Sangu Tours

Sangu Tours Sangu Tours is specialized in tour planning in the world’s most attractive locations, especially i
(1)

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য পি কে সেন সাততলাচট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় ভবনটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত...
12/10/2024

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য পি কে সেন সাততলা

চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকায় ভবনটি এখনও দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মিত চট্টগ্রামের প্রথম বহুতল দৃষ্টিনন্দন দালান এটি। রাউজানের প্রফুল্ল কুমার সেন প্রকাশ পিকে সেন এটি নির্মাণ করেন ১৮৯০ সালে।

একসময় দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ কর্ণফুলি নদীর দক্ষিণ পাড় থেকে সদরঘাটের পি কে সেন ভবনের চূড়া দেখে বুঝে নিতো চট্টগ্রাম শহরের কাছাকাছি চলে এসেছেন। কিন্তু বর্তমান নগরীর বড় বড় ইমারতের পাশে ঐতিহ্যবাহি এ ভবনটি ঢাকা পড়েছে, হারিয়েছে জৌলুস। এছাড়া দু’শত বছরের পুরানো এ ভবনটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখন প্রায় জীর্ণশীর্ণ।

পি কে সেন সাততলা চট্টগ্রামে ব্যক্তি পর্যায়ে নির্মিত প্রথম দৃষ্টিনন্দন ভবন। ১৮৯০ সালে কলকাতার ৫০-৬০ জন সুদক্ষ কারিগর দ্বারা ভবনটি নির্মাণ করা হয়। বাইরে থেকে দেখতে উঁচু গম্বুজের ভবনটি ভেতরে আরও চমৎকার। সাততলা ভবনটির প্রথম চারতলা আবাসিক। পঞ্চমতলায় মন্দির। এর উপরে খোলামেলা বৈঠকখানা ও চারিদিকে উন্মুক্ত বারান্দা। যেখান থেকে একসময় দেখা যেত কর্ণফুলি নদীর নয়নাভিরাম দৃশ্য। চারতলা পর্যন্ত ভবনের মাঝখান বরাবর দুইটি নান্দনিক সিঁড়ি দুইদিক থেকে নিচে নেমে এসেছে। ভবনের প্রতিটি কক্ষ নির্মাণ কৌশলের কারণে আলাদা আলাদা সুন্দর।

জানা গেছে, একসময় চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকাটা জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। চারদিকে কোনো জনবসতি ছিল না। চট্টগ্রামের রাউজান নোয়াপাড়ার তৎকালীন প্রভাবশালী জমিদার প্রফুল্ল কুমার সেন প্রকাশ পি কে সেন এ জায়গায় এসে আবাদ করেন। তৈরি করেন রাস্তাঘাট, গড়ে তোলেন দোকানঘর। এখানে তিনি নিজেই শুরু করেন তেলের ঘানি টানার ব্যবসাসহ নানা ব্যবসা। সে সময় তার বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই শতাধিক কর্মচারী কাজ করত। জঙ্গলবেষ্টিত এলাকাটি একসময় ব্যবসায়িক জোনে পরিণত হয়। বিশেষ করে পূজা-পার্বণে পি কে সেন ভবনটি ঘিরে জমজমাট থাকত সদরঘাট এলাকাটি।

পি কে সেন পরবর্তী সদানন্দ ঘোষের বংশধর দীপু ঘোষ বর্তমানে বসবাস করেন এই ভবনে। তিনি বলেন, ভবনটির ঐতিহ্য আছে। কাজেই এটিকে রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। কিন্তু নানা কারণে সেটি হয়ে উঠছে না।

তিনি আরো বলেন, ভবনটির নির্মাণশৈলী চোখে পড়ার মতো। একসময় ভবনে প্রবেশের মুখে বিশাল গেট থাকলেও এখন তা নেই। গলিটাও তস্যগলি হয়ে আছে। ভবনে ওপরে উঠার জন্য রয়েছে দুটি সিঁড়ি। ভবনটির প্রতি তলায় রয়েছে দুটি ফ্ল্যাট। নামে সাততলা হলেও মূল ভবন চারতলা। পঞ্চম তলায় মন্দির। মন্দিরটি এখন আর নেই। ষষ্ট ও সপ্তম তলায় রয়েছে সুদর্শন গম্বুজ। এ গম্বুজের কারণেই ভবনটির বিশেষত্ব। এটি যখন তৈরি হয় তখন চট্টগ্রামে এত বড় ভবন আর ছিল না বলে জানান তিনি।

ভবনটিতে প্রায় অর্ধশত বছর ধরে বাস করেন মিলন কান্তি নাথ। তার মতে, আগেকার দিনে তৈরি হলেও ভবনটি এখনো যথেষ্ট মজবুত।

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, উনিশ শতকে চট্টগ্রাম জেলার রাউজানের নোয়াপাড়ার প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন প্রফুল্ল কুমার সেন। সংক্ষেপে পি কে সেন। নোয়াপাড়ায় মগদাই পি কে সেন হাটটিও তাঁর নামেই প্রতিষ্ঠিত। পি কে সেন চট্টগ্রামের সদরঘাটে ১৬ শতক জমি কেনেন ১৮৯০ সালে। এ জায়গার ওপর নির্মাণ করেন ভবনটি। এটি সাততলা ভবন হওয়ার কারণে জায়গাটির নাম হয় পি কে সেন সাততলা। জমিদারি প্রথা চলে যাওয়ার পর ১৯৫৫-৫৬ সালের দিকে সদানন্দ ঘোষ, সুশীল ঘোষ ও চিন্তাহরণ ঘোষ এ তিন ভাইয়ের কাছে বাড়িটি বিক্রি করে ভারতে পাড়ি জমান পি কে সেন। এর আগে তিনি পরিবার-পরিজনদের পাঠিয়ে দেন ভারতে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই ভাই চট্টগ্রাম শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেলেও চিন্তাহরণ থেকে যান পি কে সেন ভবনে। যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে রাজাকাররা তাঁকে ঘর থেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। একই সঙ্গে ভবনটিতে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়। সেসময় একটি দরজা-জানালাও আস্ত ছিল না। যুদ্ধের পর সেটি সংস্কার করে আবারও উপযোগী করে তোলা হয়। ভবনটি জৌলুস হারালেও নগরী কিংবা গ্রামের অনেক বয়োবৃদ্ধদের মুখে মুখে ফেরে পি কে সেন ভবনের কথা।

ঢাকাসহ সারাদেশে অনেক ভবন সরকার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসেবে রক্ষণাবক্ষেণের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামের নান্দনিক পি কে সেন ভবন বরাবরই অবহেলিত। অচিরেই সরকার ভবনটি সংস্কার করে রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ না নিলে চট্টগ্রাম নগরীর অনেক ঐতিহ্যের মতোই হারিয়ে যাবে ঐতিহ্যবাহি পি কে সেন ভবন।

29/09/2024

প্রকৃতিকে কাছ থেকে উপভোগ করতে হলে শিকড়ের সন্ধানে বের হতে হবে।

আমাদের্ সাথে উপভোগ করুন প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য।।

আজ ২৭শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস ❤️নেশা হোক ভ্রমণে, প্রেমটা হোক প্রকৃতির সাথে।🌿এবারের স্লোগান, "Tourism & Peace" সবা...
27/09/2024

আজ ২৭শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস ❤️
নেশা হোক ভ্রমণে, প্রেমটা হোক প্রকৃতির সাথে।🌿
এবারের স্লোগান, "Tourism & Peace"
সবাইকে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৪ এর শুভেচ্ছা।

। ছতরপুর শাহী ঈদগাহ জামে মসজিদ। এক দেখাতেই যে কারও মন কাড়ে মসজিদটি। মনে হবে সাম্প্রতিক সময়েই নির্মত হয়েছে এটি। দৃষ্টিনন্...
27/09/2024

। ছতরপুর শাহী ঈদগাহ জামে মসজিদ।

এক দেখাতেই যে কারও মন কাড়ে মসজিদটি। মনে হবে সাম্প্রতিক সময়েই নির্মত হয়েছে এটি। দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির অবস্থিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ছতরপুর গ্রামে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রায় ১৬০ বছর আগে এ মসজিদ নির্মাণ করেন ছতরপুর চৌধুরী বাড়ির পূর্বপুরুষ প্রয়াত আমজাদ হোসেন চৌধুরী। কেউ কেউ এ মসজিদকে চৌধুরী বাড়ি মসজিদ আবার কেউ ছতরপুর শাহী ঈদগাহ জামে মসজিদ নামে ডাকেন।
উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের আউলিয়াবাজার থেকে বিষ্ণুপুরের ওপর দিয়ে সিঙ্গারবিল যাওয়ার সময় আকর্ষণীয় মসজিদটি চোখে পড়ে। মসজিদটির উত্তর ও দক্ষিণ পাশে দুটি জানালা এবং পূর্ব পাশে তিনটি দরজা রয়েছে। ছাদের ওপর রয়েছে তিনটি বড় বড় গম্বুজ। মসজিদের ভেতরে এবং বাইরে বিভিন্ন ফুলের মনকাড়া ডিজাইনে দর্শকে যেমন আকৃষ্ট করে তেমনি শিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়া সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আমিন চৌধুরীর বলেন আমি প্রায় ১৬ বছর ধরে এ মসজিদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার দাদার বাবা আমজাদ হোসেন চৌধুরী প্রায় ১৮৬৬ সালে এ মসজিদ নির্মাণ করেন। এ মসজিদের আওতায় আনুমানিক ২৫ বিঘা জমি রয়েছে।

ছবি:জাহিদুল ইসলাম

World Tourism Day
26/09/2024

World Tourism Day

এই রকম টাটকা ইলিশ খেতে চাইলে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ঘুরে আসুন প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে।। আপনাদের প্বার্শ্বে আছি সবসময় আপনাদের ট...
25/09/2024

এই রকম টাটকা ইলিশ খেতে চাইলে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ঘুরে আসুন প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে।।

আপনাদের প্বার্শ্বে আছি সবসময় আপনাদের ট্রাভেল পার্টনার প্রিয় Sangu Tours

যাদুকাটা নদী,সিলেট।।
21/09/2024

যাদুকাটা নদী,সিলেট।।

জীবন কে উপভোগ করুন ❤️❤️
15/09/2024

জীবন কে উপভোগ করুন ❤️❤️

হিমালয়ের কো'লঘেঁষে বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্র...
15/09/2024

হিমালয়ের কো'লঘেঁষে বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান) মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।

Address

Suite 6C Level 5 Tower 263 , Tin Pool, 263 Jubilee Road
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:30 - 17:00
Tuesday 09:30 - 17:00
Wednesday 09:30 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801712970274

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sangu Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sangu Tours:

Share