02/03/2026
আলহামদুলিল্লাহ্,
আমি কেন শিয়া মাজহাব সমর্থন করি?
কারণ রাসূল সাঃ বিদায় হজের শেষ ভাষণে সাহাবি দেরকে বলে গেছেন আমি তোমাদের কাছে দুটি ভারী জিনিস রেখে যাচ্ছি
১. আল্লাহর কিতাব(আল কুরআন)
২.আমার আহলে বাইত (পাক পাঞ্জাতন)
যাদের ব্যাপারে আল্লাহ্ তায়ালা বলেন(নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে সমস্ত পাপ পংকলিতা ও দুষ ত্রুটি থেকে মুক্ত রাখার ইচ্ছা করেছেন - আল কুরআন )
এবং উম্মে সালমা রা ও আয়শা রা থেকে হাদীস বর্নিত হয়েছে যেটা হাদীসে কিসা নামে পরিচিত.
উনারা বলেন যখন উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে তখন রাসূল সাঃ ইয়ামেনি কালো চাদর গায়ে দিয়া হুজরায় অবস্থান করছেন তখন মা ফাতেমা আসলেন রাসূল সাঃ উনাকে তার চাদরের মধ্যে ঢুকালেন,তারপর মাওলা আলী আসলেন ও পর্যায় ক্রমে ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন রা আসলেন এবং রাসূল সাঃ এই ৪ জনও স্বয়ং রাসূল সাঃ মিলে ৫ জন হলেন এবং চাদরে ঢেকে আল্লহর কাছে দোয়া করলেন যে ' হে আল্লাহ এরাই আমার আহলে বাইত তখন আম্মা আয়েশা রা বল্লেন আমি কি এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
তখন রাসূল সাঃ বলেন যে তুমি আমার পরিবারের সদস্য টিক কিন্তূ যাদের পবিত্রতা বর্ণনা করে আল্লাহ্ তায়ালা আয়াত নাযিল করেছেন তারা হলেন এই আমি সহ ৪ জন ,তার পর বলেন হে আল্লাহ যারা এদের কে মহব্বত করবে তুমিও তাদেরকে মহব্বত করো, যারা এদের সাথে দুশমনি রাখবে তুমিও তাদের সাথে দুশমনি রাখবে।
আরো অনেক আয়াত ও হাদিস দ্বারা রাসূল সাঃ এর পরে আহলে বাইত এর অনুসরণ করা রাসূল সাঃ এর উম্মতের উপর ওয়াজিব করা হয়েছে,
আরেক আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন (হে রাসূল সাঃ আপনি আপনার উম্মতকে বলে দিন যে আমি তোমাদের কাছে আমার নবুয়তের বিনিময় আমার আহলে বাইত এর মহব্বত ছাড়া আর কিছু চাই না- আল কুরআন )
এভাবে আহলে বাইত এর অনুসরণ করা এখন পর্যন্ত সব মুসলমানের জন্য মুমিন হওয়ার শর্ত।
এমনকি হাশরের ময়দানে হাউজে কাওসার ও রাসূল সাঃ উম্মত কি তার আহলে বাইত এর সাথে কি আচরণ করেছে তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হবে।
এখন আসি আসল কথায় ,এখন যে ইরান এই ইরান এ "রাসূল সাঃ"এর সময় 'খসরু পারভেজ ' নামক সম্রাট রাজত্ব করত,তখন দিনের দাওয়াত দিলে সে সেটা প্রত্যাখ্যান করে ও রাসূল সাঃ গ্রেফতার করতে সৈন্য প্রেরণ করে, কিন্তু তারা মদিনায় আসার পর রাসূল সাঃ তাদেরকে আদর আপ্যায়ন করেন ও রাতে তাদেরকে বলেন যে তোমাদের সম্রাট তো আজকে রাতে হত্যা করা হয়েছে,তারা তখন ফিরে আসে ও দেখে যে রাসূল সাঃ যা বলেছেন তাই সঠিক,তখন সিংহাসনে আরোহণ করে খসরু পারভেজ এর ছেলে , উপস্থিত সভার সবাই এই ভবিষ্যত বানি শুনে অবাক হয়ে যায়,আর খসরু পারভেজ এর নাতনী ও এটা শুনে তার মনের মধ্যে এক অজানা ঝড় ওঠে যে এই কোন নবী যার কথা এত সুন্দর আর সত্যি,তখন তার বয়স মাএ ৮ বছর , সে চুপি চুপি যারা নও মুসলিম হয়েছে এদের কাছ থেকে রাসূল সাঃ ব্যাপারে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে,এক পর্যায়ে সে জানতে পারে যে তার আপন মামা ও মুসলিম হয়েছেন, সে মামার কাছ থেকে রাসূল সাঃ ও উনার মেয়ে ও ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন আঃ এর ব্যাপারে জানতে পারেন, পর্যায়ক্রমে সে ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ও মদিনায় হিজরত করার চেষ্টা করে ধরা পড়ে ও দীর্ঘ সময় জেলে বন্ধি হয় ও জেলের অনেক মানুষকে ও মুসলিম বানায়,এর মধ্যে অনেক কিছু ঘটে যায়, কিন্তূ তার মনে ইমাম হুসাইন আঃ এর প্রতি অজানা এক মহব্বত তৈরি হয়ে যায়,
একপর্যায়ে যখন উমর রা রোম সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন তখন খবর আসে যে পারস্য সাম্রাজ্যে মুসলিমদের উপর অনেক নির্যাতন করা হচ্ছে,
তখন উমর রা সবার পরামর্শে পারস্য আক্রমণ করেন ও বিজয় করেন,এবং যারা জেলে বন্ধী ছিল তাদেরকে মদিনায় নিয়ে আসা হয়,
উল্লেখ্য যে তখন জেলে খসরু পারভেজ এর ওই নাতনী সহ আরো দুই জন নাতনী ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় তারাও জেলে বন্ধী ছিল,
যখন বন্ধী দেরকে খলিফার সামনে আনা হয় তখন পারস্য সম্রাট এর পরিবারের সদস্য হওয়ায় তিন জন মেয়েকে পর্যায়ক্রমে বড় মেয়েকে আবু বকর রা , মেজো মেয়েকে উমর রা ও ওই যে ছোট মেয়ে ছিলেন উনাকে ইমাম হুসাইন আঃ এর সাথে বিয়ে দেয়া হয়.
আর এখান থেকেই এই মেয়ের গর্ভ থেকেই পরবর্তী সময়ে রাসূল সাঃ বংশ বৃদ্ধি পায়, ইতিহাসের অনেক সময় দেখা যায় মক্কার মুনাফিকরা রাসূল সাঃ এর বংশ কে হত্যা করেছে, কিন্তূ যুগে যুগে এই ইরানের শিয়ারাই রাসুল সা এর বংশ কে আগলে রেখে আহলে বাইত এর অনুসরণ করেছে.
তাই রাসূল সাঃ এর আহলে বাইত এর অনুসরণ কারী হিসেবে আমিও শিয়া.
ইরান বাংলা @হুসাইনি Irani Military