Light of Dark অন্ধকারের আলো

Light of Dark অন্ধকারের আলো Peoples dynamic success history of life from root level, rude condition and also from rough and tough level. Other wise it will express the tourism video.

This page has been created for those perspectives

1. Life struggle of human and his recovery from rude of time. I think it is one kind of dark of human life

2. Persons success history from crucial moment and crucial environment

3. Invention, innovation and discovery (Back link of Success)

4. Tourism, hospitality, historical place videos what will create our mind cheerful


কয়েকটি বিষয়বস্তুকে ব

িবেচনায় নিয়ে গ্রুফটি গঠন করা হয়েছে।

১। আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য মানুষের মাঝে এমন জন রয়েছেন যারা কঠিন সংগ্রাম আর ত্যাগ এর মাঝ দিয়ে জীবন সংগ্রামে সফল ব্যাক্তিত্ব

২। সমাজে ত্যাগি অথচ প্রচারবিমুখ মানুষগুলোর সেবাব্রত মানসিকতা ও সাফল্যের জন্য অনন্তর প্রচেষ্টার প্রেরণামূলক জীবন আলেখ্য

৩। সেই সব মেধাবী সন্তানদের প্রচেষ্টা যারা নিজ উদ্যোগ মেধা, যোগ্যতা আর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে আবিস্কারের, উদ্ভাবনের কঠিন প্রচেষ্টায় নিয়োজিত থেকে সফল।

৪। পর্যটন, সেবামূলক কোন প্রতিষ্ঠান, ঐতিহাসিক কোন স্থাপনার প্রবন্ধ এবং ভিডিও ক্লিপ যা আমাদেরকে অনুপ্রেরণা তৈরিতে সাহায্য করবে এবং একই সাথে তৈরি করতে পারে নির্মল আনন্দ।

15/06/2026

Iran Shot Down US RQ Drone

13/06/2026

ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত গ্যাং 'ত্রেন দে আরাগওয়া' (Tren de Aragua)-এর নেতাকে হত্যা করেছে। এটি দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম ও সবচেয়ে মারাত্মক গ্যাং, যার কার্যক্রম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রয়েছে।

আল্লাহ শ্রী রাজেশ শর্মার দোয়া কবুল করেছে।ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধনী ব্যবসায়ী রাজেশ শর্মা কিছুদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে বল...
13/06/2026

আল্লাহ শ্রী রাজেশ শর্মার দোয়া কবুল করেছে।

ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধনী ব্যবসায়ী রাজেশ শর্মা কিছুদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে- যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইলের উচিত ইরানকে গাজার মতো ধ্বংস করে দেওয়া, আর ক্লিনিক্যালি স্ট্রাইক করে (অতি নিখুঁত হামলার মাধ্যমে) মেরে সাফ করে দেওয়া। সে গাজা যুদ্ধ চলাকালেও ফিলিস্তিনি মুসলিমদের মেরে সাফ করার দোয়া করে পোস্ট করেছিল।

দেরিতে হলেও আল্লাহ তার দোয়া কার্যকর করেছেন! গত ১০ জুন তারিখে হরমুজ প্রণালীতে থাকা পালাউ রাষ্ট্রের পতাকাবাহী তেলের টেঙ্কার জাহাজ এমটি সেটিবেলো (MT Settebello) তে মিসাইল হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে ঐ জাহাজের চার নাবিক ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। চারজনই ভারতীয় নাগরিক। এদের মধ্যে এক নাবিকের নাম আদিত্য শর্মা, বয়স ২৩ বছর।
আদিত্য শর্মা হলো ভারতীয় ব্যবসায়ী রাজেশ শর্মার একমাত্র সন্তান।
আলহামদুলিল্লাহ্, আল্লাহ রাজেশ শর্মার দোয়া কবুল করেছে।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি, হিন্দুস্তান টাইমস)

ধন্যবাদ
মাসুদ আলম

বুকটা কেঁপে উঠেছে। এক ছেলে সচিব, আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক, মেয়ের জামাইও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সেই মাকে কিনা মরে পড়ে থা...
02/06/2026

বুকটা কেঁপে উঠেছে। এক ছেলে সচিব, আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক, মেয়ের জামাইও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সেই মাকে কিনা মরে পড়ে থাকতে হয়েছে ৭ দিন। কেউ খোঁজ নেয় নাই। শরীরে পোকা ধরেছে। সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক আমি; তাই কিছু বিষয় বিশ্লেষণ করার দরকার মনে করছি।
তখন ঢাকার নামকরা আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছি। এটি একটি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বেশিরভাগ শিক্ষকই বুয়েট থেকে পাশ করা। আর আমি পড়াই সমাজ বিজ্ঞান। গিয়েছি পরীক্ষার হলে ডিউটি দিতে। সেখানে এক শিক্ষকের সাথে পরিচয় হলো। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষক এবং বুয়েট থেকে পড়ে এসছেন। আমি তখন মাত্রই সুইডেন থেকে মাস্টার্স শেষ করে দেশে ফিরেছি। আমাকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন
- আপনি সমাজ বিজ্ঞান পড়েছেন কেন? এই সাবজেক্ট পড়ে কী হয়?
আমার আর রুচি হয়নি তাঁকে উত্তর দেবার। তিনি যদি সত্যিই জানার জন্য প্রশ্ন করতেন; তাহলে উত্তর দিতাম। কিন্তু তিনি রীতিমত আমাকে ছোট করার জন্য এই প্রশ্ন করেছিলেন। কারন তিনি মনে করেন- ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে জগতের সব চাইতে বড় মানুষ হয়ে গেছেন!
আর সচিবদের কথা কী বলবো। সিস্টেম এদের যে পরিমাণ ক্ষমতা দিয়ে রেখেছে; এরা তো চাকরি পাবার পর আর নিজেদের মানুষই মনে করে না। একেক জন রীতিমত রাজা-মহা-রাজা। দেখুন, আমাদের সমাজ শেখায় - যে করেই হোক সফল হতে হবে। আর সফলতার সংজ্ঞা কী?
এই মায়ের ছেলে-মেয়েরা। কেউ সচিব, কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কেউ ক্যানাডায় থাকছে। কিন্তু এদের কারও নিজের মায়ের কথা মনে হয় নাই ৭ দিন! হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, ৭ দিন! আমার মা একজন অশিক্ষিত মানুষ ছিল। ১৩ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে গেলে আর পড়বে কীভাবে? সেই মা আমাদের শিখিয়েছেন
- আগে মানুষ হও। এরপর অন্য কিছু।
বাসার গৃহকর্মীকে একবার ছোট বেলায় বকে দিয়েছিলাম- দেরি করে পানি নিয়ে আসার জন্য। এই জন্য আমার বাবা প্রায় দুই সপ্তাহ আমার সাথে কথা বলেন নাই। যতক্ষণ পর্যন্ত আমি ওই ছেলের কাছে ক্ষমা না চেয়েছি, ততক্ষণ তিনি আমার সাথে কথা বলেন নাই। আমাকে পরিষ্কার করে বলেছিলেন
- ছেলেটা ভাগ্য দোষে বাসায় কাজ করছে। এই ভাগ্য তোমারও হতে পারতো।
সেই যে কারও সাথে উঁচু গলায় কথা বলা ছেড়েছি। এই ৪৬ বছর বয়সে এসেও কোন দিন কারও সাথে উঁচু গলায় কথা বলি নাই। আর আমাদের পরিবারগুলো কী শেখায়?
আপনি যেভাবেই হোক সফল হন। আর সফল হয়ে গেলে অন্য মানুষদের কেউ মানুষই মনে করছে না। এইসব পরিবার থেকেই শিখে আসে। আমার মা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। বিদেশে থাকি। তবুও মায়ের সাথে দুই দিন কথা না বললেই হাঁসফাঁস লাগতো। আর এই সচিব কিংবা বুয়েটের শিক্ষক ছেলের ৭ দিনেও মায়ের কথা মনে হয় নাই। কেন হয় নাই?
কারন সমাজ তাঁদেরকে এত বড় মনে করে যে, আশপাশের সবাই তাঁদের স্যার স্যার করছে। হুজুর হুজুর করছে। তো মায়ের কথা মনে হবে কেন? আমার লেখা যারা পড়েন, আমি ধরে নেই - এরা কোন সাধারণ পাঠক না। কারন বিশাল বিশাল লেখা লিখি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জটিল বিষয় বিশ্লেষণ করি। যদি সাধারণ লেখা লিখতাম, হয়ত এত দিনে আমার মিলিয়নের উপর পাঠক থাকতো। কিন্তু আমি সেই পথে যাই নাই। তো, এই পাঠকদের মাঝেও কেউ কেউ এসে মাঝে মাঝে বলে
- এই যে বাংলাদেশ নিয়ে এত লিখেন। সমালোচনা করেন। দেশের জন্য কিছু করেছেন?
অর্থাৎ এরা মনে করে- দেশের জন্য কিছু করতে হলে সচিব হতে হবে। মন্ত্রী-মিনিস্টার হতে হবে কিংবা দেশেই শিক্ষকতা করতে হবে। আমি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বই লিখছি, দেশ-সমাজ, রাজনীতি নিয়ে দেশের সেরা পত্রিকাগুলোতে কলাম লিখছি। এই যে লিখে বার্তা দিচ্ছি। মানুষের মগজে ঢোকার চেষ্টা করছি কিংবা মানসিকতা পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। যুগের পর যুগ বিদেশে থেকেও দেশের জন্য লিখছি। এরা এটাকে দেশের জন্য কোন কাজ মনে করে না! কেন করে না?
কারন এদের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র এদের শিক্ষা দিয়েছে- বড় পদ, পদবীর মানুষরাই সফল। এরাই দেশের জন্য কাজ করছে। মানে একজন লেখক, সমালোচককে এরা মানুষের পর্যায়েই ধরছে না। আমাকে কিছুদিন আগে খুব কাছের এক বন্ধু বলেছে
- কিরে তুই মন্ত্রী হবি না?
আমি আকাশ থেকে পড়েছি! আমি কোন দুঃখে মন্ত্রী হতে যাব? তাহলে সে এই প্রশ্ন কেন করেছে?
- কারন মন্ত্রী হতে পারাটাকেই সে সফল মনে করছে।
আমি যে দিন-রাত সিস্টেমের বিরুদ্ধে লিখছি। দাসত্বের সিস্টেমের বিরুদ্ধে বলছি। এটাকে সে কোন কাজ বা সফলতা মনে করছে না। আপনি যখন এমন একটা সমাজ গড়ে তুলবেন। তখন তো এইসব বিষয় স্বাভাবিকই হবে।
কোন পত্রিকা এই সন্তানদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেছে? কেন করে নাই? কারন এরা সমাজের উঁচু স্তরে বাস করে। পত্রিকারও সাহস নাই এদের নাম প্রকাশ করার। কিন্তু যদি কোন সাধারণ পরিবার হতো। দেখতেন সবার ছবি সহ প্রকাশ করে দিত। অথচ বাংলাদেশের আইনে বাবা-মায়ের দেখভাল করা, তাঁদের সাথে থাকার কথা পরিষ্কার করে লেখা আছে। নইলে এটি অপরাধ। ২০১৩ সালে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইনের ধারাগুলো পড়ে দেখবেন। অর্থাৎ সবাই ওই সফলদেরই পূজা করা! ওদের সাত খুন মাফ!
আমরা যখন ১৫-২০ বছর আগে পত্রিকায় ক্রমাগত লিখে গেছি- এভাবে চললে এই সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। কেউ শুনেছেন আপনারা? এই দেশকে তো শিক্ষিত মানুষরাই ভাগাড় বানিয়ে রেখেছে। কোন অশিক্ষিত মানুষ কি এই রাষ্ট্র চালায়?
উচ্চ শিক্ষিত মানুষগুলো, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ে এসে সচিব হয়, শিক্ষক হয়; এরপর বড় বড় পর -পদবী পায়। এরাই এই দেশটাকে শেষ করে দিয়েছে। বাংলাদেশে এখন কোন মানুষ বাস করে না। এখানে বাস করে কিছু সচিব , ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, মন্ত্রী-এমপি, জজ-ব্যারিস্টার, সাংবাদিক ইত্যাদি।
চারদিকে তাকিয়ে দেখেন- সবাই কেমন অস্থির। অনেক দিন ধরে বলছি- বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা চিকিৎসার ঊর্ধে উঠে গিয়েছে। যারা চিকিৎসা করবে (যেমন এই সন্তানরা, কেউ সচিব, কেউ শিক্ষক ) এরা নিজেরাও অসুস্থ। ফুল স্টপ|
Aminul Islam

তিন বন্ধু মিলে ভার্সিটিতে এসেছিল পরীক্ষা দিতে। ওরা সবাই ই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ছিল। সুন্দরমতো পরীক্ষা দিয়ে ...
02/06/2026

তিন বন্ধু মিলে ভার্সিটিতে এসেছিল পরীক্ষা দিতে। ওরা সবাই ই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ছিল। সুন্দরমতো পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফিরবে এমনটাই প্ল্যান ছিল তাদের।
কিন্তু ওরা পরীক্ষা দিতে এসেছে শুনে ২০-২৫ জনের মতো ছাত্রলীগের পোলাপান তাড়াহুড়ো করে এসে সবগুলো ভবনের গেইট বন্ধ করে দেয়, যাতে কেউ আর বের হতে না পারে।
তারপর কল করে পুলিশকে। আর ওরা যাতে পরীক্ষা দিতে না পারে সেজন্যে ক্রমাগত বাঁধাও দিতে থাকে।
তারপর পুলিশ আসলে ছাত্রলীগের পোলাপানরা ওই ৩ জনের মধ্যে থেকে ২ জনকে পুলিশের হাতে জোর করে তুলে দেয়। পুলিশ গ্রেফতার করে দুজনকে।
তাদের অপরাধ ছিল তারা ছাত্রশিবির করত।
তিনজনের মধ্যে বাকি একজনকে গ্রেফতার না করেই চলে যায় পুলিশ। সেই একজনই ছিল ছবির ছেলেটা।
সে রাজশাহী বিশ্বিবদ্যালয়ের লতিফ হলের ছাত্র মো. রাসেল। সেও ছাত্রশিবিরের সদস্য ছিল।
পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার পর রাসেল ওখানে কিছুক্ষণ ওভাবেই দাঁড়িয়ে থাকে।সে বুঝতে পারছিল না তাকে কেন রেখে গিয়েছে।
সে তখনও টের পাচ্ছিল না তাকে নিয়ে কত বড় ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এভাবেই বেলা বাড়তে থাকে।
পুলিশ যেহেতু ২ জনকে ধরে নিয়ে গেছে তাই রাসেল ভেবেছিল ওকে বোধহয় আর কিছু করবে না অথবা ছেড়েই দিবে।
কিন্তু ওর ধারণা ভুল ছিল।
আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে আবারও ক্যাম্পাসে ২৫-৩০ জন ছাত্রলীগের পোলাপান আসে। এবার তাদের হাতে হাতে বিভিন্ন অ*স্ত্র ছিল।
কারো হাতে বন্দুক, কারো হাতে ছুরি, চাপাতি, হকিস্টিক। এমনকি দুজনের কোমড়ে পিস্তলও ছিল।
তারা সবাই মিলে রাসেলকে টেনেহিঁচড়ে রাবির একটা রুমে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে নানান বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে।
যেসব বিষয়ে রাসেল জানে না সেসব বিষয়েও কতক্ষণ জিজ্ঞেস করে।
তাদের উদ্দেশ্যই ছিল এমনসব ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবে যাতে রাসেল উত্তর দিতে না পারে আর ফলে তাকে মারা যাবে।
এভাবে ঘন্টাখানেকের মতো ওরা রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে।
রাসেল বারবার অনুনয়ের সুরে বলতে থাকে- "যেসব বিষয়ে তোমরা জিজ্ঞেস করছো সেগুলো আমি সত্যিই জানি না। জানলে প্রথমেই বলতাম। আমি তো এই ভার্সিটিরই স্টুডেন্ট ,আমাকে যেতে দাও প্লিজ। আমি তো তোমাদের কারো কোন ক্ষতি করিনি।"
কথাগুলো বলে রাসেল দরজার দিকে এগিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু ওরা রাসেলের অনুনয় শুনে আরও বেশি হিংস্র হয়ে উঠে।
পেছন থেকে ছাত্রলীগের একজন এসে রাসেলের পিঠে সজোরে একটা কোপ দেয়। আকষ্মিক কোপে রাসেল তীব্র চিৎকার দিয়ে উঠে।
কি হয়েছে বুঝার জন্যে পিছনের দিকে ঘুরতে যাবে ঠিক তখনই আরেকজন চাপাতি দিয়ে তার হাতে আরেকটা কো*প দেয়। হাত কিছুটা নড়ায় কো*পটা গিয়ে লাগে রাসেলের হাতের কব্জিতে।
চাপাতিটা অনেক ধারালো ছিল, আর কো*পটাও এতটাই জোরে ছিল যে হাত থেকে কব্জির অর্ধেক আলাদা হয়ে চামড়ার সাথে ঝুলতে থাকে।
এত অল্প সময়ে তীব্র আঘাতে রাসেল হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। কি করবে বুঝে উঠতে পারে না সে।
তারপর ছাত্রলীগের আরেকটা ছেলে এসে তার দুই পায়ে কয়েকটা গুলি করে। পায়ে গুলি খেয়ে এবারে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না রাসেল, মাটিতে পড়ে যায় সে।
এরপর ওরা সবাই চলে যাচ্ছিল। রাসেল ভেবেছিল ওদের নির্যাতন বোধহয় এটুকুতেই শেষ।
কিন্তু একটু পরই ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া ফিরে এসে রাসেলের দুই পায়ে চাপাতি দিয়ে অনবরত কো*পাতে থাকে।
এভাবে মিনিট পাঁচেকের মতো কো*পানোর পর ওরা সবাই ই চলে যায়। রাসেল একা পড়ে থাকে ওই বদ্ধ রুমটাতে।
ওর হাত, পা পিঠ থেকে তখন অনবরত র*ক্ত পড়ছিল। পানির মধ্যে শুয়ে থাকলে যেমন ভেজাভেজা অনুভব হয়, রাসেলের তেমনটা অনুভব হচ্ছিল। কিন্তু সেগুলো পানি ছিল না, ছিল তার নিজের শরীরেরই র*ক্ত।
রাসেলের সেন্স থাকার সময় পর্যন্ত সে একবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছিল। কিন্তু দাঁড়াতে গিয়ে সে বুঝতে পারছিল তার পায়ে কোন অনুভূতি হচ্ছে না,
সে তখন টের পায় তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে পুরো গোড়ালিটা আলাদা হয়ে গেছে।
রাসেলের ভাষ্যামতে- শরীরের অনবরত র*ক্তক্ষরণ দেখে রাসেলের বারবার মনে হচ্ছিল সে মারা যাবে। তখনই মনে মনে তওবা করে কালিমাও পড়ে নিয়েছিল সে।
রাসেল বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে ছিল। তার তখন শুধু বারবার বাবার দাড়ি মাখা চেহারটার কথা চোখে ভাসছিল।
সেদিন র*ক্তের মধ্যে শুয়ে শুয়েই রাসেল ভেবেছিল- আল্লাহ, আমি শহীদি মৃত্যু চেয়েছি, তুমি হয়তো কবুল করেছ।"
এসব ভেবে ভেবেই রাসেল তখন অনাগত মৃত্যুর জন্যে অপেক্ষা করছিল।
তার ঠিক কিছুক্ষণ পর ভার্সিটির অন্যান্য স্টুডেন্টরা পুলিশ নিয়ে ওই রুমে উপস্থিত হয়। পুলিশ রাসেলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে থাকে।
রাসেলকে যখন গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন সে বারবার কান্নারত কন্ঠে বলছিল - "ওই রুমে আমার কা*টা পা টা পড়ে আছে, প্লিজ নিয়ে আসেন।"
এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেলে। ওখানকার ডাক্তাররা আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগের চাপে রাসেলের অপারেশন করতে অস্বীকৃতি জানায়।
এদিকে রাসেলের অবস্থাও তখন গুরুতর। তীব্র রক্ত*ক্ষরণ এবং প্রচন্ড ব্যথায় রাসেল তখন জোরে জোরে চিৎকার করছিল, মরে যাওয়ার মতো অবস্থা প্রায়।
এর কিছুক্ষণ পর অন্য ডাক্তাররা রাসেলের শোচনীয় অবস্থা দেখে তার অপারেশন টা করায়। দীর্ঘ ৬ ঘন্টা অপারেশন করার পর রাসেলকে আইসিইউতে নেয়া হয়।
ছাত্রলীগের ওরা যখন খবর পায় কিছু ডাক্তার রাসেলের অপারেশন করেছে এবং সে জীবিত আছে তখন তারা হাসপাতালে আবারও পুলিশ পাঠায়
এবং পুরনো মিথ্যা মামলায় রাসেলকে আইসিইউতেই গ্রেফতার করা হয়। এরপর কিছুটা সুস্থ হলে তাকে জেলে নেওয়া হয়।
রাসেলের তখন ফোর্থ ইয়ারের পরীক্ষাগুলো চলছিল। বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে হওয়ায় তাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল তাই সে জেলে বসেই পরীক্ষা দিতে চেয়েছিল।
কিন্তু আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের নির্দেশে তাকে হুইলচেয়ার টা পর্যন্ত দেয়া হয়নি। তাই জেলে বসেও পরীক্ষাগুলো দিতে পারেনি সে।
পরীক্ষা দিতে না পারায় পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যায় তার। এটা শুনে রাসেল কান্নায় ভেঙে পড়ে। সে বুঝতে পারে তার স্বপ্নগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
তারপর পঞ্চাশ দিন পর ছাড়া পায় সে। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয় না, কিছুদিন পর আবারও লীগের নির্দেশে ডিবি পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়।
রাসেলের অসহায় বাবা বুঝতে পারে ওকে রাজশাহী রাখলে যেকোন সময় মেরে ফেলতে পারে তাই ঢাকায় এনে ভর্তি করিয়ে দেয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে।
কিন্তু ঢাকায় আনার পরও তিনি বুঝতে পারেন ঢাকাতেও সে সেইফ না, তাই ২০২২ সালে স্কলারশিপ নিয়ে সে চলে আসে লন্ডনে। এখন ওখানেরই একটা ল ফার্মে কাজ করে।
রাসেলের উপর এতটা বর্বর নির্যাতনের কারণ বা অপরাধ কিছুই ছিল না। তার একটাই অপরাধ সে ছাত্রলীগ করতো না, ছাত্রশিবির করতো।
রাসেলও এখনো কাঁদতে কাঁদতে বলে- আমি শিবির করতাম শুধু এই দোষে ওরা আমার জীবনটা শেষ করে দিল।
আজকে আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েলের মৃত্যুতে অনেকেই মায়াকান্না করছে অথচ যেদিন তোফায়েলের মতাদর্শের লোকেরা শুধুমাত্র শিবির করার অপরাধে রাসেলের পা কে*টে ফেলেছিল সেদিন কোন সুশীল টু শব্দটা পর্যন্ত করেনি।
এমনকি ক্ষমতার দাপটের থানার ওসি তার বাবার মামলাটাও নেয়নি।
বিএনপির এমপি-মন্ত্রীরাও আওয়ামী লীগকে, ছাত্রলীগকে কত সহজে ক্ষমা করে দিচ্ছে, ওদের কুকর্মগুলো আমরাও ভুলে যাচ্ছি!
যারা একবার আওয়ামী লীগ ,ছাত্রলীগের নির্যাতনের শিকার হয়েছে তারাই জানে ওরা কতটা নৃশংস, পাষবিক।
এ ঘটনাটা ২০১৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের। পুরো ঘটনার বিবরণ রাসেল নিজ মুখেই পরবর্তীতে বর্ণনা করেছে।
রাসেলের বাড়ি ছিল গাইবান্ধা। তার বাবা ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। ২০০৩ সালের দিকে পুকুরে ডুবে রাসেলের একটা ভাই এবং বোন মারা যায়।
এরপর রাসেলই ছিল পরিবারেরর একমাত্র ছেলে।
তার বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল ছেলেটা ভার্সিটির পড়াশোনা শেষ করে পরিবারের সাথে থাকবে, একটা সুন্দর পরিবার হবে তাদের।
কিন্তু রাসেলের বাবার সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ছাত্রলীগেরা সেটা পূরণ হতে দেয়নি। ছেলের পা হারানোর পর সব স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে।
আগের সন্তানদের শোক ভুলতে না ভুলতেই এ ছেলের পা হারানোর পর তার বাবা অনেকটা ভেঙে পড়েন। তারপর একবুক চাপা কষ্ট এবং মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে তার বাবাটাও ব্রেইন স্ট্রোক করে মারা যায়।
রাসেল এখন নিজ থেকে আর কোন স্বপ্ন দেখে না, তার বাবার স্বপ্নগুলোই সে মনে মনে ভাবে।
স্বপ্ন দেখবেই বা কিভাবে? আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ তার সব স্বপ্ন ধ্বংস করে দিয়েছে, শুধুমাত্র শিবির করত বলে।
রাসেলের এখনো পুরনো দিনগুলোর কথা মনে পড়ে, নিজের পা টার কথা মনে পড়ে, বাবার স্বপ্নের সুখের পরিবারটার কথা মনে পড়ে।
একমাত্র ছেলে হওয়ায় রাসেলের বাবা তাকে অনেক আদর করতো এবং ছেলেকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতো। অথচ আজকে রাসেলের সেই স্বপ্নগুলো নেই, তার বাবাটাও নেই।
আমরা হয়তো একদিন আওয়ামী লীগ কিংবা ছাত্রলীগের নৃশংসতা গুলো ভুলে যাব। কিন্তু রাসেল ভুলতে পারবে না।
যতবার ভুলতে যাবে ততবারই মনে পড়বে- তার একটা পা ছিল, সুন্দর স্বপ্ন ছিল আর হাসিখুশি একটা বাবা ছিল
- Ibrahim Khalil Shawon See less

21/05/2026

যে দেশে নেতার মনোরঞ্জনের জন্য ১৫/১৬ বছরের মেয়ে খোঁজা হয়। সেই দেশে রামিসা ধ*র্ষণ হ*ত্যার বিচার হবে আমি বিশ্বাস করিনা।

20/05/2026

Address

Kuala Lumpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Light of Dark অন্ধকারের আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Light of Dark অন্ধকারের আলো:

Share