23/10/2026
#তেঁতুলিয়ার চেয়ে সিলেট, কুয়াকাটা, বান্দরবানে হোটেল ভাড়া কম। ঘুরতে যেতে চাইলে সিলেট যান। চা বাগান, পাহাড় সবই দেখতে পাবেন। মিরিঞ্জা ভ্যালিতে যান। সুন্দর সকাল উপভোগ করতে পারবেন। এইসব স্থানের প্রশাসন, স্থানীয় লোকজন পর্যটন বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।
তেঁতুলিয়া কোন পর্যটন বান্ধব এলাকা না। এখানে হোটেল, রিসোর্টে রুম ভাড়া জ্যামিতিক আকারে বৃদ্ধি পায়। পর্যটন বেশি দেখলেই সব কিছুর দাম বেড়ে যায়। ভোরবেলায় ডাকবাংলো-তে ১০ টাকার চা ২০ টাকা হয়ে যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের জন্য কোন শাটল সার্ভিস নেই। রেষ্ট হাউজ নেই। নেই পর্যটন স্পটগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ। হাসিনার আমলে চালু হওয়া ডাকবাংলো ইকোপার্কের মিনি চিড়িয়াখানার হরিণ সহ অন্যান্য প্রাণী দিনাজপুরের রামসাগর ইকোপার্কে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলাবান্ধায় ধুলার কারণে যাওয়া যায় না। তেঁতুলিয়াতে ঢুকতেই গোবরা নদীর পঁচা গন্ধ দিয়ে স্বাগত জানানো হয় পর্যটকদের। নতুন কোন স্পট কিংবা পার্ক করার উদ্যোগ নেই। এক বড়বিল্লায় ব্যাক্তি উদ্যোগে কিছুটা কাজ হলেও সেখানে স্পট ভাড়া আকাশচুম্বী!
এইভাবে চলতে থাকলে সাজেকের মতো পর্যটন ব্যাবসায় ধস নামবে। মানুষ ঐ সাদা পাহাড় দেখতে এইখানে পানির মতো টাকা উড়াইতে আসবে না।
শেষ কথা, তেঁতুলিয়ার কোন অভিভাবক নেই!
ঘটনা সত্যি হলে #জেলা_প্রশাসকের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরী 😪
#কপি পেস্ট