O' Travella

O' Travella Tour arrangement support

রাঙ্গামাটি কাপ্তাইলেকের সেরা রিসোর্টগুলোর রিভিউ ও তথ্য এক পোস্টে!!! দেওয়া হলো।‎পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার...
28/03/2026

রাঙ্গামাটি কাপ্তাইলেকের সেরা রিসোর্টগুলোর রিভিউ ও তথ্য এক পোস্টে!!! দেওয়া হলো।
‎পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্য কাপ্তাইয়ের এই রিসোর্টগুলো হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য!

‎🔷 লেকশোর রিসোর্ট, কাপ্তাই
‎নিরাপত্তা ও বিলাসিতার অপূর্ব সমন্বয়। সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত এই রিসোর্টে পাবেন কায়াকিং, ইনফিনিটি পুলসহ নানা সুবিধা।
‎📞 01729-463135, 01859-778065
‎📍ভাড়া: রুম প্রতি ৬৫০০ টাকা, সম্পূর্ণ রিসোর্ট ৪০০০০ টাকা।
‎📲 Facebook: Lakeshore Resort, Kaptai | Kaptaimukh

‎🔷 নিসর্গ পড হাউজ, কাপ্তাই
‎ইকো ফ্রেন্ডলি পরিবেশে কর্ণফুলী নদীর তীর ঘেঁষে অপূর্ব লোকেশনে ৯টি ভিন্ন নামে পড হাউজ।
‎📞 01834-682762, 01829-806801
‎📍ভাড়া: পড হাউজ ৪৫০০-৬০০০ টাকা।
‎📲 Facebook: Nisarga Pod House, Kaptai

‎🔷 দি বরগাঙ রিসোর্ট, কাপ্তাই
‎সোলার এনর্জি নির্ভর ইকো রিসোর্ট, ট্রাইবাল খাবার ও প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিরিবিলি সময় কাটানোর উপযুক্ত জায়গা।
‎📞 01821-827938
‎📍ভাড়া: ১৫০০-২০০০ টাকা।
‎📲 Facebook: The Borgaang | Rangamati

‎🔷 লেক প্যারাডাইস পিকনিক স্পট এন্ড রিসোর্ট
‎নৌবাহিনীর পরিচালিত ৩০ বছরের পুরনো রিসোর্ট, যেখানে ৫০০০ জনের পিকনিক, অনুষ্ঠান আয়োজন ও কায়াকিং করা সম্ভব।
‎📞 01821-827938, 01769-772174
‎📍ভাড়া: ২০০০-৬০০০ টাকা (রুম/কটেজ)।
‎📲 Facebook: Lake Paradise Picnic Spot and Resort, Kaptai

‎🔷 রাইন্যা টুগুন ইকো রিসোর্ট, কাপ্তাই
‎জুম সংস্কৃতি, ফুল-ফল ও ঔষধি গাছে ভরা ২৫ একরের রিসোর্ট। হ্রদের কোলঘেঁষে প্রকৃতির মাঝে রাতযাপন।
‎📞 01551-708244
‎📍ভাড়া: তাবু ১২০০ টাকা, রুম (খাবারসহ) ৪৫০০ টাকা।
‎📲 Facebook: Rainya Tugun Eco Resort | Rangamati

‎🔷 লেক ভিউ আইল্যান্ড, কাপ্তাই
‎সেনাবাহিনীর গড়া ‘নীলকৌড়ি’ বজরা ও গ্লাস হাউসে হ্রদের প্যানারোমিক ভিউ উপভোগের সুযোগ।
‎📞 01769-322183, 01769-322182
‎📍ভাড়া: ১০০০-৪০০০ টাকা, নীলকৌড়ি ভাড়া ১০,০০০ টাকা।
‎📲 Facebook: LAKE VIEW Island

‎🔷 জীবতলী রিসোর্ট, কাপ্তাই
‎মাটির কটেজ, বাঁশের কটেজ, পাহাড়ি ছনের ছাদে অনন্য অভিজ্ঞতা। নেই বিদ্যুৎ পাখা, আছে প্রাকৃতিক শীতলতা।
‎📍ভাড়া: ১০০০-৩৫০০ টাকা।
‎📍সুবিধা: খেলাধুলার মাঠ, মিনি চিড়িয়াখানা, কাপ্তাই লেক ভিউ।

‎🔷 ডিভাইন লেক আইল্যান্ড, কাপ্তাই
‎দ্বীপে অবস্থিত বিলাসবহুল রিসোর্ট, শুধু নৌকাযোগে যাওয়া যায়। রয়েছে ডিলাক্স রুম, চাকমা সংস্কৃতি ও দেশি-বিদেশি খাবার।
‎📞 01608-681212
‎📍ভাড়া: ৫০০০-৮৫০০ টাকা।

অনেকেই অনলাইনে বা কাউন্টারে টিকেট কাটার সময় সিট সিলেকশন নিয়ে দ্বিধায় পরেন। এই সূচীটি সংগ্রহে রাখুন। তাহলে আশা করি সমস্যা...
25/02/2025

অনেকেই অনলাইনে বা কাউন্টারে টিকেট কাটার সময় সিট সিলেকশন নিয়ে দ্বিধায় পরেন। এই সূচীটি সংগ্রহে রাখুন। তাহলে আশা করি সমস্যায় পরবেন না।

21/01/2025

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা ফ্রি! 🇳🇵
বাংলাদেশি নাগরিকরা প্রতি বছর একবার নেপালের ফ্রি ভিসা পেতে পারেন।
👉 প্রথমবার ফ্রি, দ্বিতীয়বার ভিসা ফি দিতে হবে।
👉 ভিসার মেয়াদ: ৬ মাস (৩০ দিনের ভ্রমণ অনুমতি)।
ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস 📋:
1️⃣ পাসপোর্ট (মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস)।
2️⃣ ২ কপি ছবি (সাইজ: ৩.৫x৪.৫ সেমি)।
3️⃣ জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি (NID)।
4️⃣ ব্যাংক স্টেটমেন্ট: শেষ ৩ মাসের।
5️⃣ এনওসি বা ট্রেড লাইসেন্স: চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীদের জন্য।
6️⃣ হোটেল বুকিং ডকুমেন্টস।
7️⃣ বিমানের রাউন্ড ট্রিপ টিকিট।
8️⃣ আবেদন ফর্ম।
প্রসেসিং টাইম এবং ঠিকানা 📍:
• ঠিকানা: নতুন বাজার, আমেরিকান এম্বাসির পেছনে, নেপাল এম্বাসি।
• আবেদন জমা: সকাল ৯:০০ – দুপুর ১২:৩০।
• ডেলিভারি টাইম: দুপুর ২:০০ – বিকাল ৪:০০।
• প্রসেসিং টাইম: মাত্র ৩ দিন।
অতিরিক্ত তথ্য ✈️:
• শিশুদের জন্য বাবা-মায়ের পাসপোর্ট ও স্কুলের NOC জমা দিতে হবে।
• ভিসার তারিখ নির্ধারণের সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক দিন উল্লেখ করুন।
• ফ্রি ভিসার সুবিধা বছরে মাত্র একবার প্রযোজ্য।
• ট্যুরিজমের জন্য অক্টোবর-ডিসেম্বর সেরা সময়।
বিশেষ পরামর্শ ⚠️:
• নেপালে হিমালয় অঞ্চলে ঘোরার জন্য গাইড রাখুন।
• পর্যাপ্ত নেপালি রুপি নিয়ে নিন, কারণ সব জায়গায় কার্ড চলে না।
• পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সবাইকে আলাদা ডকুমেন্টস নিতে হবে।
💡 পোস্টটি শেয়ার করুন যাতে অন্যরাও উপকৃত হতে পারে।

ঢাকা থেকে বিকেল ৪.৩০ ও রাত ১১.৪৫ মিনিটে রাজবাড়ী হয়ে দর্শনার উদ্দেশ্য দুটি আন্তনগর সহ২৫/২৬ নকশীকাঁথা কমিউটার এবং ১০১/১০২ ...
22/12/2024

ঢাকা থেকে বিকেল ৪.৩০ ও রাত ১১.৪৫ মিনিটে রাজবাড়ী হয়ে দর্শনার উদ্দেশ্য দুটি আন্তনগর সহ
২৫/২৬ নকশীকাঁথা কমিউটার এবং ১০১/১০২ এবং ১০৫/১০৬ রাজবাড়ী কমিউটার কে নিন্মরুপ সুচী সংশোধন করে পরিচালনা করা যেতে পারে:------

"নকশীকাঁথা কমিউটার":-
খুলনা রাত ৯.৩০ টু ঢাকা সকাল ৭.০০!!
ঢাকা সকাল ৮.০০ টু খুলনা বিকেল ৫.৩০!!

"রাজবাড়ী কমিউটার":-
পোড়াদহ ভোর ৪.০০ টু ঢাকা সকাল ৯.০০!!!!
ঢাকা সকাল ১০.০০ টু রাজবাড়ী দুপুর ১.০০!!
রাজবাড়ী বিকেল ৪.০০ টু ঢাকা সন্ধ্যা ৭.০০!!!
ঢাকা সন্ধ্যা ৭.৩০ টু পোড়াদহ রাত ১২.৩০!!!!!

গাজীপুরবাসীদের জন্য সুখবর....🌷১৫ ডিসেম্বর হতে ঢাকা-জয়দেবপুর-ঢাকা রুটে চার জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে  🚉🚉নিম্নে ট্রেনস...
13/12/2024

গাজীপুরবাসীদের জন্য সুখবর....🌷
১৫ ডিসেম্বর হতে ঢাকা-জয়দেবপুর-ঢাকা রুটে চার জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে 🚉🚉

নিম্নে ট্রেনসমূহের তথ্য দেওয়া হলো 🚉🚉

04/12/2024

সস্তায় ফ্লাইট টিকিট কেনার ৭টি কার্যকর টিপসঃ

সস্তায় ফ্লাইট টিকিট কিনতে কিছু কৌশল জানা থাকলে ভ্রমণের খরচ অনেক কমানো সম্ভব। নিচে এমন ৭টি কার্যকর কৌশল উল্লেখ করা হলো।

১. মঙ্গলবার ও বুধবার টিকিট বুক করুন

মঙ্গলবার এবং বুধবার হলো সস্তায় টিকিট কেনার সেরা দিন। বেশিরভাগ এয়ারলাইনস মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় তাদের টিকিটের মূল্য আপডেট করে। পরিসংখ্যান বলছে, অধিকাংশ মানুষ শুক্রবার, শনিবার বা রবিবার টিকিটের দাম খোঁজেন। তাই মধ্য সপ্তাহে টিকিট কিনলে দাম তুলনামূলক কম হয়।

২. আগে থেকে টিকিট বুক করুন, তবে অতিরিক্ত আগেও নয়

ভ্রমণের তারিখের অন্তত ২১ দিন আগে টিকিট কিনুন। এয়ারলাইনস সাধারণত প্রথম কয়েকজন যাত্রীকে সবচেয়ে সস্তা টিকিট দেয়। তবে খুব আগেও বুক করলে বেশি দাম দিতে হতে পারে।

৩. সঠিক দিন নির্বাচন করুন

মঙ্গলবার বা বুধবার ফ্লাইট বুকিং এবং ভ্রমণের জন্য আদর্শ। এই দিনগুলোতে ভ্রমণকারী তুলনামূলক কম থাকে। তাই টিকিটের দামও কম থাকে।

৪. আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য সেরা অফার খুঁজুন

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ১১-১২ সপ্তাহ আগে টিকিটের সেরা অফার পাওয়া যায়। এই সময়ে নিয়মিত টিকিটের দাম চেক করুন।

৫. ছোট এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করুন

বড় এয়ারপোর্টের পরিবর্তে কাছাকাছি ছোট এয়ারপোর্টে নামার চেষ্টা করুন। যেমন, লন্ডনে যাওয়ার সময় হিথ্রোর পরিবর্তে ম্যানচেস্টার এয়ারপোর্টে নামুন এবং ট্রেনে লন্ডনে যান। এতে খরচ কমে।

৬. ব্রাউজারের 'কুকিজ' পরিষ্কার করুন

ফ্লাইট টিকিট খোঁজার সময় আপনার ব্রাউজারের কুকিজ পরিষ্কার করুন। না হলে এয়ারলাইন্সের বুকিং সিস্টেম আপনার আগের অনুসন্ধান ধরে নেবে এবং দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।

৭. টিকিটের দাম তুলনা করুন

একটি ওয়েবসাইটে নির্ভর না করে বিভিন্ন সাইটে টিকিটের দাম তুলনা করুন। প্রায়ই দেখা যায়, একই এয়ারলাইন্সের টিকিট অন্য ওয়েবসাইটে সস্তা পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: সাইটগুলো ব্যবহার করুন

সস্তায় টিকিট খুঁজতে এই সাইটগুলো ব্যবহার করুন:
1. MIAJEE Tours & Travels
https://www.miajeegroupbd.com

2. Skyscanner
https://www.skyscanner.net

3. CheapFlight
https://www.cheapflights.com

4. Momondo
https://www.momondo.com

5. Kayak
https://www.kayak.com

6. Google Flights
https://www.google.com/flights

ফ্লাইটের টিকিট সস্তায় কিনতে এই টিপসগুলো অনুসরণ করুন। পরিকল্পিত ভ্রমণ আপনার সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচাবে।

স্বেচ্ছায় টুকরো হওয়া ব্রিজভারতের মাত্র তিনটি ফোল্ডিং ব্রিজের একটি শহর কলকাতায়। খিদিরপুর ব্যাসকিউল ব্রিজ। বড়ো মাপের জাহাজ...
30/11/2024

স্বেচ্ছায় টুকরো হওয়া ব্রিজ

ভারতের মাত্র তিনটি ফোল্ডিং ব্রিজের একটি শহর কলকাতায়। খিদিরপুর ব্যাসকিউল ব্রিজ। বড়ো মাপের জাহাজ চলাচলের জন্য এই ব্রিজ দুভাগ হয়ে উঠে আসে পাড়ের দিকে। জাহাজ চলে গেলে আবার জায়গায় ফিরে যায় আগের মতো। কলকাতার খিদিরপুর ছাড়া মুম্বাই পোর্ট ও তামিলনাড়ুতে এমন দু’টি ব্রিজ রয়েছে। আমরা জানি ১৮৮৬ থেকে ’৯৪ এর মাঝামাঝি লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ পৃথিবীর প্রথম ব্যাসকিউল ও সাসপেনশন ব্রিজের সংমিশ্রন হিসাবে বিখ্যাত। সাল ১৯৬৬, নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখ উদ্বোধন হয় এই ব্রিজের। যানবাহন চলাচল শুরু হয়। ওয়াগেন বিরো ব্রিজ সিস্টেম নামক অস্ট্রিয়ান এক কোম্পানির হাতে তৈরি হয় এই ব্রিজ।

ধরুন আপনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন নিজের গাড়িতে। হঠাৎ আপনাকে আটকানো হলো এক ব্রিজের গোড়ায়। আপনি দেখছেন আপনার চোখের সামনে ব্রিজটি উঠে যাচ্ছে আকাশের দিকে। মাঝখান দিয়ে রাস্তা কাটছে এক বিরাট মাপের জাহাজ। রোজের রুটিনে বেশ অবাক করা এক ঘটনা তাই না? সচরাচর এমন ঘটনা দেখলে অস্বস্তি হতে বাধ্য। টানটান পিচ রাস্তা আকাশের দিকে উঠে যেতে আমরা কেউই দেখিনি কখনও। দেখিনি রাস্তা কেটে জাহাজ চলে যেতেও।

খিদিরপুর ব্রিজ (কলকাতা, ভারত)
এক ইলেক্ট্রো-হাইড্রোলিক সিস্টেমে ওঠানামা করে এই ব্রিজ। ব্রিজের মাঝ বরাবর একটি জায়গা থেকে দু-দিকে দু’টি অংশ আলাদাভাবে উঠতে থাকে উপর দিকে। একে বলে ডাবল-লিফ ব্যাসকিউল ব্রিজ। ব্রিজের দু-প্রান্তের দু’টি মোটরের দ্বারা দু’টি গিয়ার নিয়ন্ত্রিত হয়। যখন গিয়ারগুলি সামনের দিকে চলে, ব্রিজ খুলে যায় এবং তৈরি হয়ে যায় জাহাজ যাওয়ার রাস্তা। তারপর আবার বিপরীত দিকে গিয়ার চালিত হলে ব্রিজের দু’টি অংশ নেমে আসে যথাস্থানে। এখানে কোনও পুলি বা তারের ব্যবস্থা নেই। ব্রিজের দু’টি প্রান্ত আলাদাভাবে মাটির সঙ্গে ৬৬ ডিগ্রি কোণে খুলে থাকে। এই অ্যাঙ্গেলে পৌঁছতে অবশ্য সাত থেকে আট মিনিট সময় লাগে ব্রিজের। আবার পূর্বের জায়গায় ফেরাতেও লাগে প্রায় এই পরিমাণ সময়। বুধবার ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহে পাঁচদিন এই ব্রিজ দুপুর ২টো থেকে ৩টের মধ্যে খোলা হয় জাহাজ যাতায়াতের জন্য।
১৯৬৬-তে চালু হওয়া এই ব্রিজ ২০১৮ পর্যন্ত প্রায় কোনও মেন্টেনেন্স ছাড়াই চলেছে নির্বিঘ্নে। তবে ২০১৮ সালের আগস্ট মাস নাগাদ দেখা দেয় বিপত্তি। ভরদুপুরে গাড়ির লাইন লেগে যায়। জ্যাম হয়ে যায় দীর্ঘ রাস্তা জুড়ে। জলযানের যাতায়াতে খোলা ব্রিজ কিছুতেই বন্ধ হতে চায় না। বহুক্ষণ ধরে চেষ্টার পরেও অপারগ হয়ে ডাকা হয় ইঞ্জিনিয়ারদের। তাঁরা কারণ বার করেন এবং মেরামত করেন ব্রিজ সেই মুহূর্তের জন্য। সমস্যা মিটে যায়। এরপর নভেম্বর মাস নাগাদ ব্রিজ দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ রেখে কিছুদিনের জন্য মেরামত করা হয়। কাজ শেষ হলে দিন চার পাঁচেকের মধ্যে শুরু হয় যান চলাচল। কলকাতার বুকে হাতেগোনা কয়েকটি আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম এই ব্রিজ। অথচ আমরা অনেকেই জানি না এর কথা, অনেকে ভুলেও গিয়েছি হয়তো বা। খিদিরপুরের এই ব্রিজকে কলকাতার এক ঐতিহ্য বললে বোধহয় বেশি বলে ফেলা হবে না এখনও।
ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন
📞০১৮৮৬২৮৭০৪২

14/11/2024

🇧🇩 যারা ই-পাসপোর্ট করতে চান তাদের জন্য সম্পূর্ন গাইড লাইনঃ

০১. ই পাসপোর্ট করতে কখনোই কোন অবস্থাতেই কোন দালালের সরনাপন্ন হবেন না। সত্যি বলতে পাসপোর্ট করতে দালালের প্রয়োজন নেই।তাই নিজের টা নিজে করুন।

০২. আপনারা নিজের টা অবশ্যই নিজে পারবেন। আপনার পরিবারেরটাও আপনি পারবেন।

০৩. এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করা আর নতুন ভাবে ই পাসপোর্ট করার ফর্মালিটি একই। এম আর পি পাসপোর্ট থাকলে শুধু এর ডাটা গুলো ভুল না করে সঠিক ভাবে নতুন আবেদনে উল্লেক্ষ করুন।

০৪. একটা বিষয় মাথায় রাখবেন ই পাসপোর্ট করতে যে সাপরটিং পেপার লাগে তা অবশ্যই আবেদনের পূর্বেই নিজের কাছে সংগ্রহে রাখুন, জেনো কোন অবস্থাতেই আপনার আবেদিন টা পরিপূর্ণ করতে কোন রকম ঝামেলায় পড়তে না হয়।

★কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

(ক) আপনার বয়স যদি ১৮ থেকে ২০বছরের মাঝে হয়, তবে NID অথবা ১৭ ডিজিটের ভেরিফাইড Birth Certificate. আর ২০ বছরের উপর হলে অবশ্যই NID লাগবে।
(খ) পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তার যে পেইজে ডাটা রয়েছে সেই পাতাটির ফটোকপি।
(গ) যারা বিবাহিত তাদের কাবিন নামার কপি।
(ঘ) ১৮ বছরের নিচে হলে বাবা মা এর NID এর কপি।
(অ) ৬ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে গ্রে বেকগ্রাউন্ডের উপর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি।
(আ) ১৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের জন্য তাদের বাবা মা এর পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
ই পাসপোর্টের জন্য এই সব কাগজের কোন কিছুই সত্যায়িত করার প্রয়োজন নেই।
তবে যেদিন এপয়েন্টমেন্ট তারিখে আপনারা পাসপোর্ট অফিসে যাবেন সেদিন এই সকল কপির মুল সেট টি অবশ্যই সাথে নিয়তে হবে।

★এবার আসি আবেদনের ব্যাপারে।

০১. প্রথমেই একটি বৈধ ই মেইল আইডি থেকে epassport.gov.bd এই ঠিকানায় গিয়ে নির্দেশনা মোতাবেক আপনার একটা account খুলুন। একাউন্ট খুলতে আপনার একটা সচল বৈধ মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন যা সব সময় আপনার নিজের কাছে থাকবে।account খোলার সময় একটা password use করতে হবে । তা যত্ন সহ সংরক্ষন করুন।

০২. আপনার একটা account থেকেই আপনি আপনার নিজের ও আপনার পরিবারের সদস্যদের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

০৩. এবার আপনার আবেদন গুলো নির্ভয়ে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে (প্রয়োজন হলে দুই তিনদিন) পুরন করুন। এটা পুরন করতে গিয়ে প্রতিটা ষ্টেপে "Save and Continue" নির্ভয়ে চাপুন আর পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান। কেননা এখানে ভুল হলেও আপনি তা শুদ্ধ করার সুযোগ পাবেন। এভাবে একে একে আপনার সব গুলো আবেদন পত্র গুলো পুরন করুন।

একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন আবেদন পত্র পুরনের শেষ ধাপে "Confirm and Submit" অপশন আসবে। এই খানে ক্লিক করার আগে আপনি এতক্ষন যা পুরন করেছেন তা দারি কমা সহ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে চেক করে নিন।

প্রয়োজন হলে এই ড্রাফটের একটা কপি প্রিন্ট করে নিয়ে ভালো ভাবে এর ইনফরমেশন গুলো যচাই করে নিন। আপনি এই অবস্থায় আপনার কম্পিউটার থেকে বেরিয়ে গেলেও অসুবিধা নেই । আপনার এতোক্ষন কাজের সব কিছুই সেইভ হয়ে থাকবে।

সব কিছু ঠিক থাকলে "Confirm and Submit" বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস আপনার আবেদন এর কাজ শেষ। এই পর্যায়ে আপনার কাছে আপনি কবে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ছবি উঠাবন, আঙ্গুলের ছাপ দিবেন, চোখের আইরিশ ফিতে পারবেন তার এপয়েন্টমেন্ট এর শিডিউল চাইবে, তখন আপনি আপনার সুবিধামত এপয়েন্টম্যান্ট নিন। আর এই এপয়েন্টমেন্ট শিট এর একটি কপি প্রিন্ট করে নিন। এবার আপনার আবেদনের ৩ পাতার মুল কপিটি প্রিন্ট করে রাখুন।

নাম লেখার ব্যপারে অনেকেই একটা সমস্যায় ভুগেন যেমন কারো নাম যদি হয় A.Z.M. ZUBAIDUR RAHMAN হয় তবে তিনি Sure Name এর ক্ষেত্রে লিখবেন RAHMAN. আর Given Name এ লিখবেন AZM ZUBAIDUR . এখানে কোন Dot ba ফোটা ব্যবহার করা যাবেনা।

আর মনে রাখবেন আপনার শিক্ষা সার্টিফিকেটে আপনার নাম যেভাবেই লিখা থাকুক তাতে কিছুই আসে যায়না। আপনি আপনার আবেদনে নাম লিখবেন আপনার NID অনুযায়ী।

এবার আপনি নির্দিষ্ট ব্যাংক কে আপনার পাসপোর্ট এর ফী জমা দিন। মনে রাখবেন আপনার আবেদনে যেভাবে নাম লিখেছেন ব্যাংক এর জমার স্লিপ এর নামও ঠিক হুবুহু একই যেনো হয়। ব্যাংক এ টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক আপনাকে এটা স্লিপ দিবে, যেখানে একটা রেফারেন্স নাম্বার থাকবে। এই রেফারেন্স নাম্বার টা আপনার মুল আবেদনের ৩য় পাতায় নির্ধারিত জায়গায় যত্নি নিয়ে নিরভুল্ভাবে লিখুন। আর ৩য় পাতার নিচে আপনি সাক্ষর ও তারিখ দিন।

এবার পর্যায়ে ক্রমে উপর থেকে নিচের দিকে ব্যাংক জমার স্লিপ, এপয়েন্টমেন্ট লেটার, মুল আবেদন পত্র, নিজের NID এর কপি, পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি, (যদি থাকে), স্ত্রী এর NID কপি, কাবিন নামার ফটোকপি একসাথে করে একটা সেট বানিয়ে স্টেপ্লার করে সংরক্ষন করুন আর নিশ্চিন্তে এপয়েন্টমেন্ট দিনের জন্য অপেক্ষা করুন।

দ্বিতীয় ধাপ: আগে থেকে নির্ধারণ করা তারিখে পাসপোর্ট অফিসে দেখা করবেন সেই প্রিন্ট করা পত্রগুলো ও ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদ নিয়ে। পরে বিভিন্ন ভাবে আবেদন পত্রগুলো ও জাতীয় পরিচয়পত্র চেক করে পত্রগুলোর উপর ছিল মেরে দিয়ে একটি কক্ষে যেতে বলবে। সেখানে যাওয়ার পর ছবি তুলবে হাতের ফিঙ্গার প্রিন্ট ও চোখের লেন্স নেয়া হবে। পরে পাসপোর্ট ভেলিভারির একটি স্লিপ দেওয়া হবে। পরে বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হবে।

✅ ব্যাংক ফিঃ
ওয়ান ব্যাংক,প্রিমিয়ার ব্যাংক,সোনালী ব্যাংক,ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া,ঢাকা ব্যাংক

৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৪০২৫/- ২১ দিনে
৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৬৩২৫/- ৭/১০ দিনে জরুরি ডেলিভারিতে
৪৮ পেজ ৫ বছর মেয়াদে ৮৬২৫/- ২ দিনে
সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে

👉৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ৫৭৫০/- ২১ দিনে।
👉৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ৮০৫০/- ৭/১০ দিনে
👉জরুরি ডেলিভারিতে
৪৮ পেজ ১০ বছর মেয়াদে ১০৩৫০/- ২ দিনে সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে

তৃতীয় ধাপ: পাসপোর্ট সংগ্রহ
পাসপোর্ট ভেলিভারি স্লিপের তারিখ অনুযায়ী আবার পাসপোর্ট অফিসে দেখা করবেন। ফিঙ্গারপ্রিন্ট চেক করে ই-পাসপোর্ট বুঝিয়ে দেয়া হবে।

✅বিশেষ দ্রষ্টব্য: ও লক্ষনীয় বিষয়
১: কোন ভূল ও মিথ্যা তথ্য দিবেন না।
২: ভূল বা মিথ্যা ঠিকানা ব্যবহার করবেন না।
৩: পাসপোর্ট সংক্রান্ত কোন সমস্যা হলে দ্রুত পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করবেন
৪: পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঘুষ চাইলে পাসপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিক জানান
৫: পাসপোর্ট অফিসে কোন সমস্যা হলে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী বা অন্য কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসীত করেন তারাই বলে দিবে আপনাকে কি করতে হবে কোন কক্ষে যেতে হবে। সুতরাং কারো সাথে অভদ্র আচরণ করবেন না।

ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য যা প্রয়োজন:
১: আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি
২: আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র

✅ পুলিশ ভেরিফিকেশন যা দেখতে চাইতে পারে:
১: আপনার ও আপনার বাবা মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র
২: পাসপোর্ট আবেদনে যে পেশা দিয়েছেন তার প্রমাণ। যেমন স্টুডেন্ট দিলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড।
৩: বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি বা বিদ্যুৎ বিল কার্ডে রিচার্জ করলে কার্ডের ফটোকপি।

14/11/2024

সিলেট - লন্ডন ৬৬০০০ টাকা
লন্ডন-সিলেট ৭২১৩৫টাকা
সিলেট - ম্যানচেস্টার ৭৬৪৪২ টাকা
ম্যানচেস্টার - সিলেট ৭২৬৯০ টাকা
সিলেট-দোহা ৫৬৮৬৫ টাকা
দোহা-সিলেট ৪৯৯২৯ টাকা
সিলেট- দুবাই ৩৪৪১১ টাকা
দুবাই - সিলেট ৩১৩৪০ টাকা
ঢাকা - টরেন্টো ৮৮৭০০ টাকা
ঢাকা - টরেন্টো - ঢাকা ১৪৯৫০০ টাকা
ঢাকা - লন্ডন ৪৯০৫০ টাকা
ঢাকা - লন্ডন - ঢাকা ১০৮৭৩৫ টাকা
ঢাকা - ম্যানচেস্টার ৫৬০৫০ টাকা
ঢাকা - ম্যানচেস্টার - ঢাকা ১০৩৮৬১ টাকা
ঢাকা - সিঙ্গাপুর ২৬৫০০ টাকা
ঢাকা - সিঙ্গাপুর - ঢাকা ৪৩৩৭৫ টাকা
ঢাকা - আবুধাবি ৩৮৯৮০ টাকা
ঢাকা - আবুধাবি - ঢাকা ৭৩৪৬৮ টাকা
ঢাকা - সুবর্ণভূমি ২৩৬৮৩ টাকা
ঢাকা - সুবর্ণভূমি - ঢাকা ২৮১৪৪ টাকা
ঢাকা - দাম্মাম ৫১৩০৯ টাকা
ঢাকা - দাম্মাম - ঢাকা ৮২৭৯৫ টাকা
ঢাকা - দোহা ৪১৫০৩ টাকা
ঢাকা - দোহা - ঢাকা ৬৭৬৭১ টাকা
ঢাকা - দুবাই ৫০২১৩ টাকা
ঢাকা - দুবাই - ঢাকা ৭৯৬৯৩ টাকা
ঢাকা - জেদ্দাহ ৪৮৫১৬ টাকা
ঢাকা - জেদ্দাহ - ঢাকা ৮৪৪০২ টাকা
ঢাকা - কাঠমান্ডু ২১৭৩৮ টাকা
ঢাকা - কাঠমান্ডু - ঢাকা ৩২৮৮৪ টাকা
ঢাকা - কুয়ালালামপুর ৩৩৮৮৪ টাকা
ঢাকা - কুয়ালালামপুর - ঢাকা ৪২৭৪৭ টাকা
ঢাকা - কুয়েত ৩৮৫৭৩ টাকা
ঢাকা - কুয়েত - ঢাকা ৬৫২৮৪ টাকা
ঢাকা - কলকাতা ৬৫৮৬ টাকা
ঢাকা - কলকাতা - ঢাকা ১৫৮৩৩ টাকা
ঢাকা - দিল্লী ১৪৮৮৬ টাকা
ঢাকা - দিল্লী - ঢাকা ২৪১২৮ টাকা
ঢাকা - বরিশাল ৩৪২৪ টাকা
ঢাকা - বরিশাল - ঢাকা ৬৮৪৭ টাকা
ঢাকা - চিটাগাং ৪৯১৩ টাকা
ঢাকা - চিটাগাং - ঢাকা ৭২২৫ টাকা
ঢাকা - কক্স বাজার ৫৯৭৯ টাকা
ঢাকা - কক্স বাজার - ঢাকা ১২৩৫৮ টাকা
ঢাকা - যশোর ৪৪৩০ টাকা
ঢাকা - যশোর - ঢাকা ৮৯৬০ টাকা
ঢাকা - রাজশাহী ৪৪৮৯ টাকা
ঢাকা - রাজশাহী - ঢাকা ৮৭৭৭ টাকা
ঢাকা - সৈদপুর ৫৪১৫ টাকা
ঢাকা - সৈদপুর - ঢাকা ৯১৩৯ টাকা
ঢাকা - সিলেট ৪৩২০ টাকা
ঢাকা - সিলেট - ঢাকা ৯৬৩৯ টাকা
⛔আপনার প্রত্যাশিত ভ্রমণ তারিখ অনুযায়ী সিটের প্রাপ্যতা এবং এয়ার লাইন্সে এর নীতি অনুযায়ী উপরোক্ত মুল্যে এয়ার টিকেট নাও পেতে পারেন।
টিকিটের জন্য বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
দেশ বিদেশের বিভিন্ন গন্তব্যে সর্বনিম্ন মূল্যে টিকেট কিনুন থেকে।
>>>বিমান ভাড়া যেকোন সময় সিটের প্রাপ্যতা এবং এয়ারলাইন্স নীতি অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে।
--------------------------------------------------------------------------
টিকিটের জন্য বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন : ০১৮৮৬২৮৭০৪২

09/11/2024

জাপানের ভিসার জন্য বাংলাদেশীদের ভিসা ফি লাগবেনা শুধু চার্জ হিসেবে ১৯০০ টাকা খরচ হবে ! কোনপ্রকার ইন্টারভিউ ফেস করতে হবেনা এবং ভিসা ইস্যু হবে ডকুমেন্টস থেকেই !

৩ নভেম্বর, ২০২৪ থেকে জাপান দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভিসা আবেদন পরিষেবা প্রদান করবে। আপাতত জাপান দূতাবাস থেকে সরাসরি ভিসার আবেদন গ্রহণ করবে না।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস :
১. এপ্লিকেশন ফর্ম
২. ভেলিড পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৩ .পুরনো পাসপোর্ট ও ফটোকপি
৪ .ছবি ২ কপি – ৩৫*৪৫
৫ .এয়ারলাইন্স বুকিং কপি
৬ .হোটেল বুকিং কপি
৭ . ট্যাক্স পেমেন্ট রিসিপ্ট ( লাস্ট ৩ বছরের )
৮ .ব্যাংক স্টেমেন্ট ( বিগত ছয় মাসের )
৯ . ভিজিট শিডিউল
১০ .এন ও সি
১১ কাভার লেটার
** এক্সট্রা বৈধ ডকুমেন্টস
যদি গ্যারান্টার থাকে
১ .ইনভাইটেশন লেটার গ্যারান্টারের কাছ থেকে
২ .গ্যারান্টারের সাথে সম্পর্কের প্রত্যয়িত বা ব্যাখ্যা করার নথি
৩ .ব্যাংক স্টেটমেন্ট 6 মাসের সর্বশেষ (ব্যক্তিগত/কোম্পানী) যদি ভ্রমণ খরচ জাপানে বসবাসকারী একজন গ্যারান্টার দ্বারা বহন করা হয়
৪ .গ্যারান্টি লেটার ইত্যাদি..

ভারতীয় রেল ভ্রমন কালে যদি দেখেন আপনার সিট দখল করে অন্য যাত্রী বসে আছে TTE এসে ফাঁকা করবে সিট শুধু এই কাজটি করেন । ভারতীয়...
07/11/2024

ভারতীয় রেল ভ্রমন কালে যদি দেখেন আপনার সিট দখল করে অন্য যাত্রী বসে আছে TTE এসে ফাঁকা করবে সিট
শুধু এই কাজটি করেন ।

ভারতীয় রেলের নিয়ম অনুযায়ী রিজার্ভ করা সিটে শুধু সেই যাত্রীর ই বসার অধিকার রয়েছে। যদি কেউ অন্যায় ভাবে আপনার সিট দখল করে রাখে, তবে আপনি টি টি ই কে ডেকে আপনার অভিযোগ জানাতে পারেন। তিনি সিট ফাঁকা করে দিবেন।
যদি ভীড় ট্রেনে টি টি ই কে খুঁজে না পান তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই শুধু 139 নাম্বারে একটা ম্যাসেজ করেন
টি টি ই এসে আপনার সিট ফাঁকা করে দেবে।

মেসেজে কি লিখতে হবে ?

139 ভারতীয় রেলের হেল্পলাইন নাম্বার, প্রথমে মেসেজ অপশনে যান, ইংরেজি বড় অক্ষরে SEAT লিখুন স্পেস দিয়ে ট্রেনের PNR নাম্বার, তারপর স্পেস দিয়ে ট্রেনের কোচ নাম্বার, সিট নাম্বার এর পর একটা স্পেস দিয়ে OCCUPIED
BY UNKNOWN PASSENGER লেখেন এবং পাঠিয়ে দেন
139 নাম্বারে এতেই ভারতীয় রেলের কাছে সরাসরি অভিযোগ দায়ের হবে, তখন টি টি ই এসে আপনাকে
খুঁজে বের করে আপনার সিট ফাঁকা করে দিয়ে তার দায়িত্ব
পালন করবে। লেখার নিয়ম টা স্কিন সট দিয়ে সংরক্ষন করে রাখতে পারেন, কাজে লাগতে পারে।।

Address

Road 31, House 21, Rupnagar R/A. Rupnagar
Dhaka
1216

Telephone

+8801627287042

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when O' Travella posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to O' Travella:

Share

Category