Kawsar Tourism & Hospitality

Call Directions Website Contact the business

Kawsar Tourism & Hospitality Event and Tour Operation, Hospitality Services

09/06/2026
09/06/2026

BANGLA QR-এ দেই বাসের ভাড়া, নিরাপদ লেনদেন ঝামেলা ছাড়া! 🚌📱

গণপরিবহনে যাতায়াতের সময় খুচরা টাকার হুড়োহুড়ি, ছেঁড়া নোটের বিড়ম্বনা কিংবা পকেটের মানিব্যাগ নিয়ে দুশ্চিন্তার দিন এবার শেষ। বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চ—সবখানেই এখন যাতায়াত হবে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়।

কন্ডাক্টরের সাথে ভাড়া নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝামেলা এড়াতে এবং আপনার সময় বাঁচাতে চলে এসেছে Bangla QR। পকেটে ক্যাশ টাকা রাখার দরকারই নেই; আপনার ফোনে থাকা যেকোনো ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) অ্যাপ দিয়ে ঝটপট কিউআর কোডটি স্ক্যান করুন আর চোখের পলকে কোনো অতিরিক্ত চার্জ ছাড়াই নিখুঁতভাবে আপনার ভাড়া পরিশোধ করুন।

💡 গণপরিবহনে Bangla QR ব্যবহারের প্রধান সুবিধাসমূহ:

🚫 খুচরা টাকার ঝামেলা নেই: একদম নিখুঁত অঙ্কের ভাড়া সরাসরি ডিজিটাল উপায়ে পরিশোধ করা যায়।

🔒 পকেটমারের ভয় মুক্ত: মানিব্যাগ বের করার প্রয়োজন না থাকায় শতভাগ নিরাপদ ও দুশ্চিন্তাহীন যাতায়াত।

⚡ দ্রুত ও সহজ পেমেন্ট: জ্যাম বা ভিড়ের মাঝেও এক ক্লিকেই ভাড়া মেটানোর স্বাচ্ছন্দ্য।

লেনদেন হোক ডিজিটাল, আমাদের যাতায়াত হোক আরও স্মার্ট। আজই ক্যাশলেস অর্থনৈতিক বিপ্লবের অংশ হোন!

ঐতিহ্যস্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন মুড়াপাড়া জমিদারবাড়িরাজধানী ঢাকার পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ। এই জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় বা...
09/06/2026

ঐতিহ্য

স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ি

রাজধানী ঢাকার পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ। এই জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় বাংলার জমিদারি ঐশ্বর্য, স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন ও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ি। বিশাল এই প্রাসাদ অনেক ইতিহাসপ্রেমী, গবেষক, শিক্ষার্থী ও পর্যটকের কাছে অন্যতম আগ্রহের বিষয়। সময়ের পরিক্রমায় প্রাসাদটি এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেটি ‘সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

ইতিহাস-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র ও স্থানীয় প্রবীণদের তথ্যমতে, মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ির গোড়াপত্তন হয় ১৮৮৯ সালে, রামরতন ব্যানার্জির হাত ধরে। তিনি নাটোর এস্টেটের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। কর্মদক্ষতার কারণে অল্প সময়েই বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন। পরে মুড়াপাড়ায় জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।

ইতিহাস-গবেষক অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, রামরতন ব্যানার্জি মূল ভবনের ভিত্তি ও প্রাথমিক কাঠামোর কাজ শুরু করেন। পরে তাঁর ছেলে প্রতাপ চন্দ্র ব্যানার্জি ভবনটি সম্প্রসারণ করে এটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রাসাদে রূপ দেন।

প্রবীণ বাসিন্দা হাবিবুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে শুনেছি, এই ভবনের নির্মাণসামগ্রীর মধ্যে চুন-সুরকি ও বিশেষ ধরনের ইট আনা হয় কলকাতা থেকে। ভবনের কিছু অলংকরণ সামগ্রী নাকি ভারতীয় কারিগরদের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল।’

প্রাসাদটির স্থাপত্যশৈলীতে ইউরোপীয়, মোগল ও উপমহাদেশীয় নকশার প্রভাব স্পষ্ট। বিশাল খিলান, উঁচু স্তম্ভ, লম্বা বারান্দা, কারুকাজ করা জানালা ও অলংকৃত দেয়াল দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। লাল ও সাদা রঙের সমন্বয়ে তৈরি ভবনটির প্রতিটি অংশেই রাজকীয় সৌন্দর্যের ছাপ রয়েছে।

প্রাসাদটিতে ৯৫টি কক্ষ রয়েছে। এ ছাড়া ছিল নাচঘর, পূজামণ্ডপ, অতিথিশালা, বৈঠকখানা, কাচারিঘর ও ভান্ডারঘর।

ভবনটির সামনের দিকে রয়েছে বড় একটি পুকুরে দুটি সুদৃশ্য বাঁধানো ঘাট আছে। ঘাটগুলোর স্থাপত্য ও নির্মাণশৈলী এখনও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। দীর্ঘ সময় পার হলেও পুরোনো ইট, সিঁড়ি ও ঘাটের কাঠামোতে জমিদারি আমলের ছাপ স্পষ্ট।

ভবনের পশ্চিম পাশে রয়েছে আরও একটি বড় পুকুর। পুকুরে রয়েছে বড় একটি বাঁধানো ঘাট, যা বিশেষভাবে জমিদার পরিবারের নারীরা ব্যবহার করতেন। সেই ঘাটও অতিত ঐতিহ্যের নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মাহফুজুল করিম বলেন, ‘মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ি শুধু একটি ভবন নয়, এটি বাংলার সামাজিক ইতিহাসের অংশ। এ ধরনের স্থাপনা আমাদের অতীতের জীবনধারা, সংস্কৃতি ও স্থাপত্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়।’

বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক ড. শারমিন আক্তার বলেন, ভবনের স্থাপত্যশৈলীতে যে নান্দনিকতা রয়েছে, তা সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। যথাযথ সংস্কার না হলে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর মিয়া বলেন, ‘আগে ভবনটির সৌন্দর্য আরও বেশি ছিল। এখন অনেক জায়গায় দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে।’
দর্শনার্থী নুসরাত জাহান বলেন, এখানে এসে মনে হয়, প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের মধ্যে চলে এসেছি। জায়গাটি অত্যন্ত সুন্দর।

দেশভাগ ও জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর ধীরে ধীরে জমিদার পরিবারের প্রভাব কমে আসে। ভবনের বিভিন্ন অংশে এখন ক্ষয়ের চিহ্ন স্পষ্ট। দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে, কোথাও কোথাও ফাটল সৃষ্টি হয়েছে।
রূপগঞ্জ সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন, মুড়াপাড়া জমিদারবাড়ি ঘিরে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হলে এটি দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

জিয়াউর রাশেদ, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ)

ট্রোস্টেশনে টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা 'সার্ভিস চার্জ' প্রত্যাহার চান যাত্রীরাটিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন ...
12/10/2024

ট্রোস্টেশনে টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা 'সার্ভিস চার্জ' প্রত্যাহার চান যাত্রীরা

টিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন বাড়তি চার্জ, সেই প্রশ্ন যাত্রীদের

রাজধানীবাসীর স্বস্তির বাহন মেট্রোরেল। যানজটের নগরীতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে দ্রুত যেতে মেট্রোরেলই এখন সবার পছন্দের শীর্ষে। তবে মেট্রোরেলের একটি বিষয় নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েই গেছে। সেটি হলো, মেট্রোস্টেশনের টয়লেট ব্যবহার করলেই ১০ টাকা “সার্ভিস চার্জ” দিতে হয় যাত্রীদের। টিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন বাড়তি চার্জ, সেই প্রশ্ন যাত্রীদের।

এই সার্ভিস চার্জ পরিশোধের নিয়মটি বিগত সরকারের আমলে চালু করা হলেও সম্প্রতি সেটি নতুন করে ফের আলোচনায় এসেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এই সার্ভিস চার্জ প্রথা বাতিলের দাবি যাত্রীদের।

উচ্চাহারে ভাড়া পরিশোধ অন্যদিকে যাত্রীদের টয়লেট ব্যবহারে দশ টাকা করে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ পরিশোধ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মেট্রোর যাত্রীরা।

তবে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বলছে, অতিরিক্ত চার্জ নয়; যাত্রীদের সেবা দিতেই এই সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়, শাহবাগ, ফার্মগেট, আগারগাঁও, কাজীপাড়া, মিরপুর-১১, পল্লবী, উত্তরা উত্তর স্টেশনগুলো ঘুরে মেট্রোরেলে প্রতিদিন যাতায়াত করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

মেট্রোরেলের সেবা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাদের প্রায় প্রত্যেকেই মেট্রোস্টেশনের টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ভাড়া পরিশোধের পরও কেন অতিরিক্ত চার্জ, এমন প্রশ্ন তুলে শারমিন আক্তার রীমা নামের এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, "যানজট এড়াতে দ্বিগুণ ভাড়া গুণে মেট্রোরেলে চড়ছি। এখন আমাকে টয়লেট ব্যবহার করতে গেলে ১০ টাকা আলাদা করে দিতে হচ্ছে, কেন? যাত্রীর জন্য টয়লেট ব্যবহার কেন ফ্রি হবে না?"

ক্ষোভ প্রকাশ করে শারমিন বলেন, “প্রায়ই অফিস শেষ করে বা অফিসে যাওয়ার পূর্বে টয়লেট ব্যবহার করি। সবসময় যে একই কারণ থাকে তা কিন্তু নয়। কিছু সময় শাড়ি, ড্রেসে কোনো সমস্যা হলে, ওড়না, আঁচল ঠিকঠাক করতে টয়লেটের আয়না ব্যবহার করি। কিন্তু প্রতিবারই ১০ টাকা করে দিতে হয়। এমনকি বাচ্চাদের টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই টাকা গুণতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? এমনিতেই তো মেট্রোরেলে ভাড়া বেশি। তারপরও এই চার্জটা কেন? একজন যাত্রী হিসেবে আমি ভাড়া পরিশোধের পরও কেন এ সুবিধাটুকু ভোগ করতে পারছি না?”

একই কথা জানালেন মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী মো. শাহিন । তিনি বলেন, “ভাড়া পরিশোধ করে এতটুকু সুবিধা আমি প্রাপ্য বলেই মনে করি। আমরা অধিকাংশ যাত্রীই প্রতিদিনকার যানজট এড়াতে বাস, লেগুনায় ১৫-২০ টাকার পরিবর্তে ২৫-৩০ টাকা শখ করে গুণি না। সড়কের যানজট এড়িয়ে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে আমরা এ পরিবহনে উঠতে বাধ্য হই। তারপরও টয়লেট ব্যবহারের জন্যও চার্জ দিতে হচ্ছে।”

ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহা আলম বলেন, "টয়লেটগুলো বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। ১০ টাকা করে চার্জ নেওয়ার কারণ হয়ত তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখছে। তবে এটা কতটা যৌক্তিক, সেটি নিয়ে ভাবা জরুরি। দেশের অনেক কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে সামনেও হবে আশা করছি এ বিষয়গুলোও পরিবর্তন হবে।”

মেট্রোস্টেশনে টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সার্ভিস চার্জ প্রসঙ্গে শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম মজিদ বলেন, "আমি চেন্নাইতে যখন পড়তাম তখন মেট্রোতে যাতায়াত করতাম। সেখানে ওয়াশরুমের জন্য আলাদা কোনো চার্জ ছিল বলে তো মনে পড়ে না।”

সার্ভিস চার্জ আদায় নিয়ে যা জানা গেল
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশনের ৬৪টি টয়লেটপরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য চারটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। প্রতি স্টেশনে ৪ জন করে পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বরে মতিঝিল থেকে আগারগাঁও অংশ চালু হওয়ার তিনমাস পর থেকেই সার্ভিস চার্জ পরিশোধের বিষয়টি শুরু হয়।

ডিএমটিসিএল লাইন-১ এর উপ প্রকল্প পরিচালক (জনসংযোগ) কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, “মেট্রোরেল চালু হওয়ার শুরু থেকেই চারটি কোম্পানিকে টয়লেট মেইনটেইনেন্সের দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হয়। স্টেশনের টয়লেটের যাবতীয় কার্যক্রম হ্যান্ডওয়াশ থেকে শুরু করে সবকিছুর দায়িত্ব কোম্পানিগুলোকে দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি ১০ টাকা করে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি অফিসিয়ালি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।”

ভাড়া পরিশোধের পরও কেন টয়লেটে প্রবেশের আলাদা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে-এ প্রসঙ্গে এই কর্মকর্তা বলেন, “টয়লেটগুলো সার্বক্ষণিক ম্যানেজম্যান্ট যেমন; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া টয়লেটের যাবতীয় উপাদান টিস্যু, হ্যান্ডওয়াশ যা যা লাগে; এমনকি প্রতি শিফটে ২ জন করে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে টয়লেটগুলো পরিষ্কারের জন্য। এই যে ১০ টাকা করে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হচ্ছে; এই টাকা থেকেই কর্মীদের বেতন ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর খরচ নির্বাহ করা হয়। এজন্য ভতুর্কিও দিতে হয়। কারণ, যে সংখ্যক মানুষ টয়লেট ব্যবহার করে তা দিয়ে এ খাতের খরচ ওঠে না। তবে ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন পরিকল্পনা করতে হবে।”

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "একটু খেয়াল করলে দেখবেন ভারতসহ যেসকল দেশে মেট্রোরেল রয়েছে তাদের নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বাংলাদেশে মেট্রোরেলের ভাড়া উচ্চহারে নির্ধারণ করা হয়েছে। এত উচ্চ হারে ভাড়া চার্জ করেও যদি যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনে টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ১০ টাকা দিতে হয়, এটা তো জুলুমের শামিল। আমরা আসলে যেটা দেখছি সরকার মূলত সড়কে পরিবহন যানজটকে জিইয়ে রেখে কৌশলে তারা জনগণের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করতে ব্যস্ত। আর এ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টয়লেট ব্যবহারে সার্ভিস চার্জ আদায় এসব তারই ইঙ্গিত বহন করছে।"

এসব বিষয়ের সমাধান চেয়ে তিনি আরও বলেন, “জাইকা যখন মেট্রোরেলে অর্থায়ন করে তখন বলা হয়েছিল মেট্রোরেল পরিচালনা কমিটিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির একজন প্রতিনিধি রাখা হবে। যাতে যাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণে কথা বলা যায়। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে তা করা হয় নি, আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাই এই অন্তঃবর্তীকালীন এই সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে মেট্রোরেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টয়লেটের যাওয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ অনতিবিলম্বে বন্ধ করা হোক।”

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ২৯ ডিসেম্বর মতিঝিল থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত জনসাধারণের জন্যে খুলে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় এমআরটি-৬ লাইনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উত্তরা থেকে আগারগাঁও রুটের এখন উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলছে । ২০২৫ সাল নাগাদ কমলাপুর পর্যন্ত চালু হতে পারে।

রাজধানীবাসীর স্বস্তির বাহন মেট্রোরেল। যানজটের নগরীতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে দ্রুত যেতে মেট্রোরেলই এখন সবার প....

Mash’Allah!!From Germany to Al Aqsa:Mosque-Traveler Bilal Arrives after 2 Months, 3500 km, and 14 Countries by Bicycle!
27/05/2024

Mash’Allah!!
From Germany to Al Aqsa:
Mosque-Traveler Bilal Arrives after 2 Months, 3500 km, and 14 Countries by Bicycle!

International Mountain Day
11/12/2023

International Mountain Day

বাইকে চড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ৯ হাজার কিলোমিটার পাড়ি! | Husband Wife Bike Travel
17/09/2022

বাইকে চড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ৯ হাজার কিলোমিটার পাড়ি! | Husband Wife Bike Travel

» Subscribe to Watch more Rtv News: https://www.youtube.com/RtvNews» Read more Rtv news: www.rtvonline.com Rtv News is a collecti...

ছবিতে থাকা ডান পাশের ভদ্রলোকের  নাম কাজী হামিদুল হক।  তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের  #অ্যাডভেঞ্চার_গুরু। বিখ্যাত বাংলা চ্যানেল...
17/09/2022

ছবিতে থাকা ডান পাশের ভদ্রলোকের নাম কাজী হামিদুল হক। তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের #অ্যাডভেঞ্চার_গুরু।
বিখ্যাত বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তিমান আণ্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও বরেণ্য স্কুবা ডাইভার কাজী হামিদুল হক।
সেই যে যৌবনে সাগর টেনেছিল কাজী হামিদুল হককে, সেই টান ছিল আমৃত্যু। দেশে ফেরার পর ছুটে যান সমুদ্রে। চষে বেড়িয়েছেন কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এলাকার বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগরের এই পথে নৌকায় ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে তাঁর মাথায় খেলা করে সাঁতারে সাগর পাড়ি দেওয়ার একটা রুট। সঙ্গে ছিলেন কামাল আনোয়ার।
কামাল আনোয়ার বলেছিলেন, ‘টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত সাঁতরে পার হওয়া যাবে, এটা হামিদ ভাই বের করলেন। কখন কোথায় স্রোত কোন দিকে যায়, তা-ও আমরা বের করে ফেলি বিভিন্ন রঙের বোতল ভাসিয়ে। এই পথে স্রোতের দুটি ধারা আছে, এর একটা যায় আরাকানের দিকে। হামিদ ভাই সঠিক রুটটা বের করে ফেলেন।’
নৌকা চালিয়ে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার পরই সাঁতারের এই রুট বের করার দিকে মন দেন তিনি। ‘ওরা যেমন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়, আমরাও এমন একটা সাঁতার চালু করতে পারি।’ বলতেন কাজী হামিদুল হক।
২০০৬ সালে প্রথম সাঁতারের আয়োজন করা হয়। সে দলে সাঁতারু হিসেবে ছিলেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাইদ। দলে বয়সে সবচেয়ে ছোট সালমান সাইদ। তিনি বলেছিলেন, ‘দলে আমিই ছিলাম অনভিজ্ঞ সাঁতারু। কিন্তু হামিদ ভাই মানসিকভাবে এত শক্তি জোগাতেন যে কোনো ভয়ই লাগেনি।’
২০০৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি এই দলটি শাহপরীর দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার সাঁতার কেটে পৌঁছায় সেন্ট মার্টিনে। তখনো সাঁতারের এ পথের নামকরণ হয়নি। পরে ঢাকায় কাজী হামিদুল হক এর নাম দেন বাংলা চ্যানেল।
২০০৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একটি নৌকা পাড়ি জমায় বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে। শুনলে অবাক লাগে কারন নৌকাটি দৈর্ঘ্যে ছিলো মাত্র ২১ ফুট আর প্রস্থে নয় ফুট। সেই নৌকায় ছিল না কোনো বাথরুম বা রান্নাঘর। স্টোভ জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা। কাজী হামিদুল হকের নেতৃত্বে এই নৌকায় অভিযাত্রী ছিলেন ১৩ জন। সে যাত্রায় অংশ নেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম। তাঁর কাছ থেকে জানা গিয়েছিলো সেই যাত্রার ইতিবৃত্ত ।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙার জায়গা থেকে একটা লাইফ বোট (বড় জাহাজের সঙ্গে এগুলো বাঁধা থাকে) কিনে আনেন। এরপর ঢাকায় নিয়ে এসে সেটায় ইঞ্জিন লাগানো হয়। নৌকাকে নদী-সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী করতে নানা কারিগরি ফলানো হয়। এসব কাজ নিজেই করেছিলেন হামিদুল হক।
রাতে বুড়িগঙ্গা থেকে নৌকা ছাড়ার কথা, কিন্তু যাত্রা শুরু হলো ভোরে। এই অভিযাত্রায় সে সময় অংশ নিয়েছিলেন হামিদুল হক, মুসা ইব্রাহীম, ইমরান, ফজলুল কবির, কামাল আনোয়ার, রফিক, রবিউল হুসাইন, একুশে টিভির দুই সাংবাদিক এবং আরও কয়েকজন। রুট চেনার কারণে সারেং আনা হয়েছিল সীতাকুণ্ড থেকে।
মুসা ইব্রাহীম বলেছিলেন, ‘ভোরে রওনা দিয়ে সেদিনই পৌঁছাই চাঁদপুরে। আমাদের হিসাব ছিল দুই দিনে সেন্ট মার্টিনে যাব। কিন্তু দেখা গেল, সন্দ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছাতেই লেগে গেল পাঁচ-ছয় দিন। কারণ, নৌকার গতি ছিল খুব ধীর। সন্দ্বীপ থেকে পরের দিন যাচ্ছিলাম চট্টগ্রামের দিকে। কর্ণফুলীতে নৌকা যখন পৌঁছাল, তখন দেখি কর্ণফুলী চ্যানেল থেকে সব জাহাজ মিছিল করে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে। আমাদের নৌকায় জিপিএস, কম্পাস ছিল, কিন্তু রেডিও ছিল না। তাই আমরা কোনো খবরই পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখি সমুদ্র পুরো উত্তাল। ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচু একেকটা ঢেউ। হামিদ ভাই সবাইকে নৌকার পেছনে জড়ো হয়ে থাকতে বললেন। নিজেদের জান হাতে নিয়ে আমরা তা-ই করলাম।’
সমুদ্রের তাণ্ডব থামার পর কাজী হামিদুল হকের নৌকা কর্ণফুলী জেটিতে পৌঁছাল। তখন জানা গেল, সেই দিনটিতে ইন্দোনেশিয়ায় ভারত মহাসাগরে ঘটে প্রলয়ংকরী সুনামি।
চট্টগ্রামে গিয়ে সারেং তাঁর বাড়িতে ঘুরতে যান, কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। হামিদুল হক নিজে আবার সীতাকুণ্ডে গিয়ে আরেকজন সারেং নিয়ে আসেন। এরপর মহেশখালী হয়ে টেকনাফ, তারপর সেন্ট মার্টিনে পৌঁছায় হামিদুল হকের নৌকা। হামিদুল হক ও আরও কয়েকজন নৌকা চালিয়েই আবার ফিরে আসেন ঢাকা।
সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে এক প্রবীণ স্কুবা ডাইভারের (ডুবুরি) সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিলো কাজী হামিদুল হকের। তাঁর কাছেই হাতেখড়ি ডুবসাঁতারে। এরপর তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় অতল জলের বিচিত্র-বর্ণিল জগতের প্রতি। এ সময়টাতেই জলের নিচে ছবি তোলার কৌশল শিখে ফেলেন। ডুব দেওয়া আর জলের নিচে ছবি তোলাই হয়ে ওঠে হামিদের পেশা। তিনি সাগরের ২০০ ফুট নিচ পর্যন্ত ডুব দেওয়ার জন্য লাইসেন্সধারী ছিলেন।
১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামে জন্মগ্রহণ করা অ্যাডভেঞ্চার গুরু কাজী হামিদুল হক ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী শেরপুর থেকে ঢাকা ফেরার পথে বাসে মারা যান।
আজ বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের মহারথীর জন্মদিন। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই তাঁর প্রতি। 🙏💕

লেখা. আহমাদ ইসতিয়াক ভাই

Address

42 West Box Nagar, Bank Colony, Sarulia
Demran
1361

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801827550081

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawsar Tourism & Hospitality posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kawsar Tourism & Hospitality:

Shortcuts

Share

Category