FTS - ভ্রমন বিলাসী

FTS - ভ্রমন বিলাসী অপরূপ সৌন্দর্য্যের এই বাংলাদেশকে কতোটুকুই আমরা দেখেছি!

11/10/2020
কেয়া কসমেটিকস এর মালিক আব্দুল খালেক পাঠানঃ ট্রাক ড্রাইভার থেকে শিল্পপতি বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কেয়া কসমেটিকস এর মালিক ...
29/09/2020

কেয়া কসমেটিকস এর মালিক আব্দুল খালেক পাঠানঃ ট্রাক ড্রাইভার থেকে শিল্পপতি

বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কেয়া কসমেটিকস এর মালিক আব্দুল খালেক পাঠান। জীবন শুরু করেছিলেন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চকলেট আর বিস্কুট বিক্রির মধ্য দিয়ে। তারপর ট্রাক ড্রাইভার
তিনি যখন স্কুলে পড়েন তখন টিফিনের জমানো টাকায় তিনি চকলেট বিস্কুট এগুলো কিনতেন। তারপর রাস্তার পাশে দোকান সাজিয়ে বসতেন এবং বিক্রি করতে। তার কিছু লাভ হতো এবং সেই লাভের লোভে তিনি পড়ে গেলেন ।বন্ধুর সঙ্গে শুরু করলেন মুরগির ব্যবসা। স্থানীয় হাট থেকে মুরগি কিনে নিয়ে দূরের বাজারে বিক্রি করত। যৌথ কারবার থেকে লাভের টাকা খরচ করতেন না ফলে মূলধন বাড়তে লাগলো। মুরগির ব্যবসার ব্যাপারটা তার পরিবারের কেউই পছন্দ করতেন না ।তাই মুরগি কিনে তিনি রাখতেন তার বন্ধুর বাসায় । একদিন তার বন্ধু বলল মুরগিগুলো শিয়ালের নিয়ে গেছে। মুরগির কিছু পাখনা আর মায়া কান্না দিয়ে তার বন্ধু তাকে ভোলানোর চেষ্টা করল কিন্তু তার বুঝতে বাকি রইল না । সে বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়ল। তিনি ভাবলেন আমি বুঝি আর ব্যবসায়ী হতে পারবোনা।

এর কিছুদিন পরে তিনি তার নানা বাড়িতে গেলেন এবং কিছু টাকা জোগাড় করলেন, নতুন উদ্যমে আবার শুরু করলেন ব্যবসা এবার আর কোন পার্টনার নয় একাই ব্যবসা শুরু করলেন।

পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৮ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন এরপর এই বিয়ে। তার স্ত্রী তার জমানো ৬০০ টাকা তার হাতে তুলে দিলেন আর এই টাকায় আমাকে নতুন করে স্বপ্ন দেখলেন। তিনি শুরু করলেন লাকড়ি কিনে বিক্রির ব্যবসা। এরপর তার স্ত্রী তার কিছু গয়না গাটি ও তার হাতে তুলে দিল সেটি বিক্রি করে ফেলেন পেলেন ৫০০০ টাকা। একটা পুকুর লিজ নিয়ে রুই মাছের পোনা ছাড়লেন কিন্তু মাছ বড় হতে সময় লাগবে কমপক্ষে তিন বছর। তিনি ধৈর্য ধরে থাকতে পারলেন না সুতরাং এক বছরের মাথায় সব বিক্রি করে দিল। আবার শুরু করলেন লাকড়ির ব্যবসা এরপর তিনি একটি চাকরি নিলেন বেতন ৬০০ টাকা কিন্তু বেশিদিন সেখানে তিনি কাজ করতে পারলেন না ।মাথায় তার কেবল ব্যবসার পোকা, অনেক টাকার স্বপ্ন।

চাকরি ছেড়ে তিনি প্রগতি থেকে একটা ট্রাক কিনলেন ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধ করে। ড্রাইভার রাখলেন তাঁর সঙ্গে থেকে ট্রাক চালানো শিখে ফেলবেন ১৫ দিনেই, মোটামুটি ট্রাক চালানো শেখা হয়ে গেলে এবার পথে নামার পালা। ড্রাইভার দিনে ডিউটি করে আর রাতে তিনি নিজেই ট্রাক চালান। এভাবে ছয় মাসছয় মাসেই তিনি একটি মোটা পুঁজি বানিয়ে ফেললেন এবং সেটি রাখতেন পূবালী ব্যাংকে।

একদিন ব্যাংকের অফিসার বললেন ইটের ভাটা বানান প্রয়োজনে আমরা ঋণ দেব। তিনি জমি কিনে ফেললেন, এবার ব্যাংক বেঁকে বসল ঋণ দিবেন না । তিনি পড়লেন মহা বিপদে । এরপর তার শ্বশুর তাকে সহযোগিতা করলেন। দুই লাখ টাকার ঋণ দিলেন, পরের বছর সোনালী ব্যাংক থেকে তিনি পেলেন তিন লাখ টাকা। এরপর ইটের ভাটা পাঁচটা হলো, এখন সেখানে বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার ইট তৈরি হয়।

এরপর তিনি নিটিং ব্যবসায়ের পরিকল্পনা করলেন কিন্তু ব্যাংক ঋণ দেবে না । এজন্য একজন ব্যাংক কর্মকর্তা বললেন আপনি মাত্র মেট্রিক পাস, ইটের ব্যবসা করছেন তাই করেন । নিটিং ব্যবসা ১০০ ভাগ রপ্তানি ব্যবসা, বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলতে হব্‌ এটা আপনি পারবেন না। তিনি বোঝাতে লাগলেন যে বিদেশ থেকে যে ক্রেতা আসবে সে মালের কোয়ালিটি দেখবে, আমি ইংরেজি জানি কিনা সেটা দেখবে না আর তাছাড়া ইংরেজি জানা লোক তো আমার থাকবেই কিন্তু বরফ গলল না।

তিনি পরবর্তীতে ভারত থেকে আঠারোটা নিটিং মেশিন কিনে নিয়ে আসলেন এবং কাজ পুরোদমে শুরু করলেন। এক পর্যায়ে ব্যাংকের লোকজন বুঝলো যে ইংরেজি না জেনেও এ লাইনে কাজ করা যায়। সফল হওয়া যায়। এরপর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সদয় হলেন, সবকিছু দেখে তাকে এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দিলেন। তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন, তার ইন্ডাস্টি থেকে প্রতিবছর এখন রপ্তানি হয় ৪০ কোটি টাকার কাপড়। সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় তিন হাজার লোকের।এরপর তিনি কসমেটিকস তৈরিতে শুরু করলেন কেয়া নারিকেল তেল দিয়ে, তারপর পাউডার।

তিনি মনে করেন সততা ও পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই , সফলতা আসবেই। সবসময় মনে রাখতে হবে কখনো অন্যকে ঠকিয়ে বড় হওয়া যায় না। তিনি মনে করিয়ে দেন তার সেই মুরগি ব্যবসার বন্ধু কিন্তু এখনো কারখানার কর্মচারী রয়ে গেছেন।
নিয়মিত আপডেট পেতে Like us.
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো। মাত্র...
23/09/2020

একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো। মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া পুকুরটিতে কাঁদা ছাড়া কোন পানি ছিল না৷ গরুর পেছন পেছন বাঘটিও ঝাপ দিল। বাঘ ও গরু কাঁদায় গলা পর্যন্ত আটকে গেল। বাঘ রেগে মেগে বলে, "কিরে হারামী তুই আর লাফ দেয়ার জায়গা পেলি না? ডাঙায় থাকলে তোকে না হয় একটু কুড়মুড় করে খেতাম। এখনতো দুজনেই মরব রে।" গরু হেসে বলে, "তোমার কি মালিক আছে? বাঘ রেগে বলে, বেটা আমি হলাম বনের রাজা। আমার আবার মালিক কে। আমি নিজেইতো বনের মালিক। গরু বলে তুমি এখানেই দুর্বল। একটু পর আমার মালিক আসবে। এসে আমাকে এখান থেকে তুলে নিয়ে যাবে। আর তোমাকে পিটিয়ে মারবে। বাঘ বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল। ঠিকই সন্ধ্যা বেলায় গরুটির মালিক এসে বাঘটার মাথায় বাঁশ দিয়ে কয়েকটা বাড়ি দিয়ে মেরে গরুটিকে টেনে তুলল। গরু হাসতে হাসতে বাড়ি চলে গেল আর বাঘটি মরে একা একা পড়ে রইল।

মূলকথাঃ আমরা যারা মালিকের উপর ভরসা করি আমাদের উপর যত বড় বিপদই আসুক না কেনো, আমাদের মালিক ( আল্লাহ ) ঠিকই আমাদেরকে রক্ষা করবে। হয়তো সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে
হবে।

17/09/2020

কারো প্রিপেইড মিটারে টাকা রিচার্জ লাগলে যোগাযোগ করুন। কোনো এক্সট্রা চার্জ লাগবে না।

৪৯০ টাকা বিকাশ / রকেট/ নগদে পাঠালে ৫০০ টাকা রিচার্জ দেওয়া হবে।

পোস্ট পেইড মিটারেও অফার দেওয়া হবে।

যোগাযোগঃ 01964-573274

বিকাশ পারসোনালঃ 01709078950
নগদ পারসোনালঃ 01709078950
রকেট পারসোনালঃ 01709078950-2

অনলাইনের যুগে পড়াশোনার জন্য ইন্টারনেটের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের জন্য সেরা রেটে তাই পাশেই আছে বর্ণমালার ইন্টারনেট প...
07/09/2020

অনলাইনের যুগে পড়াশোনার জন্য ইন্টারনেটের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের জন্য সেরা রেটে তাই পাশেই আছে বর্ণমালার ইন্টারনেট প্যাকেজ। এখন মাত্র ৬২ টাকায় পাওয়া যাবে ৩ জিবি ইন্টারনেট, মেয়াদ ১০ দিন ।

তথ্যাবলীঃ
-অফারটি সকল বর্ণমালা গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য।
-গ্রাহক অফারটি পেতে ডায়াল করুন *১১১*৬১৪ # অথবা রিচার্জ করুন ৬২ টাকা।
-অফারটি MyTeletalk App থেকেও গ্রহণ করা যাবে।
-অফার চলাকালীন সময়ে একজন গ্রাহক যতখুশি ততবার অফারটি গ্রহন করতে পারবেন।
-অফার মূল্যে সম্পূরক শুল্ক, ভ্যাট এবং সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত।

নতুন মাসে বিশেষ ছাড়বাংলালিংক এর ইন্টারনেট প্যাকেজে ৫০ টাকা ছাড়!ডিসকাউন্ট শুধু মাত্র ২রা সেপ্টেম্বরের জন্য।মূল অফার ৩৪৯ ট...
02/09/2020

নতুন মাসে বিশেষ ছাড়

বাংলালিংক এর ইন্টারনেট প্যাকেজে ৫০ টাকা ছাড়!

ডিসকাউন্ট শুধু মাত্র ২রা সেপ্টেম্বরের জন্য।

মূল অফার ৩৪৯ টাকা
ডিসকাউন্ট ৫০ টাকা

পেমেন্ট করবেন ২৯৯ টাকা।

অফার ডিটেইলসঃঃ

৩০ জিবি ৩০ দিনে (৫ জিবি / ৫ দিন করে আসবে)

এই 01709078950 নাম্বারে বিকাশ / রকেট / নগদে টাকা সেন্ড মানি করে অফার নিতে হবে, রেফারেন্স এ যে নাম্বার এ প্যাকেজ নিতে চান সেটা দিতে পারলে সুবিধা হয়।

প্রয়োজনে 01964573274

নতুন মাসে বিশেষ ছাড় বাংলালিংক এর ইন্টারনেট প্যাকেজে ৫০ টাকা ছাড়!  ডিসকাউন্ট শুধু মাত্র ১লা সেপ্টেম্বরের জন্য। মূল অফার ৩...
31/08/2020

নতুন মাসে বিশেষ ছাড়

বাংলালিংক এর ইন্টারনেট প্যাকেজে ৫০ টাকা ছাড়!

ডিসকাউন্ট শুধু মাত্র ১লা সেপ্টেম্বরের জন্য।

মূল অফার ৩৪৯ টাকা
ডিসকাউন্ট ৫০ টাকা

পেমেন্ট করবেন ২৯৯ টাকা।

অফার ডিটেইলসঃঃ

৩০ জিবি ৩০ দিনে (৫ জিবি / ৫ দিন করে আসবে)

এই 01709078950 নাম্বারে বিকাশ / রকেট / নগদে টাকা সেন্ড মানি করে অফার নিতে হবে, রেফারেন্স এ যে নাম্বার এ প্যাকেজ নিতে চান সেটা দিতে পারলে সুবিধা হয়।

প্রয়োজনে 01964573274

25/08/2020

--যারা ই পাসপোর্ট করতে আগ্রহী এই পোষ্ট তাদের জন্য।--

"ই-পাসপোর্ট করার জন্য বিস্তারিত সকল তথ্যাদি"

কিভাবে ই পাসপোর্ট করবেন? এর পূর্ণাঙ্গ তথ্য অনলাইনে স্টাডি করে আপনাদের জন্য সহজ এবং সুন্দরভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি, আশাকরি সকলেই উপকৃত হবেন। পুরোটা পড়বেন এবং প্রয়োজন মনে করলে টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।

⬛আবেদন
★অনলাইন আবেদনঃ ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। কোন তথ্য বা বানান যেন ভুল না হয় সেদিকে অবশ্যই নজর রাখবেন। ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইট লিংক- https://epassport.gov.bd/

°অনলাইনেই জমা দেওয়ার তারিখ পেয়ে যাবেন (এনরোলমেন্ট)।

★অফলাইন আবেদনঃ আপনি চাইলে অফলাইনেও আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে PDF ফর্ম ডাউনলোড করে PDF Editor এর মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি পূরণ করতে হবে। হাতে লেখা ফর্ম গ্রহণযোগ্য নয়। PDF ফর্ম ডাউনলোড লিংক- https://epassport.gov.bd/instructions/application-form
(অফলাইন সেবা এখনো চালু হয়নি; তবে খুব শীঘ্রই চালু হবে)

☑পরামর্শঃ অনলাইনেই সব কিছু করবেন। এতে আপনার ঝামেলা কম হবে এবং অনেক সময় বেঁচে যাবে।

⬛ফি পরিশোধ
★অনলাইন পরিশোধঃ সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইনে ফি পরিশোধ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে MasterCard, Visa, Q-Cash, bkash, DBBL Nexus গ্রহণযোগ্য।

°আবেদন সম্পূর্ণ করার পর অনলাইন পেমেন্ট অপশনটা শুধুমাত্র একবার আসবে। সুতরাং সকল প্রস্তুতি আগেই নিয়ে রাখতে হবে।

°অনলাইনে পেমেন্ট করার জন্য আপনার ব্রাউজারের পপ-আপ ব্লকার অক্ষম করতে হবে ।

★অফলাইন পরিশোধঃ
যার অনলাইনে পরিশোধ করতে পারবেন না তাদের জন্য অফলাইনে তথা ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করার ব্যবস্থা রয়েছে। সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া এবং ঢাকা ব্যাংকে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন।

°ব্যাংক ফি পরিশোধ করার সময় পাসপোর্ট আবেদনপত্র সাথে রাখতে হবে।

°পেমেন্ট স্লিপ অবশ্যই বুঝে নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।

★মেয়াদ ও পৃষ্ঠা অনুযায়ী পাসপোর্ট ফি (ভ্যাট সহ):

*৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট-
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৪০২৫ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৬৩২৫ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ৮৬২৫ টাকা।

*৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট-
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৫৭৫০ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮০৫০ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা।

*৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৬৩২৫ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮৬২৫ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১২০৭৫ টাকা।

*৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট
➡২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৮০৫০ টাকা।
➡১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ১০৩৫০ টাকা।
➡২ দিনের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩৮০০ টাকা।

⬛পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রমঃ
বর্তমান ঠিকানা বা দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস বা দূতাবাসে আবেদন করতে হবে। আগারগাঁও অফিসে ৪০১ নাম্বার রুমে অনলাইন আবেদন পত্র জমা দিবেন।

★ঢাকা বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অধীনস্থ থানা-

°আগারগাঁও অফিসঃ শেরে-বাংলা নগর, মিরপুর, পল্লবী, শাহ আলী, কাফরুল, ভাষানটেক, ঢাকা ক্যান্টমেন্ট, বনানী, গুলশান, শাহজাহানপুর, রামপুরা, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, শাহবাগ, রমনা, পল্টন, মতিঝিল, ঢাকা রেলওয়ে, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, আদাবর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গী চর, লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা, দারুসসালাম, সাভার, ধামরাই।

°উত্তরা পাসপোর্ট অফিসঃ উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, ভাটারা, বাড্ডা, আশুলিয়া।

°যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট অফিসঃ যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, কদমতলী, কোতোয়ালী, গেন্ডারিয়া, ওয়ারী, নওয়াবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা, দোহার।

★আবেদনের জন্য যা যা সাথে নিতে হবেঃ
০১। আবেদন ফর্ম।
০২। জাতীয় পরিচয়পত্র/স্মার্ট কার্ড কপি।
০৩। এপয়েন্টমেন্ট ডেট ইমেইল কপি।
০৪। ফি পরিশোধের স্লিপ।
০৫। জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি কপি।
০৬। বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের কপি।
০৭। পুরাতন পাসপোর্ট কপি (যদি থাকে)।
০৮। স্মার্ট ফোন (মেইল দেখানোর জন্য)।
০৯। ১৮ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ ও পিতা মাতার এন আই ডি কপি।
১০। ০৬ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সাইজ ও 3R সাইজ ছবি।
১১। ১৫ বছরের নীচে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা অথবা বৈধ অভিভাবকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

°এ ছাড়া যা যা প্রয়োজন মনে করবেন সাথে নিয়ে যাবেন।

°সব কিছুর মূল কপি অবশ্যই সাথে রাখবেন। দেখাতে হতে পারে।

★পাসপোর্ট অফিসের কাজঃ
১। কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই।
২। পাসপোর্ট ফি পরিশোধ যাচাই।
৩। আবেদনকারীর ফটো তোলা।
৪। আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশের ছবি গ্রহণ।

°ছবি তোলার ক্ষেত্রে যা গ্রহণযোগ্য না-
সাদা এবং হালকা রঙের সকল পোশাক, টুপি, ক্যাপ, হিজাব (মুখমণ্ডল পূর্ণাঙ্গ পদর্শন করতে হবে), কপালে টিপ সহ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়।

°সব কাজ শেষ হলে ডেলিভারি স্লিপ বুঝে নিন এবং সতর্কতার সাথে তা সংরক্ষণ করুন। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ প্রর্দশন বাধ্যতামূলক।

⬛ঠিকানা ভেরিফিকেশনঃ
আবেদনের ৭/৮ দিনের মধ্যে থানার মাধ্যমে আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করা হবে। যাদের বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা আলাদা তাদের আলাদা আলাদা ভেরিফিকেশন হবে।
★ভেরিফিকেশনের সময় যা যা প্রয়োজন হবে-
১। জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ (কপি+মুল)
২। জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি (কপি+মুল)
৩। বিদ্যুৎ বিল (কপি+মূল)
৪। এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেটের (কপি+মূল)
৫। পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের কপি।
৬। নাগরিক সনদপত্র
৭। বাড়ী/জমির দলিলের কপি (যদি থাকে)।

°পুলিশ যে সকল কাগজপত্র দেখতে চায় সেগুলো দেখাতে হবে।

⬛ই-পাসপোর্ট সংগ্রহঃ
আপনার পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলে মোবাইলে "এস এম এস" পাবেন। নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিসে স্ব শরীরে যেতে হবে (ফিঙ্গার ফ্রিন্ট পরীক্ষা করা হবে)। সাথে যা যা নিতে হবে-
১। ডেলিভারী স্লিপ।
২। সর্বশেষ পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে)।

★বিশেষ ক্ষেত্রে উপযুক্ত বাহকের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা হতে পারে। তার জন্য যেসকল প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে হবে-

১। ১১ বছরের কম বয়সী সন্তানের পিতামাতা অথবা বৈধ অভিভাবক নিজের জাতীয় পরিচয় পত্র, আবেদনকৃত পাসপোর্ট ডেলিভারি স্লিপ ও পূর্বের পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন করে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন ।

২।অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ক্ষমতা হস্তান্তর পত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) এবং ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র, পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে) প্রদর্শন করে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

°ডেলিভারি স্লিপ হারিয়ে গেলে নিকটস্থ থানায় জিডি করে তার কপি দিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

☑পরামর্শঃ ডেলিভারি স্লিপ পাওয়ার সাথে সাথে মোবাইলে ছবি তুলে রাখুন।

⬛তথ্য পরিবর্তনঃ
স্থায়ী ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, পেশা বা অন্যান্য তথ্যাদি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত তথ্য সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সকল প্রমাণাদি/কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

°পাসপোর্ট সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য কল করুন এই নাম্বারে- 01733393399 (ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর)

#লেখাঃ তারেক আজিজ ভাই (মিশন)

24/08/2020

কয়েক ধরণের ট্রাভেলারস্ :

১) প্রথম ধাপে থাকে সত্যিকারের ভ্রমনপিপাসু মানুষ। টাকা এবং সময় এদের কাছে কোন ব্যাপার না। পকেটে ২০০ টাকা থাকলেও মেইল ট্রেনে ঢাকা-চট্টগ্রাম গিয়ে মেজবানের মাংস দিয়ে ভাত খেয়ে আবার মেইল ট্রেনে ঢাকা চলে আসে। এই ধরণের ভ্রমনকারির কাছে তাঁদের ভ্রমন অভিজ্ঞতার খুব একটা ছবি থাকে না, থাকে শ-খানেক রোমাঞ্চকর গল্প।

২) দ্বিতীয় ধাপে থাকে সৌখিন মানুষ। টাকা এবং সময় একসাথে মিলে গেলে এই দল ভ্রমন করে। পুরো ভ্রমণে থাকে অল্পকিছু ছবি যার বেশিরভাগ ল্যান্ডসক্যাপ।

৩) তৃতীয় স্তরে থাকে সেলফি প্রেমি মানুষ। ভ্রমনে কালা চশমা সহিৎ নিজের মুখের অনেকগুলা ক্লোজ এবং হাজারখানেক সেলফি তুলে ভ্রমন সমাপ্ত করে। সবগুলা ছবি ফেসবুকে না দেওয়া পর্যন্ত তারা নতুন করে আর কোথাও যায় না।

৪) এই ধরণের মানুষের কাছে "তিনাপ সাইতার যা, হিমছড়িও তা", কক্সবাজার যা, পদ্মাও তা। একটা ঝরনা দেখলে দুনিয়ার সব ঝরনার প্রতি আগ্রহ শেষ হয়ে যায় তাদের।

৫) পাঁচ নাম্বার ধরণের ট্রাভেলারস্ কখনোই ভ্রমনে যাবে না। কিন্তু যখন প্ল্যান করা হয়, তখন তারা খুব আগ্রহ নিয়ে শুনে, সায় দেয় এবং নিজে অনেক সিদ্ধান্ত দেয় - যেমনঃ অমুক বাসে যাবো না, রাতে যাবো না, তমুক হোটেলে থাকবো না, ভ্রমনে গিয়ে ওইটা না খাইলে যাবো না। ভ্রমণের ঠিক ২/৩ আগে তাদের জীবনের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কাজে তারা আর যেতে পারে না।

৬) শেষধাপের ভ্রমণকারিরাও কখনো ভ্রমনে যায় না। ফেসবুকে ছবি দেখবে আর কমেন্ট করবে - ভাই কইলেন না, একলাই চলে গেলেন, মনে থাকবো। আবার ভ্রমণের আগে তাদের বললে বলে- ভাই, আমার তালতো ভাইয়ের খালা শ্বশুরের ভাগিনার বিয়ে ওইদিন। আপনে ২দিন আগে বললেও যাইতাম, অথচ তারে বলা হইছে ২ মাস আগে।

--কার সাথে কোনটা মিলে?? কে কোন টাইপ ট্রাভেলার?? 😃

Collected 🥀

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FTS - ভ্রমন বিলাসী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category