স্মৃতির পাতা সংগঠন

স্মৃতির পাতা সংগঠন এটি সামাজিক, অরাজনৈতিক, ভ্রমণ ও সেবামূলক সংগঠন..

15/07/2026

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: শিমলা ক্লাবে বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী (বল) আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর! 🎉⚽

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও ক্রীড়ামুখী করার লক্ষ্যে "স্মৃতির পাতা" সংগঠনের পূর্বঘোষিত বল বিতরণ কর্মসূচির শুভ সূচনা হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে শিমলা ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে খেলার বল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

বল হস্তান্তরকালে আমাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

👥 অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও ব্যক্তিবর্গ:
বিশেষ অতিথি:
বাপ্পি আহমেদ (বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং সমাজসেবক)

★ "স্মৃতির পাতা" সংগঠনের সম্মানিত উপদেষ্টা সদস্য মণ্ডলী:
১. নবিন মোগল
২. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম

★ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ:
মেহেদী হাসান (সম্মানিত সভাপতি, স্মৃতির পাতা সংগঠন)
তানভীর আলম সাফি (সাংগঠনিক সম্পাদক, স্মৃতির পাতা সংগঠন)

★ অন্যান্য সহযোগী ও শুভাকাঙ্ক্ষী:
সুবল, মোহাম্মদ স্বাধীন সহ এলাকার আরও অনেক শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ও সুধীবৃন্দ।

আমাদের লক্ষ্য: তরুণ প্রজন্মকে স্মার্টফোন ও মাদকের আসক্তি থেকে দূরে সরিয়ে মাঠমুখী করা। শিমলা ক্লাবের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ পর্যায়ক্রমে বাকি ক্লাবগুলোতেও পৌঁছে দেওয়া হবে।

শিমলা ক্লাবের সকল সদস্য ও তরুণদের জন্য রইলো অনেক অনেক শুভকামনা। যুবসমাজকে সুস্থ ধারার সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যকলাপে যুক্ত রাখতে "স্মৃতির পাতা" সংগঠনের এই পথচলা সর্বদা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ! ✊✨

#স্মৃতির_পাতা_সংগঠন #ক্রীড়া_সামগ্রী_বিতরণ #শিমলা_ক্লাব #মাদকমুক্ত_যুবসমাজ

২০২৫ সালে ‘স্মৃতির পাতা’ সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের বার্ষিক আয়োজন ছিল ৫ রাতের এক ধামাকা কক্সবাজার + বান্দরবান ট্যুর।বিশ্বে...
10/07/2026

২০২৫ সালে ‘স্মৃতির পাতা’ সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের বার্ষিক আয়োজন ছিল ৫ রাতের এক ধামাকা কক্সবাজার + বান্দরবান ট্যুর।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের নীল জলরাশি আর মেঘ-পাহাড়ের দেশ বান্দরবানের অপরূপ সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে আমাদের সবার একসাথে কাটানো সেই চমৎকার ও আনন্দঘন মুহূর্তগুলো আসলেই আজীবন মনে রাখার মতো।

যাঁরা এই চমৎকার ট্যুরটি মিস করেছিলেন বা আবার আমাদের সাথে নতুন কোনো অ্যাডভেঞ্চারে হারিয়ে যেতে চান, তাঁদের জন্য সুখবর— খুব শীঘ্রই আমরা ‘স্মৃতির পাতা’র পক্ষ থেকে নতুন আরেকটি ট্যুরের আয়োজন করতে যাচ্ছি!

পরবর্তী ট্যুরের বিস্তারিত সব আপডেট জানতে চোখ রাখুন আমাদের পেইজে। 🚌✨

#স্মৃতির_পাতা

"স্মৃতির পাতা" সংগঠনের নতুন মাইলফলক: ইউএনও মহোদয়ের পক্ষ থেকে ক্রীড়া সামগ্রী গ্রহণ ও বিতরণ পরিকল্পনা!অত্যন্ত আনন্দের সাথে...
08/07/2026

"স্মৃতির পাতা" সংগঠনের নতুন মাইলফলক: ইউএনও মহোদয়ের পক্ষ থেকে ক্রীড়া সামগ্রী গ্রহণ ও বিতরণ পরিকল্পনা!

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, 'স্মৃতির পাতা' সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি Mehedi Hasan ভাইয়ের নির্দেশনায় আজ আমাদের ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (UNO) মহোদয় স্যারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন:
১. তানভীর আলম সাফি (সাংগঠনিক সম্পাদক-স্মৃতির পাতা সংগঠন )
২. নিবর আহমেদ নয়ন (প্রচার সম্পাদক-স্মৃতির পাতা সংগঠন )
৩. মোহাম্মদ আশিক (সদস্য -স্মৃতির পাতা সংগঠন )
৪. মোহাম্মদ বিজয় (সদস্য -স্মৃতির পাতা সংগঠন )

আমাদের পূর্ববর্তী আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউএনও মহোদয় অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে বরাদ্দকৃত খেলার বলসমূহ প্রতিনিধি দলের হাতে তুলে দেন। সেই সাথে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ভবিষ্যতে ক্রীড়া সামগ্রীর পরবর্তী বরাদ্দেও আমাদের সংগঠনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। যুবসমাজকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করার এই চমৎকার মানসিকতার জন্য ইউএনও মহোদয়কে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।

প্রতিনিধি দলের অবস্থানকালীন সময়ে সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমাদের উপজেলার সম্মানিত অভিভাবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ:
★খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল(সম্মানিত সভাপতি, গোপালপুর উপজেলা বিএনপি এবং সাবেক মেয়র, গোপালপুর পৌরসভা)
★কাজী লিয়াকত "ভিপি" (সাধারণ সম্পাদক, গোপালপুর উপজেলা বিএনপি, টাঙ্গাইল)

⚽ বল বিতরণ পরিকল্পনা:
ইউএনও স্যারের কাছ থেকে প্রাপ্ত বলগুলো যুবসমাজকে মাদকমুক্ত ও সুস্থ রাখতে আনুষ্ঠানিকভাবে নিচের ৪টি গ্রামের ৪টি ক্লাবের মাঝে বিতরণ করা হবে:
১. পারচতিলা
২. আতরবাড়ি
৩. চতিলা
৪. শিমলা

খুব শীঘ্রই এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বলগুলো হস্তান্তর করা হবে। তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ধারার সামাজিক ও ক্রীড়া কার্যকলাপে যুক্ত রাখতে আমাদের এই পথচলা সর্বদা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ!

সম্প্রতি (১-৭-২০২৬)'স্মৃতির পাতা সংগঠন' সংগঠনের নিজস্ব তহবিল থেকে আমাদের মহল্লার ছোট ভাইদের মাঝে ফুটবল ও খেলাধুলার সরঞ্জ...
08/07/2026

সম্প্রতি (১-৭-২০২৬)
'স্মৃতির পাতা সংগঠন' সংগঠনের নিজস্ব তহবিল থেকে আমাদের মহল্লার ছোট ভাইদের মাঝে ফুটবল ও খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। সরঞ্জামগুলো বিতরণের সময় নিজের অজান্তেই হারিয়ে গিয়েছিলাম দূরন্ত শৈশবের সেই সোনালী দিনগুলোতে।

ছোট্ট ভাইদের এই অনাবিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাস আমাদের ভবিষ্যৎ পথচলার বড় অনুপ্রেরণা।

'স্মৃতিরপাতা' সব সময় এভাবেই সবার মুখে হাসি ফোটাতে পাশে থাকবে ইনশাআল্লাহ। 🌟⚽

07/07/2026

সম্প্রতি স্মৃতিরপাতা সংগঠনের নিজস্ব আর্থিক তহবিল থেকে আমাদের মহল্লার ছোট ছোট ভাইদের মাঝে ফুটবল ও খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ বিতরণ করা হয়েছে...

পাশাপাশি খেলাধুলার প্রসারে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে গোপালপুর উপজেলার সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মনজুরুল মোর্শেদ স্যারের কাছে অতিরিক্ত কিছু বলের বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন এবং বলগুলো গ্রহণের জন্য প্রতিনিধি পাঠাতে বলেছেন।

ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল বা পরদিনের মধ্যেই আমাদের প্রতিনিধি ইউএনও স্যারের কার্যালয়ে যাবেন। বলগুলো হাতে পাওয়া মাত্রই যে সমস্ত গ্রাম বা মহল্লায় খেলাধুলার সামগ্রীর অভাব রয়েছে, সেখানে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

যুবসমাজকে খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকমুক্ত ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগে পাশে থাকার জন্য সম্মানিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

আজ গোপালপুর উপজেলার মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) মহোদয়ের কার্যালয়ে আমাদের সংগঠনের তরুণদের নিয়মিত অনুশীলনের জন্...
02/07/2026

আজ গোপালপুর উপজেলার মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) মহোদয়ের কার্যালয়ে আমাদের সংগঠনের তরুণদের নিয়মিত অনুশীলনের জন্য ক্রীড়া সামগ্রী (বল) বরাদ্দের আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনটি অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করে ইউএনও স্যার আমাদের যুব কল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দ্রুত বল বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছেন। তরুণদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রেখে মাঠমুখী করতে ‘স্মৃতিরপাতা সংগঠন’ সবসময় কাজ করে যাচ্ছে।

আমাদের অনুরোধে এমন আন্তরিক সাড়া দেওয়ায় মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের প্রতি আমরা গভীর ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

— মেহেদী হাসান
সভাপতি, স্মৃতিরপাতা সংগঠন
গোপালপুর, টাঙ্গাইল।

01/05/2026

গোপালপুরের সেরা হালিম রিভিউ! জাস্ট অসাধারণ স্বাদ | Best Haleem in Tangail Review |

#গোপালপুরের_হালিম #টাঙ্গাইল

টাংগাইলের গোপালপুর হেমনগর হেমনগরের জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরী💥=============================হেমচন্দ্র চৌধুরীর দাদা পদ্মলোচন ...
25/04/2026

টাংগাইলের গোপালপুর হেমনগর
হেমনগরের জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরী💥
=============================
হেমচন্দ্র চৌধুরীর দাদা পদ্মলোচন রায় তিনি মধুপুর উপজেলার আমবাড়ীয়ার ভূস্বামী ছিলেন।বংশাই নদীর তীরে তিনি দ্বিতল জমিদার বাড়ি নির্মাণ করেন।পদ্মলোচন রায় পুখুরিয়া পরগনার জমিদার ভৈরব চন্দ্রের নিকট থেকে প্রথম দুই আনার জমিদারী কিনেন।
হেমচন্দ্রে পিতা কালীচন্দ্র রায় পুখরিয়া পরগনার বাকী চার আনা জমিদারি কিনে নেন।
হেমচন্দ্র রায় জয়েনশাহী পরগনার পাঁচ আনা আড়াই গন্ডা পুরো তালুক কিনে নিয়ে তার প্রভাব বৃদ্ধি করেন।পরে তিনি উপাধী নেন চৌধুরী।
হেমচন্দ্র চৌধুরীর জন্ম আমবাড়িয়ায়।তিনি ধর্মে কর্মে নিষ্ঠাবান ছিলেন।তিনি ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে সুবর্নখালী বন্দর নগরে নুতন দ্বিতল রাজবাড়ি নির্মাণ করেন।আবার কেউ বলেন সুবর্ণখালিতে নীলকরদের পাকা কুঠির কিনে নিয়ে সেখানে নুতন ভবন নির্মাণ করে জমিদারী পরিচালনা করেন।তিনি সুবর্ণখালিতে বিমাতার শশী মুখীর নামে একটি ইংরেজি স্কুল স্থাপন করেন।সুবর্ন খালি নদীবন্দর যমুনা নদীর ভাঙ্গনে বিলুপ্ত হয়।হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে শিমলাপাড়া মৌজায় দ্বিতল রাজপ্রসাদ নির্মাণ করেন।নাম দেন পরীর দালান।দ্বিতল প্রাসাদের উপরে উড়ন্ত পরীর ভাস্কার্য স্থাপিত ছিল।
জমিদারের নামে স্থানের নাম করণ হয় হেমনগর।তিনি বাজবাড়ির দক্ষিণে বিশাল দীঘি খনন করেন,রাজবাড়ির ভিতরে ও পুর্ব পাশে হাইস্কুলে সামনে বড় পুকুর খনন করেন।প্রজা সাধারণের জল কষ্ট দুর করার জন্য অনেক কুপ খনন করেন এবং ৪০ টির অধিক দীঘি, পুকুর খনন করেন।
জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর চার পুত্র ও চার কন্যার জনক ছিলেন।
পুত্রগণের নাম।
১।হেরেম্বর চৌধুরী।
২।গঙ্গেশ চৌধুরী।
৩।প্রফুল্ল চৌধুরী।
৪।যোগেশ চৌধুরী।
কন্যাগণের নাম।
১।সুরেন্দ্র বালা দেবী স্বামী সতীশ চন্দ্র মুখার্জী।
২।কিরন বালা দেবী স্বামী বাদল মুখার্জী।
৩।সুমতি বালা দেবী স্বামী মুরলীধর গাঙ্গুলী
৪।সুনীতি বালা দেবী স্বামী অজ্ঞাত।
জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরীর তিন বোন ছিল যথা:
১।স্বর্ণময়ী দেবী স্বামী নীলকান্ত গাঙ্গুলী।
২।ক্ষিরোদা সুন্দরী দেবী স্বামী গোবিন্দ চন্দ্র গাঙ্গুলী।
৩।বরোদা সুন্দরী দেবী স্বামী রজনী কান্ত গাঙ্গুলী।
হেমচন্দ্র চোধুরী ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে কাশীতে মারা যান। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের দাঙ্গার পর দেশ ভাগের আগেই জমিদারের উত্তর সুরিগণ পশ্চিম বঙ্গে পাড়ি জমান। শুধু শ্যামা কান্ত গাঙ্গুলী ও কমল গাঙ্গুলী দেশে থেকে যান।পরে ১৯৬৫ পাক ভারত যুদ্ধের সময় গোপালপুরে দাঙ্গার উত্তেজনা দেখা দিলে দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।
হেমচন্দ্র চৌধুরী হেমনগর গোপালপুর রাস্তা নির্মাণ করেন।
তিনি বিমাতার নামে শশী মুখী ইংলিশ হাই স্কুল সুবর্ণখালি থেকে হেমনগরে স্থানান্তর করেন।
* আনন্দ মোহন কলেজে সেরা ১০ জন দাতার মধ্য তাঁর ক্রমিক ৪ এ তার নাম ছিল।
* গোপালপুর সূতী ভি এম স্কুলে,পিংনা হাইস্কুলে জমি ও অর্থ দান করেন।
* বরিশালে মুক বধির স্কুলে অর্থ দান করেন।
* ময়মনসিহে ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল নির্মাণে অর্থ দেন।
* পিংনা হাসপাতালে অর্থ দেন।
* জন সাধারণের চিকিৎসার জন্য হেমনগর নিজ মায়ের নামে হরদুর্গা দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেন।
* টাঙ্গাইলে উকিল বার নির্মানে সহযোগীতা করেন।
* চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডু চন্দ্রনাথ মন্দিরে উঠার সিড়ি নির্মাণ করেন।
* হেমনগর থেকে তিনি একটি " হিতৈষী" প্রকাশ করেন।
* হেমচন্দ্র চৌধুরীর কয়েকটি।কবিতার বই কলকাতা থেকে প্রকাশ হয়।যার একটির নাম " গৌড়ের গীত মালা "।

তথ্যসুত্র:
১। টাঙ্গাইলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সম্পাদনায় : মুহাম্মদ বাকের।
২। হেমনগরের জমিদারের একাল- সেকাল
লেখক,জয়নাল আবেদীন।
৩।ময়মনসিংহে ইতিহাস ও ময়মনসিংহের বিবরণ।
লেখক,শ্রীকেদার নাথ মজুদার।

24/03/2026

🕌 ঘুরতে আসুন ২০১ গম্বুজ মসজিদ

Address

Tangail

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্মৃতির পাতা সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share