17/09/2021
।। ফরিদপুরে আবেশ ছড়াচ্ছে দিগন্তজোড়া কাশফুল ।।
এখন শরৎকাল। এ কালকে বলা হয় ঋতুর রানি। বাংলার আকাশে নীলাম্বরে পেঁজা পেঁজা শুভ্র মেঘ, আর কাশফুলের কাব্যে রচিত হয়েছে বাংলার প্রকৃতি। শরৎ মানেই আকাশে নরম পেঁজা তুলোর মতো শুভ্র মেঘের ভেসে বেড়ানো আর দিগন্তজোড়া প্রান্তরে কাশফুলের মনোরম দৃশ্য।
ফরিদপুর জেলা শহর থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্ব। সদরপুর উপজেলার ২নং আকোটের চর ইউনিয়নের আকোট বাজার সংলগ্ন একটি চর। বিশাল এই চরজুড়ে ছেয়ে গেছে কাশবন। সাদা রঙের কাশফুলে ভরে উঠেছে কাশবন। দূর থেকে দেখে মনে হবে বিশাল আকৃতির সাদা বিছানা চাদর বিছিয়ে রাখা হয়েছে। যা জেলার আর কোথাও এতো বড় কাশবন খুঁজে পাওয়া যাবে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ যতদূর চোখ যায় শুধু কাশবন আর কাশফুল। করোনা মহামারিতে গ্রাম কিংবা শহরের ক্লান্তি দূর করে প্রশান্তির মায়াবি আবেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে দিগন্তজোড়া কাশফুল। সেই কাশফুলের রাজ্যে গাঁ ভাসাতে অনেকেই ভিড় জমাচ্ছে। ছবি আর সেলফি তুলে স্মৃতি হিসেবে ক্যামেরাবন্দি করছে নিজেদের।
যেভাবে যাবেন, সদরপুর সদর থেকে মনিকোঠাবাজার হয়ে সরাসরি এক রাস্তা আকোটেরচর বাজার। যারা নিজেদের বাইকে যাবেন অথবা একটু কম সময়ে যেতে চাইলে শর্টকাট যেতে পারেন, ফরিদপুর সদর থেকে প্রথমে গজারিয়া বাজার, তারপর হাট কৃষ্ণপুর বাজার, বাজারের ভেতর দিয়ে যেতে হবে ভাষানচর নতুন বাজার, এরপর জয়বাংলা বাজার, এরপরে, জামতলা বাজার, খেজুরতলা বাজার, গাবতলা বাজার, মণিকোঠা বাজার, আকোটের চর বাজার, নদী পার হলেই গুচ্ছগ্রাম তার একটু সামনেই কাশবন।
শরৎ এলেই নীল আকাশে পেঁজা তুলোর মেলা, কাশফুলেরই সঙ্গে মিসে করছে যেন খেলা’ ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতি দুই মাস পর পর একটি ঋতুর বদল হয়ে থাকে। একটা সময় আষাড় এবং শ্রাবণ মাস মিলেই বর্ষাকাল হতো। প্রকৃতির আপন ইচ্ছায় তা প্রায় পাল্টে যাওয়ার অতিক্রম। কিন্ত মাসের পরিবর্তন হলেও কাল অপরিবর্তিত রয়েছে।