বাজিতপুর আমাদের এলাকা

বাজিতপুর আমাদের এলাকা আমরা বাজিতপুরকে ভালো বাসী গ্রাম-বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে কার না মন চাই ।
আসুন আমরা সবাই মিলে বাংলার গান গাই।
(376)

01/01/2026
কর্মবীর জহুরুল ইসলামের আজীবনের স্বপ্ন ছিল বাজিতপুর জেলা করার:- শত শত বছরের লালিত স্বপ্ন ছিল এই জনপদের মানুষের — বাজিতপুর...
19/10/2025

কর্মবীর জহুরুল ইসলামের আজীবনের স্বপ্ন ছিল বাজিতপুর জেলা করার:- শত শত বছরের লালিত স্বপ্ন ছিল এই জনপদের মানুষের — বাজিতপুর একদিন জেলা হবে। সেই যৌক্তিকতার ভিত্তিতে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছিল জেলা হওয়ার সব প্রক্রিয়া। আর এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বাজিতপুরের কৃতি সন্তান কর্মবীর শিল্পপতি আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর, আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম তাঁর নিকট বাজিতপুর জেলা করার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এ সময় জিয়াউর রহমান কিশোরগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক রাফিউল করিমকে বাজিতপুর জেলা করার বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন।
ডিসি রাফিউল করিম তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে, ছয়টি উপজেলা নিয়ে বাজিতপুর জেলা সদর হওয়ার জন্য সম্পূর্ণ উপযুক্ত স্থান। কিন্তু অল্প কিছুদিন পরেই জিয়াউর রহমান নিহত হন, ফলে জেলা করার প্রক্রিয়াটি থেমে যায়।
পরবর্তীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তখনও আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম বাজিতপুর জেলা করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালান। কিন্তু তথাকথিত কিছু স্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও কিশোরগঞ্জ সদরের প্রভাবশালী মহলের বিরোধিতার কারণে আবারও বাজিতপুর জেলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি।
বাজিতপুর জেলা বাস্তবায়ন কমিটির এক সভায় জহুরুল ইসলাম বলেন—
“সরকার যদি বাজিতপুরকে জেলা ঘোষণা করে, তবে আমি নিজস্ব অর্থায়নে আধুনিক নির্মাণপ্রযুক্তি ও স্থাপত্যশৈলীর আলোকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জজকোর্ট ভবন, অন্যান্য সরকারি দপ্তরের ভবন ও কর্মকর্তাদের আবাসন নির্মাণ করে দেব।”
কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বাজিতপুর জেলা হওয়ার স্বপ্ন বুকে লালন করেছেন।
শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই কর্মবীর জহুরুল ইসলাম ইহলোক ত্যাগ করেন, রেখে যান এক অনন্ত অনুপ্রেরণা—
“বাজিতপুর জেলা হবেই।”

12/09/2025

সরারচরে মা/দক কারবারি বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল

বাজিতপুর রেলস্টেশনের যাত্রীগণ স্মার্ট চোর সাহাবুদ্দিন থেকে সাবধান...নাম সাহাবুদ্দিন। গ্রাম-পীরপুর তাতারকান্দা।  সাত সকাল...
21/04/2025

বাজিতপুর রেলস্টেশনের যাত্রীগণ স্মার্ট চোর সাহাবুদ্দিন থেকে সাবধান...

নাম সাহাবুদ্দিন। গ্রাম-পীরপুর তাতারকান্দা। সাত সকালে ভদ্রলোক সেজে বাজিতপুর (ভাগলপুর) রেল স্টেশনে চলে আসেন। হাতে ঘড়ি, চোখে সানগ্লাস, মুখে মাক্স পরে প্রতিদিন সকালে পরিপাটি হয়ে আসেন এই স্মার্ট চোর। সরল মানুষদের কাছে একেক সময় একেক পরিচয়ে নিজেকে জাহির করেন। কখনো বলেন আমি রেলের লোক, কখনো বলেন আমি ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের স্টাফ আবার কখনো বলেন আমি পুলিশের লোক। স্টেশনের অনেকের অভিযোগ ভাগলপুর টু ভৈরব রোডে ট্রেনে যত চুরির ঘটনা ঘটে এগুলো সাথে সে জড়িত।
অভিনব প্রতারকের তিনটি ঘটনা ও ছবি/ভিডিও এখানে উল্লেখ করছি।
১। ২০১৭ সালের জুন মাসে বাজিতপুর টু কুলিয়ারচর যাওয়ার পথে ভাগলপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা ইকরা সুজের ম্যানেজারের মোবাইল ফোন চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে পাকরাও হন (লাল শার্ট পরিহিত ছবি)।
২। ২০২৩ সালের ১ মে মাসের নিজেকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের স্টাফ পরিচয় দিয়ে এক মহিলার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন চুরি ঘটনায় আটক হন। পরে তাকে চোর ছিনতাইকারী লিখিত কাগজ হাতে ধরিয়ে ছবি উঠিয়ে রাখা হয়।
৩। ১৯ এপ্রিল ২০২৫ সকালে এক মহিলা তাকে পাকরাও করে। অভিযোগ সে নিজেকে রেলের পরিচয় দিয়ে উক্ত মহিলার কাছ থেকে টিকিট দেবার কথা টাকা নিয়ে সটকে পড়েন। এক সপ্তাহ পর উক্ত মহিলা তাকে চিনে ফেলেন। পরে জনতার তোপের মুখে উক্ত মহিলার টাকা ফেরত দিতে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।

Address

Bajitpur
Bajitpur
2336

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাজিতপুর আমাদের এলাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাজিতপুর আমাদের এলাকা:

Shortcuts

Share