17/10/2025
🇵🇹 বহুল প্রচলিত পর্তুগাল D1 ভিসার (Inside Process – Step by Step)
✍️প্রথমে পর্তুগালের কোনো কোম্পানিতে চাকরির অফার নিতে হবে। সেই কোম্পানি একটা “Employment Contract” বা “Job Offer Letter” দেবে — সেখানে তোমার কাজের ধরণ, বেতন, সময়কাল, কোম্পানির নাম-ঠিকানা সব থাকবে। কোম্পানিটা অবশ্যই পর্তুগালে রেজিস্টার্ড হতে হবে (কিছু ফেক অফার দেয়, ওগুলো ধরা পড়ে ভিসায়)।
✍️ ধাপ ২: ডকুমেন্ট রেডি করাঃ এটাই সেই জায়গা যেখানে বেশিরভাগ লোকের সময় নষ্ট হয়, এইগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে।
▶️পাসপোর্ট (৬ মাসের বেশি মেয়াদি)।
▶️পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (বাংলাদেশ থেকে, ইংরেজি বা পর্তুগিজে অনুবাদ করা)।
▶️মেডিকেল / ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স।
▶️থাকার জায়গার প্রমাণ (রেন্ট এগ্রিমেন্ট, ইনভাইটেশন, বা হোটেল বুকিং)।
▶️কোম্পানির চুক্তিপত্র।
▶️ছবি (২ কপি)।
▶️শিক্ষাগত সার্টিফিকেট।
▶️ফ্লাইট বুকিং (প্রয়োজনে)।
সব কাগজ নোটারি + অ্যাপোস্টিল + অনুবাদসহ রাখলে ভালো হয়।
✍️ধাপ ৩: ইন্ডিয়ান ভিসা থাকা মানে আপনার ৮০% ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, মেডিকেল ভিসা অথবা ডাবল এন্ট্রি ভিসা করাতে হবে, পর্তুগাল Embassy তে Appointment নেয়া হয়ে গেলে সময় বুঝে ইন্ডিয়া যাওয়া লাগে।
✍️বর্তমানে ইন্ডিয়ান ভিসা করাতে ৩০ হাজার থেকে ১১০ হাজার টাকা লাগে, যার থেকে যেভাবে নেয়া যায়, এরপর বিমান ভাড়া, ৩-৭ দিল থাকার খরচ মিলিয়ে আরো ৫০ হাজার টাকা লাগতে পারে।
✍️বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ছবি) নেবে, ভিসা ফি (€90) ও সার্ভিস চার্জ নেবে, জমা দেওয়া পর রিসিট/ট্র্যাকিং নম্বর পাবে, যাতে অনলাইনে ট্র্যাক করতে পারেন।
⏳ ধাপ ৪: প্রসেসিং টাইম (Visa Under Review)
কোম্পানির কন্ট্রাক্ট আসল নাকি ফেক তোমার ব্যাকগ্রাউন্ড ক্লিন কিনা কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে কিনা এই ধাপেই সময় লাগে সবচেয়ে বেশি — সাধারণত ৩০ থেকে ৯০ দিন। কখনও কখনও আরও বেশি, যদি যাচাই-বাছাই লাগে।
✅ ধাপ ৫: ভিসা অনুমোদন (Visa Decision)
যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তোমার ভিসা “Approved” হবে। পাসপোর্টে Portugal D1 Visa Sticker লাগানোর জন্য সরাসরি অথবা কুরিয়ারের মাধ্যমে পর্তুগাল এম্বাসিতে পাঠানো লাগবে। এই ভিসা সাধারণত ৪ মাস (১২০ দিন) মেয়াদে দেওয়া হয়।
✈️ ধাপ ৬: পর্তুগালে যাত্রাঃএখন পর্তুগালে প্রবেশ করতে পারবে বৈধভাবে। যাওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে Residence Permit নিতে হবে।
🏠 ধাপ ৭: Residence Permit (AIMA / SEF)
পর্তুগালে গিয়ে AIMA (আগের SEF) অফিসে গিয়ে রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করবে দিতে হবে: ♦️ভিসার কপি ♦️চাকরির কন্ট্রাক্ট ♦️বাসস্থানের প্রমাণ♦️ট্যাক্স নম্বর (NIF)♦️বায়োমেট্রিক। কয়েক সপ্তাহ পর Residence Card (বায়োমেট্রিক আইডি) হবে।
💼 ধাপ ৮: কাজ শুরুঃ
রেসিডেন্স কার্ড পেলেই আইনগতভাবে কাজ করতে পারবে।
তুমি তখন পর্তুগালে পূর্ণ বৈধ কর্মী (legal worker)। সব মিলিয়ে ভিসা সহ সকল যাত্রায় ২২-২৪ লাখ টাকা লেগে যেতে পারে।
©