04/10/2019
একনজরে হজ
তামাত্তু কিরান ইফরাদ
১. ওমরাহর ইহরাম (ফরজ) হজ ও ওমরাহর ইহরাম (ফরজ) হজের ইহরাম (ফরজ)
২. হজের ইহরাম (ফরজ) ওমরাহর তাওয়াফ (ফরজ) --
৩. ওমরাহর সাঈ (ওয়াজিব) ওমরাহর সাঈ (ওয়াজিব) --
৪. -- তাওয়াফে কুদুম (সুন্নত) তাওয়াফে কুদুম (সুন্নত)
৫. -- সাঈ (ওয়াজিব) --
৬. মাথা মুণ্ডন করা বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব) -- --
৮ জিলহজ জোহরের নামাজের আগে থেকে
৭. হজের ইহরাম (ফরজ) -- --
৮. মিনায় রাতযাপন (সুন্নত) মিনায় রাতযাপন (সুন্নত) মিনায় রাতযাপন (সুন্নত)
৯. জোহর, আসর, মাগরিব, এশা, ফজর নামাজ মিনায় পড়া (মুস্তাহাব) জোহর, আসর, মাগরিব, এশা, ফজর নামাজ মিনায় পড়া (মুস্তাহাব) জোহর, আসর, মাগরিব, এশা, ফজর নামাজ মিনায় পড়া (মুস্তাহাব)
৯ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর
১০. আরাফাতে অবস্থান (ফরজ) আরাফাতে অবস্থান (ফরজ) আরাফাতে অবস্থান (ফরজ)
আরাফার দিন সূর্যোস্তের পর মুজদালিফার দিকে রওনা
১১. মুজদালিফায় অবস্থান (ওয়াজিব) মুজদালিফায় অবস্থান (ওয়াজিব) মুজদালিফায় অবস্থান (ওয়াজিব)
১০ জিলহজ
১২. বড় জামরাকে (শয়তান) কঙ্কর মারা (ওয়াজিব) বড় জামরাকে (শয়তান) কঙ্কর মারা (ওয়াজিব) বড় জামরাকে (শয়তান) কঙ্কর মারা (ওয়াজিব)
১৩. কোরবানি করা (ওয়াজিব) কোরবানি করা (ওয়াজিব) --
১৪. মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব) মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব) মাথার চুল পুরো ফেলে দেওয়া বা চুল খাটো করা (ওয়াজিব)
শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া সবকিছু হালাল
১৫. তাওয়াফ (ইফাজা বা জিয়ারত)(ফরজ) তাওয়াফ (ইফাজা বা জিয়ারত)(ফরজ) তাওয়াফ (ইফাজা বা জিয়ারত)(ফরজ)
সম্পূর্ণ হালাল হয়ে যাবে
১৬. সাঈ (ওয়াজিব) -- সাঈ (ওয়াজিব)
১১-১২ জিলহজ জোহরের সময় থেকে শুরু করে কঙ্কর মারা
১৭. ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম, বড় শয়তানকে পাথর মারা (ওয়াজিব) ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম, বড় শয়তানকে পাথর মারা (ওয়াজিব) ১১-১২ তারিখ ছোট, মধ্যম, বড় শয়তানকে পাথর মারা (ওয়াজিব)
১৮. বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব) বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব) বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব)
উল্লেখ্য, ইফরাদ ও কিরান হজকারী তাওয়াফে কুদুম করবেন। তাওয়াফে কুদুমের সঙ্গে সাঈ করলে তাওয়াফে জিয়ারতের পর আর সাঈ করতে হবে না। তবে কিরান হজকারীদের জন্য তাওয়াফে কুদুমের সঙ্গে সাঈ করা, ইফরাদ হজকারীদের জন্য তাওয়াফে জিয়ারতের সঙ্গে সাঈ করা উত্তম। তামাত্তুকারীরা হজের ইহরামের পরে নফল তাওয়াফ করে সাঈ করে নিলে তাওয়াফে জিয়ারত বা ইফাজের সময় আর সাঈ করতে হবে না।