28/11/2024
অপূর্ণতার গল্পঃ #
আমি পর্না , আমি একটা কর্পোরেট ফার্ম এ কর্মরত . আমার বেড়ে ওঠা স্কুল কলেজ সব কিছু কলকাতার কাছে একটি মফস্বল শহরে
কিন্তু এখন চাকরি সূত্রে আমি কলকাতাতেই থাকি
বাবা মা ওখানেই থাকেন আমি তাদের একমাত্র মেয়ে ,যথারীতি তারা আমাকে নিয়ে একটু বেশি চিন্তা করেন আমার বিয়ে ইত্যাদি
প্রতি টা মানুষের জীবনে একটা অতীত থাকে সেটা কারো একটু বেশি অন্ধ কার আবার কারো একটু কম তেমনি আমার ও একটা অতীত ছিল অনেক ঘাত প্রতিঘাত ওঠা পড়ার পরে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছি তাই হয়তো মা বাবা আমকে নিয়ে একটু বেশি চিন্তা করে ...
একদিন হঠাৎ করে একজন পরিচিতর সুবাদে একটা সম্মন্ধে আসে মোটামুটি সব ঠিকই চলছিল দুই পরিবারের কথা বার্তা হয় এবং তারা ঠিক করে যে এক বছর পর বিয়ে টা হবে
কিন্তু ঠিক এই সময় আমকে কাজের সূত্রে বাইরে চলে যেতে হয় সেখানে একজনের সঙ্গে পরিচয় হয় বন্ধুত্ব হয় যার কথা বার্তা আমার খুব ভালো লাগে মনে একটা আলাদাই অনুভূতির তৈরি করে পরে বন্ধুত্ব থাকে এটা একটা সম্পর্কের রূপ নেয় আমি আমার সব অতীত এর কথা খুলে বলি মানুষ টা সব শুনে সব টা মেনে নেয়, বাড়িতে জানানোর পর একটু ঝামেলা হলেও পরে মা বাবা মেনে নেয়
আর পর সব ঠিক থাকে কি ছিল বিয়ে টা সুস্থ ভাবে মিতে যায় সব টা বেশ ভালই চলছিল সমস্যা টা শুরু হয় ওই মানুষ আর কিছু খারাপ অভ্যেস নিয়ে, মাঝে রাতে মাদ্যাপ অবস্থা টা বাড়ি ফেরা,কারণে অকারণে মিথ্যে কথা বলা এগুলো নিয়ে,
কিছু বললেই শুরু হয় মানসিক নিগ্রহ ,যদিও সে একবারই আমার গায়ে হাত তুলেছিল আর পর অনেক ক্ষমা চায় তার পর কোনো দিন আমার গায়ে সে হাত তোলে নি তবে আমি মনে করি এর থাকে অনেক বেশি অপমান কষ্ট দেয় মানুষ কে মানসিক নিগ্রহ দিনের পর দিন মানসিক নিগ্রহ r অতীত এর কথা তুলে অশ্লীল ভাষায় গালি গালাচ এটাই আমার মতো অনেক মায়ের জীবন
কারণ আমরা যে মে এর পরে সব মেনে নিয়ে মানিয়ে নিয়ে চলাটাই নাকি আমাদের ধর্ম,
নাহলে আমরা ঘর ভাঙানি ,নিশ্চই আমাদের মধ্যে কোনো খুঁত আছে,
একদিন যে মানুষ তার কথা আমাকে মোহিত করত আজ সেই মানুষ তার কথা ক্ষত বিক্ষত করে আমার ভেতর টা তাও সব কিছু মেনে নিয়ে মানিয়ে নেয়াই আমাদের কাজ
আমাদের মনের খবর কেউ রাখে না ,বাবা মা ও খবর রাখে না কারণ তাদের পছন্দ করা একটা ভালো পরিবার ভালো ছেলে কে বাদ দিয়ে নিজের এইচ্ছেতে বিয়ে টা করেছিলাম.. তাই এভাবেই মেনে নিয়ে মানিয়ে নিয়ে কত মে বেঁচে আছে জীবন্ত লাশ হয়ে অপূর্ণতার জীবনে💔
Thank u to all
Anek din por abar likhlam jani na kamon hoyechhe