17/05/2025
ভিজিটর আদম!
ভিজিট ভিসায় বিদেশে যাবার লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।
আমেরিকা, ইউরোপ থেকে শুরু করে মালদ্বীপ! পৃথিবীর অনেক দেশেই ভিজিট ভিসায় ব্যবসায়ীরা আদম পাঠায়।
এই যাত্রীরাই পরবর্তীতে সেসব দেশে স্থায়ী হয়ে দেশে রেমিট্যান্সের যোগান দেয়। অনেকেই হয়ে যায় প্রতিষ্ঠিত।
তবে এতে ক্ষতি হয়ে যায় পরবর্তীতে ভিজিট ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে। সেসকল দেশ যখন গুনতে থাকে যে ভিজিটের যাত্রী ভেতরেই রয়ে গেছে তখনই ভিসা দেয়া কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়।
যারা ভিজিট ভিসায় যাচ্ছেন তাদের বলি একটা ফাঁক আছে এখানে। একজন ব্যবসায়ী কেমন ব্যবসা করছে সেটাই দেখার বিষয়, যে পরিমান টাকা সে নিচ্ছে, তেমন সেবা দিচ্ছে কি-না?
মালয়েশিয়ায় ভিজিট আদম করে অনেকেই আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে, ব্যাটে বলে না মিললে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীনও হয়েছে।
ভিজিট ভিসা। (কখনো এখানে বাড়তি খরচ হতে পারে)
এয়ার টিকিট।
ফেক হোটেল বুকিং।
ফেক ইন্সুরেন্স।
ঢাকা এয়ারপোর্টে কারো কারো জন্য ঘুষের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন করানো।
স্মার্ট যাত্রীদের ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশনে ঘুষ না লাগার সম্ভাবনা থাকে।
যাদের দু-একবার অন্য দেশে যাবার অভিজ্ঞতা আছে তাদের ক্ষেত্রেও ইমিগ্রেশন সহজ হতে পারে।
এখান থেকে ফ্লাইট ধরে মালয়েশিয়া এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌঁছানো যায়। সমস্যা হয়ে যায় সেখানকার ইমিগ্রেশনে।
চতুর আদম ব্যবসায়ী হলে মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনে ঘুষের চুক্তি করেই যাত্রীদের ফ্লাইট করাবে।
চুক্তি যখন করতে পারবে না তখন ফ্লাইট দেবে না। অপেক্ষা করবে। অন্তত ইমিগ্রেশন নিশ্চিত না হলে ফ্লাইটের টিকিটই করবে না।
অন্যদিকে টাকার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা শয়তান হলে টাকা নিয়েও ইমিগ্রেশন চুক্তি করবে না।
বিপত্তি বাঁধবে তখন-ই। সহজ সরল লোক গুলো সর্বস্ব হারাবে।
আর এই ব্যবসায়ী তখন পালাবে কিংবা গাদ্দারি করবে।
যে ফ্লাইটে বসে আমি লিখছি এখানে ২৫/৩০ জন যাত্রী আছে যারা ফেরত যাচ্ছে। এদের চুক্তি নাই। এরা হেনস্থার স্বীকার হয়েছে।
ফোনে আলাপ করতেছিল শারিরীক প্রহার করা হয়েছে। সাথে থাকা টাকা পয়সা মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন পুলিশ নিয়ে গেছে।
সাধারণের জন্য বলছি-
ভিজিট ভিসায় আদম হতে হলে বিস্তারিত জেনে বুঝে নেয়াই উত্তম।
যে দেশের আদমই হন, আগে এ টু জেড আলাপ করে নেবেন। ক্ষতি হয়ে গেলে কতোটুকু আপনার যাবে, কতোটুকু ব্যবসায়ীর যাবে সেটাও আগে আলাপ করে নেবেন।
না বুঝে না জেনে বিপদে পা ফেলবেন না।
ওয়াহিদ।