Al Bahar Hajj Kafela

Al Bahar Hajj Kafela হে আল্লাহ এহরামের কাপর পরিধান না করাইয়া, কাফনের কাফর পরিধান করাইওনা।

আল বাহার হ্জ্জ কাফেলা।
হজ্জ ও ওমরাহর বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

ইবাদত, খেদমত স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আমাদের অন্যতম বৈশিষ্ট,

Al Bahar Hajj & Umrah Group

🕋🕋🕋 প্রিয় কাবার পথের সম্মানিত মোহমানগণ, আপনি কি ২০২৭ সালে হজ্জে যেতে চাচ্ছেন ?আল বাহার হজ্জ কাফেলার সাথে আজই আপনার হ্জ্জ...
31/07/2026

🕋🕋🕋 প্রিয় কাবার পথের সম্মানিত মোহমানগণ, আপনি কি ২০২৭ সালে হজ্জে যেতে চাচ্ছেন ?
আল বাহার হজ্জ কাফেলার সাথে আজই আপনার হ্জ্জ বুকিং নিশ্চিত করুন,

২০২৭ সালের হজ্জ নিবন্ধনের সময় প্রায় শেষ পর্যায়ে,
অতএব আর দেরি না করে ২০২৬ সালে যারা হজ্জে যেতে চান দ্রুত নিবন্ধন করুন।

আমাদের কাফেলায় শারীয়াহ কন্সালটেন্ট ও মুয়াল্লিমী প্রধান করবেন, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী সাহেব দাঃবাঃ, আমির, আল বাহার হজ্জ কাফেলা।
প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপালঃ মাদরাসা বাহরুল উলূম ঢাকা।

প্যাকেজ এবং নিবন্ধনের জন্য বিস্তারিত জানতে ও বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করুন। 📱
01712938242
01913683939 Whatsapp & imo
01633377216 Abdullah Al Masrur
01768301159 Whatsapp & imo

অফিস, ১
66/A Nayapaltan (9th floor)
Shama office complex
Golden Bengal Tours & Travels
(Opposite paltan thana) Dhaka 1000 bangladesh
Google Map
📍 Shama Complex
https://goo.gl/maps/Nn5ZLHupBrSGwo3Z6

অফিস, ২
মুগদা- মান্ডা ঢাকা - ১২১৪
যাতায়াত - যাত্রাবাড়ি/মতিঝিল/কমলাপুর/ মুগদা বিশ্বরোড থেকে দক্ষিন মান্ডা শেষ মাথা মাদরাসা বাহরুল উলুম ঢাকা।
Google Map
📍https://goo.gl/maps/cbETuSJWfeasibUL7

আমরা স্বল্পমু্ল্যে বিশ্বাসী নই,
বরং সঠিক মুল্যে সঠিক খেদমত আমাদের অঙ্গীকার।

আল বাহার হজ্জ কাফেলা,
১৯৯৮ সাল থেকে হাজীদের খেদমতে গর্বিত খাদেম আমরা, আলহামদুলিল্লাহ।

20/07/2026

#উমরাহ_আপডেট

মুলত এখন থেকে সকল উমরাহ ভিসার মেয়াদ ই থাকবে ১বছর এবং মাল্টিপল এন্ট্রি সুবিধা সহ।

তবে থাকছে কিছু বিশেষ শর্ত সহ -

এক বছরের মেয়াদ থাকলেও এই ভিসায় সর্বোচ্চ অবস্থান করতে পারবে ৯০ দিন।

২য় বার এই ভিসায় এন্ট্রি করার পূর্বে অবশ্যই উমরাহ কোম্পানি থেকে যতদিন অবস্থান করবে ততদিনের সার্ভিস প্যাকেজ বুকিং কনফার্ম করে নিতে হবে।
তা না করলে এই ভিসায় ২য় বার সৌদিতে ঢুকতে দিবে না, এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত পাঠাবে এবং সৌদিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এন্ট্রি ব্যান দিতে পারে।

সুতরাং
১ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা হলেও অন্য সব মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসার মত অনায়াসে এন্ট্রি করার সুযোগ এই ভিসায় নেই।

এই বিষয়ে আরো কিছু আপডেট প্রক্রিয়াধীন আছে, পর্যালোচনা করে জানিয়ে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

মক্কার হারাম এলাকার সীমানা কতটুকু, প্রবেশের নিয়ম কীমক্কা নগরী এবং এর চারপাশে ঘিরে থাকা নির্দিষ্ট একটি পরিধি ইসলামে ‘হারা...
12/05/2026

মক্কার হারাম এলাকার সীমানা কতটুকু, প্রবেশের নিয়ম কী

মক্কা নগরী এবং এর চারপাশে ঘিরে থাকা নির্দিষ্ট একটি পরিধি ইসলামে ‘হারাম’ বা অতি সম্মানিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই অঞ্চল স্বয়ং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর খলিল হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে এই হারামের সীমানা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। জিবরাইল (আ.)-এর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী হজরত ইবরাহিম (আ.) হারামের সীমানা চিহ্নিত করতে স্তম্ভ স্থাপন করেন।

হারাম শরিফের মর্যাদা ও পবিত্রতা

ইসলামে হারাম শরিফ অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘(বলো) আমাকে তো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই শহরের রবের ইবাদত করতে, যিনি এটিকে সম্মানিত করেছেন; এর সবকিছু তাঁরই অধিকারে।’ (সুরা নামল: ৯১)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যেদিন আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিনই মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কিয়ামত পর্যন্ত এটি হারামই থাকবে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৩১৮৯)। এই সীমানার ভেতরে যুদ্ধবিগ্রহ, হত্যা বা রক্তপাত করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এমনকি এখানকার কোনো জীবজন্তু শিকার করা বা কোনো গাছপালা ও ঘাস কাটাও শরিয়ত অনুযায়ী হারাম।

হারামের সীমানা ও দূরত্ব

কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে হারামের সীমানা সব দিকে সমান নয়। বিভিন্ন দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থানের মাধ্যমে এই সীমানা নির্ধারিত হয়েছে। নিচে বায়তুল্লাহ থেকে সেগুলোর দূরত্ব দেওয়া হলো:

উত্তরে (তানঈম): মদিনার পথে অবস্থিত স্থানটি ‘মসজিদে আয়েশা’ নামে বিখ্যাত। মসজিদে হারাম থেকে এর দূরত্ব ৭ থেকে সাড়ে ৭ কিলোমিটার।

পশ্চিমে (হুদায়বিয়া): জেদ্দার পথে এই স্থান বর্তমানে ‘শুমাইসি’ নামে পরিচিত। এর দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার।

উত্তর-পূর্বে (জি-ইরানা): তায়েফের পথে এই এলাকার দূরত্ব প্রায় ১৬ থেকে ২২ কিলোমিটার।

দক্ষিণে (এযাতু লাবান): ইয়েমেনের পথে স্থানটি বর্তমানে ‘আকিশিইয়াহ’ নামেও পরিচিত। এর দূরত্ব প্রায় ১২ থেকে ১৬ কিলোমিটার।

পূর্বে (নাখলাহ ও আরাফাত): তায়েফের পথে নাখলাহ পর্যন্ত দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার এবং জাবালে আরাফাত (জাতুস্সালিম) পর্যন্ত হারামের সীমানা প্রায় ২২ কিলোমিটার।

হারাম এলাকায় প্রবেশের আদব

হারাম এলাকায় প্রবেশের সময় মুমিন বান্দার মনে বিশেষ বিনয় ও আল্লাহর ভয় থাকা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রে কিছু আদব ও সুন্নাহ অনুসরণের নির্দেশনা রয়েছে:

১. তওবা ও ইস্তিগফার: হারামের সীমানায় প্রবেশের সময় বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা এবং তালবিয়া ও দরুদ পাঠ করা জরুরি।

২. গোসল করা: হারামে প্রবেশের আগে গোসল করে নেওয়া মুস্তাহাব। বর্তমানে যানবাহনের সীমাবদ্ধতার কারণে রওনা হওয়ার আগেই গোসল সেরে নেওয়া উত্তম।

৩. নফল নামাজ: জেদ্দা হয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে শুমাইসি বা হুদায়বিয়া থেকে হারামের সীমা শুরু হয়। সম্ভব হলে এখানে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা সওয়াবের কাজ।

৪. মসজিদে প্রবেশের সুন্নাহ: মসজিদে হারামে প্রবেশের সময় ডান পা আগে দেওয়া এবং ‘আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিক’ (হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন) দোয়াটি পাঠ করা সুন্নত।

মক্কার এই পুণ্যভূমিতে পা রাখার মুহূর্ত থেকে নিজেকে আল্লাহর একান্ত অনুগত বান্দা হিসেবে উপস্থাপন করা এবং সব ধরনের বিতর্ক ও অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকাই হারামের প্রকৃত সম্মান।

24/04/2026

আল বাহার হজ্জ কাফেলার ২০২৬ সালের হাজী সাহেবগণ মক্কায় পৌঁছেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

এই কাফেলার সম্মানিত মুয়াল্লিম মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী সাহেবের তত্ত্বাবধানে হজের সকল কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাঁর খেদমতকে কবুল করুন।

আল্লাহ তায়ালা সকল হাজীদের হজ্জ কবুল করুন, তাঁদের সকল ইবাদত সহজ করে দিন এবং সুস্থভাবে হজ্জের সকল আমল সম্পন্ন করার তৌফিক দান করুন।
আমাদের সকলকেও যেন এই পবিত্র সফরে যাওয়ার তৌফিক দান করেন। আমিন।

 #মক্কায় জানাজার ভিড়ে একজন কেন আলাদা? চমকে যাওয়ার মতো এক দৃশ্য! মক্কার হারাম শরিফে জানাজার এই দৃশ্যটি ভালো করে লক্ষ্য কর...
04/04/2026

#মক্কায় জানাজার ভিড়ে একজন কেন আলাদা?
চমকে যাওয়ার মতো এক দৃশ্য!
মক্কার হারাম শরিফে জানাজার এই দৃশ্যটি ভালো করে লক্ষ্য করুন। সারিবদ্ধ কাফনে মোড়ানো নিথর দেহগুলোর মাঝে একজনের মুখ কেন খোলা রাখা হয়েছে?
এটি কি কোনো ভুল, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে মহান আল্লাহর বিশেষ কোনো বিধান?
প্রথম দেখায় অবাক লাগলেও, এর পেছনে রয়েছে ইসলামের এক অত্যন্ত সম্মানজনক ও হৃদয়স্পর্শী নিয়ম। ছবিতে আপনি যে ব্যক্তির মুখ খোলা দেখছেন, তিনি সাধারণ অবস্থায় মারা যাননি।
তিনি মারা গেছেন আল্লাহর মেহমান হয়ে—অর্থাৎ ওমরাহ পালনের জন্য ইহরাম পরা অবস্থায়।
ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী, কেউ ইহরাম অবস্থায় মারা গেলে তার দাফন-কাফনের নিয়ম বদলে যায়। সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফের হাদিস অনুযায়ী, নবীজি (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন..
যেন এমন ব্যক্তির মুখ ও মাথা ঢাকা না হয় এবং কোনো সুগন্ধি ব্যবহার না করা হয়।
এর কারণটি শুনলে গা শিউরে ওঠে! রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এই ব্যক্তি কিয়ামতের কঠিন ময়দানে সাধারণ মানুষের মতো উঠবে না, বরং উচ্চস্বরে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ (তালবিয়া) পাঠ করতে করতে কবর থেকে পুনরুত্থিত হবে।
কি সৌভাগ্যবান সেই আত্মা, যার শেষ বিদায়টাও সাধারণ নয়, বরং রাজকীয় সম্মানের। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ঈমানের সাথে এবং সর্বোত্তম অবস্থায় মৃত্যু নসিব করুন। আমিন।

Address

Mugda/South Manda Madrasha Bahrul Ulum Dhaka
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Bahar Hajj Kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Bahar Hajj Kafela:

Shortcuts

Share

Category