17/09/2020
পলওয়েল পার্কে সব দর্শনার্থীরাই রাজা...........
‘আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে...., নইলে মোদের রাজার সনে মিলব কী স্বত্বে?- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কবিতার সাথে বাস্তবে প্রকৃতির রাজার রাজত্ব উপভোগ করতে চাইলে আজই চলে আসুন অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি, অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ রাঙ্গামাটির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আকর্ষণীয় বিনোদন কেন্দ্র পলওয়েল পার্ক ও পলওয়েল কটেজে।
সকাল বা সন্ধ্যা, দিন বা রাত প্রতিটি সময় পলওয়েল পার্ক অ্যান্ড কটেজে দর্শনার্থীদের উপভোগের জন্য নিজেকে আলাদা রুপে, আলাদাভাবে উপস্থাপন করেছে। ছোট, বড়, বৃদ্ধ সকল শ্রেণীর সকল মানুষের জন্য মনের মত করে নিজের সৌন্দর্য মেলে ধরেছে পলওয়েল পার্ক। পলওয়েল পার্কের যেকোন স্পটে বসে কাপ্তাই লেকের ঢেউ আর মন মাতানো হাওয়া উপভোগ করতে করতে কখন যে এক পসরা গুটি বৃষ্টি এসে আপনার মনকে আন্দোলিত করে যাবে তা আপনি বুঝতে পারবেন না। সাথে সাথে আপনার মনে অনুভূতি হতে পারে...
“বৃষ্টি তুমি আরো কিছুক্ষণ, থাকনা আমার পাশে। শরীর মন জুড়িয়ে নেই, একটু...এক নিঃশ্বাসে”।
শৃঙ্খলমুক্ত, বাধাহীন পলওয়েল পার্কের এই আনন্দ উপভোগ সত্যিই অনন্য, সত্যিই অসাধারণ।
বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিনের জীর্ণতা কেটে নতুন সাজে সজ্জিত হয়েছে পলওয়েল পার্ক। এরই মধ্যে স্বাস্থবিধি মেনে সীমিত আকারে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে পলওয়েল পার্ক। প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে পার্কের প্রতিটি স্পট ধারণ করেছে অপরুপ সৌন্দর্য। পার্কের প্রবেশ পথ, ঢেকি শিল্প, বিভিন্ন রকমের রাইড, ৯ডি মুভি হল, কৃত্রিম ঝরণা, হিল ভিউ পয়েন্ট, ফুচকা কর্ণার, পিশিং পিয়ার, লেক ভিউ পয়েন্ট, ঝুলন্ত সেতু, লাভ লক পয়েন্ট, কফি কর্ণার, সুইমিংপুল, পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া ও পলওয়েল কটেজ প্রভৃতি পার্কটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।
সম্প্রতি পলওয়েল পার্কের আতিথেয়তা গ্রহণ করে এক দর্শনার্থী তার অনুভূতি প্রকাশ করছে এভাবে, কটেজ এবং কটেজ থেকে বাইরের দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ। পার্কের দায়িত্বে কর্মরত সদস্যদের আচরণ ভদ্র এবং বন্ধুসুলভ...খাবারের সম্পর্কে বলে শেষ করতে পারব না, এককথায় প্রকাশ করার কোন ভাষাই নেই।
প্রকৃতির সৌন্দর্য ও কাপ্তাই লেকের মোহ, প্রশান্তি, সজীবতা ও স্বচ্ছ জলরাশির সান্নিধ্য পেতে আজই চলে আসুন প্রকৃতির লীলাভূমি রাঙ্গামাটির মনোমুগ্ধকর এই পলওয়েল পার্ক অ্যান্ড কটেজে।