•• Proud to be Chittagonian ••

•• Proud to be Chittagonian •• Page Owner : Iftakhairul Islam Jimmy
www.facebook.com/jimmyctg Described by the Chinese poet Traveer Hiuan Tsang (7th century A.D.)

With a picturesque hinterland of large hill forests and lakes Chittagong, the second largest city of Bangladesh and a busy international seaport, is a good vacation spot. Its find harbor, green hills forests and sea beaches and soothing sun shine attract holiday makers to swim in the blue waters of the Bay of Bengal, bask in the sun, fish in the lakes and rivers and shoot with camera in the game f

illed forests. as "a sleeping beauty emerging from mist and water" and given nickname of Porte Grande (Grand Port) by the 16th century Portuguese seafarers, Chittagong remains true to both descriptions even to day. It combines the humming of a restless seaport with the pleasure of a hill town. Chittagong is the country's chief port & is the main site for the established of heavy, medium and light industries. Bangladesh's only steel mill and oil refinery are also located in Chittagong. City (pop., 2001 prelim.: city, 2,199,590; metro. area, 3,361,244), chief Indian Ocean port, Bangladesh. It is the country's second most important industrial city, with jute mills, engineering works, and a large oil refinery. Known to Arab sailors by the 10th century AD, it was conquered by Muslims in the 14th century and occupied by the governor of Bengal in the 17th century. Ceded to Britain's East India Company in 1760, it was constituted a municipality in 1864. Damaged in the conflict between India and Pakistan in 1971, its port facilities were rebuilt. It is the site of the University of Chittagong (founded 1966).

১৮৪ বছর পুরানো দোকান ----বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বিখ্যাত এই দোকান সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে - যাহা নাই এই জগতে তাহা মিলিবে "প...
28/12/2024

১৮৪ বছর পুরানো দোকান ----
বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বিখ্যাত এই দোকান সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে - যাহা নাই এই জগতে তাহা মিলিবে "পীতাম্বর শাহ" এর দোকানে।

আপনি হয়তো এখন বলতে পারেন একটা দোকান কিভাবে ট্যুরিষ্ট স্পট হয়,আমি বলি হয়। একটা দোকান যখন ইতিহাসের অংশ এবং ইতিহাসের ধারক হয় তখন সেটা ট্যুরিষ্ট স্পটই হয় ।

চট্টগ্রাম শহরের যে কোন জায়গা থেকে সিএনজি বা রিক্সায় যোগে যেতে হবে বক্সিরহাট বিটে। তারপর যে কাউকে জিজ্ঞেস করলে দেখিয়ে দিবে "পীতাম্বর শাহ" এর দোকান।

একজন মানুষের এতগুলো নাম মনে রাখা সম্ভব নয় যত গুলো পন্য এই দোকানে পাওয়া যায়। পীতাম্বর শাহ এর দোকান মূলত ভেষজ ওষুধের দোকান। যেখানে নাই বলতে কিছু নেই। এমনকি সামান্য সুঁই-সুতা থেকে অর্জুনেরছাল_অশোক_ত্রিফলা_আমলকি-হরিতকী-
বহেরা_ তিতকুটে চিরতা_সুন্দরবনের মিষ্টি মধু_
শতমূল_বাঘের তেল_বাঘের চামড়া_বাঘের হাড়_বাঘের দুধ_জিনসেং_ওলট কম্বল_উস্তে_একাঙ্গি_লতাকুস্তুরি_
সমুদ্র ফেনা_হরিণের পিত্ত_লোহজারণ_স্বর্ণমাক্ষী_
তামাজারণ_অভ্রুজারণ_মুক্তা_দস্তা_নিমতৈল_পদ্মমধু_বিষমধু_ষষ্ঠীমধু_পুষ্টিগোটা_বকুলগোটা_বিজবন্দ_
বিজকারক_বনজৈন_বহেড়া_মারজান_হযরত পাথর
_মুক্তাদানা_মুক্তাজারণ_তুলসী_বিভিন্ন ধরনের সিন্দুর_চন্দনবীজ_কোরাসিয়া_মুরা মাংসি_অশোক ছাল_অর্জুন_অশ্বগন্ধ_দেশি-বিদেশি অজৈইন_আফিম_
ইত্যাদি। মিলবে দূর্লভ ঔষধি গাছের ছাল বাকল। আরো রয়েছে বিয়ে পূজা_পার্বণ_ঈদ-কোরবানির সরঞ্জামও।

বলা হয় - গুরুজির নির্দেশে ১৮৪ বছর আগে পীতাম্বর শাহ ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে ১৫-২০ দিন পর চট্টগ্রামে পৌঁছেন। চট্টগ্রামে এসে দোকানটি কিনে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। পরে তাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দেশে-বিদেশে।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হলো ১৮৪ বছর ধরে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তারা একই পদ্ধতিতে ব্যবসা করে যাচ্ছেন। বর্তমানে দোকানটি পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির গোড়া পত্তনকারী পীতাম্বর শাহ এর চতুর্থ প্রজন্ম।

লোকে বলে সময় পাল্টেছে,পাল্টেছে সবকিছু। কিন্তু পীতাম্বর শাহ এর দোকানের কোনো কিছুই পাল্টেনি। গুরু পীতাম্বর শাহ যেভাবে ব্যবসা শিখিয়ে গেছেন তাদের বংশধররাও এখনো সেভাবেই ব্যবসা করে যাচ্ছেন।

দিন বদলের ভীড়ে ব্যতিক্রম নগরীর ১৮৪ বছর পুরানো পীতাম্বর শাহ এর দোকান। যেখানে এখনো টিকে আছে হালখাতার ঐতিহ্য। নববর্ষে এখনো এই দোকানে পালন করা হয় হালখাতা উৎসব।

বলা যায় বাঙালী ঐতিহ্যের বিলুপ্ত প্রায় অনুষঙ্গ এই হালখাতার শেষ আশ্রয় বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অবস্থিত এই পীতাম্বর শাহ এর দোকান।

কথা সত্য,হালখাতা হার মেনেছে আধুনিক সফটওয়্যারের কাছে। কিন্তু যে খাতার সাথে বাঙালী ব্যবসায়ীদের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক,যে খাতা পরিণত হয়েছিলে বাংলা নববর্ষের অবিচ্ছেদ্য সংস্কৃতিতে সেই হালখাতার আবেদন কি ভোলা যায়! আর তাইতো পীতাম্বর শাহ এর দোকান এখনও নিভৃতে লালন করে চলেছে হালখাতার ঐতিহ্য।

🔹🔸

"১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম শহর "১৭৬৪ সালে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সার্ভেয়ার বার্থোলোমিউ প্লেইস্টেট কর্ণফুলী নদী...
16/12/2024

"১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম শহর "

১৭৬৪ সালে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সার্ভেয়ার বার্থোলোমিউ প্লেইস্টেট কর্ণফুলী নদী এবং তার তীরবর্তী ইসলামাবাদ শহরের প্রথম মানচিত্রটি প্রণয়ন করেন। এই মানচিত্রে তৎকালীন ইসলামাবাদ শহরের ভৌগোলিক পরিসীমা, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য, এবং মানুষের তৈরি স্থাপনার স্থানচিত্র বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য যে, তখনকার সময়ে ইংরেজরা মুঘল শাসিত চট্টগ্রামকে তার প্রাচীন নাম ‘ইসলামাবাদ’ নামেই ডাকত।

মানচিত্রে দেখা যায়, উত্তরে কাতালগঞ্জ থেকে দক্ষিণে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত এবং পূর্বে চাক্তাই খাল ও কর্ণফুলী নদী থেকে পশ্চিমে বাটালি হিল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল ইসলামাবাদ শহর। এতে এলাকার ভূ-প্রকৃতি, জলপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর অবস্থান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে চিত্রায়িত হয়েছে ।

প্লেইস্টেটের এই মানচিত্র কেবলমাত্র তৎকালীন চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থানের দলিল নয়, বরং ঐ সময়ের প্রাকৃতিক এবং নগর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। এটি ইতিহাসের একটি মূল্যবান নিদর্শন, যা চট্টগ্রামের ঐতিহ্য এবং পরিবেশগত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা অনুধাবন করতে সহায়ক।

তথ্যসূত্র:
১. অতীত মানচিত্রে চট্টগ্রাম -ডা.শওকত কামাল
২. মানচিত্র " National Museum of Spain.

ম্যাচ ফিক্সিং এর মতো প্রস্তাব পেয়েও কেউ বিসিবিকে না জানিয়ে গোপনে ফিক্সারের সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং তা বিসিবি...
28/09/2023

ম্যাচ ফিক্সিং এর মতো প্রস্তাব পেয়েও কেউ বিসিবিকে না জানিয়ে গোপনে ফিক্সারের সাথে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং তা বিসিবিকে না জানিয়ে চেপে যায়, আর তুমি সামান্য ইন্জুরির খবরটা চেপে যেতে পারলেনা? সত্যটা না বলে চুপ থাকতে, নিউজল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে যেরকম খেলেছো কোনো ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গোপন করা ব্যাক্তি বা দেশের ক্রিকেটকে লাথি দিয়ে একবার চলে গিয়ে আবার কোচ হিসাবে ফিরে আসা কারো বাপের সাধ্য ছিলোনা তোমাকে স্কোয়াডে রাখা নিয়ে প্রশ্ন তোলার।
কি দরকার ছিলো দেশের প্রতি আর দলের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে নিজের অবস্থান সম্পূর্ণ প্রকাশ করার? ম্যাচে নেমে দুই তিন ম্যাচ খারাপ করলেও তা খেলার অংশ বলে চালিয়ে দিতে,দল গোল্লায় গেলে যেতো। তবুও কোনো ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্রিকেটার আর একবার লাথি দিয়ে নিয়ম অমান্য করে চলে যাওয়া কোচ থেকে আমাদের নিয়ম শিখতে হতোনা।

২০১১ সালের বিশ্বকাপে যখন মাশরাফি ছিলোনা, তখনও কিন্তু অধিনায়ক ছিলো সে।এই বিশ্বকাপে সে সরালো তামিমকে।

নয়নাভিরাম রাতের চট্টগ্রাম ...ছবি সনি ক্যামেরায় তোলা।০৮ জুন ২০২২ছবি তুলেছে - রিজওয়ানুল আলম
11/06/2022

নয়নাভিরাম রাতের চট্টগ্রাম ...

ছবি সনি ক্যামেরায় তোলা।
০৮ জুন ২০২২

ছবি তুলেছে - রিজওয়ানুল আলম

24/01/2022

Hello Chittagong

স্বর্গের সিড়ি @ খাগড়াছড়ি ছবি কৃতজ্ঞতাঃ Bishan Sadid
27/12/2017

স্বর্গের সিড়ি @ খাগড়াছড়ি
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ Bishan Sadid

~•~ একজন মাস্টার দা ~•~আজ আমি যে মানুষটির গল্প বলব তাকে হয়ত অনেকেই চিনেন অথবা অথবা অনেকেই না। কিন্তু আমি একটি বিশেষ কারন...
26/12/2017

~•~ একজন মাস্টার দা ~•~

আজ আমি যে মানুষটির গল্প বলব তাকে হয়ত অনেকেই চিনেন অথবা অথবা অনেকেই না। কিন্তু আমি একটি বিশেষ কারনে আজকে তাঁর গল্প শোনাতে এসেছি। আমরা জানি আমাদের চট্টগ্রামের আরেক নাম " বীর চট্টলা "। যে কেউ শুনে থাকবে চট্টগ্রামে কোন জনসভার ঘোষণা যখন মাইকে প্রচার করা হয় তখন " বীর চট্টলার সংগ্রামী জনতা " বলে চট্টগ্রাম বাসীকে সম্ভোধন করা হয়। কিন্তু কেন এই সম্ভোধন তা অনেকেই জানেনা। যে মানুষটি বা তার দলের জন্যে সমগ্র ব্রিটিশ ভারতে আমাদের চাঁটগা শহর "বীর চট্টলা " উপাধি পেয়েছিল আজকে তার কাহিনী আপনাদের শোনাব।

সমগ্র ভারতবর্ষে প্রায় দু'শ বছর ধরে অপরাজেয় ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্ব প্রথম যে সফল সশস্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল তা হয়েছিল চট্টগ্রাম বাসীদের মাধ্যমে, মাস্টার দা সূর্য সেনের নেতৃত্বে। এজন্যই তখন সমগ্র ব্রিটিশ ভারতে আমাদের চাটগাঁ "বীর চট্টলা " নামে পরিচিতি পেয়েছিল। যে নাম এখনো বহাল আছে, কিন্তু আমরা ভুলে গেছি সেই বীরদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা চট্টগ্রাম বাসীগণ "বীর চট্টলার সংগ্রামী জনতা" উপাধি পেয়েছিলাম।

ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার লক্ষ্যে ব্রিটিশ বিরোধী যত আন্দোলন হয়েছিল তার মধ্যে সবচেয়ে সফল একটি নাম মাস্টারদা সূর্য সেন। তাঁর জন্ম ১৮৯৪ সালের ২২ মার্চ পূর্ববঙ্গের চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়ার একটি অর্থনৈতিক ভাবে অস্বচ্ছল পরিবারে। তাঁর পিতার নাম রাজমনি সেন এবং মাতার নাম শশী বালা সেন।
এই বাঙালি বীর বিপ্লবীর নাম শোনেনি এমন দেশপ্রেমিক নেই।

১৮ এপ্রিল ১৯৩০, শুক্রবার রাত ৮টা মাস্টারদার নেতৃত্ব বিদ্রোহের দিন হিসাবে ঠিক হয়। পরে তা ১০টা করা হয়। চারটা বাড়ি হতে চারটা দল আক্রমণের জন্য বের হয়। সে রাতেই ধুম রেলস্টেশনে একটা মালবহনকারী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে যায়। একদল বিপ্লবী আগে থেকেই রেল লাইনের ফিসপ্লেট খুলে নেয়। এর ফলে চট্টগ্রাম সমগ্র বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্য একটি দল চট্টগ্রামের নন্দনকাননে টেলিফোন এবং টেলিগ্রাফ অফিস আক্রমণ করে। হাতুড়ি দিয়ে তারা সব যন্ত্রপাতি ভেঙ্গে দেয় এবং পেট্রোল ঢেলে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আরেকটি দল পাহাড়তলীতে অবস্থিত চট্টগ্রাম রেলওয়ে অস্ত্রাগার দখল করে নেয়। উন্নতমানের রিভলবার ও রাইফেল গাড়ীতে নিয়ে অস্ত্রাগারটি পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানো হয়। তবে সেখানে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী বিপ্লবীরা দামপাড়ায় পুলিশ রিজার্ভ ব্যারাক দখল করে নেয়। এই আক্রমনে অংশ নেয়া বিপ্পবীরা দামপাড়া পুলিশ লাইনে সমবেত হয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। মিলিটারি কায়দায় কুচকাওয়াজ করে সূর্য সেনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সূর্যসেন অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার গঠনের ঘোষনা দেন।
সমগ্র চট্টগ্রাম সম্পূর্ণরুপে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত ছিল টানা চারদিন।
কিন্তু এরমধ্যে বিপ্লবীদের খাদ্যসংকট দেখা দিল এবং সূর্য সেন সহ অন্যদের কচি আম, তেঁতুল পাতা, কাঁচা তরমুজ এবং তরমুজের খোসা খেয়ে কাটাতে হয়। সূর্যসেন সহ ছয়জন শীর্ষস্থানীয় বিপ্লবীকে ধরার জন্য ইংরেজ সরকার ১০০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষনা করে। ১৯৩০ সালের ২২ এপ্রিল বিপ্লবীরা যখন জালালাবাদ পাহাড়ে (চট্টগ্রাম সেনানিবাসের পাহাড়) অবস্থান করছিল সে সময় সশস্ত্র ইংরেজ সৈন্যরা তাঁদের আক্রমণ করে। দুই ঘন্টার প্রচন্ড যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর ৭০ থেকে ১০০ জন এবং বিপ্লবী বাহিনীর ১২ জন নিহত হয়।এর পর শুরু হয় তাদের পলাতক জীবন।

১৯৩২ সালের ১৩ জুন সাবিত্রী চক্রবর্তীর বাড়িতে সূর্যসেন ধরার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ইংরেজ প্রশাসন সূর্যসেনকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ধরার জন্য সর্বাত্নক চেষ্টা অব্যাহত রাখে। সূর্যসেন গৈরলা গ্রামে ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িতে আত্মগোপন করে ছিলেন। ১৯৩৩ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারী রাতে সেখানে এক বৈঠকে ছিলেন কল্পনা দত্ত, শান্তি চক্রবর্তী, মণি দত্ত, ব্রজেন সেন আর সুশীল দাসগুপ্ত। ব্রজেন সেনের সহোদর নেত্র সেন সূর্য সেনের উপস্থিতির খবর পুলিশকে জানিয়ে দেয়। রাত প্রায় ১০টার দিকে পুলিশ আর সেনাবাহিনী ক্ষীরোদপ্রভা বিশ্বাসের বাড়িটি ঘিরে ফেলে। রাতের অন্ধকারে গুলি বিনিময় করে কল্পনা দত্ত, শান্তি চক্রবর্তী, মণি দত্ত আর সুশীল দাসগুপ্ত পালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু রাত ২টার দিকে অস্ত্রসহ সূর্য সেন এবং ব্রজেন সেন ধরা পড়েন।

সূর্য সেন গ্রেপ্তার হবার খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। আনন্দবাজার পত্রিকায় লেখা হয়েছিল “চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন সম্পর্কে ফেরারী সূর্য সেনকে গত রাতে পটিয়া হইতে ৫ মাইল দূরে গৈরলা নামক স্থানে গ্রেপ্তার করা হইয়াছে। সূর্য সেনকে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের মামলায় প্রধান আসামি বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে। গত ১৯৩০ সাল হইতে সূর্য সেন পলাতক ছিলেন এবং তাঁহাকে ধরাইয়া দিবার জন্য গভর্নমেন্ট দশ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষনা করিয়াছিলেন”।

আরেকজন বিপ্লবী তারকেশ্বর দস্তিদার, দুজনই ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবের অগ্রদূত।যতদিন বেঁচেছিলেন, তাদের দাপটে সমগ্র চট্টগ্রামকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করে রেখেছিলেন। ব্রিটিশ সরকার তাদের ফাঁসির রায় দিলেন।
জানেন মৃত্যু নিশ্চিত, তবু জেলে বসেও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি কাগজে চিঠির মাধ্যমে বিপ্লব করে গেছেন।
শেষ বার্তায় তিনি লেখেন “আমার শেষ বাণী-আদর্শ ও একতা” ।

১৯৩৪ সালের ১২ই জানুয়ারি মধ্যরাতে সূর্য সেন ও তারকেশ্বর দস্তিদারের ফাঁসী কার্যকর। ফাঁসির আগে সূর্য সেন এবং তারকেশ্বর দস্তিদারকে ব্রিটিশ সেনারা নির্মম ভাবে অত্যাচার করে। ব্রিটিশরা হাতুরী দিয়ে তাঁর দাঁত ভেঙ্গে দেয় এবং তাঁর হাড় ও ভেঙ্গে দেয়। হাতুরী দিয়ে নির্মম ভাবে পিটিয়ে অত্যাচার করা হয়। এরপর তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। নিষ্ঠুরভাবে তাদের অর্ধমৃতদেহ দুটি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। সূর্য সেন ও তারকেশ্বর দস্তিদারের লাশ আত্মীয়দের হাতে হস্তান্তর করা হয়নি এবং হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী পোড়ানো হয়নি। ফাঁসীর পর লাশদুটো জেলখানা থেকে ট্রাকে করে সদর ঘাটে ৪ নম্বর স্টীমার ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর মৃতদেহ দুটোকে ব্রিটিশ ক্রুজার “The Renown” এ তুলে নিয়ে বুকে লোহার টুকরা বেঁধে বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগরের সংলগ্ন একটা জায়গায় ফেলে দেয়া হয়।

মাস্টারদা যে জালালাবাদ পাহাড়ে ব্রিটিশদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন সেই পাহাড়ের পাশেই আমার বাড়ি।মাস্টার দার বাড়িও আমাদের কাছেই অথচ এলাকার শতকরা নব্বই জন মানুষ তাকে নিয়ে গর্বিত হওয়া দূরে থাক তার নামটাও জানে না। অথচ এখনো সমগ্র ভারতের মানুষ এই মহান বীরের কথা পরম শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে। কয়েক বছর আগে কলকাতার এক বাঙালির সাথে বন্ধুত্ব হয়েছিল। আমার বাড়ি জালালাবাদ শুনে সে এখানে এসে জালালাবাদ পাহাড়ের একটু মাটি সংগ্রহ করে ভারতে নেওয়ার জন্যে যে আকুতি করেছিল তা দেখেই আমি বুঝেছিলাম কত শ্রদ্ধা ভরে তারা মাস্টার দা সূর্যসেনকে স্মরণে রেখেছে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয় তার সে অনুরোধ আমি রাখতে পারিনি। কারন সে যে জালালাবাদ পাহাড়ে আসতে চেয়েছিল সেটি এখন চট্রগ্রাম সেনানিবাস এলাকা, তার চেয়ে বড় কথা চট্টগ্রাম যুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত সেই স্হানে কোন স্মৃতি স্তম্ভ বা নূন্যতম একটি নাম ফলকও নেই। লজ্জায় আমি তাকে ঐ পাহাড় দেখাতে আনতে পারিনি,দিতে পারিনি ঐ পাহাড়ের মাটি।

আমাদের দূর্ভাগ্য জাতির এই সূর্য সন্তানদের আমরা পূর্ণ সম্মানের সহিত মনে রাখিনি।
তবে তাঁর সম্মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি করে আবাসিক হলের নামকরণ করা হয়েছে। হয়তো এই হলের কল্যাণেই অনেকেই তাঁর নাম জানছে আজ, নয়তো আমরা ভাষা আন্দোলনের শহীদ বা মুক্তিযোদ্ধাদের যেভাবে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি তার নূন্যতম ভগ্নাংশ সম্মান দিয়েও ব্রিটিশ আন্দোলনের এই বিপ্লবী বীরদের স্মরণ করিনা । তাদের আত্মদানের কথাগুলো এই প্রজন্মের মানুষদের কাছে গুরুত্বহীন অবহেলিত ও অজানাই রয়ে গেছে।

পুনশ্চঃ
সাম্প্রতিক কালে ভারতের বলিউডে "খেলে হাম জিয়ে জান সে " এবং "CHITTAGONG " নামে দুটি অসাধারণ সিনেমা বানানো হয়েছে। অনেকেই হয়ত দেখেছেন। দুটি সিনেমাই মাস্টার দা সূর্যসেনের কাহিনী নিয়ে বানানো হয়েছে। মাস্টার দার ভুমিকায় ছবি দুটোতে অভিনয় করেছেন মনোজ বাজপায়ী এবং অভিষেক বচ্চন। যদি সূর্যসেন সম্পর্কে জানতে চান তবে এই সিনেমা দুটি দেখতে পারেন।

ইফতেখারুল ইসলাম জিমি.
২৬ শে ডিসেম্বর ২০১৭ ইং

#মাস্টারদা
#সূর্যসেন
#বীরচট্টলা

প্রগতী ইণ্ডাস্ট্রিজ ও বাংলাদেশি গাড়ীআমরা যারা বাংলাদেশি গাড়ি ব্যবহারকারী তারা সবাই জানি বাংলাদেশের সব গাড়িই ইম্পোর্টেড। ...
07/12/2017

প্রগতী ইণ্ডাস্ট্রিজ ও বাংলাদেশি গাড়ী
আমরা যারা বাংলাদেশি গাড়ি ব্যবহারকারী তারা সবাই জানি বাংলাদেশের সব গাড়িই ইম্পোর্টেড। যার দরুণ আমদানী শুল্কের কারণে দাম আকাশ ছোঁয়া। অনেকই স্বপ্ন দেখে একদিন বাংলাদেশে গাড়ি তৈরী হবে। কিন্তু অনেকেই জানে না আজ থেকে বহু বছর আগে এই বাংলাদেশেই আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি তৈরী ও রপ্তানী হতো।
১৯৬৬ সালে এমআর হাবিবুল্লাহ নামের এক পশতুন রিটায়ার্ড মেজর জেনারেল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটি মোটর গাড়ী কোম্পানী খুলে। নাম 'গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ।' এই কারখানা মূলত বিদেশ থেকে আমদানী করা সিকেডি বা নির্মিত মোটর গাড়ীর পার্টস সংযোগ করে সম্পূর্ণ গাড়ী ও অন্যান্য গাড়ীর স্পেয়ার স্পার্টস তৈরী করতো। নিজেদের ব্র্যাণ্ড প্রোডাক্ট না থাকলেও বিশ্বমানের অন্যান্য গাড়ী কোম্পানীর অনুমতি নিয়ে আমেরিকান ও ইউরোপীয়ান গাড়ী তৈরী করতো। প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মাঝেই আমেরিকার বিখ্যাত 'জেনারেল মোটরস্‌ কর্পোরেশন' এই কারখানার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় ও জয়েন্ট ভেঞ্চারে কাজ শুরু করে। জেনারেল মোটরসের সাথে থাকায় বহু বাঘা বাঘা কোম্পানীর গাড়ী তৈরী করার সুযোগ পায়।
সে সময় এই কোম্পানী প্রায় পঞ্চাশ হাজার গাড়ী নির্মান করে যা দেশীয় অর্থনীতিতে গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কমার্শিয়াল যানবাহন যেমন বাস, ট্রাক, ট্রাক্টর, লরি, পিকআপের পাশাপাশি বিলাশবহুল সেডান, এসইউভি ও এম্বুলেন্সও তৈরী করে। এই কারখানা দেশিয় কারেন্সীর পাচার রোধ ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
ট্রাক বললেই যে হলুদ দানবের কথা আমাদের চোখে ভেসে ওঠে তা মূলত ব্রিটিশ 'বেডফোর্ড কোম্পানী'র ট্রাক যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সৈন্য পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। নানা প্রতিকূলতার কারণে ১৯৬৯ সালে বেডফোর্ড কোম্পানী দেউলিয়া হয়ে যায়। যাবার আগে সেই মডেলটির পেটেন্ট দেয় গান্ধারাকে যা আজতক বানাচ্ছে।
আরেক ব্রিটিশ সেডান কোম্পানী ভক্সহল। আমাদের দেশীয় কোম্পানীটি লাইসেন্স নিয়ে ভক্সহল ভিভা ও ভক্সহল ভিক্টর নামের দুটি বিলাশবহুল গাড়ী বানাতো যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ধনী ব্যক্তিরা ব্যবহার করতো।
১৯৭১ সালে লিবারেশনের পরে গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ লাভ করে ও নতুন নাম হয় 'প্রগতী ইন্ডাস্ট্রিজ।'
১৯৭২ সালে এশিয়া বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহন করে ও 'Bangladesh Produce Quality' ক্যাপশন নিয়ে একটি ব্র্যাণ্ড নিউ ভক্সহল ভিভা গাড়ী প্রদর্শিত হয় যা সেই সময় একটি বিলাসবহুল দামী গাড়ী হিসেবে গন্য হতো।
আশির দশক থেকে প্রগতীর পতন শুরু হয়। এখন শুধু মাত্র কিছু গাড়ীর পার্টস সংযোগের মাধ্যমে এটি টিকে আছে। সরকারী মিৎসুবিশি এসইউভি ও কিছু ভারতীয় গাড়ীর ফিট করে কারখানাটি। অথচ এটি একটি প্রমিজিং সেক্টর ছিলো এককালে। ক্রেডিট টু ওয়াসি উদ্দীন মাহিন।

চট্টগ্রামের হারিয়ে যাওয়া কালো বাঘ (Black Tiger) :
25/09/2017

চট্টগ্রামের হারিয়ে যাওয়া কালো বাঘ (Black Tiger) :

04/09/2017
বাংলাদেশের যে শহরটি জাতীয় অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, সেই শহরটিকে কি পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হচ্ছে .?আমাদের চো...
05/07/2017

বাংলাদেশের যে শহরটি জাতীয় অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, সেই শহরটিকে কি পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হচ্ছে .?

আমাদের চোখের সামনেই আমাদের প্রানের শহর চট্টগ্রাম তিলে তিলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

১৯৯৫ এর মাস্টারপ্ল্যানকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে, সমালোচকদের যাবতীয় আপত্তি ও প্রতিবাদ উপেক্ষা করে সমপন্ন করা হলো মুরাদপুর-লালখান বাজার ফ্লাইওভারের কাজ।

ইতোমধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়া সব ফ্লাইওভারগুলোর পরিকল্পনা মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ ।

আর এখন ১৯৬১ ও ১৯৯৫ এর মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে উপকূলীয় বেড়িবাঁধ কাম রোড নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে।

কিন্তু কথা হচ্ছে ২২ বছর পুরানো মাস্টারপ্ল্যান যেহেতু চট্টগ্রামের সড়ক ও পরিবহন ক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হয়নি সেহেতু জল নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে কেন..?

প্রানের শহরটিকে কি পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হচ্ছে .?

এই লজ্জা কই রাখবো আমরা?

কোথায় চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীগণ এবং সর্বোপরি চট্টগ্রামবাসী?

আমরা কি জওয়াব দিবো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

আগামী ১০০ বছরের এর কথা চিন্তা করে, অবিলম্বে চট্টগ্রামের শহররে জন্য যুগ উপযোগী মাস্টারপ্ল্যান করা হোক । নেওয়া হোক আন্তর্জাতিক নগর পরিকল্পনাবিদদের মতামত ।


চট্টগ্রামকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে (সত্যিকারের) আপোষহীন চট্টলা প্রেমিক চাই।


#অপরিকল্পিতচট্টগ্রাম

Address

Chittagong
4214

Telephone

008801817700771

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when •• Proud to be Chittagonian •• posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category