Somewhere in Chittagong

Directions Website Contact the business

Somewhere in Chittagong Somewhere in Chittagong

02/08/2026

চাঁটগাইয়া মানুষদের কিছু ইউনিক ব্যাপার আছে যার মধ্যে অন্যতম হলো, তারা চট্টগ্রামের বাইরের সবাইকে "বইংগে" বলে ডাকে, সে অন্য জেলার মানুষ হোক কিংবা বিদেশের..... ডাজেন্ট ম্যাটার, সে হচ্ছে "বইংগে" এটাই চট্টগ্রামে তার একমাত্র পরিচয়।

আবার ছোট বেলায় দেখতাম শহর থেকে কেউ গ্রামে গেলে তাদের বলতো "শোরগো হাউও" মানে শহরের কাক। সে চাঁটগার হোক না হোক সেটা ম্যাটার না,শহর থেকে গেলেই গ্রামে তারা "শোরগো হাউও"। তবে এখন বলে কিনা তা জানিনা।

আত্মীয়দের মাঝে বন্ডিং খুবই শক্তিশালী এই চাঁটগার লোকদের, কোন আত্মীয়ের বিপদে সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টাটা করে।

চট্টগ্রামের দাওয়াত মানে ১০-১৫ পদের খাবার দাবার।আথিতেয়তায় অনন্য এই চট্টগ্রামের মানুষ। অতিথি কে চাঁটগার ভাষায় বলা হয় "গরবা"। আর চট্টগ্রামে এই "গরবা"র সম্মান অন্য লেভেলের। যারা এক্সপেরিয়েন্স করেছেন অবশ্যই স্বীকার করতে বাধ্য হবেন।

চট্টগ্রামের মেজবানি খাবারের স্বাদ দুনিয়ার আর কোথাও পাওয়া যাবে না। যখনই দাওয়াত পাই, মিস করি না। যারা নরমাল দোকান থেকে মেজবানি মাংস খেয়েছেন তারা আসল টেস্টই পান নি, এই টেস্ট শুধুমাত্র চট্টগ্রামের অরিজিনাল মেজবানেই পাওয়া সম্ভব।

চা এর মধ্যে ডুবিয়ে রুটি, পরাটা, কেক, বিস্কিট,পিয়াজু, সিংগারা, সমুচা,মুড়ি এবং আরো বহু কিছু যে খাওয়া সম্ভব তা এখানকার এক ঐতিহ্য।

চট্টগ্রামের ভাষার মধ্যে একটা ইউনিক শব্দ যা খুশিতে কিংবা রাগে সবক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়, সেটা হচ্ছে "চু**নির ফুয়া"। জাস্ট টোনের উপর ডিপেন্ড করে শ্রোতাকে বুঝে নিতে হবে সে মায়া করে বলছে নাকি খুশি হয়ে বলছে কিংবা রাগে গোস্বায় গা*লি দিয়ে বলছে। আমার এক বন্ধু আছে যে সারাদিনে নরমাল শব্দের চাইতে এই শব্দটাই বেশি ইউজ করে, তার পুরো জীবনের কথার হালখাতা খুললে এই শব্দ ছাড়া আর হয়ত বিশেষ কিছু পাওয়া যাবে না।

চট্টগ্রামের ভাষা বাংলা থেকে অনেকটাই ভিন্ন, বহু শব্দই বাংলায় নেই,কিন্তু এই ভাষার আলাদা কোন বর্ণমালা ও নেই। খাঁটি চাঁটগা ভাষার কথোপকথন অন্যদের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব। যেমন-
কোথায় যাচ্ছো? - "হন্ডে যদ্দে?"।
অস্থির লাগছে - রু বিরবিরার।
মাথা ব্যাথা করছে- মাথাত চিনচিনার।
পেটে গ্যাস হয়েছে- ফেডত ভুডভুডার।
সে হাঁপিয়ে গেছে - ইতের রু আয়ির আর যার
তুমি কি রকম মানুষ! - তুই ওডা হন্ডইল্যা গৌর!
তার সব শেষ হয়ে গেছে - ইতে ফুডিয়েরে আওয়াজ দিয়ি।
এ দেখছি পিছুই ছাড়ছে না - ইতে দেইদ্দি লেছার ডইক্কে লাগি রইয়ি।
সব স্বাদ মিটিয়ে দিবো- এইক্কো চাঁবোর চোডে বেয়াক রস বাইর গড়ি দিয়ুম।
উপযুক্ত শিক্ষা হয়েছে - এব্বারে বিষ মরিয়েরে ত্রিশ ফার হইয়ি।
খাবারের স্বাদ ভালো না - হানা ইবে আফোয়াইদ্দে, মুক মারি আইয়ির।

মানুষটি খুবই বদ খুবই খারাপ - ইতে মানুষ নো, আস্তা শতান, মাইনষুর ছন্না ধরি এডে গুরেদ্দে।(অর্থাৎ এতই খারাপ যে সে আর মানুষের পর্যায়ে নেই,সে সাক্ষাৎ শয়তান,মানুষের রূপ ধরে ঘোরাফেরা করছে বর্তমানে 😄)।

ছেলেটি খুবই শুকনো - ফোয়া ইবে ম্যারা ফুয়ানা,ফেড পিডত লাগি রইয়ি।(অর্থাৎ এতই শুকনো যে পেট শুকিয়ে পিঠে গিয়ে লেগেছে 😄)

ওহ্ আর পারা যাচ্ছে না অনেক চাঁটগাইয়া বলেছি এবার যাও - মাইল্লেফিড়ে আর ন ফারির বউত চিটাইংগে হই এবার যঅগুই।

যেহেতু এভাবে বললে অন্যরা বুঝবে না তাই চাঁটগাইয়ারা বাধ্য হয়ে অন্যরা বুঝতে পারে মতন বাংলা বলে যদিও চাঁটগার টোন থেকেই যাই। এ এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
বিশিষ্ঠ লেখক প্রমথ চৌধুরী বলেছিলেন বাংলা ভাষা সিলেটে গিয়ে আহত আর চট্টগ্রামে এসে হয়েছে নিহত।
রসিকতা করে বললেও, বাস্তবে সিলেটি এবং চাঁটগার ভাষা যথেষ্ঠ সমৃদ্ধ এবং স্বতন্ত্র, বহু ব্যাপার চট্টগ্রামের একটা শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা সম্ভব, বাংলায় এই সব শব্দকে ভাব সম্প্রসারণ করে তারপর অর্থ বুঝা সম্ভব হবে।

চট্টগ্রামে বিয়ে একটা খুবই জটিল বিষয়,মেয়ে পক্ষ কাবিন যা বলবে তা সারাজীবন ২৪ ঘন্টা মেহনত করেও হালাল ভাবে অনেক ক্ষেত্রে শোধ করা সম্ভব নয়,তাই বিয়ের পর বেশিরভাগ স্বামীই বউয়ের কাছে মাফ চেয়ে নেয়, তবে বউয়েরা মাফ করে কিনা তা জানি না।

বড় ভাইদের বলা হয় "বদ্দা", এই শব্দটা বলাতে এবং শুনতে যে শান্তি এবং রেস্পেক্ট লুকিয়ে থাকে তা চাঁটগার মানুষ মাত্র সবাই জানে।

লইট্যা এবং শুটকি মাছ কেমন মজা করে খাওয়া যায় তা চট্টগ্রাম ছাড়া বুঝা সম্ভব নয়।

চট্টগ্রামের মানুষদের সঠিক নাম শুধুমাত্র কাগজে কলমেই লিপিবদ্ধ থাকে বাস্তবে তাদেরকে খুবই ভিন্ন নামে ডাকা হয়,যেমন শফিক কে ডাকা হবে শইপ্পে, কাউসার কে কছইজ্জে, বক্কর কে বক্কইজ্জে, আইয়ুব কে আয়ুপ্পে, নিজের নাম এভাবে শুনতে শুনতে আসল নামই আর মনে রাখা যায় না। এভাবে বিকৃত ভাবে নাম ডাকা অন্য জেলায় ডাকে কিনা, আমার জানা নাই, কমেন্টসে জানাবেন।

আর চট্টগ্রামের লোকেশন ও খুবই ইউনিক, পাহাড় - নদী ও সমুদ্র মিলে এই জনপদ। দিনে পাহাড় ঘুরে সন্ধ্যায় চাইলে সাগরে সূর্যাস্ত দেখা সম্ভব।

তবে স্কুলে যখন পড়তাম (২০০০ সালের দিকে) সেই সময়ে চট্টগ্রাম শহর ছিল এক সুন্দর মনোরম শহর, ট্রাফিক জ্যাম কি জিনিষ তা শহরের মানুষ জানতো না।বর্তমানের মত এত বায়ু দূষণ ও ছিল না। খুবই মিস করি সেই সময়ের চট্টগ্রাম শহরকে।

এই জনপদে আল্লাহ রহমত ঢেলে দিয়েছেন বিনা হিসেবে,
কিন্তু আমরাই এর মূল্য না বুঝে ক্ষতি করে চলেছি প্রতিনিয়ত, এবং এর মাশুল সবাইকেই একত্রে দিতে হবে।

Shahid Hosen

📍 সাঙ্গু নদীর তীরে, চন্দনাইশ
25/07/2026

📍 সাঙ্গু নদীর তীরে, চন্দনাইশ

📍 রাতের নেভাল
24/07/2026

📍 রাতের নেভাল

📍 বায়েজিদ লিংক রোড
24/07/2026

📍 বায়েজিদ লিংক রোড

📍 শাহ আমানত সেতু, কর্ণফুলী
23/07/2026

📍 শাহ আমানত সেতু, কর্ণফুলী

The government has taken the project to turn Cox's Bazar's airport into an international one by extending its runway. Th...
26/08/2021

The government has taken the project to turn Cox's Bazar's airport into an international one by extending its runway. This will be Bangladesh's first maritime runway after govt. has reclaimed 1700 feet from the sea. Once completed, this 10,700-foot airport runway will be conducting international flights. The civil aviation authority has teamed up with Chinese venture Changjiang Yichang Waterway Engineering Bureau and China Civil Engineering Construction Corporation for the project. The project is being planned to be completed by 2024 with an estimated cost of Tk1568.86 crores.

Source- https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2021/08/22/bangladesh-to-get-first-maritime-runway-in-2024?fbclid=IwAR1UIDXNkKRTjtUe9L_ap6gVxIOXIq3Pis1UckyULpaKKmtzL912UGH4tVY

সিআরবি বাঁচাও! সরকারি সংস্থা হিসেবে দেশে দখল ও বেদখল মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমির মালিক হল বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশের বাণিজ...
12/07/2021

সিআরবি বাঁচাও!

সরকারি সংস্থা হিসেবে দেশে দখল ও বেদখল মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ভূমির মালিক হল বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে কোন স্পেশালাইজড শিশু হাসপাতাল না থাকায় সরকার ২০১৭ সালে একটি শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে এই রেলওয়ের কাছে ২ একর খালি জমি চেয়ে পায়নি। ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া সত্ত্বেও রেলওয়ের অসম্মতির কারণে সরকারি প্রকল্পটি এখনো আলোর মুখ দেখছে না।

কিন্তু, বিস্ময়করভাবে, সরকারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় জমি বরাদ্দ দিতে অস্বীকার করলেও, এই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ-ই বর্তমানে ইউনাইটেড হাসপাতাল লিমিটেড এর পরিচালনায় বেসরকারি হাসপাতালের জন্য ৬ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে, সেটিও আবার 'চট্টগ্রামের ফুসফুস' খ্যাত ছায়া সুনিবিড় ঐতিহাসিক সিআরবি এলাকায়!

জানা গেছে, ৫০০ শয্যার একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হবে সিআরবি এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে। সিআরবি এলাকায় ৬ একর জমি জুড়ে এই হাসপাতাল ও কলেজ গড়ে তোলা হবে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় ৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে, ইতোমধ্যে সাইনবোর্ডও লেগেছে। কিন্তু সরকারি জমিতে হলেও এই হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনা হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। প্রাইভেট মালিকানায় পরিচালিত এই হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যয় চট্টগ্রামের সাধারণ ও প্রান্তিক জনগণের নাগালের বাইরে থাকবে- এই আশঙ্কার দৃঢ় ভিত্তি রয়েছে।

চিকিৎসা মানুষের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। চট্টগ্রামে চিকিৎসা সেবাব্যবস্থার অপ্রতুলতা রয়েছে সত্য, বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালও প্রয়োজন কিন্তু সরকারি চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণের প্রকল্পে অসম্মতি দিয়ে, সরকারি জমিতে বেসরকারি হাসপাতাল বানিয়ে চিকিৎসাকে বাণিজ্যিকরণ বা ব্যয়বহুল করে তোলার উদ্দেশ্যসম্বলিত এই পুঁজিবাদী প্রকল্প চিকিৎসা সেবার নাগরিক অধিকারকে খর্ব করবে এবং এর প্রতিবাদ করা নৈতিক কর্তব্য।

আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, বেসরকারি পরিচালনার হাসপাতাল সিআরবি- তে কেন করতে হবে? সিআরবি- অর্থ সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং যেটি বর্তমানে রেলের পূর্বাঞ্চলীয় সদর দপ্তর। তবে এটি এক সময় ছিল আসাম-বেঙ্গল রেলের সদর দপ্তর। ১৮৭২ সালে সম্পূর্ণ হওয়া সিআরবির ভবনটি চট্টগ্রামের প্রাচীনতম ভবন বলে মনে করা হয়। এটি একটি ঐতিহাসিক এলাকা যা ছায়া সুনিবিড় অজস্র শতবর্ষী বৃক্ষ আচ্ছাদিত জায়গা। এটি নগরীর ফুসফুস যা আমাদের অক্সিজেন দেয়। এখানের শিরীষ গাছের তলায় বছরব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, এখানের মাঠটিতে শিশু-কিশোরেরা প্রতিদিন খেলাধুলা করে, স্বাস্থ্য-সচেতন নাগরিক ও বয়স্করা এই সিআরবি এলাকায় হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করে, বিকেল ও সন্ধ্যায় চট্টগ্রামবাসী এখানে এসে খোলা আকাশের নিচে খানিক দম নেয়, আড্ডা মারে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর ১ হাজার ১৫২ বর্গ কিলোমিটার এলাকার স্ট্র্যাকচার প্ল্যান ও ডিটেইল এরিয়া প্ল্যানে সিআরবিকে কালচার অ্যান্ড হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণের কথা বলা আছে। এখানে হাসপাতাল তৈরি হলে এই এলাকায় গড়ে উঠবে নতুন দালান অবকাঠামো, দোকানপাট, ফার্মেসি, পার্কিং, আবাসিক ভবন। কাটা পড়বে শতবর্ষ প্রাচীন বৃক্ষ, পরিবেশ দূষণ ও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হবে এই স্থান।

বেসরকারি হাসপাতাল বানানোর জন্য অনেক বিকল্প স্থান চট্টগ্রামে পাওয়া যাবে কিন্তু চট্টগ্রামবাসীর জন্য এই একটাই সিআরবি। সিলিন্ডার থেকে নয়, আমরা গাছ হতে অক্সিজেন নিতে চাই। সিআরবি-কে এভাবে বাণিজ্যের জন্য ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না।

অবিলম্বে এই প্রকল্প বাতিল করা হোক। চট্টগ্রামের অন্য কোন স্থানে সরকারি উদ্যোগ ও পরিচালনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হোক যাতে মানুষ স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পেতে পারে। দেশের সকল নাগরিক বিশেষত চট্টগ্রামের অধিবাসীদের সচেতনতা ও প্রতিবাদ জরুরি, নিজেদের নিশ্বাসের স্বার্থেই।

লিখেছেন সাঈদ আহসান খালিদ স্যার
আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

16/08/2020

চট্টগ্রাম নোয়াখালী অঞ্চলের প্রথম মুসলিম গ্র্যাজুয়েট বিএ, বিএল (১৮৮৭) শেখ রিয়াজউদ্দিন আহমদ সিদ্দিকীর নামে রিয়াজউদ্দিন বাজারের নামকরণ হয়।

এই এলাকাটি একসময় ছিল জমিদার দেওয়ান বৈদ্যনাথের বাগানবাড়ি। এখানে সেগুনবাগিচা ছিল। পরবর্তীতে এই এলাকাটি কিনে নেন তাঁর পিতা শেখ মোঃ ওয়াশীল।

শেখ রিয়াজুদ্দিন এই এলাকার প্রভূত উন্নয়ন ঘটালে এটি তাঁর নামে পরিচিত হয়ে উঠে।

#চট্টগ্রাম #ইতিহাস

Photo by ▽❛❛ Tag or use   to share your photos.@ Mail your travel story!
15/05/2020

Photo by
▽
❛❛ Tag or use to share your photos.
@ Mail your travel story!

Photo by .chowdhury▽❛❛ Tag or use   to share your photos.@ Mail your travel story!
14/05/2020

Photo by .chowdhury
▽
❛❛ Tag or use to share your photos.
@ Mail your travel story!

Address

OR Nizam Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Somewhere in Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Somewhere in Chittagong:

Shortcuts

Share