Light of Dark অন্ধকারের আলো

Light of Dark অন্ধকারের আলো Peoples dynamic success history of life from root level, rude condition and also from rough and tough level. Other wise it will express the tourism video.

This page has been created for those perspectives

1. Life struggle of human and his recovery from rude of time. I think it is one kind of dark of human life

2. Persons success history from crucial moment and crucial environment

3. Invention, innovation and discovery (Back link of Success)

4. Tourism, hospitality, historical place videos what will create our mind cheerful


কয়েকটি বিষয়বস্তুকে বিবেচনায় নিয়ে গ্রুফটি গঠন করা হয়েছে।

১। আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মানুষের মাঝে এমন জন রয়েছেন যারা কঠিন সংগ্রাম আর ত্যাগ এর মাঝ দিয়ে জীবন সংগ্রামে সফল ব্যাক্তিত্ব

২। সমাজে ত্যাগি অথচ প্রচারবিমুখ মানুষগুলোর সেবাব্রত মানসিকতা ও সাফল্যের জন্য অনন্তর প্রচেষ্টার প্রেরণামূলক জীবন আলেখ্য

৩। সেই সব মেধাবী সন্তানদের প্রচেষ্টা যারা নিজ উদ্যোগ মেধা, যোগ্যতা আর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে আবিস্কারের, উদ্ভাবনের কঠিন প্রচেষ্টায় নিয়োজিত থেকে সফল।

৪। পর্যটন, সেবামূলক কোন প্রতিষ্ঠান, ঐতিহাসিক কোন স্থাপনার প্রবন্ধ এবং ভিডিও ক্লিপ যা আমাদেরকে অনুপ্রেরণা তৈরিতে সাহায্য করবে এবং একই সাথে তৈরি করতে পারে নির্মল আনন্দ।

24/07/2026

৭ এর ভিতর ৪৪টি দল !
বাংলাদেশের ইসলামী দলের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
(ক-) শুধুমাত্র জামায়াতে ইসলামী-১ গ্রুপ
(খ-) দেওবন্দী -১৩ গ্রুপ
(গ-) আহলে হাদিস- ১৫ গ্রুপ
(ঘ-) ব্রেলভী - ১৬ গ্রুপ

মোট = ৪৫ গ্রুপঃ

(ক) জামায়াত ইসলাম - ১ গ্রুপঃ

(খ) দেওবন্দী -১৩ গ্রুপঃ

১. তাবলিগ জামায়াত (দেওবন্দপন্থী)
২. তাবলিগ জামায়াত (সাদ কান্দলভিপন্থী)
৩. ইসলামী আন্দোলন (চরমোনাই)
৪. জমিয়তে ইসলাম (ওয়াক্কাস)
৫. জমিয়তে ইসলাম (নূর হোসেন)
৬. খেলাফত আন্দোলন
৭. খেলাফত মজলিস
৮. ইসলামী ঐক্যজোট (আজিজুল হক)
৯. ইসলামী ঐক্যজোট (আমিনি)
১০. ইসলামী ঐক্যজোট (মেসবাহুর রহমান)
১১. ইসলামী ঐক্যজোট (ইজহারুল ইসলাম)
১২. নেজামে ইসলাম
১৩. হেফাজতে ইসলাম

(গ) আহলে হাদিস - ১৫ গ্রুপঃ

১. জমিয়তে আহলে হাদিস
২. শুরাবায়ে আহলে হাদিস
৩. আহলে হাদিস আন্দোলন (গালিব)
৪. আহলে হাদিস আন্দোলন (আ: রাজ্জাক)
৫. আহলে হাদিস তাবলিগে ইসলাম
৬. জমিয়তে শুব্বানে আহলে হাদিস
৭. আহলে হাদিস যুব সংঘ (মুজাফফর)
৮. মাদখালে আহলে হাদিস (আকরামুজ্জামান)
৯. অল ইন্ডিয়া আহলে হাদিস
১০. আঞ্জুমানে আহলে হাদিস
১১. বঙ্গ ও আসাম জমিয়তে আহলে হাদিস
১২. সালাফি আহলে হাদিস
১৩. কুতুবি সালাফি আহলে হাদিস
১৪. সুরুলি সালাফি আহলে হাদিস
১৫. জমিয়তে আহলে হাদিস

(ঘ) ব্রেলভি - ১৬ গ্রুপঃ

১. আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত (চট্টগ্রাম)
২. ফুলতলী (সিলেট)
৩. দেওয়ানবাগী
৪. রাজারবাগী
৫. ফুলেশ্বরী
৬. সুরেশ্বরী;
৭. চন্দ্রপুরী
৮. এনায়েতপুরী
৯. আটরশী
১০. মাইজভাণ্ডারী
১১. ইসলামিক ফ্রন্ট (মতিন)
১২. ইসলামিক ফ্রন্ট (জুবাইর)
১৩. দাওয়াতুল ইসলাম
১৪. মুনিরিয়া তাবলিগ কমিটি
১৫. তরিকত ফেডারেশন
১৬. গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ

ইসলামের ভিত্তিতে একটি সুন্দর পৃথিবী ও দেশ গড়তে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশে ও আন্তর্জাতিক ভাবে ভুমিকা পালন করতে না পারলে এই মুসলিম নিধন আরও বিস্তৃত হবে। শুধু মুসলিম নয় মানব জাতির সংকট উত্তরণে ঐক্য বদ্ধ না হলে সবাইকে কাল হাশরের ময়দানে আল্লাহর কঠিন সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে,,,,
আল্লাহ সকল কে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আল্লার বিধান প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করার তাওফিক দান করুন।
কপি

মাওলানা মওদূদী রহ যদি ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকারকারী হন তাহলে মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানি ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী র...
20/07/2026

মাওলানা মওদূদী রহ যদি ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকারকারী হন তাহলে মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানি ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী রহ ও ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকারকারী-

গতকাল ঢাকায় জামায়াতের ওলামা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত 'ইসমতে আম্বিয়া' শীর্ষক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কওমি থেকে সদ্য জামায়াতে যোগদান করা মুফতি আহমদ শরিফ বিন আসাদ

তিনি গতকাল যে কাউন্টার গুলো দিয়েছেন তার সম্ভবত কওমির কেউ জবাব দিতে পারবেন না।

তিনি বলেনঃ মাওলানা মওদূদী রহ কে অপবাদ দেওয়া হয় যে তিনি নাকি ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকারকারী।৷ অথচ সূরা নসর এর (واستغفره) এর তাফসিরে মাওলানা মওদূদী বলেনঃ হে নবী আপনি নবুওতের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মানবীয় ত্রুটি থেকে ক্ষমা চান। "মানবীয় ত্রুটি"

আর এই একই আয়াতের তাফসিরে কওমিদের আকাবির মাওলানা মাহমুদুল হাসান দেওবন্দী রহ তার তাফসির গ্রন্থের ৩য় খন্ডের ৭৯৪ নং পৃষ্ঠায় বলেনঃ হে নবী আপনি আপনার ছোট ছোট গোনাহর জন্য ক্ষমা চান। "ছোট গোনাহ"

অথচ মাওলানা মওদূদী শুধু বলেছেন মানবীয় ত্রুটির কথা আর মাওলানা মাহমুদুল হাসান সরাসরি রাসূলের গোনাহের কথা বলেছেন। তবুও কওমীদের কাছে মাওলানা মাহমুদুল হাসান তাদের আকাবির আর মাওলানা মওদূদী ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকারকারী।

মুফতি আহমদ শরিফ আরো একটি উদাহরণ দিয়ে বলেনঃ মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানির একটি মাকতুবাত আছে (মাকতুবাতু শাইখিল হাদিস)। তিনি সেটার ১ম খন্ডের ২৬৪ নং পৃষ্ঠায় বলেনঃ হযরত মুসা আ তার রিসালাতের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিতাবুল্লাহ ছু্ড়ে ফেলে দিছেন যা তার উপর ওহী করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে বড় গোনাহের কাজ। এটা দেখতে গোনাহের মতো কিন্তু গোনাহ না।

হযরত মুসা আ এর মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানি রহ এত বড় কথা বলার পরও তিনি কওমীদের আকাবির আর মাওলানা মওদূদীর হয়ে গেছে আক্বিদা খারাপ।

আমার প্রশ্ন হলো, কওমি আলেমরাও কি তাহলে ইসমতে আম্বিয়া অস্বীকার করেন???

কপি

বলছিলাম না ,ইরান প্রথমে মাইর খায় কিন্তু দেয় শেষে!যখন তারা বুঝতে পারে শত্রুপক্ষ দুর্বল হইছে, গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে ঠিক তখ...
19/07/2026

বলছিলাম না ,ইরান প্রথমে মাইর খায় কিন্তু দেয় শেষে!

যখন তারা বুঝতে পারে শত্রুপক্ষ দুর্বল হইছে, গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে ঠিক তখন পাল্টা আক্রমণ করে।

৭ দিন টানা মাইর খাওয়ার পর গতদিন আর আজকে সাকসেসফুলি মাইর দিছে।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবকয়টা দেশের অ্যামে**রিকান ঘাঁটিতে নিখুঁত আক্রমণ করছে।

শুধু ঘাঁটিতে না! যেখানে বসে অ্যামে*রিকার সৈন্য, ইন্টেলিজেন্স ফোর্স প্ল্যান করে করে ইরানে হামলা করে সেখানে টার্গেট করে হামলা চালাইছে।

গতদিন জর্ডানে একটা ভয়ংকর হামলা করছে।

IRGC বলতেছে ,৫-৭ টা লক্ষবস্তুতে সরাসরি আঘাত করছে।

বহু অ্যামে*রিকান সৈন্য মারা গেছে আর অ্যামে*রিকার অত্যাধুনিক সামরিক বিমান ধ্বংস হইছে কিন্তু অ্যামে*রিকা তথ্য গোপন করতে চাইছে।

বলতেছে ,মাত্র ২ সৈন্য মারা গেছে!

কুয়েতে হামলা করছে, একটা অ্যাকাডেমিক সোসাইটি সেন্টারেও।

কারণ এই সেন্টারটা ব্যবহার করতো মূলত অ্যামে*রিকার সিকরেড বেইজ হিসেবে।

সৌদির দুইটা পয়েন্টে আক্রমণ করছে।

ঠিক তখনি যখন পাকিস্তান ইরানরে সিস্টেমে হুমকি দিছে যদি তোমরা সৌদিতে আক্রমণ করো তাহলে পাকিস্তান ইরানে আক্রমণ করতে বাধ্য হবে।

কারণ সৌদি -পাকিস্তান একটা সামরিক ডিল করছিলো যদি পাকিস্তান কিংবা সৌদিতে কেউ আক্রমণ করে তাহলে একই দেশের আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

তবে পাকিস্তানের হুমকির জবাবে গতদিন ইরান সৌদির ভিতরে সৌদির সম্পদে আক্রমণ করে পাল্টা জবাব দিছে।

ইরান বাহরাইনের একটা AI ল্যাবে আক্রমণ করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিছে।

নতুন করে ইরান সিরিয়াতে আক্রমণ করছে। যেখানে U*S ,Is**rael এর ইন্টেলিজেন্সরা ব্যবহার করতো।

কুয়েত, কাতার, দুবাই, ইরাকেও আক্রমণ করছে।

তবে একটা ভয়ংকর বাস্তবতা হলো ,ইরান এখন আর আগের মতো ডিফেন্সিভ মোডে নাই।

তারা পুরোপুরি অফেনসিভ মোডে ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করার প্ল্যানে আছে।

সেইম অ্যামে*রিকার স্টাইলে আক্রমণ করতে বাধ্য হবে আর শীঘ্রই পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করতে পারে।

যেখানে লক্ষবস্তু হতে পারে আরব দেশগুলোর ,এয়াপোর্ট, ওয়েল রিফাইনারি ,পানি শোধনাগার, বিদ্যুৎ, ব্রিজ, রাস্তা, বড় বড় স্থাপনা মানুষও লক্ষবস্তুতে পরিনত হতে পারে।

ইরানের দাবি, অ্যামে*রিকা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূমি আর আরব শাসকদের সমর্থন ব্যবহার করেই ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাচ্ছে।

ইরান চাইলে কয়েক ঘণ্টায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলো তামা তামা করে দিতে পারে।

এবার হয়তো ইরান তাদের উচিত শিক্ষা দিতে ওমান বাদে পুরো মধ্যপ্রাচ্যেকে ১০-১৫ বছর পিছিয়ে দেয়ার মিশনে নামবে।

কারণ ইরানের বেঁচে থাকার লাইফ লাইন মধ্যপ্রাচ্যকে কন্ট্রোলে রাখা। অ্যামেরিকাকে মধ্যপ্রাচ্যে থেকে বিতারিত করা।

যদি ইরান ফুলস্কেলে যুদ্ধ শুরু করে তাহলে হয়তো পুরো পৃথিবী বিপদে পড়বে তবে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে বাংলাদেশ।

এমুহূর্তে বাংলাদেশি প্রবাসী ভাইদের উচিত ,মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সবাই নিজেরা সর্বোচ্চ সেইফে থাকা।

বিশেষ করে অ্যামেরিকার ঘাঁটির আশেপাশে না থাকা। এমুহূর্তে অযথা ঘোরাফেরা করা ঠিক হবে না।

কারণ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর এক সূত্র 'ফার্স নিউজ মিডিয়াকে জানাইছে,

যদি আজ রাতে আমেরিকা, ইরানের বেসামরিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারে হামলা চালায়, তাহলে দুবাই আর আবুধাবির সিটিজেনদের নিরাপত্তার স্বার্থে তারা যেন দুবাই ও আবুধাবির বিমানবন্দর এবং ফুজাইরাহ ও জেবেল আলির বন্দরগুলো অবিলম্বে খালি করে সরে যায়।

গতদিন টাইমলাইন দিছিলো ৩ দিনের আগে দুইদিন হবে।

তারপরেও অ্যামেরিকা কাপুরুষোচিত আক্রমণ করেই যাবে।

কারণ তাদের মিশন ভিশন আবরদের দিয়া ইরানের সাথে কামড়াকাড়ি লাগাইয়া দিয়া অ্যামেরিকা অস্ত্র ব্যবসা করবে।

তারমানে বাংলাদেশি যারা আছেন সাবধানে থাকিয়েন, নিরাপদ দূরত্বে থাকার চেষ্টা কইরেন।

ঐ দেশে থেকে ইরানের পক্ষ নিয়ে কিছু বলারও প্রয়োজন মনে করি না।

আর বাংলাদেশ সরকারকেও পূর্ব পরিকল্পনা নিতে হবে। জ্বালানি সমস্যায় পড়ার চান্স অনেকটা বেশি।

জ্বালির বিকল্প বাজার চিন্তা করতেই হবে।

প্রবাসীদের নিয়েও ভাবতে হবে।

যদি ফুলস্কেলে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে নিশ্চিত থাকেন মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত প্রায় ৬০ লাখ প্রবাসীরা ঝাঁকে ঝাঁকে দেশে ফিরতে পারে।

অনেকে কর্মসংস্থান হারাতে পারে তাদের নিয়েও সরকারকে নতুন করে ভাবতে হবে।

তবে প্রবাসী ভাইদের জন্য আমাদের দোয়া রইলো,

মজলুমদের বিজয় হোক, পৃথিবী শান্ত হোক, যুদ্ধ ,প্রাণহানি বন্ধ হোক!!!!
আনিসুর রহমান

17/07/2026
17/07/2026

আমেরিকা আজ হামলা করেছে ব্রিজ, রেলস্টেশন এবং নেটওয়ার্ক টাওয়ারে। ইরান ব্রিজের সেখানে দেখলাম বিকল্প রাস্তা তৈরি করাও শেষ করেছে।

ইরান আজ পুরোদমে পুরো মধ্য জুড়ে হামলা শুরু করেছে।
ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সিরিয়া এবং জর্ডানে।

ওমানে থাকা মার্কিন রাডার মিশাইল মেরে ধ্বংস করেছে।
কাতারের আল উদেদ মার্কিন বিমান ঘাটিতে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করেছে। সেখানে একাধিক বিমান ধ্বংস হয়েছে।
কুয়েতের আমেরিকান বেইজে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করেছে। লজিস্টিক সাপোর্ট সেন্টার ধ্বংস হয়েছে।

আগেই বলে রাখি ইরান এখন সেজিল মিশাইল দিয়ে হামলা করছে, আর ড্রোন ব্যবহার করছে আরাস-২।

বাহরাইনে হামলা করেছে মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে -- আমেরিকান ঘাটি, অয়েল রিফাইনারিজ ধ্বংস হয়েছে ।

আজ এই প্রথম সিরিয়াতেও হামলা করেছে। মার্কিন কমান্ড সেন্টার সেখানেই অবস্থিত। এবং হামলা করেছে সেখানেই। একযোগে মিশাইল এবং ড্রোন হামলা করে।
কয়েকটি যুদ্ধ বিমান ধ্বংস হয়েছে।

জর্ডানে আমেরিকান বেইজে পুনরায় আজ হামলা করেছে মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে।

এখন ইরান সব সময় মিশাইল এবং ড্রোন দিয়ে একযোগে হামলা চালাচ্ছে। ইন্টারসেপ্টর এক মিশাইল সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছে ড্রোন আটকাবে কখন? তাই প্রতিটা স্থানে হিট করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে সিরিয়াতে।
যুদ্ধবিমান F35, F15 কয়েকটি ধ্বংস হয়েছে।
হরমুজ এলাকায় আমেরিকার বিখ্যাত ড্রোন Q 9 ভূপাতিত করেছে ইরান।

ইরানের স্পিকার গালিবাফ বলেছেন ইরান তার সর্বোচ্চ শক্তি প্রকাশ করা ছাড়া আর উপায় নেই। মানে হইলো ইরান মনে হয় নিউক্লিয়ার উন্মোচন করতে যাচ্ছে।

বারাকাল্লাহ ফি ইরান।

⭕ ইরান সরাসরি কুয়েতে থাকা একটি মার্কিন ভূমি-থেকে-ভূমিতে (Surface to Surface) নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিতে হামলা...
17/07/2026

⭕ ইরান সরাসরি কুয়েতে থাকা একটি মার্কিন ভূমি-থেকে-ভূমিতে (Surface to Surface) নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারিতে হামলা চালিয়েছে।

⭕ গত ৬ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের বেশ কয়েকটি রেলওয়ে সেতুতে হামলা চালিয়েছে। যদিও হামলার পরিধি সীমিত ছিল এবং এটি অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক আক্রমণ নয়, তবুও ইরানের দৃষ্টিতে এটি একটি স্পষ্ট 'রেড লাইন' অতিক্রম করেছে।

⭕ গতকাল টানা ২-৩ ঘন্টা বাহরাইন ও কুয়েতে সাইরেন বেজেছে; বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিশেষ করে বাহরাইনে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

⭕ জর্ডানের ওপর বৃহৎ পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

⭕ ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বাহরাইনে মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকা আল-ধিল (Al-Dhil') সামরিক শিবিরে সরাসরি আঘাত হেনেছে।

⭕ ইরান একই সাথে চারটি দেশের দিকে মিসাইল-ড্রোন নিক্ষেপ করেছে— বাহরাইন, কুয়েত, ইরাক ও জর্ডান।

⭕ ইরান বাহরাইন ও সৌদি আরবকে সংযুক্তকারী কিং ফাহদ সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, এটি দক্ষিণ ইরানের রেলসেতুগুলোতে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে। (ইরান চাইলে এটা পুরো ধ্বংস করতে পারতো কিন্তু করে নাই, ওয়ার্নিং ছিলো)

⭕ কাতারে প্রবল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির ওপর বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে এবং একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের চেষ্টা করা হলেও দোহায় অন্তত ৩–৪টি সরাসরি আঘাতের খবর এসেছে। টোটাল ৮-১২ টি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে (বাংলাদেশী লোকাল সোর্স আমাদের জানিয়েছে)

⭕ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের চাবাহার অঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে।

⭕ ইরানের চাবাহার ও অনান্য বেসামরিক এলাকায় হামলার প্রতিবাদে ইরান— বাহরাইনের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি BAPCO (Bahrain Petroleum Company) তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে।

⭕ মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের (5th Fleet) সদর দপ্তর একটি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

⭕ বড় চমক: আইআরজিসি (IRGC) ঘোষণা করেছে যে অপারেশন নাসর-২-এর সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দক্ষিণ সিরিয়ার আল-তানফে (Al-Tanf) অবস্থিত মার্কিন বিশেষ বাহিনীর কমান্ড সেন্টারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

তাদের দাবি অনুযায়ী, এই আকস্মিক হামলায় একটি রাডার ব্যবস্থা ও একাধিক হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা নিহত হয়ে
BACK WE ARE SO BACK

04/07/2026

একদিন মহানবী (সা.) সাহাবিদের নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। তিনি পরপর তিন দিন ঘোষণা করেন, "এখন তোমাদের সামনে জান্নাতি একজন লোক প্রবেশ করবেন।" প্রতিবারই একজন সাধারণ আনসারি সাহাবি প্রবেশ করেন।সাহাবি আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের জন্য ওই সাহাবির বাড়িতে তিন দিন অতিথি হন। তিনি লক্ষ করেন, ওই সাহাবি রাতের বেলা অতিরিক্ত কোনো নফল ইবাদত বা বিশেষ আমল করতেন না। তখন তিনি এর কারণ জানতে চাইলে ওই সাহাবি জানান, তিনি কারো প্রতি অন্তরে হিংসা রাখতেন না এবং কারও কোনো অকল্যাণ কামনা করতেন না।মুসনাদে আহমাদের বর্ণনামতে ওই সাহাবির বিশেষত্ব ছিল:তিনি কখনও কোনো মুসলিমের ক্ষতি চাননি বা কারো প্রতি অন্তরে বিদ্বেষ ( malice) পুষে রাখেননি।আল্লাহ কাউকে কোনো নিয়ামত দিলে তিনি তাতে কখনো ঈর্ষান্বিত হননি।এই পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী হওয়ার কারণেই প্রিয় নবী (সা.) তাঁকে জান্নাতি বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

ইসকন ও ভারতের *ইশারায় বাংলাদেশের ৬৩০ টি থানার ৫১২জন ওসি হিন্দু / সমাজ শৃঙ্খলা কোনদিন ভালো হবে না *!!তাহলে এদেশে আইন শৃঙ...
04/07/2026

ইসকন ও ভারতের *ইশারায় বাংলাদেশের ৬৩০ টি থানার ৫১২জন ওসি হিন্দু / সমাজ শৃঙ্খলা কোনদিন ভালো হবে না *!!তাহলে এদেশে আইন শৃঙ্খলা কেমন করে ভালো হবে* আপনারা বলেন, সচিবালয় মন্ত্রী এমপি ডাক্তার সব জায়গায় হিন্দু বসায় রাখছে একটি মুসলমানের রাষ্ট্র সবচেয়ে বড় জায়গায় যদি হিন্দু হাতে ক্ষমতা থাকে তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যতে অনেক বড় ক্ষতি হবে এটা ১০০% সিওর ゚viralシfypシ゚viralシalシ #ভারতসীমন্ত ゚

 #কী_অদ্ভুত_এক_দর্শন!______________________যে নীতি নিজের আকাবীরদের বেলায় প্রযোজ্য, সেই নীতি মাওলানা ম‌ওদূদীর বেলায় যেন...
03/07/2026

#কী_অদ্ভুত_এক_দর্শন!
______________________
যে নীতি নিজের আকাবীরদের বেলায় প্রযোজ্য, সেই নীতি মাওলানা ম‌ওদূদীর বেলায় যেন সম্পূর্ণ অপ্রযোজ্য।
​মুফতি আমিনী (রহ.)-এর কোনো বক্তব্যের সমালোচনা করার আগে যদি "পরের লাইন এবং শেষ পাতা" দেখে মন্তব্য করার নীতি মানা হয়, তবে মাওলানা মওদুদীর বেলায় কেন সেই শেষ পাতাটি দেখা হয় না?
মুফতি আমিনীর মতো মাওলানা ম‌ওদূদী (রহ.)-ও কোনো এক জায়গায় হযরত মুয়াবিয়া রা.-এর কোনো কাজের সমালোচনা করেছেন, কিন্তু অন্য জায়গায় ঠিকই তাঁর উচ্চ প্রশংসাও করেছেন।

​দেওবন্দি কিতাবগুলো হযরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর সমালোচনায় ভরপুর। কিন্তু সেগুলো সামনে আসলে ঠিকই সুন্দর সুন্দর ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হয়, সেখানে "পরের পৃষ্ঠা পড়ার" সবক দেওয়া হয়। অথচ ঠিক এক‌ই কাজ যখন মাওলানা ম‌ওদূদীর বেলায় আসে, তখন আমরা সেই নীতি বেমালুম ভুলে যাই!

#আহ্_ইনসাফ!
Aslam Hussain

03/07/2026

ভাইরাল ভিডিওটার পর টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের ওই কর্মকর্তা এরপর কী করেছে জানেন?

গতকাল আমি এ নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম। এরপর মাছরাঙা টেলিভিশন এই বিষয়টা নিয়ে আরেকটা রিপোর্ট করেছে এবং যে সাংবাদিক এই রিপোর্টটা করেছে; তিনি আমাকে পুরো রিপোর্টটা পাঠিয়েছেন। যদিও নাইমুর হোসেন নামে মাছরাঙা টেলিভিশনের এই সাংবাদিককে আমি চিনি না। আমার 'আদার বক্সে' এসছে মেসেজটা এবং তাঁর মেসেজ আমার চোখে পড়েছে।

গ্রাহকের নাম সকল ডকুমেন্টে ইংরেজিতে Johora আছে। এনআইডি থেকে শুরু করে এডুকেশনাল সার্টিফিকেট সকল জায়গায় ইংরেজিতে Johora আছে। হয়ত কোন একটা ডকুমেন্টে বাংলায় এসেছে জহুরা। এখন এই পাসপোর্ট কর্মকর্তা গ্রাহককে জোর করে বলছিলেন

- ইংরেজিতে Johura করে নিয়ে আসেন।

আমরা সবাই ভিডিওটা দেখেছি। কেন তিনি এটা করেছেন, সেটাও বুঝতে পেরেছি। গতকালই লিখেছি এ নিয়ে- তিনি ঘুষ খাবেন। এরপর বেগম পাড়া বানাবেন। এলাকায় স্কুল, কলেজ, মসজিদে দান করে দানবীর হয়ে যাবেন। এইসবই এরা করে বেড়ায়। এরা রোহিঙ্গাদের টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট দিয়ে দেয়। আর বাংলাদেশি নাগরিরা ঘুষ না দিলে কী করে; সেটা তো দেখতেই পেয়েছেন। এখন কী হয়েছে জানেন?

ভুক্তভোগী মাসুদ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এরপর এই পাসপোর্ট কর্মকর্তা মাসুদের বাড়িতে লোক পাঠিয়েছে। বলেছে- এক দিনের মাঝেই পাসপোর্ট করে দিবে। মামলা তুলে নিতে বলেছে। মাসুদ রাজি না হওয়ায় এখন নাকি রীতিমত তাঁদেরকে হুমকি দেয়া হয়েছে। মাসুদ নিজেই এটা জানিয়েছে।

একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় মাসুদকে এখন পালিয়ে থাকতে হচ্ছে। আর পাসপোর্ট কর্মকর্তা টেলিভিশনে ইন্টার্ভিউ দিয়ে বলেছেন

- আমাকে হেয় করার জন্য ভিডিও করা হয়েছে।

আপনি কে এমন যে, আপনাকে হেয় করার জন্য ভিডিও করতে হবে? আপনি তো নাম পরিবর্তন করে নিয়ে আসতে বলেছিলেন। এখন একদিনেই কীভাবে পাসপোর্ট করে দেয়ার প্রস্তাব করেছেন? আপনার হাতে কি ম্যাজিক আছে নাকি? নাকি ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে এখন সব ঠিক!! একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। আপনারা তো প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষকে এভাবে হয়রানি করেন।

বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন- এই লোক এখনও কীভাবে নিজ দায়িত্বে বহাল আছে? তাঁকে কেন এখনও বরখাস্ত করে আইনের আওাতায় আনা হলো না? আর কী প্রমাণ আপনাদের লাগবে?

আপনারা যারা এই লেখাটা শেষ পর্যন্ত পড়েছেন। প্রতিবাদ করুন। না পারলে লেখা শেয়ার করুন। আপনাদের কি পদে পদে এমন হয়ারানির মাঝ দিয়ে যেতে হয় না? বাংলাদেশের যে কোন সরকারি অফিসে গেলে ফিরে আসার সময় মন ছোট হয়ে যায়। নিজেকে শরণার্থী মনে হয়।

অথচ বিদেশে থেকে আমরা মাথা উঁচু করে সরকারি অফিসে যাই। ওরাই উল্টো আমাদের স্যার স্যার করে জিজ্ঞেস করে- কীভাবে সাহায্য করতে পারি। আর বাংলাদেশে? আমাদের ট্যাক্সের টাকায় যাদের বেতন হয়; তাঁরা ঘুষ খেয়ে, অন্যায় করে ধরা পরার পরও উল্টো ভুক্তভোগীকে হুমকি দিচ্ছে।

এটা কেবল একটা কেইস স্টাডি। আবজাউল আলম নামের টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের এই সহকারী পরিচালকের যদি বিচার না হয়। এই ঘটনার পরও যদি তিনি পার পেয়ে যান। তাহলে জেনে রাখুন- বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি কিংবা ঘুষ-অন্যায় কোন দিন আর দূর হবে না। এই ভাগাড়েই আপনাদের থাকতে হবে। তাই প্রতিবাদ করুন।
Aminul Islam

Address

Kuala Lumpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Light of Dark অন্ধকারের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Light of Dark অন্ধকারের আলো:

Shortcuts

Share