Tawaf Aviation

Tawaf Aviation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tawaf Aviation, Travel Agency, Mirpur, dhaka, Dhaka.

যারা অভিজ্ঞ মুহাল্লিম এর সাথে সুন্দর ভাবে  হজ বা ওমরাহ করতে চান। দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করুন।
21/06/2026

যারা অভিজ্ঞ মুহাল্লিম এর সাথে সুন্দর ভাবে হজ বা ওমরাহ করতে চান। দ্রুত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করুন।

হজ্জের 5 দিনের কার্যক্রম
23/05/2026

হজ্জের 5 দিনের কার্যক্রম

14/05/2026

🍀🌙 হাতে আছে আর মাত্র দুই দিন — আসছে পবিত্র জিলহজ্জ মাস 🌙🍀
পবিত্র জিলহজ্জের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন করা পর্যন্ত, যিনি কোরবানি করার নিয়ত করেছেন তাঁর জন্য শরীরের চুল, নখ বা পশম না কাটা মুস্তাহাব/সুন্নাত।
এ বিধান ১ জিলহজ্জ থেকে কোরবানি আদায় করা পর্যন্ত প্রযোজ্য।
🌿 কার জন্য এই বিধান?
এটি শুধুমাত্র সেই ব্যক্তির জন্য, যিনি নিজের পক্ষ থেকে কোরবানি করবেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য এটি আবশ্যক নয়; তারা চাইলে চুল-নখ কাটতে পারবেন।
🌿 সময়কাল:
১ জিলহজ্জের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন করা পর্যন্ত।
🌿 হাদিসের নির্দেশনা:
রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“তোমাদের কেউ যদি কোরবানির ইচ্ছা করে এবং জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।”
— সহীহ মুসলিম
🌿 ভুলে কেটে ফেললে কী হবে?
ভুলে বা না জেনে চুল-নখ কেটে ফেললে কোরবানি সহীহ হবে। কোনো ফিদইয়া বা কাফফারা নেই। তবে পরবর্তীতে সতর্ক থাকা উচিত।
🌿 উত্তম করণীয়:
জিলহজ্জের চাঁদ ওঠার আগেই নখ, চুল ও দাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নেওয়া উত্তম।
🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন।
তাকাব্বালাল্লাহু মিননা ওয়া মিনকুম। 🌸

মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন। তিনি কূপের পাড়ে বসে...
05/05/2026

মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।
এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন। তিনি কূপের পাড়ে বসে তাঁর পবিত্র পায়ের কাপড় উন্মোচন করে দুই পা কূপের ভিতরে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।
তার পাশে বসেছিলেন দুই মহান সাহাবি—
আবু বকর সিদ্দীক এবং উমর ইবন খাত্তাব (রাযি.), এবং তারাও রাসূল ﷺ যেমন করেছিলেন তেমনই করেছিলেন। এরপর উসমান ইবন আফফান (রাযি.) এসে তাঁদের বিপরীত পাশে বসেন এবং তাঁরাও একইভাবে করেন।
এই কূপের কাছেই রাসূল ﷺ, আবু বকর ও উমর (রাযি.)-কে জান্নাতের সুসংবাদ দেন। আর উসমান (রাযি.)-কেও জান্নাতের সুসংবাদ দেন, তবে এমন এক পরীক্ষার (বিপদের) কথা জানান যা তাঁর ওপর আসবে।
এই কূপের আরেক নাম “বিরে খাতাম” (আংটির কূপ)। কারণ, রাসূল ﷺ-এর আংটি এখানে পড়ে গিয়েছিল। আংটিটি প্রথমে রাসূল ﷺ-এর হাতে ছিল তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত। এরপর তা ছিল তাঁর খলিফা আবু বকর (রাযি.)-এর হাতে, তারপর উমর (রাযি.)-এর হাতে, এরপর উসমান (রাযি.)-এর হাতে তাঁর খেলাফতকালে। তখন সেটি তাঁর হাত থেকে এই কূপে পড়ে যায়। তিনি তিন দিন পর্যন্ত কূপ খালি করার নির্দেশ দেন, কিন্তু আংটি পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে অনেকেই শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা ও ফিতনার সূচনার লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো—একজন সাহাবি জায়েদ ইবন খারিজা (রাযি.)-এর থেকে একটি অলৌকিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তিনি মৃত্যুর পর কথা বলেছিলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর বুকে শব্দ শুনতে পান, তারপর তিনি বলেন:
“আহমদ, আহমদ—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
আবু বকর সিদ্দীক—নিজে দুর্বল কিন্তু আল্লাহর কাজে শক্তিশালী—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উমর ইবন খাত্তাব—শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উসমান ইবন আফফান—তাঁদের পথেই আছেন।
চার বছর কেটে গেছে, দুই বছর বাকি।
ফিতনা এসে গেছে, শক্তিশালী দুর্বলকে গ্রাস করছে, কিয়ামত নিকটবর্তী।
তোমাদের কাছে বিরে আরিসের খবর আসবে—বিরে আরিস কী!”
এই ঘটনা উসমান (রাযি.)-এর খেলাফতের চার বছর পর ঘটেছিল এবং আংটি হারানোর দুই বছর আগে।
এই কূপ একসময় দৃশ্যমান ছিল। পরে এর উপর কুবা মসজিদের খাদেমের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়, এরপর একটি গম্বুজ তৈরি হয়। পরে মসজিদে কুবার সম্প্রসারণের সময় এগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। কূপটি ভরাট করা হয়নি, বরং মার্বেল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি এর স্থান পুনরায় চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে একটি পরিচিতিমূলক ফলক স্থাপন করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।

25/04/2026

হাজিদের নিরাপদে চলাচলের জন্য এই পুরো ব্যবস্থাটা কতটা পরিকল্পিত, জানেন? 🕋

জামারাত ব্রিজের নিচের টানেলগুলো (Anfaq Jisr al-Jamarat):

জামারাত প্রকল্প শুধু পাথর নিক্ষেপের একটি ব্রিজ না
এটা একটি সম্পূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেম,
যেখানে জটিল টানেল ও রাস্তার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়েছে
হাজিদের চলাচল সহজ ও নিরাপদ করার জন্য।

🛣️ এই টানেলগুলো কোথায় যায়?
জামারাত ব্রিজের আশেপাশে ও নিচে একটাই টানেল না
বরং একাধিক রুট আছে, যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়:

🏙️ মক্কার সাথে সংযোগ (মু‘আইসিম টানেল):
এই টানেল জামারাত এলাকা থেকে মু‘আইসিম হয়ে মক্কার দিকে সংযুক্ত।
এটা উপরের রাস্তায় চাপ কমাতে সাহায্য করে
এবং বাস ও পথচারীদের জন্য আলাদা চলাচলের ব্যবস্থা রাখে।

🏨 আজিজিয়াহ এলাকায় যাতায়াত:
কিছু টানেল জামারাত থেকে আজিজিয়াহ এলাকার সাথে যুক্ত
যেখানে অনেক হাজি অবস্থান করেন।
এর ফলে রমি শেষে সহজে নিজ নিজ আবাসে ফেরা যায়,
ভিড়ের মাঝে হাঁটার চাপ কমে।

🚑 সার্ভিস ও ইমার্জেন্সি টানেল:
আলাদা টানেল রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স, সিভিল ডিফেন্স ও জরুরি সেবার জন্য।
যাতে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাহায্য পৌঁছানো যায়
পথচারীদের ভিড়ের বাইরে থেকে।

🏗️ ব্রিজের বিভিন্ন তলার সংযোগ:
একটি আন্ডারপাস ও সংযোগপথ রয়েছে
যা পূর্ব দিক (মিনার তাঁবু) থেকে পশ্চিম দিক (মক্কার দিক) যুক্ত করে
ফলে হাজিদের বিভিন্ন তলায় সহজে বণ্টন করা যায়।

✨ এই টানেলগুলোর বিশেষ সুবিধা
❄️ কুলিং ও ভেন্টিলেশন: বড় বড় ফ্যান ও মিস্ট স্প্রে দিয়ে গরম কমানো হয়
⚡ লাইট ও সাইনেজ: বিভিন্ন ভাষায় ইলেকট্রনিক নির্দেশনা দেওয়া থাকে
🚶‍♂️ পথচারী নিরাপত্তা: হাঁটা ও যানবাহনের চলাচল আলাদা রাখা হয়েছে

💡 হাজিদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
📍 নির্দেশনা অনুসরণ করুন: রঙ অনুযায়ী সাইন ফলো করলে ভুল পথে যাওয়া কমবে
🚶‍♂️ দলবদ্ধ চলুন: নিরাপত্তা কর্মীদের নির্দেশ মেনে চললে চলাচল সহজ হয়

এই পুরো ব্যবস্থাটা এমনভাবে তৈরি,
যাতে লাখো হাজি একসাথে চললেও
সফরটা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় থাকে।

মিনা থেকে মক্কা
একটা পথ…
কিন্তু তার পেছনে আছে বিশাল পরিকল্পনা,
যা হাজিদের ইবাদতকে সহজ করে দেয়। 🤍🕋

Address

Mirpur, Dhaka
Dhaka
1216

Telephone

+8801915862025

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tawaf Aviation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category