14/03/2024
শিবির যে এ জমিনের দ্বীনের ভ্যানগার্ড।
তা এদেশের প্রতিটি দ্বীন প্রিয় মানুষের হৃদয়ে উপলব্ধি হবেই হবে।
শিবিরের প্রতি ফোটা রক্ত যে দ্বীনের জন্য ঝরেছে তা প্রতিটি মুমিন হৃদয় সাক্ষ্য হবেই হবে ইনশাআল্লাহ।
যে সমস্ত ইসলামিস্টরা ভিন্নমতের জন্য বিভিন্নভাবে কটাক্ষ করেছে, শিবিরের দুর্দিনে চুপ থেকেছে তারাও একথা বলতে বাধ্য হবে ইনশাআল্লাহ।
আজকে ইফতারি করার কারণে রক্তাক্ত হতে হচ্ছে। হিজাব পরতে পারছেন না, দাড়ি রাখলে বিপদে পড়ছেন, দ্বীন নিয়ে কথা বললে ক্যাম্পাসে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
এগুলো আসলে হওয়ারই ছিলো।
বাংলাদেশে বামপন্থী ছাত্রদের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেওয়ার একক ক্রেডিট ছাত্রশিবির পাবে।
এই বামরাই হলো বর্তমানের হিন্দুত্ববাদী শক্তি। তারা জানতো তাদের অ*খন্ড ভারত পরিকল্পনার বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ভবিষ্যতে কারা হবে।
কমিউনিস্ট আন্দোলন শিবিরের কাছে মাইর খেয়ে যাওয়ার পরে তারা দ্বিতীয়বার একই ভুল করেনি।
বিভিন্ন ট্যাগ,ন্যারেটিভস, ডিস্কোর্স দাড় করিয়ে শিবিরকে আগে ক্যাম্পাসে দুর্বল করেছে।
নির্বিচারে গু*ম,খু*ন, কারাগারে বন্দি করেছে। সাধারণ ছাত্রদের মাঝে আতংক হিসেবে দাড় করিয়েছে শিবিরকে।
একই তালে তাল দিয়েছে কিছু প্রজ্ঞাহীন হুজুরেরাও।
শিবিরকে যখন মারা হচ্ছিলো তখন ঘরে বসে চুপচাপ দেখেছেন আর ভেবেছেন এটা ক্ষমতার রাজনীতির জন্য। যা করছে করুক আমাদের তো কোন সমস্যা নেই।
ভাই, আপনি বুঝতে পারেননি। আপনি যে দ্বীন নামক ঘরে নফল জিকিরে ব্যস্ত ছিলেন, সেই ঘরের সুরক্ষাদানকারী দেয়াল ছিলো ছাত্রশিবির। এই দেয়াল ভাঙ্গাই হচ্ছিলো আপনার দ্বীন নামক ঘরে হামলা চালানোর জন্য।
অনেক দেরি হয়েগেছে ইতিমধ্যে। এখনো সময় আছে দুরদর্শিতা দেখানোর।