10/01/2026
কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?
তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না.......
সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রিল—
এটাই সবচেয়ে নিরাপদ মুহূর্ত।
কিন্তু ওই বালুর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এমন একটা জিনিস,
যা কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পায়ের ওপর আঁকিবুঁকি শুরু করতে পারে।
প্রথমে ছোট লালচে গুটি।
তারপর তীব্র চুলকানি।
রাতে ঘুম ভাঙে।
হাঁটলে বাড়ে।
দাগটা জায়গা বদলায়, বেঁকে বেঁকে এগোয়—
ঠিক যেন ত্বকের নিচে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে।
এটা কোনো অ্যালার্জি না।
এটা ছত্রাকও না।
খালি পায়ে বালুতে হাঁটার সময়
কুকুর বা বিড়ালের মলের সাথে থাকা কৃমির লার্ভা
ত্বকের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
মানুষের শরীরে তারা বড় হতে পারে না,
কিন্তু আটকে গিয়ে ত্বকের নিচে চলাফেরা করে।
রোগটার নাম Cutaneous Larva Migrans।
যা করবেন না
খোঁচাবেন না
নিজে নিজে মলম বা স্টেরয়েড লাগাবেন না
“এমনিতেই সেরে যাবে” ভেবে বসে থাকবেন না
করণীয়
দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
সঠিক ওষুধে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা শেষ
দাগ পড়ে না
যা করলে একদমই হবে না:-
সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাঁটবেন না
বালুতে বসলে তোয়ালে বা ম্যাট ব্যবহার করবেন
শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না
ছুটি সুন্দর হোক।
স্মৃতি থাকুক, দাগ না।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারো এক পা বাঁচলেও, লেখা
Cutaneous Larva Migrans হলো ত্বকের এক ধরনের পরজীবী সংক্রমণ। এতে কৃমির লার্ভা (শিশু কৃমি) ত্বকের ভেতর ঢুকে আঁকাবাঁকা লাল দাগ তৈরি করে, যাকে অনেক সময় “creeping eruption” বলা হয়।
❓ কেনো হয়?
এই রোগটি হয় মূলত কুকুর ও বিড়ালের অন্ত্রে থাকা হুকওয়ার্মের লার্ভা থেকে।
কুকুর/বিড়ালের মল দিয়ে দূষিত মাটি বা বালিতে এই লার্ভা থাকে
মানুষ ভুলবশত এর সংস্পর্শে এলে সংক্রমণ হয়
❓ কিভাবে হয়?
👇 ধাপে ধাপে বুঝি—
খালি পায়ে বালু, মাটি বা সমুদ্র সৈকতে হাঁটা
মাটিতে বসা বা শোয়া
লার্ভা ত্বকের ভেতর ঢুকে পড়ে
ত্বকের নিচে ধীরে ধীরে চলাফেরা করে
➡️ ফলে হয় তীব্র চুলকানি, লাল আঁকাবাঁকা দাগ, কখনো জ্বালা বা ফোলা
📍 বেশি কোথায় দেখা যায়?
পা
পায়ের পাতা
নিতম্ব
হাত বা উরু
🛡️ কিভাবে বাঁচবেন?
✔️ খালি পায়ে বালু/মাটিতে হাঁটা এড়িয়ে চলুন
✔️ সৈকতে গেলে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন
✔️ পোষা কুকুর-বিড়ালের নিয়মিত ডিওয়ার্মিং করান
✔️ ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন
🩺 ভালো খবর:
এই রোগ সহজেই ওষুধে সেরে যায়, তবে অবহেলা করা ঠিক নয়।