Habib hazz kafela

Habib hazz kafela Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Habib hazz kafela, Tour Agency, Gunabati, Chauddagram, Cumilla.

২০১৭ সালে পবিত্র হজে গমনেচ্ছুদের জন্য ‘প্রাক নিবন্ধন’ কার্যক্রম শিগগিরই শুরু করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ...
28/11/2016

২০১৭ সালে পবিত্র হজে গমনেচ্ছুদের জন্য ‘প্রাক নিবন্ধন’ কার্যক্রম শিগগিরই শুরু করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ কিংবা ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের যে কোনো দিন প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল জলিলের বরাত দিয়ে সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত বছর প্রাক নিবন্ধন করেও সৌদি সরকারের বেঁধে দেয়া কোটার সীমাবদ্ধতার কারণে ৪০ হাজারেরও বেশি হজ গমনেচ্ছু হজে যেতে পারেননি। আগামী বছরের হজে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন।
তবে প্রাক নিবন্ধনকৃতদের মধ্যে সকলেই হজে যাবেন কি না সে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পেতে প্রাক নিবন্ধনকারীদের কাছ থেকে সম্মতিপত্র চাইবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রমের প্রথম ধাপ হিসেবেই ওই ৪০ হাজারেরও বেশি হজ গমনেচ্ছুদের কাছ থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি ইব্রাহিম বাহার জাগো নিউজকে জানান, আগামী ৮ নভেম্বর অফিসার্স ক্লাবে তাদের উদ্যোগে সদ্যসমাপ্ত হজ ২০১৬ এর মূল্যায়ন ও ২০১৭ সালের হজের আগাম প্রস্তুতি শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানসহ এ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
ইব্রাহিম বাহার বলেন, ছোট-খাট ভুলক্রুটি ছাড়া চলতি বছরের হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পালিত হয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে লক্ষাধিক হাজি হজ পালন করেছেন। সরকারিভাবে হাজার-পাঁচেক ছাড়া অধিকাংশ হাজিই বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে হজে গেছেন বলে তিনি জানান।

18/04/2015

৯ই জিলহজ্ব দশম হিজরী মহানবী মুহাম্মাদ (সাঃ) শুক্রবার ফজরের সালাত আদায় করে সূর্যোদয়ের পর মিনা হতে আরাফাহ ময়দানের পূর্বদিকে নমিরা নামক স্থানে তাঁবু স্থাপন করা হলে, সেখানে পৌঁছে দুপুর পর্যন্ত তথায় তাঁবুতে অবস্থান করেন। জুমার সালাত আদায় করে তিনি কচোয়া নামক উষ্ট্রীর উপর আরোহন করে আরাফা’র সন্নিকটে “আরনা” প্রান্তরে উপস্থিত হয়ে প্রায় একলক্ষ বিশ হাজার লোকের সমাবেশে তাঁর ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের খুতবা বা ভাষণ প্রদান করেন। তাঁর প্রতিটি বাক্যই রাবিয়া বিন উমাইয়া বিন খালাফ (রাঃ)-কর্তৃক পুনরাবৃত্তি হয়েছিল। সালাত আদায় করে আল্লাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বললেনঃ
মানুষের রক্ত তথা জান ও মাল এবং পরকাল সম্পর্কে
১। হে মানব মন্ডলী! তোমরা আমার কথাগুলো মন দিয়ে শ্রবণ কর; কেননা, আমি এবছরের পর এ স্থানে তোমাদের সাথে পুনরায় নাও মিলিত হতে পারি।
২। আগত ও অনাগতকালের হে মনবমন্ডলী! যতক্ষন পর্যন্ত তোমরা তোমাদের প্র্রভূর সাথে মিলিত না হচ্ছো তোমাদের রক্ত ও তোমাদের ধন-সম্পদ এই দিন ও এই মাসের মতই পবিত্র।
৩। নিশ্চয়ই তোমরা তোমাদের প্রভূর সাথে মিলিত হবে, যখন তোমাদের প্রভূ তোমাদের কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন এবং আমি তোমাদেরকে তাঁর সংবাদ পৌঁছে দিয়েছি।
সামজিক কর্তব্য সম্পর্কে
৪। যে ব্যক্তি অন্যোর ধন-সম্পদের অভিভাবক বা আমানতদার তার উচিত (মূল মালিককে) তার ধন- সম্পদ ফিরিয়ে দেয়া।
৫। সুদের লেনদেন হারাম, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। কারও প্রতি অত্যাচার করোনা ও অত্যাচারিত হয়োনা।
৬। আল্লাহর সিদ্ধান্ত, সুদ বাতিল এবং আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিবের যে সমস্ত সুদ পাওনা রয়েছে তা সবই বাতিল।
৭। অজ্ঞতা যুগের খুনের ক্ষতিপূরণ সবই বাতিল হলো।
৮। এর পর হে মানব মন্ডলী! শয়তান এদেশে পূজিত হওয়ার আশা ত্যাগ করেছে সে অন্য দেশে মান্য হবে। সুতরাং তোমরা তোমাদের বিশ্বাস (ঈমান) সম্পর্কে সতর্ক থাকবে, যেন তোমাদের ভাল কাজগুলো অন্য লোকের দ্বারা নষ্ট হয়ে না যায়।”
৯। হে মানব মন্ডলী! পবিত্র মাসের রহিত করণ অন্ধকার যুগেরই ধারা। যারা অবিশ্বাস্য পছন্দ করে তারা বিভ্রান্ত। তারা বলে এক বছর পবিত্র মাস, পরের বছর অপবিত্র তারা আল্লাহ কর্তৃক পবিত্র মাসের সংখ্যা ঠিক রাখার জন্য পবিত্র মাসকে অপবিত্র বলে। সময় ঘুরছে, যে দিন থেকে আসমান ও জমিন সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহ কর্তৃক মাসের সংখ্যা ১২ তাদের মধ্যে ৪টা পবিত্র, ৩টা পরপর এবং জমাদিউস সানি ও সাবানের মধ্যবর্তী মাস।
“স্বামী স্ত্রী সম্পর্কে”
১০। এরপর হে মানব মন্ডলী! তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি তোমাদের অধিকার আছে ; তাদেরও তোমাদের প্রতি অধিকার আছে। ঐ ব্যক্তিই শ্রেষ্ঠ, যে তার স্ত্রীর নিকট শ্রেষ্ঠ। এটা তাদের অবশ্য কর্তব্য তাদের সতীত্ব রক্ষা করা এবং অশ্লীলাতা ত্যাগকরা। যদি তারা দোষী হয় তবে তোমরা তাদের সাথে সহবাস (সঙ্গম) করো না। তোমরা তাদের সংশোধনার্থে প্রহার কর- কিন্তু যেন ক্ষত-বিক্ষত না হয়ে যায়। যদি তারা অনুতপ্ত হয় (তাওবা করে) তবে তাদের ক্ষেতে দাও পরতে দাও, তাদের সঙ্গে তখন ভাল ব্যবহার কর। তোমরা একে অন্যকে উপদেশ দিও তোমাদের স্ত্রী-জাতির প্রতি ভাল ব্যবহার করার জন্যে। কেননা তারা তোমাদেরই অংশ বা অন্তর্ভূক্ত ও তাদেরকে আল্লাহর আমানত রূপে গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর বাক্য দ্বারাই তাদেরকে তোমাদের জন্যে বৈধ করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ সম্পর্কে
১১। সুতরাং হে মানব মন্ডলী ! তোমরা আমার কথাগুলো ভালভাবে অনুধাবন কর, যার জন্য আমি আমার কথাগুলো তোমাদের জন্য রেখে গেলাম। যদি তোমরা এটা দৃঢ়ভাবে গ্রহণ কর, তাহলে তোমরা কোনদিনই বিপথগামী হবেনা। বিশেষ করে আল্লাহর আল-কুরআন ও আমার সুন্নাহ (তাঁর দূতের ধর্মীয় নীতি ও জীবন ধারা)।
১২। হে মানব মণ্ডলী! তোমরা আমার কথাগুলো অনুধাবন কর নিশ্চিত করে বুঝতে। তোমরা শিক্ষা পেয়েছ প্রত্যেক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই, সকল মুসলমানই এ ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ। এটা কোন মানুষের জন্যই অবৈধ নয় অনুমতি ব্যতীত অন্যের জিনিস গ্রহণ করবে না। সুতরাং কেউ কারো প্রতি অবিচার করো না।
দন্ডবিধি ও আনুগত্য সম্পর্কে
১৩। একজনের অপরাধে অন্যকে দণ্ডদেয়া যায় না। অতঃপর পিতার অপরাধের জন্য পুত্রকে এবং পুত্রের অপরাধের জন্য পিতাকে দায়ী করা চলবে না।
১৪। যদি কোন নাক কান কাটা হাবসী কৃতদাসকেও তার যোগ্যতার জন্য তোমাদের আমির (নেতা) করে দেয়া হয়, তোমরা সর্বতোভাবে তার অনুগত হয়ে থাকবে। তার আদেশ মান্য করবে।
ধর্ম সম্পর্কে
১৫। সাবধান! ধর্ম সম্বন্ধে বাড়াবাড়ি করো না। এই বাড়াবাড়ির ফলে তোমাদের পূর্ববর্তী বহু জাতি ধ্বংস হয়ে গেছে।
১৬। তোমরা ধর্মভ্রষ্ট হয়ে পরস্পর পরস্পরের সংগে ঝগড়া ও রক্তপাতে লিপ্ত হয়ো না। তোমরা পরস্পর পরস্পরের ভাই।
মানুষ ও জাতি সম্পর্কে
১৭। এক দেশের মানুষের উপর অন্যদেশের মানুষের তথা অনারবদের উপর আরবদের এবং আরবদের উপর অনারবদের প্রাধান্যের কোন কারণই নাই। সমস্ত মানুষ এক আদম থেকে এবং আদম মাটি থেকে সৃষ্টি। মানুষের প্রাধান্য পাবে তাকওয়ার ভিত্তিতে।
১৮। জেনে রেখো! এক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই। তাই সমগ্র বিশ্বের মুসলমান এক অবিচ্ছেদ্য ভ্রাতৃ সমাজ।
শেষ নবী সম্পর্কে
১৯। হে লোক সকল! শ্রবণ কর, আমার পর কোন নবী নাই। তোমাদের পর আর কোন উম্মত (জাতি) নাই। এ বছরের পর তোমরা হয়তো আর আমার সাক্ষাত পাবেনা। ইল্ম বা ওহী (ঐশী জ্ঞান) উঠে যাওয়ার পূর্বে আমার নিকট থেকে শিখে নাও।
২০। চারটি কথা স্মরণ রেখো: (ক) র্শিক (আল্লাহর অংশী) করো না। (খ) অন্যায়ভাবে নর হত্যা করো না। (গ) চুরি করো না। (ঘ) ব্যভিচার করো না।
দাস দাসী এবং মজুরের অধিকার সম্পর্কে
২১। হে মানব বৃন্দ! কোন দূর্বল মানুষের উপর অত্যাচার করো না, গরীবের উপর অত্যাচার করোনা, সাবধান! কারো অসম্মতিতে কোন জিনিস গ্রহণ করো না। সাবধান! মজুরের শরীরের ঘাম শুকা‘বার পূর্বেই তার মজুরী মিটিয়ে দিও। তোমরা যা খাবে ও পরবে তা তোমাদের দাস-দাসীদের খেতে ও পরতে দিও। যে মানুষ দাস-দাসীদের ক্ষমা করে ও ভালবাসে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন ও ভালবাসেন।
২২। যে ব্যক্তি নিজ বংশের পরিবর্তে নিজেকে অন্য বংশের বলে প্রচার করে। তার উপর আল্লাহর, ফেরশতাগণের ও মানব জাতির অভিসম্পাত।
প্রকৃত মুসলমান
২৩। মাহানবী (সঃ) বলেন- মুসলমান ঐ ব্যক্তি। যার মুখ ও হাত থেকে অন্যান্যরা নিরাপদ থাকে। ঈমানদার বিশ্বাসী ঐ ব্যক্তি-যার হাতে সকল মানুষের ধন ও প্রাণ নিরাপদ থাকে। ঐ ব্যক্তি পূর্ণ মুমিন হতে পারেনা যে দুবেলা পেট পূর্ণ করে আহার করে, আর তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে। ঐ ব্যক্তি মুসলমান হতে পারেনা-যখন সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তা অন্যের জন্যেও পছন্দ করে না।
একতা সম্পর্কে
২৪। আমার উম্মতের মধ্যে যে ঝগড়া ও বিসংবাদ করতে বের হয়, তার বুকে আঘাত কর। একত্রে খানা-পিনা কর। আলাদা আলাদা ভাবে আহার করোনা। কেননা একত্র খাওয়াতে বরকত আছে। যে বিভেদ সৃষ্টি করে, তাঁর স্থান জাহান্নামে। আমি তোমাদের পাঁচটি আদেশ করছিঃ (ক) একতা রক্ষা কর। (খ) নেতার অনুগত থাক। (গ) প্রয়োজনে হিজরত কর। (ঘ) উপদেশ শ্রবণ কর। (ঙ) আল্লাহর পথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিহাদ কর।
ঘুষ সর্ম্পেকে
২৫। যাকে আমরা শাসনকার্যে নিযুক্ত করি, আমরা তার ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করি। এরপরও যদি সে কিছু (অবৈধভাবে অতিরক্ত) গ্র্রহণ করে, তা বিশ্বাস ভঙ্গ বা ঘুষ বলে গণ্য হবে এবং ঘুষ গ্রহণ মহাপাপ।
২৬। তোমরা হিংসা- বিদ্বেষ ত্যাগ কর। কেননা আগুন যেমন জ্বালানী কাটকে ভষ্মীভূত করে। হিংসা তেমনি মানুষের সৎ গুণকে ধ্বংস করে।
পরিশ্রমী ও ভিক্ষুক সম্পর্কে
২৭। যে ব্যক্তি নিজ হাতের কোন কাজ দ্বারা খাদ্য সংগ্রহ করে, তা অপেক্ষা উত্তম খাদ্য আর নাই। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি ভিক্ষা করে, সে যদি এক গাছি দড়ি (রশি) নিয়ে পিঠে কাঠের বোঝা বহন করে বিক্রি করে আল্লাহ তাঁর মুখ রক্ষা করবেন। এটাই তার জন্য উত্তম।
আমল নামা সর্ম্পকে
২৮। তোমাদের প্রত্যেককেই আল্লাহর সন্মুখে হাজির হতে হবে এবং আপন আপন ভাল মন্দের হিসাব-নিকাশ (আমল নামা) পাঠ করতে হবে। তোমরা সাবধান! সেইদিন কেউ কাউকেও সাহায্য করতে পারবেনা।
জ্ঞান সর্ম্পকে মহাবানী
২৯। তোমরা জেনে রেখো-বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্ত অপেক্ষা মূল্যবান। যে জ্ঞানের পথে পরিভ্রমণ করে, আল্লাহ তাকে স্বর্গের পথে পথ দেখান। জ্ঞান অনুসন্ধান কর (যদিও তা চীন দেশেও হয়) (দ্বীনের) জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয। অর্থাৎ অবশ্যই কর্তব্য।
ব্যবহার সর্ম্পকে
৩০। সমাজে তোমার আচরণ ঐ রূপ হবে, যেমন আচরণ তুমি অন্য থেকে কামনা কর। সমাজে তোমার ব্যাবহার ঐরূপ হবে, যেরূপ ব্যবহার তুমি নিজে পেলে খুশি হও।
পিতা-মাতা সর্ম্পকে
৩১। হে মানববৃন্দ! তোমরা জেনে রেখো। তোমাদের মাতা-পিতার সন্তুষ্টিই আল্লাহর সন্তুষ্টি। মাতা-পিতার অসন্তুষ্টিই আল্লাহর অসন্তুষ্টি। তোমাদের বেহেশত তোমাদের মায়ের পায়ের তলে অবস্থিত।
শ্রেষ্ট মানুষ সর্ম্পকে
৩২। হে মানব সন্তান! তোমাদের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠ মানুষ, যে মানুষের উপকার করে।
উম্মাতে মুহাম্মাদী তথা সকল ম’ুমিন নর-নারী’র প্রতি বিশেষ-নির্দেশ
“যারা উপস্থিত আছো। তারা অনুপস্থিতদের নিকট আমার এই পয়গাম পৌঁছে দিবে। হয় তো উপস্থিতদের কিছু লোক অপেক্ষা অনুপস্থিতদের কিছু লোক বেশি উপকৃত হবে।”
হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম (ভাষণের কথাগুলো) বলার সঙ্গে সঙ্গে রাবিয়া বিন উমাইয়া বিন খাল্ফ (রাঃ) বিশাল জনতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা কি জানেন এটা কোন দিন? তারা উত্তর দিলেন এটা পবিত্র হজ্জ্বের দিন। তার পর তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেন আপনারা কি জানেন আল্লাহ আপনাদের জীবন, মাল ও সকল কিছু পবিত্র করেছেন? যতক্ষণ আপনারা তার সাথে মিলিত না হচ্ছেন। তাঁরা উত্তর দিলেন-হ্যাঁ! এভাবে তিনি বাক্যের পর বাক্যগুলো বলতে থাকলেন। যখন হযরত মুহাম্মাদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে উঠলেন ঃ হে আল্লাহ! আমি কি তোমার রিসালাতের গুরুভার ও নবুয়তের গুরুদায়িত্ব বহন করতে পেরেছি? হে আল্লাহ! আমি কি আমার কর্তব্য পালন করেছি? সঙ্গে সঙ্গে বিশাল জনতা উচ্চস্বরে বলে উঠলেন হ্যাঁ! তখন আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে উঠলেন হে আল্লাহ! তুমি আমার সাক্ষী থাক।

22/12/2014

ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁَﻣَﻨُﻮﺍ ﺍﺭْﻛَﻌُﻮﺍ ﻭَﺍﺳْﺠُﺪُﻭﺍ ﻭَﺍﻋْﺒُﺪُﻭﺍ ﺭَﺑَّﻜُﻢْ
ﻭَﺍﻓْﻌَﻠُﻮﺍ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ (77 )
“হে মুমিনগণ! তোমরা রুকু
কর,সেজদা কর,তোমাদের পালনকর্তার এবাদত
কর এবং সৎকাজ সম্পাদন
কর,যাতে তোমরা সফলকাম
হতে পার।” (২২:৭৭)
সূরা হাজ্জের শেষ কয়েকটি আয়াতে মহান
আল্লাহ মানুষকে ইবাদতের
পাশাপাশি সামাজিক ও নৈতিক বিষয়ে কিছু দিক-
নির্দেশনা দিয়েছেন।
এ আয়াতে নামাজের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি- রুকু
ও সিজদা করার ওপর বিশেষভাবে তাগিদ
দেয়া হয়েছে। এরপর সার্বিকভাবে আল্লাহর
ইবাদত করতে বলা হয়েছে যে ইবাদতের
মধ্যে নামাজসহ অন্যান্য সব বন্দেগি অন্তর্ভূক্ত।
অবশ্য কুরআনে ইবাদত শব্দটি বিশেষ ও সাধার এ
দু'টি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। নামাজ, রোজা ও হজ
বিশেষ ইবাদত হিসেবে গণ্য এবং সব
মুমিনকে তা অবশ্য পালনীয় কর্তব্য
হিসেবে মেনে চলতে হবে।
অবশ্য আল্লাহর ইবাদত করার জন্য নির্দিষ্ট কোন
স্থান বা সময় নেই। বরং জীবনের
প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিটি স্থান মুমিনের জন্য
ইবাদতের স্থান। ঈমানদার
ব্যক্তি জীবিকা অর্জনের জন্য কর্মক্ষেত্রে কাজ
করার সময়ও আল্লাহর অর্থনীতি বিষয়ক দিক-
নির্দেশনা মেনে চলতে বাধ্য। অন্যান্য ধর্মের
মতো ইসলামে সৃষ্টিকর্তা শুধুমাত্র মসজিদ
বা উপাসনার স্থানে সীমাবদ্ধ থাকেন না।
ইসলাম ধর্মে আল্লাহ সব স্থানেই আছেন
এবং বান্দাদের কাজকর্ম দেখাশুনা করছেন।
এমনকি তিনি মানুষের কর্মস্থলেও উপস্থিত থাকেন
এবং বান্দা হালাল নাকি হারাম
উপায়ে উপার্জন করছে তার খবর রাখেন।
মুসলিম শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার সময় স্কুল-
কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে আল্লাহকে হাজির-নাজির
জেনে পড়াশোনা করবে। তারা এমন জ্ঞান
অর্জন করবে যে জ্ঞান তার ও সমাজের জন্য
সুফল বয়ে আনবে। অবশ্য জ্ঞান অর্জনের জন্য
অবশ্যই আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার
পাশাপাশি পঞ্চ
ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এগুলোকে নফ্সের
ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিলে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত
হতে হবে।
মুসলিম মহিলারাও যেন নিজেদেরকে আল্লাহর
বান্দা ও মর্যাদাপূর্ণ মানবীয়
সত্ত্বা বলে মনে করে। তারা যেন কথিত
আধুনিকতার নামে পোশাক ও জুতার ফ্যাশনের
মোহে আকৃষ্ট না হয়। কারণ এগুলো অপচয়
ছাড়া আর কিছু নয় এবং তা সমাজে অসুস্থ
প্রতিযোগিতা, নগ্নতা ও
অশ্লীলতা বাড়িয়ে দেয়।
আমরা দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজের জন্য সব মিলিয়ে মাত্র
আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করব
এবং বাকি সাড়ে ২৩ ঘন্টা সময়ে আল্লাহর
কোনো স্থান থাকবে না- এটা হতে পারে না।
তাই আয়াতের পরবর্তী অংশে এ গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে আল্লাহ বলেন: মুমিনদের সব সময়ের ধ্যান-
জ্ঞান হওয়া উচিত সৎকাজের
পাশাপাশি অপরের কল্যাণ করা। যারা তাদের
বাধ্যতামূলক ইবাদতের পাশাপাশি মানুষ ও
সমাজের কল্যাণে কাজ করবে তারাই
সফলতা অর্জন
করবে এবং পরকালে জান্নাতে যেতে পারবে।
এ আয়াতের শিক্ষণীয় দিকগুলো হলো:
১. নামাজ দ্বীনের স্তম্ভ এবং ফরজ
বা ওয়াজিব হলেও এটি ঈমানের একটি অংশ
মাত্র; পুরোটা নয়।
২. আল্লাহর ইবাদত তখনই পূর্ণতা পাবে যখন
তাতে মানবসেবা যোগ হবে।

01/12/2014

Address

Gunabati, Chauddagram
Cumilla
3583

Telephone

+8801711261084

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Habib hazz kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category