হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ

হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ যত দেখি তত মুগ্ধ হই,

মন প্রাণ উজাড় কর?

26/07/2026
20/07/2026

আলহামদুলিল্লাহ,
অনেক প্রতীক্ষার পর দুবাই ভিসা ওপেন !
৩০ দিন / ৬০ দিন / ০৫ বছর!

20/06/2026

Celebrating my 12th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

11/02/2026

📢 গণভোট ও সংস্কার নিয়ে অপপ্রচার

​আগামী নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত গণভোট নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে একটি মহলে দাবি করা হচ্ছে যে, এই গণভোটে "হ্যাঁ" ভোট দিলে সংবিধানে বিশেষ কোনো জীবনযাত্রার (যেমন: LGBT) অধিকার অন্তর্ভুক্ত হবে।

​বাস্তবতা হলো, এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জুলাই সনদের একটি ধারার ভুল ও অপব্যাখ্যা করে মানুষের ধর্মীয় ও ব্যক্তিগত অনুভূতিকে পুঁজি করার চেষ্টা চলছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, এবারের গণভোট কোনো সামাজিক বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে নয়, বরং রাষ্ট্রের শাসনতান্ত্রিক কাঠামোর সংস্কার নিয়ে।

​🗳️ গণভোট আসলে কী নিয়ে?

​এই গণভোটে ভোটাররা মূলত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর মতামত দেবেন:-

☞​তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন।
☞​দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠন।
☞​প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সীমা নির্ধারণ।
☞​রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য ও বৃদ্ধি।
☞​বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।
☞​নারীদের প্রতিনিধিত্ব ও ক্ষমতায়ন।

​এখানে কোনো সামাজিক ইস্যু বা 'ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ' সংক্রান্ত এমন কিছু নেই যা আমাদের ধর্মীয় বা সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। এটি নিছক প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সংস্কার।


​ব্যক্তিবিশেষের মাত্রাতিরিক্ত প্যারানয়া এবং সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার হঠকারিতা থেকেই এই ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকবেই, কিন্তু ভুল তথ্য দিয়ে জনমতকে প্রভাবিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।


​জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই সনদে প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোকে যদি আমরা বাস্তবে রূপ দিতে চাই, তবে এই গঠনমূলক পরিবর্তনে অংশ নেয়া আমাদের দায়িত্ব। রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদী সংস্কারের স্বার্থে এই গণভোটে সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করা জরুরি।

​📌 এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এবং আইনি ব্যাখ্যা বুঝতে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী ভাইয়ের লেখাটি পড়তে পারেন, যা 'ডেল্টাগ্রাম' পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে। (লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো)
​সচেতন হোন, গুজব প্রতিরোধ করুন।

পবিত্র হজের সময় মিনায় শয়তানকে পাথর মারার (জামারাত) সময় অতীতে প্রায়ই ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যেতেন। এই কঠিন...
17/01/2026

পবিত্র হজের সময় মিনায় শয়তানকে পাথর মারার (জামারাত) সময় অতীতে প্রায়ই ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে শত শত হাজি মারা যেতেন। এই কঠিন সমস্যার সমাধান দিয়ে মুসলিম বিশ্বে অমর হয়ে আছেন বাংলাদেশের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

​১৯৯৪ সালে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম সস্ত্রীক হজ পালন করতে যান। সেই বছর জামারাতে পাথর মারতে গিয়ে অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে ২৭০ জন হাজি প্রাণ হারান। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তিনি বুঝতে পারেন, এটি মূলত একটি ট্রাফিক ও স্পেস ম্যানেজমেন্টের সমস্যা। তিনি মনে মনে শপথ করেন—আল্লাহ চাইলে তিনি এই ব্যবস্থার পরিবর্তন আনবেন।

​দেশি ফিরে তিনি একটি বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা তৈরি করেন, যার মূল ভিত্তি ছিল 'একমুখী জনস্রোত'। তাঁর প্রস্তাবনার প্রধান দিকগুলো ছিল,



আগে জামরা বা স্তম্ভগুলো ছোট ছিল, যা তিনি উভয় দিকে বাড়িয়ে ৩০ ফুট করার প্রস্তাব দেন যাতে দূর থেকে পাথর মারা সহজ হয়।



মিনার দিক দিয়ে হাজিরা প্রবেশ করবেন ('In') এবং পাথর মেরে বিপরীত দিক দিয়ে বের হয়ে যাবেন ('Out')। কেউ উল্টো পথে ফিরতে পারবেন না।



প্রতিটি জামরাকে রেলিং দিয়ে সংযুক্ত করে সুনির্দিষ্ট লেন তৈরি করা।

​তিনি এই নকশাটি বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে সৌদি দূতাবাসে পাঠান। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিকল্পনার নিখুঁত কারিগরি দিক দেখে মুগ্ধ হয়। তৎকালীন সৌদি বাদশাহ ফাহাদ তাঁকে "মুহিব্বুল খায়ের" (কল্যাণের বন্ধু) উপাধিতে ভূষিত করেন। এমনকি কাবার তৎকালীন প্রধান ইমাম শায়খ আবদুস সুবাইল তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রকৌশলী হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

​প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জন্ম ১৯৪১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তিনি বুয়েট ও রাজশাহী বিআইটি (বর্তমানে RUET) থেকে পড়াশোনা শেষ করে জাপান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। তিনি বিসিআইসি-এর প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে অবসর নেন। তাঁর লেখা বই How to build a nice home আজও প্রকৌশলীদের কাছে জনপ্রিয়।

​এই মহান প্রকৌশলী ২০১৭ সালের ৮ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর এই অনন্য অবদানের কথা স্মরণ করে এক সময় মিনায় তাঁর নামফলকও শোভা পেত। আজ জামারাতের যে বহুতল কমপ্লেক্স আমরা দেখি, তার আদি ও মূল বৈজ্ঞানিক ধারণার প্রবর্তক হিসেবে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

#অজানা

Address

Bangladesh In My Heart
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to হৃদয়ের মাঝে বাংলাদেশ:

Shortcuts

Share