About Bangladesh

About Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from About Bangladesh, Tourist Information Center, Lake Drive Road, Sector # 7 , Uttara, Dhaka.

বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে শুরু করে দেশের জনসংখা ,জলবায়ু,ভাষা ও শিক্ষা,অর্থনীতি,পর্যটন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, জাতীয় প্রতিক, প্রতিটি বিভাগ ও এর অন্তর্ভুক্ত সকল জেলা,উপজেলা, থানা,গ্রাম ,পুরাকীর্তি, দশনীয় স্থান,ভ্রমন গাইড সহ সকল তথ্য দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের তথ্য সম্পর্কিত একটি পেজ । বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে শুরু করে দেশের জনসংখা ,জলবায়ু,ভাষা ও শিক্ষা,অর্থনীতি,পর্যটন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, জাতীয় প্রতিক, প

্রতিটি বিভাগ ও এর অন্তর্ভুক্ত সকল জেলা,উপজেলা, থানা,গ্রাম ,পুরাকীর্তি, দশনীয় স্থান,ভ্রমন গাইড সহ সকল তথ্য দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের রয়েছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। প্রসিদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির পাশাপাশি শান্ত নদী, নজরকাড়া পাহাড়, বিবিধ সংস্কৃতি, এবং বিভিন্ন বর্ণিল উৎসব বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই করে তুলেছে অপরূপ। বাংলাদেশ এটি এমন একটি দেশ যেখানে রয়েছে গল্পের পেছনে গল্প,চমৎকার আতিথেয়তা, অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য । পর্যটন হিসাবে বাংলাদেশ একটি চমৎকার দেশ, বাংলাদেশ এ ঘুরে দেখার মতো রয়েছে অনেক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ,নদ-নদী,পাহাড়,সুমুদ্র,ঐতিহাসিক স্থাপত্ব,পুরাকীর্তি,দর্শনীয় স্থান ।

বুড়িগঙ্গা: কোথায় ছিলে, কোথায় গেলে! ঢাকা: ধ্বংসস্তূপের এক নগরীএকসময়ের 'পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর নগরী' ঢাকা আজ যেন এক যুদ্ধবি...
19/10/2025

বুড়িগঙ্গা: কোথায় ছিলে, কোথায় গেলে! ঢাকা: ধ্বংসস্তূপের এক নগরী
একসময়ের 'পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর নগরী' ঢাকা আজ যেন এক যুদ্ধবিধ্বস্ত ধ্বংসস্তূপ। কালের পরিক্রমায় মোগল ও ইংরেজদের বর্ণনায় যে শহরটির তুলনা ছিল না, সেই ঢাকা আজ পরিবেশগত বিপর্যয়ের শিকার।

যে বুড়িগঙ্গা ছিল প্রাণের ধারা:
ইতিহাস বলে, বুড়িগঙ্গা নদী একসময় মোহাম্মদপুরের ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদের পাশ ঘেঁষে বইতো। মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো নৌকা, চলত জনজীবনের কোলাহল। কিন্তু দখল ও ভরাটের মহোৎসবে সেই বুড়িগঙ্গা আজ মূল চ্যানেল থেকে সরে গিয়ে প্রায় আড়াই কিলোমিটার পশ্চিমে, বসিলারও পরে কেরানীগঞ্জের সীমানায় সংকুচিত ও দূষিত রূপে কোনোমতে টিকে আছে। মূল বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল (মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, হাজারীবাগ এলাকা) আজ হয় দখল হয়ে বসতি, নয়তো নর্দমায় পরিণত।

নদী ও খাল বেষ্টিত ঢাকা:
ঢাকার চতুর্দিকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও বংশী—এই চারটি প্রবাহমান নদী এবং শহরের অভ্যন্তরে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা ৮২টি খাল ছিল ঢাকার প্রকৃতির ঢাল। এই খাল আর নদীপথের কারণেই ঢাকা ছিল বিশ্বের অন্যতম সহজ নৌ-যোগাযোগের শহর। এমনকি টানা দশ বছর বৃষ্টি হলেও এই শহরে জলাবদ্ধতা হতো না—যা ছিল এক অসাধারণ প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা।

বর্তমান করুণ পরিণতি:
আজ সেই নদী ও খালগুলো দখল আর দূষণে মৃতপ্রায়। নগরের খালগুলোর অধিকাংশই বিলীন, ভরাট ও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ফলস্বরূপ, মাত্র ১৫ মিনিটের বৃষ্টিতেই পুরো শহরে তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। নাগরিক দুর্ভোগ এতটাই বেড়েছে যে ঠাট্টা করে প্রশ্ন ওঠে—"জাতীয় সংসদ ভবন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?" এই পরিস্থিতি ঢাকার অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং প্রকৃতির ওপর অবিচারকে স্পষ্ট করে তোলে।

প্রকৃতির প্রতি এই অবহেলা আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধ্বংস করে দিয়ে একটি বাস অনুপযোগী শহরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ঢাকার এই পরিবর্তন যেন এক সুন্দর নগরীর ধ্বংসাবশেষের করুণ উপাখ্যান।

* ছবিতে যা আছে: ১৬৮০ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত সাত গম্বুজ মসজিদ-এর সামনের দিকে কোনো ঘাট বা তীর, যেখানে নদীর কালো জল নয়, স্বাভাবিক স্বচ্ছ জল দেখা যাচ্ছে এবং সেখানে নৌকা বা লঞ্চ ভিড়ানো আছে। মসজিদের পাশ দিয়ে নদী বয়ে যাচ্ছে—এমন চিত্র।

ছবিটির বর্ণনা (সাত গম্বুজ মসজিদ ও বুড়িগঙ্গা নদীর পুরোনো দৃশ্য)

১. স্থাপত্য ও পরিবেশ:
ছবিতে দেখা যাচ্ছে মুঘল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি একটি সুন্দর মসজিদ, যা সাত গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত। মসজিদটি একটি উঁচু প্ল্যাটফর্ম বা টিলার উপর প্রতিষ্ঠিত, যার চারপাশ বাঁধানো প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্ল্যাটফর্মের নিচে সবুজ ঘাসযুক্ত জমি রয়েছে, যা সম্ভবত মসজিদের প্রাঙ্গণ।

২. নদীর উপস্থিতি:
সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, মসজিদটি সরাসরি একটি বিশাল জলরাশির তীরে অবস্থিত। এটিই একসময়ের বুড়িগঙ্গা নদী-র সেই প্রশস্ত রূপ। নদীর জল তখন কতটা পরিষ্কার ছিল, তা ছবির দৃশ্য থেকে অনুমান করা যায়। দিগন্তজুড়ে জলরাশি, যার অপর প্রান্ত আবছা দেখা যাচ্ছে। নদীর বিস্তৃতি দেখে বোঝা যায়, এটি এককালে ঢাকার প্রধান নৌপথ ছিল।

৩. নৌযান ও ঘাট:
মসজিদের প্ল্যাটফর্মের ডান পাশে, নদীর সাথে সংযুক্ত একটি বাঁধানো ঘাট দেখা যাচ্ছে। ঘাটের সাথে বড় আকারের কয়েকটি ঐতিহ্যবাহী নৌকা বা ছোট লঞ্চ ভেড়ানো আছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে এই স্থানটি সে সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাপথ বা বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল। দূর দিগন্তে আরও কয়েকটি নৌযান দেখা যাচ্ছে, যা নদীর প্রাণবন্ত চলাচলকে প্রমাণ করে।

৪. সার্বিক আবহাওয়া:
ছবিটির আবহাওয়া মেঘলা বা বর্ষার মাঝামাঝি সময়ের হতে পারে। আকাশজুড়ে মেঘ, যা ছবিটিকে একটি স্নিগ্ধ ও গম্ভীর ভাব দিয়েছে। সবমিলিয়ে, ছবিটি ঢাকার ইতিহাসের এক গৌরবময় সময়ের চিত্র, যখন প্রকৃতি ও স্থাপত্য সহাবস্থান করত।

বর্তমানে ছবির এই অংশে যা আছে:
আপনার আগের বার্তায় দেওয়া তথ্যের মতোই, এই স্থানটির বর্তমান বাস্তবতা সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন। একসময়ের নদী তীর আজ একটি ব্যস্ততম সড়ক ও জনবহুল এলাকায় পরিণত হয়েছে।

১. বুড়িগঙ্গা নদীর অবস্থান:
* ছবিতে যে প্রশস্ত নদীটি দেখা যাচ্ছে, সেটি আর এখানে নেই। নদীটি ভরাট হতে হতে এবং দখলদারিত্বের ফলে মসজিদ থেকে বহু দূরে (প্রায় আড়াই কিলোমিটার পশ্চিমে) সরে গেছে।

* মসজিদের পাশ দিয়ে যে অংশটি বয়ে যেত, সেটিই ছিল আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল। বর্তমানে এই চ্যানেলটি মূলত ভরাট হয়ে যাওয়া একটি সরু নর্দমা বা খাল-সদৃশ জলাধার হিসেবে পরিচিত।

২. ভূমির পরিবর্তন ও স্থাপনা:
* মসজিদের সামনে নদীর জায়গায় এখন বিশাল এলাকা জুড়ে ভূমি ভরাট হয়ে গেছে।

* বর্তমানে এই জায়গাটিতে চলে গেছে ব্যস্ত 'সাত মসজিদ রোড' এবং এর দুই পাশে গড়ে উঠেছে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা, যেমন মোহাম্মদপুর, চান মিয়া হাউজিং ও অন্যান্য আবাসন প্রকল্প।

* একসময়ের ঘাট ও তীরবর্তী সবুজ প্রাঙ্গণ এখন ভবন, দোকানপাট, মাদ্রাসা এবং অন্যান্য অবকাঠামোতে ঢাকা পড়েছে।
৩. পরিবেশ ও যোগাযোগ:

* নৌ যোগাযোগের কেন্দ্র এখন পরিণত হয়েছে যানজটপূর্ণ সড়ক পথে।

* ছবির সেই মনোরম শান্ত পরিবেশ আর নেই। এলাকাটি এখন ঢাকার
একটি অন্যতম ব্যস্ত ও কোলাহলপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

সংক্ষেপে, ছবিতে যে নদীর কোল ঘেঁষা শান্ত, প্রশস্ত বুড়িগঙ্গা দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে তার চিহ্নমাত্র নেই। সেখানে এখন সড়ক, গাড়ি, বহুতল ভবন এবং কোলাহলপূর্ণ জনজীবনের ভিড়। এটিই ঢাকার অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং নদী ধ্বংসের করুণতম উদাহরণগুলির মধ্যে অন্যতম।
ছবি : ছবিটি সম্ভবত বিশ শতকের প্রথমার্ধ বা মাঝামাঝি সময়ে (যেমন ১৯৫০ বা ১৯৬০-এর দশক) তোলা হয়েছিল।

05/09/2024

শহীদী মার্চ | ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
এ যেন এক নতুন বাংলাদেশ

04/09/2024

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
ও সে সকল দেশের রাণী, সে যে আমার জন্মভূমি

পাখির চোখে বাংলাদেশ
🛰 Nishaan Ahmed


03/09/2024

বাংলাওয়াশ
কাল ছায়া দূর হওয়ার পরে দেশে খালি বিজয় আসে।
আলহামদুলিল্লাহ




Congratulations to the Bangladesh Cricket Team for Winning a Test Series Against Pakistan.
03/09/2024

Congratulations to the Bangladesh Cricket Team for Winning a Test Series Against Pakistan.





বাংলাদেশের যে কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান লোকজীবনের সঙ্গে মিশে আছে, বাঁশ-বেত তাদের অন্যতম। সাধারণত গ্রামের লোকেরা এ শিল্পের...
29/08/2024

বাংলাদেশের যে কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান লোকজীবনের সঙ্গে মিশে আছে, বাঁশ-বেত তাদের অন্যতম। সাধারণত গ্রামের লোকেরা এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত এবং বেশির ভাগ তারাই এসব ব্যবহার করে। বাংলাদেশের লোকজীবনের খুব কম দিকই আছে যেখানে বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী ব্যবহূত হয় না। বাঁশের তৈরি এই শিল্প দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী ছাড়াও ক্ষুদ্র ও নৃ-গোষ্ঠীদের জীবনাচরণ ও অনুভূতির প্রতীক।

আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে বাঁশের তৈরি শিল্পকর্ম দীর্ঘস্থায়ী না হলেও লোকজীবনে ব্যবহারের বহুমাত্রিকতা ও প্রয়োজনের কারণে এই শিল্পকর্ম বংশপরম্পরায় চলে আসছে। গৃহস্থালিতে বেতের ব্যবহার বহুবিধ। গৃহ নির্মাণে যেমন বেতের প্রয়োজন, তেমনি শৌখিন সজ্জাতেও বেতের কদর রয়েছে। দেশের কোন কোন এলাকায় মহিলারা বেতের কাজে পুরুষদের চেয়ে বেশি দক্ষ।

বাঁশ ও বেতের তৈরি কুলা, চালুন, খাঁচা, মাচা, মই, চাটাই, ঢোল, গোলা, ওড়া, বাউনি, ঝুঁড়ি, ডুলা, মোড়া, মাছ ধরার চাঁই, মাথাল, সোফাসেট, বইপত্র রাখার র‌্যাকসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র, বাঁশের ঘর, বেড়া, ঝাপ, বেলকি, দরমা বাংলাদেশের নিজস্ব শিল্প-সংস্কৃতির প্রতীক। দৈনন্দিন কাজে ব্যবহূত বাঁশের তৈরি গৃহস্থালি পাত্রসমূহ খুবই আকর্ষণীয়। এসব পাত্র বা ঝুড়িতে বুননের মাধ্যমে নানা ধরনের নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়।

আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্প হচ্ছে মাটির শিল্প। মাটির তৈরি শিল্পকর্মকে আমরা বলি মৃৎশিল্প। মৃৎশিল্প" শব্দটি "মৃৎ" এব...
28/08/2024

আমাদের দেশের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্প হচ্ছে মাটির শিল্প। মাটির তৈরি শিল্পকর্মকে আমরা বলি মৃৎশিল্প। মৃৎশিল্প" শব্দটি "মৃৎ" এবং "শিল্প" এই দুই শব্দের মিলত রূপ। "মৃৎ"শব্দের অর্থ মৃত্তিকা বা মাটি আর "শিল্প" বলেত এখানে সুন্দর ও সৃষ্টিশীল বস্তুকে বোঝানো হয়েছে। এজন্য মাটি দিয়ে দিয়ে তৈরি সব শিল্পকে কর্মকেই মৃৎশিল্প বলা যায়। ইংরেজিতে মৃৎশিল্পকে সাধারণত "পটারি" (Pottery) বা "সিরামিক আর্ট" (Ceramic art) নামে অভিহিত করা হয়। "সিরামিক" কথাটি গ্রিক শব্দ "কেরামিকোস" (κεραμικος) থেকে এসেছে, যেটি আবার আরেকটি গ্রিক শব্দ "কেরামোস" (κεραμος) থেকে এসেছে, যার অর্থ "কুমোরের মাটি"।এই ধরণের কাজের সাথে জড়িত তাদেরকে কুমার বা কুম্ভকার বলা হয়।
মৃৎশিল্প মানুষের প্রাচীনতম আবিষ্কার। খৃষ্টপূর্ব ২৯ হাজার থেকে ২৫ হাজার অব্দের নব্যপ্রস্তর যুগে এর সূচনা।ইতিহাস অনুযায়ী চীনের বিখ্যাত শহর থাংশান এ মৃৎশিল্পের জন্ম হয়েছিল। আর এ কারণেই এ শহরটিকে মৃৎশিল্পের শহর বলা হয়। নব্যপ্রস্তরযুগে চেক প্রজাতন্ত্রে গ্রাভেতিয়ান সভ্যতার ডলনে ভোসনিসে, জাপানের জোমোন (খ্রিস্টপূর্ব ১০,৫০০), রাশিয়ার সর্ব পূর্বে (খ্রিস্টপূর্ব ১৪,০০০), সাব-সাহারান দক্ষিণ আফ্রিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এর আবিস্কারের তথ্য পাওয়া যায়।

প্রায় সমস্ত উন্নত সংস্কৃতিতে মৃৎশিল্পের প্রাচীন ইতিহাস বিদ্যমান। প্রায়শই মৃন্ময় বস্তুগুলি বিভিন্ন বিলুপ্ত সংস্কৃতির একমাত্র শৈল্পিক প্রমাণ হিসেবে বিরাজ করে। যেমন ২০০০ বছর আগে বিলুপ্ত আফ্রিকান নোক সংস্কৃতির মৃন্ময় দ্রব্যগুলি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে। বর্তমান যুগে যেসমস্ত সংস্কৃতি তাদের উৎকৃষ্ট মৃৎশিল্পের জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য সেগুলির মধ্যে আছে চীনা মৃৎশিল্প, ভারতীয় উপমহাদেশের মৃৎশিল্প, ভূমধ্যসাগরের ক্রিট দ্বীপীয় মৃৎশিল্প, গ্রিক মৃৎশিল্প, পারসিক মৃৎশিল্প, মায়া সভ্যতার মৃৎশিল্প, জাপানি ও কোরীয় মৃৎশিল্প, এবং আধুনিক পাশ্চাত্য সংস্কৃতিগুলিতে বিদ্যমান মৃৎশিল্প।

মৃৎশিল্পের মৌলিক উপাদানগুলি হল মৃন্ময় বস্তুর আকৃতি, এটির বহির্পৃষ্ঠে রঙচিত্র অঙ্কন করে বা খোদাই করে শোভাবর্ধন, এবং এটির উপরের চকচকে প্রলেপণ। ইতিহাসের পর্বভেদে ও সংস্কৃতিভেদে এই উপাদানগুলির উপরে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় জোর দেওয়া হয়েছে।



22/08/2024

বিপর্যয়ের মুখে খাগড়াছড়ি, ডুবে গেছে শহর গ্রাম
খাগড়াছড়ি সদরের খবংপুজ্জে, উপালি পাড়া, কলেজপাড়া, নারাঙহিয়া, স্বনির্ভর এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া, পানছড়ি, দীঘিনালা, মহালছড়ির বিভিন্ন এলাকাও পানির নীচে তলিয়ে গেছে।



22/08/2024

ফেনীর বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ ধারণ করছে ক্রমশই । আজকে আরো ১৫০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবল আশংকা।

বাংলাদেশের ফেনীতে ভয়াবহ বন্যায় তিন উপজেলার দুই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় নদীগুলো বিপদসীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ বা মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই।



22/08/2024

ভালো নেই চৌদ্দগ্রাম !
মহাসড়কও পানির নিচে চলে গেলো, পূর্বপুরুষরাও কখনো বন্যা মোকাবেলা করতে হয় নাই এই উঁচু ভূমি তে। এমন বন্যা একেবারেই অভ্যস্ত না। আল্লাহ আপনি রহমত নাযিল করুন। সবাইকে হেফাজত করুন।





Address

Lake Drive Road, Sector # 7 , Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when About Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to About Bangladesh:

Share