Travel with Bashir Ahmed "BD Tour International Ltd"

Travel with Bashir Ahmed "BD Tour International Ltd" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Travel with Bashir Ahmed "BD Tour International Ltd", Travel Company, Dhaka.

বেছে নিতে পারেন আপনার Destination ==============================ভিসা প্রসেসিং এর জন্য পাসপোর্ট জমা নেওয়া হচ্ছে।আপনারা য...
30/12/2024

বেছে নিতে পারেন আপনার Destination
==============================
ভিসা প্রসেসিং এর জন্য পাসপোর্ট জমা নেওয়া হচ্ছে।
আপনারা যারা ভ্রমণ করতে আগ্রহী দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
যোগাযোগের ঠিকানা : বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। BD Tour International Ltd
৫৩, বায়তুল আবেদ (লিফটের ১১). পুরানা পল্টন, ঢাকা।
01677-091090

বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ এর ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ! গত, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং শনিবার সন্ধ্যায়...
30/12/2024

বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ এর ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে !

গত, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং শনিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডি ১০/এ এমব্রোসিয়া ইনফিনিটি বাফেট লাউঞ্জে আমাদের ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) অত্যন্ত আনন্দ এবং উচ্ছ্বাসের সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে আমাদের সকল শেয়ারহোল্ডাররা এই গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত শেয়ার করেছেন। আমরা সবাই মিলে উপভোগ করলাম সফলতার যাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং আমরা আরও এগিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং আমরা আশা করি, আগামী দিনগুলোতে আরও সাফল্য অর্জন করবো।

এই সভায় অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত আছি!

18/12/2024

বাংলাদেশের ঝর্ণা ও জল-প্রপাতের নাম সমুহ দেয়া হলো:

০১. চিংড়ি ঝর্ণা, বান্দরবান
০২. রিচাং ঝর্ণা, খাগড়াছড়ি
০৩. খৈয়াছড়া ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
০৪. নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
০৫. জাদিপাই ঝর্ণা, বান্দরবান
০৬. সহস্রধারা ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
০৭. হামহাম ঝর্ণা, মৌলভীবাজার
০৮. পরিকুন্ড ঝর্ণা, মৌলভীবাজার
০৯. শুভলং ঝর্ণা, রাংগামাটি
১০. ধুপপানি ঝর্ণা, রাংগামাটি
১১. বাক্তলাই ঝর্ণা, বান্দরবান
১২. আমিয়াখুম ঝর্ণা, বান্দরবান
১৩. নাফাখুম ঝর্ণা, বান্দরবান
১৪. তিনাপ সাইতার, বান্দরবান
১৫. সাইংপ্রা ঝর্ণা, বান্দরবান
১৬. দামতুয়া জলপ্রপাত, বান্দরবান
১৭. গরম পানির ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
১৮. সাদা পাথর জলপ্রপাত, সিলেট
১৯. বিছানা কান্দি জলপ্রপাত, সিলেট
২০. জাফলং জলপ্রপাত, সিলেট
২১. মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, মৌলভীবাজার
২২. রূপশী ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
২৩. ছাগলকান্দা ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
২৪. থানকোয়াইন ঝর্ণা, বান্দরবান
২৫. ন-কাটা ঝর্ণা, রাংগামাটি
২৬. মুপ্পোছড়া ঝর্ণা, রাংগামাটি
২৭. সুপ্তধারা ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
২৮. বোয়ালিয়া ঝর্ণা, চট্টগ্রাম
২৯. ঝরঝরি ঝর্ণা, চট্টগ্রাম

Follow our page

27/11/2024

লিও তলস্তয়ের মতো মহান লেখকও ৬৭ বছর বয়সে সাইকেল চালানো শিখেছিলেন। পাবলো পিকাসো ছিয়াত্তর বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন। নোবেলজয়ী লিওনিদ হুরউইজ ৯০ বছর বয়সে সম্মানিত হয়েছেন। ইমানুয়েল রিভা, ৮৫ বছর বয়সে অস্কার পেয়েছেন। এমন অনেক উদাহরণই প্রমাণ করে, বয়স কখনো সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।

কিন্তু একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর আমরা প্রায়ই মনে করি, "আমার দ্বারা কিছু হবে না," বা "এভারেস্টে উঠব কীভাবে?" অথচ ইউকিরো মুইরা ৮১ বছর বয়সে এভারেস্ট জয় করেছেন! ডরিস লেসিং সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন ৮৮ বছর বয়সে।

জীবন এক পরীক্ষামূলক তালিকা নয়, এখানে সফলতার নির্দিষ্ট কোনো স্কোর নেই। জীবনের মজাটা থাকে পরিশ্রমে, ত্যাগে, এবং নানা বাধা পেরিয়ে এগিয়ে চলার ভেতরেই। বিল গেটস ড্রপআউট হয়েও বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের একজন হয়েছেন, মার্ক জুকারবার্গ দীর্ঘদিন পর অনারারি ডিগ্রি পেয়েছেন, আর ভ্যান গঘ মৃত্যুর পর হয়েছেন সবচেয়ে মূল্যবান শিল্পী। জীবন এক বিশাল যাত্রা, যেখানে জয় হলো ধৈর্য এবং আত্মবিশ্বাস ধরে রাখায়।

ভ্রমণও এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমাদের এই জীবনকে আরও রঙিন এবং সার্থক করে তোলে। প্রকৃতির সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া, নতুন সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়া, সূর্যোদয় বা স্নোফলের মতো মুহূর্তগুলো জীবনের সেই আনন্দ, যা আমাদের প্রতিটি অভিজ্ঞতাকে সঞ্জীবিত করে তোলে। শুধু লক্ষ্যে পৌঁছানো নয়, এই যাত্রার প্রতিটি ধাপই জীবনের প্রকৃত সাফল্য।

বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। পৃথিবীর সবথেকে সুন্দরতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। ৬৪ টি জেলার মধ্যে আজকে সিলেট জেলার গুরু...
21/11/2024

বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। পৃথিবীর সবথেকে সুন্দরতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। ৬৪ টি জেলার মধ্যে আজকে সিলেট জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিলাম। ধারাবাহিক ভাবে প্রতিটি জেলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিবো, ইনশাআল্লাহ। সাথেই থাকুন।

18/10/2024

*২৯অক্টোবর, ২০২৪ইং উমরাহ গ্রুপ *

খাবারসহ ফুল প্যাকেজ ১,০৮,০০০/-

আর মাত্র ১০ জন নেয়া যাবে।

SALAM AIR=29-OCT=DAC-MCT-JED=0535-0815-1345-1600
US BANGLA=12 NOV=BS=JED=DAC=2310-0820

✈️প্যাকেজ :১৩ রাত/১৪ দিন

*প্যাকেজের অন্তর্ভূক্ত 😗
✅ রির্টান এয়ার টিকেট
(সরাসরি ফ্লাইট) ইউ.এস বাংলা এয়ারলাইনস।
* ✈️ ঢাকা টু জেদ্দা
* ✈️ জেদ্দা টু ঢাকা

✅ ওমরাহ্ ই-ভিসা।
✅ হেলথ ইনস্যুরেন্স।
✅ মক্কা হোটেল: ১০০০ মিটার।
✅ মদিনার হোটেল: ১০০০ মিটার।
(প্রতিরুমে ৪-৫ জন শেয়ারিং)
✅ প্রতিদিন ০৩ বেলা খাবার।
✅ সকল ট্রান্সপোর্ট (জেদ্দা–মদিনা-মক্কা-জেদ্দা)
✅ মক্কা, মদিনা ঐতিহাসিক স্থানসমূহ (জিয়ারা, রিয়াদুল জান্নাহ)
✅ অভিজ্ঞ মোয়াল্লেম গাইড।

প্যাকেজের অন্তর্ভূক্ত নয়ঃ-
১) সকল ব্যক্তিগত খরচ
২) জেদ্দা, তাইয়েফ, বদর সফর

BD tour International Limited

53,PURANA PALTAN, Baitul abet Tower (11th FLOOR ), DHAKA-1000,
মোবাইলঃ 01677-091090 হোয়াটসঅ্যাপ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: আতিউর রহমান স্যারের বাস্তব জীবনী এটা। লেখাটা আগে আপনার ছেলে মেয়েকে পড়ান,তারপর আপনি নিজ...
17/04/2024

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড: আতিউর রহমান স্যারের বাস্তব জীবনী এটা। লেখাটা আগে আপনার ছেলে মেয়েকে পড়ান,তারপর আপনি নিজে পড়ুন।।
টাকা থাকলেই জীবনে বড় হওয়া যায় না।ইচ্ছা থাকলে সন্মান, টাকা আপনার কাছে নিজে থেকে ধরা দিবে।সেহেতু হতাশ হবেন না।
..............................................................

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চম শ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকে দেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।

আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি ! আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার ? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আঁচ করে ফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না। পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্স হবে না।

হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিঙে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

(অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় তাঁর জীবন কথা)

৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকায় "ফাইভ স্টার" "রিভেরা পার্ক রিসোর্ট" এর মালিক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।==================================...
18/03/2024

৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকায় "ফাইভ স্টার" "রিভেরা পার্ক রিসোর্ট" এর মালিক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
==================================
নারায়ণগঞ্জ এর সোনার গাঁও, ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে মাত্র ৩ লক্ষ টাকা ডাউনপেমেন্ট করে আধা শতাংশ জমি নিজ নামে রেজিষ্ট্রেশন করে আপনি হতে পারেন জমির মালিক।

পরবর্তীতে কনস্ট্রাকশন ডেভেলপমেন্ট পারপাসে ৩ টি প্যাকেজের যে কোন ১ টি নিয়ে আপনি হবেন "ফোর স্টার" "রিভেরা পার্ক রিসোর্ট" এর মালিক।

১) ইকোনমি প্যাকেজ=৩ লক্ষ টাকা
২) ডিলাক্স প্যাকেজ=৪ লক্ষ টাকা
৩) প্রিমিয়াম প্যাকেজ=৫ লক্ষ টাকা

আপনিও হতে পারেন রাজধানীর অতি নিকটবর্তী মাত্র ৩০ মিনিটের পথ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনার গাঁও এ পর্যটন ব্যবসায় ফোর স্টার রিভেরা পার্ক রিসোর্ট এর একজন গর্বিত মালিক।

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। যেখানে বছর জুড়ে বসবাস করে প্রায় সোয়া চার কোটি মানুষ। বছর জুড়ে চলতে থাকে কোটি কোটি মানুষের আনাগোনা এবং চাহিদা অনুযায়ী সুস্থ্য বিনোদনের জন্য পার্ক রিসোর্ট এর সংখ্যা সীমিত থাকায় এখানে তৈরি হয়েছে পার্ক রিসোর্ট ব্যবসায় বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা। তাই দেরি না করে এখনি বুকিং করুন, আর হয়ে যান ফোর স্টার রিভেরা পার্ক রিসোর্ট এর একজন গর্বিত মালিক।

বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ মূলতঃ একটি ট্যুরিজম কোম্পানি। ২০১৪ সাল থেকে ডমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম নিয়ে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে..। বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ এর নিজস্ব প্রজেক্ট এ বিনিয়োগ করুন… নিশ্চিত ভবিষ্যৎ গড়ুন…!

জমির লোকেশন ( বিরাহিমের কান্দি, সোনার গাঁ, নারায়ণগঞ্জ।)

জমির পরিমাণ-: ( ৯ একর/ ৩০ বিঘা/ ৯০০শতাংশ)।

প্রকল্প পরিদর্শন ও বিস্তারিত তথ্য জানতে কল করুনঃ

বশির আহমেদ
01677091090
বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ
৫৩, বায়তুল আবেদ, (লেবেল-১১) পুরানা পল্টন, ঢাকা।

ইনানী সমুদ্র সৈকত থেকেই যাওয়া যাবে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে। ====================================মিয়ানমার সীমান্ত অস্থি...
22/02/2024

ইনানী সমুদ্র সৈকত থেকেই যাওয়া যাবে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে।
====================================
মিয়ানমার সীমান্ত অস্থিরতার কারণে টেকনাফ - সেন্টমার্টিন রুট বন্ধ থাকায়, সরাসরি ইনানী সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন রুটে প্রতিদিন নিয়মিত চলছে এম ভি বার আউলিয়া জাহাজ। প্রতিদিন ই কক্সবাজার ইনানী নেভী ঘাট থেকে চলছে এমভি বারো আউলিয়া জাহাজ। এ সময় কোলাহল হীন সেন্টমার্টিন এ ঘুরে আসুন।
প্রতিদিন কক্সবাজার ইনানী (রয়েল টিউলিপ এর পাশে) নেভী জেটি থেকে জাহাজ ছাড়বে সকাল ১০.০০ মিনিটে সেন্টমার্টিন থেকে ছেড়ে আসবে বিকাল ৪.০০ মিনিটে।
এম ভি বার আউলিয়া জাহাজ টির টিকেট ঘরে বসেই বুকিং করতে পারবেন। সরাসরি নিতে পারবেন অফিস থেকে, অথবা বিকাশ , নগদে পেমেন্ট করে হোম ডেলিভারী নিতে পারবেন (চার্জ প্রযোজ্য)।
🚢🚢 এম ভি বার আউলিয়া জাহাজ এর ভাড়ার তালিকা:
🌀🌀 রাউন্ড ট্রিপ:
👉 মোজারাত চেয়ার (এসি) - ১৬০০ টাকা
👉মেইন ডেক - ১৬০০ টাকা
👉সান ডেক - ১৬০০ টাকা
👉প্যানোরোমা (এসি) - ১৮০০ টাকা
👉রিভারিয়া (এসি)- ১৮০০ টাকা
👉ফ্যামিলি বাংকার কেবিন - ৯০০০ টাকা ( ৪ জন)
👉বাংকার বেড - ৪৫০০ টাকা ( এক জন)
👉ডিলাক্স কেবিন - ৮০০০ টাকা (দুই জন)
👉ভি আই পি কেবিন - ১২০০০ টাকা (দুই জন)
👉ভি ভি আই পি কেবিন (এটাচ ওয়াশরুম)- ১৫০০০ টাকা ( দুইজন)
🌀 ওয়ান ওয়ে:
👉 মোজারাত চেয়ার (এসি) - ৮৫০ টাকা
👉মেইন ডেক - ৮৫০ টাকা
👉সান ডেক - ৮৫০ টাকা
👉প্যানোরোমা (এসি) -৯৫০ টাকা
👉রিভারিয়া (এসি)- ৯৫০ টাকা
👉ফ্যামিলি বাংকার কেবিন- ৫০০০ টাকা ( ৪ জন)
👉বাংকার বেড - ২৫০০ টাকা (১ জন)
👉ডিলাক্স কেবিন - ৫০০০ টাকা (২ জন)
👉ভি আই পি কেবিন - ৬৫০০ টাকা (২ জন)
👉ভি ভি আই পি কেবিন (এটাচড ওয়াশরুম) ৮০০০ টাকা (২ জন)

🌀 আমাদের সেবা সমূহ:
👉 কক্সবাজার, চট্টগ্রাম থেকে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন গামী সকল জাহাজ এর টিকেট পাবেন আমাদের কাছে।
👉 ঢাকা - কক্সবাজার - টেকনাফ- ঢাকা (এসি, নন এসি, স্লিপার) বাস এর টিকেট পাবেন আমাদের কাছে।
👉 দেশের সকল ডেস্টিনেশন এ সকল ধরনের বাজেট এর রিসোর্ট/হোটেল / কটেজ বুকিং করতে পারবেন আমাদের কাছে।
👉 সেন্টমার্টিন , কক্সবাজার, সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওড় সহ দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রমন প্যাকেজ বুকিং করতে পারবেন। কাপল ট্যুর, ফ্রেন্ডস & ফ্যামিলি ট্যুর, স্টাডি ট্যুর, কর্পোরেট ট্যুর, বাজেট ট্যুর সহ আমরা সকল ধরনের কাস্টমাইজড প্যাকেজ ট্যুর করে থাকি।
টিকেট বুকিং সহ অনান্য প্রয়োজন এ ফোন/নক করুন: Bashir Ahmed 01677091090 (Whats App)
ঢাকা অফিস: বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিঃ,
৫৩, বায়তুল আবেদ (লেভেল-১১), পুরানা পল্টন , ঢাকা ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটের জন্য ৬টি নাম প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, এগুলো হলো:১. প্রবাল এক্সপ্রেস২. হিমছড়ি এক্সপ্রেস ৩. কক্...
06/11/2023

ঢাকা-কক্সবাজার রুটের জন্য ৬টি নাম প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে, এগুলো হলো:
১. প্রবাল এক্সপ্রেস
২. হিমছড়ি এক্সপ্রেস
৩. কক্সবাজার এক্সপ্রেস
৪. ইনানী এক্সপ্রেস
৫. লাবণী এক্সপ্রেস
৬. সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস

কোন নামটি সবচেয়ে সুন্দর?

বি.দ্র. ১ ডিসেম্বর থেকে যাত্রী সেবা দিবে এরকম পরিকল্পনা রয়েছে , ভাড়া শোভন চেয়ার ৫১৫ টাকা।

12/10/2023

বিডি ট্যুর হজ্জ কাফেলার আরেক নতুন অফার!!! মাত্র ১,২০,০০০/- টাকায় খাবার ছাড়া এয়ার এরাবিয়ায় ওমরাহ করার সুযোগ। ২৫ অক্টোবর ২০২৩ তারিখের * গ্রুপে আর মাত্র কয়েকটি সিট খালি আছে। তাই দ্রুত যোগাযোগ করুন।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমরা ইসলাম প্রিয় সকল ভাই বোনদের জন্য দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ আবেগ ও ভালবাসার জায়গা আল্লাহর ঘর ও প্রিয় নবি (সঃ) এর রওজা মোবারক জিয়ারতের জন্য সঠিক, সুন্দর ও সহজভাবে সকল দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে বিডি ট্যুর হজ্জ কাফেলা যৌক্তিক ও সহজমূল্যে বিভিন্ন প্যাকেজে ইচ্ছে মতো সুবিধা নিয়ে যাওয়ার অবারিত সুযোগ এনে দিচ্ছে। প্রশিক্ষিত ও যোগ্য মূয়াল্লিম দ্বারা সার্বক্ষণিক আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থেকে সকল কাজ সুচারুভাবে শেষ করার নিশ্চয়তা। তাই বিডি ট্যুর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নিয়ে আসলো ওমরাহ্ হজ্জ এর ইকোনমি প্যাকেজ মাত্র ১,৩০,০০০/- টাকায় খাবারসহ।
⬛ রাজকীয় সৌদি সরকার এবং বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হজ্জ,উমরাহ্ এবং টিকেটিং প্রতিষ্ঠান। লাইসেন্স নং- ১৩৯২, ০৭৪০

• প্যাকেজের নাম: ইকোনমি ওমরাহ প্যাকেজ।
• টাকার পরিমাণ: ১,৩০,০০০/- খাবার সহ (ব্যাক্তিগত ছাড়া সকল খরচ)। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সুবিধা অনুযায়ী থাকবে বিভিন্ন রেট।
• প্যাকেজের সময় সীমা: ১৪ দিন।
● প্যাকেজের মধ্যে যা যা থাকছে ●

• মক্কা
৩ স্টার মানের হোটেল (বায়তুল্লাহ থেকে পায়ে হাটার দুরুত্ব ৮/১০ মিনিটের রাস্তা।
• মদিনা
♦ ৩ স্টার মানের হোটেল (মসজিদে নববী থেকে পায়ে হাটার দুরুত্ব ৫ মিনিটের হাঁটার পথ।
♦ বাঙালী সুস্বাদু খাবার (সকাল +দুপুর +রাত)
♦ ট্রানজিট এয়ারলাইন্স।
♦ ওমরা ভিসা।
♦ ইনস্যুরেন্স।
♦ সম্পূর্ণ ট্রান্সপোর্ট সেবা।
♦ সর্বদা অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম দ্বারা গাইড।
♦ সমস্ত ভ্যাট ও কর।

● মক্কার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন ●
♦ জাবালে সূর।
♦ জাবালে নুর।
♦ জাবালে রহমত।
♦ আরাফার ময়দান।
♦ মসজিদে নামিরা।
♦ মুযদালিফা।
♦ মিনা।
♦ ইব্রাহিম(আ:)এর কুরবানী দেওয়ার স্থান।
♦ জামারাহ।
♦ খাদিজা(রা:) এর কবর।
♦ মসজিদে জ্বীন।
♦ রাসুল (সা:) এর জন্ম স্থান। ইত্যাদি।

🕌 মদিনার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন 🖤
♦ জাবালে হুদ।
♦ ৭০ জন সাহাবির কবর যিয়ারত।
♦ মসজিদে কুবা।
♦ মসজিদে কিবলাতাইন।
♦ খন্দক মসজিদ।
♦ উসমান (রা:) এর বাগান।
♦ মসজিদে গামামা।
♦ মসজিদে আবু বকর (রা:)।
♦ মসজিদে আলি(রা:)।
♦ মসজিদে বেলাল(রা:)।
♦ জান্নাতুল বাকী।ইত্যাদি।

🔶সার্বক্ষনিক গাইড হিসেবে ইনশাআল্লাহ অভিজ্ঞ এবং আন্তরিক, দায়িত্ববান মুআল্লিম থাকবেন।
বড় হজ্জের রেজিস্ট্রেশন চলছে মাত্র ৩১,০০০/- টাকায়!!

👉যোগাযোগ করুনঃ

বশির আহমেদ
বিডি ট্যুর হজ্জ- উমরাহ কাফেলা।
মোবাঃ
01677-091090

ট্রেনে কক্সবাজার! পর্যটকদের জন্য জরুরি তথ্য==================================১ নভেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে একটি নতু...
11/10/2023

ট্রেনে কক্সবাজার! পর্যটকদের জন্য জরুরি তথ্য
==================================
১ নভেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চলবে নতুন কোরিয়ান কোচ দিয়ে।

# ঢাকা ছাড়বে রাত ১১:১৫,
কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৭:১৫।
# কক্সবাজার ছাড়বে দুপুর ১টায়,
ঢাকা পৌঁছাবে রাত ৯টায়।
# ওয়াশপিট ও অফডে সার্ভিসিং
হবে কক্সবাজারে।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel with Bashir Ahmed "BD Tour International Ltd" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travel with Bashir Ahmed "BD Tour International Ltd":

Share

Category