13/06/2018
পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে বিছনাকান্দিতে নিরাপদ পর্যটন নিয়ে আজকের (১৩/০৬/২০১৮ ইং) আলোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতে ঈদের দিন হতে ২৩ জুন ২০১৮ পর্যন্ত বিছনাকান্দি পর্যটন এর জন্য বিছনাকান্দি পর্যটন সপ্তাহ" ঘোষনা করে বিছনাকান্দিতে আগত পর্যটকদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিম্নরুপ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় :
১) ঈদের দিন হতে ২৩ জুন, ২০১৮ পযর্ন্ত সকল প্রকার ট্রাক, লরি, ট্রাক্টর চলাচল বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র জাফলং এর বাইরে থেকে আগত ট্রাক পর্যটকদের কোন ধরনের সমস্যা তৈরি না করে সীমিত পরিসরে কেবলমাত্র রাতেরবেলা চলতে পারবে।
২) সকল প্রকার স্টোন ক্রাশারমিল ঈদের দিন হতে ২৩ জুন, ২০১৮ পযর্ন্ত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
৩) সকল হোটেল-রেস্টুরেন্টে খ্যাদের মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে ও ন্যায্য মূল্যে পর্যটকদের খাবার এর ব্যবস্থা করতে হবে।
৪) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর পক্ষ থেকে ০২ জন ডুবরী সার্বক্ষনিক বিছনাকান্দিতে থাকবে।
৫) থানা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ , আনসার, গ্রাম পুলিশ, রোভার স্কাউটস পর্যটকদের নিরাপত্তা ও গাইড করার জন্য সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করবেন।
৬) ফটোগ্রাফার/ টুরিস্ট গাইড দেরকে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
৭) ফটোগ্রাফার/ টুরিস্ট গাইডদের নিজস্ব ID কার্ড গলায়/বুকের উপর দৃশ্যমানভাবে ঝুলিয়ে রাখতে হবে এবং যে সকল ফটোগ্রাফার/টুরিস্ট গাইডদের পরিচিতি মূলক পোষাক দেয়া হয়েছে তাদের পোষাক পরিধান বাধ্যতামূলক।
৮) পর্যটকদের গাইড করার জন্য টুরিস্ট গাইডদের ২৫০ টাকা সম্মানী নির্ধারন করা হয়। ফটোগ্রাফারদের জন্য প্রতি 3R সাইজ ছবির জন্য ১৫ টাকা, 4R সাইজ ছবির জন্য ২০ টাকা ও মেমোরি কার্ডে নেয়ার জন্য প্রতি ছবি ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে পর্যটকদের আগ্রহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার জন্য বলা হয়। কোন পর্যটক যাতে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে না পড়ে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৯) জনপ্রতিনিধি,স্হানীয় জনসাধারন সর্বজায়গায় দেশি বিদেশী পর্যটকদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা প্রদানের সিন্ধান্ত হয়।
১০) পর্যটকদের জন্য বেসরকারি উদ্যোগে অস্থায়ী টয়লেট নির্মান করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
১১) ছিনতাইকারী, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবার জন্য বলা হয়।
১২) পর্যটকদের সাবির্ক সহযোগিতার জন্য তথ্য
কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। মোবাইল নম্বর- তথ্য কেন্দ্র 01916104553/UNO 01730331036/UP Chairman 01919515960.
১৩)i)পিরের বাজার হইতে বিছনাকান্দি পর্যটন নৌকাভাড়া,১৫৫০ টাকা(ii)হাদারপার ঈদগাহ ঘাট হইতে বিছনাকান্দি নৌকাভাড়া ১২৫০(iii)আনফরের ভাংগা হইতে বিছনাকান্দি নৌকাভাড়া ৮৫০ টাকা নির্ধারন করা হয়।পাশাপাশি পান্তুমাই মায়াবতী ঝর্ণাতে যেতে হলে পিরের বাজারের মুল ভাড়ার সাথে ৭০০ টাকা যোগ করতে হবে,হাদার পার থেকে মুল ভাড়ার সাথে ৫০০টা যোগ করতে হবে,আনফরের ভাংগার মুল ভাড়ার সাথে ৪০০টাকা যোগ করতে হবে।
১৪) প্রতিটি নৌকায় ০২টি লাইফ জ্যাকেট, ০২টি টায়ার টিউব রাখার জন্য র্নৌকার মাঝিদের নির্দেশ দেয়া হয়, অন্যথায় তার নৌকা চলতে দেয়া হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত হয়।
১৫) রাস্তার উপর পর্যটকদের গাড়ী না রেখে নির্ধারিত পার্কিং এ গাড়ী রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান। ট্রাফিক পুলিশ ও থাকতে পারে।
১৬) পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে, তথ্য কেন্দ্রে মাইক, হ্যান্ড মাইক rescue team এর জন্য স্পীড বোট, medical team ও ২ টা র্নৌকা প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
১৭) পর্যটকরা যাহাতে নদীতে গর্তের মধ্যে গোসল না করেন সে ব্যাপারে নিরুতসাহী করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়।
১৮) পর্যটকরা যাতে পানিতে নিরাপদ দুরুত্বের বাইরে পানিতে না নামে, সেই রকম ব্যবস্থা নিতে হবে। লাল পতাকা ও দড়ি দিয়ে এলাকা চিহ্নিত করে দিতে হবে।
১৯) স্থানীয় টমটম গাড়ী, সিএন জি ও লেগুনার ভাড়া পর্যটকদের জন্য নির্ধারন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ওসি সাহেবকে অনুরোধ করা হয়।
★ধন্যবাদ...সবাইকে★ ঈদ মোবারক★
coppy post.........