Marco Polo Tours and Travels Ltd.

Marco Polo Tours and Travels Ltd. Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Marco Polo Tours and Travels Ltd., Travel Agency, M. R. Center ( 5th Floor South Side) Lift-4, House/49, Road/17, Block-E, Banani C/A, Dhaka.

To carry on business as Travel Agents and Tour Operators, Hajj and Umrah Group Organizers, Transporters by sea, land or air and to facilitate traveling and to provide services to tourists and travelers by chartering or reserving steamships, cruise liners.

24/11/2021
সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী বাংলাদেশি কর্মীদের কোভিড টেস্টের জন্য নির্ধারিত ফি সরকার পরিশোধ করবে।
03/10/2021

সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী বাংলাদেশি কর্মীদের কোভিড টেস্টের জন্য নির্ধারিত ফি সরকার পরিশোধ করবে।

ভারতে পর্যটন ভিসা চালু অক্টোবরেপ্রথম ৫ লাখ বিনাশুল্কে-আগামী মাস থেকে ভারত পর্যটন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নর...
23/09/2021

ভারতে পর্যটন ভিসা চালু অক্টোবরে
প্রথম ৫ লাখ বিনাশুল্কে-

আগামী মাস থেকে ভারত পর্যটন ভিসা চালু করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পর্যটনশিল্পে উৎসাহ দিতে শিগগিরই ৫ লাখ ট্যুরিস্ট ভিসা বিনা শুল্কে দেওয়া হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই ভিসা দেওয়ার। ভিসার সঙ্গে ভারতের বিমান পরিষেবাগুলোও পর্যায়ক্রমে চালু হবে। লক্ষ্যণীয়, যত বিদেশি পর্যটক ভারত ভ্রমণ করেন, তার মধ্যে বাংলাদেশি সর্বাধিক। সরকারি সূত্রে এও বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ের পর্যটন ভিসা আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত বহাল হবে। আপাতত এক সপ্তাহের জন্য ভিসা দেওয়া হতে পারে। অক্টোবরে চালু হলে গত দেড় বছরের মধ্যে এই প্রথম পর্যটন ভিসা চালু হবে। ২০২০ সালের মার্চ থেকে পর্যটন ভিসা বন্ধ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে যেহেতু করোনার প্রকোপ কমেছে এবং টিকাকরণ দ্রুতগতিতে চলছে, সে কারণেই ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী মোদি এও জানিয়েছেন, পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত সবাইকে ১০ লাখ রুপি সহযোগিতা করা হবে এবং নথিভুক্ত ট্যুরিস্ট গাইডদের ১ লাখ রুপি করে দেওয়া হবে। তিনি আশা করেন ধীরে ধীরে আবার আগের মতো পর্যটক আসা শুরু হবে। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। ইতিমধ্যে ১৩০ কোটি নাগরিকের মধ্যে ৮০ কোটিকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমে এসেছে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাইছে, শুধু সেসব পর্যটককে ভিসা দেওয়া হবে যারা করোনার টিকা নিয়েছেন।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ প্রতিদিন।

মালেশিয়া ভ্রমণ ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সুখবর। বিস্তারিত পড়ুন।
22/09/2021

মালেশিয়া ভ্রমণ ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সুখবর। বিস্তারিত পড়ুন।

থাই ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করা হয়েছে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং থেকে শর্তসাপেক্ষে।
19/09/2021

থাই ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করা হয়েছে আগামী ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং থেকে শর্তসাপেক্ষে।

বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী চলাচলের বিষয়ে সর্বশেষ নির্দেশনা।
17/09/2021

বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী চলাচলের বিষয়ে সর্বশেষ নির্দেশনা।

খুবই জরুরি তথ্য। যদি কারো উপকারে আসে। দয়া করে বেশি শেয়ার করুন যেন মানুষ উপকৃত হয়। জনস্বার্থে প্রচার করা হল। ধন্যবাদ সবাই...
07/04/2021

খুবই জরুরি তথ্য। যদি কারো উপকারে আসে। দয়া করে বেশি শেয়ার করুন যেন মানুষ উপকৃত হয়। জনস্বার্থে প্রচার করা হল। ধন্যবাদ সবাইকে।
ঢাকা সিটির ICU Hospitals এর নাম ও ফোন নাম্বার।

21/02/2021

আমরা ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি ও তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
Marco Polo Tours and Travels Ltd.

******* একটি জনসচেতনতা মূলক পোস্ট *****হাঁচি, কাঁশি, গলা খুসখুস, জ্বর, শরীর ব্যাথা, পাতালা পায়খানা, স্বাদ ও গন্ধহীন এসবে...
29/07/2020

******* একটি জনসচেতনতা মূলক পোস্ট *****

হাঁচি, কাঁশি, গলা খুসখুস, জ্বর, শরীর ব্যাথা, পাতালা পায়খানা, স্বাদ ও গন্ধহীন এসবের যেকোন ১/২টা উপসর্গ দেখা দিলেই ভেবে নেবেন আপনি করোনা আক্রান্ত। এতে ভয়ের কোন কারণই নেই। একটু সর্তক হলে বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। মনে রাখবেন ঘরের একজন আক্রান্ত হলে অপরাপর সদস্যগণ (গৃহকর্মীসহ) একযোগে চিকিৎসা শুরু করবেন।

এক্ষেত্রে প্রথমত প্রথমত প্রথমত
সৃস্টিকর্তার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে।

দ্বিতীয়ত : মানসিক শক্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। মনে রাখবেন মানসিক বিপর্যয় ঘটলে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো নির্জীব হয়ে পড়ে। আর তখনই করোনা ভাইরাসের দেহ দখলের সুযোগ তৈরী হয়। কোনভাবেই মানসিক বিপর্যয় ঘটতে দেয়া যাবে না।

তৃতীয়ত : আক্রান্ত ব্যাক্তির সাথে পরিবারের অপরাপর সদস্যগণ এমন আচরণ করবেন না যাতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্থ হন। আক্রান্ত ব্যাক্তিকে কখনও কক্ষ বা গৃহবন্দি করবেন না। সর্বচ্চ তাঁর প্লেট গ্লাস চায়ের কাপসহ ব্যবহার্য্য জিনিস ভিন্ন করুন। তাকে অতীতের তুলনায় বেশী করে সময় দিন। মানসিক শক্তি দিন। একই বৈঠকে খাওয়া দাওয়া করুন। আমি আমার পজেটিভ স্ত্রীর সাথে বিছানা পৃথক করিনি। আমাদের কন্যাকেও করিনি। পরিবারের সবাই এক সাথে আইসোলেশনে থেকেছি।খেয়েছি। এতে আমার ছেলে মেয়ে সংক্রমিত হয়নি। ভয়ের কিছু নেই।

চতুর্থত : ঘরে একজন সদস্যেরও যদি উপসর্গ দেখা দেয় সেক্ষেত্রে অপর সকল সদস্য কমপক্ষে ১৪ দিন ২৪ ঘন্টা মাস্ক ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যাক্তি দুটি অন্যরা ১টি মাস্ক ব্যবহার করবেন। এতে অনেকেই সুরক্ষিত থাকবেন। মাস্কের রাবারে আমার কানে উপরে ঘা হওয়ার পরও মাস্ক খুলিনি। কানের উপর টিস্যু পেপার ও তুলা ব্যবহার করেছি।

পঞ্চমত : পানির সাথে জীবানু নাশক মিশিয়ে (সম্ভব হলে) প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার ঘরের মেঝে ও ডায়েনিং টেবিল মুছতে হবে।

ষষ্ঠত : খাওয়ার পর ব্যবহার্য প্রতিটি থালা বাটি গ্লাস সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুতে হবে।

সপ্তমত : এক ঘন্টা পরপর ঘরের সবাই সাবান দিয়ে হাত ধুবেন। যে কোন জিনিস মুখে দেয়ার আগে তো এ কাজ অবশ্যই করবেন।মনে রাখবেন ভেজালের ভীড়ে স্যানিটাইজারের চেয়েও সাবান করোনা নিধনে অনেক গুন বেশী কার্যকর।

অষ্টমত : প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ খাওয়ার যেমন মাছ, মাংস, ডিম, দুধ,ডাল জাতীয় খাবার খাবেন।সব সম্ভব না হলে কমপক্ষে সকালে ২টা বিকালে ২টা কুসুমসহ (যে ফরমেটে পছন্দ করেন) ডিম খাবেন। এছাড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল যেমন লেবু, তেতুল, আনারস, জাম, লটকন, আমলকি, পেঁপে, আম, লিচুসহ এখনকার মওসুমি ফল খাবেন। এক্ষেত্রে লেবু বেশী খাওয়া সম্ভব। এতে কাজও বেশী হয়। আপনি সারাদিন সাধ্যমত লেবুর সরবত,লেবু চা,ভাতের সাথে লেবু খান। কমপক্ষে ১৪ দিন জীবনকে লেবুময় করে তুলুন।

নবমত : মনে রাখবেন করোনা সংক্রমণ থেকে ফুসফুস রক্ষা করতে পারা মানে আপনি নিজেকে মৃত্য ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা করা। এজন্য গরম পানির ভাঁপ ছাড়া কোন বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে টুইন কাজ করবেন। দেড় লিটার পানিতে ৭/৮টি এলাচি, ৭/৮টা লবঙ্গ (লং), ২/৩ টুকরা দারুচিনি, ২/৩টা তেজপাতা, ১ ইঞ্চি পরিমাণ আদার কুঁচি, চা চামুচের ১ চামুচ কালোজিরা, আধা চামুচ হলুদ গুড়া ও ১ চামুচ চা পাতা ১টি বড় লেবুর রস দিয়ে ভালো করে জাল দিবেন। সেই উৎরানো গরম পানি থেকে নাক দিয়ে ভাঁপ নিবেন। মুখ দিয়ে ছাড়বেন। এতে ফুসফুস গরম হয়। আর গরমে ভাইরাসের মৃত্য ঘটে। ফুসফুস সুরক্ষায় এটি হচ্ছে এখন একমাত্র ব্যবস্থা। এক পর্যায় গরম বাস্প শেষ হলে সেই মসলা চা এক মগ পান করবেন। সম্ভব হলে মধু মিশিয়ে না হয় যে যার যার পছন্দ মত পান করবেন। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ বার করে ১৪ দিন ভাঁপ ও মসলা চা পান করবেন।

দশমত : ফুসফুসের ব্যায়াম করুন। নাক দিয়ে লম্বা নিঃশ্বাস নিয়ে কমপক্ষে ১০ সেকেন্ড (সম্ভব হলে আরও বেশী) দম আটকে রেখে পরে মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে ছাড়ুন। এভাবে ৫ বার। ৬ বারের সময় দম ছাড়তে কাঁশি দিয়ে ছাড়ুন। এসময় অবশ্যই হাতে একটি টিস্যু পেপার অথবা রুমাল মুখের সামনে রাখবেন। খেয়াল রাখবেন যাতে কাঁশির সাথে থুথু বাতাসে মিশতে ও মাটিতে পড়তে না পারে। এভাবে দিনে কমপক্ষে ৪ বার ১৪ দিন করবেন।

এগারোতম : এই মহুর্তে সবার ঘরে একটা অক্সি মিটার থাকা প্রয়োজন।থাকলে ২ ঘন্টা পরপর অক্সিজেন ও পালস্ রেট
জানতে পারবেন। মনে রাখবেন অক্সিজেন লেভেল ৯২ এর নিচে গেলে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে অক্সিজেন দিতে হবে।

ঘরে অক্সি মিটার না থাকলে রোগীর শ্বাসকষ্ট হলে উপর হয়ে বুকের নিচে বালিস দিয়ে হাত পা ছড়িয়ে জোরে জোরে নিঃশ্বাস টানুন ছাড়ুন। এভাবে ২০ থেকে ৩০ মিনিট করুন। এতে অক্সিজেন লেভেল বাড়ে। এরপরও শ্বাসকষ্ট থাকলে অথবা পরিস্থিতি উন্নতি না হলে হাসপাতালে অক্সিজেন দেয়ার দ্রুত ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া দৈহিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন ট্যাবলয়েড ও ক্যাপসুল খেতে হবে।

***ভিটামিন

১। ট্যাবলয়েড জিংক ২০
প্রতি রাতে ১টা ১৪ দিন

২। ট্যাবলয়েড সিভিট ডিএস
প্রতি সকালে ১টা রাতে ১টা চুষে
খাবেন ১৪ দিন

৩। ক্যাসুল ডি রাইস ৪০,০০০
প্রতি সাপ্তাহে ১টি ৬ সাপ্তাহ

***কাঁশি থাকলে

৪। এম কাস্ট ১০/মোনাস।
প্রতি রাতে ১টি ১৪ দিন

বেশী কাঁশি হলে ও সাথে কফ থাকলে

৫। ট্যাবলয়েড জিম্যাক্স
প্রতি রাতে ১টি ৭ দিন

৬। স্যাক্লো ২০/সারজেল ২০/ওমিপ্রাজল ২০ ট্রুপেন ২০ প্রতি সকালে ১টা রাতে ১টা

***জ্বর ও শরীরে ব্যাথা থাকলে

৬।নাপা এক্সটেইন্ড/এইচ প্লাস/নাপা র্যাপিড/প্যারাসিটামল
১টি ৮ ঘন্টা পরপর।

সবাইকে মনে রাখতে হবে করোনা ভাইরাস দেহে সংক্রামিত হয়ে ফুসফুস বিকল করে। ফলে অক্সিজেনের অভাবে মৃত্য ঘটে। এ ভাইরাসের কোন প্রতিষেধক নেই।

আতংক নয়, আমরা একটু সর্তক ও সচেতন হলে করোনাকে দেহের ভিতর মৃত্য ঘটাতে পারি।

তবে যাঁরা পূর্ব থেকে বিভিন্ন স্থায়ী রোগে ভুগছেন তাঁরা দয়া করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফুসফুস আক্রান্ত হলে কষ্ট হলেও হাসপাতালে চিকিৎসা নিন।

উপরে উল্লেখিত চিকিৎসা, সর্তকতা, সচেতনতায় আল্লাহ্’র অশেষ রহমতের কৃপায় এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় আমরা করোনা মুক্ত।
Collected.

 #বিদেশগামী_ব্যক্তিদের_করোনা_টেস্ট_করার_নিয়মাবলীঃবহুদিন পর আন্তর্জাতিক বিমান খুলে দেয়ার পর অনেকেই দেশের বাহিরে যাওয়ার কথ...
27/07/2020

#বিদেশগামী_ব্যক্তিদের_করোনা_টেস্ট_করার_নিয়মাবলীঃ

বহুদিন পর আন্তর্জাতিক বিমান খুলে দেয়ার পর অনেকেই দেশের বাহিরে যাওয়ার কথা ভাবছেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করোনা টেস্ট করে তার রিপোর্ট নিয়ে তবেই যেতে পারবেন। আমি কতগুলো কমন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি।

১) আমি কবে টেস্ট করাব???
উত্তরঃ আপনার যে সময় ঢাকা থেকে ফ্লাইট ছাড়বে তার পূর্বের ৭২ ঘন্টার মধ্যে। সহজ হিসাব এরকম।
- মনে করুন আপনি আজ সকালে স্যাম্পল দিয়েছেন।
- আগামিকাল বিকালে আপনি রিপোর্ট পাবেন।
- পরশুদিন আপনার ফ্লাইট থাকবে।
এই রকম সময় মিলিয়ে চলে আসবেন। তাহলে ৭২ ঘন্টার ঝামেলায় পরবেন না।

২) টেস্ট কোথায় করাব?
উত্তরঃ DNCC করোনা আইসোলেশন সেন্টার,মহাখালী, ঢাকা (মহাখালী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন)।

৩) টেস্ট করাতে কি কি জিনিস লাগবে?
উত্তরঃ ৪ টি জিনিস
- আপনার পাসপোর্ট এর ফটোকপি
- আপনার এয়ার টিকেটের কপি
- ৩,৫৩৫ টাকা
- পাসপোর্ট (অরিজিনাল)

৪) কখন টেস্ট করাতে আসব?
উত্তরঃ প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ২ টা।

৫) রিপোর্ট কখন পাব?
উত্তরঃ যেদিন স্যাম্পল দিবেন তার পরের দিন দুপুর
২ টা থেকে ৪ টা।

৬) শুক্রবার, ঈদের দিন বা অন্য সরকারি ছুটির দিন খোলা থাকবে?
উত্তরঃ সপ্তাহ ৭ দিনই খোলা থাকবে। কোন প্রকার ছুটিতে বন্ধ থাকবেনা।

৭) পূর্বে এপয়েনমেন্ট দিতে হবে?
উত্তরঃ না। নির্দিষ্ট সময় হিসেব করে সকালে চলে আসবেন। পূর্বে এপয়েনমেন্ট দেয়ার কিছু নেই।

৮) টাকা কি আগে থেকে 'নগদ' এ পাঠাতে হবে?
উত্তরঃ না। ক্যাশ নিয়ে আসলেই হবে। ভিতরে নগদ এর এজেন্ট আছে। তারা করে দেবে।

৯) আমার বাচ্চা আছে, আমার মা বয়স্ক। যেয়ে কি অনেকক্ষণ তাদের বসে থাকতে হবে?
উত্তরঃ না। তাদের লাইনে আগে দেয়া হয় যাতে কষ্ট কম হয়।

১০) বাসায় থেকে স্যাম্পল নেয়া হয় কি না?
উত্তরঃ না। আপনাকে এসেই স্যাম্পল দিয়ে যেতে হবে।

১১) রিপোর্ট কোথায় পাব?
উত্তরঃ ২ ভাবে পেতে পারেন।
- DNCC করোনা আইসোলেশন সেন্টারে নির্দিষ্ট দিনে দুপুর ২-৪ টা পর্যন্ত রিপোর্ট দেয়া হবে।
- covid19reports.dghs.gov.bd এই ওয়েব পেজে দুপুর ২ টার পর আপনার প্রদত্ত মোবাইল নম্বর দিয়ে পেয়ে যাবেন। শুধু প্রিন্ট করে এয়ারপোর্টে নিয়ে যাবেন।
যেটাতে আপনার সুবিধা।

১২) রিপোর্টে নামের বানান ভুল আসছে, তাহলে কি রিপোর্ট ভুল?
উত্তরঃ না। রিপোর্ট ঠিক আছে। এটা অপারেটরের টাইপিং এ ভুল। আপনার পাসপোর্ট নাম্বার আপনার পরিচয় বহন করে।

১৩) রিপোর্টে কোন ধরনের ভুল থাকলে আমি কি করব?
উত্তরঃ রিপোর্ট নিয়ে DNCC আইসোলেশন সেন্টার এ চলে আসবেন। এখানে correction রুম আছে। আপনাকে দ্রুত কারেকশন করে দেবে।

১৪) আমার রিপোর্ট করোনা পসেটিভ এসেছে। এখন কি করব?
উত্তরঃ আপনি ফ্লাইট চেঞ্জ করবেন। যদি চেঞ্জ না করা যায় তাহলে আপনার টাকা টা নষ্ট হবে। এখানে কিছুই করার নেই।

১৫) আমি নেগেটিভ হয়ে গেছি কিনা সেটা দেখার জন্য ১৪ দিন পর কি এখানে আবার টেস্ট করতে পারব কিনা?
উত্তরঃ না। আপনার এটা অন্য কোন হাসপাতাল থেকে করতে হবে। সেখানে নেগেটিভ আসলে আবার এয়ারটিকেট কাটলে তারপর আপনি পূর্বের নিয়মে DNCC করোনা আইসোলেশন সেন্টারে এসে corona free certificate এর জন্য স্যাম্পল দিবেন।

১৬) আমি কি ল্যাবএইড, স্কয়ার থেকে টেস্ট করায়ে বিদেশ যেতে পারব?
উত্তরঃ না।

১৭) সিরিয়াল কি ভাবে দিব?
উত্তরঃ আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে টোকেন দেয়া হচ্ছে। সেই অনুযায়ী সিরিয়াল পাবেন। বসার ব্যবস্থা আছে। সিরিয়াল ধরে ডাকবে। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মেইনটেইন করছে। কোন ঝামেলা হবেনা।

বিঃ দ্রঃ নিচের ফর্মটি প্রিন্ট করে ফিল আপ করে নিয়ে আসতে পারেন অথবা আইসোলেশন সেন্টারেও ফর্মটি দেয়া হবে। সেখানেও ফিল আপ করতে পারবেন।

সঠিক ও নির্ঝঞ্ঝাট ব্যবস্থা করার জন্য আমি মাননীয় সিভিল সার্জন মহোদয়, ঢাকা; স্বাস্থ্য অধিদপ্তর; বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ; সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

জনসার্থে শেয়ার করুন।

Address

M. R. Center ( 5th Floor South Side) Lift-4, House/49, Road/17, Block-E, Banani C/A
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Marco Polo Tours and Travels Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Marco Polo Tours and Travels Ltd.:

Share

Category