Esho Ghuri

Esho Ghuri এসো ঘুরি'র সঙ্গে; ঘুরে ফিরে দেখুন পুরো ?

করোটিয়া জমিদার বাড়ি-টাঙ্গাইল🥰
29/03/2022

করোটিয়া জমিদার বাড়ি-টাঙ্গাইল🥰

07/11/2021

অবশেষে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে বাস ভাড়া যা হতে যাচ্ছেঃ

ঢাকা- খাগড়াছড়িঃ ৬৩০ টাকা (১১০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা- বান্দরবানঃ ৭০০ টাকা (৮০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা-কক্সবাজারঃ ৯০০ টাকা (১০০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা-আলিকদমঃ ৯৫০ টাকা (১০০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা-সুনামগঞ্জঃ ৬২০ টাকা (৭০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা-চট্টগ্রামঃ ৫৫০ টাকা (৭০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা- টেকনাফঃ ১০০০ টাকা (১০০ টাকা বাড়ছে)
ঢাকা- সিলেটঃ ৫৪০ টাকা (৭০ টাকা বাড়ছে)

এর প্রভাবে জীপ, শীপ, বোট, কটেজ, খাবার সহ সব কিছুর দাম বৃদ্ধি পাবে। এক কথায় মুদ্রাস্ফীতি, যার কুফল এবার সবাইকে কিছুটা ভোগ করতে সামনের ইভেন্ট গুলোতে!

16/10/2021
।। ফরিদপুরে আবেশ ছড়াচ্ছে দিগন্তজোড়া কাশফুল ।।এখন শরৎকাল। এ কালকে বলা হয় ঋতুর রানি। বাংলার আকাশে নীলাম্বরে পেঁজা পেঁজা শু...
17/09/2021

।। ফরিদপুরে আবেশ ছড়াচ্ছে দিগন্তজোড়া কাশফুল ।।

এখন শরৎকাল। এ কালকে বলা হয় ঋতুর রানি। বাংলার আকাশে নীলাম্বরে পেঁজা পেঁজা শুভ্র মেঘ, আর কাশফুলের কাব্যে রচিত হয়েছে বাংলার প্রকৃতি। শরৎ মানেই আকাশে নরম পেঁজা তুলোর মতো শুভ্র মেঘের ভেসে বেড়ানো আর দিগন্তজোড়া প্রান্তরে কাশফুলের মনোরম দৃশ্য।

ফরিদপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব। সদরপুর উপজেলার ২নং আকোটের চর ইউনিয়নের আকোট বাজার সংলগ্ন একটি চর। বিশাল এই চরজুড়ে ছেয়ে গেছে কাশবন। সাদা রঙের কাশফুলে ভরে উঠেছে কাশবন। দূর থেকে দেখে মনে হবে বিশাল আকৃতির সাদা বিছানা চাদর বিছিয়ে রাখা হয়েছে। যা জেলার আর কোথাও এতো বড় কাশবন খুঁজে পাওয়া যাবে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ যতদূর চোখ যায় শুধু কাশবন আর কাশফুল। করোনা মহামারিতে গ্রাম কিংবা শহরের ক্লান্তি দূর করে প্রশান্তির মায়াবি আবেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে দিগন্তজোড়া কাশফুল। সেই কাশফুলের রাজ্যে গাঁ ভাসাতে অনেকেই ভিড় জমাচ্ছে। ছবি আর সেলফি তুলে স্মৃতি হিসেবে ক্যামেরাবন্দি করছে নিজেদের।

যেভাবে যাবেন, সদরপুর সদর থেকে মনিকোঠাবাজার হয়ে সরাসরি এক রাস্তা আকোটেরচর বাজার। যারা নিজেদের বাইকে যাবেন অথবা একটু কম সময়ে যেতে চাইলে শর্টকাট যেতে পারেন, ফরিদপুর সদর থেকে প্রথমে গজারিয়া বাজার, তারপর হাট কৃষ্ণপুর বাজার, বাজারের ভেতর দিয়ে যেতে হবে ভাষানচর নতুন বাজার, এরপর জয়বাংলা বাজার, এরপরে, জামতলা বাজার, খেজুরতলা বাজার, গাবতলা বাজার, মণিকোঠা বাজার, আকোটের চর বাজার, নদী পার হলেই গুচ্ছগ্রাম তার একটু সামনেই কাশবন।

শরৎ এলেই নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মেলা, কাশফুলেরই সঙ্গে মিসে করছে যেন খেলা’ ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতি দুই মাস পর পর একটি ঋতুর বদল হয়ে থাকে। একটা সময় আষাড় এবং শ্রাবণ মাস মিলেই বর্ষাকাল হতো। প্রকৃতির আপন ইচ্ছায় তা প্রায় পাল্টে যাওয়ার অতিক্রম। কিন্ত মাসের পরিবর্তন হলেও কাল অপরিবর্তিত রয়েছে।

https://www.facebook.com/262304647127839/posts/4813508658674059/
13/09/2021

https://www.facebook.com/262304647127839/posts/4813508658674059/

কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী হাওড়ে পর্যটকবাহী সব নৌযানে লাইফ জ্যাকেট বা পানিতে জীবন রক্ষাকারী উপকরণ রাখা বাধ্যতামূলক .....

10/09/2021

ট্যুরে গিয়ে দূর্ঘটনা ঘটে বেসিক কয়েকটা কারণে-
১/নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে ক্লিয়ার আইডিয়া না থাকা।
২/নিজের সম্পর্কে ক্লিয়ার আইডিয়া থাকার পরেও ট্যুরে গিয়ে অতি আনন্দে/বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে সামর্থ্যের বাইরে কিছু করতে যাওয়া।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এইখানে এমন কোনো ট্যুরিস্ট স্পট নাই-যেইখানে পানি নাই। অন্য জেলার কথা বাদ দিই, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনজেলার একটা রাঙ্গামাটি, এইটার যেদিকেই যান, কাপ্তাই লেক পার হওয়া লাগবে। আর বাকি দুইটা-খাগড়াছড়ি আর বান্দরবান- এইগুলা পাহাড়ি হওয়া সত্ত্বেও ঝিরি আর ঝর্ণার কোনো অভাব নাই।

এইজন্য যারা সাতার জানে না, ট্যুরে গেলে পানিতে না নামাই ভালো। আমি নিজেও ঝর্ণা/সমুদ্র দেখতে গেলে চেষ্টা করি না নামার, যদিও আমি সাতার পারি। সৌন্দর্য দেখতে আসছি, মন ভরে দেখার, উপভোগের ট্রাই করি। পানিতে না নামলে আমার কাছে মনে হয় না আহামরি কিছু মিস করে গেলাম। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সাতার না জানুক, অন্তত ভেসে থাকার বিষয়টা সবাইকে জেনে রাখা উচিত, খুব কঠিন কিছু না এটা। নদীমাতৃক বাংলাদেশে পানি কখনো না কখনো সামনে পড়বেই।

আরেকটা জিনিস হইল, অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে পড়া। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে চান্দের গাড়ির ছাদে যারা বসে, হ্যা, বসাটা দোষণীয় না, কিন্তু জিনিসটা রিস্কি। পাহাড়ি উচা নিচা রাস্তা- কোনোভাবে হাত ফস্কে পড়ে গেলে কি হইতে পারে- সবাই ই জানে। এইরকম ভয়াবহ দূর্ঘটনা আছেও অনেক।

এরপরে অনেকে আছে জীবনে কখনো পানিতে নামে নাই। ট্যুরে গিয়ে বন্ধুবান্ধবের পাল্লায় পড়ে নেমে পড়ে। এটা মারাত্নক। অন্তত নিজের সেইফ জোনের বাইরে কোনোভাবেই যাওয়া উচিত না। আমি কি পারি, কি পারি না- এটুকু মাথায় না রাখলে দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব না।

পার্সোনালি আমি মনে করি, ট্যুর হইল নিতান্ত আনন্দের একটা বিষয়। এখানে হারজিত, জয়-পরাজয়ের কিছু নাই, হিরো সাজারও কিছু নাই। কেউ মাইলের পর মাইল ট্রেকিং করে ক্লান্ত হয় না, কারো গ্যাপ দিয়ে চলার প্রয়োজন পড়তে পারে। প্রত্যেক মানুষ ভিন্ন, তার দৈহিক গড়ন ভিন্ন, তার লাইফস্টাইল ভিন্ন। ট্যুর তো প্রতিযোগিতা না, স্রেফ উপভোগের বিষয়।

প্রত্যেকটা প্রাণ মূল্যবান। প্রত্যেকটা মানুষ মূল্যবান। যারা শারীরিক সামর্থ্যে এগিয়ে, যারা সাতার জানে, তারা অন্যদের প্রলুব্ধ না করে উল্টো সেইফ রাখার চেষ্টা করলে অনেক কিছু রোধ করা সম্ভব।

দূর্ঘটনা পুরোপুরি বন্ধ করা হয়তো সম্ভব না, কিন্তু সচেতন থাকলে ৮০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব। আই বিলিভ ইট।

https://www.ittefaq.com.bd/environment/273980/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%...
10/09/2021

https://www.ittefaq.com.bd/environment/273980/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%C2%A0

দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর জন্য নাটোরের রাজবাড়ি ‘উত্তরা গণভবন’ এর খ্যাতি বিশ্বজোড়া। সেই সঙ্গে রয়েছে নজরকাড়া সং....

Address

Khilgaon
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Esho Ghuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Esho Ghuri:

Share