Jewel's Travelogue

Jewel's Travelogue পৃথিবীর মানচিত্র সবাই দেখেছে। কিন্তু বিশ্ব তাকে দেখেছে যে পুরো পৃথিবী দেখেছে......

14/12/2024

কেওক্রাডং এ শুভ সকাল -

04/09/2022

আমার মুর্শিদাবাদ ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভিডিও ...

"নবাব মনসুর উল-মুল্ক সিরাজ উদ্দৌলা শাহ-কুলী খান মির্জা মুহম্মদ হয়বৎ জঙ্গ বাহাদুর" সমাধির পাশে আরো কে কে শুয়ে আছেন এই খোশবাগে তা দেখুন এই ভিডিওতে ..

দীর্ঘ বিরতির পর Nishat Mazumder আপুর পরবর্তি অভিযান 'মানাসলু'তে।আগামী ২৯ আগস্ট নেপালে রওনা হবেন এই অভিযানের জন্য। নিশাত ...
28/08/2022

দীর্ঘ বিরতির পর Nishat Mazumder আপুর পরবর্তি অভিযান 'মানাসলু'তে।আগামী ২৯ আগস্ট নেপালে রওনা হবেন এই অভিযানের জন্য।

নিশাত আপুর সঙ্গে প্রজ্ঞা নামে আরো একজন যাচ্ছেন মানাসলু'র বেসক্যাম্প পর্যন্ত এই অভিযানে।

নিশাত আপু ও প্রজ্ঞা আপুর জন্য অনেক শুভকামনা রইলো।

সুখবর সুখবর -শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশীদের জন্য “অন-এরাইভ্যাল মিসরীয় ভিসা”।
19/08/2022

সুখবর সুখবর -

শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশীদের জন্য “অন-এরাইভ্যাল মিসরীয় ভিসা”।

প্রীয় নবাবের সমাধি ..."নবাব মনসুর উল-মুল্ক সিরাজ উদ্দৌলা শাহ-কুলী খান মির্জা মুহম্মদ হয়বৎ জঙ্গ বাহাদুর" আমার মুর্শিদাবা...
18/08/2022

প্রীয় নবাবের সমাধি ...

"নবাব মনসুর উল-মুল্ক সিরাজ উদ্দৌলা শাহ-কুলী খান মির্জা মুহম্মদ হয়বৎ জঙ্গ বাহাদুর"

আমার মুর্শিদাবাদ ভ্রমণের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব গুলো আজ থেকই ধারাবাহিক ভাবে আপনাদের কাছে তুলে ধরবো...ইন শাআল্লাহ ।

চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্ট -আজ সকালে নাস্তা করলাম পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের পাশেই  ৪৭,নর্থব্রুক হল রোডে অবস্থিত ১০০ বছরের...
17/08/2022

চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্ট -

আজ সকালে নাস্তা করলাম পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের পাশেই ৪৭,নর্থব্রুক হল রোডে অবস্থিত ১০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী "চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্ট"। নর্থব্রুক হল রোড দিয়ে একটু এগুলোই চোখে পড়বে এই ঐতিহ্যবাহী চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্টটি ।

এতো পুরোনো রেস্তোরাঁ কিন্তু এখনো সেই স্টিল প্লেট এবং স্টিল গ্লাস দিয়েই খাদ্য পরিবেশ করা হয়। কালের পরিভ্রমনে অনেক কিছু পরিবর্তন হলে ও তারা তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এখনো।

জানা যায় এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা গোবিন্দ লাল পাল এই চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্টটি খোলেন।রেস্টুরেন্ট লেখাটি থাকলেও এখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবার লুচি-ডাল। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই রেস্টুরেন্টটি ছিলো কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদদের আড্ডাস্থল।ভোজনরসিক লোকদের জন্য তৈরি হতো লুচি,বুটের ডাল,চা,ডিমের ওমলেট। এলাকার লোকজন ছাড়াও আশেপাশের এলাকার লোকজন এসে ভিড় করতো এ ই রেস্টুরেন্টে।

১৯৭৫ সালে গোবিন্দ লাল পাল মারা গেলে ব্যবসার হাল ধরেন তার সন্তান স্বপন কুমার পাল ও ভোলানাথ পাল। কিন্তু আগের সেই আড্ডা এখন আর নেই।

রেস্টুরেন্টটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে রেস্টুরেন্টের মালিক স্বপন পাল বলেন, বাবা যখন দোকানদারি করতেন তখন এদেশের অনেক জ্ঞানী-গুণী,বিখ্যাত লোকজন এই দোকানে আসতেন এবং খাবারের পরও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। এটাই ছিলো তাদের সকলের আড্ডাস্থল।

তিনি বলেন, আমাদের রেস্টুরেন্টে ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী ব্রজেন দাশ, সঙ্গীত পরিচালক সমর দাশ, কবি নির্মলেন্দু গুণ, সৈয়দ শামসুল হক, অভিনেতা প্রবীর মিত্র, দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্ত, বিখ্যাত গায়ক ফকির আলমগীর সহ অনেক নাম করা ব্যক্তিরা এখানে আসতেন। এছাড়া কবি জসীম উদ্দিন বাংলাবাজারে এলেই এখানে আসতেন এক কাপ চা খেতে।

স্বপন পাল জানান, গোবিন্দ লালের সাথে এসব বিখ্যাত ব্যক্তিদের একটা ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিলো আর সে কারণেই তারা এখানে আসতেন। বর্তমানে তারা অনেকেই এখন আর বেঁচে নেই। আবার অনেকে নতুন ঢাকায় চলে গেছেন । একে তো দূরের রাস্তা আবার অন্যদিকে এখানে দিনভর লেগে থাকা তীব্র যানজট, এ কারণেই তারা এখন আর আসেন না ।

রেস্টুরেন্টটিতে লুচি ও ডাল একসাথে দেয়া হয়। লুচির দাম ৫টাকা আর ডাল মাত্র ১০ টাকা। লুচি তৈরির মূল উপাদান হলো ময়দা। ক্রেতাদের চাহিদা সামাল দিতে আগে থেকেই তৈরি থাকে ময়দার খামি। দোকানে ঢুকলেই দেখা যাবে দুইজন কারিগর ব্যস্ত লুচি বেলতে আর একজন শুধু লুচি ভাজছেন। অন্যদিকে ওয়েটারদেরও বিশ্রাম নেবার ফুসরত নেই। সারাক্ষণই ব্যস্ত ক্রেতাদের অর্ডার নেয়ার জন্য। সকলের অর্ডার একটিই লুচি-ডাল।

চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্ট প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্টের ইতিহাস বলতে গিয়ে স্বপন পাল বলেন, বাবা কিন্তু প্রথমে এখানে দোকানটি দেননি। সর্বপ্রথম দোকানটি ছিলো প্যারিদাস রোডে আর দোকানটি চালাতেন আমার ছোট চাচা কালাচান লাল পাল। যদিও দোকানটির কোনো নাম ছিলো না। পরে বাবা তাকে নিয়ে এসে আবার নতুন করে রেস্টুরেন্টটি খুললেন এবং নাম দিলেন ‘চৌরঙ্গী রেস্টুরেন্ট’।

রেস্টুরেন্টের নাম চৌরঙ্গী কেন রাখা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমরা জানি না কখনো জিজ্ঞেস করাও হয়নি তিনি যেহেতু বেঁচে নেই এখন তো আর সম্ভব না।

খাবারের মান সম্পর্কে বলতে গিয়ে স্বপন পাল বলেন, সবাই তার দোকানের খাবারের প্রশংসা করে। কিন্তু আমি কথায় বিশ্বাসী নই কাজে বিশ্বাসী। আমি শুধু বলবো আমার বাবার সম্মান যেনো কোনোভাবেই নষ্ট না হয় সেদিকেই লক্ষ্য রাখি।

এটা ছাড়া আর কোনো পেশার সাথে যুক্ত আছেন কী না?এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাবা মারা যাবার পর থেকে আমরা দুইভাই এই ব্যবসার সাথে জড়িত । এটা ছাড়া আমরা আর কিছু করি না। এটাই আমাদের দুই পরিবারের অর্থ আয়ের একমাত্র পথ।

পুরান ঢাকার যত ঐতিহ্য -পুরনো ঢাকার আলমগঞ্জের মিলব্যারাকে দেখা মিললো ধংসের দ্বার প্রান্ত দাড়িয়ে থাকা ১৮৪০ সালের অর্থাৎ ১৮...
13/08/2022

পুরান ঢাকার যত ঐতিহ্য -

পুরনো ঢাকার আলমগঞ্জের মিলব্যারাকে দেখা মিললো ধংসের দ্বার প্রান্ত দাড়িয়ে থাকা ১৮৪০ সালের অর্থাৎ ১৮২ বছরের পুরানো জাহাঙ্গীর বাদশা জামে মসজিদের,যদি ও এর ইতিহাস ঐতিহ্য সমন্ধে তেমন কোন তথ্য কেউ দিতে পারলো না। তেমন সঠিক কোন তথ্য ও কেউ দিতে পারলো না এই জাহাঙ্গীর বাদশা সমন্ধে।

এই মসজিদটি দাড়িয়ে আছে বুড়িগঙ্গার গা ঘেঁষে,এর অবস্থান দেখে এটা অনুমান করা যায় এটা বৃটিশ আমলে তৈরী করা হয়েছে অথবা ঐ আমলে এ দেশে ইসলাম প্রচার করতে এসে কেউ এটাকে তৈরি করে থাকতে পারে।

পুঠিয়া রাজবাড়ি ও তার পার্শ্ববর্তী মৌজায় মোট চৌদ্দটি মন্দির এখনো পূর্ণঅবয়বে বিদ্যমান। মন্দিরগুলোর মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন, এক...
12/08/2022

পুঠিয়া রাজবাড়ি ও তার পার্শ্ববর্তী মৌজায় মোট চৌদ্দটি মন্দির এখনো পূর্ণঅবয়বে বিদ্যমান। মন্দিরগুলোর মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন, একটি দোচালা, মিশ্ররীতির ত্রি-মনিদর, একটি অষ্টকোণা একরত্ন, দুটি সমতলছাদ বিশিষ্ট এবং বাকীগুলো পিরামিড আদলের চৌচালা ছাদ সংবলিত। মন্দিরগুলো নির্মাণে ইট ও চুন-সুরকি ব্যবহৃত হয়েছে।
অলঙ্করণ হিসেবে অধিকাংশ মন্দিরেই হিন্দু ধর্মীয় ও তদানীন্তন সামাজিক বিষয়বস্তু অবলম্বনে উৎকীর্ণ
পোড়ামাটির ফলক শিল্পের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।

বড় আহ্নিক মন্দির :-
পুঠিয়া রাজবাড়ী লেকের প্রায় ১০০ মিটার পশ্চিমে জমিদার বাড়ীর বৃহৎ দিঘীর পশ্চিম পার্শ্বে পাশাপাশি তিনটি মন্দির আছে। এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ দিকে অবস্থিত মন্দিরটি চারআনী বড় আহ্নিক নামে পরিচিত।

উত্তর দক্ষিণে লম্বা আয়তকার পরিকল্পনায়
নির্মিত তিন কক্ষ বিশিষ্ট মন্দিরের প্রবেশ পথ পূর্বদিকে অবস্থিত। এই মন্দিরের মাঝের কক্ষটিরছাদ দোচালা পদ্ধতিতে নির্মিত। দু’পাশের কক্ষ দু’টি বর্গাকার এবং চার চালা ছাদ দ্বারা আচ্ছাদিত। মন্দিরের পূর্বপার্শ্বে সম্মুখ দেওয়াল বিভিন্ন ধরণের পোড়ামাটির ফলক চিত্র দ্বারা সজ্জিত। স্থাপিত বিন্যাস অনুযায়ী স্থাপিত বিন্যাস অনুযায়ী মন্দিরটি খ্রিষ্টীয় ১৭/১৮ শতকে নির্মিত বলে অনুমিত হয় ।

পুঠিয়া বড় শিব মন্দির:-
পুঠিয়া বাজারে প্রবেশ করতেই হাতের বাম পার্শ্বে দিঘীর দক্ষিণ পাড়ে বড় শিব মন্দির অবস্থিত। ৪ মিটার উঁচু মঞ্চের উপর নির্মিত মন্দিরের প্রধান প্রবেশ পথ দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। মন্দিরে উঠার জন্য দক্ষিণ দিকে সিড়ি আছে। মন্দিরের উপর চার কোণে চারটি কেন্দ্রস্থলে একটি চুড়া বা রত্ন আছে।

কেন্দ্রীয় চূড়াটি বিশ মিটার উঁচু। চতুষ্কোণাকৃতির কাঠামোর উপরে পিরামিড আকৃতির চূড়াগুলো নির্মিত হয়েছে। চার পার্শ্বে সন্নিবেশিত রয়েছে বিভিন্ন সতরে মোচার আকারে নির্মিত অসংখ্য ছোট ছোট চূড়া মন্দিরের দেয়ালের বর্হিমূখে হিন্দু দেব-দেবীর ষ্ট্যাকূ ছিল। যা বর্তমানে প্রায় ধংসপ্রাপ্ত মন্দিরের কেন্দ্রীয় অংশে ৩.০০ মিটার বর্গাকার কক্ষ এবং এক-চার কোণে চারটি কক্ষ। কোণের চারটি কক্ষের মধ্যবর্তী স্থানে বারান্দা সন্নিবেশিত রয়েছে। মন্দিরের কেন্দ্রীয় কক্ষে বৃহৎ আকারের শিবলিঙ্গ গৌরী পট্র রয়েছে, যাতে পূজারীরা এখনও পূজা অর্চণা করে থাকে। পুঠিয়ায় অবস্থিত মন্দিরগুলোর মধ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি। ১৮২৩ খ্রিঃ পাঁচআনী জমিদার বাড়ীর রাণীভূবনময়ী দেবী এ মন্দির নির্মাণ করেন । এ মন্দির ভূবনেশ্বর মন্দির বলা হয়ে থাকে।

পুঠিয়া দোল মন্দির:-
পুঠিয়া রাজবাড়ীর সম্মুখস্থল মাঠের উভয় পার্শ্বে বর্গাকার পরিকল্পনায় নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট মন্দিরে প্রত্যেক বাহুর পরিমাপ ২১.৫৪ মিটার। ইষ্ট চুন ও সুড়কীর তৈরী দোল মঞ্চ মন্দিরটি ছোট থাকে থাকে উপরে উঠে গেছে।
চতুর্থ তলার উপরে মন্দিরের গমবুজ আকৃতির চূড়া। চূড়ার শীর্ষদেশে ফিনিয়েল দ্বারা শোভিত। প্রত্যেক তলের চারদিকে টানা বারান্দা আছে। নীচতলায় প্রত্যেক বাহুতে সাতটি করে দ্বিতলের পাঁচটি, ত্রিতলের তিনটি এবং চতুর্থ তলের প্রত্যেক বাহুতে একটি করে প্রবেশ পথ আছে। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে এ মন্দিরের উচ্চতা ২০ মিটার। মন্দিরটি উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে পুঠিয়ার পাঁচআনী জমিদার বাড়ীর হেমন্ত কুমারী দেবী কতৃক নির্মিত।

পুঠিয়া গোবিন্দ মন্দির:-
পুঠিয়া পাঁচআনী জমিদার বাড়ীর অঙ্গনে অবস্থিত গোবিন্দ মন্দির। গোবিন্দ মন্দির একটি গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি। উঁচু বেদীর উপর প্রতিষ্ঠিত মন্দিরটি বর্গাকার পরিকল্পনায় নির্মিত। মন্দির গাত্রে অসংখ্য পোড়ামাটির ফলক চিত্র আছে।

রামায়ন, মহাভারত পৌরাণিক কাহিনীর রুপায়ন ছাড়াও ফলক চিত্রের মাধ্যমে প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের ছবিও তুলে ধরা হয়েছে। এই মন্দিরটি ১৮ শতকে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।

বলে দাও -তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো, অতঃপর দেখো, যারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে, তাদের পরিণাম কী হয়েছিল....?— সুরা :-আনআম,আয়া...
10/08/2022

বলে দাও -তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো, অতঃপর দেখো, যারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে, তাদের পরিণাম কী হয়েছিল....?

— সুরা :-আনআম,আয়াত :- ১১

আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবস / World Indigenous Peoples Day -জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালে ৯ আগস্টকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস বা আন্তর্জাতিক ক্ষু...
09/08/2022

আজ বিশ্ব আদিবাসী দিবস / World Indigenous Peoples Day -

জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালে ৯ আগস্টকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস বা আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী দিবস গণ্য করায় ২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপনে কিছু তৎপরতা লক্ষ করা যায়।কিন্তু আদিবাসী শব্দের সুর্নিদিষ্ট সংজ্ঞা ও তাদের অধিকার নিয়ে রয়েছে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক তর্ক-বিতর্ক এবং আমাদের সংবিধানে বিষয়টি মীমাংসাও করা হয়েছে। তবু অতি উৎসাহীরা বিশ্ব আদিবাসী দিবসকে কেন্দ্র করে যে অভিমতসমূহ ব্যক্ত করে থাকেন তা অযৌক্তিক।

আদিবাসীরা পৃথিবীর যে কোন ভূখণ্ডের শ্রেষ্ঠতম সম্পদ। অথচ প্রায় সবখানেই তারা নিগ্রহের শিকার হয়েছে এবং হচ্ছে নানা কারণে, মূল কারণ অবশ্যই দখলদারিত্ব এবং আধুনিক মানুষের সর্বগ্রাসী লোভ। আদিবাসী মানুষেরা ভালো নেই, এবং প্রকৃতিও ভালো নেই। তারাই নিসর্গের রক্ষক ছিল এবং এখনো স্বল্প পরিসরে আছে নানা দেশে।

পৃথিবীর সকল দেশেই আদিবাসী সংস্কৃতি, ভাষা, জীবনযাত্রা সেই দেশের মানুষের বৈচিত্রতা ধারণ করে। যখনই যে দেশেই গিয়েছি সে হোক ফিনল্যান্ড, পেরু, ভারত বা চীন- অতি আগ্রহ নিয়ে জানার চেষ্টা করেছি আদিবাসীদের নিয়ে, পারলে চেষ্টা করেছি তাদের বাড়িতে যেতে। বারবারই জ্ঞান আর অভিজ্ঞতায় অবাক করে দিয়েছেন তারা, সমৃদ্ধ করেছেন এই অধমের জীবনকে।

অন্যের জীবনযাত্রা সম্পর্কে আর ও জানুন, সন্মান এমনিতেই আসবে। ভৌগোলিক অসহিষ্ণুতা যেন স্পর্শ না করে আমাদের। জগত জুড়ে ভালোবাসা থাকুক কেবল।

ছবি গুলো আমার তিন পার্বত্য জেলা ভ্রমণের সময়ে তোলা ...!!

পুঠিয়া রাজবাড়ী, রাজশাহী পর্ব নং -০১  রাজশাহী (Rajshahi) জেলার অন্যতম উপজেলা ও উপজেলা সদরদপ্তর পুঠিয়া। রাজশাহী শহর হতে ত্...
08/08/2022

পুঠিয়া রাজবাড়ী, রাজশাহী

পর্ব নং -০১

রাজশাহী (Rajshahi) জেলার অন্যতম উপজেলা ও উপজেলা সদরদপ্তর পুঠিয়া। রাজশাহী শহর হতে ত্রিশ কিলোমিটার পূর্বে এবং রাজশাহী-নাটোর মহসড়ক হতে মাত্র এক কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত পুঠিয়া রাজবাড়ি (Puthia Rajbari)। পুঠিয়া রাজবাড়ি বাংলাদেশে বিদ্যমান অন্যান্য রাজবাড়িগুলোর চেয়ে মোটামুটি সুরক্ষিত এবং নজরকাড়া স্থাপত্যে সজ্জিত।

পুঠিয়া বাজারে দক্ষিণ পার্শ্বে দ্বিতল বিশিষ্ট আয়তাকার পরিকল্পনায় নির্মিত পুঠিয়া রাজবাড়িটি একটি আকর্ষণীয় ইমারত। বহুকক্ষ বিশিষ্ট রাজবাড়ীর প্রধান প্রবেশপথ সিংহ দরজা উত্তরদিকে অবস্থিত। জমিদার বা রাজারা এখান থেকে তাদের রাজ কর্ম পরিচালনা করতেন। এ রাজবাড়ীতে দোষী ব্যক্তিদের শাসিত দানের ব্যবস্থাসহ বন্দীশালার ব্যবস্থা ছিল। চুন সুড়কীর মসলনা ও ছোট আকৃতির ইট দ্বারা নির্মিত বাজবাড়ীর সম্মুখভাগে আকর্ষণীয় ইন্দো-ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। রাজবাড়ির নিরাপত্তার জন্য চারপার্শ্বে জলাশয়ের ব্যবস্থা ছিল। স্থানীয় জমিদার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা উনবিংশ শতাব্দীতে এটি নির্মিত হয়েছিল। রাজবাড়ির প্রত্নতত্তণ অধিদপ্তরের নিয়মত্রণাধীন পুরাকীর্তির হলেও বর্তমানে এটি লস্করপুর ডিগ্রী কলেজ (Loshkorpur Degree College) হিসেবে ব্যবহ্নত হচ্ছে।

পুঠিয়া রাজবাড়ির চারিদিক পরিখা দ্বারা পরিবেষ্টিত। বর্তমানে পরিখাগুলো বিভিন্ন নামে পরিচিত যথা- শিব সরোবর বা শিবসাগর, গোপালচৌকি, বেকিচৌকি, গোবিন্দ সরোবর ও মরাচৌকি। এছাড়া রাজবাড়ি এলাকার মধ্যস্থলে রয়েছে শ্যামসাগর নামে একটি বিশাল পুকুর। পরিখা বেষ্টিত এই রাজবাড়ির মোট স্থলভাগের পরিমাণ ২৫.৯৩ একর (কেন্দ্রস্থলের ৬.০০ একর বিশিষ্ট শ্যামসাগর ব্যতীত)। পুঠিয়া রাজবাড়ি ও তার আশেপাশে এখানকার জমিদারদের নির্মিত বেশ ক‘টি নয়নাভিরাম মন্দির এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। শরীক বিভক্তির পর পাঁচ আনি ও চার আনি রাজপ্রাসাদ আলাদাভাবে নির্মিত হয়। এই দুটি প্রাসাদ ছাড়া অন্যান্য শরীকের ঘরবাড়ির কোন চিহ্ন বর্তমানে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

পুঠিয়া রাজবাড়ি ও তার পার্শ্ববর্তী মৌজায় মোট চৌদ্দটি মন্দির এখনো পূর্ণঅবয়বে বিদ্যমান। মন্দিরগুলোর মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন, একটি দোচালা, একটি মিশ্ররীতির ত্রি-মনিদর, একটি অষ্টকোণা একরত্ন, দুটি সমতলছাদ বিশিষ্ট এবং বাকীগুলো পিরামিড আদলের চৌচালা ছাদ সংবলিত। মন্দিরগুলো নির্মাণে ইট ও চুন-সুরকি ব্যবহৃত হয়েছে। অলঙ্করণ হিসেবে অধিকাংশ মন্দিরেই হিন্দু ধর্মীয় ও তদানীন্তন সামাজিক বিষয়বস্তু অবলম্বনে উৎকীর্ণ পোড়ামাটির ফলক শিল্পের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।

চলবে .....

Address

Jatrabari
Dhaka

Telephone

+8801914623541

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jewel's Travelogue posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jewel's Travelogue:

Share

Category