Meghna Moin Air Travels

Meghna Moin Air Travels Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Meghna Moin Air Travels, Travel Agency, Cumilla.

হজ্জ্ব'২৭ ও উমরাহ বুকিং চলছে
07/05/2026

হজ্জ্ব'২৭ ও উমরাহ বুকিং চলছে

মসজিদে কুবা ~ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ। এটি মহানবী (সা:) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের সময় মদিনার অদুরে কুবা নামক...
13/01/2026

মসজিদে কুবা ~ ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ। এটি মহানবী (সা:) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের সময় মদিনার অদুরে কুবা নামক স্থানে সাহাবাদের নিয়ে সহস্তে এই মসজিদ নির্মান করেন। রাসূল( সা:) নবুয়ত লাভের পর এটিই ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ।

ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ন মসজিদ তিনটি। মক্কার মসজিদুল হারাম, মদিনার মসজিদে নববী এবং জেরুজালেমের মসজিদুল আকসা। এরপরই এই মসজিদে কুবা। এই মসজিদে নামাজ আদায় করলে একটি ওমরাহ সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যায়।
পবিত্র কোরআনে কুবার অধিবাসী ও মসজিদে কুবার প্রশংসা করেন সয়ং আল্লাহ তাআলা। তিনি বলেন, ‘যে মসজিদ প্রথম দিন থেকে তাকওয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত সেখানে অবস্থান করা আপনার জন্য অধিক সঙ্গত। সেখানে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা পবিত্রতা পছন্দ করে। আর আল্লাহ পবিত্র ব্যক্তিদের ভালোবাসেন।’ (সুরা তওবা, আয়াত : ১০৮)
রাসূল (সাঃ) প্রতি শনিবার পায়ে হেঁটে এসে মসজিদে কুবায় দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন। এটি নবিজির একটি সুন্নাহ। তিনি সাহাবিদেরও এটা পালন করার পরামর্শ দিতেন।
যে ব্যক্তি নিজ বাড়ি থেকে ওজু করে পায়ে হেটে এসে এই মসজিদে দুই রাকাত নামাজ পড়বে সে একটা ওমরাহর সওয়াব পাবে।
মসজিদ কুবা মদিনার অন্যতম আকর্ষণীয় ও অত্যন্ত বরকতময় একটি মসজিদ। হজ্জ এবং ওমরাহ পালনকারী হাজিদের এই মসজিদে দুই রাকাত নামাজ পড়ার ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকে।
আল্লাহ সবাইকে এই মসজিদে দুই রাকাত নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন, আমিন।

🕌 জ্বিন মসজিদঘটনা সত্য — কিন্তু এটি প্রথম ঘটনা নয়।প্রথম পর্বে আমরা জেনেছিলাম সেই নিঃসঙ্গ উপত্যকা ওয়াদিয়ে নাখলার নিভৃত মু...
13/01/2026

🕌 জ্বিন মসজিদ
ঘটনা সত্য — কিন্তু এটি প্রথম ঘটনা নয়।

প্রথম পর্বে আমরা জেনেছিলাম সেই নিঃসঙ্গ উপত্যকা ওয়াদিয়ে নাখলার নিভৃত মুহূর্তের কথা, যেখানে ক্লান্ত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর তিলাওয়াত শুনে প্রথম একদল জ্বিন ইসলাম গ্রহণ করেছিল, সঙ্গী ছিলেন প্রিয় সাহাবী যায়েদ ইবনে হারিসা রা.।

আজ চলুন আমরা ফিরে যাই মক্কার হৃদপিণ্ডে, জান্নাতুল মা’লার ঠিক পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা সেই ঐতিহাসিক 'মসজিদুল জ্বিন'-এর আঙিনায়, যা নিয়ে অনেকের মনেই কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে।

​অনেকেই মনে করেন, মক্কার এই মসজিদটিই সেই জায়গা যেখানে প্রথম জ্বিনরা ঈমান এনেছিল। কিন্তু ঐতিহাসিক এই মসজিদের দেয়ালগুলো সাক্ষী দিচ্ছে অন্য এক মহিমান্বিত রাতের গল্পের।

মক্কার এই মা'লা অঞ্চলে যা ঘটেছিল, তা ছিল ইসলামের দাওয়াতের এক সুসংগঠিত অধ্যায়। এটি ছিল জ্বিনদের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দলের সাথে নবিজি ﷺ-এর পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎ, সঙ্গী ছিলেন আরেক প্রিয় সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রা.। সেটি ছিল নবিজি ﷺ-এর জীবনের এক অনন্য মুহূর্ত, যেখানে দৃশ্যমান জগতের সীমানা পেরিয়ে অদৃশ্যের কাছে পৌঁছেছিল সুশীতল ইসলাম।

​🌙 এক থমথমে রাতে মক্কার অলিগলিতে রাসূল ﷺ.-কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সাহাবায়ে কেরাম অস্থির, হৃদয়ে উৎকণ্ঠা—নবিজি কি তবে কোনো বিপদে পড়লেন?

​অবশেষে ভোরে যখন তিনি ফিরে এলেন, তাঁর সাথে ছিলেন আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা.)। তিনি শোনালেন এক শিহরণ জাগানিয়া ঘটনা...

আল্লাহর রাসূল ﷺ তাঁকে সাথে নিয়ে নির্জন মা’লা উপত্যকায় গিয়েছিলেন। সেখানে একটি বৃত্ত এঁকে, সেই বৃত্তের মধ্যে ইবন মাসঊদকে বসিয়ে দিয়ে বললেন,“এর বাইরে পা দিও না।”

​এরপর অন্ধকারে নবিজি ﷺ সামনে এগিয়ে গেলেন। তিলাওয়াত শুরু করলেন পবিত্র কুরআনের আয়াত। মুহূর্তেই কালো ছায়ার মতো শত শত অবয়ব তাঁকে ঘিরে ধরল। তাদের গুঞ্জনে মরুভূমির বাতাস ভারী হয়ে উঠল। ইবনে মাসঊদ (রা.) দূর থেকে দেখছিলেন, কিন্তু বৃত্তের বাইরে যাওয়ার সাহস পাননি।

সেই রাতে জ্বিনদের একটি বড় প্রতিনিধি দল রাসূল ﷺ-এর হাতে হাত রেখে ইসলামের বাই’আত গ্রহণ করেছিল। এই ঘটনার সত্যায়ন করে আল্লাহ তায়ালা ওহি নাজিল করলেন;

​“বলুন, আমার প্রতি ওহী নাযিল হয়েছে যে, জিনদের একটি দল মনোযোগের সাথে শুনেছে অতঃপর বলেছে, ‘আমরা তো এক বিস্ময়কর কুরআন শুনেছি”
(সূরা আল-জ্বিন: ১)

​🕌 আজকের এই দৃষ্টিনন্দন 'মসজিদুল জ্বিন' একসময় 'মসজিদুল হারাস' নামে পরিচিত ছিল। ১৭১৪ সালে এক প্রলয়ংকরী বন্যার পর মাটির তিন মিটার নিচ থেকে এর পুরনো মিহরাব উদ্ধার করা হয়। বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০০০ সালে এটি বর্তমানের আধুনিক রূপ পায়।

🔍 পরিষ্কারভাবে মনে রাখিঃ

• নাখলা উপত্যকা → প্রথম জ্বিনদের ইসলাম গ্রহণ
• মা‘লা উপত্যকা → জ্বিনদের জন্য বিশেষ কুরআন তিলাওয়াত ও বাই‘আত (মসজিদুল জ্বিন)

স্থান আলাদা, ঘটনাও আলাদা।
কিন্তু—দুটিই কুরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

❓ তাই প্রশ্নটা থেকেই যায়,
আমরা কি ইতিহাস জেনে জিয়ারত করছি?

​মহান আল্লাহর সম্মানিত মেহমান / হাজিগন,
আল্লাহর ঘরের মুসাফির হিসেবে আমাদের প্রতিটি কদম যেন হয় সুন্নাহ ও সঠিক ইতিহাসের আলোয় আলোকিত। আমরা যখন এই মসজিদ যিয়ারত করবো, তখন যেন আমাদের হৃদয়ে সেই দৃশ্যটি ভেসে ওঠে—যেখানে আরবের মরুভূমিতে মানুষ আর জ্বিন, উভয়ই একই রবের কালামের সামনে মাথা নত করেছিল।

​মক্কার প্রতিটি বালুকণা কথা বলে, যদি আমরা তা শোনার মতো কান রাখি।

🔍 কেন এই ইতিহাস জানা আমাদের জন্য জরুরি?
​হজ ও উমরার সফরে প্রতিটি কদম হোক সচেতনতার সাথে।

• ​ইবাদতে একাগ্রতা:
আপনি যখন জানেন ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে নবিজি ﷺ অদৃশ্যের জগতের সাথে কথা বলেছিলেন, তখন আপনার পশম দাঁড়িয়ে যাবে, ঈমানি শিহরণ অনুভব করবেন।

• ​ভুল থেকে মুক্তি:
লোকমুখে শোনা গল্পের চেয়ে বিশুদ্ধ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যিয়ারাহ করলে অন্তরে ইৎমিনান (Ithminaan) আসে।

• ​সুন্নাহর অনুসরণ:
সঠিক স্থান চেনা মানে নবিজির সীরাতকে নির্ভুলভাবে হৃদয়ে গেঁথে নেওয়া।

​অনেকেই এই হজ ও উমরার সফরে সঠিক দিকনির্দেশনা ও বিশুদ্ধ ইতিহাসের অভাবে বিভ্রান্ত হন। আমরা অর্থাৎ ইৎমিনান চায় আপনার এই আধ্যাত্মিক সফরটি হোক তথ্যের বিভ্রান্তিমুক্ত এবং রূহানিভাবে সজীব।

হজের পূর্বে আমাদের ১৪/১৫টি সেশনে যে প্রশিক্ষন হয় সেখানে আমরা এগুলো নিয়ে বিশদ আলোচনা করি, সফরে সাথে নিয়ে যিয়ারাহ করি তবুও আপনার জন্য...
আপনি কি চান আপনার প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে এমন এক গাইড ম্যাপ অনুসরণ করতে, যা কেবল পথই দেখাবে না, ইতিহাসের পাতায় আপনাকে নিয়ে যাবে?
— আগ্রহীরা কমেন্টে জানাবেন।

​সাথেই থাকুন, সামনের দিনগুলোতে আমরা মক্কার এমন আরও কিছু নিভৃত ও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক নিশানার গল্প শোনাবো, যা হয়তো আপনার পরবর্তী সফরের সংজ্ঞাই বদলে দেবে ইনশা'আল্লাহ।

আর, আগের পর্ব অর্থাৎ নাখলা উপত্যকা—যেখানে জ্বিনেরা প্রথম ইসলাম গ্রহন করেছিলো, তার লিংক কমেন্টে পিন করা থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

মুলতাযাম (Arabic: الملتزم) হলো কাবা শরিফ-এর একটি বিশেষ অংশ, যা হাজরে আসওয়াদ (Black Stone) ও কাবার দরজার মাঝখানে অবস্থিত...
12/01/2026

মুলতাযাম (Arabic: الملتزم) হলো কাবা শরিফ-এর একটি বিশেষ অংশ, যা হাজরে আসওয়াদ (Black Stone) ও কাবার দরজার মাঝখানে অবস্থিত। এটি ইসলামে দোয়া কবুলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে পরিচিত। হাজী ও ওমরাহ পালনকারীরা এখানে দোয়া ও প্রার্থনায় গভীরভাবে নিমগ্ন হন।

মূল তথ্যঃ
অবস্থানঃ হাজরে আসওয়াদ ও কাবার দরজার মাঝখানে
অর্থঃ আরবি “ইলতাজামা” থেকে উদ্ভূত, অর্থ “আবিষ্ট হওয়া” বা “সংলগ্ন হওয়া”
গুরুত্বঃ দোয়া কবুলের বিশেষ স্থান
সম্পর্কিত আচারঃ বক্ষ, মুখমণ্ডল ও বাহু দিয়ে দেয়ালে আবিষ্ট হয়ে দোয়া

ধর্মীয় গুরুত্বঃ
মুলতাযামকে “আবিষ্ট হওয়ার স্থান” বলা হয় কারণ হাজীরা এখানে তাদের শরীর ও মন কাবার দেয়ালে নিবিষ্ট করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। নবী মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবিরা মক্কা বিজয়ের সময় এই স্থানে গাল ও হাত রাখে দোয়া করেছিলেন বলে হাদিসে উল্লেখ আছে। অনেক ইসলামী পণ্ডিত, যেমন ইবনে তাইমিয়াহ ও ইমাম শাফিঈ, এই স্থানকে দোয়ার উত্তম স্থান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। (সুনান ইবনু মাজাহঃ ২৯৬২)

দোয়া ও আমলঃ
মুলতাযামে অবস্থানকারী ব্যক্তি সাধারণত নিজের বক্ষ ও বাহু দেয়ালে রেখে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। সাহাবি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণিত দোয়া—যেখানে বান্দা আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এবং দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা করে—এই স্থানে পড়া উত্তম বলে গণ্য। হাজীরা তাওয়াফ বা হজের বিদায়ের সময় বিশেষভাবে এখানে দোয়া করে থাকেন।

তীর্থযাত্রীদের অভিজ্ঞতাঃ
হজ ও ওমরাহ পালনকারীরা বিশ্বাস করেন যে মুলতাযামে দোয়া করলে তা অধিক গ্রহণযোগ্য হয়। গভীর আবেগ ও বিনয়ের সঙ্গে এখানে দোয়া করা মসনুন আমল হিসেবে বিবেচিত। মুসলিমদের জন্য এটি কাবার এক অতীব পবিত্র নিদর্শন ও আত্মিক সংযোগের স্থান ।

#হজ

02/01/2026

মেঘনা-মঈন উমরাহ কাফেলা এখন সোনার মদিনায়

রমজানের জন্য রয়েছে আকর্ষনীয় ওমরাহ প্যাকেজ
13/12/2025

রমজানের জন্য রয়েছে আকর্ষনীয় ওমরাহ প্যাকেজ

মুসাল্লা জিব্রাঈল (مصلى جبريل) হলো কাবার শাদরাওয়ানের উপর যে বাদামি রঙের ছোট মার্বেল পাথরগুলো দেখা যায়, সেগুলোর এই নাম।...
25/11/2025

মুসাল্লা জিব্রাঈল (مصلى جبريل) হলো কাবার শাদরাওয়ানের উপর যে বাদামি রঙের ছোট মার্বেল পাথরগুলো দেখা যায়, সেগুলোর এই নাম। বিশ্বাস করা হয়, এখানেই ফেরেশতা জিব্রাঈল (عليه السلام) নবিজি (ﷺ)-কে নামাজের সময় ও পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন ইসরা ও মিরাজের ঐশী সফরের পর।

🔹 সালাত শেখানোর ঐতিহাসিক মুহূর্ত

ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন:
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
"জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বায়তুল্লাহ্ শরীফের নিকটে দুইবার আমার নামাযে ইমামতি করেছেন। প্রথমবার তিনি আমাকে নিয়ে যুহয়ের নামায আদায় করেন, যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে সামান্য ঢলে পড়েছিল এবং সেন্ডেলের এক ফিতা পরিমাণ সামান্য ছায়া বায়তুল্লাহর পূর্ব দিকে দেখা দিয়েছিল। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে আসরের নামায আদায় করেন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তাঁর সম পরিমাণ হয়। পরে তিনি আমাকে নিয়ে মাগরিবের নামায আদায় করেন, যখন রোযাদার ইফতার করে। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে রাতের এক-তৃতীয়াংশে এশার নামায আদায় করেন। পরে তিনি আমাকে নিয়ে ফজরের নামায ঐ সময় আদায় করেন-যখন দিগন্ত উজ্জল হয়ে যায়। অতঃপর তিনি (জিবরীল) আমাকে লক্ষ্য করে বলেনঃ ইয়া মুহাম্মাদ! আপনার পূর্ববর্তী আম্বীয়াদের জন্য এটাই নামাযের নির্ধারিত সময় এবং এই সময়ের মাঝখানেই নামাযের সময়।"

~ [তিরমিযী, আহমদ, দারাকুতনী]

🔹 এই স্থানের বিশেষত্ব

- শাদরাওয়ানের ওপর থাকা এ বাদামি পাথরগুলোই "মুসাল্লা জিব্রাঈল" নামাজ শেখানোর সেই মুহূর্তের স্মৃতি।
- মোট ৮টি মার্বেলের টুকরা, যেগুলো অত্যন্ত মূল্যবান Mary Stone যা বিশ্বের অন্যতম দুষ্প্রাপ্য মার্বেল।
- এগুলো উপহার দিয়েছিলেন খলিফা আবু জাফর আল-মানসুর।
- প্রতিটি পাথরের আকার আলাদা; সবচেয়ে বড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ সে.মি. ও প্রস্থ ২১ সে.মি.।

🔹 কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

- এখানে জিব্রাঈল (عليه السلام) নবিজি (ﷺ)-কে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় বাস্তবে দেখান।
- ফজর থেকে এশা পর্যন্ত দুই দিন ধরে নামাজের সঠিক সময় শিখিয়েছিলেন।
- আজ আমরা যে নামাজের সময়সূচি জানি তার মূল ভিত্তি এই ঘটনাই।

মুসাল্লা জিবরাঈল হলো কাবার পাশে এক নিঃশব্দ স্মারক যা মনে করিয়ে দেয়, সালাত শুধু ইবাদত নয়, এটি শিক্ষা ও আমল যা সরাসরি ফেরেশতা জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে রাসূল ﷺ-কে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meghna Moin Air Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category