হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ

হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ যত দেখি তত মুগ্ধ হই,

মন প্রাণ উজাড় কর?

11/02/2026

📢 গণভোট ও সংস্কার নিয়ে অপপ্রচার

​আগামী নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত গণভোট নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে একটি মহলে দাবি করা হচ্ছে যে, এই গণভোটে "হ্যাঁ" ভোট দিলে সংবিধানে বিশেষ কোনো জীবনযাত্রার (যেমন: LGBT) অধিকার অন্তর্ভুক্ত হবে।

​বাস্তবতা হলো, এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জুলাই সনদের একটি ধারার ভুল ও অপব্যাখ্যা করে মানুষের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত অনুভূতিকে পুঁজি করার চেষ্টা চলছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, এবারের গণভোট কোনো সামাজিক বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে নয়, বরং রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কাঠামোর সংস্কার নিয়ে।

​🗳️ গণভোট আসলে কী নিয়ে?

​এই গণভোটে ভোটাররা মূলত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর মতামত দেবেন:-

☞​তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন।
☞​দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠন।
☞​প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমা নির্ধারণ।
☞​রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য ও বৃদ্ধি।
☞​বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।
☞​নারীদের প্রতিনিধিত্ব ও ক্ষমতায়ন।

​এখানে কোনো সামাজিক ইস্যু বা 'ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ' সংক্রান্ত এমন কিছু নেই যা আমাদের ধর্মীয় বা সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। এটি নিছক প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সংস্কার।


​ব্যক্তিবিশেষের মাত্রাতিরিক্ত প্যারানয়া এবং সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার হঠকারিতা থেকেই এই ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকবেই, কিন্তু ভুল তথ্য দিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


​জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই সনদে প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোকে যদি আমরা বাস্তবে রূপ দিতে চাই, তবে এই গঠনমূলক পরিবর্তনে অংশ নেয়া আমাদের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের স্বার্থে এই গণভোটে সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করা জরুরি।

​📌 এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এবং আইনি ব্যাখ্যা বুঝতে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী ভাইয়ের লেখাটি পড়তে পারেন, যা 'ডেল্টাগ্রাম' পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে। (লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো)
​সচেতন হোন, গুজব প্রতিরোধ করুন।

11/02/2026
পবিত্র হজের সময় মিনায় শয়তানকে পাথর মারার (জামারাত) সময় অতীতে প্রায়ই ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যেতেন। এই কঠিন...
17/01/2026

পবিত্র হজের সময় মিনায় শয়তানকে পাথর মারার (জামারাত) সময় অতীতে প্রায়ই ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যেতেন। এই কঠিন সমস্যার সমাধান দিয়ে মুসলিম বিশ্বে অমর হয়ে আছেন বাংলাদেশের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

​১৯৯৪ সালে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম সস্ত্রীক হজ পালন করতে যান। সেই বছর জামারাতে পাথর মারতে গিয়ে অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে ২৭০ জন হাজি প্রাণ হারান। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তিনি বুঝতে পারেন, এটি মূলত একটি ট্রাফিক ও স্পেস ম্যানেজমেন্টের সমস্যা। তিনি মনে মনে শপথ করেন—আল্লাহ চাইলে তিনি এই ব্যবস্থার পরিবর্তন আনবেন।

​দেশি ফিরে তিনি একটি বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা তৈরি করেন, যার মূল ভিত্তি ছিল 'একমুখী জনস্রোত'। তাঁর প্রস্তাবনার প্রধান দিকগুলো ছিল,



আগে জামরা বা স্তম্ভগুলো ছোট ছিল, যা তিনি উভয় দিকে বাড়িয়ে ৩০ ফুট করার প্রস্তাব দেন যাতে দূর থেকে পাথর মারা সহজ হয়।



মিনার দিক দিয়ে হাজিরা প্রবেশ করবেন ('In') এবং পাথর মেরে বিপরীত দিক দিয়ে বের হয়ে যাবেন ('Out')। কেউ উল্টো পথে ফিরতে পারবেন না।



প্রতিটি জামরাকে রেলিং দিয়ে সংযুক্ত করে সুনির্দিষ্ট লেন তৈরি করা।

​তিনি এই নকশাটি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে সৌদি দূতাবাসে পাঠান। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিকল্পনার নিখুঁত কারিগরি দিক দেখে মুগ্ধ হয়। তৎকালীন সৌদি বাদশাহ ফাহাদ তাঁকে "মুহিব্বুল খায়ের" (কল্যাণের বন্ধু) উপাধিতে ভূষিত করেন। এমনকি কাবার তৎকালীন প্রধান ইমাম শায়খ আবদুস সুবাইল তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রকৌশলী হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

​প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জন্ম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তিনি বুয়েট ও রাজশাহী বিআইটি (বর্তমানে RUET) থেকে পড়াশোনা শেষ করে জাপান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। তিনি বিসিআইসি-এর প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর নেন। তাঁর লেখা বই How to build a nice home আজও প্রকৌশলীদের কাছে জনপ্রিয়।

​এই মহান প্রকৌশলী ২০১৭ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করে এক সময় মিনায় তাঁর নামফলকও শোভা পেত। আজ জামারাতের যে বহুতল কমপ্লেক্স আমরা দেখি, তার আদি ও মূল বৈজ্ঞানিক ধারণার প্রবর্তক হিসেবে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

#অজানা

এই ছবিটিই বলে দেবে আপনার মানসিক চরিত্রমানুষের চারিত্রিক প্রকৃতি অনেকটাই তার অবচেতন মনের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। আমরা যে...
15/10/2025

এই ছবিটিই বলে দেবে আপনার মানসিক চরিত্র

মানুষের চারিত্রিক প্রকৃতি অনেকটাই তার অবচেতন মনের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। আমরা যেসব বিষয় সচেতনভাবে ভাবি না সেগুলোই অবচেতন মনে অত্যন্ত যত্নে স্থান করে নেয়। আমাদের দৈনন্দিন জীবন কেবল সজাগ, সচেতন মন, উপস্থিত বুদ্ধি, বুদ্ধিমত্তা বা সহজাত প্রবৃত্তির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না। অনেক ক্ষেত্রেই এসব অবচেতন মন নিয়ন্ত্রণ করে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, অবচেতন মনের গতিবিধি বোঝা বেশ কঠিন। এই অবচেতন মনের চরিত্র উন্মোচনের জন্য তাকে সজাগ করা অত্যন্ত জরুরি। এ কাজে অপটিক্যাল ইলিউশন বা দৃষ্টিভ্রম সৃষ্টিকারী ছবি অত্যন্ত কার্যকর। এমনই একটি দৃষ্টিভ্রম ছবির মাধ্যমে জানা যাবে আপনার মানসিক চরিত্র সম্পর্কে। ছবিতে প্রথমে কোন প্রাণীটি দেখলেন, তা থেকেই প্রকাশ পাবে আপনার ব্যক্তিত্বের গোপন রহস্য। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাঘ : যারা প্রথমে বাঘ দেখেছেন, মনোবিজ্ঞানীদের মতে, তারা বদমেজাজী এবং উচ্চাভিলাষী। জীবনে বড় সাফল্য অর্জন করেন এরা। তবে বেপরোয়া স্বভাব মাঝেমধ্যে বিপদ ডেকে আনতে পারে। এদের ইচ্ছাশক্তি অত্যন্ত প্রবল।

ঈগল : প্রথমে ঈগল দেখলে, আপনি উচ্চাভিলাষী, উদার, পরোপকারী এবং আত্মবিশ্বাসী। সমাজে সম্মানীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পান। আপনার আন্তরিকতায় অচেনা মানুষও প্রথম সাক্ষাতে মুগ্ধ হন।

কুকুর : যারা প্রথমে কুকুর দেখেছেন, তারা বুদ্ধিমান, অনুগত, আন্তরিক, বিশ্বস্ত এবং বিচক্ষণ। বিচার-বিশ্লেষণের অসাধারণ ক্ষমতা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সাফল্য এনে দেয়।

হাতি : প্রথমে হাতি দেখলে, আপনি জ্ঞানী, ধৈর্যশীল, উদার, পরোপকারী এবং বিচক্ষণ। পরিবার আপনার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চাভিলাষী না হলেও, অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকেন। বিচক্ষণতা ও বিবেচনাবোধ আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি। সমাজে আপনি সম্মানের পাত্র।

কাঠবিড়ালি : প্রথম দেখায় কাঠবিড়ালি চোখে পড়লে, আপনি বুদ্ধিমান, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সচেতন, নিষ্ঠাবান, সক্রিয় এবং আত্মবিশ্বাসী। সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং অদম্য উৎসাহ ও শক্তি আপনার সাফল্যের মূলমন্ত্র।

ব্যাঙ : ব্যাঙ প্রথমে দেখলে, আপনি শান্ত, ধৈর্যশীল, বুদ্ধিমান, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, মনোযোগী এবং বিচক্ষণ। বিপদ দ্রুত আঁচ করতে পারেন এবং সময়মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম। ধৈর্য ও বিচক্ষণ বিশ্লেষণ আপনাকে সফল করে।

মাছ : প্রথমে মাছ দেখলে, আপনি অত্যন্ত সুচতুর, বিচক্ষণ, সচেতন, সক্রিয় কিন্তু অস্থিরচিত্ত এবং রহস্যময়। আপনার মনের ভাব বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। গোপনীয়তা রক্ষায় বিশ্বস্ত এবং সমাজে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

©

"মৃত্যুর চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি নয়, যদি সেই জীবন দেশের জন্য না হয়।" – এই আত্মপ্রত্যয়ের এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন প্রীতিলতা ...
24/09/2025

"মৃত্যুর চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি নয়, যদি সেই জীবন দেশের জন্য না হয়।" – এই আত্মপ্রত্যয়ের এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
তিনি ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন নারী বিপ্লবী, যিনি স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা জগদ্বন্ধু ওয়েদ্দার ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং মাতা প্রতিভাদেবী ছিলেন গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই প্রীতিলতা ছিলেন মেধাবী ও আত্মপ্রত্যয়ী।
তিনি চট্টগ্রামের ডা. খাস্তগীর বালিকা বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে দর্শনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি জাতীয়তাবাদী চিন্তায় প্রভাবিত হন।

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধে তিনি আকৃষ্ট হন এবং মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবী দলে যোগ দেন।
"কোনো অত্যাচার চিরকাল চলতে পারে না" – এই বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করে প্রীতিলতা বিপ্লবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন।
নারী হয়ে অস্ত্র তুলে নেওয়া ছিল সে সময় এক সাহসী সিদ্ধান্ত, কিন্তু তিনি ভয় পাননি। তাঁর মধ্যে ছিল লৌহ-দৃঢ়তা, ছিল অমিত সাহস।

১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ঘটে ইতিহাসের এক স্মরণীয় ঘটনা – প্রীতিলতা ওয়েদ্দারের নেতৃত্বে পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ।
এই ক্লাবটির গেটে লেখা ছিল:
“Dogs and Indians not allowed”,
যা ছিল উপনিবেশিক বর্ণবাদ ও অপমানের প্রতীক।
এই অপমানের জবাবে প্রীতিলতা ও তাঁর সঙ্গীরা ক্লাবটিতে আগুন লাগান ও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। অভিযানে আহত হওয়ার পর ধরা পড়ার আগেই প্রীতিলতা পটাশিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

"জীবনের চেয়ে সংগ্রাম বড় – তাই আমি জীবন ছেড়ে দিলাম সংগ্রামের পথে" – তাঁর আত্মত্যাগ যেন এই বার্তাই দেয়।

মাত্র ২১ বছর বয়সে জীবন উৎসর্গ করা প্রীতিলতা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নারীদের অংশগ্রহণের পথ খুলে দিয়েছিলেন।
তিনি প্রমাণ করেছিলেন,
"নারীর শক্তি শুধু সংসারেই নয়, রণাঙ্গনেও সমান তেজস্বী"।
তাঁর আত্মাহুতি যুবসমাজের মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে আরও জাগিয়ে তোলে।

আজকের স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে আমরা যখন স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করি, তখন প্রীতিলতা ওয়েদ্দারের নাম শ্রদ্ধাভরে উচ্চারণ করি।
তিনি ছিলেন, আছেন, এবং চিরকাল থাকবেন ইতিহাসের পাতায় অগ্নিকন্যা হিসেবে।
"তুমি আপোষ করনি, তুমি মাথা নত করোনি – এজন্যই তুমি আজ অমর" – এই পঙ্‌ক্তি তাঁর জন্যই উপযুক্ত।

আমরা তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হই, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই – এটাই হোক তাঁর প্রতি আমাদের প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সতর্কবার্তা‼️ সতর্কবার্তা‼️ সতর্কবার্তা ‼️দ্রুত শেয়ার করুন, বড় বিপদ থেকে রক্ষা করুন সবাইকেচট্টগ্রাম হালিশহর এলাকায় আজ দ...
03/07/2025

সতর্কবার্তা‼️ সতর্কবার্তা‼️ সতর্কবার্তা ‼️

দ্রুত শেয়ার করুন, বড় বিপদ থেকে রক্ষা করুন সবাইকে

চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকায় আজ দুপুর থেকে গ্যাস লাইনের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে কোনো কোনো লাইনে গ্যাস লিক হয়েছে।

এমতাবস্থায় সকল এলাকাবাসীকে অনুরোধ করা হচ্ছে:

🔥 গ্যাসের চুলা, গিজার ও অন্যান্য গ্যাসচালিত যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখুন।
⚡ বিদ্যুৎ এর সুইচ, ফ্যান, লাইট ইত্যাদি চালু বা বন্ধ করা থেকে বিরত থাকুন।
🌬️ জানালা ও দরজা খুলে রাখুন যেন গ্যাস বের হয়ে যেতে পারে।
🧒 শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নিন।
☎️ গ্যাস কোম্পানির হটলাইন ১৬৭৭৭ অথবা ৯৯৯-এ ফোন করে পরিস্থিতি জানিয়ে দিন। যথাযথ কর্তৃপক্ষ ছাড়া কেউ গ্যাসের লিকের উৎস খোঁজার চেষ্টা করবেন না।

গ্যাস লিক খুবই বিপজ্জনক এবং অল্প সময়ে বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে। তাই সময় নষ্ট না করে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানো ও আশেপাশে সবাইকে সতর্ক করাই প্রথম কাজ।

হালিশহরবাসী যেন ধৈর্য্য ও সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেন, এই অনুরোধ রইল।
আল্লাহ আপনাদের সবাইকে হেফাজত করুন 🤲🏻
আপনারা সবাই সতর্ক ও সুরক্ষিত থাকুন।

©

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ছেলে ইরফানের বেতন মাসে ২৯ লাখ টাকা! যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির এআই প্রতিষ্ঠান অ্যাস্টেরা ল্যাবসে...
29/06/2025

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ছেলে ইরফানের বেতন মাসে ২৯ লাখ টাকা!

যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির এআই প্রতিষ্ঠান অ্যাস্টেরা ল্যাবসে চাকরি পেয়েছেন মো. ইরফান উদ্দীন। তিনি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রাক্তন শিক্ষার্থী।

মো. ইরফান উদ্দীনের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামে। ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। উভয় পরীক্ষাতেই জিপিএ ছিল ৫.০০। এরপর চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতকে সিজিপিএ ছিল ২.৯৮। বাংলাদেশে চাকরির পেছনে অনেক দৌঁড়েছিলেন। কিন্তু, চাকরি পাননি।

স্নাতকে কম সিজিপিএ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়ে ইরফান উদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ফুল ফান্ডিং স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য সিজিপিএ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি বিকল্প পথ হিসেবে গ্র্যাজুয়েট রেকর্ড এক্সামিনেশন (জিআরই) পরীক্ষা দিয়ে ৩৩১ স্কোর তুলি। এই স্কোর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফুল ফান্ডিং স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করি।

©

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
17/05/2025

Celebrating my 11th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Address

Bangladesh In My Heart
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ:

Share