23/08/2019
শেখ রাসেল ইকো পার্ক
এই ইকো পার্কটি চট্টগ্রাম শহর থেকে একটু বাইরে কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। এর আছে নয়নোভিরাম সবুজ বেষ্টিত ছোট ছোট পাহাড় যার কোল ঘেসে তৈরি করা হয়েছে বিশাল আকৃতির খাচা, যেখানে রাখা হয়েছে বিভিন্ন দেশ থেকে আনা রঙ বেরঙের ছোট বড় অসংখ্য পাখি। পাখি প্রেমীরা বেশ ভালো সময় কাটাতে পারবেন এই জায়গাটিতে। যদিও পার্কের মূল আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয় পাহাড়ের উপর দিয়ে চলমান ক্যাবল কারকেই। ক্যাবল কারে চড়ে উপভোগ করতে পারবেন দূরের সবুজে ঘেরা পাহাড়গুলো, খাচায় থাকা দেশি বিদেশি পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ।
মাত্র ১-১.৫ ঘন্টায় ঘুরে নিতে পারবেন এই সুন্দর জায়গাটি। চাইলে এখান থেকেই চলে যেতে পারেন কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বা বৌদ্ধদের ঐতিহ্যবাহী চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার। কিংবা যেতে পারেন জল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগেই থাকা কয়েকটি রিসোর্ট এবং পিকনিক স্পটে। সেখানে গেলে কাপ্তাই হ্রদ-এ বোট ভ্রমন বা কায়াং (নিজে দাড়ে চালানো সরু নৌকা চালনা) করতে পারেন। তবে এর জন্য গুনতে হবে কিছু বাড়তি টাকা।
কিভাবে যাবেনঃ
চট্টগ্রাম শহরের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে নিয়মিত লিচুবাগান, চন্দ্রঘোনার বাস পাওয়া যায়। কাপ্তাই রাস্তার দুই পাশের সবুজ গ্রাম দেখতে দেখতে চুয়েট ক্যাম্পাস, রাউজান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফূলি পেপার মিল ফেলে পৌছাবেন লিচুবাগানে। সময় লাগবে ১.৫-২ ঘন্টা।
লিচু বাগান নেমেই পেয়ে যাবেন লোকাল সিএনজি চালিত অটোরিকশা। পাহাড়ি আকাবাকা পথ ফেলে ৫ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন রাসেল ইকো পার্ক।
রাসেল ইকো পার্ক থেকেই সি এন জি অটোরিকশায় যেতে পারবেন অন্য সব জায়গায় (চিৎমরম, কাপ্তাই)।
খরচঃ (জনপ্রতি)
বহদ্দারহাট থেকে লিচুবাগান ৩০/৪০ টাকা
লিচুবাগান থেকে ইকো পার্ক ৫/১০ টাকা
ইকো পার্ক এর টিকিট ৮০ টাকা
(ক্যাবল কারে চড়তে চাইলে লাগবে ২৫০/-)
ফিরতি পথেও একই ভাবে ফিরে আসা যাবে শহরে।
বন্ধু বান্ধব, পরিবার পরিজন নিয়ে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসার মত একটা দারুন অপশন চট্টগ্রাম শহর থেকে।
আরো কিছু জানার থাকলে ইনবক্স বা কমেন্টে জানতে পারেন।