Sultan Hajj & Umrah Kafela

Sultan Hajj & Umrah Kafela Sultan Hajj Kafela is not just about travel — it’s about transformation.

We guide you step-by-step through a sacred journey that brings you closer to Allah, peace, and a truly soulful life.

৪০ লক্ষ মানুষের এক কাতার! অবিশ্বাস্য, কিন্তু পৃথিবীর মানচিত্রে এটাই আমাদের গর্ব। 🕋✨​পৃথিবীর কোনো স্টেডিয়াম বা কোনো বিশাল...
01/01/2026

৪০ লক্ষ মানুষের এক কাতার! অবিশ্বাস্য, কিন্তু পৃথিবীর মানচিত্রে এটাই আমাদের গর্ব। 🕋✨

​পৃথিবীর কোনো স্টেডিয়াম বা কোনো বিশাল ময়দান নয়, বরং একই ছাদের নিচে একই ইমামের পেছনে যখন ৪০ লক্ষ মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সেজদা দেয়—তখন সেই দৃশ্য আসমানের ফেরেশতারাও অপলক চেয়ে দেখে। এটিই আমাদের প্রাণের মসজিদ আল-হারাম।

​💡 ইঞ্জিনিয়ারিং বিস্ময় ও আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য মেলবন্ধন:

​✅ বিশ্বের বৃহত্তম কুলিং সিস্টেম:
মক্কার ৫০ ডিগ্রি গরমেও হারামের ভেতরে কেন জান্নাতি শীতলতা? কারণ প্রায় ৭ কিমি দূর থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এসি সিস্টেম দিয়ে এই বিশাল চত্বরকে সবসময় ঠান্ডা রাখা হয়।

✅ ৪৫ মিনিটের ক্লিনিং চ্যালেঞ্জ:
৪০ লক্ষ মানুষের ভিড় হওয়ার পরেও পুরো মসজিদ পরিষ্কার করতে সময় লাগে মাত্র ৪৫ মিনিট! হাজার হাজার দক্ষ কর্মী নামাজের পরেই গোলাপজল মিশ্রিত সুগন্ধি পানি দিয়ে মেঝে ধুয়ে দেন।

✅ জমজমের অফুরন্ত ধারা:
প্রতিদিন গড়ে ২০ লক্ষ লিটারের বেশি জমজমের পানি পান করা হয় এখানে, তবুও আল্লাহর এই কুদরতি পানির ভাণ্ডার কখনো ফুরায় না।

✅ রাজা-প্রজা এক কাতারে:
এখানে কোনো ভিআইপি স্ট্যাটাস নেই, কোনো ভেদাভেদ নেই। সাদা এহরামে ৪০ লক্ষ মানুষ যখন এক সাথে 'লাব্বাইক' বলে ওঠে, তখন মনে হয় দুনিয়াটা যেন এক শান্তিময় আঙিনা।

​আমাদের বিশেষ পরামর্শ:
হারামের এই বিশালতায় ভিড়ের ভয় পাবেন না। অত্যাধুনিক ক্রাউড কন্ট্রোল সিস্টেম আর হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবীর পরিশ্রম আপনার ইবাদতকে করে তুলবে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন।

❓ নতুন যারা উমরাহ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আপনারা কি এই ক্রাউড কন্ট্রোল সিস্টেম (ভীড় নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থাপনা) সম্পর্কে জানেন? না জানলে "জানতে চাই" লিখে কমেন্ট করুন – আমরা জানিয়ে দেবো, ইনশাআল্লাহ।

এটি জানা থাকলে উমরাহ অনেক সহজ;
ভীড়ে কষ্ট করতে হবে না, তাওয়াফ ও সাঈ -এর সময় আপনিই নির্ধারণ করতে পারবেন, কোথায় করবেন সেটাও আপনার নিয়ন্ত্রনেই থাকবে।

​🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ৪০ লক্ষ মানুষের একজন হয়ে পবিত্র কাবার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর গোলামি করার নসিব করুন।

​আপনার মনে কি এই পবিত্র চত্বরে যাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আছে? আপনার মনের কথাটি কমেন্টে লিখে আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

14/12/2025

অনেকেই জানতে চান—একটি উমরাহ প্যাকেজে আসলে কী কী সার্ভিস নেওয়া প্রয়োজন?

মোটাদাগে একটি উমরাহ প্যাকেজে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস থাকে। এর মধ্যে কিছু সার্ভিস আপনি নিজে চাইলে ম্যানেজ করতে পারেন, আবার কিছু সার্ভিসের জন্য বিশ্বস্ত এজেন্সির সহায়তা নেওয়াই নিরাপদ ও প্রয়োজনীয়।

১) এয়ার টিকিট
আপনি চাইলে নিজে এয়ার টিকিট কাটতে পারেন অথবা কোনো বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমেও নিতে পারেন। নিজে টিকিট কাটলে অনেক সময় বিভিন্ন অফারের কারণে তুলনামূলক কম দামে টিকিট পাওয়া যায়—যা একই টিকিট এজেন্সি থেকে নিলে কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে এজেন্সি থেকে টিকিট নেওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো টিকিট সিকিউরিটি। কোনো কারণে মাদার এজেন্সি কলাপ্স করলেও, যেই এজেন্সি থেকে আপনি টিকিট নিয়েছেন তারা আপনার টিকিট রি-ইস্যু করতে বাধ্য। এছাড়া উমরাহ টিকিটে PNR–সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম থাকে। সেগুলো সঠিকভাবে ফলো না হলে ইমিগ্রেশনে সমস্যায় পড়তে পারেন। ডেট চেঞ্জ, রিফান্ড ও রি-ইস্যুর ক্ষেত্রেও এজেন্সির মাধ্যমে নিলে আপনি বাড়তি সুবিধা পাবেন, যা নিজে টিকিট কাটলে সাধারণত পাওয়া যায় না।

২) উমরাহ ভিসা
উমরাহ ভিসা অবশ্যই এজেন্সির মাধ্যমেই করতে হয়। এই ভিসায় সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করা যায়।

৩) হোটেল বুকিং
উমরাহ ভিসার জন্য হোটেল বুকিং ইনফরমেশন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক। তাই যেই এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা করছেন, তাদের থেকেই হোটেল বুকিং করাটা সবচেয়ে নিরাপদ। তবে চাইলে Booking/ Agoda সহ অন্যান্য অনলাইন পোর্টাল থেকেও হোটেল বুকিং করে ভিসা করা যায়। সে ক্ষেত্রে পেইড হোটেল বুকিং ডকুমেন্টস ভিসা এজেন্সিকে দিতে হবে এবং ভিসা ফি কিছুটা বেশি হতে পারে।

৪) ট্রান্সপোর্ট
আপনি চাইলে লোকাল ট্রান্সপোর্ট নিজেও ম্যানেজ করতে পারেন। তবে বর্তমানে সৌদি এয়ারপোর্টগুলোতে—বিশেষ করে জেদ্দা এয়ারপোর্টে—আগে থেকে ট্রান্সপোর্ট বুক না থাকলে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। আপনি যদি প্রথমবার উমরাহ করতে যান বা পরিবারের সাথে যান, তাহলে ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে রিজার্ভ ট্রান্সপোর্ট নেওয়াই নিরাপদ। এছাড়া চাইলে বাংলাদেশ থেকেই বুলেট ট্রেনের টিকিট কেটে রাখতে পারেন।এয়ারপোর্ট থেকে মক্কা বা মদিনা ট্রেনে ভ্রমণ করলে এবং ট্রেনের টিকিট সাথে থাকলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না—ইন শা আল্লাহ। _তবে অচিরেই উমরাহ ভিসা করতে হোটেলের মতো ট্রান্সপোর্ট বুকিং বাধ্যতামূলক করা হবে।_

৫) খাবার
মক্কায় প্রচুর বাংলাদেশি খাবারের দোকান রয়েছে। বিশেষ করে ইব্রাহিম খলিল রোড, হিজরা/মুনশিয়া রোড ও সফওয়া টাওয়ার এলাকায় সহজেই বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। এছাড়া মক্কা ও মদিনায় বিভিন্ন ক্যাটারিং সার্ভিস রয়েছে। চাইলে তুলনামূলক কম খরচে ক্যাটারিংয়ের খাবার নিতে পারেন, যা সরাসরি আপনার হোটেলে পৌঁছে দেওয়া হয়।

৬) সাইট সিয়িং / যিয়ারাহ
মক্কা ও মদিনার সিটি ট্যুর এবং শহরের বাইরে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ থেকেই এজেন্সির মাধ্যমে গাড়ি বুক করা যায়। চাইলে সৌদি আরবে পৌঁছেও গাড়ি ভাড়া করতে পারেন। তবে নিজে ভাড়া করতে গেলে ভাষাগত সমস্যার কারণে অনেক সময় ড্রাইভারকে বোঝাতে অসুবিধা হয়, এমনকি প্রতারণার শিকারও হতে হয়। তাই অভিজ্ঞ কেউ সাথে না থাকলে, আগে থেকেই এজেন্সির মাধ্যমে বুক করাটাই নিরাপদ।

মোটামুটি এই ৬টি সার্ভিস মিলিয়েই একটি সম্পূর্ণ উমরাহ প্যাকেজ তৈরি হয়।

উমরাহ সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্ন বা তথ্যের জন্য আমাদের পরামর্শ নিতে পারেন। আপনার উমরাহ সফর আরাম ও সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

চোখে পড়লো আবারো সেই জানালাটি......শুধুমাত্র একটি ওয়াদা রক্ষার্থে প্রায় সাড়ে চৌদ্দ শত বছর ধরে খোলা রয়েছে যেই জানালা।র...
28/11/2025

চোখে পড়লো আবারো সেই জানালাটি......

শুধুমাত্র একটি ওয়াদা রক্ষার্থে প্রায় সাড়ে চৌদ্দ শত বছর ধরে খোলা রয়েছে যেই জানালা।

রওজা শরীফের বিপরীতে বরাবর দক্ষিণ পাশে একটি খোলা জানালা।
সুদীর্ঘ ১৪০০ বছর যাবত জানালাটি খোলা রয়েছে। এটা ভালোবাসার খোলা জানালা! এটা হযরত হাফসা রাদি. এর জানালা। এ জানালা যুগের পরিবর্তনে বন্ধ হয়নি কখনো। এই জানালার একটি দারুণ ইতিহাস রয়েছে। যার জন্য এই জানালাটি প্রায় দেড় হাজার বছর যাবত খোলা।

রওজা মুবারকে সালাম দেয়ার জন্য পশ্চিম দিক থেকে প্রবেশ করে পূর্ব দিকে বের হতে হয়। রওজা শরীফ বরাবর এসে হাতের বামে উত্তর মুখি হয়ে সালাম প্রদান করতে হয়। যখন আপনি রওজা শরীফের দিকে মুখ করে সালাম পেশ করছেন তখন ঠিক আপনার পিঠের পেছনে দক্ষিণ পাশের দেয়ালে রয়েছে এই খোলা জানালা।

নবীজি সা. যেখানে শুয়ে আছেন সেটি হল আম্মাজান আয়েশা সিদ্দিকা রাযিয়াল্লাহু আনহার হুজরা মোবারক। বর্তমানে যেটি রওজা মুবারক। ঠিক তার বিপরীত দিকে দক্ষিণ পাশের দেয়ালে জানালাটি অবস্থিত। সেটি হল ওমর রাযিয়াল্লাহুর কন্যা আম্মাজান হাফসা রাযিআল্লাহু আনহার বাসস্থান।
মসজিদে নববীর পূর্ব পাশে সারিবদ্ধভাবে নবীজির স্ত্রীদের হুজরা নির্মিত ছিল। আম্মাজান আয়েশা এবং আম্মাজান হাফসা রাযিআল্লাহু আনহুমাদের হুজরা দু'টি মুখোমুখি ছিল। মাঝে ছিল একটি গলিপথ। যে গলিপথ দিয়ে সবাই রওজায় সালাম করতো।

নবীজির ইন্তেকালের পর আবু বকর সিদ্দিক রাজিয়াল্লাহু আনহুর যুগ সমাপ্ত হলো। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতে ১৭ হিজরীতে মসজিদে নববী সম্প্রসানের প্রয়োজন দেখা দিল। বিশেষ করে রওজায় সালাম দেয়ার সুবিধার্থে হাফসা রাযিআল্লাহু আনহার হুজরাটি সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন দেখা দিল। যে হুজরায় তখনো তিনি অবস্থান করছিলেন।

নবীজি ভূপৃষ্ঠে নেই তো কি হয়েছে! চোখের সামনেই তো রয়েছে নবীজির রওজা। রওজার পাশেই এই হুজরা খানায় তিনি নবীজির স্মরণ নিয়ে বসবাস করতেন। আর যখনই মন চাইতো এই জানালা দিয়ে প্রাণপ্রিয় স্বামীর রওজার দিকে তাকিয়ে আত্মাকে প্রশান্ত করতেন। মন ভরে দুরুদ ও সালাম পেশ করতেন। আর অনুভব করতেন, এইতো কয়েক হাতের দূরত্বে নবীজির পাশে নবীজির সঙ্গেই তিনি আছেন। ওমর রাজিয়াল্লাহু আনহু বড় চিন্তায় পড়ে গেলেন। কিভাবে তিনি হাফসাকে বলবেন এই হুজরাটি ছেড়ে দেয়ার জন্য!

একদিন তিনি পিতৃস্নেহ ও পরম মমতা নিয়ে মেয়ের সাথে দেখা করতে গেলেন। খোঁজখবর নেয়ার পর কথা প্রসঙ্গে বিষয়টি তাঁর সামনে তুলে ধরলেন। দীর্ঘ ৭ বছর যাবত নবীজির বিরহ যন্ত্রণায় যিনি ছটফট করছেন। আশা ছিলো জীবনের যে ক'টি দিন বাকি আছে অন্ততঃ রওজার পাশে থেকে কিছুটা শান্তনায় বাঁচবেন। এখানে এসে নবীজি তাঁর পাশে বসতেন। তাঁর সাথে সময় কাটাতেন। এই হুজরার প্রতিটি কোনায় নবীজির স্পর্শ ও স্মৃতি মেখে রয়েছে। এটিও তাঁকে ছাড়তে হবে! বিষয়টি তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলেন না। তিনি হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন। তাঁর কান্না দেখে সেদিনের মতো ওমর রাযিয়াল্লাহু আনহু ফিরে গেলেন।

পরদিন আম্মাজান আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে তাঁর কাছে পাঠালেন। আরো অনেকে তাঁকে অনুরোধ করলো। কিন্তু তিনি অনড়। ওমর রাঃ এর পক্ষ থেকে যখনই কেউ তার কাছে এই হুজরা সরানোর আবেদন নিয়ে আসতো তিনি হাউমাউ করে কেঁদে উঠতেন। তাঁকে বলা হলো, এই হুজরার বিনিময়ে মদিনার সবচেয়ে বড় বাড়িটি তাকে উপহার স্বরূপ দেওয়া হবে। তাতেও তিনি রাজি হলেন না। সারা পৃথিবীর সব সম্পদের বিনিময়েও যদি কেউ তাঁকে এই হুজরা ছাড়তে বলতো তবুও তিনি কিছুতেই তাতে রাজি হতেন না।

কিছুদিন পর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু পুত্র আবদুল্লাহকে সাথে নিয়ে পুনরায় তাঁর কাছে এলেন। এবার ভাই আবদুল্লাহ সবিনয়ে বোনের কাছে আবেদন রাখলেন যেন তিনি উম্মতে মুসলিমার ফায়দার স্বার্থে এ হুজরাটি ছেড়ে দেন। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাজিয়াল্লাহু আনহুর বাড়িও হাফসা রাযিআল্লাহু আনহার হুজরার সাথেই লাগোয়া ছিল। তিনি বোনকে অনুরোধ করলেন তার বাড়িতে এসে ওঠার জন্য। তিনি বোনের জন্য এই বাড়ি ছেড়ে অন্যখানে চলে যাবেন। আর এ বাড়িটিও তো তাঁর হুজরার সাথেই। সুতরাং তিনি নবীজির কাছেই অবস্থান করবেন।

এবার হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহার মন নরম হলো। তিনি তার হুজরা ভেঙে পথ সম্প্রসারণের অনুমতি দিলেন। তবে তিনি শর্ত রাখলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ওমরের যে বাড়িতে তিনি উঠছেন রওজা শরীফ বরাবর তার দেয়ালে একটি জানালা খুলতে হবে। আর এই জানালাটি কখনো বন্ধ করা যাবে না। যেন মন চাইলেই তিনি এই জানালা দিয়ে রওজা পানে তাকিয়ে থাকতে পারেন। হযরত ওমর রাজিয়াল্লাহু আনহু ওয়াদা করলেন যে, কখনোই এ জানালাটি বন্ধ করা হবে না।

খেলাফতে ওমর শেষ হলো। ওসমান ও আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুমা এর যুগও সমাপ্ত হলো। হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহাও ইন্তেকাল করলেন। আরো কত শত খলিফা ও রাজা বাদশা গত হলেন! কতবার মসজিদে নববীর পুনঃনির্মাণ ও সম্প্রসারণ হল! কিন্তু কেউই হযরত ওমর রাজিয়াল্লাহু আনহুর কৃত সেই ওয়াদা ভঙ্গ করলেন না।

১৪০০ বছর যাবত স্মৃতি হয়ে থাকল এই খোলা জানালাটি একটি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এবং ওয়াদা রক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্বরূপ!

🕋🕋 হজ্জ ২০২৬ — নিবন্ধনের শেষ সময় মাত্র ২ দিন হজ্জ ২০২৬-এর নিবন্ধনের সময় শেষ হতে বাকি মাত্র ২ দিন!এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধন ...
11/10/2025

🕋🕋 হজ্জ ২০২৬ — নিবন্ধনের শেষ সময় মাত্র ২ দিন

হজ্জ ২০২৬-এর নিবন্ধনের সময় শেষ হতে বাকি মাত্র ২ দিন!
এই সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে না পারলে চলতি বছর হজ্জ পালন করা অনিশ্চিত হয়ে যাবে।
তাই যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি, তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ— বিলম্ব নয়, এখনই সিদ্ধান্ত নিন।

বাংলাদেশে অনেক হজ্জ এজেন্সি ও সহায়ক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা আন্তরিকতার সাথে সেবা দিয়ে আসছে।
তাদের মধ্যেই অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য নাম — Sultan Hajj and Umrah Kafela।

বিগত বছরগুলোর সফলতা ও হাজীদের সন্তুষ্টিকে ভিত্তি করে এ বছরও প্রতিষ্ঠানটি
বৃহৎ পরিসরে, উন্নত সেবা ও সাশ্রয়ী মূল্যে হজ্জ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।

💎 বিশেষ অফারসমূহ:

১️⃣ আপনার পছন্দনীয় যেকোনো প্যাকেজ মূল্য থেকে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট।
২️⃣ তারাদ্দুদিয়া সার্ভিস (সৌদি সরকারের বিশেষ প্রকল্প) – সম্পূর্ণ ফ্রি প্রদান (সাধারণত এই সার্ভিসের মূল্য প্রায় ২৩,১০০ টাকা, যা Sultan Hajj & Umrah Kafela আপনাকে বিনা মূল্যে দিচ্ছে।)।

হজ্জ ২০২৬ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত সুবিধাসমূহ

Sultan Hajj and Umrah Kafela হাজী সাহেবদের জন্য এনেছে সর্বোচ্চ মানের সেবা ও যত্নসহ ৫টি বিশেষ হজ্জ প্যাকেজ।
সব প্যাকেজের সেবাসমূহ একই — পার্থক্য কেবল মক্কা-মদীনার হোটেলের দূরত্বে।

🌟 কমন সুবিধাসমূহ (সকল প্যাকেজের জন্য প্রযোজ্য):

✅ হজ্জ ভিসা
✅ ডাইরেক্ট টিকেট
✅ মিনা ও আরাফা সার্ভিস
✅ তারাদ্দুদিয়া সার্ভিস সৌদি সরকারের বিশেষ প্রকল্প
✅ ট্রান্সপোর্ট সুবিধা
✅ উন্নতমানের হোটেল
✅ তিনবেলা খাবার
✅ কুরবানীর ব্যবস্থা
✅ রিয়াযুল জান্নাহ সফর
✅ যিয়ারাহ (মক্কা ও মদীনা)
✅ অভিজ্ঞ গাইড
✅ হেলথ ইন্সুরেন্স
✅ ট্রাভেল ট্যাক্স
✅ যমযম পানি

🏨 প্যাকেজ অনুযায়ী হোটেলের দূরত্ব ও অবস্থান:

১. 🕌 ইকোনমি–১ (শিফটিং)
মক্কা হোটেল–১: ৮০০–১০০০ মিটার
মক্কা হোটেল–২: কাকিয়া / নাক্কাসা / শাওকিয়া
মদীনা হোটেল: ১২০০–১৫০০ মিটার

২. 🕋 ইকোনমি–২ (শিফটিং)
মক্কা হোটেল–১: কাকিয়া / নাক্কাসা / শাওকিয়া
মক্কা হোটেল–২: ৬০০–৮০০ মিটার
মদীনা হোটেল: ৫০০–৭০০ মিটার

৩. 🌙 স্ট্যান্ডার্ড–১ (শিফটিং)
মক্কা হোটেল–১: ৩০০–৪০০ মিটার
মক্কা হোটেল–২: কাকিয়া / নাক্কাসা / শাওকিয়া
মদীনা হোটেল: ৫০০–৭০০ মিটার

৪. 🌙 স্ট্যান্ডার্ড–২ (স্থায়ী)
মক্কা হোটেল: ১২০০–১৫০০ মিটার
মদীনা হোটেল: ৩০০–৫০০ মিটার

৫. 🕋 প্রিমিয়াম
মক্কা হোটেল: ৫০০–৭০০ মিটার
মদীনা হোটেল: ১০০–২০০ মিটার

🤲 রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

👉 রেজিস্ট্রেশনের সময় অত্যন্ত সীমিত — তাই আজকের মধ্যেই অফিসে এসে বা ফোনে যোগাযোগ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।
প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশন করলেই অফারের সুবিধা নিশ্চিত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

অফিস: ৩১/এফ, ভুইয়া টাওয়ার (৪র্থ তলা, লিফট নং ৩) তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০
বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পাশে,
মেট্রো স্টেশনের বি গেট সংলগ্ন, ৫৯২ ও ৫৯৩ নং পিলারের মাঝ বরাবর উত্তর দিকের রাস্তা।

🕋 Sultan Hajj and Umrah Kafela
“আপনার দীনী সফরকে সহজ, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয় করে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।”

🤍 আল্লাহ তাআলা আপনাকে তাঁর ঘরের অতিথি হিসেবে কবুল করুন।

10/10/2025

বাইতুল্লাহ যিয়ারতকারীদের মতামত।

উমরাহ অফার — জানুয়ারি ২০২৬প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে আছে একটি অদম্য আকাঙ্ক্ষা— একবার আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করা, রাসূলের রওযা...
05/10/2025

উমরাহ অফার — জানুয়ারি ২০২৬

প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে আছে একটি অদম্য আকাঙ্ক্ষা— একবার আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করা, রাসূলের রওযায় সালাম নিবেদন করা, মক্কা-মাদিনার মাটিতে সিজদাহ করা।

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ১ লক্ষ টাকার একটি অফার দিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, সে অফারের মাধ্যমে প্রায় অর্ধশত বাইতুল্লাহ প্রেমিক উমরাহ সম্পন্ন করেছেন এবং সার্ভিসের বিষয়ে হৃদয়ের গভীর থেকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

ভিডিওর লিংক: নিচে দেওয়া হল।

এরপর অনেকেই ১ লক্ষ টাকার বিশেষ অফারের কথা জানতে চেয়েছেন এবং সুযোগ থাকলে পুনরায় অফার ঘোষণার অনুরোধ জানিয়েছেন।

সবার ভালোবাসা, আগ্রহ ও অনুরোধের প্রেক্ষিতে Sultan Hajj & Umrah Kafela আগামি নতুনবর্ষ ২০২৬-এর জানুয়ারি মাসের উমরাহ কাফেলার অসাধারণ অফার ঘোষণা করছে, যা আল্লাহর ঘরের পথে যাত্রাকে সহজতর করতে এক বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

যারা আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দিতে প্রস্তুত, কিন্তু ক্রমবর্ধমান খরচে সাহস করতে পারছেন না, তাদের জন্য এটি স্বপ্ন পূরণের এক অসাধারণ মুহূর্ত — যা বর্তমান সময়ে এক বিরল সুযোগ।

নিয়মিত প্যাকেজ মূল্য ১,৫০,০০০ টাকা। ৩৩% ছাড়ের পর প্যাকেজ মূল্য মাত্র ১,০০,০০০ টাকা। প্রাথমিক পর্যায়ে মাত্র ১০ জনকে এ সুযোগটি দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

এই প্যাকেজে থাকছে— ট্রানজিট ভিসা, টিকেট, হোটেল, পরিবহন, যিয়ারাহ, ট্যাক্স ও ইনস্যুরেন্স, উমরাহ প্রশিক্ষণ এবং অভিজ্ঞ গাইডের সার্বক্ষণিক সহায়তাসহ সবকিছু।

এই সুযোগটি কেবল টাকা সাশ্রয়ের নয়— বরং আপনার কিংবা আপনার প্রিয় বাবা-মা ও পরিবারের স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত এবং রবের সান্নিধ্য লাভের হাতছানি।

হয়তো এটাই সেই বছর, যেদিন আপনার নাম আল্লাহর ঘরের অতিথিদের তালিকায় লেখা হবে।

তাই আজই নিয়ত করুন — আল্লাহ তাআলা তাঁর ঘরের পথে আপনার পদক্ষেপকে কবুল করুন।

📞 যোগাযোগ: 01558 008 004

Sultan Hajj and Umrah Kafela এর সেবা সম্পর্কে উমরাহ পালনকারীদের অভিব্যক্তি জানতে নিচের লিংকগুলো ক্লিক করুন।

অভিব্যক্তি-১: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/uVWPzrtcQGiMLgGV/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-২: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/yBzDSrQNcgPKbYqP/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-৩: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/8ommeDAz4Eu8oRLP/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-৪: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/2KpvvNb9rghESuGV/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-৫: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/YxEwHjscajw3UfDp/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-৬: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/3tfJsz6UYfVpfFNE/?mibextid=oFDknk
অভিব্যক্তি-৭: উমরাহ সফর, ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪
https://www.facebook.com/share/v/8T33JzAd8G81vziL/?mibextid=oFDknk

02/10/2025

২ নভেম্বর ২০২৫ এর স্টান্ডার্ড উমরাহ কাফেলার প্রস্তুতি চলছে।
আগ্রহীগণ যোগাযোগ করতে পারেন।

30/09/2025

*উমরাহ সতর্কতা আপডেট*

নুসুক পোর্টালের ট্র‍্যাক অনুযায়ী ১৪৪৭ সিজনের উমরাহ ভিসা ইস্যু করার শেষ দিন ১লা শাওয়াল। কিন্তু কোটা জটিলতা এবং নুসুকের বিভিন্ন আপডেটের ফলে রমজানের ১০ তারিখেই ভিসা ইস্যু শিথিল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে৷

ইতোমধ্যে এয়ারলাইন্সের অফার পেয়ে অনেক এজেন্সি, প্রতিনিধি বা উমরাহযাত্রী শাওয়ালের তারিখে বা রমজানের শেষে টিকিট ধরছেন। টিকিট ধরার ক্ষেত্রে অবশ্যই হজ্জ এবং আসন্ন ইভেন্টগুলি বিবেচনায় রেখে কনফার্ম করবেন৷

তুলনামূলক কম দামের প্যাকেজ করতে গিয়ে পরে গিয়ে লস যেন গুনতে না হয় সেদিকে সতর্ক থাকবেন। খেয়াল রাখবেন, এ বছর লাইসেন্স ছাড়া ইউজার পাওয়া যাচ্ছে না। সুতরাং জরুরি মুহুর্তে চাইলেও অনবরত কোম্পানি পরিবর্তন করে ভিসার জন্য বার বার ট্রাই করার অপশন থাকবে না।

#না #না #না

28/09/2025

🕋 ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা

সরকারি হজ্ব প্যাকেজ ২০২৬
প্যাকেজ ১ (বিশেষ): ৬,৯৫,৫৯৭ টাকা
প্যাকেজ ২: ৫,৫৮,৮৮১ টাকা
প্যাকেজ ৩: ৪,৬৭,১৬৭ টাকা

বেসরকারি হজ্ব প্যাকেজ ২০২৬
প্যাকেজ ১: ৬,৮০,০০০ টাকা
প্যাকেজ ২: ৫,৮০,০০০ টাকা
প্যাকেজ ৩: ৫,১০,০০০ টাকা

(সব প্যাকেজেই খাবার খরচ অন্তর্ভুক্ত নয়)

ঘোষণা অনুষ্ঠান

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন:
ক. বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ।
খ. প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলিম ভাই-বোন হজ পালন করেন।
৩. সর্বোচ্চ হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।
৪. গত বছর ৮৭,১০০ জন হজ পালন করেছেন।

হজ কার্যক্রমের নীতি

১. হজ দ্বি-রাষ্ট্রিক কার্যক্রম, যেখানে সৌদি সরকার প্রধান ভূমিকা পালন করে।
২. সৌদি প্রান্তের ব্যয় নির্ধারণ, রোডম্যাপ ঘোষণা, ভিসা ও গ্রাউন্ড সার্ভিস ফি নির্ধারণ ইত্যাদি সৌদি সরকারের এখতিয়ারভুক্ত।
৩. ২০২৬ সালের চূড়ান্ত ব্যয় এখনও নির্ধারিত হয়নি, তাই পূর্ববর্তী বছরের ব্যয়ের ভিত্তিতে সম্ভাব্য খরচ হিসাব করে প্যাকেজ প্রণয়ন করা হয়েছে।
৪. পরবর্তীতে সৌদি আরব ব্যয় বৃদ্ধি/হ্রাস করলে প্যাকেজ মূল্য সমন্বয় হবে।
৫. ২০২৫ সালের হজ শেষে সরকারি মাধ্যমে হজযাত্রীদের মধ্যে প্রায় ৮ কোটি ২৮ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছিল।

খরচের খাতসমূহ

ক. সৌদি আরব পর্ব
১. মক্কা-মদিনায় বাড়ি/হোটেল ভাড়া
২. পরিবহন ব্যয়
৩. জমজম পানি
৪. মিনা-আরাফায় সার্ভিস চার্জ
৫. ভিসা ফি
৬. স্বাস্থ্যবীমা
৭. ইলেকট্রনিক্স ফি
৮. গ্রাউন্ড সার্ভিস ফি
৯. মিনার তাঁবু ভাড়া/ক্যাম্প ফি
১০. লাগেজ পরিবহন ব্যয়
১১. দমে শোকর খরচ

খ. বাংলাদেশ পর্ব
১. বিমান ভাড়া
২. হজযাত্রী কল্যাণ তহবিল
৩. প্রশিক্ষণ ফি
৪. হজ গাইড
৫. অন্যান্য সার্ভিস

বিমান ভাড়া

১. গত বছর বিমান ভাড়া ছিল ১,৬৭,৮২০ টাকা।
২. এবছর বিমান ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৫৪,৮৩০ টাকা (প্রতি হজযাত্রী ~১২,৯৯০ টাকা কম)।
৩. বাংলাদেশ পর্বের ভ্যাট ও ট্যাক্স অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

নতুন ব্যয় সংযোজন

১. স্বাস্থ্যবীমা বেড়ে হয়েছে ১৩০ সৌদি রিয়াল (~৪,২৭০ টাকা)।
২. মিনা-আরাফায় তাঁবু ভাড়া বেড়েছে ৪.২%।
৩. প্রথমবারের মতো ‘দমে শোকর’ বাবদ ৭২০ রিয়াল (২৩,৬৫২ টাকা) বাধ্যতামূলকভাবে হজ প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত।
৪. সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার বেড়ে হয়েছে ৩২.৮৫ টাকা।

সরকারি প্যাকেজসমূহের বিস্তারিত

প্যাকেজ: ১ (৬,৯০,৫৯৭ টাকা)
হারাম শরীফ থেকে সর্বোচ্চ ৭০০ মিটার দূরত্বে মক্কার বাসস্থান
মদিনায় সেন্ট্রাল এরিয়া (মারকাজিয়া) আবাসন
এটাচড বাথরুম, একরুমে সর্বোচ্চ ৫ জন
মিনায় জোন-২, D+ ক্যাটাগরির সার্ভিস, খাবার সরবরাহসহ

প্যাকেজ: ২ (৫,৫৮,৮৮১ টাকা)

হারাম শরীফ থেকে ১.২–১.৮ কিমি দূরত্বে মক্কার বাসস্থান
মদিনায় সেন্ট্রাল এরিয়া আবাসন
এটাচড বাথরুম, একরুমে সর্বোচ্চ ৬ জন
মিনায় জোন-২, D ক্যাটাগরির সার্ভিস
অতিরিক্ত অর্থে ২/৩ সিট রুম ও শর্ট প্যাকেজ আপগ্রেডেশন
অবস্থানকাল: সাধারণত ৩৫–৪৭ দিন (শর্ট প্যাকেজে ২২–৩০ দিন)

প্যাকেজ: ৩ (৪,৬৭,১৬৭ টাকা)

মক্কায় আজিজিয়া এলাকায় আবাসন
মদিনায় সেন্ট্রাল এরিয়ার বাইরে আবাসন
একরুমে সর্বোচ্চ ৬ জন
মিনায় জোন-৫, D ক্যাটাগরির সার্ভিস
হারাম শরীফে যাতায়াতের জন্য এসি বাস
এটি সরকারি মাধ্যমে প্রথমবার আজিজিয়া এলাকায় আবাসনের প্যাকেজ

বেসরকারি প্যাকেজ

সরকার অনুমোদিত সাধারণ হজ প্যাকেজ (খরচ ৫,০৯,১৮৫ টাকা) গ্রহণ করে বেসরকারি এজেন্সিসমূহ অতিরিক্ত আরও ২টি প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে।

খাবারের খরচ

প্রতিদিন ন্যূনতম ৩৫ সৌদি রিয়াল (প্রায় ১,১৫০ টাকা) নিজ দায়িত্বে বহন করতে হবে।

সময়সূচি ও নিবন্ধন

সম্ভাব্য হজের তারিখ: ২৬ মে ২০২৬ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)।
বাংলাদেশ থেকে সম্ভাব্য হজযাত্রী সংখ্যা: ১,২৭,১৯৮ জন।
প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু: ২৭ জুলাই ২০২৫
নিবন্ধন শেষ: ১২ অক্টোবর ২০২৫
প্রাথমিক নিবন্ধন ফি: ৩,৫০,০০০ টাকা
পূর্ণ অর্থ জমা: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
হজচুক্তি সম্পাদন: ৯ নভেম্বর ২০২৫
বাড়িভাড়া ও পরিবহন চুক্তি: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভিসা ইস্যু শুরু: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফ্লাইট শুরু: ১৮ এপ্রিল ২০২৬

উপসংহার

ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন—
“আমাদের দেশের গণমাধ্যম সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। আশা করি, হজ ব্যবস্থাপনায় এই সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

28/09/2025

উমরাহ যাত্রীদের জন্য অতীব জরুরি বিজ্ঞপ্তি ও দিকনির্দেশনা
সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় উমরাহ ভিসা আবেদনের নিয়মে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘোষণা করেছে।
Nusuk প্ল্যাটফর্মের এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে সকল যাত্রী ও এজেন্সির জানা আবশ্যক।

মূল পরিবর্তন কী?
এখন থেকে উমরাহ ভিসার আবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার পর ভিসা ইস্যু হতে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগবে।

কেন এই পরিবর্তন?
এর মূল লক্ষ্য হলো উমরাহ ব্যবস্থাপনাকে—
✅ আরও সুশৃঙ্খল করা
✅ সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
✅ সব সেবা এক ছাতার নিচে এনে নুসুক প্ল্যাটফর্মকে প্রযুক্তি-নির্ভর ও সহজতর করা

এর ফলে যাত্রী প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ, ভিসা প্রসেসিংয়ের স্বচ্ছতা এবং যাত্রীর অভিজ্ঞতা হবে আরও আরামদায়ক।

ভিসা পেতে কতদিন লাগতে পারে?
নতুন নিয়ম অনুযায়ী পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে সাধারণত ৪ থেকে ৫ কার্যদিবস লাগতে পারে।

📌 ধাপগুলো এক নজরে:

🗂️ ডকুমেন্ট প্রস্তুতি (এজেন্সি): ১–২ দিন

📑 মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা: ১–২ দিন (সৌদি কার্যদিবস অনুযায়ী)

⏱️ প্রসেসিং (মন্ত্রণালয়): সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা

📩 ভিসা ডেলিভারি: কয়েক ঘণ্টার মধ্যে

🛫 আমাদের পরামর্শ
👉 ভ্রমণের অন্তত ১০–১২ দিন আগে ভিসার আবেদন সম্পন্ন করুন।
এতে ভিসা ইস্যুতে বিলম্ব হলেও—
✔️ শেষ মুহূর্তের ফ্লাইট জটিলতা
✔️ অতিরিক্ত খরচ
✔️ অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তা

সবকিছু থেকেই বাঁচা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।

আপনার স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন যাত্রাই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
🕋 আল্লাহ্‌ আপনার উমরাহ কবুল করুন. আমিন 🤲

20/09/2025

মক্কার সুপরিচিত আখের রসের গলি, দাখালার গলি এবং মিসফালা এলাকার একাধিক হোটেল বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে। হোটেলের জটিলতা, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং নানা প্রশাসনিক কারণে হজ্ব ও উমরাহ ব্যবস্থাপনা দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এরই মাঝে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আগামী হজ্বের জন্য কেউ কেউ চার লাখ ৬০ হাজার থেকে চার লাখ ৮০ হাজার টাকায় হাজীদের নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তবে বাস্তব পরিস্থিতি কেমন হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

আল্লাহতালা সবকিছু সহজ করে দিন।

Ahmad Bin Noor

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “আমার উপর অধিক দুরূদ পাঠকারী কিয়ামাতের দিনে আমার বেশি সান্নিধ্য অর...
19/09/2025

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “আমার উপর অধিক দুরূদ পাঠকারী কিয়ামাতের দিনে আমার বেশি সান্নিধ্য অর্জনকারী হবে”।

#স্বাচ্ছন্দ্য_ও_প্রশান্তি

Address

31/F Bhuiyan Tower, Topkhana Road
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 11:00
15:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sultan Hajj & Umrah Kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sultan Hajj & Umrah Kafela:

Share

Category