01/08/2014
পারকী সৈকতে পর্যটকের ঢল
‘সৈকতের গোসল করার সময় বহির্নোঙরের জাহাজের সারি দেখে মনটা জুড়িয়ে গেল। ক্লান্ত দেহে যখন ঝাউবনে বসলাম, তখন ঠান্ডা বাতাসে শরীরটাও শীতল হয়ে এল। এখানে বেড়াতে এসে বেশ মজা পেলাম।’
এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারার পারকী সৈকতে বেড়াতে আসা নগরের আফমি প্লাজার ব্যবসায়ী আবদুল মালেক চৌধুরী। তিনি পরিবার নিয়ে ঈদের ছুটি কাটাতে বেড়াতে এসেছিলেন।
শুধু মালেকই নন, অনেকেই আনন্দ-বিনোদনের জন্য পারকী সৈকতে এসেছেন। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ঈদের সময় হাজার হাজার দর্শনার্থী ও পর্যটক পারকীতে ভিড় করেছেন।
বর্তমানে পারকী সৈকতে বেসরকারিভাবে গড়ে উঠেছে কয়েকটি আকর্ষণীয় রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র। আছে দেড় শতাধিক বিভিন্ন ধরনের খাবারের দোকান এবং সরকারিভাবে বানানো হয়েছে শৌচাগারও। শুধু বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার আগেই দর্শনার্থীদের পারকী ছেড়ে যেতে হয়।
পারকী সৈকত ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক মো. হান্নান প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের পরপরই পারকী জমে উঠেছে। প্রায় প্রতিটি দিন হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছে এখানে। শুধু বিদ্যুৎ না থাকায় পারকী পিছিয়ে আছে।
গত বৃহস্পতিবার পারকী সৈকতে দায়িত্ব পালনকারী কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাছির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পারকীতে আসা দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে আমরা টহল পুলিশ দেওয়া পাশাপাশি সার্বিক নজর রাখছি।’
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পারকী সৈকতে আসার দর্শনার্থীদের নিরাপত্তাবিধানে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’