Traveler's Voyages Network

Traveler's Voyages Network Traveler's Voyages Network
(একসাথে বায়তুল্লাহ'র পথে) For your assistance of:
Student Visa
Tourist Visa
Air Ticket
Hotel Booking
Hajj & Umrah Visa

শুভ দুপুর
03/01/2026

শুভ দুপুর

20/12/2025

শুভ সকাল

31/03/2025

اللَّـهُ أَكْبَرُ اللَّـهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّـهُ وَاَللَّـهُ أَكْبَرُ اللَّـهُ أَكْبَرُ وَلِِلَّـهِ الْحَمْد

عيد مبارك💫
🎊تقبل الله منا ومنكم🎉🎉
___________________
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু।

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
-আল্লাহ তায়ালা আমাদের এবং আপনাদের পক্ষ থেকে (সকল সৎ আমল/কাজ) কবুল করুন, আমিন।

থাইল্যান্ড ই-ভিসা: বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ভ্রমণ সুবিধা শুরু হতে যাচ্ছে! 🌏থাইল্যান্ড ভ্রমণ এখন আরও সহজ হতে চলেছে! নতুন ই-...
19/12/2024

থাইল্যান্ড ই-ভিসা: বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ভ্রমণ সুবিধা শুরু হতে যাচ্ছে! 🌏
থাইল্যান্ড ভ্রমণ এখন আরও সহজ হতে চলেছে! নতুন ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া হবে সহজ এবং দ্রুত।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১৯ ডিসেম্বর ২০২৪: বাংলাদেশি অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা প্রয়োজন থাকবে না।
২ জানুয়ারি ২০২৫: সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে।
ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
১. অনলাইন আবেদন
থাইল্যান্ড ই-ভিসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করুন:
👉 https://www.thaievisa.gov.th
আবেদন ফর্ম পূরণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন।
📌 পাসপোর্ট জমা দিতে হবে না।
২. ফি পরিশোধ
আবেদন জমা দেওয়ার "Payment Info Summary" শীট পাবেন যার মাধ্যমে ভিসা ফি প্রদান করতে হবে।
অনলাইনে ফি পরিশোধ করুন:
👉 Commercial Bank of Ceylon এর মাধ্যমে।
📌 ক্যাশ পেমেন্ট গ্রহণযোগ্য নয়।
৩. ভিসা অনুমোদন
আবেদন জমা দেওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ই-ভিসা অনুমোদন পাওয়া যাবে।
অনুমোদিত ই-ভিসা আপনার ইমেইলে পাঠানো হবে।
ই-ভিসা ব্যবহার
✅ অনুমোদিত ই-ভিসার একটি প্রিন্ট কপি নিন।
✅থাইল্যান্ডে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশনে এটি প্রদর্শন করুন।
বর্তমান ভিসা সেন্টারের আপডেট
ই-ভিসা সিস্টেম চালুর প্রস্তুতির জন্য ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে ঢাকার চারটি ভিসা সেন্টারে আবেদন গ্রহণ বন্ধ থাকবে। (যদিও ইতিমধ্যে প্রচুর ফাইল এর চাপের কারনে তারা সকল ধরনের ফাইল নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।)
যোগাযোগের ঠিকানা
📍 থাই রয়্যাল এম্বাসি, ঢাকা
📞ফোন: (880 2) 5881 3260-1, 5881 2795
📧ইমেইল: [email protected]
🌐ওয়েবসাইট: thaiembassy.org/dhaka

হজের ৫ দিনের ধারাবাহিক কাজ ও নিয়মসমূহপবিত্র হজ ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান ন...
16/12/2024

হজের ৫ দিনের ধারাবাহিক কাজ ও নিয়মসমূহ

পবিত্র হজ ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। সামর্থ্য থাকার পরও হজ না করার পরিণাম ভয়াবহ। ফরজ হজ ত্যাগ করলে ইহুদি-নাসারার মতো মৃত্যু হবে বলে হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘হজ ফরজ হওয়ার পর তা আদায় না করে মৃত্যুবরণ করা ইহুদি বা খ্রিস্টান হয়ে মৃত্যুবরণ করার নামান্তর।’ (তিরমিজি ১/১৬৭)

হজ সম্পাদন প্রক্রিয়া

হজ সম্পাদন প্রক্রিয়া হিসেবে তিন প্রকার- যথা ইফরাদ, কিরান ও তামাত্তু। শুধু হজের ইহরামের নিয়ত করে তা সম্পন্ন করলে একে ‘ইফরাদ হজ’ বা একক হজ বলা হয়। হজ ও ওমরাহর জন্য একত্রে ইহরামের নিয়ত করে একই ইহরামে তা সম্পন্ন করলে তাকে ‘কিরান হজ’ বা যৌথ হজ বলা হয়। একই সফরে প্রথমে ওমরাহর ইহরামের নিয়ত করে, তা সম্পন্ন করে হজের জন্য নতুন করে ইহরামের নিয়ত করে তা সম্পাদন করাকে ‘তামাত্তু হজ’ সুবিধাজনক হজ বলা হয়। কিরান ও তামাত্তু হজে কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব। এতে অপারগ হলে দশটি রোজা পালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্তত তিনটি রোজা হজের সময় মক্কা শরিফে রাখতে হবে। হজ সম্পাদনরত হাজিরা ৯ জিলহজ (হজের বা আরাফাতের দিন) ও ১০ জিলহজ (কোরবানির ঈদের দিন) ব্যতীত অন্য দিনগুলোতে রোজা পালন করতে পারবেন।

কিরান হজ উত্তম হলেও কষ্টকর। এজন্য আমাদের দেশের বেশিরভাগ হজযাত্রী হজে তামাত্তু পালন করেন। এজন্য এখানে তামাত্তু হজের পাঁচ দিনের করণীয়গুলো ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো

১. ওমরাহর ইহরাম (ফরজ)

পরিষ্কার-পচ্ছিন্নতা সেরে গোসল বা অজু করে নিন।

মিকাত অতিক্রমের আগেই সেলাইবিহীন একটি সাদা কাপড় পরিধান করুন, আরেকটি গায়ে জড়িয়ে নিয়ে ইহরামের নিয়তে দুই রাকাত নামাজ পড়ে নিন।

শুধু ওমরাহর নিয়ত করে এক বা তিনবার তালবিয়া পড়ে নিন। তালবিয়া হলো- ‘লাব্বাইকা আলাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাকা।

২. ওমরাহর তাওয়াফ (ফরজ)

অজুর সঙ্গে ইজতিবাসহ তাওয়াফ করুন। ইহরামের চাদরকে ডান বগলের নিচের দিক থেকে পেঁচিয়ে এনে বাম কাঁধের ওপর রাখাকে ‘ইজতিবা’ বলে।

হাজরে আসওয়াদকে সামনে রেখে তার বরাবর ডান পাশে দাঁড়ান (মেঝেতে সাদা মার্বেল পাথর আর ডান পাশে সবুজ বাতি)। এর পর দাঁড়িয়ে তওয়াফের নিয়ত করুন।

রুকনে ইয়ামানিকে সম্ভব হলে শুধু হাতে স্পর্শ করুন। তবে চুমু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এরপর হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত এসে চক্কর পুরো করুন।

পুনরায় হাজরে আসওয়াদ বরাবর দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে ইশারা করে হাতের তালুতে চুমু খেয়ে দ্বিতীয় চক্কর শুরু করুন। এভাবে সাত চক্করে তাওয়াফ শেষ করুন।

হাতে সাত দানার তসবিহ অথবা গণনাযন্ত্র রাখতে পারেন। এতে সাত চক্করে ভুল হবে না।

৩. তওয়াফের দুই রাকাত নামাজ (ওয়াজিব)

মাকামে ইবরাহিমের পেছনে বা হারামের যে কোনো স্থানে তওয়াফের নিয়তে (মাকরুহ সময় ছাড়া) দুই রাকাত নামাজ পড়ে দোয়া করুন। মনে রাখবেন, এটা দোয়া কবুলের সময়।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হজের অন্যতম ফরজ। ৯ জিলহজ দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করুন

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হজের অন্যতম ফরজ। ৯ জিলহজ দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করুন

৪. ওমরাহর সায়ি (ওয়াজিব)

সাফা পাহাড়ের কিছুটা ওপরে উঠে (এখন আর পাহাড় নেই, মেঝেতে মার্বেল পাথর, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত) কাবা শরিফের দিকে মুখ করে সায়ি’র নিয়ত করে, দোয়ার মতো হাত তুলে তিনবার তাকবির বলে দোয়া করুন। তারপর মারওয়ার দিকে রওনা হয়ে দুই সবুজ দাগের মধ্যে একটু দ্রুত পথ চলে মারওয়ায় পৌঁছলে এক চক্কর পূর্ণ হলো। মারওয়া পাহাড়ে উঠে কাবা শরিফের দিকে মুখ করে দোয়ার মতো হাত তুলে তাকবির পড়ুন এবং আগের মতো চলে সেখান থেকে সাফায় পৌঁছলে দ্বিতীয় চক্কর পূর্ণ হলো। এভাবে সপ্তম চক্করে মারওয়ায় গিয়ে সায়ি শেষ করে দোয়া করুন।

৫. হলক করা (ওয়াজিব)

পুরুষ হলে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ অনুসরণে সম্পূর্ণ মাথা মুণ্ডন করবেন, তবে মাথার চুল ছাঁটতেও পারেন। মহিলা হলে চুলের মাথা এক ইঞ্চি পরিমাণ কাটবেন।

৬. হজের ইহরাম (ফরজ)

হারাম শরিফ বা বাসা থেকে আগের নিয়মে শুধু হজের নিয়তে ইহরাম বেঁধে ৮ জিলহজ জোহরের আগেই মিনায় পৌঁছে যাবেন।

৭. মিনায় অবস্থান (সুন্নত)

জিলহজের ৮ তারিখ জোহর থেকে ৯ জিলহজ ফজরসহ মোট পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মিনায় আদায় করুন এবং এ সময়ে মিনায় অবস্থান করুন।

৮. আরাফাতের ময়দানে অবস্থান (ফরজ)

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হজের অন্যতম ফরজ। ৯ জিলহজ দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করুন। এদিন নিজ তাঁবুতে জোহর ও আসরের নামাজ স্ব-স্ব সময়ে আলাদাভাবে আদায় করুন। মাগরিবের নামাজ না পড়ে মুজদালিফার দিকে রওনা হোন।

৯. মুজদালিফায় অবস্থান (সুন্নত)

আরাফায় সূর্যাস্তের পর মুজদালিফায় গিয়ে এশার সময়ে মাগরিব ও এশা এক আজান ও এক ইকামতে একসঙ্গে আদায় করুন। এখানেই রাত যাপন করুন (এটি সুন্নত) এবং ১০ জিলহজ ফজরের পর সূর্যোদয়ের আগে কিছু সময় মুজদালিফায় অবশ্যই অবস্থান করুন (এটি ওয়াজিব)। তবে দুর্বল (অপারগ) ও নারীদের বেলায় এটা অপরিহার্য নয়। রাতে ছোট ছোট ছোলার দানার মতো ৭০টি কঙ্কর সংগ্রহ করুন। মুজদালিফায় কঙ্কর খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

১০. কঙ্কর নিক্ষেপ (প্রথম দিন)

১০ জিলহজ ফজর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত শুধু বড় জামারাকে (বড় শয়তান) সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করুন (ওয়াজিব)। এ সময়ে সম্ভব না হলে এ রাতের শেষ পর্যন্ত কঙ্কর মারতে পারেন। দুর্বল ও নারীদের জন্য রাতেই কঙ্কর মারা উত্তম ও নিরাপদ। কঙ্কর মারার স্থানে বাংলা ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়; তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং মেনে চলুন।

১১. কোরবানি করা (ওয়াজিব)

১০ জিলহজ নিক্ষেপের পরই কেবল কোরবানি নিশ্চিত পন্থায় আদায় করুন। কোরবানির পরেই কেবল হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণে মাথা হলক করুন (ওয়াজিব)।

খেয়াল রাখবেন, কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি করা ও চুল কাটার মধ্যে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি এবং ওয়াজিব। অন্যথায় দম বা কাফফারা দিয়ে হজ শুদ্ধ করতে হবে।

১২. তাওয়াফে জিয়ারত (ফরজ)

জিলহজের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের আগেই তাওয়াফে জিয়ারত করে নিতে হবে। তা না হলে ১২ জিলহজের পরে তাওয়াফটি করে দম দিতে হবে। তবে নারীরা প্রাকৃতিক কারণে করতে না পারলে পবিত্র হওয়ার পরে করবেন।

১৩. কঙ্কর মারা (ওয়াজিব)

জিলহজের ১১ ও ১২ তারিখে কঙ্কর মারা (ওয়াজিব)। ১১-১২ জিলহজ দুপুর থেকে সময় শুরু হয়। ভিড় এড়াতে আসরের পর অথবা আপনার সুবিধাজনক সময়ে সাতটি করে কঙ্কর মারবেন। প্রথমে ছোট, মধ্যম, তারপর বড় শয়তানকে। ছোট জামারা থেকে শুরু করে বড় জামারায় শেষ করুন। সম্ভব না হলে শেষরাত পর্যন্ত মারতে পারেন। দুর্বল ও নারীদের জন্য রাতেই নিরাপদ।

কঙ্কর মারার স্থানে বাংলা ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়; তা মনোযোগ দিয়ে শুনুন এবং মেনে চলুন

১৪. মিনা ত্যাগ

১৩ জিলহজ মিনায় না থাকতে চাইলে ১২ জিলহজ সন্ধ্যার আগে অথবা সন্ধ্যার পর ভোর হওয়ার আগে মিনা ত্যাগ করুন। সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করতেই হবে- এটা ঠিক নয়। তবে সূর্যাস্তের আগে মিনা ত্যাগ করা উত্তম।

১৫. বিদায়ী তাওয়াফ (ওয়াজিব)

বাংলাদেশ থেকে আগত হজযাত্রীদের হজ শেষে বিদায়ী তাওয়াফ করতে হয় (ওয়াজিব)। তবে হজ শেষে যে কোনো নফল তাওয়াফই বিদায়ী তাওয়াফে পরিণত হয়ে যায়। নারীদের মাসিকের কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারলে কোনো ক্ষতি নেই; দম বা কাফফারাও দিতে হয় না।

* # ছবি ও তথ্যসূত্র: দৈনিক কালবেলা

16/12/2024
ইউরোপের ৮ দেশের ভিসা মিলবে ঢাকায়আগামী মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে বহুজাতিক ভিসা প্রোসেসিং সার্ভিস সংস্থা ভিএফএস গ্লোবাল ...
09/12/2024

ইউরোপের ৮ দেশের ভিসা মিলবে ঢাকায়
আগামী মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে বহুজাতিক ভিসা প্রোসেসিং সার্ভিস সংস্থা ভিএফএস গ্লোবাল ঢাকায় সুইডিশ দূতাবাসের সহযোগিতায় বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেনে যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা আবেদনের জন্য একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করবে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার সুইডিশ দূতাবাস থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে সব আবেদনকারীদের অবশ্যই ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে শেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আগাম একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে হবে। ওয়াক-ইন আবেদন আর গ্রহণ করা হবে না। অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটটি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তাই নিজেকেই বুক করতে হবে।

আবেদনকারী যখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন তখন ভিএফএস গ্লোবাল দ্বারা একটি পরিষেবা ফি চার্জ করা হবে। আবেদনকারী যদি অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য উপস্থিত না হন বা আবেদনকারীর নির্ধারিত সময়ের স্লটের ২৪ ঘণ্টা আগে আপনি এটি বাতিল করেন তবে ফি ফেরত দেয়া হবে না।

আবেদনকারীর ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য যদি বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া বা সুইডেন ভ্রমণ করা হয় তাহলে অনুগ্রহ করে শুধুমাত্র ঢাকায় ভিএফএস গ্লোবাল সুইডেনের সঙ্গে একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন।

অনুসন্ধানের জন্য অনুগ্রহ করে ভিএফএস হেল্প ডেস্কে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। (+88) 09606 777 333 বা (+88) 09666 911 382 (সর্বজনীন ছুটি ছাড়া রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত)।

এ ছাড়াও https://vfsforms.mioot.com/forms/CFNC/-এ যোগাযোগ ফর্মের মাধ্যমে ভিএফএস গ্লোবালের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন জার্নি যা পর্তুগাল থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত হতে পারে এক অদ্বিতীয় অভিজ্ঞতা!যাত্রার দৈর্ঘ্য: ২১ দিন...
05/12/2024

বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন জার্নি যা পর্তুগাল থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত হতে পারে এক অদ্বিতীয় অভিজ্ঞতা!

যাত্রার দৈর্ঘ্য: ২১ দিন
মোট দূরত্ব: প্রায় ১৮,৭৫৫ কিলোমিটার
অতিক্রান্ত দেশ: ১৩টি

এক অভাবনীয় ট্রেন জার্নি যা শুরু হয় ইউরোপের পশ্চিম প্রান্ত, পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে এবং শেষ হয় এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে। এই যাত্রা আপনাকে দুই মহাদেশ, ১৩টি দেশ এবং অসংখ্য সাংস্কৃতিক ও ভৌগলিক বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। এটি একক কোনো ট্রেন যাত্রা নয়; আপনাকে বিভিন্ন দেশের সীমানায় ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যাত্রাপথের ভৌগলিক বিশ্লেষণঃ-

১. পর্তুগাল:- যাত্রার শুরু লিসবন সান্তা আপোলোনিয়া স্টেশন থেকে।
• আকর্ষণ: পুরনো শহর, ট্যাগাস নদীর তীর, এবং বিখ্যাত বেলেম টাওয়ার।
• পরিবেশ: আরামদায়ক শুরুর পথ, রোলিং পাহাড় আর আটলান্টিক উপকূলের মনোরম দৃশ্য।

২. স্পেন:- পর্তুগাল থেকে স্পেনে প্রবেশ করলে যাত্রা চলে মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা হয়ে।
• আকর্ষণ: গথিক স্থাপত্য, ফ্লামেঙ্কো নৃত্য, এবং পাইরিনিস পর্বতের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

৩. ফ্রান্স:- স্পেন থেকে ফ্রান্সে পা রাখলে আপনি প্যারিসের মোহনীয় শহর এবং তারপরে পূর্ব দিকে রাইন নদীর তীরে যাত্রা করবেন।
• আকর্ষণ: আইফেল টাওয়ার, লুভর মিউজিয়াম, এবং খ্যাতনামা ওয়াইন তৈরির এলাকা।

৪. জার্মানি:- ফ্রান্স থেকে জার্মানিতে প্রবেশের পর যাত্রা বার্লিন, হামবুর্গ, এবং ড্রেসডেনের মতো শহর পেরিয়ে যাবে।
• আকর্ষণ: ইতিহাসে ভরা শহর, ব্ল্যাক ফরেস্ট, এবং ড্যানিউব নদীর তীর।

৫. পোল্যান্ড:- পোল্যান্ডে যাত্রা শুরু হবে ওয়ারশ থেকে ক্রাকো পর্যন্ত।
• আকর্ষণ: ঐতিহাসিক দুর্গ, পুরনো শহরের চিত্র, এবং অসাধারণ ভৌগলিক বৈচিত্র্য।

৬. বেলারুশ:- পোল্যান্ড থেকে বেলারুশে পা রাখলে যাত্রা চলবে মিনস্ক শহরের মধ্য দিয়ে।
• আকর্ষণ: বিশাল সবুজ প্রান্তর এবং প্রাচীন স্থাপত্য।

৭. রাশিয়া:- বেলারুশের পরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ার বিস্তৃত ভূমিতে প্রবেশ। এখানে যাত্রার বেশিরভাগ সময় কাটবে।
• ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলওয়ে: রাশিয়ার মধ্য দিয়ে ৯,২৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রা হবে অন্যতম প্রধান অংশ।
• আকর্ষণ: মস্কো, লেক বাইকাল, ইউরাল পর্বতমালা, এবং সাইবেরিয়ার বন।

৮. মঙ্গোলিয়া:- রাশিয়া থেকে মঙ্গোলিয়ার বিশাল তৃণভূমিতে যাত্রা শুরু।
• আকর্ষণ: বিশাল তৃণভূমি, জার্ম ঘরবাড়ি, এবং সুমেরু মরুভূমি।

৯. চীন:- মঙ্গোলিয়া থেকে চীনে প্রবেশ করলে যাত্রা চলে বেইজিং, সাংহাই, এবং গুয়াংজু শহরের মধ্য দিয়ে।
• আকর্ষণ: চীনের প্রাচীর, ইয়াংজে নদী, এবং আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার সংমিশ্রণ।

১০. লাওস:- চীনের দক্ষিণে লাওস, যেখানে যাত্রা ধীর ও শান্তিময় হয়ে ওঠে।
• আকর্ষণ: গ্রাম্য পরিবেশ, মেকং নদী, এবং লুয়াং প্রাবাং শহরের বৌদ্ধ মন্দির।

১১. থাইল্যান্ড:- লাওস থেকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক হয়ে মালয়েশিয়ার দিকে যাত্রা।
• আকর্ষণ: চাও ফ্রায়া নদীর তীর, সোনালী মন্দির, এবং থাই সংস্কৃতি।

১২. মালয়েশিয়া:- অবশেষে এই দীর্ঘ যাত্রার সমাপ্তি হয় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে।
• আকর্ষণ: পেট্রোনাস টাওয়ার, আধুনিক স্থাপত্য, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।

এই যাত্রার বিশেষত্বঃ-

ভ্রমণের অভিজ্ঞতা:- বিশ্বের দুটি মহাদেশ এবং ১৩টি দেশ একক ভ্রমণে দেখা। স্থানীয় সংস্কৃতি, ভাষা, খাবার, এবং পরিবেশের অনন্য অভিজ্ঞতা।

প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ:- রোলিং হিল, হিমবাহ, মরুভূমি, তৃণভূমি, এবং নদী পেরিয়ে যাত্রা।বিভিন্ন ঋতুর বৈচিত্র্যময় রূপ উপভোগ।

ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন:- প্যারিসের লুভর থেকে চীনের প্রাচীর পর্যন্ত অসংখ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন।

যাত্রার চ্যালেঞ্জ এবং প্রস্তুতিঃ-
ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া:- বিভিন্ন দেশের সীমানায় কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সময় লাগতে পারে।ভিসা:- প্রতিটি দেশের জন্য পূর্ব-নির্ধারিত ভিসা প্রয়োজন।ট্রেন পরিবর্তন:- যাত্রার মধ্যে বেশ কয়েকবার ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে।
খরচ:- ২১ দিনের এই দীর্ঘ যাত্রার জন্য প্রায় $১০,০০০ থেকে $১৫,০০০ খরচ হতে পারে।

এই ২১ দিনের ট্রেন জার্নি শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ নয়, এটি একটি জীবনের অভিজ্ঞতা। এই যাত্রা আপনাকে বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ইতিহাস, এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে পরিচিত করাবে। একক ভ্রমণে এত দেশ অতিক্রম করার সুযোগ বিরল। তাই, জীবনে যদি কখনো সুযোগ আসে, তবে এই যাত্রাটি অবশ্যই আপনার করা উচিত।

“একটি ট্রেন জার্নি আপনাকে শুধু গন্তব্যে নিয়ে যায় না; এটি আপনাকে শেখায় পৃথিবী কতোটা বিশাল এবং বৈচিত্র্যময়।”

Address

বাড়ী # ১৪, রোড # মেইন রোড, ব্লক # বি, বনশ্রী, রামপুরা
Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traveler's Voyages Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category