Global Study Services - GSS

Global Study Services - GSS This page deals with Study abroad and Tours and Travel ....

01/08/2025
09/07/2025

জাপানিজ ভাষা শিখে জাপান যাওয়া এখন সৌদি আরবে যাওয়ার চাইতে অনেক বেশি সহজ।

09/07/2025

🎌 জাপান থেকে পরিচালিত N5 ফ্রি অনলাইন ব্যাচ (শর্তসাপেক্ষে) 🎌

আমরা খুব শিগগিরই জাপান থেকে একটি N5 ফ্রি অনলাইন ব্যাচ শুরু করতে যাচ্ছি। প্রাথমিকভাবে ভালো সাড়া পেলে ব্যাচটি শুরু করা হবে।

👉 যদিও এটি একটি ফ্রি ব্যাচ, তবুও এটি পরিচালিত হবে ঠিক সেই নিয়মে যেভাবে পেইড ব্যাচ পরিচালিত হয়। কোনো নিয়মের ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র শিথিলতা করা হবে না।

✅ **আমাদের শর্তাবলি ও নিয়মাবলি:**

* শুধুমাত্র **সিরিয়াস ও নিয়মিত শিক্ষার্থীরাই** আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
* ক্লাসে ফ্রি ম্যাটেরিয়ালস সরবরাহ করা হবে।
**নিয়মিত এক্সাম নেয়া হবে।
* কোনো শিক্ষার্থী সর্বমোট ২টি ক্লাস মিস করলে তাকে আর ক্লাসে অংশ নিতে দেয়া হবে না।
**পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
** স্টুডেন্ট কে অবশ্যই মিনিমাম HSC পাশ হতে হবে এবং বয়স সর্বোচ্চ ২৮ হতে পারবে।
**বিশেষ সুযোগ:
প্রতি ব্যাচ থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ১ থেকে ৩ জন শিক্ষার্থীর JLPT পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফি আমরা সম্পূর্ণ ফ্রি তে বহন করবো।
এই সুযোগ পেতে হলে—

* প্রতিটি ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে
* প্রতিটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে
*ব্যাচে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করতে হবে

📩 আগ্রহী ও আন্তরিক শিক্ষার্থীরা আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

এই ব্যাচ শুধুমাত্র তাদের জন্য, যারা সত্যিকার অর্থেই জাপানিজ ভাষা শিখতে আগ্রহী এবং ভবিষ্যতে JLPT পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রস্তুত।

09/07/2025

জাপানে আসার আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব পরামর্শ

যারা জাপানে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে একটি বাস্তব পরামর্শ দিতে চাই। অনেকেই মনে করেন, যেভাবেই হোক N5 পাস করে জাপানে পৌঁছাতে পারলেই হবে। এরপর কাজ করে বাকিটা সামলে নেওয়া যাবে—এই চিন্তাধারা এখন আর বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না।

বর্তমানে জাপানে কাজের সুযোগ আগের মতো নেই। মানে ভাষা ভালো না জানলে কাজের সুযোগ অনেক কমে যায়। অনেক জায়গায় ইতোমধ্য কাজ কমে এসেছে। শুধু চাইলেই কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। যারা কাজ করছেন, তাদের অনেককেই চরম কষ্ট সহ্য করে রাতভর খেটে যেতে হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ‘ইয়ামাতো’ অর্থাৎ কুরিয়ার সার্ভিসে পণ্য বাছাইয়ের কাজটিকে জাপানের সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। কাজের চাপ এত বেশি যে এটি মানসিক ও শারীরিকভাবে অত্যন্ত কষ্টকর।

এই বাস্তবতায়, যদি আপনি জাপানে এসে একটু স্বস্তিতে কাজ করতে চান, তাহলে অন্তত N4 পর্যন্ত জাপানিজ ভাষার কোর্স দেশ থেকেই সম্পন্ন করে আসা উচিত। এতে কাজ পাওয়ার সুযোগ অনেক বেড়ে যায় এবং জাপানে এসে হঠাৎ করে বিপদে পড়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

অনেকে জানেন না, শুধু N5 সার্টিফিকেট থাকার পরও অনেক সময় COE (Certificate of Eligibility) আসে না। কিন্তু N4 থাকলে COE না আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এটা এজেন্সিগুলো সাধারণত বলে না। অথচ, দেশে থাকতেই মাত্র ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ করে আপনি N4 করে নিতে পারেন। তাহলে কেন আপনি জাপানে এসে দিনমজুরের মতো কাজ করে অন্তত ৪ লাখ টাকার মত খরচ করবেনN4 এর জন্য? শুধু টাকার ক্ষতি নয়, সেখানে এসে অন্তত ৬ মাস সময়ও নষ্ট হবে।

এমন অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা ভালো কোনো পার্টটাইম কাজ না পেয়ে দেশে থাকা পরিবারের কাছ থেকে আবার টিউশন ফি আনতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই আগে থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত।

পরিশেষে বলি, N4 থাকলে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১০০%, আর N5 থাকলে তা মাত্র ৫০-৬০%। এখন সিদ্ধান্ত আপনার—আপনি কি দেশ থেকে N5 করে জাপানে এসে কঠিন পরিশ্রম করে আবার N4 করবেন, নাকি একটু ধৈর্য ধরে দেশেই N4 করে জাপানে গিয়ে সহজভাবে জীবন শুরু করবেন?

ভালোভাবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিন। এটাই জাপানের বাস্তবতা।

07/07/2025

জাপানে অবস্থানরত ছাত্রছাত্রী নিয়ে কাজ করা এজেন্সি-সংক্রান্ত ভাই-বোনদের বলছি—

আপনারা যেভাবে নিজের চাহিদা পূরণ করতে প্রতি ছাত্র থেকে যে ৩ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন, সেই টাকা জোগাড় করতে অনেক পরিবারকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হচ্ছে। একবার আপনার বিবেককে নাড়া দিন!

জাপানে আপনি যে ব্লেজার পরে চাকচিক্যময় ছবি দিচ্ছেন, সেই পোশাকের আড়ালে লুকিয়ে আছে অনেক মায়ের কান্না, উপোস থাকা, এবং সেই সন্তানের গল্প—যে পড়াশোনা করতে এসে দিনমজুরে পরিণত হয়েছে। আমরা জাপানে অবস্থানরত অনেকের গল্পই জানি!! জানি তার পরিবারের খবর!!!

07/07/2025

আপনি যদি ১০ জন ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ২০–৩০ লাখ টাকা না নিয়ে বরং ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর ফাইল প্রসেস করে ৫০ লাখ আয় করেন, তাহলেও লাভবান হওয়া সম্ভব। এতে একদিকে যেমন আপনি উপার্জন করতে পারেন, অন্যদিকে জাপানে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর আসার সুযোগ তৈরি হয়। এতে করে শিক্ষার্থীদের পরিবারের উপর অর্থনৈতিক চাপও অনেক কমে আসে।

বর্তমানে জাপানে ভাষা শিক্ষার জন্য স্কুলভেদে ৭৮ থেকে ৮৩ মান পর্যন্ত খরচ হয়, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ লাখ ২৫ হাজার থেকে ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার মধ্যে পড়ে। সাধারণত, একজন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুল থেকে প্রায় ১০ মান বা এর আশেপাশে পর্যন্ত কমিশন পায় এজেন্সি গুলো।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আপনি বাসা ভাড়া দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ইয়েন (৬ মাসের জন্য) নিচ্ছেন। অথচ সেই শিক্ষার্থীকে আপনি কোথায় রাখছেন, কীভাবে রাখছেন, সেটির কোনো মানবিক বিবেচনা নেই। অনেক সময় দেখা যায়, একটি রুমে যেখানে ৩ জন থাকাই কষ্টকর, সেখানে ৪ জন করে শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে থাকছে। অথচ আপনি নিজে কোনো রুম শেয়ার করে থাকেন না, বরং থাকেন বিলাসবহুল বাসায়।

এই ধরনের অনৈতিক আচরণ শুধু একজন ব্যবসায়ী বা দালাল হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবেও অমানবিক। তাই আমাদের আগে মানুষ হওয়া জরুরি—তারপর জাপানে শিক্ষার্থী পাঠানোর মতো সংবেদনশীল দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

06/07/2025

প্রিয় বাঙালি ভাইয়েরা, বিশেষ করে যারা জাপানে ল্যাংগুয়েজ স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী আনার কাজ করেন—এই বার্তাটি আপনাদের জন্য।

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, যারা ভাষা শিখতে জাপানে আসে, তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা অধিকাংশ সময়ই খুব স্বচ্ছল নয়। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে জমি-বাড়ি বিক্রি করে, লোন নিয়ে, এমনকি চড়া সুদে টাকা ধার করে সন্তানকে জাপানে পাঠায়, শুধুমাত্র একটা ভালো ভবিষ্যতের আশায়।

ভাষা শেখানোর নামে শুরু থেকেই আপনি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা নিচ্ছেন—ধরলাম এখানে আপনার সরাসরি লাভ নেই। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখি, একজন ছাত্রের ফাইল প্রসেস করতে গিয়ে আপনি ১ থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘অফ দ্য রেকর্ড’ খরচ দেখান। অথচ ছাত্রের গার্ডিয়ানদের সামনে আপনি এমনভাবে আচরণ করেন যেন আপনি খুব আন্তরিক ও দয়ালু মানুষ।

এখানেই শেষ না। সেই ছাত্রকে যখন জাপানে আনা হয়, তখন যে বাসায় আপনি তাকে রাখেন, সেটার ভাড়ার পেছনেও আপনি একধরনের ফাঁদ পেতে বসে থাকেন। ভাড়ার যৌক্তিকতা নিয়ে অনেক ধরনের ব্যাখ্যা আপনি দিতেই পারেন, কিন্তু গত ৫ বছরে জাপানে থেকে যা দেখেছি, তা বলছে—আপনাদের অনেকেই এই ‘স্টুডেন্ট আনা’র কাজটিকে এক ধরনের ‘মানুষ মারার ব্যবসা’ বানিয়ে ফেলেছেন।

এরপর আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেন—নেপালি বা শ্রীলঙ্কান ছাত্র বাড়ছে, কিন্তু বাঙালি ছাত্র কমে যাচ্ছে কেন? অথচ আপনি জানেন না, বা জেনে না জানার ভান করেন, সেই বাঙালি ভাই যাকে আপনি ‘ধাপে ধাপে বুঝিয়ে’ টাকা খরচ করিয়ে এখানে এনেছেন—একসময় যখন সে সব কিছু বুঝতে পারে, তখন আপনাকে পিছন ফিরে “চুদির ভাই” বলেও গালি দেয়।

অথচ আপনি তখন অনেক টাকা কামিয়ে ফেলেছেন, আপনার ভেতর একধরনের আরাম ও প্রশান্তি চলে এসেছে।

এইভাবেই চলছে জাপানের এই 'স্টুডেন্ট মার্কেট'—যা ধীরে ধীরে একটি মানবিক সংকটের দিকে যাচ্ছে।

N5 অনলাইন ব্যাচ – সরাসরি জাপান থেকে পরিচালিত। আমাদের সাথে N5 কোর্স করে বেসিক কথোপকথন চালিয়ে যেতে পারবেন।আমাদের N5 অনলাইন...
05/07/2025

N5 অনলাইন ব্যাচ – সরাসরি জাপান থেকে পরিচালিত। আমাদের সাথে N5 কোর্স করে বেসিক কথোপকথন চালিয়ে যেতে পারবেন।

আমাদের N5 অনলাইন ব্যাচটি সরাসরি জাপান থেকে পরিচালিত হচ্ছে। জাপানি স্কুলে যেভাবে পাঠদান করা হয় এবং যে পাঠ্যপুস্তক ও ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করা হয়, আমরাও ঠিক সেগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখাবো।

ব্যাচ শুরু হওয়ার আগে আপনি চাইলে ২টি ট্রায়াল ক্লাসে অংশ নিতে পারেন।ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক হলে কমেন্ট বক্সে “নক” দিয়ে রাখুন। আমরা আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্লাস টাইম জানিয়ে দেবো।

ট্রায়াল ক্লাসে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, আমাদের ক্লাস অন্যান্যদের থেকে কতটা আলাদা — ইনশাআল্লাহ।

উল্লেখ্য যে ট্রায়াল ক্লাসে আমরা শুধু জাপানি বর্ণমালা নিয়ে নয়, বরং ব্যাকরণ, শব্দার্থ এবং প্রাথমিক কথোপকথন নিয়ে আলোচনা করবো।

>ট্রায়াল ক্লাস সময়: রাত ৯টা (বাংলাদেশ সময়) ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
>তারিখ : ২০ জুলাই
>নতুন ব্যাচ: ১ আগস্ট
>কোর্স ফি : ৪৫০০ টাকা।
তাছাড়া থাকবে অনেক চমকপ্রদ কিছু বিষয় যা আপনি ব্যাচে ক্লাশ শুরু করলে পাবেন!!!

27/06/2025

জাপান এবং একটি বাস্তবতা

জাপানে স্টুডেন্ট ভিসা | সতর্কতা | কিছু বাস্তব সত্য কথা 🇯🇵

জাপান — অনেকের কাছে স্বপ্নের দেশ।
বাংলাদেশের অনেকেই এই দেশে আসে স্টুডেন্ট ভিসায়,
ভালো একটা ভবিষ্যতের আশায়।
কিন্তু এই স্বপ্নের পেছনে লুকিয়ে থাকে এক কঠিন বাস্তবতা — যা অনেকেই আগে থেকে জানে না বা জানলেও বোঝে না।

বাংলাদেশ থেকে যারা স্টুডেন্ট ভিসায় জাপানে আসে, তাদের বেশিরভাগই হয় মফস্বল শহর বা গ্রামের মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। কিছু ভিন্নতা থাকতে পারে।

অনেকে জমি জমা বিক্রি, লোন নিয়ে বা ধার-দেনা করে এখানে আসে।
তাদের কাঁধে একটাই প্রত্যাশা চাপিয়ে দেয়া হয় —
“টাকা পাঠাবি, পারলে পড়াশোনাও চালাবি।”
তাদের জীবনটা হয় এরকম:

📌 সপ্তাহব্যাপী ক্লাস
📌 ছুটির দিনে বা রাতে পার্ট-টাইম কাজ (সীমিত ২৮ ঘণ্টার মধ্যে)
📌 নিজের জন্য রান্না বান্না সহ যাবতীয় কাজ
📌 নিজের বেতন দিয়ে স্কুল ফি, বাসাভাড়া, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, মোবাইল, ইন্টারনেট বিল ম্যানেজ করা!
📌 বেতন থেকে টাকা বাচিয়ে দেশে পরিবার কে দেয়া!

জাপানে কাউকে না চিনলে বা ভাষা না পারলে — চাকরি মেলে না, সাহায্য মেলে না, সঙ্গীও মেলে না।
এই একাকীত্ব, মানসিক চাপ আর পারিবারিক চাহিদার ভার — ধীরে ধীরে মানুষকে ভেতর থেকে গিলে ফেলে।



❗সাম্প্রতিক একটি ঘটনা:

একজন ছাত্র, দিনের পর দিন না খেয়ে, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি ছাড়া অন্ধকার ঘরে একা ছিল।
শেষ পর্যন্ত, সে নিজের ঘরে নিঃসঙ্গ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
তার দেহ উদ্ধার হয় মৃত্যুর ২-৩ দিন পরে।


🧭 তাই যারা জাপানে আসতে চান, বা যাদের পরিবার পাঠাতে চান — কয়েকটি কথা জেনে রাখুন:

🔹 এখানে জীবনটা সহজ না, একা থাকতে জানতে হয়
🔹 শুধু টাকার আশায় পাঠাবেন না — সন্তান মানসিকভাবে প্রস্তুত কিনা, সেটাও দেখুন
🔹 পরিবারকে বোঝান — তারা যেন শুধু টাকা না চেয়ে মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করে,
“তুমি কেমন আছো?”
🔹 নিজের পাশে কাউকে না পেলে ভেঙে পড়বেন না — সাহস করে বলুন, “ভাই, আসুন পরিচয় হই…”
🔹 যারা আগেই এসেছেন — দয়া করে আশেপাশে একটু খেয়াল রাখুন!


বিদেশে আমাদের কেউ নেই — যারা আছি আমরা-ই একে অপরের পরিবার।


আসলে মানসিক ভাবে শক্ত পোক্ত না হলে জাপান আপনার জন্য না! 🚫
Copied!!

住所

Oita Ken, Beppu Shi, Wakakusa Machi
Beppu-shi, Oita
874-0925

ウェブサイト

アラート

Global Study Services - GSSがニュースとプロモを投稿した時に最初に知って当社にメールを送信する最初の人になりましょう。あなたのメールアドレスはその他の目的には使用されず、いつでもサブスクリプションを解除することができます。

共有する

カテゴリー