পুলক বাবুর ডাইরি - adventurous pulak

পুলক বাবুর ডাইরি - adventurous pulak বিশুদ্ধ অক্সিজেনের সন্ধানে কলম্বাস স

 #অভিযান_৩৬ #গঙ্গাসাগর_ভ্রমণ  ে_গঙ্গাসাগর ⛴️প্রচলিত কথা "সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার", আশাকরি দূরত্ব, দুর্গম যাত্রা...
17/01/2021

#অভিযান_৩৬
#গঙ্গাসাগর_ভ্রমণ
ে_গঙ্গাসাগর ⛴️

প্রচলিত কথা "সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার", আশাকরি দূরত্ব, দুর্গম যাত্রাপথ এবং অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারনেই এই প্রবাদটির প্রচলন হয়েছিলো।
কিন্তু বর্তমান দিনে দাঁড়িয়ে বলাই যায়, "সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর-ও বারবার"।।🤘

Osprey India নামে একটি সংস্থা (কর্ণধার অঞ্জন সিনহা) মালয়েশিয়া থেকে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি Cruise ship কিনে এনে (১৫৬ আসন বিশিষ্ট) গঙ্গাবক্ষে (কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক জেটি থেকে সাগর দ্বীপের কচুবেড়িয়া ঘাট পর্যন্ত) চালু করেছেন এই water bus service। 🛥️🚤

১৪ই জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তির দিন) সকাল ৭ টায় জলজানটি মিলেনিয়াম ঘাট থেকে ছাড়ার পর দূষণমুক্ত পরিবেশে গঙ্গার দুই পাড়ের 'শহর থেকে গ্রাম বাংলার' নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে-করতে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটে (সকাল সারে দশটায়)পৌছে গেছিলাম সাগর দ্বীপের কচুবেড়িয়া ঘাটে। সকালের জলখাবার হিসাবে জলজানে ছিলো "কড়াইশুঁটির কচুরি, আলুরদম, জয়নগরের মোয়া এবং চা ও জলের" ব্যাবস্থা। 👌
ঘাটে নেমে ৫-৭ মিনিটের হাটা পথে ছিলো Prepaid taxi stand। সেখান থেকে ৮০০ টাকার বিনিময়ে (taxi-র আসন সংখ্যা ৬-৮ জন) taxi book করে ৩০ কি.মি পথ পাড়ি দিয়ে মোটামুটি ৪৫ মিনিটে পৌছে গেছিলাম গঙ্গাসাগর।🏞️🏝️🌊
স্নান সেরে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিতে সময় লাগলো প্রায় দেড় ঘন্টা।🪔
পুজো দিয়ে রাস্তার পাশের হোটেল থেকে মধ্যাহ্নভোজ সেরে মেলা থেকে মনপসন্দ জিনিস কেনা কাটা করে সমুদ্র সৈকতে আরও ঘন্টা দুয়েক সময় কাটিয়ে বিকাল ৫ টা নাগাদ prepaid taxiতে চড়ে (ভাড়া ৮০০ টাকা) আবার রওনা হলাম কচুবেড়িয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে।🚙
সন্ধ্যে ৭ টার সময় পুনরায় ঘাট থেকে ক্রুজ ছেড়ে রাত ১১ টা নাগাদ পৌছোলাম কলকাতার মিলেনিয়াম ঘাটে। বিকালের জল খাবারের মধ্যে ছিলো ক্রিম কেক, ভেজিটেবল চপ, সন্দেশ, চা ও জলের ব্যবস্থা।👌

🟥 Cruise ও আনুসঙ্গিক কিছু বিশেষ তথ্য-

🔹টিকট Online এ book করতে হয়
www.ospreyindia.com থেকে।
🔹টিকিটের মূল্য বিভিন্ন দিনে বিভিন্ন রকম হয়। মকর সংক্রান্তির দিন Premier seat এর (আসন সংখ্যা ৫৫ টি) এক ট্রিপ্রের প্রতিটি টিকি মূল্য ছিলো ১৯০০ টাকা (সিট + সকালের জল খাবার সহ)।
Economy seat এর (আসন সংখ্যা ১০১ টি) এক ট্রিপের প্রতিটি টিকিট মূল্য ছিলো ১৭০০ টাকা (সিট+ সকালের জলখাবার সহ)।
🔹আপনি দিনের দিনে ফিরতে না চাইলে একরাত সাগর দ্বীপে থেকে পরের দিন-ও ক্রুজে করে ফিরতে পারেন।
🔹ক্রুজে রয়েছে নারী এবং পুরুষদের জন্য পৃথক শৌচাগারের ব্যবস্থা।
🔹যাত্রী মনোরঞ্জনের জন্য ক্রুজের ভেতর টিভির ব্যবস্থা আছে। তাতে বিভিন্ন সিনেমা দেখানো হয়।
🔹Premier seat এ টিকিট কাটলে উপরি পাওনা হিসাবে ক্রুজের Deck এ ১৫-২০ মিনিট সময় কাটানোর সুবিধা পাওয়া যায়।
🔹আটজনের কম ব্যক্তি গেলেও Prepaid taxi অন্যের সাথে share করে কচুবেড়িয়া থেকে সাগরে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়ার সাশ্রয় হয়।

বাকি কথা জানা যাক ছবির মাধ্যমে। 📸👇

26/11/2020


❤️

💚
💙

ভিডিও সূত্র: Madhya Pradesh tourism official page ❤️

 #অভিযান_৩৫  (০১.১২.২০১৯)  ❤️   💚  💙ভারতের হৃদয়ে অবস্থিত মধ্যপ্রদেশের প্রাণকেন্দ্র খাজুরাহো বিখ্যাত মন্দির এবং মহাজাগতিক...
23/11/2020

#অভিযান_৩৫
(০১.১২.২০১৯)
❤️

💚
💙

ভারতের হৃদয়ে অবস্থিত মধ্যপ্রদেশের প্রাণকেন্দ্র খাজুরাহো বিখ্যাত মন্দির এবং মহাজাগতিক ভাস্কর্য ছাড়াও দর্শনার্থীদের জন্য প্রাকৃতিক ভিত্তিক দর্শনীয় স্থানগুলির বিকল্প নিয়ে গর্ব করে।
আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনায় গৌরবময় "রানহে ঝর্ণা" যুক্ত করুন এবং এর গভীর উপত্যকা এবং মোহনীয় সৌন্দর্য আবিষ্কার করুন।

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

 #অভিযান_৩৪  (০১.১২.২০১৯)  ❤️   💚  💙খাজুরাহো হল উত্তর ভারতের মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দ...
21/11/2020

#অভিযান_৩৪
(০১.১২.২০১৯)
❤️

💚
💙

খাজুরাহো হল উত্তর ভারতের মধ্যপ্রদেশ অঞ্চলের একটি প্রাচীন শহর। দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এটি চান্ডেল্লা রাজাদের রাজধানী ছিল যারা বুন্দেলখন্ডে শাসন করেছিলেন।
খাজুরাহোর এক গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসাবে এককালের খ্যাতি সত্ত্বেও এখানে কোনও ধর্মীয় ইমারত বেঁচে নেই, তবে ৩৫ টি হিন্দু ও জৈন মন্দিরের উপস্থিতি এটি আজ ভারতের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক স্থানে পরিনত করেছে এবং একাদশ শতাব্দীর
মুসলিম ইতিহাসবিদ আবু রিহান আলবেরুনি দ্বারা প্রদত্ত "দেবতাদের শহর" নামকরণটি সার্থক হয়েছে।

খাজুরাহো ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। খাজুরাহো শহর সড়কপথ, রেলপথ এবং বিমান পরিবহন দ্বারা সারা ভারতের সাথে ভালভাবে সংযুক্ত।

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

19/11/2020

(০৫.১২.২০১৯)
❤️

💚
💙

জব্বলপুরের আরেকটি বড় আকর্ষণ হল ধুঁয়াধার নামে পরিচিত একটি জলপ্রপাত, যা দেখে মনে হয় নদী থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং তাই এটির নামকরণ হয়েছিল "ধুয়ান (ধোঁয়া) - ধারা (জল প্রবাহ)"।

ভিডিও সূত্র Madhya pradesh tourism official page ❤️❤️

 #অভিযান_৩৩  (০৫.১২.২০১৯)   ❤️   💚  💙রাজগন্ড শাসকরা জব্বলপুর, মান্ডলা এবং আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে রাজত্ব করেছিলেন। তাদের দ্...
18/11/2020

#অভিযান_৩৩
(০৫.১২.২০১৯)

❤️

💚
💙

রাজগন্ড শাসকরা জব্বলপুর, মান্ডলা এবং আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে রাজত্ব করেছিলেন। তাদের দ্বারা নির্মিত মদন মহল এমন একটি দুর্গ। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত দুর্গটি অতীতের একটি নিদর্শন এবং গন্ড রানী দুর্গাবতীর সাথে সম্পর্কিত যিনি মুঘল সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে তাঁর রাজ্যকে রক্ষা করেছিলেন। দুর্গটি একাদশ শতাব্দীর পূর্ববর্তী এবং পাহাড়ের চূড়ায় একটি ছোট সামরিক ফাঁড়ি হিসাবে ব্যবহৃত হত।

শাসকদের যুদ্ধকক্ষ, ছোট জলাধার এবং বিশ্রামাগার দর্শনার্থীদে মধ্যে এক বিশ্বয়ের সৃষ্টি করে। স্মৃতিস্তম্ভটি পাহাড়ের প্রায় পাঁচশো মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

দুর্গে যাওয়ার পথে "ব্যালেন্সিং রক" যা একটি বিশাল পাথরের ডগায় আর একটি বিশাল পাথর ভারসাম্যপূর্ণ ভাবে অবস্থান করছে সেটিও এক দর্শনীয় বস্তু।

দুর্গটি সম্পর্কে অনেক কল্পকাহিনী রয়েছে। বলা হয় বিপুল স্বর্ণভান্ডার এবং মনি মুক্তা এই দুর্গের নীচে কোনো গুপ্ত কুঠুরিতে আজ-ও লুকানো আছে।
আরও বলা হয় যে এই দুর্গের নীচে কোনো এক গুপ্ত রাস্তা (টানেল) আছে, যা সেইসময় দুর্গ থেকে পালানোর পথ হিসাবে ব্যাবহার করা হোতো।

এই দুর্গের নিকটতম রেলওয়ে স্টেশন হোলো মদন মহল রেলস্টেশন।

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

 #অভিযান_৩২ #নৈহাটির_বড়মা 🙏🪔❤️👌নৈহাটির অরবিন্দ রোডে ধর্মশালা মোড়ের বড়মার টানে ছুটে আসেন কয়েক লক্ষ মানুষ।ভবেশ চক্রবর্তী ন...
15/11/2020

#অভিযান_৩২
#নৈহাটির_বড়মা 🙏🪔❤️👌

নৈহাটির অরবিন্দ রোডে ধর্মশালা মোড়ের বড়মার টানে ছুটে আসেন কয়েক লক্ষ মানুষ।
ভবেশ চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তি শুরু করেছিলেন এই পুজো। জানা যায় প্রায় ৯৩ বছর আগে ভবেশবাবু তার এক বন্ধুর সঙ্গে নবদ্বীপে রাস দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে রাধাকৃষ্ণের বিশাল প্রতিমা দেখে ঠিক করেন তারাও এত বড় কালী মূর্তি বানিয়ে পুজো করবেন। এর পরেই নৈহাটি ফিরে ২১ ফুট কালী মূর্তি বানিয়ে পুজো শুরু করেন। উচ্চতার কারনে এই দেবী পরিচিতি পায় বড়মা নামে। ভক্তদের দান করা অর্থেই পুজোর আয়োজন করা হয়। দক্ষিণাকালী রূপে পুজিতা বড়মার পুজোয় বালি দেওয়ার নিয়ম নেই। প্রায় ২০০ ভরি রূপো ও ১০০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে মাকে সাজানো হয়। কালীপুজোর কয়েকটা দিন প্রায় ৫০০০ কেজি ভোগ রান্না হয়। আজও পুজোর ভোগ আসে চক্রবর্তী বাড়ি থেকেই। ভোগ রান্নায় কোনও রকমের তেল ব্যবহার করা হয় না, পুরো রান্নাটাই হয় গাওয়া ঘিয়ে। কালীপুজো ছাড়াও বড়মার মন্দিরে ১১টি অমাবস্যার পুজো হয়। প্রতি অমাবস্যায় প্রায় ৭০০ কেজি ভোগ রান্না হয়। বড়মার বিসর্জনেও রয়েছে অভিনবত্ব। বড়মার বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত নৈহাটির কোনও প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়না। বিসর্জনের সময় গয়না খুলে নিয়ে সমান ওজনের ফুলের গয়নায় মাকে সাজানো হয়। শুধুমাত্র মায়ের এবং মহাদেবের চোখ খোলা হয়না৷ পুজোয় বড়মার জন্য পাওয়া শাড়ি তুলে দেওয়া হয় দুঃস্থদের হাতে, দানে পাওয়া বেনারসি শাড়ি দেওয়া হয় দুঃস্থ পরিবারগুলোর মেয়েদের বিয়েতে। পুজোর পাওয়া ফল বিতরণ করা হয় নৈহাটি ও হুগলির কয়েকটি হাসপাতালে। বড়মা সবার মনের ইচ্ছে-পূরণ করেন, এই বিশ্বাসেই ছুটে আসেন সবাই। 🪔❤️

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

 #অভিযান_৩১  (০৫.১২.২০১৯)  ❤️   💚  💙জব্বলপুরের আরেকটি বড় আকর্ষণ হল ধুঁয়াধার নামে পরিচিত একটি জলপ্রপাত, যা দেখে মনে হয় ...
14/11/2020

#অভিযান_৩১
(০৫.১২.২০১৯)
❤️

💚
💙

জব্বলপুরের আরেকটি বড় আকর্ষণ হল ধুঁয়াধার নামে পরিচিত একটি জলপ্রপাত, যা দেখে মনে হয় নদী থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং তাই এটির নামকরণ হয়েছিল "ধুয়ান (ধোঁয়া) - ধারা (জল প্রবাহ)"।

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

13/11/2020

"থোরা কাল্পনা কিজিয়ে
only imagination
ফির বোলতেহে সামাঝ গায়ে-তো art,
নেহি সামঝে তো modern art,
আপলোগ দেখ রাহে হ্যা Bhedaghat"

(০৫.১২.২০১৯)
💙
♥️
💚
💜

ভিডিও সৌজন্যে Madhya Pradesh tourism official page 👍

 #অভিযান_৩০  (০৫.১২.২০১৯)   ❤️   💚  💙ভ্রমণ কি আপনার হৃদয়কে অনুপ্রাণিত করে? যদি আপনার উত্তর হয় হ্যাঁ, তবে আপনার স্বপ্নকে...
13/11/2020

#অভিযান_৩০
(০৫.১২.২০১৯)

❤️

💚
💙

ভ্রমণ কি আপনার হৃদয়কে অনুপ্রাণিত করে? যদি আপনার উত্তর হয় হ্যাঁ, তবে আপনার স্বপ্নকে সত্যি করে তুলুন ভারতের হৃদয়ে ভ্রমণ করে এবং আবিষ্কার করুন এর মনোরম গন্তব্যগুলি।🏞️
আজকে আপনাদের নিয়ে যাবো "জব্বলপুরের ভেদাঘাটে"। যার চারপাশের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য আপনার মনের মধ্যে এক চরম প্রশান্তি প্রদান করবে।😍

মধ্য প্রদেশ এখানে আপনাকে প্রকৃতির এই যাদুটি দেখার জন্য স্বাগত জানায় এবং সুন্দর দর্শনীয় স্থানগুলি অবশ্যই আপনার মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলবে।👌💙

১৯৬১- জিস দেশ মে গঙ্গা বেহতী হ্যায় ছবির হিট গানের শুটিং ভেদাঘাটে হয়েছিল। এই গানে রাজ কাপুর এবং পদ্মিনী উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭৩- হিন্দি সিনেমা ববি তার ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যের সেটিংস হিসাবে ভেদাঘাট ব্যবহার করে।

১৯৭৪- সুনীল দত্ত, রেখা, প্রেমনাথ, জীবন, বিন্দু, মদন পুরি, এবং রণজিৎ অভিনীত বলিউড মুভি প্রাণ জায়ে পার বাচন না জায়ে ভেদাঘাটকে তার শিখরটির অবস্থান হিসাবে ব্যবহার করেছিল।

২০০১- হিন্দি ছবি অশোকার "রাত কা নশা অভি" গানটি নর্মদা নদীর তীরে মার্বেল পাথরের মধ্যে ভেদাঘাটে শ্যুট করা হয়েছিল।

২০১৩- স্টার প্লাস টিভি সিরিজ মহাভারতের উদ্বোধনী পর্বে ভেদাঘাটকে এমন জায়গা হিসাবে দেখানো হয়েছে যেখানে শান্তনু এবং সত্যবতীর দেখা হয়।

২০১৬ - ভেদাঘাটে হিন্দি চলচ্চিত্র মহেঞ্জোদারোর কুমিরের লড়াইয়ের দৃশ্য শুট হয়েছে।

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

 #অভিযান_২৯   (০৩.১২.২০১৯)  ❤️   💚  💙খাজুরাহো থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পান্না ব্যাঘ্র প্রকল্পটি এর প্রধান আ...
12/11/2020

#অভিযান_২৯
(০৩.১২.২০১৯)
❤️

💚
💙

খাজুরাহো থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পান্না ব্যাঘ্র প্রকল্পটি এর প্রধান আকর্ষণ বাঘ ছাড়াও অবিশ্বাস্য কিছু প্রাণী (নেকড়েবাঘ, হায়না, বন্য কুকুর, সম্বর হরিণ, চিতল হরিণ, নীলগাই) এবং পাখিদের দ্বারা সজ্জিত।
আঁকাবাকা "কেন নদী" এবং মনোমুগ্ধকর জলপ্রপাত দ্বারা বেষ্টিত পান্না জাতীয় উদ্যানটি বন্যপ্রাণী প্রেমী এবং অ্যাডভেঞ্চার সন্ধানী উভয়কেই আকর্ষণ করে।
কুমির পরিবারের সদস্য ঘড়িয়াল কেবল ভারতীয় উপমহাদেশে পান্না অঞ্চলেই দেখতে পাবেন। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের উদ্ভিদ এবং প্রাণীজগতে সমৃদ্ধ এই পান্না জাতীয় উদ্যান। এর আগে এই পার্কটি "পান্না, বিজাওয়ার এবং ছত্রপুর রাজ্যের" পূর্ববর্তী নিয়মে শিকারের জায়গা ছিল। ১৯৯৪ সালে পার্কটি ভারতের ২২তম ব্যাঘ্র প্রকল্প হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ইউনেস্কো বর্তমানে পান্নার প্রাকৃতিক অঞ্চলটিকে তাদের বিশ্ব জীবমন্ডল সংরক্ষণের আওতাভুক্ত করেছে।

মধ্যপ্রদেশের পান্না ল্যান্ডস্কেপ, যেখানে একবার বাঘের সংখ্যা শূন্যের দোরগোড়ায় নেমেগেছিল, এখন এটি ৩১টি প্রাপ্তবয়স্ক বাঘেদের বাসস্থান।

উপত্যকার "কেন" নদী দিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা জলপ্রপাতগুলির সাথে পান্না ব্যাঘ্র প্রকল্পটি অবশ্যই আপনার ভ্রমণ তালিকায় থাকা উচিত। প্রাকৃতিক বিস্ময় দর্শনের পাশাপাশি জঙ্গল সাফারির রোমাঞ্চের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ভুলবেন না। জিপসি সাফারির জন্য লগ ইন করুন - forest.mponline.gov.in

কলমে ©পুলক বাবু ✍️📖

ভিডিও সৌজন্যে Madhya Pradesh tourism official page 🙏❤️💙💚

08/11/2020

Please leave noting but your 👣
েতারহাট♥
#पहाड़ो_की_मल्लिका 🍁🌿🍂
👰
🏕🏔

Address

Ganga Sagar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুলক বাবুর ডাইরি - adventurous pulak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to পুলক বাবুর ডাইরি - adventurous pulak:

Share