23/07/2022
একদম সত্যি বলেছেন Adv Mahmudul Hasan ভাই
পূর্ণিমা বিয়ে হয়েছে দেখলাম (নিউজে)। অনেকের হৃদয় ভেঙেচুড়ে চুরমার হয়ে যেতেও দেখলাম। ফেসবুকে আহাজারি শেষ নাই। তাকে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশের মাধ্যম ধরে নিয়ে ভাবলাম যে এটা একটা সেলিব্রিটির জন্য বড় প্রাপ্তি। অনেকে দেখলাম যে পুর্ণিমা যে ডিভোর্সি ছিলেন সেটাই জানতেন না। জানলে হয়তো সে সুযোগ হাতছাড়া করতো না! অনেকে আবার ডিভোর্সি শুনে খুব ব্যথিত হয়েছে। তারা মনে করতো পুর্নিমা যেমন সুন্দর তেমন খুবই লক্ষী আর সংসারী। একদম খাটি মুসলমান বৌ!!! হাসব্যান্ড বা তার পরিবার যতই অত্যাচার আর নির্যাতন করুক জনম দুঃখী সাবানার সিনেমার চরিত্রের মত সব সহ্য করে সংসার করবে। শুধু সংসার করলেই হবে না। জাতির ক্রাশ যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম থাকতে পারে তার জন্য যা যা করার দরকার সেগুলোই করবে। অভিনয়, মডেলিং, ফিটনেস ধরে রাখা, সব!! কি কিউট না বিষয়টি।
যা হোক মূল কথায় আসা যাক, একটা নিউজ থেকে জানলাম তার ডিভোর্স হওয়ার কারণ। পূর্ণিমা নাকি বেপর্দা চলাফেরা করে। মিডিয়ায় কাজ করা যাবে না সংসার করলে! কি সুন্দর না বিষয়টা। অথচ ২০০৭ সালে তাদের বিয়ে হলেও তার অনেক আগে থেকেই সে সিনেমা জগতে আছেন।। হয়তো ভদ্রলোক তার অভিনয় আর সৌন্দর্যের প্রেমে পরে পূর্ণিমা কে বিয়ে করেছিলেন!! পরবর্তীতে আর সেগুলো ভাল লাগে নাই!
এরকম আরো অনেক উদাহরণ আছে মিডিয়া জগৎ ছাড়াও। ছেলেরা মেয়ের গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি বা আরো অনেক শিল্পগুণ দেখে তার প্রেমে পরে। বিয়েও করে বা করতে চায়। বিস্ময়কর বিষয় হল বিয়ের পরর্বতীতে স্ত্রীর এই গুণ গুলো কে আর ভাল লাগে না। লাগলেও সেগুলো শুধু তার জন্য হবে এমনটাই চায়। ব্যপারটি এমন যে তোমার সব শিল্পগুণ শুধু আমার জন্য, আমার মনোরঞ্জনের জন্য!
অনেক মেয়েই তার সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার জলাঞ্জলি দিয়ে সেগুলো মেনে নেয় আবার অনেকে নিজের একলা চলা পথ বেচে নেয় বা আবারো নতুন কারো সাথে পথ চলতে চায়!!!
ছেলেদের ক্ষেত্রেও যে এমন টা নেই বিষয়টা এমন না। তবে তা খুব কম।
তাই অন্তত বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে উভয়ের খুব ভেবে চিন্তে বিয়ে করা উচিত। যে গুণ বা কর্ম দেখে আপনি বিয়ে করছেন সেটা কে আপনার সম্মান দিতে হবে। প্রয়োজনে আপনাকে তার পাশে থাকতে হবে। আর সেই শিল্প বা কর্ম কে যদি সম্মান না দিতে পারেন তবে সেই সম্পর্কে না জড়ানোই ভাল।।
Purnima এর নতুন জীবনের জন্য শুভ কামনা রইলো।