Kawsar Tourism & Hospitality

Kawsar Tourism & Hospitality Event and Tour Operation, Hospitality Services

ট্রোস্টেশনে টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা 'সার্ভিস চার্জ' প্রত্যাহার চান যাত্রীরাটিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন ...
12/10/2024

ট্রোস্টেশনে টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা 'সার্ভিস চার্জ' প্রত্যাহার চান যাত্রীরা

টিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন বাড়তি চার্জ, সেই প্রশ্ন যাত্রীদের

রাজধানীবাসীর স্বস্তির বাহন মেট্রোরেল। যানজটের নগরীতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে দ্রুত যেতে মেট্রোরেলই এখন সবার পছন্দের শীর্ষে। তবে মেট্রোরেলের একটি বিষয় নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েই গেছে। সেটি হলো, মেট্রোস্টেশনের টয়লেট ব্যবহার করলেই ১০ টাকা “সার্ভিস চার্জ” দিতে হয় যাত্রীদের। টিকেট কেটে স্টেশনে ঢোকার পরও টয়লেটের জন্য কেন বাড়তি চার্জ, সেই প্রশ্ন যাত্রীদের।

এই সার্ভিস চার্জ পরিশোধের নিয়মটি বিগত সরকারের আমলে চালু করা হলেও সম্প্রতি সেটি নতুন করে ফের আলোচনায় এসেছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে এই সার্ভিস চার্জ প্রথা বাতিলের দাবি যাত্রীদের।

উচ্চাহারে ভাড়া পরিশোধ অন্যদিকে যাত্রীদের টয়লেট ব্যবহারে দশ টাকা করে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ পরিশোধ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মেট্রোর যাত্রীরা।

তবে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ বলছে, অতিরিক্ত চার্জ নয়; যাত্রীদের সেবা দিতেই এই সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সচিবালয়, শাহবাগ, ফার্মগেট, আগারগাঁও, কাজীপাড়া, মিরপুর-১১, পল্লবী, উত্তরা উত্তর স্টেশনগুলো ঘুরে মেট্রোরেলে প্রতিদিন যাতায়াত করেন এমন বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

মেট্রোরেলের সেবা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাদের প্রায় প্রত্যেকেই মেট্রোস্টেশনের টয়লেট ব্যবহারে ১০ টাকা চার্জ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ভাড়া পরিশোধের পরও কেন অতিরিক্ত চার্জ, এমন প্রশ্ন তুলে শারমিন আক্তার রীমা নামের এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, "যানজট এড়াতে দ্বিগুণ ভাড়া গুণে মেট্রোরেলে চড়ছি। এখন আমাকে টয়লেট ব্যবহার করতে গেলে ১০ টাকা আলাদা করে দিতে হচ্ছে, কেন? যাত্রীর জন্য টয়লেট ব্যবহার কেন ফ্রি হবে না?"

ক্ষোভ প্রকাশ করে শারমিন বলেন, “প্রায়ই অফিস শেষ করে বা অফিসে যাওয়ার পূর্বে টয়লেট ব্যবহার করি। সবসময় যে একই কারণ থাকে তা কিন্তু নয়। কিছু সময় শাড়ি, ড্রেসে কোনো সমস্যা হলে, ওড়না, আঁচল ঠিকঠাক করতে টয়লেটের আয়না ব্যবহার করি। কিন্তু প্রতিবারই ১০ টাকা করে দিতে হয়। এমনকি বাচ্চাদের টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই টাকা গুণতে হচ্ছে। কিন্তু কেন? এমনিতেই তো মেট্রোরেলে ভাড়া বেশি। তারপরও এই চার্জটা কেন? একজন যাত্রী হিসেবে আমি ভাড়া পরিশোধের পরও কেন এ সুবিধাটুকু ভোগ করতে পারছি না?”

একই কথা জানালেন মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী মো. শাহিন । তিনি বলেন, “ভাড়া পরিশোধ করে এতটুকু সুবিধা আমি প্রাপ্য বলেই মনে করি। আমরা অধিকাংশ যাত্রীই প্রতিদিনকার যানজট এড়াতে বাস, লেগুনায় ১৫-২০ টাকার পরিবর্তে ২৫-৩০ টাকা শখ করে গুণি না। সড়কের যানজট এড়িয়ে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে আমরা এ পরিবহনে উঠতে বাধ্য হই। তারপরও টয়লেট ব্যবহারের জন্যও চার্জ দিতে হচ্ছে।”

ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারহা আলম বলেন, "টয়লেটগুলো বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। ১০ টাকা করে চার্জ নেওয়ার কারণ হয়ত তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখছে। তবে এটা কতটা যৌক্তিক, সেটি নিয়ে ভাবা জরুরি। দেশের অনেক কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে সামনেও হবে আশা করছি এ বিষয়গুলোও পরিবর্তন হবে।”

মেট্রোস্টেশনে টয়লেট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সার্ভিস চার্জ প্রসঙ্গে শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম মজিদ বলেন, "আমি চেন্নাইতে যখন পড়তাম তখন মেট্রোতে যাতায়াত করতাম। সেখানে ওয়াশরুমের জন্য আলাদা কোনো চার্জ ছিল বলে তো মনে পড়ে না।”

সার্ভিস চার্জ আদায় নিয়ে যা জানা গেল
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশনের ৬৪টি টয়লেটপরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য চারটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। প্রতি স্টেশনে ৪ জন করে পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করেন।

জানা গেছে, ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বরে মতিঝিল থেকে আগারগাঁও অংশ চালু হওয়ার তিনমাস পর থেকেই সার্ভিস চার্জ পরিশোধের বিষয়টি শুরু হয়।

ডিএমটিসিএল লাইন-১ এর উপ প্রকল্প পরিচালক (জনসংযোগ) কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, “মেট্রোরেল চালু হওয়ার শুরু থেকেই চারটি কোম্পানিকে টয়লেট মেইনটেইনেন্সের দায়িত্ব দিয়ে দেওয়া হয়। স্টেশনের টয়লেটের যাবতীয় কার্যক্রম হ্যান্ডওয়াশ থেকে শুরু করে সবকিছুর দায়িত্ব কোম্পানিগুলোকে দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি ১০ টাকা করে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি অফিসিয়ালি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।”

ভাড়া পরিশোধের পরও কেন টয়লেটে প্রবেশের আলাদা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে-এ প্রসঙ্গে এই কর্মকর্তা বলেন, “টয়লেটগুলো সার্বক্ষণিক ম্যানেজম্যান্ট যেমন; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়া টয়লেটের যাবতীয় উপাদান টিস্যু, হ্যান্ডওয়াশ যা যা লাগে; এমনকি প্রতি শিফটে ২ জন করে ৪ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে টয়লেটগুলো পরিষ্কারের জন্য। এই যে ১০ টাকা করে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হচ্ছে; এই টাকা থেকেই কর্মীদের বেতন ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর খরচ নির্বাহ করা হয়। এজন্য ভতুর্কিও দিতে হয়। কারণ, যে সংখ্যক মানুষ টয়লেট ব্যবহার করে তা দিয়ে এ খাতের খরচ ওঠে না। তবে ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন পরিকল্পনা করতে হবে।”

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "একটু খেয়াল করলে দেখবেন ভারতসহ যেসকল দেশে মেট্রোরেল রয়েছে তাদের নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় বাংলাদেশে মেট্রোরেলের ভাড়া উচ্চহারে নির্ধারণ করা হয়েছে। এত উচ্চ হারে ভাড়া চার্জ করেও যদি যাত্রীদের জরুরি প্রয়োজনে টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ১০ টাকা দিতে হয়, এটা তো জুলুমের শামিল। আমরা আসলে যেটা দেখছি সরকার মূলত সড়কে পরিবহন যানজটকে জিইয়ে রেখে কৌশলে তারা জনগণের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করতে ব্যস্ত। আর এ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টয়লেট ব্যবহারে সার্ভিস চার্জ আদায় এসব তারই ইঙ্গিত বহন করছে।"

এসব বিষয়ের সমাধান চেয়ে তিনি আরও বলেন, “জাইকা যখন মেট্রোরেলে অর্থায়ন করে তখন বলা হয়েছিল মেট্রোরেল পরিচালনা কমিটিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির একজন প্রতিনিধি রাখা হবে। যাতে যাত্রীদের অধিকার সংরক্ষণে কথা বলা যায়। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে তা করা হয় নি, আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তাই এই অন্তঃবর্তীকালীন এই সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে মেট্রোরেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, টয়লেটের যাওয়ার জন্য সার্ভিস চার্জ অনতিবিলম্বে বন্ধ করা হোক।”

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ২৯ ডিসেম্বর মতিঝিল থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত জনসাধারণের জন্যে খুলে দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় এমআরটি-৬ লাইনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উত্তরা থেকে আগারগাঁও রুটের এখন উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলছে । ২০২৫ সাল নাগাদ কমলাপুর পর্যন্ত চালু হতে পারে।

রাজধানীবাসীর স্বস্তির বাহন মেট্রোরেল। যানজটের নগরীতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে দ্রুত যেতে মেট্রোরেলই এখন সবার প....

Mash’Allah!!From Germany to Al Aqsa:Mosque-Traveler Bilal Arrives after 2 Months, 3500 km, and 14 Countries by Bicycle!
27/05/2024

Mash’Allah!!
From Germany to Al Aqsa:
Mosque-Traveler Bilal Arrives after 2 Months, 3500 km, and 14 Countries by Bicycle!

International Mountain Day
11/12/2023

International Mountain Day

বাইকে চড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ৯ হাজার কিলোমিটার পাড়ি! | Husband Wife Bike Travel
17/09/2022

বাইকে চড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ৯ হাজার কিলোমিটার পাড়ি! | Husband Wife Bike Travel

» Subscribe to Watch more Rtv News: https://www.youtube.com/RtvNews» Read more Rtv news: www.rtvonline.com Rtv News is a collecti...

ছবিতে থাকা ডান পাশের ভদ্রলোকের  নাম কাজী হামিদুল হক।  তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের  #অ্যাডভেঞ্চার_গুরু। বিখ্যাত বাংলা চ্যানেল...
17/09/2022

ছবিতে থাকা ডান পাশের ভদ্রলোকের নাম কাজী হামিদুল হক। তাঁকে বলা হয় বাংলাদেশের #অ্যাডভেঞ্চার_গুরু।
বিখ্যাত বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক, কীর্তিমান আণ্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার ও বরেণ্য স্কুবা ডাইভার কাজী হামিদুল হক।
সেই যে যৌবনে সাগর টেনেছিল কাজী হামিদুল হককে, সেই টান ছিল আমৃত্যু। দেশে ফেরার পর ছুটে যান সমুদ্রে। চষে বেড়িয়েছেন কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন এলাকার বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগরের এই পথে নৌকায় ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে তাঁর মাথায় খেলা করে সাঁতারে সাগর পাড়ি দেওয়ার একটা রুট। সঙ্গে ছিলেন কামাল আনোয়ার।
কামাল আনোয়ার বলেছিলেন, ‘টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে ভাটার সময় সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত সাঁতরে পার হওয়া যাবে, এটা হামিদ ভাই বের করলেন। কখন কোথায় স্রোত কোন দিকে যায়, তা-ও আমরা বের করে ফেলি বিভিন্ন রঙের বোতল ভাসিয়ে। এই পথে স্রোতের দুটি ধারা আছে, এর একটা যায় আরাকানের দিকে। হামিদ ভাই সঠিক রুটটা বের করে ফেলেন।’
নৌকা চালিয়ে সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার পরই সাঁতারের এই রুট বের করার দিকে মন দেন তিনি। ‘ওরা যেমন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়, আমরাও এমন একটা সাঁতার চালু করতে পারি।’ বলতেন কাজী হামিদুল হক।
২০০৬ সালে প্রথম সাঁতারের আয়োজন করা হয়। সে দলে সাঁতারু হিসেবে ছিলেন লিপটন সরকার, ফজলুল কবির ও সালমান সাইদ। দলে বয়সে সবচেয়ে ছোট সালমান সাইদ। তিনি বলেছিলেন, ‘দলে আমিই ছিলাম অনভিজ্ঞ সাঁতারু। কিন্তু হামিদ ভাই মানসিকভাবে এত শক্তি জোগাতেন যে কোনো ভয়ই লাগেনি।’
২০০৬ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি এই দলটি শাহপরীর দ্বীপ থেকে বঙ্গোপসাগরে ১৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার সাঁতার কেটে পৌঁছায় সেন্ট মার্টিনে। তখনো সাঁতারের এ পথের নামকরণ হয়নি। পরে ঢাকায় কাজী হামিদুল হক এর নাম দেন বাংলা চ্যানেল।
২০০৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ। বুড়িগঙ্গা নদী থেকে একটি নৌকা পাড়ি জমায় বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে। শুনলে অবাক লাগে কারন নৌকাটি দৈর্ঘ্যে ছিলো মাত্র ২১ ফুট আর প্রস্থে নয় ফুট। সেই নৌকায় ছিল না কোনো বাথরুম বা রান্নাঘর। স্টোভ জ্বালিয়ে রান্নার ব্যবস্থা। কাজী হামিদুল হকের নেতৃত্বে এই নৌকায় অভিযাত্রী ছিলেন ১৩ জন। সে যাত্রায় অংশ নেন বাংলাদেশের পর্বতারোহী মুসা ইব্রাহীম। তাঁর কাছ থেকে জানা গিয়েছিলো সেই যাত্রার ইতিবৃত্ত ।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জাহাজ ভাঙার জায়গা থেকে একটা লাইফ বোট (বড় জাহাজের সঙ্গে এগুলো বাঁধা থাকে) কিনে আনেন। এরপর ঢাকায় নিয়ে এসে সেটায় ইঞ্জিন লাগানো হয়। নৌকাকে নদী-সমুদ্রে চলাচলের উপযোগী করতে নানা কারিগরি ফলানো হয়। এসব কাজ নিজেই করেছিলেন হামিদুল হক।
রাতে বুড়িগঙ্গা থেকে নৌকা ছাড়ার কথা, কিন্তু যাত্রা শুরু হলো ভোরে। এই অভিযাত্রায় সে সময় অংশ নিয়েছিলেন হামিদুল হক, মুসা ইব্রাহীম, ইমরান, ফজলুল কবির, কামাল আনোয়ার, রফিক, রবিউল হুসাইন, একুশে টিভির দুই সাংবাদিক এবং আরও কয়েকজন। রুট চেনার কারণে সারেং আনা হয়েছিল সীতাকুণ্ড থেকে।
মুসা ইব্রাহীম বলেছিলেন, ‘ভোরে রওনা দিয়ে সেদিনই পৌঁছাই চাঁদপুরে। আমাদের হিসাব ছিল দুই দিনে সেন্ট মার্টিনে যাব। কিন্তু দেখা গেল, সন্দ্বীপ পর্যন্ত পৌঁছাতেই লেগে গেল পাঁচ-ছয় দিন। কারণ, নৌকার গতি ছিল খুব ধীর। সন্দ্বীপ থেকে পরের দিন যাচ্ছিলাম চট্টগ্রামের দিকে। কর্ণফুলীতে নৌকা যখন পৌঁছাল, তখন দেখি কর্ণফুলী চ্যানেল থেকে সব জাহাজ মিছিল করে গভীর সমুদ্রে যাচ্ছে। আমাদের নৌকায় জিপিএস, কম্পাস ছিল, কিন্তু রেডিও ছিল না। তাই আমরা কোনো খবরই পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখি সমুদ্র পুরো উত্তাল। ১৫ থেকে ২০ ফুট উঁচু একেকটা ঢেউ। হামিদ ভাই সবাইকে নৌকার পেছনে জড়ো হয়ে থাকতে বললেন। নিজেদের জান হাতে নিয়ে আমরা তা-ই করলাম।’
সমুদ্রের তাণ্ডব থামার পর কাজী হামিদুল হকের নৌকা কর্ণফুলী জেটিতে পৌঁছাল। তখন জানা গেল, সেই দিনটিতে ইন্দোনেশিয়ায় ভারত মহাসাগরে ঘটে প্রলয়ংকরী সুনামি।
চট্টগ্রামে গিয়ে সারেং তাঁর বাড়িতে ঘুরতে যান, কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। হামিদুল হক নিজে আবার সীতাকুণ্ডে গিয়ে আরেকজন সারেং নিয়ে আসেন। এরপর মহেশখালী হয়ে টেকনাফ, তারপর সেন্ট মার্টিনে পৌঁছায় হামিদুল হকের নৌকা। হামিদুল হক ও আরও কয়েকজন নৌকা চালিয়েই আবার ফিরে আসেন ঢাকা।
সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে নিউইয়র্কে এক প্রবীণ স্কুবা ডাইভারের (ডুবুরি) সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিলো কাজী হামিদুল হকের। তাঁর কাছেই হাতেখড়ি ডুবসাঁতারে। এরপর তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় অতল জলের বিচিত্র-বর্ণিল জগতের প্রতি। এ সময়টাতেই জলের নিচে ছবি তোলার কৌশল শিখে ফেলেন। ডুব দেওয়া আর জলের নিচে ছবি তোলাই হয়ে ওঠে হামিদের পেশা। তিনি সাগরের ২০০ ফুট নিচ পর্যন্ত ডুব দেওয়ার জন্য লাইসেন্সধারী ছিলেন।
১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আসামে জন্মগ্রহণ করা অ্যাডভেঞ্চার গুরু কাজী হামিদুল হক ২০১৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী শেরপুর থেকে ঢাকা ফেরার পথে বাসে মারা যান।
আজ বাংলাদেশের অ্যাডভেঞ্চারের মহারথীর জন্মদিন। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই তাঁর প্রতি। 🙏💕

লেখা. আহমাদ ইসতিয়াক ভাই

বিহারের নওয়াদা জেলার অন্তর্গত হলদিয়া গ্রামে একটা পুরানো নদী ছিলো, যেটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে এই মসজিদটা দেখতে পাওয়া য...
13/09/2022

বিহারের নওয়াদা জেলার অন্তর্গত হলদিয়া গ্রামে একটা পুরানো নদী ছিলো, যেটা শুকিয়ে যাওয়ার পরে সেখানে এই মসজিদটা দেখতে পাওয়া যায়।

মসজিদটি ১২০ বছর পুরানো। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকলেও তাতে মসজিদের কোনো ক্ষতি হয়নি।
খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

স্থানীয় প্রবীণরা জানান, মসজিদটি বিংশ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়। মুঘল রীতিতে নির্মিত মসজিদটির বয়স এখন প্রায় ১২০ বছর। স্থানীয়রা এ মসজিদের নাম দিয়েছিল নূরী মসজিদ। মাটি থেকে গম্বুজ পর্যন্ত মসজিদর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

১৯৭৯ সালে এখানে ফুলওয়ারিয়া ড্যাম নির্মাণ শুরু হয়। সে সময় এ এলাকায় প্রচুর মুসলমান বসবাস করত। এ মসজিদে তারা নিয়মিত নামায আদায় করতেন। কিন্তু সরকার বাঁধ নির্মাণ শুরু করলে মুসলমানদেরকে এই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়। সরকার পুরো জায়গাটি অধিগ্রহণ করে গ্রামবাসীকে অন্য একটি গ্রামে স্থানান্তর করে। বাঁধ নির্মাণের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ মসজিদটির কোনো ক্ষতি করেনি।

বাঁধের পানি শুকিয়ে গেলেও পুরো এলাকা কাদাময় হয়ে আছে। কিন্তু এরমধ্যে কৌতুহলী মুসলমানরা কাঁদা মাড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করে। তারা দেখতে পান মসজিদটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। কয়েক দশক ধরে ডুবে থাকলেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতি হয়নি।

(সংগৃহীত)

01/05/2022
ঢাকার ৫ স্টেশনে মিলবে অগ্রিম টিকিট, অগ্রিম টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনার জন্য কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর চাপ কমাতে ঢাক...
16/04/2022

ঢাকার ৫ স্টেশনে মিলবে অগ্রিম টিকিট,

অগ্রিম টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনার জন্য কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর চাপ কমাতে ঢাকা শহরের পাঁচটি কেন্দ্র থেকে টিকিট বিক্রি করা হবে জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন
, ‘কমলাপুরে সমগ্র পশ্চিমাঞ্চলগামী ও খুলনাগামী স্পেশাল ট্রেন, ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সব আন্তঃনগর ট্রেন, তেজগাঁও স্টেশনে ময়মনসিংহ, জামালপুরগামী ও দেওয়ানগঞ্জ স্পেশালসহ সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। এছাড়া ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন থেকে মোহনগঞ্জগামী মোহনগঞ্জ ও হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন, পুরান ঢাকার ফুলবাড়িয়া পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে।’

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে একজন যাত্রী টুইট করেছেঃ"আপনাদের ট্রেনের অন্যসব সার্ভিসের কথা না-ই বা বললাম, টয়লেটের বদনাটি য...
19/02/2022

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে একজন যাত্রী টুইট করেছেঃ

"আপনাদের ট্রেনের অন্যসব সার্ভিসের কথা না-ই বা বললাম, টয়লেটের বদনাটি যে শেকলে বাঁধা তা একটু লম্বা রাখলে বদনাটি "মঞ্জিলে মাকসুদে" সহজে পৌঁছাতে পারতো।

টুইটের জবাবঃ
বদনাটি বাঁধা আছে আপনি তো আর বাঁধা নেই!
"মঞ্জিলে মাকসুদকে" একটু টেনে বদনার কাছে আনলেই তো হয়।

এক. খুবই মামুলি একটা ছবি। ভারতের শহরে শহরতলীতে এমন বাড়ি ভুরিভুরি দেখতে পাবেন। অস্বচ্ছলতা দারিদ্রতার ছাপ দরজায় দেয়ালে ছাদ...
02/02/2022

এক.
খুবই মামুলি একটা ছবি। ভারতের শহরে শহরতলীতে এমন বাড়ি ভুরিভুরি দেখতে পাবেন। অস্বচ্ছলতা দারিদ্রতার ছাপ দরজায় দেয়ালে ছাদে কার্ণিশে চৌকাঠে সর্বত্র। কিন্তু অপরিচ্ছন্নতা খুঁজে পাবেন না। ঐ সীমিত ক্ষুদ্র সামর্থ্যের মধ্যেই সব কিছু ধুয়ে মুছে চকচকে করে গুছিয়ে রেখেছে। বাড়ির সামনে গোলাপ, তুলসী, গাঁদা ফুল আর পাতাবাহারের নান্দনিক সমারোহ।

দুই.
আমাদের গ্রামের স্কুলে নিখিল রঞ্জন দাস বলে একজন অতি প্রবীন শিক্ষক ছিলেন। ধবধবে সাদা ধুতি পাঞ্জাবি পরে স্কুলে আসতেন। একদিন স্কুলের টানা বারান্দা দিয়ে যাচ্ছিলাম। পথে মুখোমুখি হতেই আদাব দিলাম, স্যার হঠাৎ দাঁড় করালেন, এই দাঁড়া! একটু ঘাবড়ে গেলাম। স্যার আমার ইউনিফর্মের কাঁধের কাছে কী যেন ধূলোবালি ময়লা লেগে ছিলো সেটা ঝেড়ে দিলেন। আর বললেন, তোর শার্ট ছেঁড়া থাকতে পারে কিন্তু কনোদিন যেন নোংরা না থাকে। সবসময় পরিস্কার জামা কাপড় পরবি। কী মমতা ছিলো সেই হাতে! নিখিল স্যার বেঁচে নেই বহুদিন হলো, কিন্তু স্যারের সেই কথা আজ কানে বাজে - ছেঁড়া থাকতে পারে, নোংরা নয়।

তিন.
জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা ২০২১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে সেরা পর্যটন গ্রামকে পুরস্কৃত করেছে। গত ডিসেম্বরে মাদ্রিদে এই পুরস্কার হস্তান্তর করা হয়। অনেক যাচাই বাছাইয়ের পর তিনটি গ্রামকে মনোনয়ন করা হয়, সেখান থেকে একটি গ্রাম সেরা পুরস্কার পায়। এই মনোনয়নপ্রাপ্ত তিনটি গ্রামই ভারতের। মধ্য প্রদেশের 'লাধপুরা খাস', মেঘালয়ের 'কংথং' আর তেলেঙ্গানার 'পচামপল্লী'। এবং সেরা পুরস্কার পায় পচামপল্লী। অনলাইনে গিয়ে গ্রামগুলোকে দেখতে পারেন। পরিচ্ছন্নতার দিক দিয়ে প্রত্যেকটা গ্রাম অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

চার.
আপনি যদি গুগলে গিয়ে এশিয়ার পরিচ্ছন্নতম গ্রাম লিখে সার্চ দেন তাহলে যে গ্রামটি পাবেন তার নাম মাওলিনং। এই গ্রামটিও ভারতে। ভারতের মেঘালয়ে। আমাদের সিলেটের তামাবিল বর্ডার থেকে গ্রামটি মাত্র ৯০ কিলোমিটার দূরে। মজার বিষয় হচ্ছে, যে গ্রামগুলো পুরস্কার পায়নি সে গ্রামগুলো যে নোরাং তা কিন্তু নয়। একটা নূন্যতম পরিছন্নতার সীমারেখা সর্বত্র বিরাজমান। দারিদ্রতা থাকতে পারে কিন্তু অপরিচ্ছন্নতা নেই। ভারতের গ্রামগুলো পরিচ্ছন্ন বলেই সারা বিশ্বের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।

পাঁচ.
সবশেষে বলতে চাই, আমার ধারণা পরিচ্ছন্নতা কোনো সরকারি বা বেসরকারি দায়িত্বের আওতাভূক্ত নয়। কোন ধর্ম বা জাতিগত অনুশাসনের শৃংখলে আবদ্ধ নয়। আর্থিক স্বচ্ছলতা কিংবা দারিদ্রের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এটা স্রেফ মানসিকতার ব্যাপার। আর এটাকে চলমান রাখার জন্য চাই প্রশাসনিক তদারকি।
Post Courtesy: Syed Akhteruzzaman

31/01/2022

গুনে দেখুন তো এই ভ্রমণস্থানের মধ্যে কয়টাতে আপনি গিয়েছেন আর কয়টাতে আপনার যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

১. সেন্ট মার্টিন
২. কক্সবাজার
৩. সাজেক
৪. সুন্দরবন
৫. জাফলং
৬. নিলগিরি ও নিলাচল
৭. নিঝুম দ্বীপ
৮. পতেঙ্গা
৯. পানামাসিটি
১০. টাঙ্গুয়ার হাওর

১১. সাদা পাথর
১২. শ্রীমঙ্গল
১৩. লালবাগ কেল্লা
১৪. ষাটগম্বুজ মসজিদ
১৫. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
১৬. মাধবকুণ্ড
১৭. বাঘা মসজিদ
১৮. বিছানাকান্দী
১৯. গুলিয়াখালি
২০. তেতুলিয়া

২১. টেকনাফ
২২. মহাস্থানগড়
২৩. বিরিশিরি
২৪. আমিয়াখুম
২৫. কালাপাহাড়
২৬. কুসুম্বা মসজিদ
২৭. চন্দ্রনাথ
২৮. আহসান মঞ্জিল
২৯. মায়াংতং
৩০. তাজহাট প্যালেস

৩১. বরেন্দ্র যাদুঘর
৩২. ছোট সোনা মসজিদ
৩৩. সাফারি পার্ক
৩৪. পাকশি সেতু
৩৫. শিমুল বাগান
৩৬. নিকলী হাওর
৩৭. নয়াবাদ মসজিদ
৩৮. মহেশখালী
৩৯. চিনির মসজিদ
৪০. অষ্টগ্রাম মিঠামাইন

৪১. বালাসী ঘাট
৪২. রেমা কালেঙ্গা
৪৩.কান্তজীর মন্দির
৪৪. রামসাগর
৪৫. বায়োজিদ বোস্তামির মাজার
৪৬. ভাটিয়ারী লেক
৪৭. ফয়েজ লেক
৪৮. তিন নদীর মোহনা
৪৯. হরিনঘাটা
৫০. চর মনপুরা

৫১. গুটিয়া মসজিদ
৫২. চর কুকরি মুকরি
৫৩. কেওক্রাডং
৫৪. বেহুলার বাসর ঘর
৫৫. চিম্বুক পাহাড়
৫৬. হিমছড়ি
৫৭. তাজিংডং
৫৮. বগালেক ও আলীর গুহা
৫৯.কাপ্তাই লেক
৬০. মহেরা জমিদার বাড়ি

৬১. ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ
৬২. জাতীয় সংসদ ভবন
৬৩. কার্জন হল
৬৪. ঝুলন্ত ব্রীজ
৬৫. গারো পাহাড়
৬৬. আলেকজান্ডার ক্যাসেল
৬৭.কংলাক পাড়া
৬৮. আলুটিলা গুহা
৬৯. গজনী অবকাশ কেন্দ্র ও লেক
৭০. ভাওয়াল রাজবাড়ি ও রিসোর্ট

৭১. রিসাং ঝনা
৭২. তারেং
৭৩. বাশবাড়িয়া
৭৪. হটিকালচার পার্ক
৭৫. ময়নামতি
৭৬. যমুনা সেতু ও চায়না বাধ ৩
৭৭. শতবর্ষী আম গাছ
৭৮. বারিক্কা টিলা ও নিলাদ্রী লেক
৭৯. শাহ জালালের মাজার
৮০. মালনীছড়া চা বাগান

৮১. লালা খাল
৮২. রাতারগুল
৮৩. পান্থমুই
৮৪. মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত
৮৫. পুঠিয়া রাজবাড়ি
৮৬. মহারাজার দিঘী
৮৭. জ্বিনের মসজিদ
৮৮. রকস মিউজিয়াম
৮৯. লেবুর চর ও ফাতরার বন
৯০. ভাসমান পিয়ারা বাজার

৯১. বজরা শাহি মসজিদ
৯২. ইনানী বিচ
৯৩. অরুনিমা গলফ রিসোর্ট
৯৪. চাটমোহর শাহী মসজিদ ও গজনার বিল
৯৫. নীল সাগর
৯৬. ইদ্রাকপুর কেল্লা
৯৭. ওয়ারী বটেশ্বর
৯৮. উত্তরা গণভবন
৯৯. চলন বিল
১০০. লোকশিল্প যাদুঘর

১০১. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্দ্যান
১০২. হাম হাম
১০৩. হাকালুকি হাওর
১০৪. মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি সৌদ্ধ
১০৫. বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
১০৬. কুয়াকাটা
১০৭. ভরতের গড়
১০৮. তিন বিঘা কড়িডোর

Address

42 West Box Nagar, Bank Colony, Sarulia
Demran
1361

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801827550081

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kawsar Tourism & Hospitality posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kawsar Tourism & Hospitality:

Share

Category