হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919

হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919, Travel Agency, Akram Tower 2nd Floor, Sirajuddaula Road, Saberia, Anderkillah, Chattogram. Bangladesh, Chittagong.
(1)

শাহ্ মজিদিয়া-রশিদিয়া হজ্জ কাফেলায় সৌদিআরব-ওমান-কাতার-দুবাই-কুয়েত সহ সকল দেশের ভিসা-ম্যানপাওয়ার প্রসেসিং করা হয়
🔴 হজ্জ ও ওমরাহ প্যাকেজ
🟣 ফ্যামিলি জিয়ারা ভিসা
🟡 ওমরাহ ফ্যামিলি/গ্রুপ ভিসা
🟤 আন্তর্জাতিক/অভ্যন্তরীণ টিকেট
🟢 আমেল মঞ্জিল/আইদি/হাউজ ড্রাইভার

💢এই পোস্টটি শেয়ার করে এই নেক কাজে অংশ নিন। কোনো একজন হাজিও যদি এর দ্বারা উপকৃত হয়, মিনায় মানুষ খুব সহজেই পথ হারিয়ে ফেলে।...
23/05/2026

💢এই পোস্টটি শেয়ার করে এই নেক কাজে অংশ নিন। কোনো একজন হাজিও যদি এর দ্বারা উপকৃত হয়,

মিনায় মানুষ খুব সহজেই পথ হারিয়ে ফেলে।

অনেকেই এই ভেবে তাঁবু থেকে বের হন যে—
“আমি রাস্তা মনে রাখতে পারব।”

কিন্তু বাস্তবে তা হয় না।

কারণ সেখানে সবকিছু একরকম দেখায়—
সাদা তাঁবু, একই রকম সারি, একই রকম গলি।

এটা থেকে বাঁচার উপায় হলো:

✅ নিজের মাকতাব (তাঁবুর নম্বর) অবশ্যই মনে রাখুন এবং লিখে রাখুন।
✅ নিজের জোন + গলি/লাইন চিনে রাখুন।
✅ সেখানে লাগানো স্থায়ী চিহ্নগুলো খুঁজে নিন ও নোট করে রাখুন, যেমন—
(টয়লেটের সাইন, টানেল (Tunnel) নম্বর, গলির খুঁটি ইত্যাদি)।
✅ নিজের আইডি কার্ড / মাকতাব কার্ড সবসময় সাথে রাখুন এবং ফোনে ছবি তুলে সংরক্ষণ করুন।



তাঁবু থেকে বের হওয়ার আগে কয়েকটি জরুরি নির্দেশনা:

📌 নিজের তাঁবু ও আশেপাশের কোনো পরিচিত চিহ্ন অবশ্যই ছবি তুলে রাখুন।
📌 মিনায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই Google Map-এ নিজের লোকেশন পিন (Pin) করে রাখুন।
📌 আপনার দলের সাথে একটি মিটিং পয়েন্ট নির্ধারণ করে নিন—
যদি কেউ পিছিয়ে পড়ে বা হারিয়ে যায়, তাহলে সে ওই নির্ধারিত স্থানে দাঁড়িয়ে থাকবে।
এবং সেই জায়গাটির ছবিও ফোনে সেভ করে রাখুন।



আর একটি বিষয়, যেটা অধিকাংশ মানুষ অবহেলা করে—

❗ যদি আপনি রাস্তা চিনতে না পারেন বা মনে রাখতে সমস্যা হয়, তাহলে কখনো একা কোথাও যাবেন না।

কারণ হাঁটতে হাঁটতে যখন আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তখন
সব দিকই সঠিক মনে হতে থাকে—
আর এটাই সাধারণত তখনই ঘটে যখন মানুষ পথ হারিয়ে ফেলে।

এ কথাগুলো শুনতে সহজ মনে হলেও, বাস্তবে হারিয়ে গেলে অনেক কষ্ট হয়।

বদলি হজের বিধান ও আদায়ের পদ্ধতিঃহজের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা ও সফর করা। আর্থিক ও শারীরিকভাবে সমর্থ পুরুষ ও নারীর ওপর হজ ...
22/05/2026

বদলি হজের বিধান ও আদায়ের পদ্ধতিঃ
হজের আভিধানিক অর্থ ইচ্ছা করা ও সফর করা। আর্থিক ও শারীরিকভাবে সমর্থ পুরুষ ও নারীর ওপর হজ ফরজ।
আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘আল্লাহর তরফ থেকে সেসব মানুষের জন্য হজ ফরজ করা হয়েছে, যারা তা আদায়ের সামর্থ্য রাখে।’ (সুরা-৩ আলে ইমরান; আয়াত: ৯৭)

📌বদলি হজ্জ কী?

যে ব্যক্তি নিজে হজ্জ করতে অক্ষম—যেমন খুব বৃদ্ধ, স্থায়ীভাবে অসুস্থ, বা মৃত্যুবরণ করেছেন—তার পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে হজ্জ করানোকে “বদলি হজ্জ” বলা হয়। ইসলামে এটি জায়েজ।

পরিভাষায় হজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে বিশেষ কিছু কর্ম সম্পাদন করা।
হজের নির্দিষ্ট সময় হলো আশহুরে হুরুম বা হারাম মাসসমূহ, অর্থাৎ শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ; বিশেষভাবে ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত পাঁচ দিন।
হজের নির্ধারিত স্থান হলো মক্কা শরিফে—খানায়ে কাবা, সাফা-মারওয়া, মিনা, আরাফা, মুজদালিফা ইত্যাদি এবং মদিনা শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা শরিফ জিয়ারত করা।
হজের বিশেষ আমল হলো ইহরাম, তাওয়াফ ও সাঈ, অকুফে আরাফা, অকুফে মুজদালিফা, অকুফে মিনা, হাদি বা দমে শোকর (শোকরানা কোরবানি), হলক ও কসর এবং জিয়ারতে মদিনা-রওজাতুন নবী (সা.) ইত্যাদি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হজ মানুষকে নিষ্পাপ করে দেয়, যেভাবে লোহার ওপর থেকে মরিচা দূর করা হয়।’ (তিরমিজি) ‘যে ব্যক্তি যথাযথভাবে হজ পালন করে, সে পূর্বেকার পাপ থেকে এমন নিষ্পাপ হয়ে যায়, যেরূপ সে মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন ছিল।’ (বুখারি)

জীবনে একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্যবানদের জন্য প্রতি পাঁচ বছর অন্তর হজ করা সুন্নত। সুযোগ থাকলে বারবার বা প্রতিবছর হজ করাতে কোনো বাধা নেই। যেকোনো ব্যক্তির অর্থ দ্বারা হজ সম্পাদন করা যাবে। হাদিয়া বা অনুদানের টাকা দিয়েও হজ করলে তা আদায় হবে। চাকরি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল হিসেবে কর্তব্যকাজের সুবাদে হজ করলেও হজ আদায় হবে। এটি বদলি হজ না হলে নিজের ফরজ হজ আদায় হবে; আর যদি ফরজ হজ পূর্বেই আদায় করা থাকে, তবে এটি নফল হবে। নফল হজ অন্য কারও বদলি হজের নিয়তে আদায় করলেও তা আদায় হবে। (ফাতাওয়া শামী ও আলমগীরী)

হজ সম্পাদনে শারীরিকভাবে অক্ষম হলে অন্য কাউকে দিয়ে বদলি হজ করানো জরুরি অথবা বদলি হজের জন্য অসিয়ত করে যাওয়া আবশ্যক। বদলি হজ যিনি সম্পাদন করেন, যিনি অর্থ প্রদান করেন এবং যাঁর জন্য করা হয়, সবাই পূর্ণ হজের সওয়াব পাবেন। অসিয়তকৃত বদলি হজ অসিয়তকারীর সম্পদ বণ্টনের পূর্বে প্রতিপালন করা বা সম্পাদন করানো ওয়ারিশদের জন্য ওয়াজিব। অসিয়ত না করে গেলেও সব ওয়ারিশ সম্মিলিতভাবে বা কোনো ওয়ারিশ নিজ উদ্যোগে বা ব্যক্তিগতভাবে তা আদায় করতে বা করাতে পারবেন। এতেও মৃত ব্যক্তি দায়মুক্তি পাবেন এবং বদলি হজ সম্পাদনকারী ও করনেওয়ালা—উভয়েই হজের সওয়াবের অধিকারী হবেন।

জীবিত বা মৃত—যেকোনো ব্যক্তির জন্য বদলি হজ করানো যায়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিচিত-অপরিচিত যে কেউ যে কারও পক্ষ থেকে বদলি হজ করতে বা করাতে পারেন। বদলি হজ আদায় করতে বা করাতে যাঁর জন্য করা হবে, তাঁর অনুমতি বা অবগতি আবশ্যক নয়; তবে সম্ভব হলে তা উত্তম।

পূর্বে হজ আদায় করা বদলি হজ সম্পাদনের জন্য শর্ত নয়; বরং নতুনদের দ্বারা বদলি হজ করালে তাঁদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা, আবেগ ও অনুরাগ বেশি থাকে। তবে যাঁর নিজের হজ ফরজ হয়ে অনাদায়ি রয়েছে, তাঁকে দিয়ে বদলি হজ করানো যাবে না।

বদলি হজ আত্মীয়-অনাত্মীয়, নারী-পুরুষ যে কেউ করতে পারেন; তবে বিজ্ঞ ও পরহেজগার ব্যক্তি হওয়া শ্রেয়।
বদলি হজের সব নিয়মকানুন সাধারণ হজের মতোই; শুধু ইহরামের নিয়ত করার সময় ‘অমুকের পক্ষ থেকে’—এই কথা বলতে হবে বা মনে করতে হবে। বদলি হজে ‘ইফরাদ’ হজ করতে হবে—এমনটা জরুরি নয়; সুবিধামতো ‘কিরান’ অথবা ‘তামাত্তু’ হজ করা যাবে। ‘ইফরাদ’ হজে দমে শোকর বা কোরবানি প্রয়োজন হয় না; ‘কিরান’ও ‘তামাত্তু’ হজে দমে শোকর বা কোরবানি দিতে হয়।

এ ক্ষেত্রে বদলি হজ করানেওয়ালা এই কোরবানির অর্থ দিতে বাধ্য নন। এমন অবস্থায় হজ সম্পাদনকারীকে নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করতে হবে; সামর্থ্য না থাকলে বিকল্প হিসেবে ১০টি রোজা রাখলেও হবে। তবে যদি বদলি হজ করানেওয়ালা কোরবানির অর্থও দিয়ে দেন, তাহলে তা উত্তম।

📌📌বদলি হজ্জ করার শর্ত

যার পক্ষ থেকে হজ্জ করা হবে

তার ওপর হজ্জ ফরজ হয়ে থাকতে হবে।

তিনি নিজে হজ্জ করতে স্থায়ীভাবে অক্ষম হতে পারেন।

অথবা তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

যে বদলি হজ্জ করবে

তাকে আগে নিজের ফরজ হজ্জ আদায় করতে হবে।

নিয়তের সময় নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জের নিয়ত করতে হবে।

বদলি হজ্জের নিয়ম

১. ইহরাম বাঁধার সময় নিয়ত

মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার সময় বলতে হবে—
বদলি হজ্বে তালবিয়ার নিয়ম:
১. নিয়ত বা সংকল্প: মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধার সময় মনে মনে বা মুখে যার বদলি হজ্ব করছেন, তার নাম উল্লেখ করে নিয়ত করতে হবে। যেমন: "হে আল্লাহ! আমি অমুক ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্বের ইহরাম বাঁধছি, তা কবুল করুন।" তালবিয়া পাঠ: নিয়ত করার পরপরই উচ্চৈঃস্বরে (পুরুষরা) অথবা নিচুস্বরে (নারীরা) তালবিয়া পাঠ করতে হবে。

২. হজ্জের সব কাজ আদায় করা

বদলি হজ্জকারীকে স্বাভাবিক হজ্জের মতোই সব কাজ করতে হবে—

তাওয়াফ

সাঈ

মিনায় অবস্থান

আরাফায় অবস্থান

মুজদালিফায় রাত যাপন

কংকর নিক্ষেপ

কুরবানি (যদি প্রয়োজন হয়)

সব আমল সেই ব্যক্তির পক্ষ থেকেই আদায় হবে।

৩. দোয়া করা

হজ্জের সময় বেশি বেশি দোয়া করতে হবে যেন আল্লাহ ওই ব্যক্তির হজ্জ কবুল করেন এবং তাকে ক্ষমা করেন।

📌📌গুরুত্বপূর্ণ কিছু মাসআলা

একজন ব্যক্তি এক সফরে শুধু একজনের পক্ষ থেকে ফরজ বদলি হজ্জ করতে পারে।

জীবিত ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার পক্ষ থেকে বদলি হজ্জ করা ঠিক নয়।

মৃত ব্যক্তির জন্য সন্তান, আত্মীয় বা অন্য কেউ বদলি হজ্জ করতে পারে।

বদলি হজ্জের খরচ সাধারণত যার পক্ষ থেকে হজ্জ করা হয় তার সম্পদ থেকে দেওয়া হয়।
❤️❤ আল্লাহ সবাইকে হজ্জ করার তাওফিক দেন
আমিন লিখতে ভুলবেন না।
সবাই পেইজটি ফলো করবেন




#হজ্জ

With Shah Majidia Rashidia Hajj Kafela And Travels - Licence No -1175 – I just got recognized as one of their top fans! ...
22/05/2026

With Shah Majidia Rashidia Hajj Kafela And Travels - Licence No -1175 – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

03/05/2026

শাহ মজিদিয়া রশিদিয়া হজ কাফেলা

এটা কোন ব্রীজ বা রেল সেতু নয়।হাজীদের পানির কষ্ট লাগব করার জন্য খলীফা হারুনুর রশিদ রহ. এর স্ত্রী হযরত জুবাইদা রহ. এর তৈরী...
02/05/2026

এটা কোন ব্রীজ বা রেল সেতু নয়।
হাজীদের পানির কষ্ট লাগব করার জন্য খলীফা হারুনুর রশিদ রহ. এর স্ত্রী হযরত জুবাইদা রহ. এর তৈরী করা নহরে জুবাইদা।

৯০০ মাইল দীর্ঘ পথে হাজিদের সেবায় সম্রাজ্ঞী মহীয়সী নারী জুবাইদার অমর কীর্তি।"

আলহামদুলিল্লাহ
ইসলামি ইতিহাসের পাতায় মহিয়সী নারী বলতেই যার নাম উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, তিনি হলেন জুবাইদা বিনতে জাফর রহ.

আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী এবং খলিফা আল-মানসুরের নাতনি এই নারী কেবল একজন সম্রাজ্ঞীই ছিলেন না, ছিলেন এক অসামান্য দূরদর্শী ও দানবীর ব্যক্তিত্ব।

হিজরি ১৯৩ সাল। হজ পালন করতে গিয়ে জুবাইদা রহ. দেখলেন মক্কায় পানির তীব্র হাহাকার। জমজম কূপ ছাড়া আর কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস ছিল না। হাজিরা চড়া মূল্যে পানি কিনছেন; এক বালতি পানির দাম তৎকালীন ২০ দিরহাম পর্যন্ত ঠেকেছিল! হাজিদের এই নিদারুণ কষ্ট দেখে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েন এবং এক ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ করেন।

এক অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প: 'নহরে জুবাইদা'

জুবাইদা বিনতে জাফর রহ.। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন বাগদাদ থেকে মক্কা অভিমুখে হাজিদের পথের পাশে খাল খনন করবেন। প্রকৌশলীরা যখন খরচের দোহাই দিয়ে একে অসম্ভব বলেছিলেন, জুবাইদা তখন দৃঢ়কণ্ঠে বলেছিলেন,

"কোদালের প্রতিটি কোপের বিনিময়ে যদি আমাকে এক একটি স্বর্ণমুদ্রাও (দিনার) ব্যয় করতে হয়, তবুও আমি এই কাজ থেকে পিছু হটব না।"

এটি ইরাকের নু’মান উপত্যকা থেকে শুরু হয়ে তায়েফ ও আরাফাহ হয়ে মক্কায় পানি সরবরাহ করত।

খরচ:-
তৎকালীন প্রায় ১৭ লক্ষ দিনার (যা বর্তমান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা)।

প্রকৌশল শৈলী, কঠিন শিলা কেটে খাল তৈরি করা এবং বাষ্পীভবন রোধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।

রোড অফ জুবাইদা:
প্রায় ৯০০ মাইল দীর্ঘ এই পথে তিনি কেবল খালই নন, বরং বিশ্রামের জন্য সরাইখানা, পুকুর এবং বাতিঘর নির্মাণ করেছিলেন।

তিনি কেবল সম্রাজ্ঞী নন, এক অনন্য উদ্যোক্তা...
জুবাইদার আসল নাম ছিল আমাতুল আজিজ। শৈশবে দাদা আল-মানসুর তাকে আদর করে 'জুবাইদা' (ছোট মাখনের টুকরা) ডাকতেন।

তিনি কুরআন-হাদিস, ইতিহাস, সাহিত্য ও চিকিৎসা শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।

উদ্যোক্তা:- রাষ্ট্রীয় তহবিলের ওপর নির্ভর না করে তিনি নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতেন এবং তা থেকে উপার্জিত অর্থ জনকল্যাণে ব্যয় করতেন।

প্রখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা তাকে নিয়ে লিখেছেন, যদি জুবাইদা এই পথের জন্য উদ্যোগী না হতেন, তবে হাজিদের কষ্ট আরও বেশী হতো।

জুবাইদা বিনতে জাফর রহ.
জনকল্যাণকামী নারী প্রজ্ঞা এবং ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও তিনি ছিলেন বিনয়ী ও ইবাদতগুজার। এই মহীয়সী নারী ২১৬ হিজরিতে পরলোকগমন করেন। কিন্তু তার নির্মিত সেই 'নহরে জুবাইদা' প্রায় এক হাজার বছর ধরে তৃষ্ণার্ত হাজিদের পানি জুগিয়ে তার অমর কীর্তির সাক্ষ্য দিয়ে গেছে।
আল্লাহ তাআলা উনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।

ঐতিহাসিক দলিল ও তথ্যসূত্র-
১। আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইবনে কাসীর) ​খণ্ড: ১০ম খণ্ড
​পৃষ্ঠা নং: ৫৪৩ - ৫৪৫ (জুবাইদা বিনতে জাফরের মৃত্যু ও জীবনী আলোচনা)
​এখানে তাঁর আমল, দানশীলতা এবং মক্কার হাজিদের জন্য পানি সরবরাহে খালের অবদানের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

সিয়ার আলাম আন-নুবালা (ইমাম আয-যাহাবি) ​খণ্ড: ৯ম খণ্ড, ​পৃষ্ঠা নং: ৩৩৪ - ৩৩৬

​তাঁর তাকওয়া, ইবাদত এবং বিশেষ করে নহরে জুবাইদা প্রকল্পে তৎকালীন ১৭ লক্ষ দিনার ব্যয়ের কথা এখানে গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।

তারিখ-ই-বাগদাদ (আল-খতিব আল-বাগদাদি) ​​পৃষ্ঠা নং ৪৩৩ - ৪৩৪
©️

02/05/2026
পবিত্র কাবা শরিফের শাধারাওয়ানে বাদামী মার্বেলের টুকরোগুলো ‘মুসাল্লাহ জিবরিল’ নামে পরিচিত। স্থানটিকে চিহ্নিত করে রাখা হয়...
28/04/2026

পবিত্র কাবা শরিফের শাধারাওয়ানে বাদামী মার্বেলের টুকরোগুলো
‘মুসাল্লাহ জিবরিল’ নামে পরিচিত।
স্থানটিকে চিহ্নিত করে রাখা হয়,
যেখানে ফেরেশতা হজরত জিব্রাইল (আ.) মেরাজের রাতের
ভ্রমণের পরে নবী (স.)-কে কীভাবে সালাত আদায় করতে হয় তা শিখিয়েছিলেন।
পবিত্র কাবার ভেতরে আটটি মার্বেলের টুকরো দিয়ে
মুসাল্লাহ জিবরিল তৈরি করা হয়েছে।
যা 'মেরি স্টোন' নামে পরিচিত।
পৃথিবীর দুর্লভ মার্বেল পাথরের মধ্যে অন্যতম এই মেরি স্টোন।
হলদে বাদামী রঙের এ পাথরের বয়স আনুমানিক ৮১১ বছর।
৬৩১ সালে কাবা শরিফ তাওয়াফকালে এই বিরল পাথরগুলো
উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন খলিফা আবু জাফর আল মানসুর।
টুকরোগুলো বিভিন্ন আকারের; বড়টি ২১ সেমি চওড়া এবং ৩৩ সেমি লম্বা।
খণ্ডগুলো ধারণ করেছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় একটি শিলালিপি।
তাওয়াফ চত্বর থেকে একটু নিচু স্থানে
এই আটটি মার্বেল পাথর রাখা হয়েছে।
এ পাথরগুলো ১২১৩ হিজরিতে চুরি হয়ে গিয়েছিল।
পরে তা একজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে উদ্ধার করা হয়।
১৩৭৭ হিজরিতে এগুলো আবার স্বস্থানে স্থাপন করা হয়।
NHPFB-B00053

゚ #.

মিকাত আধুনিকায়ন ও সংস্কার করল সৌদি।
24/04/2026

মিকাত আধুনিকায়ন ও সংস্কার করল সৌদি।

.
24/04/2026

.

24/04/2026

জামরায় পাথর মারায় ভুলভ্রান্তি

চলার পূর্বে সে সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নেয়া তার জন্য কি উচিৎ নয়?

৬। আরো একটি ভুল হচ্ছে, তাদের অনেকে সাতটি পাথর এক মুষ্টিতে নিয়ে একবারেই মেরে দেয়। ইহা বড় মারাত্মক ভুল। কারণ, আলিমগণ বলেছেন যে, একসাথে একাধিক পাথর মারলে তা একটি বলে গণ্য হবে। আর মনে রাখবেন যে, নাবী (সা.)-এর সুন্নাত মুতাবেক এক একটি করে পাথর নিক্ষেপ করা ওয়াজিব।

৭। জামরায় কংকর মারার সময় বাড়তি কিছু দু‘আ পাঠ করা, যা নাবী (সা.) থেকে মোটেই প্রমাণিত নয়। যেমন তারা অনেকে বানোয়াট দু‘আ বলে,

‘আল্লাহুম্মা ইজ্‌আলহা রিযান লিররাহমান, ওয়া গাযাবান লিশশায়তান’

অনেকে এ বিদআতী দু‘আ পড়ে কিন্তু নাবী (সা.) থেকে প্রমাণিত তাকবীর ছেড়ে দেয়। অথচ বাড়তি বা ঘাটতি না করে নাবী (সা.) থেকে বর্ণিত তাকবীরেই খ্যান্ত করা আবশ্যক।

৮। আরো একটি ভুল হচ্ছে, জামরায় পাথর নিজ হাতে মারার ক্ষেত্রে অনেকের অবহেলা করা। তারা নিজে কংকর মারতে সক্ষম হলেও অপর ব্যক্তিকে উকীল বানিয়ে ভীড়ের অবস্থায় কংকর মারার কষ্ট থেকে নিজেকে মুক্ত করতে চায়। অথচ ইহা মহান আল্লাহর এ বাণীর পরিপন্থী, যাতে তিনি হাজ্জ সম্পূর্ণ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:

وَأَتِمُّواْ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ لِلّهِ

তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে হাজ্জ ও উমরা সম্পূর্ণ কর।[6] তাই কষ্ট ও ক্লেশ বরদাশ্ত করে কংকর নিক্ষেপ করায় সক্ষম ব্যক্তির নিজ হাতে কংকর মারা আবশ্যক। কারণ, হাজ্জ এক প্রকারের জিহাদ, যাতে কষ্ট-ক্লেশ হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই হাজীগণ যেন আল্লাহকে ভয় করেন এবং আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী স্বয়ং নিজেই যথাসাধ্য হজ্জের কার্যাবলী সম্পাদন করেন।

Address

Akram Tower 2nd Floor, Sirajuddaula Road, Saberia, Anderkillah, Chattogram. Bangladesh
Chittagong
4000

Telephone

+8801753755555

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হজ্জ উমরাহ টিকেটিং সকল দেশের ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি 01840110919:

Share

Category