Travelia Travel Club

Travelia Travel Club Travelia travel Club is an Uk based Travel club with new Concept In Bangladesh.

02/09/2016

Eid Bonanza Package 2016

আগে ঘুরে আসুন তারপর কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করুন। (No credit card needed, No hidden charge, no extra free, no interset)

০১। ঢাকা কক্সবাজার ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ২৫০০ টাকা +++++
০২। ঢাকা বান্দারবান ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ২৫০০ টাকা +++++
০৩। ঢাকা রাঙ্গামাটি ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ২৫০০ টাকা +++++
০৪। ঢাকা খাগড়াছড়ি ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ২৫০০ টাকা +++++
০৫। ঢাকা বিছানাকান্দি ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ২৫০০ টাকা +++++
০৬। ঢাকা কাঠমান্ডু ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ১৫০০০ টাকা+++++
০৭। ঢাকা ভুটান ঢাকা ( ৩ রাত ৪ দিন ) ১৮০০০ টাকা+++++
( সব গুলো প্যাকেজে বাস/এয়ার টিকেট , সকাল, দুপুর আর রাতের খাবার বুফে তে, হোটেল এ থাকা ( টুইন শেয়ার বেসিস ), হোটেল পিক আপ অ্যান্ড ড্রপ, সাইট সিয়িং অন্তরভুক্ত ) বুকিং করুন আজই।

বিস্তারিত জানতে ট্রাভেলিয়া বিডি অ্যাড ( Travelia bd) করুন আপনার ফেসবুকে আর ইনবক্স করে জেনে নিন সব।

ঢাকার পাশে মিনি কক্সবাজারপ্রকৃতি প্রতিনিয়ত আমাদেরকে ডাকে। আমরা দেখি। মুগ্ধ হই। বারবার মুগ্ধ হই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ...
01/08/2016

ঢাকার পাশে মিনি কক্সবাজার

প্রকৃতি প্রতিনিয়ত আমাদেরকে ডাকে। আমরা দেখি। মুগ্ধ হই। বারবার মুগ্ধ হই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মানুষের মনে ঘুরে বেড়ানোর যেই বিষয়টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা থেকে কিন্তু বাঙালিরাও পিছিয়ে নেই। তার আগে যে মানুষ ঘোরাফেরা করতো না এমন নয়। ইবনে বতুতা, মার্কো পোলো আর হিউয়েন সাং-এর মতো বিশ্ব নন্দিত পর্যটক-পরিব্রাজকের জীবনাবসান কিন্তু তার অনেক আগেই হয়ে গিয়েছে। উনাদের মতো মনীষীদের অনেকেই এসেছিলেন আমাদের এই অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাঙলায়। প্রশংসা করেছেন।
আমাদের দেশের পরিচিত কয়েকটা জায়গা ছাড়া আমরা তেমন কোথাও ঘুরতে যাই না। অন্যদিকে ইদানীংকালে আমাদের মধ্যে ঘুরে বেড়ানোর প্রতি আগ্রহটা যেভাবে বাড়ছে, সেই হিসেবে নিরাপদে ঘুরে বেড়ানোর জন্য নতুন জায়গার সন্ধান আমরা কেমন পাচ্ছি?

যাইহোক, আমি বলতে চাচ্ছি আমাদের মৈনট ঘাটের কথা। যেখানে আপনি আসলে মুগ্ধ হবেন। তাকিয়ে থাকবেন পদ্মা নদীর অপরূপ জলরাশির দিকে। এই বিশাল জলরাশি, পদ্মায় হেলেদুলে ভেসে বেড়ানো জেলেদের নৌকা দেখা আর পদ্মার তীরে হেটে বেড়ানো, সব মিলিয়ে কিছুক্ষণের জন্য আপনার মনে হবে আপনি এখন ঢাকার দোহারে নয়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আছেন। মূলত এই কারণেই অনেকে মৈনট ঘাটকে বলে থাকেন ছোট কক্সবাজার।
ঘুরে বেড়ানোর জন্য ঢাকা জেলার প্রতি মানুষের অনীহা লাঘব হবে, যদি মৈনট ঘাটকে কেন্দ্র করে এখানে একটি পরিপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠে। একসময় মৈনট ঘাট থেকে ফরিদপুর যাতায়াতের জন্য আমাদের কার্তিকপুর বাজার থেকে মৈনট ঘাট পর্যন্ত প্রশস্ত রাস্তা তৈরি করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে ফেরির প্ল্যানটা বাস্তবায়ন না হবার কারণে এই রাস্তাটিও অবহেলায়-অযত্নে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। অনেকদিন এভাবে থাকার কারণে অপ্রয়োজনে কেও ওইদিকটায় তেমন একটা পা বাড়াতো না। সাম্প্রতিককালে রাস্তাটি পুনরায় মেরামত করার ফলে আবার আসা শুরু করছে মানুষ। এদের বেশিরভাগই আসছে দোহার, নবাবগঞ্জ, শ্রীনগর, কেরানীগঞ্জ থেকে। মৈনট ঘাট এখনো ব্যাপকভাবে পরিচিত না হবার কারণে ভ্রমনপিপাসু অনেক মানুষই বঞ্চিত হচ্ছেন মৈনট ঘাটের সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে।

খুব ভোরে মৈনট ঘাটেই বসে সারারাত পদ্মা নদীতে জেলেদের শিকার করা মাছের বাজার। পদ্মা নদীর সেই নামকরা ইলিশ সহ অনেক প্রজাতির মাছই আপনি কিনতে পারবেন এখান থেকে, একদম টাটকা! মৈনট ঘাট পরিদর্শনের উপযুক্ত সময় হচ্ছে বর্ষাকাল। তখন রাস্তার দুই পাশের নিম্নভূমি, যেখানে অবর্ষায় বিস্তীর্ণ ভূমি জুড়ে বাদামের চাষ করা হয়, সবই পদ্মার পানিতে তলিয়ে যায়। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। অবর্ষায়ও এর সৌন্দর্যের কমতি নেই। তখন দেখা যাবে পদ্মা নদীর শান্ত রূপ। একটা সন্ধ্যায় পদ্মা নদীতে সূর্যাস্ত দেখলে পরবর্তী একশোটা সন্ধ্যা এর কথা মনে থাকবে। আমাদের প্রধান প্রধান উৎসবের দিনগুলোতে মানুষ এখানে আসছে, ঘুরছে। স্পীডবোট, ট্রলার অথবা খেয়ানৌকা নিয়ে পদ্মার বুকে ভেসে বেড়াচ্ছে অনেকেই।

নবাবগঞ্জ রুটে মৈনট ঘাটে আসলে ইচ্ছা করলে পাশাপাশি দেখে যেতে পারবেন নবাবগঞ্জের জজবাড়ি, উকিলবাড়ি, আনসার ক্যাম্প, খেলারাম দাতার বাড়ি সহ আরও কিছু দর্শনীয় স্থান। আর মৈনট ঘাটে আরও দেখতে পাবেন পদ্মা নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা পদ্মাবিধৌত অতি সাধারণ এক জনগোষ্ঠীর জীবন যাপন, যারা শত প্রতিকূলতার মাঝেও পদ্মাকে আগলে ধরে আছে বছরের পর বছর। ঢাকাবাসীরা চাইলে খুব সহজেই দোহারের এই ছোট কক্সবাজার মৈনট ঘাটে একটা ডে ট্রিপ দিতে পারেন।

কিভাবে আসবেন?
ঢাকা থেকে মৈনট ঘাটে আসার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়টি হচ্ছে গুলিস্তানের গোলাপ শাহের মাজারের সামনে থেকে সরাসরি মৈনট ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা যমুনা পরিবহনে চেপে বসা। ৯০ টাকা ভাড়া আর দের থেকে আড়াই ঘন্টার বিনিময়ে আপনি পৌঁছে যাবেন মৈনট ঘাট। ফেরার সময় একই বাসে আবার ঢাকা চলে আসবেন। মৈনট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে শেষ বাসটি ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ৬ টায়।

গুলিস্তানের একই স্থান থেকে এন মল্লিক পরিবহনেও আসতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে নামতে হবে নবাবগঞ্জের মাঝিরকান্দা নামক স্থানে। ভাড়া ৭০ টাকা। মাঝিরকান্দা থেকে লোকাল অটোতে দোহারের বাশতলা। ভাড়া ১৫ টাকা। চাইলে লক্ষীপ্রসাধ নামক স্থানে নেমে পোদ্দারবাড়ি নামক পুরনো বাড়িটিও দেখে নিতে পারেন। আর জজবাড়ি, উকিলবাড়ি, কোকিলপ্যারি দালান, খেলারাম দাতার বাড়ি যাকে স্থানীয়ভাবে আন্ধার কোঠা বলা হয়, এইসব দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে চাইলে মাঝিরকান্দার আগে কলাকোপা নামক স্থানেই নামতে হবে। যাইহোক, মাঝিরকান্দা থেকে বাশতলা আসার পর কার্তিকপুরগামী আরেক লোকাল অটোতে উঠতে হবে। ভাড়া ১৫ টাকা। কার্তিকপুর বাজার থেকে আরেক অটোতে মৈনট ঘাট। ভাড়া ১০ টাকা। রিক্সায় গেলে ২০ টাকা।

গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া থেকে নগর পরিবহনেও আসতে পারবেন। ভাড়া ৯০ টাকা। নগর পরিবহন নবাবগঞ্জের রুট ব্যবহার করে না। এই বাসটি আসে মুন্সিগঞ্জ হয়ে। এক্ষেত্রে আপনাকে কার্তিকপুর বাজারে নামতে হবে। ঢাকার বাবুবাজার ব্রীজ পার হয়ে কদমতলী থেকে সিনজিতেও আসতে পারবেন। লোকাল সিএনজি কদমতলী থেকে জনপ্রতি ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা ভাড়া নিয়ে কার্তিকপুর বাজার পর্যন্ত আসে। এছাড়াও যমুনা পরিবহন অথবা এন মল্লিক পরিবহন গুলিস্তানের যেই স্থান থেকে ছাড়ে, একই স্থান থেকে জয়পাড়া পরিবহন নামক মিনিবাসটিও ছেড়ে আসে দোহারের জয়পাড়ার উদ্দেশ্যে।
যারা প্রাইভেট কার অথবা বাইক নিয়ে আসতে চাচ্ছেন তারা এই বাসের রুটটাকে ব্যবহার করতে পারেন। আসতে সুবিধা হবে। এটি বাবুবাজার ব্রীজ পার হয়ে কদমতলী থেকে নবাবগঞ্জের রুট ধরে টিকরপুর-গালিমপুর হয়ে দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া পর্যন্ত আসে। আগে এই বাসটি সরাসরি মৈনট ঘাট পর্যন্ত আসতো। কয়েক বছর ধরে জয়পাড়ার পরে আর আসছে না। লক্কর-ঝক্কর এই মিনিবাসে গুলিস্তান থেকে জয়পাড়া পর্যন্ত আসতে হলে ভাড়া দিতে হবে ৬০ থেকে আশি টাকা। দামাদামি করার সুব্যবস্থা আছে। জয়পাড়া থেকে কার্তিকপুর লোকাল অটো ভাড়া ২০ টাকা। ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকেও আসার একটা পদ্ধতি আছে। মোহাম্মদপুর বেরিবাধের সিএনজি স্টেশন থেকে আটিবাজার, আটিবাজার থেকে সিএনজি অথবা একপ্রকার ছাদহীন টেম্পুতে কোনাখোলা। কোনাখোলা থেকে দোহার-নবাবগঞ্জগামী যেকোনো একটা বাসে উঠে পড়তে হবে। যারা গাবতলি অথবা সাভারের আশেপাশে থাকেন, তারা হেমায়েতপুর থেকে লোকাল সিএনজিতে সরাসরি নবাবগঞ্জ আসতে পারবেন। ভাড়া ১২০ টাকা। অথবা সরাসরি সিএনজি না পেলে হেমায়েতপুর থেকে হযরতপুর, হযরতপুর থেকে পারাগ্রাম, নৌকায় নদী পার হয়ে আরেক সিএনজিতে নবাবগঞ্জ সদর।
এই হচ্ছে যাতায়াতের বর্ণনা।
কোথায় থাকবেন?

ট্যুরিস্টদের থাকার জন্য মৈনট ঘাটের আশেপাশে কোনো হোটেল, রিসোর্ট, বোর্ডিং এখনো তৈরি করা হয়নি। স্থানীয় কোনো বাসিন্দার বাড়ি ম্যানেজ করতে না পারলে দিনে এসে দিনেই ফিরে যাওয়া ভালো।

কোথায় খাবেন?
বেশিরভাগ মানুষেরই ইচ্ছা থাকে পদ্মার তীরে বসে পদ্মার সেই নামকরা ইলিশ খাওয়ার। মৈনট ঘাটে দু'টি ভাতের হোটেল আছে। একটি আতাহার চৌধুরীর হোটেল অপরটি জুলহাস ভূঁইয়ার হোটেল। এই লিখাটি লেখার আগে কিছু তথ্য নেবার জন্য যখন আতাহার চৌধুরীর হোটেলে গিয়েছি, আতাহার চৌধুরী খুব আন্তরিক ভাবেই জানালো তার দোকানের ইলিশ ৬০ থেকে ৯০ টাকা। বড় সাইজের ইলিশ খেতে চাইলে আগেই অর্ডার দিতে হবে। বোঝেনই তো, গরীব মানুষ। চালানপাতির ব্যাপার স্যাপার। এছাড়াও বোয়াল ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিংড়ি ৬০ থেকে আশি টাকা। ভাত ১০ টাকা প্লেট। আর কার্তিকপুর বাজারে শিকদার ফাস্টফুড নামক একটা খাবারের দোকান আছে, ঢাকা হোটেল সহ আরও কিছু ভাতের হোটেলও আছে। আর একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, কার্তিকপুরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খেতে ভুলবেন না। এখানকার মিষ্টি অনেকে বিদেশেও পাঠায়।

নিরাঞ্জন মিষ্টান্ন ভান্ডার, মুসলিম সুইটস, রনজিৎ মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ আরও কিছু মিষ্টির দোকান আছে এখানে। কিছু তথ্য নেবার জন্য আমি যখন রনজিৎ মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী রনজিৎ দাদার কাছে গেলাম, আমাকে কি না কি ভেবে তিনি খুব ভড়কে গেলেন। তিনি বললেন, আমি তো ভাই নিয়মিত ট্যাক্স দেই। তার কথা শুনে আমার খুব হাসি পাচ্ছিলো। পরে সবকিছু বুঝিয়ে বলার পর রনজিৎ দাদা স্বাভাবিক হয়ে বললেন ছানার রসগোল্লা ১৮০ টাকা থেকে ২০০ টাকা কেজি। সাধারণ রসগোল্লা ১৫০ টাকা কেজি। চমচম ও কালোজাম ১৬০ টাকা কেজি। বালুশা ১৪০ টাকা কেজি। জিলাপি ১০০ টাকা কেজি। রসমালাই ৩০০ টাকা কেজি। দধি ১৪০ টাকা কেজি। আসার সময় সহজসরল রনজিৎ দাদা অনেকটা জোর করেই তার দোকানের মিষ্টি খাইয়ে ছাড়লেন।

এছাড়াও কিছু তথ্য
স্পীডবোটে মৈনট ঘাট থেকে ফরিদপুরের চর ভদ্রাসন যেতে হলে ১৬০ টাকা করে গুনতে হবে জনপ্রতি। ১০ থেকে ১২ জন নিয়ে চলতে পারবে। স্পীডবোটে মৈনট ঘাট থেকে চর ভদ্রাসন যেতে সাধারণত সময় লাগে ১৬ থেকে ১৭ মিনিট। পদ্মায় ঢেউ থাকলে ২০ মিনিট। মৈনট ঘাটের একজন স্পীডবোট চালক মোহাম্মদ আকাশের ভাষ্যমতে ২০ মিনিটের জন্য স্পীডবোট রিজার্ভ করে পদ্মায় ভেসে বেড়াতে চাইলে গুনতে হবে ২০০০ টাকা। কয়েকজন মিলে শেয়ারে ভাড়া করলে ভালো হবে। আর দশ মিনিটের জন্য একহাজার টাকা। ট্রলার রিজার্ভ করে পদ্মায় ঘুরতে চাইলে ১ ঘন্টার জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা গুনতে হবে। অবশ্যই দামাদামি করে নেবেন। ট্রলারের তথ্য পেয়েছি ট্রলার চালক রুবেলের নিকট থেকে। এছাড়াও ইঞ্জিনযুক্ত ছোট নৌকা নিয়ে ঘুরতে চাইলে ১ ঘন্টায় ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা গুনতে হবে। নৌকা চালক শহিদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য এইটা।

সতর্কতা
সাঁতার না জানলে গোসল করার সময় পদ্মার বেশি গভীরে যাবেন না। সিগারেট অথবা খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল অথবা যেকোনো প্রকার ময়লা যেখানে সেখানে ফেলবেন না। পাখি মারা থেকে বিরত থাকুন। যার তার সামনে সিগারেট ফোঁকা থেকে বিরত থাকুন। দোকানদার, নৌকাচালক সহ সবার সাথে মার্জিত ব্যবহার করুন। ভুলেও এদেরকে ছোট করে দেখবেন না। এদের অনেকের বাড়িঘরের অবস্থা আমার চাইতেও ভালো। খেয়াল রাখুন নিজের কোনো আচরণের দ্বারা কোনো মেয়ে বিরক্ত হলো কিনা। কেও মেয়েদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করলে অথবা যেকোনো প্রকার সাহায্যের জন্য মৈনট ঘাটের একটু পাশেই অবস্থিত পুলিশ ফাঁড়িতে যোগাযোগ করুন।

25/07/2016

বেশ কিছু সংখ্যক উদ্দমি ট্রাভেল এক্সিকিউটিভ নিয়োগ করা হবে।
ঢাকা সদর জেলা বাদ দিয়ে বাংলাদেশের বাকি সব জেলায় ফুল টাইম /পার্ট টাইম ট্র্যাভেল এক্সিকিটিভ নিয়োগ করা হবে।
যোগ্যতা মিনিমাম এইচ এস সি পাস হতে হবে , বয়স ২০ থেকে ২৮ এর মধ্যে হতে হবে।
বেতনঃ ফুল টাইম ঃ ১২০০০ টাকা এবং অন্যান্য সুবিধাদি। বাৎসরিক দুটো বোনাস থাকবে।
বেতনঃ পার্ট টাইম ঃ ৬০০০ টাকা এবং অন্যান্য সুবিধাদি। বাৎসরিক দুটো বোনাস থাকবে।
আপনার সিভি পাঠান। সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি সহ ইমেইল করুন আমাদের। কোন জেলা থেকে কাজ করতে ইচ্ছুক তা সিভি তে মেনশন করবেন।
সিলেক্টেড যারা হবেন তাদের জন্য একদিনের একটি ট্রেনিং এরেঞ্জ করা হবে।
কাজ আপনার নিজ জেলা থেকেই করতে হবে। আমাদের সিভি পাঠান ।
ইমেইলঃ [email protected]
Travelia Travel club is an Uk based Travel Club with full new concept in Bangladesh.

23/07/2016

মাত্র ৭,৫০০ ++++++ টাকায় ঘুরে আসুন দার্জিলিং থেকে
বুকিংয়ের জন্য মেইল করুন [email protected]

দার্জিলিং-মিরিক-কালিমপং প্যাকেজ ( ৫ রাত/৫ দিজন
জন প্রতি মাত্র ১৫,০০০/- টাকা ( টুইন শেয়ার বেসিস) ডাউন পেমেন্ট ৭৫০০ টাকা, ট্রাভেল করে এসে ৬ মাসের সমান ৬ টি কিস্তিতে টাকা পরিশোধের সুযোগ শুধু মাত্র ট্রাভেলিয়া ট্রাভেল ক্লাবের মেম্বার দের জন্য।
প্রতি মাসে দুটো পেকেজ
=========================
প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত
* ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি-শিলিগুড়ি থেকে ঢাকা রির্টান বাস টিকেট
* ৩ রাত হোটেলে থাকার ব্যাবস্থা
* প্রতিদিন সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার
* সাইটসিইং দার্জিলিং, মিরিক, কালিম্পং
* শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং টাটা সুমো জীপে ভ্রমণ
* অভিজ্ঞ গাইড সুবিধা

প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত নয়
* ভিসা ফি
* ট্রাভেল ট্যাক্স
* ব্যক্তিগত খরচসমুহ
====================================================
ভিসা প্রসেসিং করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের তালিকাঃ
১। ৬ মাসের ভ্যালিড পাসপোর্ট
২। ব্যাংক ষ্টেটম্যান্ট (বিগত ৩/৬ মাসের)
৩। চাকুরীজীবীদের জন্যে অফিস থেকে এন ও সি লেটার (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট),
৪। ব্যবসায়ীদের জন্যে ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদসহ নোটারীকপি,
৫। কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড,
৬। অফিসের আইডি কার্ডের কপি (চাকুরীজীবীদের জন্যে),
৭। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি
৮। ছবি (২''/২'', ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হতে হবে)
৯। বিদু্ৎ বিলের কপি

ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা  ট্যুর প্যাকেজ ০১৩ রাত ৪ দিন - ৫,১৫০ টাকা( নন এসি বাস, নন এসি ডিলাক্স রুম (টুইন শেয়ার বেসিস), ব্র্যা...
20/07/2016

ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা ট্যুর প্যাকেজ ০১
৩ রাত ৪ দিন - ৫,১৫০ টাকা
( নন এসি বাস, নন এসি ডিলাক্স রুম (টুইন শেয়ার বেসিস), ব্র্যাকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, স্ন্যাক্স, সাইট সিয়িং, গাইড অন্তর্ভুক্ত)
প্রতি সপ্তাহে প্যাকেজ, ট্যুর এর ১০ দিন আগে বুকিং করতে হবে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এর স্টুডেন্ট গ্রুপ এর জন্য স্পেশাল ছাড় এর বেবস্থা রয়েছে।
ডাউন পেমেন্ট ৫০%, বাকী টাকা ট্যুর করে আসার পর সমান ৫ টি কিস্তিতে পেমেন্ট এর সুবিধে আছে। দ্রুত বুকিং করুন।

20/07/2016

আসুন জেনে নেই কোথায় এবং কিভাবে ভারতীয় ভিসা পাওয়া যাবে সহজেই ।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র

কূটনীতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক পাসপোর্টধারী ছাড়া সবধরনের ভিসা আবেদনকারীর আবেদন গ্রহণের কাজটি করে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র। তবে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ এবং সিদ্ধান্তের বিষয়টি নির্ভর করে হাই কমিশনের ওপর। আর ভিসা আবেদন করতে হবে অনলাইনেhttp://indianvisaonline.gov.in/visa/ সাইটটির মাধ্যমে।

বেশ কয়েক ধরনের ক্যাটাগরিতে ভারতীয় ভিসার আবেদন করা যায়:
•কূটনৈতিক ভিসা,
•বিজনেস ভিসা,
•কনফারেন্স ভিসা,
•এমপ্লয়মেন্ট ভিসা,
•ইমার্জেন্সি ভিসা,
•এন্ট্রি ভিসা,
•জার্নালিস্ট ভিসা,
•মেডিকেল ভিসা,
•মিশনারি ভিসা,
•স্টুডেন্ট ভিসা,
•ট্যুরিস্ট ভিসা,
•ট্রানজিট ভিসা,
•রিসার্চ ভিসা,
•দু’মাসের মধ্যে পুনঃপ্রবেশের অনুমতিসহ ভিসা,
•জার্নালিস্ট ভিসা, ইত্যাদি।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো:

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,গুলশান, ঢাকা ঠিকানা:লেক ভিউ, বাড়ি: ১২, সড়ক: ১৩৭, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ।ফোন: 00-88-02-9893006, 8833632


মোবাইল ফোন: 0171 3389499

ফ্যাক্স: 00-88-02-9863229

ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,ধানমণ্ডি, ঢাকা বাড়ি- ২৪, সড়ক: ২, ধানমণ্ডি, ঢাকা-১২১৫ই–মেইল: [email protected]ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com


ভিসা আবেদনপত্র গ্রহণ: সকাল ০৮:০০ টা থেকে দুপুর ০১:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

পাসপোর্ট ডেলিভারি: বিকাল ৩:০০ টা থেকে সন্ধ্যা সন্ধ্যা ০৬:০০ টা (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার)

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,মতিঝিল, ঢাকা ঠিকানা:স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, সাধারণ বিমা ভবন, ২৪-২৫, দিলকুশা, বাণিজ্যিক এলাকা,ফোন: 00-88-02-9553371, 9554251


ফ্যাক্স: 00-88-02-9563991

ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,চট্টগ্রাম ঠিকানা:২১১১, জাকির হোসেন রোড, হাবিব লেন, চট্টগ্রাম।


(হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালের বিপরীতে)

ফোন: 00-88 -031-2551100

ফ্যাক্স: 00-88-031-2524492

ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,সিলেট ঠিকানা:স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, রোজ ভিউ কমপ্লেক্স, শাহজালাল উপশহর, সিলেট- ৩১০০টেলিফোন: 00-88-0821 – 719273


ফ্যাক্স: 00-88-0821-719932

ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভারতীয় ভিসাআবেদন জমাদানকেন্দ্র, খুলনা ঠিকানা:ড. মতিয়ার রহমান টাওয়ার, ৬৪, কেডিএ এভিনিউ, কেডিএ কমার্শিয়াল এরিয়া, ব্যাংকিং জোন, খুলনা-৯১০০টেলিফোন: 00-88-041-2833893


ফ্যাক্স: 00-88-041-2832493

ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভারতীয় ভিসাআবেদন কেন্দ্র,রাজশাহী ঠিকানা:মরিয়ম আলী টাওয়ার, হোল্ডিং নম্বর-১৮, প্লট নম্বর- ৫৫৭, দ্বিতীয় তলা, পুরাতন বিলসিমলা, গ্রেটার রোড, বর্ণালী মোড়, দ্বিতীয় তলা, ওয়ার্ড নম্বর-১০, রাজশাহী।ফোন: 88-0721-812534, 88-0721-812535


ই–মেইল: [email protected]

ওয়েবসাইট: www.ivacbd.com

ভিসা আবেদন ফি (অফেরতযোগ্য)

বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের কোন ভিসা ফি প্রয়োজন হয় না, তবে ভিসা প্রসেসিং ফি দিতে হয়।

কেন্দ্র প্রতিআবেদনপত্রেরজন্য ভিসাপ্রসেসিং ফি(টাকা)
গুলশান, ঢাকা ৬০০
ধানমণ্ডি, ঢাকা ৬০০
মতিঝিল, ঢাকা ৬০০
রও পাসপোর্ট সংগ্রহ না করলে পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানা বা বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ দপ্তরে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাই এ ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে যথাসময়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা উচিত। পাসপোর্ট ডেলিভারি সংক্রান্ত কোন সমস্যা বা অভিযোগের ক্ষেত্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে নিচের ঠিকানাগুলোতে:

চট্টগ্রাম ৬০০
সিলেট ৭০০
খুলনা ৭০০
রাজশাহী ৬০০

পাসপোর্ট সংগ্রহ:

ভিসা আবেদনের সময় পাসপোর্ট জমা দেয়ার পর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে ভিসা ইস্যু হয়েছে কিনা আর ভিসা ইস্যুর পর ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও পাসপোর্ট সংগ্রহ না করলে পাসপোর্টে থাকা স্থায়ী ঠিকানা বা বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ দপ্তরে পাসপোর্ট পাঠিয়ে দেয়া হয়। তাই এ ঝামেলা থেকে রেহাই পেতে যথাসময়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা উচিত। পাসপোর্ট ডেলিভারি সংক্রান্ত কোন সমস্যা বা অভিযোগের ক্ষেত্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে নিচের ঠিকানাগুলোতে:

ব্যবস্থাপক (প্রশাসন), ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র, বাড়ি নম্বর: ১২, সড়ক: ১৩৭, গুলশান-১, ঢাকা।

ফোন: 02-8833632

ফ্যাক্স: 02-9863229

ই-মেইল: [email protected]

অথবা

চিফ অপারেটিং অফিসার, ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র, স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, উদয় টাওয়ার, গুলশান-১, ঢাকা। ফ্যাক্স: 02-8835602 ই-মেইল: [email protected]



ভারতীয় ভিসার নিয়মকানুন:
•পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ছয় মাস থাকতে হবে।
•শিশুদের জন্য ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রও আলাদা পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।
•অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের ভিসা প্রয়োজন হয় না।
•ভিসা আবেদন ফর্মটি সতর্কতার সাথে পূরণ করতে হবে কারণ যেকোনো ভুল তথ্যের দায় আবেদনকারীকেই নিতে হবে আর ভিসা ইস্যু হওয়ার পরই বরং ভ্রমণের বিস্তারিত পরিকল্পনা করা উচিত।
•২০১০ সাল থেকে চালু হওয়া নিয়মানুযায়ী কেবল অনলাইনে করতে হয় ভিসা আবেদন।
•ঢাকা, খুলনা এবং বরিশাল বিভাগের বাসিন্দাদের অবশ্যই ঢাকার গুলশান অথবা মতিঝিলের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আর সিলেট, চট্টগ্রাম এবং রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দাদের নিজ নিজ আঞ্চলিক ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আর বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশী নাগরিকদের আবেদনপত্র জমা দিতে হবে গুলশান অথবা মতিঝিলের ভিসা আবেদন কেন্দ্রে।
•অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের পর আবেদনপত্রের এক কপি এবং সাম্প্রতিক তোলা এক কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।
•অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরম পূরণের পর আবেদনকারীর যে কপি তৈরি হয় তাতে আবেদনপত্র জমা দেয়ার তারিখ এবং সময় উল্লেখ করে দেয়া হয়। নির্ধারিত দিন এবং সময়েই আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। তবে যথাসময়ে যাওয়া সম্ভব না হলে ঐদিনই অফিস সময়ের (সকাল ৮:০০-দুপুর ১২:০০) মধ্যে পৌঁছাতে পারলেও আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে।
•অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণে কোন ভুল হলে সেটা সংশোধনের কোন সুযোগ নেই, তবে কোন ভুল হলে নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে।
•অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করলেই যে এপয়েন্টমেন্ট বা ফরম জমা দেয়ার তারিখ পাওয়া যাবে তা বলা যায় না। তারিখ ছাড়াই আবেদনকারীর কপি তৈরি হতে পারে। সাধারণত অনুমোদিত সীমার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ ভারতীয় ভিসা আবেদন করে আর তাই সবাইকে তারিখ দেয়া সম্ভব হয় না। আবেদন ফরম পূরণের পর তারিখ না পেলে পরবর্তী কোন এক সময় বা দিনে আবার চেষ্টা করতে হবে। তবে নতুন করে ফরম পূরণ করার দরকার নেই। পূর্বে আবেদন ফরম পূরণের সময় পাওয়া ওয়েব ফাইল নম্বর এবং জন্ম তারিখের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে লগইন করে তারিখ পাওয়ার চেষ্টা করা যাবে। পেশাদার আবেদন ফরম পূরণকারীরা দিনে কয়েকবার চেষ্টার মাধ্যমে তারিখ পেতে সাহায্য করেন। আর আপনি নিজে চেষ্টা করলেও কয়েকদিন চেষ্টা করলেই তারিখ পেয়ে যাবেন।
•আবেদন ফরম পূরণ করে তারিখ পাওয়ার পর সেটার প্রিন্ট কপি নিতে হবে। প্রিন্ট কপি নিতে ভুলে গেলেও অসুবিধা নেই, ওয়েব ফাইল নম্বর এবং জন্ম তারিখের সাহায্যে লগইন করে যেকোনো সময় প্রিন্ট আউট নিতে পারবেন।
•কোন কারণ ছাড়া একাধিক তারিখের জন্য একাধিক ভিসা আবেদন করা ঠিক নয়। যুক্তিসঙ্গত কোন কারণ ছাড়া একাধিক তারিখের জন্য একাধিক ভিসা আবেদন করলে ভিসা ইস্যু নাও হতে পারে।
•ভিসা আবেদন ফরম জমা দেয়ার পর আবেদনের অবস্থা বা স্ট্যাটাস জানতে টেলিফোন, ফ্যাক্স বা ই-মেইলের মাধ্যমে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে যোগাযোগ করা যেতে পারে, এক্ষেত্রে স্টিকার নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
•একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচজনের জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন, তবে তাদেরকে জমাদানকারীর পরিবারের সদস্য হতে হবে। বাবা-মা, সন্তান, স্বামী-স্ত্রী, এদের পরিবারের সদস্য ধরা হয়।
এছাড়া সংসদ সদস্য, বিচার বিভাগের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিবর্গের হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা ই-টোকেনসহ আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন।
•সামরিক বাহিনী, পুলিশ বাহিনী বা নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত বা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রোফর্মা জমা দিতে হয়।
•সিকিম, কাশ্মীর, অরুণাচল, হিমাচল, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, উতরাখন্ডসহ ভারতীয় কিছু এলাকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় সেসব জায়গায় যেতে হলে অতিরিক্ত ফরম পূরণ করে দিতে হয় এবং এসব ক্ষেত্রে ভিসা প্রসেসিংয়ে চার সপ্তাহ বা তার চেয়ে বেশি সময় দরকার হতে পারে।
•ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে ভারতে যেতে হলে বিজনেস ভিসা বা “বি” ভিসা এবং চাকুরী সংক্রান্ত কাজে ভারত যেতে হলে এমপ্লয়মেন্ট ভিসা বা “ই” ভিসা নিতে হবে।
•ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণের পাশাপাশি ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার পক্ষেও কাগজপত্র দেখাতে হবে।

স্পেশাল সিলেট প্যাকেজঃ   জাফলং, রাতারগুল, বিছানাকান্দি এবং পানতুমাই  প্যাকেজ মূল্য ৬,৫০০ জন প্রতি টাকা (১ রুমে ২ জন) ডাউ...
20/07/2016

স্পেশাল সিলেট প্যাকেজঃ জাফলং, রাতারগুল, বিছানাকান্দি এবং পানতুমাই

প্যাকেজ মূল্য ৬,৫০০ জন প্রতি টাকা (১ রুমে ২ জন)
ডাউন পেমেন্ট ৫০%, ঘুরে আসার পর সমান ৬ টি কিস্তিতে ৬ মাসে বাকি টাকা পরিশোধ করবেন। এই অফার শুধু মাত্র ট্রাভেলিয়া ট্রাভেল ক্লাব এর মেম্বার দের জন্য

ভ্রমনের সময়কাল: ২ রাত/ ২ দিন

প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত:
* ঢাকা-সিলেট-ঢাকা নন এসি বাস টিকেট
* ২টি সকালের নাস্তা, ২টি দুপুরের খাবার, ১ টি রাতের খাবার
* নন এসি হোটেল
* প্রাইভেট ট্রান্স পোর্ট এ সাইটসিয়িং
* গাইড সার্ভিস
দর্শনীয় স্থান:
বিছানাকান্দি, রাতারগুল, পান্তুমাই, দরগা শরীফ, জাফলং এর চা বাগান এবং আশেপাশের দর্শনীয় স্থান সমূহ

এখন বাংলাদেশ থেকেই সংগ্রহ করুন ইন্ডিয়ান বাস, ট্রেন, হোটেল এবং ডোমেস্টিক এয়ার টিকিট।
20/07/2016

এখন বাংলাদেশ থেকেই সংগ্রহ করুন ইন্ডিয়ান বাস, ট্রেন, হোটেল এবং ডোমেস্টিক এয়ার টিকিট।

ভুটান ট্যুর প্যাকেজঃ৩ রাত ৪ দিনের ভ্রমন প্যাকেজ। প্যাকেজ মুল্যঃ ৩৮,৮০০ টাকা, ডাউন পেমেন্ট ৫০%, বাকি টাকা ভ্রমন শেষ করে আ...
20/07/2016

ভুটান ট্যুর প্যাকেজঃ

৩ রাত ৪ দিনের ভ্রমন প্যাকেজ।
প্যাকেজ মুল্যঃ ৩৮,৮০০ টাকা, ডাউন পেমেন্ট ৫০%, বাকি টাকা ভ্রমন শেষ করে আসার পর ৬ মাসের মধ্যে ৬ টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এই অফার শুধু মাত্র ট্রাভেলিয়া ট্রাভেল ক্লাবের মেম্বার দের জন্য।

পাঁচ তারকা মানের রিসোর্টে থাকা ও খাওয়ার সুবিধে, অভিজ্ঞ গাইড, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নান্দনিক পরিবেশনা, এয়ার টিকেট, পারো এয়ারপোর্ট থেকে হোটেল পর্যন্ত গাড়ি এবং ফেরার দিন হোটেল থেকে পারো এয়ারপোর্ট অবধি গাড়িতে পৌঁছে দেয়ার সুবিধে। নিজস্ব গাড়িতে করে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পরিদর্শন।

ঘুরে আসুন পাকশী রিসোর্টঃঢাকা থেকে কয়েক ঘণ্টার পথ। যমুনা সেতু থেকে ১ ঘণ্টার রাস্তা। রিসোর্টে যাওয়ার পথে চোখ জুড়িয়ে দেবে দ...
20/07/2016

ঘুরে আসুন পাকশী রিসোর্টঃ

ঢাকা থেকে কয়েক ঘণ্টার পথ। যমুনা সেতু থেকে ১ ঘণ্টার রাস্তা। রিসোর্টে যাওয়ার পথে চোখ জুড়িয়ে দেবে দু’পাশের ধান ক্ষেত আর চিরচেনা সবুজের সমারোহ। পাকশী রিসোর্ট গড়ে উঠেছে ৩৬ বিঘা জমির ওপর।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী বা কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে যেতে হবে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে। পাবনা, কুষ্টিয়া বা নাটোর শহর থেকে পাকশী রিসোর্ট মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিটের পথ। ছায়াঘেরা গ্রাম। প্রাচীন ঐতিহ্যের রেলওয়ে শহর। ট্রেনেও যেতে পারেন আপনি। ঢাকা থেকে ট্রেনেও যাওয়া যায়। কমলাপুর বা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উত্তরবঙ্গ বা দক্ষিণবঙ্গের যে কোনো ট্রেনে ঈশ্বরদী বাইপাস বা জংশনে নেমে পাকশী যেতে পারেন। রিকশা বা গাড়ি নিয়ে যেতে পারেন, মাত্র ১০ মিনিটের পথ।
কোথায় থাকবেন
এ রিসোর্টে পর্যটকদের জন্য রয়েছে তিন তলাবিশিষ্ট দুটি ভবন। বিদেশি স্থাপত্য কাঠামোয় গড়ে ওঠা এ রিসোর্টে রয়েছে সব রকমের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। প্রতিটি কক্ষই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। রয়েছে বিশাল ডাইনিং হল। বসার জায়গা, বুফে এবং বারবিকিউয়ের ব্যবস্থা। পাকশী রিসোর্টে থাকার জন্য প্রতিটি এসি রুমের ভাড়া চার হাজার টাকা।
খাওয়া-দাওয়া
পাকশী রিসোর্টে আছে ষড়ঋতু নামের একটি আধুনিক রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টে পরিবেশন করা হয় নদীর টাটকা মাছ। রিসোর্টের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান, চায়নিজ, থাই কিংবা অন্যান্য বিদেশি খাবারের সুব্যবস্থাও রয়েছে।
কী দেখবেন
পাকশী পড়েছে ঈশ্বরদী উপজেলায়। পাকশীই ছিল সাড়াঘাট থেকে নদীপথে কলকাতা যাওয়ার একমাত্র পথ। সেই সুবাদে এখানে গড়ে উঠেছে রেলওয়ে বিভাগীয় শহর। ঈশ্বরদী ব্যবসা-বাণিজ্যের স্থান। এখানে রয়েছে দেশের সর্ববৃহত্ রেলওয়ে জংশন। এককালীন এশিয়া মহাদেশের সর্ববৃহত্ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। দেখার মতো ঐতিহাসিক স্থান এটি। ব্রিজের কোলঘেঁষে লালন সেতু। আছে দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্রের নির্ধারিত স্থান, ঈশ্বরদী ইপিজেড, নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল এবং ডাল ও আখ গবেষণা কেন্দ্র। আছে ফুরফুরা দরবার শরীফ। পাশেই পাবনা শহর, মাত্র ১৫ মিনিটের পথ। সেখানে দেখতে পাবেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেনের বাড়ি, কোর্ট বিল্ডিং, অনুকুল ঠাকুরের আশ্রাম, জোড়বাংলা, বিখ্যাত মানসিক হাসপাতাল, রায় বাহাদুরের গেট, পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজসহ অনেক পুরনো কীর্তি।
পাকশী রিসোর্ট থেকে লালন শাহের মাজারে যাওয়া যায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটে। ইচ্ছা করলে এখান থেকে শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের কুঠি বাড়িতে সড়কপথ বা নদীপথেও যেতে পারেন। ঘুরে আসতে পারেন সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের বসতভিটা থেকে। মুক্তিযুদ্ধকালে দেশের প্রথম স্ব্বাধীন রাজধানী মুজিবনগরেও যেতে পারেন। যেতে পারেন বনলতা সেন খ্যাত নাটোরের রাজবাড়িসহ পুঠিয়া রাজবাড়িতে। এসব দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয় এ রিসোর্ট থেকেই। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য রয়েছে ক্যাম্প ফায়ার ও তাঁবুতে থাকার সুবিধা।
প্যাকেজ সুবিধেঃ অফ সিজনে খুব ই কম খরচে ২/৩ দিনের পেকেজ অফার করা হয় । জন প্রতি ৫৭০০ করে থাকা খাওয়া ও যাতায়াত সহ ।

Address

Road No-18, House No-28, Banani
Banani Model Town
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travelia Travel Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travelia Travel Club:

Share

Category