Relax BD Tour

Relax BD Tour Relax BD Tour is a tourism organization for all of Bangladeshi people who want to refresh relax journey and enjoying his/her life for safely Travel .....

Relax BD Tour is a Travel company for Bangladeshi people. People can contract with us for more details. we are offering many exclusive package for people. If they are interested then we will arrange everything for people.

19/03/2020

ভিডিওটি একবার মনোযোগ দিয়ে দেখবেন। ধন্যবাদ

আমার ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাব ০৪/১০/২০১৯ তারিখ রাতের বাসে। ০৫/১০/২০১৯ তারিখ সকালে নাস্তা শেষ করে একটি চান্দের গাড়ি ভাড়া কর...
30/09/2019

আমার ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি যাব ০৪/১০/২০১৯ তারিখ রাতের বাসে। ০৫/১০/২০১৯ তারিখ সকালে নাস্তা শেষ করে একটি চান্দের গাড়ি ভাড়া করে যাব সাজেক।
(এটি একটি ফ্যামিলি ট্যুর আমরা তিন জন একটি ছোট্ট বাচ্চা মোট ৪ জন । চান্দের গাড়ীর ভারা অনেক বেশি তাই আমাদের ১০-১১ জন ট্যুর পাটনার দরকার। যারা আগ্রহী তারা যোগাযোগ করবেন।)
প্রথম দিন, আমার ০৫/১০/২০১৯ তারিখ রাতে আমারা সাজেক থাকব এবং যা যা আছে ঘুরব এবং ০৬/১০/২০১৯ তারিখে সাজেকের আশেপাশে এবং ওই রাস্তায় যা যা আছে ঘুরবো। ১২ টার মাঝে আমরা সাজেক ছেরে খাগড়াছড়ি যাবার পথে যা যা আছে ঘুরে যাব খাগড়াছড়ি। খাগড়াছড়িতে দুপুরের খাবার খেয়ে খাগড়াছড়িতে যা যা আছে ঘুরব এবং আসে পাশে বা রাস্তায় যা যা আছে ঘুরবো। এর পর গাড়ি আমারদের সন্ধ্যা ৬-৮ টার দিকে খাগড়াছড়ি নামায দিবে। ওই রাতে ০৬/১০/২০১৯ ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন।
০৭/১০/২০১৯ সকালে ৭ কি ৮ টায় ঢাকা থাকবেন।
(এটি একটি ফ্যামিলি ট্যুর চান্দের গাড়ীর ভারা অনেক বেশি তাই আমাদের ট্যুর পাটনার দরকার)
গন্তব্য : সাজেক ও খাগড়াছড়ি
যাত্রার তারিখ: ০৪/১০/২০১৯ রাত ১০.০০টা
*ফেরার তারিখ – ০৬/১০/২০১৯ রাত ১০.০০টা (খাগড়াছড়ি থেকে।)
*ঢাকায় পৌঁছবো - ০৭/১০/২০১৯ সকাল ৭-৮ টায়।
খরচ: সকল খরচ ব্যক্তিগত।
ফ্যামিলি, কাপল, সিঙ্গেল ছেলে-মেয়ে সবাই যেতে পারবেন এই ট্যুরে।
আগ্রহীরা দ্রত যোগাযোগ করুন- নিচে ফোন নং comment দিন।
শুধুমাত্র আগ্রহীরা আমাকে ফোন দিতে পারেনঃ- ০১৯২০৩৯৯৫৫৫ ।
(এটি একটি ফ্যামিলি ট্যুর চান্দের গাড়ীর ভারা অনেক বেশি তাই আমাদের ট্যুর পাটনার দরকার)
#ভ্রমণের_স্থানসমূহ:
* সাজেক ভ্যালি (রুই লুই পাড়া)
* কংলাক পাহাড়, স্টোন গার্ডেন
* হ্যালিপ্যাড, তারেং
* রিসাং
* আলুটিলা গুহা ও ঝুলন্ত ব্রিজ ইত্যাদি
# ট্যুরে আপনাদের যে যে খরচ হবে:
* ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা বাস টিকিট।
* সার্বক্ষণিক নতুন জিপের ভাড়া ।
* এন্ট্রি ফি এবং আলুটিলায় মশাল।
* ২ দিনের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ ও ডিনার।
* সাইটসিয়িং, গাইড ও ফটোগ্রাফি।
* যাত্রা কালের খাবার
* ঔষধ বা মেডিকেল সার্ভিস
* প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনার জন্য কোন খরচ
* শপিং
* ব্যক্তিগত কোন খরচ।
* ঢাকা টু খাগড়াছড়ি আপডাউন বাস টিকিট।
* প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার।
* অভ্যন্তরীন পরিবহনের জন্য গাড়ী।
* গাড়ীর ড্রাইভার ও হেলপারের যাবতীয় খরচ।
* কটেজে রাত্রি যাপনের খরচ।
* সাজেক ও আলুটিলা গুহায় এন্ট্রি টিকিট।
* অভিজ্ঞ ট্যুর গাইড। ইত্যাদি
# হোটেল/কটেজ:
সাজেকে গিয়ে নিজে খুজে নিবেন অনেক হোটেল আছে বা ইন্টারনেট থেকে ফোন নং নিয়ে ফোন দিয়ে বুকিং করতে পারেন। এক রুমে ৪ জন করে থাকা যায়। প্রায় সব রুমে দুইটি করে বড় বেড থাকে। ফোন দিয়ে ভাল করে কথা বলে নিবেন। সকল খরচ নিজ নিজ দায়ীতে করতে হবে। আমারা আগে একবার গিয়েছিলাম কিন্ত থাকা হয় নাই। আগের অভিজ্ঞতাই যতটুকু দরকার হেল্প আমরা করতে পারব। আরো ভাল ভাবে জানতে চাইলে আপনি Youtube এ সাজেক ট্যুর দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখে নিতে পারেন।
*ভ্রমণ এর জন্য ছেলে, মেয়ে ফ্যামিলি, কাপল, সিঙ্গেল ছেলে-মেয়ে সবাই যেতে পারবেন এই ট্যুরে।
(আমি আবার ও বলছি এটি একটি ফ্যামিলি ট্যুর আমরা তিন জন একটি ছোট্ট বাচ্চা মোট ৪ জন । চান্দের গাড়ীর ভারা অনেক বেশি তাই আমাদের ১০-১১ জন ট্যুর পাটনার দরকার। যারা আগ্রহী তারা যোগাযোগ করবেন।)
গাড়ি বাবদ ভাড়া এবং অন্য সকল খরচ। যেমন- পাকিং , ড্রাইভার হেলপারের খাবারের খরচ যদি দেয়া লাগে। সকল খরচ যোগ করে মাথাপিছু আকারে ভাগ করা হবে।
নোটঃ ময়লা আবর্জনার ফালানো থেকে দূরে থাকবেন। পরিবেশ কোন ভাবেই নষ্ট করা যাবে না । ধন্যবাদ
Link- https://www.facebook.com/events/504525676997590/

Cox bazar ... 😊😉😆
03/07/2019

Cox bazar ... 😊😉😆

02/07/2019

ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সোজা একটি রাস্তা এসে মিলেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। আবার চাইলে এখান থেকে নৌকায় করে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানো যায় কিংবা পাড় ধরে হাটা যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মত প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। ঢাকার কাছে হওয়ার এবং দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় বিধায় মৈনট ঘাট ভ্রমণ পাগল মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্পিড বোটে পদ্মার উপর ঘুরে বেড়াতে পারেন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে। মোটামুটি সাইজের একটা ট্রলারে ঘোরতে পারবেন ঘন্টা খানিকের মত। চাইলে পদ্মার পানিতে গা ভাসাতে পারেন আর সন্ধ্যার অপূর্ব সূর্যাস্থ তো রয়েছেই। সাথে থাকবে পদ্মার ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত।

আপনার প্রিয় মানুষটিকে বা নতুন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মিনি কক্সবাজারে। এবার বিবাহ বার্ষিকীতে বা জন্মদিনে একটি ছোট্ট উপহার হতে পারে আপনার পক্ষ থেকে প্রিয় মানুষটির জন্য। একদিনের ট্যুর মাত্র ১৫০০ টাকা দিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) মিনি কক্সবাজার (Mini Cox Bazar) এটি দোহার উপজেলার অবস্থিত । এই ট্যুরে ছেলে , মেয়ে, ফ্যামিলি ও বাচ্চা, অফিস গ্রুপ, ফ্রেন্ড গ্রুপ (মেয়েদের বা ছেলেদের) এমনকি একা হলেও অংশ গ্রহুন করতে পারবে।

গন্তব্যঃ মৈনট ঘাট / মিনি কক্সবাজার ভ্রমন।
ডে ট্যুর, দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা।
*যাত্রার তারিখ: 12 জুলাই, সকাল 09:00 টা।
*ফেরার তারিখঃ 12 জুলাই, সন্ধ্যা ৬টা (রওনা দিবো)।

ভ্রমন খরচঃ ১৫০০ টাকা। (জন প্রতি)
কনফার্ম করার ডেডলাইন: ১০ জুলাই পর্যন্ত।
যোগাযোগঃ- +8801920399555

চীনামাটি ও স্বচ্ছ সোমেশ্বরীর দেশে(বিরিশিরি,  দুর্গাপুর, নেত্রকোনা)১০০০ টাকায় একদিনেই ঘুরে আসতে পারেন বিরিশিরি থেকে।(পোস্...
26/06/2019

চীনামাটি ও স্বচ্ছ সোমেশ্বরীর দেশে
(বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা)
১০০০ টাকায় একদিনেই ঘুরে আসতে পারেন বিরিশিরি থেকে।
(পোস্টের শেষে টাকাটা যোগ করে নিবেন। আশা করি ১০০০ টাকার বেশি লাগবে না। আর বিলাসিতা করলে খরচের শেষ নেই। বাট, আমাদের মতো যারা স্টুডেন্ট তারা ট্যুরে যাওয়ার আগে মিনিমাম কত টাকা হলে যাওয়া যায় ওইটা আগে খেয়াল করে। আশা করি ব্যাপারটা বুঝবেন)
কিভাবে যাবেন:
>ঢাকা-নেত্রকোণা-চল্লিশাবাজার-শিমুলকান্দি-বিরিশিরি<
( যেহেতু প্রচলিত শ্যামগঞ্জ-পূর্বধলা রাস্তা চলাচলের অযোগ্য। অনেকে এই কারনে বিরিশিরি যেতে ভয় পায়। বাট, এই রাস্তা ব্যবহার করলে ৬০% কষ্ট কম হবে)
আপনি একদিনেই ঘুরে আসবেন তাই সবচেয়ে ভালো হবে রাতে রওনা দিলে।
ঢাকা টু নেত্রকোনা হাওড় এক্সপ্রেস। বিমান বন্দর থেকে ছাড়ে রাত ১২:০০ টায়। শোভন চেয়ার সিটে আপনি ২০০ টাকায় যেতে পারবেন। (যেহেতু নাইট কোচ রাত ১০ টার পরে নেই সে জন্য সকাল সকাল পৌছানোর জন্য ট্রেনে যাওয়া সবচেয়ে ভালো হবে)
ঈদ পূজা ছাড়া টিকিট নিয়ে চিন্তা না করলেও হয়। ট্রেন অর্ধেক খালি থাকে। আপনি শুয়ে শুয়েও যেতে পারবেন।
ভোর ৫:৩০ এর মধ্যে আপনি নেত্রকোনা পৌঁছে যাবেন। নেত্রকোণা নেমে শহরে ৩০ টাকায় নাস্তা করে আপনি চলে যাবেন চল্লিশা বাজারে। স্টেশন থেকে অটো রিকশায় চল্লিশা পর্যন্ত ২০ টাকা ভাড়া নিবে। নাস্তা করে ফ্রেশ হয়ে চল্লিশা আসতে আসতে আপনার ৬:০০-৬:৩০ বেজে যাবে।
যেহেতু বিরিশিরিতে অনেক গুলা স্পট এবং স্পটগুলোর দূরত্ব একটি আরেকটা ৩-৪ কি:মি তাই আপনাকে মোটরসাইকেলে করে ঘুরলে সবচেয়ে আরামদায়ক হবে। নাহলে হাটতে হাটতে আপনার শরীরের ১২ টা বাজবে। চল্লিশা বাজারে আপনি ভাড়ায় চালিত অনেক মোটর সাইকেল পাবেন। আপনাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাড়া করতে হবে। দামাদামি করে আপনি ৫৫০-৬০০ টাকায় একটা মোটরসাইকেল ভাড়া করে চলে যাবেন চল্লিশা টু শিমুলকান্দি রাস্তা দিয়ে পূর্বধলা হয়ে দূর্গাপুর বিরিশিরি। এক মোটরসাইকেলে ২ জন করে গেলে প্রতিজনে ৩০০ করে লাগবে (চল্লিশা-শিমুলকান্দি রাস্তাটা এখন ওইদিককার মানুষ সবাই ব্যবহার করছে। বিরিশিরি যাওয়ার Common রাস্তা শ্যামগঞ্জ - পূর্বধলা রাস্তার ব্যাপক খারাপ হওয়া এখন ওই রাস্তায় বাস চলাচল অনিয়মিত)
মোটরসাইকেলে করে যেতে আপনার লাগবে বড়জোর ১ ঘন্টা থেকে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট। সকাল ৮ টায় বিরিশি বাজারে হালকা নাস্তা করে আপনি বেরিয়ে পড়তে পারেন।
একে একে সবগুলা স্পট ঘুরে বিকেলের মধ্যেই ব্যাক করতে পারবেন।
উল্লেখ্যযোগ্য স্পটগুলো:
>বিজয়পুর পাহাড়
সোমেশ্বরী নদী
রানীখং মন্দির
ওয়াচ টাওয়ার
বিরিশিরি ক্যালচারাল একাডেমি

নেত্রকোনা শহরে পৌছাতে সন্ধ্যা হবে। শহরের বাস কাউন্টার থেকে শাহজালাল এক্সপ্রেসের নেত্রকোণা টু ঢাকা টিকেট কেটে সময় বাকি থাকলে নেত্রকোণা শহরটা ঘুরে দেখতে পারেন। যাওয়ার আগে শহরের গয়ানাথ মিষ্টি ভান্ডার থেকে নেত্রকোণার বিখ্যাত 'বালিশ মিষ্টি ' খেয়ে যেতে পারেন।
তার পাশেই রাস্তার ধারে ১০০ রকম চায়ের একটা টং আছে। বিভিন্ন স্বাদের দুই এক কাপ চা খেতে পারেন।
এরপর রাতের খাবার খেয়ে বাসে উঠে পরবেন।
নেত্রকোনা থেকে আপনি ট্রেনেও ব্যাক করতে পারবেন।
দুইটা ট্রেন একটা সকালে আরেকটা বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিকেলের পরে যেতে চাইলে আপনাকে ময়মনসিংহে নেমে যেতে হবে। ময়মনসিংহে আরো কয়েকটি সিডিউলের ট্রেন ঢাকায় যায়।
(চল্লিশা বাজার থেকে যদি কোনো কারনে মোটরসাইকেল ভাড়া না করতে পারেন অথবা অনেক বেশি দাম হাকায় তাহলে আপনি চল্লিশা-শিমুলকান্দি-পূর্বধলা রুটে অটো-সিএনজি করে বিরিশিরি যেতে পারেন। এরপর বিরিশিরি থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া করতে পারেন)
পুনশ্চ : Industrial Raw material হিসেবে চীনামাটির ব্যবহারের জন্য দিন দিন কেটে ফেলা হচ্ছে এই সাদা-নীলাভ চীনামাটির পাহাড়। অনেকটায় কেটে ফেলা হয়েছে হয়ত এখন থেকে ১০ বছর পর বিজয়পুরের এই চীনামাটির পাহাড়ের কোনো চিহ্ন থাকবে না। তাই সময় থাকতে দেখে ফেলুন 🙂
(ছবি: সংগ্রহকৃত)

একদিনের ট্যুর মাত্র ১৫০০ টাকা দিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) মিনি কক্সবাজার (Mini Cox Bazar) এটি দোহ...
25/06/2019

একদিনের ট্যুর মাত্র ১৫০০ টাকা দিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) মিনি কক্সবাজার (Mini Cox Bazar) এটি দোহার উপজেলার অবস্থিত । এই ট্যুরে ছেলে , মেয়ে, ফ্যামিলি ও বাচ্চা, অফিস গ্রুপ, ফ্রেন্ড গ্রুপ (মেয়েদের বা ছেলেদের) এমনকি একা হলেও অংশ গ্রহুন করতে পারবে।

গন্তব্যঃ মৈনট ঘাট / মিনি কক্সবাজার ভ্রমন।
ডে ট্যুর, দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা।
*যাত্রার তারিখ: 12 জুলাই, সকাল 09:00 টা।
*ফেরার তারিখঃ 12 জুলাই, সন্ধ্যা ৬টা (রওনা দিবো)।

ভ্রমন খরচঃ ১৫০০ টাকা। (জন প্রতি)
কনফার্ম করার ডেডলাইন: ১০ জুলাই পর্যন্ত।
যোগাযোগঃ- +8801920399555

ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে থাকছে AC বাস। ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে শুক্রবার ১২ জুলাই, ২০১৯ বাস ছাড়বে সকাল ৯ টায় যেতে দুই থেকে আরাই ঘণ্টা সময় লাগবে। বাসে Break fast ও পানি দেওয়া হবে। বাস থেকে নেমে নিজেদের মত ঘোরাঘুরি ও যারা গোসল করতে চান করতে পারবেন। ঠিক ২ টার দিকে আমরা দুপুরের লাঞ্চ করব। একটু রেস্ট নিয়ে আমারা ৪ টার দিকে ট্রলার বা নৌকা ভ্রমন করব ১ ঘণ্টার মত। এর পর একটু হাটাহাটি করব ছবি তুলব, সন্ধ্যার অপূর্ব সূর্যাস্থ দেখব। ঠিক ৫:৩০-৬ টার মাঝে আমরা বাসে উঠবো, সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারে থাকব।

আমাদের প্যাকেজে যা যা থাকবেঃ-
১. ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে Mini AC Bus/ Microbus যাওয়া ও আসা।
২. সকালে সিম্পল Break fast ও পানি, সন্ধ্যায় হালাকা নাস্তা।
৩. দুপুরে ইলিশ মাছ ভাজা / চিকেন কারি , সবজি ও ভর্তা, ভাত, ডাল ও পানি।
৪. পদ্মা নদীতে ১ ঘণ্টার মত ট্রলার বা নৌকা ভ্রমন।
৫. DSRL Camera দিয়ে ছবি তোলা, যা মোবাইল নিতে পারবেন।
ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সোজা একটি রাস্তা এসে মিলেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। আবার চাইলে এখান থেকে নৌকায় করে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানো যায় কিংবা পাড় ধরে হাটা যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মত প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। ঢাকার কাছে হওয়ার এবং দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় বিধায় মৈনট ঘাট ভ্রমণ পাগল মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্পিড বোটে পদ্মার উপর ঘুরে বেড়াতে পারেন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে। মোটামুটি সাইজের একটা ট্রলারে ঘোরতে পারবেন ঘন্টা খানিকের মত। চাইলে পদ্মার পানিতে গা ভাসাতে পারেন আর সন্ধ্যার অপূর্ব সূর্যাস্থ তো রয়েছেই। সাথে থাকবে পদ্মার ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত।

ভ্রমণ সতর্কতা:-

• ছোট বাচ্ছা নিয়ে পানিতে নামা একদমই ঠিক হবে না।
• ০ থেকে ৩ বছর ফ্রি, ৩+ থেকে ৬ বছর ৫০%।(অভিবাবকের সাথে বাসে সিট শেয়ার করবে।)
৭ বছরের সবাইকে এডাল্ট হিসেবে গণ্য করা হবে।
• এখানে স্রোতের টান প্রচুর তাই সাঁতার না জানলে গোসল করার সময় বেশি পানিতে যাবেন না।
• মনে রাখবেন এটা কোন সমদ্র সৈকত নয়, কিছু কিছু জায়গায় অনেক গভীর। পানিতে নামার আগে আশেপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করে নিন।
• কনফার্ম করার জন্য ১০ জুলাই তারিখের মধ্যে জনপ্রতি মাথাপিছু ১০০০ টাকা বিকাশ বা রকেট বুকিং মানি ডিপোজিট করতে হবে। মোবাইল নাম্বারঃ- +8801920399555
(কনফার্ম মানে বুকিং মানি দিয়ে নিশ্চিত করা, মৌখিক কনফার্মেশন গ্রহণযোগ্য নয়। বাসের সিট নিয়ে কোন অভিযোগ-অনুযোগ গ্রহনযোগ্য নয়। বুকিং সিরিয়াল অনুযায়ী সিট বণ্টন করা হবে।)
• খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল অথবা কোন প্রকার ময়লা যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
• দোকানি, নৌকাচালক সবার সাথে ভালো ব্যবহার করুন।
• মোবাইল নাম্বারঃ- +8801920399555
• Relax BD Tour প্যাকেজের তারিখ ও প্রাইস যে কোন কিছু পরিবর্তন সক্ষম।

ধন্যবাদ
Relax BD Tour

আপনার প্রিয় মানুষটিকে বা নতুন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মিনি কক্সবাজারে। এবার বিবাহ বার্ষিকীতে বা জন্মদিনে একটি...
23/06/2019

আপনার প্রিয় মানুষটিকে বা নতুন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন মিনি কক্সবাজারে। এবার বিবাহ বার্ষিকীতে বা জন্মদিনে একটি ছোট্ট উপহার হতে পারে আপনার পক্ষ থেকে প্রিয় মানুষটির জন্য। একদিনের ট্যুর মাত্র ১৫০০ টাকা দিয়ে ঘুরে আসতে পারবেন মৈনট ঘাট (Moinot Ghat Dhaka) মিনি কক্সবাজার (Mini Cox Bazar) এটি দোহার উপজেলার অবস্থিত । এই ট্যুরে ছেলে , মেয়ে, ফ্যামিলি ও বাচ্চা, অফিস গ্রুপ, ফ্রেন্ড গ্রুপ (মেয়েদের বা ছেলেদের) এমনকি একা হলেও অংশ গ্রহুন করতে পারবে।

গন্তব্যঃ মৈনট ঘাট / মিনি কক্সবাজার ভ্রমন।
ডে ট্যুর, দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা।
*যাত্রার তারিখ: 12 জুলাই, সকাল 09:00 টা।
*ফেরার তারিখঃ 12 জুলাই, সন্ধ্যা ৬টা (রওনা দিবো)।

ভ্রমন খরচঃ ১৫০০ টাকা। (জন প্রতি)
কনফার্ম করার ডেডলাইন: ১০ জুলাই পর্যন্ত।
যোগাযোগঃ- +8801920399555

ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে থাকছে AC বাস। ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে শুক্রবার ১২ জুলাই, ২০১৯ বাস ছাড়বে সকাল ৯ টায় যেতে দুই থেকে আরাই ঘণ্টা সময় লাগবে। বাসে Break fast ও পানি দেওয়া হবে। বাস থেকে নেমে নিজেদের মত ঘোরাঘুরি ও যারা গোসল করতে চান করতে পারবেন। ঠিক ২ টার দিকে আমরা দুপুরের লাঞ্চ করব। একটু রেস্ট নিয়ে আমারা ৪ টার দিকে ট্রলার বা নৌকা ভ্রমন করব ১ ঘণ্টার মত। এর পর একটু হাটাহাটি করব ছবি তুলব, সন্ধ্যার অপূর্ব সূর্যাস্থ দেখব। ঠিক ৫:৩০-৬ টার মাঝে আমরা বাসে উঠবো, সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারে থাকব।

আমাদের প্যাকেজে যা যা থাকবেঃ-
১. ঢাকার গুলিস্তান / গোলাপ শাহ মাজারের সামনে থেকে Mini AC Bus/ Microbus যাওয়া ও আসা।
২. সকালে সিম্পল Break fast ও পানি, সন্ধ্যায় হালাকা নাস্তা।
৩. দুপুরে ইলিশ মাছ ভাজা / চিকেন কারি , সবজি ও ভর্তা, ভাত, ডাল ও পানি।
৪. পদ্মা নদীতে ১ ঘণ্টার মত ট্রলার বা নৌকা ভ্রমন।
৫. DSRL Camera দিয়ে ছবি তোলা, যা মোবাইল নিতে পারবেন।
ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে সোজা একটি রাস্তা এসে মিলেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। আবার চাইলে এখান থেকে নৌকায় করে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানো যায় কিংবা পাড় ধরে হাটা যায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মত প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে। ঢাকার কাছে হওয়ার এবং দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় বিধায় মৈনট ঘাট ভ্রমণ পাগল মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। স্পিড বোটে পদ্মার উপর ঘুরে বেড়াতে পারেন জীবন সঙ্গীকে নিয়ে। মোটামুটি সাইজের একটা ট্রলারে ঘোরতে পারবেন ঘন্টা খানিকের মত। চাইলে পদ্মার পানিতে গা ভাসাতে পারেন আর সন্ধ্যার অপূর্ব সূর্যাস্থ তো রয়েছেই। সাথে থাকবে পদ্মার ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত।

ভ্রমণ সতর্কতা:-

• ছোট বাচ্ছা নিয়ে পানিতে নামা একদমই ঠিক হবে না।
• ০ থেকে ৩ বছর ফ্রি, ৩+ থেকে ৬ বছর ৫০%।(অভিবাবকের সাথে বাসে সিট শেয়ার করবে।)
৭ বছরের সবাইকে এডাল্ট হিসেবে গণ্য করা হবে।
• এখানে স্রোতের টান প্রচুর তাই সাঁতার না জানলে গোসল করার সময় বেশি পানিতে যাবেন না।
• মনে রাখবেন এটা কোন সমদ্র সৈকত নয়, কিছু কিছু জায়গায় অনেক গভীর। পানিতে নামার আগে আশেপাশের মানুষদের জিজ্ঞেস করে নিন।
• কনফার্ম করার জন্য ১০ জুলাই তারিখের মধ্যে জনপ্রতি মাথাপিছু ১০০০ টাকা বিকাশ বা রকেট বুকিং মানি ডিপোজিট করতে হবে। মোবাইল নাম্বারঃ- +8801920399555
(কনফার্ম মানে বুকিং মানি দিয়ে নিশ্চিত করা, মৌখিক কনফার্মেশন গ্রহণযোগ্য নয়। বাসের সিট নিয়ে কোন অভিযোগ-অনুযোগ গ্রহনযোগ্য নয়। বুকিং সিরিয়াল অনুযায়ী সিট বণ্টন করা হবে।)
• খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল অথবা কোন প্রকার ময়লা যেখানে সেখানে ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না।
• দোকানি, নৌকাচালক সবার সাথে ভালো ব্যবহার করুন।
• মোবাইল নাম্বারঃ- +8801920399555
• Relax BD Tour প্যাকেজের তারিখ ও প্রাইস যে কোন কিছু পরিবর্তন সক্ষম।

ধন্যবাদ
Relax BD Tour

05/05/2019

50+

বান্দরবান পৌঁছে প্রথম দিন আমরা বান্দরবান সদর ঘুরে দেখেছি। বান্দরবান সদরে হোটেল ভাড়া ১০০০/২০০০ টাকা হবে, হোটেলের মান এবং ...
24/11/2018

বান্দরবান পৌঁছে প্রথম দিন আমরা বান্দরবান সদর ঘুরে দেখেছি। বান্দরবান সদরে হোটেল ভাড়া ১০০০/২০০০ টাকা হবে, হোটেলের মান এবং সদস্য সংখ্যার উপরে নির্ভর করে (বান্দরবান সদরে আমাদের আত্মীয় থাকায় এই খরচটি হয়নি)।
সকালের নাস্তা এবং বিশ্রাম শেষে ১০ টায় বেরিয়ে পড়লাম বান্দরবান সদর ঘুরতে।
নীলাচল, মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, রুপালী ঝর্ণা এই তিনটি স্থানের জন্য সিএনজি ভাড়া করলাম ৭০০ টাকা, সেখানে এই সিএনজি মাহিন্দা নামে পরিচিত, ধারন ক্ষমতা ৮/৯ জন।
প্রথমে নীলাচল (জনপ্রতি টিকিট ৫০ টাকা), এরপরে মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র (জনপ্রতি টিকিট ৫০ টাকা) এবং শেষে রুপালী ঝর্ণা ঘুরেছি। এদের মধ্যে নীলাচল ছিল সবথেকে সুন্দর।
তিনটি স্থান ঘুরে দুপুরের মধ্যে ফিরে আসলাম।
সন্ধায় বের হয়ে পরের ২/৩ দিন এর জন্য প্রয়োজনীয় ঔষধ, শুকনো খাবার কিনে নিলাম (স্যালাইন, বিস্কুট, খেজুর, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, চিড়া, চকলেট )।
রাতের মধ্যে পরের দিনের সকল প্রস্তুতি শেষ করলাম।

২য় দিন :
বান্দরবান সদর থেকে থানচি যাওয়ার লোকাল বাস ছাড়ে সকাল ৮/৮:৩০ টায়, জনপ্রতি ভাড়া ২০০ টাকা, বাসে সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। এছাড়া চাঁন্দেরগাড়ি দিয়ে যাইতে সময় লাগবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট/ ৩ ঘণ্টা, ভাড়া ৫০০০/৬০০০ টাকা, ধারন ক্ষমতা ১৪/১৫ জন। চাঁদেরগাড়িতে গেলে যাওয়ার সময় চাইলে নীলগিরি ঘুরে যেতে পারেন, নীলগিরিতে টিকিট জনপ্রতি ৫০ এবং চাঁদেরগাড়ি পার্কিং ৩০০ টাকা।
বান্দরবান সদর থেকে থানচি পৌঁছাবার পথে একবার আর্মি এবং একবার বিজিবি চেকিং পরবে, সেখানে নিজেদের পরিচয় লিখিয়ে যেতে হবে।
থানচি পৌঁছে গাইড ঠিক করে নিবেন। আমরা ঢাকা থেকে ফোনেই গাইড ঠিক করে গিয়েছিলাম (নাম : জেকব ত্রিপুরা), গাইড চার্জ ৫০০০ টাকা।
গাইডের সাহায্যে নিয়ে ৩ টার মধ্যে পর্যটক অফিস, থানা (থানায় জমা দেওয়ার ফর্ম ১০০ টাকা) এবং বিজিবি থেকে অনুমতি নিতে হবে ( জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধনপত্র/ স্টুডেন্ট পরিচয়পএের ফটোকপি লাগবে )।
অনুমতি নেওয়ার পরে দুপুরের খাবার শেষ করতে হবে এবং যতটা সম্ভব খাবার পানি সাথে নিয়ে যেতে হবে।
এখন বোট/ট্রলার ভাড়া করতে হবে, গাইড নিজেই
বোট ভাড়া করবে। বোট ভাড়া করবে এমন ভাবে যে, বোট প্রথম দিন থানচি থেকে পদ্নমূখ রেখে আসবে এবং শেষ দিন রেমাক্রি থেকে আবার থানচি ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। বোটে ধারন ক্ষমতা ৫জন (বোট চালক বাদে) এক্ষেত্রে বোট প্রতি ভাড়া সব মিলিয়ে ৪,০০০ টাকা, আমাদের ২টি বোট ছিল তাই ভাড়া ৮,০০০ টাকা।
বোটে করে থানচি থেকে পদ্নমূখ যেতে সময় লাগে ২৫/৩০ মিনিট।
পদ্নমূখ থেকে আসল পরিশ্রম শুরু, পদ্নমূখ থেকে পায়ে হাঁটা শুরু।
পদ্নমূখ থেকে – পদ্নঝিরি হয়ে – রোনাজুনপাড়া হয়ে – হরিচন্দ্রপাড়া হয়ে পৌঁছাবেন জিন্নাপাড়া অথবা থুইচাপাড়া। সময় লাগবে ৭/৮ ঘণ্টা।
আমরা ৩ টায় পদ্নমূখ থেকে হাঁটা শুরু করি রাত ১১ টায় জিন্নাপাড়া গিয়ে পৌঁছাই। গাইড আগে থেকেই জিন্নাপাড়াতে আমাদের জন্য থাকা-খাওয়ার জায়গা ঠিক করে রেখেছিল।
থুইচাপাড়া/জিন্নাপাড়াতে একদিনের থাকার খরচ জনপ্রতি ১৫০ টাকা এবং প্রতিবেলা খাবার খরচ ১২০/১৫০ টাকা।
গাইডের থাকা-খাওয়ার খরচ নিজেদের প্রদান করতে হবে।

* ছুটির দিন এবং মৌসুম বিবেচনা করে বান্দরবান থেকে থানচির চাঁন্দের গাড়ি ভাড়া ও থানচি থেকে রেমাক্রির ট্রলার ভাড়া কম বেশি হতে পারে।
* এই যাত্রার সবথেকে কঠিন পর্বটি ছিল এই পদ্নমূখ থেকে জিন্নাপাড়াতে পৌঁছানো, এর জন্য প্রয়োজন অশেষ ধৈর্যশক্তি।
* প্রচুর পরিমানে জোক রয়েছে, সাথে ছুরি/কেঁচি এবং লবণ নিতে ভুলবেন না।

৩য় দিন :
আমিয়াখুম যাওয়ার দিন।
আমিয়াখুম যাওয়ার জন্য গাইড জিন্নাপাড়ার আরেকজন গাইডকে (নাম : রাজ) ঠিক করে দেয়, নতুন গাইডের চার্জ প্রথম গাইড প্রদান করে থাকে।
গাইড আমাদের সকাল ৭ টার মধ্যে উঠিয়ে দেয়, সকালের খাবার শেষ করে নিজেদের সাথে খাবার পানি এবং শুকনো খাবার নিয়ে নেই।
আমিয়াখুম যাওয়ার উদ্দেশ্যে নতুন গাইডের সাথে ৮ টায় জিন্নাপাড়া থেকে রওনা হই। জিন্নাপাড়া থেকে আমিয়াখুম যেতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট/৩ ঘণ্টা। জিন্নাপাড়া থেকে আমিয়াখুম যাওয়া-আসার মোট সময় লাগে ৭/৮ ঘণ্টা।
আমিয়াখুম যাওয়ার মধ্যে সবথেকে কঠিন কাজ ছিল ‘দেবতা পাহাড়’, দেবতা পাহাড় থেকে নিচে নামাটা খুব খুব কঠিন। দেবতা পাহাড় একদম খাড়া এবং ভয়ংকর, দেবতা পাহাড় থেকে নিচে নামতে সময় লাগে ১ ঘণ্টা থেকে বেশি।
দেবতা পাহাড় থেকে নেমে আগে গিয়েছিলাম ‘ভেলাখুম’। ভেলাখুম যাওয়ার জন্য দেবতা পাহাড়ের নিচে রয়েছে ভেলা। ভেলাতে করে ভেলাখুম যাওয়ার খরচ ৩০০-৫০০ টাকা তবে এই টাকা গাইড নিজেই প্রদান করবে ভেলাচালককে। ভেলাখুম গিয়ে ঘুরে আসতে সময় লাগবে ৪০/৪৫ মিনিট।
ভেলাখুম ঘুরে আবার দেবতা পাহাড়ের নিচে আসলাম, সেখান থেকে আমিয়াখুম জলপ্রপাত যেতে ৫/৭ মিনিট লাগে।
অবশেষে পৌঁছে গেলাম স্বপ্নের ‘আমিয়াখুম’।
আমিয়াখুমের সৌন্দর্য বলে বা লিখে বুঝানো যাবে না, যে নিজে চোখে দেখেছে শুধু সেই বলতে পারবে
সৃষ্টিকর্তা কি সৃষ্টি করেছেন, “মাশা-আল্লাহ”।
আমিয়াখুম থেকে সাতভাইখুম যাওয়া যায় ভেলাতে করে, কিন্তু সময়ের সল্পতা এবং বৃষ্টির কারনে আমরা যেতে পারিনি ।
আমিয়াখুমের সৌন্দর্য দেখে আবার জিন্নাপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই। দেবতা পাহাড় নামার তুলনায় উঠা অনেক সহজ, দেবতা পাহাড় উঠতে ২৫/৩০ মিনিট সময় লাগে। এরপরে হাঁটতে হাঁটতে ৪ টার মধ্যে জিন্নাপাড়া ফিরে আসলাম এবং ২য় গাইড রাজ দাদাকে বিদায় জানালাম ।

৪র্থ দিন :
নাফাখুম যাওয়ার দিন।
নাফাখুম যাওয়ার জন্যে গাইড আমাদের সকাল ৬ টায় উঠিয়ে দিলেন। সকালের খাবার শেষ করে ৭:৩০ এর মধ্যে সকল প্রস্তুতি নিয়ে নিলাম।
জিন্নাপাড়া থেকে ৭:৩০ এ যাত্রা শুরু করলাম। জিন্নাপাড়া থেকে উল্হাউপাড়া হয়ে উলাচিংপাড়া হয়ে নাফাখুম যেতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট/৩ ঘণ্টা। নাফাখুম যাওয়ার পথে ৬/৭ বার পায়ে হেঁটে নদী পার হতে হয়, নদীতে পানি কোমর সমান হবে। ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট/৩ ঘণ্টা হাঁটার পরে পৌঁছে গেলাম প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য নাফাখুম জলপ্রপাত।
নাফাখুমে ৩০/৪০ মিনিট সৌন্দর্য উপভোগ করার পরে রেমাক্রির উদ্দেশ্যে। নাফাখুম থেকে হেডমানপাড়া এরপরে পিনিডংপাড়া হয়ে রেমাক্রি যেতে সময় লাগে ২/২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে নাফাখুম থেকে ৩০ মিনিট হাঁটার পরে বোট পাওয়া যেতে পারে, সেখান থেকে বোটে করে রেমাক্রি যেতে সময় লাগে ২৫/৩০ মিনিট, বোটপ্রতি ভাড়া ৫০০ টাকা।
রেমাক্রি পৌঁছাবার পরে সেখানে আমাদের জন্যে সেই প্রথম দিনের ২টি বোট অপেক্ষা করছিল, রেমাক্রি থেকে সেই বোটে থানচির উদ্দেশ্যে রওনা হই। রেমাক্রি থেকে তিন্দু হয়ে থানচি পৌঁছাতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা।
রেমাক্রি থেকে থানচি যাওয়ার পথে তিন্দুতে চোখে পরবে বিশাল আকৃতির পাথর নাম ‘বড় পাথর’। স্থানীয়রা বড় পাথরকে অনেক সন্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শক করে।
২ ঘণ্টার মধ্যে থানচি পৌঁছে গেলাম, থানচি পৌঁছাবার পরে গাইডের সাথে পর্যটক অফিসে গিয়ে দুপুরের খাবার শেষ করলাম।
৩ টার পরে থানচি থেকে বান্দরবান যাওয়ার জন্যে বাস পাওয়া যায় না, তাই থানচি থেকে বান্দরবানের জন্যে চাঁন্দের গাড়ি ভাড়া করলাম ৪,০০০ টাকা দিয়ে।
এবার গাইড জেকব দাদাকে বিদায় জানিয়ে চাঁন্দের গাড়িতে বান্দরবানের উদ্দেশ্যে রওনা হই। ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের মধ্যে বান্দরবান সদরে পৌঁছেযাই। বান্দরবান সদর থেকে ঢাকা ফিরে আসার জন্যে রাত ৯:৩০ এর বাসের টিকেট করি।
বান্দরবান সদর থেকে রাত ৯:৩০ এ বাস ছাড়ে অতিরিক্ত জ্যাম এর কারনে ঢাকাতে আসে পৌঁছাই ৯ টায়।
যাত্রা শেষ (26 September 2018) |

* জনপ্রতি সবমিলিয়ে খরচ ৬০০০-৬৫০০ টাকা।
* গাইডের ফোন নাম্বার : 01554648036 (জেকব ত্রিপুরা)

পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতাঃ
প্রতিটি জায়গা অনেক পরিষ্কার, আপনার ব্যবহৃত পন্যের উচ্ছিষ্ট, ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। জায়গা না থাকলে পকেটে করে নিয়ে আসুন।
ধন্যবাদ ❤️

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Relax BD Tour posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Relax BD Tour:

Share

Category