Rangamati

Rangamati Rangamati(Bengali: রাঙ্গামাটি) is the travel destination of Bangladesh... known as "Lake City" The township is located on the western bank of the Kaptai lake.
(3)

Rangamati(Bengali: রাঙ্গামাটি) is the travel destination of Bangladesh... known as "Lake City"! It is a favourite holiday destination because of its beautiful landscape, scenic beauty, lake, colourful indigenus groups (Chakma, Marma etc), its flora and fauna of varied descriptions, indigenous museum, hanging bridge, homespun textile products, ivory jewellery and the indigenous men and women who fa

shion them. Rangamati is the Administrative Headquarter of Rangamati Hill District in the Chittagong Hill Tracts of Bangladesh. The town is located at 22°37'60N 92°12'0E and has an altitude of 14 metres (49 feet). From Chittagong a 77 km road amidst green fields and winding hills leads to Rangamati; which is a wonderful repository of scenic splendours. For tourists, the attractions of Rangamati are numerous. Indigenous life, fishing, speed boat cruising, hiking, bathing or merely enjoying nature as it is.

পাহাড়, নদী ও লেকবেষ্টিত একটি বৈচিত্রময় জনপদ যেখানে চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্‌, পাংখোয়া, লুসাই, সুজে সাওতাল , রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠির বসবাস। উল্লেখ্য এখানে কিছু অসমীয়া ও গুর্খা সম্প্রদায়ের বসবাস রয়েছে। ভৌগলিক বৈচিত্রময় সৌন্দর্য এবং বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতির সম্মিলনযোগ করেছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ছবির এই পিলারের মাধ্যমে তিন দেশের সীমানা নির্দেশিত করা হয়েছে। যার একপাশে ভারত, এক পাশে মিয়ানমার এবং আরেক পাশে বাংলাদেশের...
06/08/2021

ছবির এই পিলারের মাধ্যমে তিন দেশের সীমানা নির্দেশিত করা হয়েছে। যার একপাশে ভারত, এক পাশে মিয়ানমার এবং আরেক পাশে বাংলাদেশের অবস্থান।

___________________________________
লোকেশন: তিনমুখ পিলার,বিলাইছড়ি রাঙ্গামাটি
কন্টেন্ট ক্রেডিট: Md Masum

শুভ হোক বাংলা নববর্ষ-১৪২৭!এখনই তো সময় হাতটা বাড়িয়ে দেয়ার... আমাদের অনেকের বোধ হয় কল্পনাতেও নেই, মানুষের অবস্থা কতটা খারা...
14/04/2020

শুভ হোক বাংলা নববর্ষ-১৪২৭!

এখনই তো সময় হাতটা বাড়িয়ে দেয়ার... আমাদের অনেকের বোধ হয় কল্পনাতেও নেই, মানুষের অবস্থা কতটা খারাপ। নিম্ন আয়ের অনেক মানুষেরই পাতে নেয়ার মতো এখন কোনো ভাত নেই। গড়ে এই নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কমেছে প্রায় ৭৫% অর্থাৎ তিন চতুর্থাংশ! এমনকি এই দুর্যোগে কোনভাবে চালানোর মতো তাদের নেই কোনো সঞ্চয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত স্তরের যে মানুষগুলো এই সমাজে টিকে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন, এই কদিনে সেই পরিবারগুলোর বেশিরভাগই এক ধাক্কায় হতদরিদ্র হয়ে গেছেন।

জানি আমরা সবাই চিন্তায় আছি। তারপরেও বলবো আমাদের মধ্যে অনেকেই পেটে খাবার না পড়ার যন্ত্রণায় তো নেই। আমাদের দেশের অনেক মানুষের অবস্থা সত্যিই অনেক খারাপ। সবাই একটু একটু করে যে যার মতো করে হলেও যেন এগিয়ে আসি। আমরা যারা সবাই ভালো কিছু করার কথা ভাবছি, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা ভাবছি, যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী একটু হাতটা একটু বড় করি। মানুষের প্রয়োজনটাও এখন সত্যিই অনেক বেশি ।

গত দু’সপ্তাহে অনেক পরিবারের কাছে হয়তো বিভিন্ন উদ্যোগে খাদ্যদ্রব্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী অথবা আর্থিক সহায়তা পৌঁছানো গেছে। কিন্তু সহায়তার আশায় বুক বেঁধে, পথ চেয়ে বসে আছেন তাদের চেয়ে আরও অনেক অনেক বেশি সংখ্যক ক্ষুধার্ত আর অভাবগ্রস্ত মানুষ। গ্রামাঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষই শহর বা বৈদেশিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল। অনানুষ্ঠানিক উপার্জনের উৎসগুলো থমকে গেছে, বিদেশ থেকে টাকা আসছে না, আয় পুরোপুরি বন্ধ- মহামারি সৃষ্টি করেছে এক অবর্ণনীয় মানবিক বিপর্যয়। জরুরি সহায়তা ছাড়া দরিদ্র পরিবারগুলোর বেঁচে থাকার সব পথ যেন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে।

নতুন বছরে বাংলাদেশের কারও ভাতের থালা যাতে শূন্য না থাকে। আমরা সবাই মিলে এগিয়ে আসলেই শুধুমাত্র এটি সম্ভব। আমার অনুরোধ, চলুন একসাথে মানুষের পাশে দাঁড়াই। আর সচেতন হউন, নিরাপদ থাকুন। সতর্কতা অবলম্বন করে পরিবার পরিজন নিয়ে সুস্থ থাকুন। সামনের দিনগুলো আপনার ও আপনার আপনজনদের জন্য নিরাপদ ও সুন্দর হোক, এই কামনায় আবারো জানাচ্ছি শুভ বাংলা নববর্ষ-১৪২৭!

যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা... ২৬শে মার্চ মহান স্...
26/03/2020

যাদের মহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা... ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে।

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা...
21/02/2020

মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা...

01/01/2020

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ-২০২০ এর অনেক অনেক প্রীতি ও শুভ কামনা৷
Wishing a very Happy & Prosperous New Year-2020 to all of you!

17/12/2019
উনিশশো একাত্তর সালের ষোলই ডিসেম্বর আমাদেরকে শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিল। সেই শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়িয়ে থাকা-ন...
16/12/2018

উনিশশো একাত্তর সালের ষোলই ডিসেম্বর আমাদেরকে শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিল। সেই শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়িয়ে থাকা-না-থাকার দায় আমাদের নিজেদেরই।

একদিন আমাদের এই দেশটি মুক্তিযুদ্ধের মহান আদর্শের সেই সাম্য, মুক্তি, নৈতিকতা, উদারতা, সৎসাহস ও সহিষ্ণুতার বাংলাদেশ রূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়াটা অবশ্যম্ভাবী বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

প্রিয় বাংলাদেশের স্বাধীনচেতা সকল মানুষকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

06/08/2018

তুমিই বাংলাদেশ

মুহাম্মদ ইউনূস

এক
দুই সহপাঠীর অপঘাত মৃত্যুর প্রতিবাদে স্কুলের শিশুকিশোররা রাস্তায় নেমেছে। রাস্তায় তারা শুধু শোক প্রকাশ করে থেমে থাকেনি - এরকম শোক যাতে ভবিষ্যতে কাউকে করতে না-হয়, তার জন্য ব্যবস্থা চায় তারা। তারা নিরাপদ সড়ক চায়। সড়ক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তারা প্রশাসনের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে শুধু তাই নয়, তারা নিজেরা এই ব্যবস্থাপনায় নেমে গিয়ে দেখাতে চেয়েছে যে, আইনের প্রয়োগের অভাবেই মূলত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের মূল রোগটাকে সবার সামনে নিয়ে এসেছে। তারা আইনের প্রয়োগ চায়। যে প্রয়োগের নমুনা দেখানোর জন্য তারা গাড়ী চালকের লাইসেন্সের পেছনে লেগেছে। ফিটনেস সার্টিফিকেটের সন্ধানে লেগেছে। আইনের প্রয়োগ করা যে সহজ বিষয় এবং সমাজে সবার সমর্থন পাবার বিষয়, সেটাও তারা দেখিয়ে দিলো। যারা আইনের প্রয়োগকারী তারা নিজেরাই যে আইন মানছে না সেটাও তারা দেখিয়ে দিলো। তা-ও কোনো বাহাদুরী করার জন্য নয়। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। আজ পর্যন্ত তাদের কারো মুখে বড়াই করতে শুনিনি, পত্রিকায় কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ গর্ব করে বলেনি যে আজ আমি এতজন লাইসেন্স বিহীন চালককে ধরতে পেরেছি।

তাদের শৃংখলা দেখে হতবাক হয়েছি। বালখিল্যতার লেশমাত্র নেই কোথাও। প্রগাঢ় পরিপক্কতার চিহ্ণ সর্বত্র। বিভিন্ন স্থানে স্বতঃস্ফুর্তভাবে লেখা প্ল্যাকার্ডগুলি ইতিহাসে স্থান পাবার মত। তারা ম্যানেজমেন্ট থিউরির মূল প্রতিপাদ্যকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করে সুশৃংখলভাবে তাদের কাজ নিয়ে এগিয়ে গেছে নিজ নিজ উদ্যোগে, কেন্দ্রীয় কোনো উদ্যোগ ছাড়া। তারা কোনো কমান্ড-কাঠামো তৈরী করেনি, কোনো কম্যুনিকেশান চ্যানেল স্থাপন করেনি, কোনো প্রশিক্ষণের অপেক্ষায় থাকেনি, নীতিমালা তৈরী করার প্রয়োজন বোধ করেনি, কোনো কনসালটেন্টের স্মরণাপন্ন হয়নি। তারা তাদের মত করে সুশৃংখলভাবে একমনে কাজ করে গেছে।

সরকার তার সমস্ত বুদ্ধিমত্তা দিয়ে এখন শিশুকিশোরদের হাত থেকে রাজপথ মুক্ত করার কাজে লেগেছে একনিষ্ঠভাবে। সরকার একটা বিরাট সুযোগ হাতছাড়া করে ফেললো। রাজপথ মুক্তির অভিযানে না-গিয়ে সরকার সুন্দরভাবে শিশুকিশোরদের, তাদের বাবা-মাদের, দেশের সকল মানুষের ক্ষোভমুক্তির কাজে নামলে রাজপথও মুক্ত হতো, শিক্ষার্থীরাসহ সকল মানুষের বাহবা পেতো। লাইসেন্সবিহীন চালক এবং ফিটনেস সার্টিফিকেটবিহীন গাড়ী চিহ্ণিত করা কি এতই কঠিন কাজ?

রাস্তায় নামা শিশুকিশোরদের দেখে সবাই অভিভূত হয়েছে। এই স্মৃতি জাতি কখনো ভুলবে না। তারা কান্নাকাটি করার জন্য বা শোকের মাতম করার জন্য রাস্তায় নামেনি। তারা সমাধান নিয়ে নেমেছে। অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতার সাথে নেমেছে। সুশৃংখলতার সাথে তারা কাজ করে গেছে। কোনো গলাবাজী ছিলো না, রাতব্যাপী নিজেদের মধ্যে বক্তব্য বা কর্তব্য স্থির করার জন্য বাকবিতন্ডা হবার কথা শুনিনি। কারো মুখে এমন কোনো ভাব দেখিনি যাতে মনে হয়েছে যে, কিশোর কিশোরী অজানা কাজের দায়িত্ব পেয়েছে বলে কোনো অনিশ্চয়তায় ভুগছে। তাকে যেখানেই যেকাজে দেখেছি মনে হয়েছে যেন একজন প্রশিক্ষিত দক্ষ কর্মকর্তা তার দায়িত্ব পালন করেছে। তার হাতে কোনো ওয়াকি-টকি নেই। অস্ত্র নেই। শুধু আছে বৃষ্টিতে ভেজা স্কুলের পোষাক, সারাদিন না খেতে পাওয়া শুকনা মুখ, পিঠে বইয়ের ব্যাগ।

এরা কারা? এরা কোন গ্রহের বাসিন্দা? এরা কি আমাদেরই সন্তান? এরা কি আমাদের মেরুদন্ডহীন অস্তিত্বের পরিবেশে জন্ম নেয়া নতুন প্রজন্ম? বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না। তাহলে কি আমাদের মেরুদন্ড আসলে হারিয়ে যায়নি? শুধু কৌশলগত কারণে লুকিয়ে রেখেছি? তাহলে কি আমাদের শিশুকিশোররা বড়দের এই মেরুদন্ড লুকানোর খেলাটা বুঝতে পারার আগেই মা-বাবার দেয়া আনকোড়া নতুন মজবুত মেরুদন্ড নিয়ে রাজপথে নেমে গেছে? তাদের দেখে চোখে আনন্দাশ্রু এসে পড়েনি এ-রকম মা-বাবা কি দেশে পাওয়া যাবে?

দুই
শিশুকিশোরদের রাস্তায় নামার পর থেকে আমার কাছে নানাজনে অনুরোধ পাঠাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন, কিছু উপদেশ দিন, তাদেরকে দিক-নির্দেশনা দিন। আমি তাদের দিকে তাকালে বুঝে উঠতে পারিনা কী উপদেশ দেবো? পরে বুঝতে পারলাম কেন কোনো উপদেশ আমার মাথায় আসছে না। আমরা বড়রা তাদের উপদেশ দেবার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা গর্তের ভেতর থাকা মানুষ। গর্তের ভেতরে থেকে উপদেশ দেয়া যায় না।

তাদের প্রতি আমার একটাই পরামর্শ। তোমরা আমাদের উপদেশ শুনবে না। অন্ধ মানুষ চক্ষুষ্মানকে চলার উপদেশ দিতে পারে না। তাদেরকে বলবো: তোমরা আমাদেরকে উপদেশ দেবার সুযোগ দিও না। যদি একবার এ সুযোগ দাও তাহলে তোমাদেরকে টেনে-হিঁচড়ে আমাদের গর্তে না ঢোকানো পর্যন্ত আমরা আর থামবো না।

আমরা এখন আর চোখে দেখি না। চোখের উপর একটা আস্তরণ টেনে দিয়েছি স্বেচ্ছায়। নানা ব্যাখ্যা দিয়ে আমাদের এই ইচ্ছাকৃতভাবে না-দেখাটা যাতে ধরা না-পড়ে আমরা তার নিরন্তর প্রচেষ্ঠায় থাকি। তোমরা আমাদের মত স্বেচ্ছাঅন্ধের কথায় কর্ণপাত করো না। কর্ণপাত করো না বলেই তোমরা রাস্তার দায়িত্ব নিতে পেরেছো। যারা নিজেরা পথ চেনে না, তারা পথ দেখাবে কী করে। আমাদের পরামর্শ নিলে তোমরাও গর্ত বানানোর কাজে লেগে যেতে।

তোমরা পথ বের করেছো। তোমরা তোমাদের পথেই থাকো। তোমরা তোমাদের প্ল্যাকার্ডে অত্যন্ত সুন্দর করে তোমাদের সব কথা সবাইকে জানিয়ে দিয়োছো। তুমি বলেছ, “তুমি বাংলাদেশ।” সেটাই সবচয়ে খাঁটি কথা। অন্য কোনো বাংলাদেশকে তুমি স্বীকার করো না। তোমার মত করে তুমি তোমার বাংলাদেশকে বানিয়ে নাও। তুমি বলেছ: “তুমি যদি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, তুমি যদি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ।” তুমি রুখে দাঁড়িয়েছ, তাই তুমি বাংলাদেশ। তুমি বলেছ: “আমরা যদি না-জাগি মা, ক্যামনে সকাল হবে।” তোমরা জেগেছো, এবার সকাল হবে। আমরা যারা চোখে দেখেও দেখিনা তাদের চোখের পর্দা এই ভোরের জ্বলন্ত আলো দিয়ে কেটে দাও। আমাদেরকে তোমাদের সঙ্গে থাকার উপযুক্ত করে নাও। তুমি যেমন বাংলাদেশ, আমাকে তোমার মত করে বাংলাদেশ হবার মতো উপযুক্ত করে নাও।

গর্তে গুঁজে থাকা আমাদের শীতল নিস্তেজ শরীরে তোমারা আগুন ছড়িয়ে দাও। যদি আগুনের কোনো ছিটেফোঁটা আমাদের শরীরে এবং মনে এখনো থেকে থাকে, তবে হয়তো তোমার আগুনে সেটা আবার উত্তাপ ফিরে পাবে।

তোমরা রাতের অন্ধকার থেকে জ্বলন্ত সকালকে টেনে বের করে আনার ব্রতে নেমেছো। তোমরাই পারবে আমাদের হিমশীতল অস্তিত্ব থেকে টগবগে বাংলাদেশকে বের করে আনতে।

তুমিই বাংলাদেশ!

তোমার চোখেই দেখতে চাই বাংলাদেশকে। তোমার মনের রং মেখে রাঙিয়ে দিতে চাই আমাদের মনগুলিকে।

The Chakma Rajbari was a symbol of pride and testimony of the History of Chittagong Hill Tracts.This Rajbari was constru...
07/08/2016

The Chakma Rajbari was a symbol of pride and testimony of the History of Chittagong Hill Tracts.

This Rajbari was constructed by Raja Tridiv Roy, father of Raja Devasish Roy in 1960 when the earlier palace went under water due to commissioning of Kaptai dam. The remains of a century-old royal palace of the Chakma dynasty resurfaced for the second time in the Kaptai Lake after its submersion nearly forty-six years ago as the lake’s water level fell down drastically due to the long drought this year.The royal mansion went under waters of the Kaptai Lake when the then Pakistan government created the artificial lake by making a dam along the Karnaphuli river in 1960 to execute the Kaptai Hydroelectric Project.At least 54,000 acres of cultivable land submerged by the dam water and around two million people lost their homesteads. Earlier, the remains of the mansion surfaced in 1986.

In absence of Raja Devasish Roy and other members of Chakma Raj family the Chakma Rajbari was destroyed by fire at around 7.15pm of 10th Nov’2010 . The actual cause is still unknown, some say it is by balloon lantern while some say it is by electricity short circuit. But, it is fact that all the valuables and rare documents have been engulfed by fire.
Within an hour fire incident many precious and invaluable archeological artifacts and historical document were lost, including the irreplaceable ivory made royal throne of Rani Kalindi (Queen Kalindi).

The destroy Rajbari is not only the residence of Chakma Circle Chief but also a symbol of tradition and unity of different ethnic peoples of CHT who have been living there for hundreds of years.

07/08/2016
আলো-আধারীর মন মাধুরী...
07/08/2016

আলো-আধারীর মন মাধুরী...

Address

Rangamati Hill District
Chittagong
4500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rangamati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category