হলেও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে কাবার দিকের একটি মাত্র মিহরাব রাখা হয়েছে।মদিনায় আগত হাজি ও ওমরাহ পালনকারীরা সচরাচর এই ঐতিহাসিক মসজিদটি জিয়ারত করতে যান।

Address

Sirajganj
6700

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হারামাইন হজ্জ গ্রুপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category