Meghna River, Araihazar

Meghna River, Araihazar The Meghna River s one of the most important rivers in Bangladesh, one of the three that forms the G

The Meghna is a distributary of the great river Brahmaputra. The Meghna is formed inside Bangladesh by the joining of the Surma and Kushiyara rivers originating from the hilly regions of eastern India. Down to Chandpur, Meghna is hydrographically referred to as the Upper Meghna. After the Padma joins, it is referred to as the Lower Meghna. In Daudkandi, Comilla, Meghna is joined by the great river

Gomoti, created by the combination of many streams. This river reinforces Meghna a lot and increases the waterflow considerably. The pair of bridges over Meghna and Gomoty are two of the country's largest bridges. The Dakatua River is also part of the river system in Comilla district. After Chandpur, when the river has the combined flow of the Padma and Jamuna it moves down to the Bay of Bengal in an almost straight line. In her course from Chandpur to Bay of Bengal, the Meghna braids into a number of little rivers including the Pagli, Katalia, Dhonagoda, Matlab and Udhamodi. All of these rivers flow out from the Meghna and rejoin again at points downstream. Near Bhola, just before flowing into the Bay of Bengal, the river divides into two main streams in the Ganges delta and separates an island from both sides of the mainland. The western stream is called Ilsha and the eastern one is called Bamni.

12/03/2017
☪ Eid Mubarak ☪
06/07/2016

☪ Eid Mubarak ☪

28/06/2016

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

প্রথমত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমযানের শেষ দশদিন এমনভাবে সালাত আদায়, কুরআন তিলাওয়াহ ও দো‘আ পাঠের মাধ্যমে মনোনিবেশ করতেন যা অন্য সময়ে করতেন না। ‘আয়েশাহ্‌ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে ইমাম আল-বুখারী এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে (রমযানের) শেষ দশরাত্রি শুরু হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে জাগতেন এবং তাঁর পরিবারবর্গকেও জাগাতেন এবং স্ত্রী-মিলন থেকে বিরত থাকতেন। আহমাদ এবং মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে :

“তিনি শেষ দশদিন এমনভাবে মনোনিবেশ করতেন যা অন্য সময়ে করতেন না।”

দ্বিতীয়ত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাইলাতুল ক্বাদরে ঈমান সহকারে ও প্রতিদানের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদাত করতে উৎসাহিত করেছেন। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :

“ঈমানের সাথে ও প্রতিদানের আশায় যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বাদরে জেগে ক্বিয়াম করবে, তার অতীতের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।” [সহীহ আল-বুখারী ও মুসলিম]

আর এই হাদীসে লাইলাতুল ক্বাদরে রাত জেগে ক্বিয়াম করার শারী‘আতসম্মত হওয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে।

তৃতীয়ত: লাইলাতুল ক্বাদরে সবচেয়ে ভালো দো‘আসমূহের মধ্যে একটি পাঠ করা যায় যা ‘আয়েশাহ্‌ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছিলেন। আত-তিরমিযী এটি ‘আয়েশাহ্‌ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং একে সহীহ বলে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেছেন :

আমি বললাম, “হে রাসূলুল্লাহ যদি আমি জানি কোন রাতে লাইলাতুল ক্বাদ্‌র তবে আমি সেই রাতে কি বলব?”

তিনি বললেন, বল:

«اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عني »

“আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন তুহিব্বুল ‘আফওয়া ফা ‘ফুউ ‘আন্নী”

(হে আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমাকে ভালোবাসেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।)”[ তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫১৩।

চতুর্থত: রমযানে লাইলাতুল ক্বাদরের রাত ঠিক কোনটি, এটি জানার জন্য বিশেষ সাক্ষ্য প্রমাণের প্রয়োজন আছে, কিন্তু শেষ দশদিনের বিজোড় রাতগুলো অন্যান্য রাতের চেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় এবং সাতাশতম রাত (শেষ দশদিনের বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে) লাইলাতুল ক্বাদ্‌র হওয়ার ব্যাপারে বেশি সম্ভাবনাময়। যেমনটি আমরা এ ব্যাপারে নির্দেশ করে এমন হাদীসগুলো উল্লেখ করেছি।

পঞ্চমত: আর বিদ‘আত (দ্বীনের মধ্যে নতুন প্রবর্তিত বিষয়) কাজসমূহ, তা কখনই রমযান বা রমযানের বাইরে কোনো সময়েই জায়েয নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন :
“যে আমাদের এই বিষয়ে (শারী‘আতে) নতুন কিছু প্রবর্তন করল যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।”[বুখারী, হাদীস নং ২৬৯৭; মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮।]

অন্য এক বর্ণনায় আছে,
“যে কোন কাজ করল যা আমাদের বিষয়ের (শারী‘আতের) অন্তর্ভুক্ত নয়, তা প্রত্যাখ্যাত।[ মুসলিম, হাদীস নং ১৭১৮।]”

আর রমযানের কিছু নির্দিষ্ট রাতে অনুষ্ঠান উদযাপনের ব্যাপারে কোন ভিত্তি আমাদের জানা নেই। সবচেয়ে ভালো পথ-নির্দেশনা হচ্ছে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেখানো পথ এবং সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে (শারী‘আতে) নতুন প্রবর্তিত বিষয়সমূহ (বিদ‘আত)।

আর আল্লাহই তাওফীক্বদাতা।

গবেষণা ও ফাত্‌ওয়া ইস্যুকারী আল-লাজ্‌নাহ আদ-দা’ইমাহ (১০/৪১৩)

গ্রন্থের নামঃ সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতওয়া
বিভাগের নামঃ আমরা কিভাবে লাইলাতুল ক্বাদ্‌র পালন করব এবং তা কোন দিন?
লেখক/সঙ্কলক/অনুবাদকের নামঃ ইসলাম কিউ এ

দোয়া রইলো সবাই যেন রমজান মাসের ফজিলত বুঝে সম্পূর্ণ রমজান মাস আল্লাহর ঈবাদত বন্দেগীতে কাটিয়ে দিতে পারি এবং এই পবিত্র মা...
06/06/2016

দোয়া রইলো সবাই যেন রমজান মাসের ফজিলত বুঝে সম্পূর্ণ রমজান মাস আল্লাহর ঈবাদত বন্দেগীতে কাটিয়ে দিতে পারি এবং এই পবিত্র মাসের উছিলায় যেন আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে আমাদের জীবনের সব গুণাহের মাফ চেয়ে নিতে পারি।
আমিন!

24/05/2016

আড়াইহাজার উপজেলার নামকরণের ইতিহাস:

বহু দিনের আগের ঘটনা। তখন দিল্লির বাদশাহ ছিল মহামতি সম্রাট আকবর। কী হিন্দু কী মুসলমান সেই সময়ে ভারতের ধন সম্পদের দিক দিয়েও তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ পরিপূর্ণ। এমনকি রাজ্য পরিচালনার দিক থেকে ও তিনি খুব পারদর্শিক ছিলেন। সম্রাট আকবর হিন্দু মুসলমান সবাইকে খুব ভালবাসতেন। যে কারণে তিনি হয়তো চেয়েছিলেন দু’জাতির একিত্রকরন। অর্থ্যাৎ ‍Òদিন-ই এলাহী”নামক এক নতুন ধর্ম প্রচারে লিপ্ত হয়েছিলন। রাজ্য শাসন ক্ষমতার দিক দিয়ে তৎকালীন ভারতের রাজপুতানারা ছিলেন খুব প্রভাবশালী ও প্রতাবশালী। এমনকি শক্তি সাহসে ও ওরা ছিলো পরিপূর্ণ। এই রাজপুতানারা কখনো কারো কাছে হার মানতেন না বা পরাজিত হতে চাইতেন না। এমনকি কারো কাছে বৎসতা স্বীকার ও করতেন না। মহাজ্ঞানী মহামতী সম্রাট আকবর একদিন ভাবতে লাগলেন কী করে কেমন করে সেই প্রভাবশালী ও প্রতাবশালী রাজপুতানাদের তার অধীনে আনা যায়। কারণ সম্রাট আকবর খুবই বুদ্ধিদীপ্ত ব্যক্তি ছিলেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন সবার আগে মহারাজা মানসিংহকে তার অধীনে আনার। সেই লক্ষ্যে মনের ইচ্ছাকে পূর্ণ করার জন্য সততা ও সুকৌশলে মহামতী আকবর মহারাজা মানসিংহের আপন ফুফুকে বিয়ে করার ইচ্ছায় মানসিংহকে সম্রাট আকবরের প্রধান সেনাপতি করার প্রস্তাব দিলেন। যাকে বলে একঢিলে দুই পাখি শিকারের মতো। সম্রাট আকবর তার বৃদ্ধিতে সার্থক হলেন। তখন থেকেই রাজা মানসিংহ সম্রাটের প্রধান সেনাপতি তো হলেনই অপরদিকে তার আপন আত্মীয় ও হয়ে গেলেন। তার এই বুদ্ধিদীপ্ততার গুণে পর্যায়ক্রমে একদিন সমগ্র রাজপুতানা সম্রাট আকবরের অধীনে এসে গেলো। এবার সম্রাটের দৃষ্টি নিবন্ধিত হলো বাংলাদেশের উপর। তখন বাংলাদেশ বার ভূইয়া ও ঈসাখাঁর প্রভাব প্রতিপত্তি বিরাজ করছিলো। একদিকে সম্রাট আকবর বার ভূইয়াকে পরাস্থ করে সমগ্র বাংলাদেশ দিল্লীর সিংহাসনের অধীনে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। সেই লক্ষ্যে তিনি একদিন সেনাপতি মানসিংহকে সৈন্য সামন্ত সাথে নিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে ছিলেন। তখন যশোরের প্রতাপতিত্ব, বাওয়ালের ফজল গাজী, ফরিদপুরের কন্দ্রপ রায়, বিক্রমপুরের চাঁদ রায়, কেদার রায়, সোনারগাঁয়ের ঈশাখাঁ অর্থ্যাৎ বিশেষ করে তাদের উপর ছিল বাংলার শাসন ক্ষমতা। সেনাপতি মানসিংহ বাংলাদেশে এসেই সর্ব প্রথম বাংলার বার ভূইয়াদের পরাস্থ করে সমস্ত সৈন্য সামন্ত নিয়ে সোনারগাঁয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। এদিকে ক্ষমতাধর, শক্তিধর ঈসাখাঁ সেই সংবাদ পেয়ে সেনাপতি মানসিংহকে বাধাঁ প্রদান করার উদ্দেশ্য সৈন্য নিয়ে শীতলক্ষা নদী পাড় হয়ে ইউসুফগঞ্জ নামক স্থানে এসে উপস্থিত হলে সেখানেই ঈসাখাঁর সৈন্য মানসিংহকে বাধা প্রদান করলেন। প্রথমে উভয়ের মধ্যে আলপ-পিরচয় হলো। অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো উভয়ের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হবে। কেউ কারো কাছে বিনা যুদ্ধে বৎসতা স্বীকার করতে সম্মত হলেন না। তাই উভয়ের স্বগৌরবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হলেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে হঠাৎ মানসিংহের হাত থেকে শানিত তরবারি মাটিতে পরে গেল। বীরবল ঈসাখাঁ পরাজিত মানসিংহের বুকে তরবারি তাক করে ঘোষণা দিয়ে বললেন মানসিংহ এখন আপনি আমার কাছে পরাজিত। তাতে তিনি প্রতি উত্তর না করে নীরব রইলেন। তবুও ঈসাখাঁ যুদ্ধ সমাপ্ত করলেন না। তিনি তার সাহস ও বীরত্ব দেখানোর জন্য পরাজিত মানসিংহের হাতে আবার একটি তরবারি তুলে দিয়ে বললেন, আপনার সাথে আমার আরেকবার শক্তি পরীক্ষা হবে এবং আপনি আমাকে আগে আক্রম করবেন। সেনাপতি মানসিংহ ঈসাখাঁর এমন শক্তি ক্ষমতা, উদারতা ও মহানুভবতার পরিচয় পেয়ে অবাক হয়ে উত্তর দিলেন, না না, আর আপনার সাথে যুদ্ধ করবে না। আমি স্বানন্দো আপনার কাছে পরাজয় মেনে নিলাম এবং আপনার সাথে আমার আর যুদ্ধ নয়, হবে বন্ধুত্ব। ঈসাখাঁর সাথে মানসিংহ সন্ধি করে তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করলেন। এ সময় মানসিংহ ঈসাখাঁকে আবার বললেন , বন্ধু আপনাকে আমার সাথে দিল্লীর সম্রাটের দরবারে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনি নিজের মুখ দিয়ে মহামান্য সম্রাট আকবরকে বলবেন যে আপনি আমাকে পরাজিত করেছেন। তখন ঈসাখাঁ মানসিংহকে বললেন, ঠিক আছে তাই হবে বন্ধু। কিন্তু আগে আমার একটি কথা রাখতে হবে। দিল্লী রওয়ানা হওয়ার আগে আমার বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয়ে বেড়াতে যেতে হবে। মানসিংহ ঈসাখাঁর নিমন্ত্রন গ্রহণ করে সোনারগাঁ অভিমুকে রওয়ানা হলেন। তারপর দিল্লীর গিয়ে সম্রাটের সামনে হাজির হয়ে সেনাপতি মানসিংহ ঈসাখাঁর পরিচয় তুলে ধরে তার শক্তি সাহস আর উদারতার কথা প্রকাশ করতে গিয়ে ঘটনাটা খুলে বললেন। ঈসাখাঁর সাথে সম্রাটের আলাপ-পরিচয়ের পর রাজ মেহমানখানায় বিশ্রাম করতে তাদের পাঠিয়ে দিলেন। সম্রাট আকবর মানসিংহকে বললেন, এখন ঈসাখাঁকে তুমি কি করতে চাও তাই করতে পার। এই মহা আদেশ পেয়ে মানসিংহ ঈসাখাঁকে বললেন, বন্ধু আপনি আজ থেকে স্বাধীন ছিলেন স্বাধীনই থাকবেন। আপনাকে দিল্লীর সম্রাটের দরবারে কোন প্রকার কর দিতে হবে না। শুধু আপনার পক্ষ থেকে আড়াইহাজার সৈন্যর রসদ প্রদান করতে হবে। তারপর ঈসাখাঁ দিল্লীর সম্রাটের দরবার থেক বিদায় নিয়ে সোনারগাঁয়ের নিজ রাজধানীতে ফিরে আসলেন। ঈসাখাঁর বাংলাদেশে ফিরে আসার সময় মানসিংহ তার সাথে কিছু রাজকর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ বাংলাদেশে রেখে যাওয়া সর্বমোট আড়াইহাজার সৈন্যের ভরণ পোষণের দায়িত্ব দিয়ে বললেন, আপনি শুধু এই আড়াইহাজার সৈন্যের রসদ দিয়ে দিবেন। দিল্লীর সম্রাট আকবরের নির্দেশ মোতাবেক ঈসাখাঁ সেই আড়াইহাজার সৈন্যের রসদ দিতেন এবং থাকার জন্য তাদেরকে আড়াইহাজারে স্থান করে দেয়া হয়েছিলো বলে সেদিন থেকেই জায়গাটির নামকরণ করা হয়েছিল আড়াইহাজার।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীগণ:
23/04/2016

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীগণ:

17/03/2016
Meghna River, Bishnondi, Araihazar.
31/10/2015

Meghna River, Bishnondi, Araihazar.

আড়াইহাজারের মানচিত্র।
07/10/2015

আড়াইহাজারের মানচিত্র।

Address

Araihazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meghna River, Araihazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category