Trip&Trek ভ্রমন বন্ধু

Trip&Trek ভ্রমন বন্ধু Trip&Trek ভ্রমন বন্ধু provides adventure trips and tours to feel and enjoy the nature.

আজ ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবি বার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে "এম ভি বে ওয়ান" জাহাজ টি। জাহাজ টি কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সা...
20/12/2020

আজ ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবি বার শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে "এম ভি বে ওয়ান" জাহাজ টি। জাহাজ টি কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সাগর পথে চলাচল করবে নিয়মিত।
কর্নফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃক বিদেশ হতে আনীত "বে ওয়ান ক্রুজ শীপ" এর প্রথম সমুদ্র যাত্রা উপলক্ষে আগামী ২০ ডিসেম্বর ২০২০ রোজ রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এম ভি বে ওয়ান জাহাজ টির দৈর্ঘ্য ৪০০ ফুট ও প্রস্থ ৫৫ ফুট। জাহাজ টির গ্রস টনেজ ৫০১৯, জাহাজ টিতে মোট ১১২০০ বি এইচ পি সম্পন্ন মেইন প্রপালেশন ইঞ্জিন রয়েছে। যার দ্বারা জাহাজ টি প্রতি ঘন্টায় ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে ছুটতে পারে। উত্তাল সমুদ্র মোকাবেলায় জাহাজ টিতে ফিন স্ট্যাবিলাইজার সংযুক্ত আছে। প্রায় ২০০০ জন যাত্রী ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ টিতে অপারেটিং ক্রু রয়েছে ১৭ জন। যাত্রী সেবায় নিয়োজিত রয়েছে ১৫০ জন ক্রু। জাহাজ টিতে সাচ্ছন্দময় ভ্রমন, রাত্রি যাপন ও বিভিন্ন স্বাদ এর খাবার পরিবেশন এর ব্যাবস্থা আছে।
সূত্র: কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স
২১ তারিখ থেকে নিয়মিত যাতায়ত করবে,
কক্সবাজার টু সেন্টমার্টিন টু কক্সবাজার
টিকেট প্রাইজ যাওয়া - আসা
Deck-A- Forward side :-
--------------------------------
> V.V.I.P Cabin - 25,000/- (২জন) (রুম সংখ্যা ৪টি)
> Bunker Cabin - 30,000/- (৪জন) (রুম সংখ্যা ১২টি)
> Royal Class Cabin - 30,000/- (২জন) (রুম সংখ্যা ২টি)
Deck-A- Back side :-
--------------------------------
> Bunker Bed (Promotion price) - 4,000/- (১জন) (বেড সংখ্যা ২২০ টি)
Deck-B-Forwad side :-
------------------------------
> Presidential Suite - 30,000/- (২জন) (রুম সংখ্যা ৮টি)
Deck-B- Back Side :-
----------------------------
> Presidential Suite - 30,000/- (২জন) (রুম সংখ্যা ৬টি)
Deck- C :-
------------
> Bunker Bed (Promotion price) - 4,000/- (১জন) (বেড সংখ্যা ১৬৫ টি)
Deck-D- Forwad side :-
-------------------------------
> Luxury seat - 3,000/- (১জন) (আসন সংখ্যা ১৫০ টি)
Deck-D- Back side :-
-----------------------------
> Luxury seat - 3,000/- (১জন) (আসন সংখ্যা ১৩০ টি)
Deck-E- Forwad side :-
-------------------------------
> Economic class seat - 2,500/- (১জন) (আসন সংখ্যা ১৫০ টি)
Deck-E- Back side :-
-------------------------------
> Economic class seat - 2,500/- (১জন) (আসন সংখ্যা ১০৫ টি)
Deck - F :-
-------------
> Economic class seat - 2,500/- (১জন) (আসন সংখ্যা ৫৭ টি)
Ref: Tourism Development Society of Bangladesh - TDSB

স্বর্গের সিঁড়িঃখাগড়াছড়ি এর হাতিমুড়া/মায়ুং কপাল/ স্বর্গসিড়ি বিভিন্ন নামে পরিচিত মানুষের কাছে। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার...
20/12/2020

স্বর্গের সিঁড়িঃ

খাগড়াছড়ি এর হাতিমুড়া/মায়ুং কপাল/ স্বর্গসিড়ি বিভিন্ন নামে পরিচিত মানুষের কাছে। খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পেরাছড়া ইউনিয়নের একটি পাহাড়ি পথকে মায়ুং কপাল বা হাতিমুড়া (Hatimura) নামে ডাকা হয়। স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ২০১৫ সালে ওই পাহাড়ে সিড়ি স্থাপন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। মূলত পাহাড়ি গ্রাম মায়ুক কপাল যাওয়ার জন্য সিঁড়িটি নির্মাণ করা হয়।পাহাড়টা দেখতে অনেকটা হাতির অবয়ব হওয়ায় স্থানীয়রা একে হাতির মুড়া বলেন। চাকমাদের কাছে এটি ‘এদো শিরে মোন’ এবং ত্রিপুরাদের কাছে ‘মাইয়োং কপা’ নামে পরিচিত। তবে দুটোর অর্থই হাতির মাথা পাহাড়। অনেকের কাছে এটি পরিচিত ‘স্বর্গের সিড়ি’ নামে।

চেঙ্গী ও মাইনী নদীর অববাহিকায় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। অরণ্যভূমি, উপত্যকা, ঝরণা-ঝিরি ও অসংখ্য পাহাড় নিয়ে পাহাড়ি এই জনপদ গড়ে উঠেছে। খাগড়াছড়ির নতুন আর্কষণ হয়ে উঠছে হাতির মুড়া বা স্বর্গের সিঁড়ি।

খাগড়াছড়ি শহর ছেড়ে দুই পা ফেললেই পেরাছড়া গ্রাম। নিভৃত এই পাহাড়ী পল্লী পেরিয়ে খরস্রোতা চেঙ্গী নদী। নদী পার হয়ে আবারো পাহাড়ী গ্রাম বানতৈসা। এখানে মূলত ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির বসবাস। বানতৈসা গ্রাম পেরিয়ে হাঁটতে হয় পুরোটা পথ। পথে পথে জুমিয়াদের চাষাবাদ চোখে পড়ে। স্থানীয়রা সবাই মূলত কৃষিজীবী। সবুজে মোড়ানো পথে প্রায় ১ ঘন্টার পায়ে হাঁটা পথ। উঁচু উঁচু পাহাড় পেরিয়ে যেতে হবে হাতির মুড়া।

হাতি মুড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এক সময় এই পাহাড়ে গাছের গুড়ির উপর বাসিন্দারা আসা যাওয়া করত। বিকল্প পথ না থাকায় গাছের গুড়ি বেয়ে পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে হত। এভাবে পাহাড় উঠতে গিয়ে কয়েকজন মারাও গেছে।

ছবি ও তথ্যঃ ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

বান্দরবানের এ পর্যন্ত ঝর্ণা ও খুমের তালিকাঃ১) লাংলুক / লিলুক (Langlop) "1st"২) বাক্লাই (Baklai) "2nd"৩) জাদিপাই (Jadipai...
20/12/2020

বান্দরবানের এ পর্যন্ত ঝর্ণা ও খুমের তালিকাঃ
১) লাংলুক / লিলুক (Langlop) "1st"
২) বাক্লাই (Baklai) "2nd"
৩) জাদিপাই (Jadipai) "3rd"
৪) সাইংপ্রা (Saiongpra) "4th"
৫) ত্লাবং / ডাবল ফলস (Tlubong)
৬) ক্রাইক্ষ্যং / মিঠাগঙ্গা (Meetha Ganga)
৭) তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar) "Widest"
৮) জিন সিয়াম সাইতার (Zingsiam Saitar)
৯) তারপি সাইতার (Tarpi Saitar)
১০) ফাইপি (Faipi)
১১) আমিয়াখুম (Amiakhum)
১২) নাফাখুম (Nafakhum)
১৩) তারংপি সাইতার (Tahrong Phi)
১৪) তুক-অ দামতুয়া (Damtua)
১৫) মাখাইন কেশর (Maikhayn Keshor)
১৬) রিঝুক ঝড়না (Rijhuk Falls)
১৭) থানকোয়াইন (Thankowain Falls)
১৮) রি সং সং (Ri Song Song)
১৯) সাদাড়া ফলস (Saadra Falls)
২০) তুই-ক-তুমু (Tui Ku Tumu)
২১) মেলোরি (Rumanapara Falls)
২২) চ্যাদলাং ছড়া (Ched Lang)
২৩) সেন-দা-ভো / সেন-ডো-ভা (Sendo Va)
২৪) নরেস্সা ফলস (Neressa Falls)
২৫) তারতে সাইতার (Tarte Saitar)
২৬) তুইনুম ফলস (Twin-Um)
২৭) জামরুল ছড়া (Jamrul Falls)
২৮) শীলবাঁধা ঝর্না (Shilbandha Falls)
২৯) কিংলং ক্লাক ঙাক সাইতার
৩০) মাইপারভা সাইতার (Maifarva Saitar)
৩১) লুংফের ভা সাইতার (ব ছড়া ঝর্না-১)
৩২) সাইতার পি (ব ছড়া ঝর্না-২)
৩৩) কুকিভা সাইতার (Kukiba Saitar)
৩৪) রুই প্রু ম্রং তাইনদাং
৩৪) সাইত্লাং সাইতার (Tsai Tlang Saitar)
৩৫) মাংসন সাইতার (Wmangson Saitar)
৩৬) তিদংখদ (Ti-Daung-Kaud)
৩৭) রিজার্ব সাইতার (Reserve Saitar)
৩৮) রিজার্ভ ফলস (Reserve Falls)
৩৯) দেবতা খুম (Debota Khum)
৪০) সে প্রু ওয়া তাইনদাং
৪১) জুর্বা সাইতার (Zurva Saitar)
৪২) জংবের সাইতার (Zongber Saitar)
৪৩) চিংড়ি ঝড়না (Chingri Falls)
৪৪) পালনকোয়াইন (Palonkowaine Falls)
৪৫) রাইক্ষ্যং ফলস (Raikkhyang Falls)
৪৬) শালুকিয়া ঝড়না (Shalukia Falls)
৪৭) লাদমেরাগ (Ladmerag)
৪৮) নাইক্ষ্যংমুখ (Nakkhyang Mukh)
৪৯) অ-পাইনা / অ-পেলা গিরিখাদ
৫০) কুমারি ঝড়না (Kumari Falls)
৫১) তিনাম ঝর্ণা (Tinam Falls)
৫২) আই শেপ ঝর্ণা ('I' Shape Falls) সঠিক নাম জানা নেই তাই একে আমার দেওয়া নাম দিলাম।।।।
৫৩) ওয়াংপা ঝর্ণা (Wangpa Falls)
৫৪)পোয়ামুহুড়ি ঝর্ণা (Pouamuhuri Falls)
৫৫) না থাম্বা সাইতার (Na Thamba Saitar)
৫৬) শিয়াখাবা খুম (Shiyakhaba Khun Water Falls)
৫৭) রেপং ঝর্ণা
৫৮) চেতলাং ১
৫৯) চেতলাং ২
৬০) থংকিয়ং ১
৬১) থংকিয়ং ২
৬২) থংকিয়ং ৩
৬৩) ওয়াং মুই রাগ ( Wang Mui Raag)
৬৪) বাগবা ঝর্ণা
৬৫) ক্র্যাতং ঝর্ণা
সংগৃহীত

ছবিঃ চিংরি ঝর্নায় একদিন

15/12/2020

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা।
আমারা তোমাদের ভুলবো না,
ভুলবো না, ভুলবো না।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কক্সবাজারে চালু হতে যাচ্ছে “ফ্লায়িং রেস্টুরেন্ট"।আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজারে শূন্যে ভেসে খাবার উপভ...
14/12/2020

কক্সবাজারে চালু হতে যাচ্ছে “ফ্লায়িং রেস্টুরেন্ট"।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজারে শূন্যে ভেসে খাবার উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা।পর্যটকদের এই সুযোগ দিতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে “ফ্লাই ডাইনিং” নামের একটি রেস্তোরাঁ সুগন্ধা সৈকতের কাছে চালু হতে যাচ্ছে।এনিয়ে বহুজাতিক কোম্পানি ইয়োর ট্রাভেল এবং রেস্তোরাঁর জমির মালিক জোবায়ের চৌধুরী মানিকের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
এই রেস্তোরাঁয় পর্যটকরা ভূমি থেকে ১৫০ ফুট ওপরে ভেসে থেকে তাদের খাবার গ্রহণ করতে পারবেন।জানা গেছে, আকাশে ভাসমান অবস্থায় একটি টেবিল ঘিরে ২২টি চেয়ার থাকবে।

©️ছবি ও তথ্য ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

বাঘছরা - নতুন ট্রেকিং স্পটঃসিলেটের লালখাল জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কিলোমিটার দুরে মেঘালয় পাহাড় ঘেঁষে খাসিয়াদের বসবাস ...
13/12/2020

বাঘছরা - নতুন ট্রেকিং স্পটঃ
সিলেটের লালখাল জিরো পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ১ কিলোমিটার দুরে মেঘালয় পাহাড় ঘেঁষে খাসিয়াদের বসবাস এই বাঘছড়ায়।
লালাখাল জিরো পয়েন্ট থেকে এই বাঘছড়া যাওয়ার কয়েকটা পথ আছে। নদীর পাড়ে গেলে ২০মিনিটে যাওয়া যায়। আরেকদিকে ১ ঘন্টার রাস্তা আছে, আবার আসা-যাওয়া ৩ ঘন্টার একটা ট্রেকিং করার পাহাড়ি রাস্তাও আছে।
রাস্তার দুপাশে পাহাড়ের মাঝে চা বাগানের নির্জন পাহাড়ে ট্রেকিং করে যে কারোরই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হবে। খাসিয়াদের পাড়ার ভিতরে দিয়ে গিয়ে এই বাঘছড়া জায়গা পাওয়া যায়, মূলত এই খাসিয়া এলাকার নামই বাঘছড়া। ইন্ডিয়া থেকে লালাখালে যে নদীটা আসছে এই নদীর পাড়েই এই জায়গাটা।
যদিও জায়গাটা তেমন বড় না কিন্তু ট্রেকিং করে গিয়ে দেখতে অনেক ভালো লাগবে।

ছবি ও তথ্যঃ নাজির হুসেইন, এডভেঞ্চারার

মেঘালয় ভ্রমণ – ডাউকি, শিলং ও চেরাপুঞ্জি ভ্রমণঃপূর্নিমাতে ক্যাম্পিং ট্যুর দিতে নৈসর্গিক ডাউকি অনন্য !!! বাংলাদেশ এবং ভার...
13/12/2020

মেঘালয় ভ্রমণ – ডাউকি, শিলং ও চেরাপুঞ্জি ভ্রমণঃ

পূর্নিমাতে ক্যাম্পিং ট্যুর দিতে নৈসর্গিক ডাউকি অনন্য !!! বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে অল্প ক’টি স্থল সীমান্ত পারাপারের মধ্যে ডাউকি-তামাবিল একটি। শিলংয়ের বড়বাজার থেকে প্রতিদিন সকালে ডাউকি সীমান্ত ফাঁড়িতে যেতে ভাড়া করে পরিবহন নেয়া যায়। শিলং থেকে ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মা) ভ্রমণ পথের জন্য বাস সেবাও রয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১.৫ কিলোমিটার (০.৯৩ মা) দূরে তামাবিল বাস স্টেশন, যা ৫৪ কিলোমিটার (৩৪ মা) দূরে অবস্থিত সিলেট শহরে নিয়মিত বাস সেবা দিয়ে যায়। ডাউকি ব্রীজ, আমগট নদীর উপর নির্মিত একটি ঝুলন্ত সেতু। এটা ব্রিটিশদের দ্বারা ১৯৩২ সালে নির্মিত হয়েছিল।
সিলেটের তামাবিল বর্ডার পেরোলেই মেঘালয় রাজ্য।সিলেট ভ্রমণ শেষ করেই প্রস্তুতি নিয়ে চলে যেতে পারেন সেখানে। সবচেয়ে ভালো হয় চারজন সঙ্গী হলে। শিলং-চেরাপুঞ্জি মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্ত থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার। পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত শিলংয়ের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার ফুট। পাহাড়, পাহাড়ি ঝরনা, আর পাহাড়ি লেক মিলে শিলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এছাড়া খাসিয়া ও স্থানীয়দের জীবনযাপন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য শিলংকে দিয়েছে বাড়তি রূপ। শিলংকে একসময় প্রাচ্যের স্কটল্যান্ড বলা হতো।
শিলং-চেরাপুঞ্জিতে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। প্রথমেই আসতে পারেন ওয়ার্ড লেক। এই লেকের চারপাশে আছে নানা প্রজাতির ফুলসহ গাছগাছালি। চাইলে লেকে নৌকায় বেড়ানো যাবে। পা-চালিত নৌকা ভাড়া নেয়া যাবে ঘণ্টা হিসেবে। লেডি হায়দারি নামে শহরের মাঝখানে আরও একটি পার্ক আছে। নানা প্রজাতির উদ্ভিদ দিয়ে সাজানো এই পার্কটিও সুন্দর। হেরিটেজ, উইলিয়ামসন, ডনভসকো নামে জাদুঘর আছে। এছাড়া বিমানবাহিনীরও জাদুঘর আছে। সময় থাকলে জাদুঘরগুলো ঘুরে দেখতে পারেন। শিলং শহরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত দুটি বাড়ি এখনও আছে। এছাড়া শিলং শহরের মধ্যেই আছে মদিনা মসজিদ। নান্দনিক নির্মাণশৈলীর এই মসজিদ ঘুরে দেখতে পারেন। এটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদ।
শিলং শহর থেকে একটু বের হলেই আছে বিশপ অ্যান্ড ব্যাডন ঝরনার ভিউ পয়েন্টে। এই পয়েন্ট থেকে দূরে পাহাড় দেখা যায়, আর সেই পাহাড়ের মাঝ দিয়েই ঝরনার পানি পড়ছে। আর ওই পাহাড়ের চূড়াতেই গড়ে উঠেছে শহর। দূর থেকে অপরূপ দেখতে! শিলং শহর থেকে কিছুটা দূরেই আছে উমিয়ামবরা পানিলেক। সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এই লেক ওপর থেকে দেখতে দারুণ। এই লেক ঘিরে মেঘালয় ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড গড়ে তুলেছে ওয়াটার স্পোর্টস কমপ্লেক্স। নানা প্রজাতির ফুলগাছ দিয়ে সাজানো এটি। শিশুদের জন্য আছে খেলাধুলার ব্যবস্থা। অর্চিড নামে রিসোর্টও আছে। সব মিলিয়ে অবকাশ যাপনের জন্য এ কমপ্লেক্স নানাভাবে সাজানো।
শিলং পিকটি শিলং শহরের কাছেই। এই পিক থেকে পাখির চোখে দেখা যায় শিলং শহর। এখান থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে এলিফ্যান্ট ফলস বা হাতি ঝরনা। এই ঝরনার পানি প্রবাহিত হয় তিনটি স্তরে। দূর থেকে দেখতে অনেকটা হাতির শুঁড়ের মতো বাঁকানো মনে হয়। সে জন্যই হয়তো এর নাম হাতি ঝরনা। এসব ছাড়াও শিলং শহর ও এর আশপাশে বেড়াতে পারেন। এখানকার সবকিছুই ভালোলাগার মতো।

**ছবি ও তথ্য ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

কুয়াকাটায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তকুয়াকাটায় সূর্যোদয় দেখার জন্য ঝাউ বনে যাওয়াই ভালো। সেখান থেকেই সূর্যোদয় ভালো দেখা যায়, সম...
13/12/2020

কুয়াকাটায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত

কুয়াকাটায় সূর্যোদয় দেখার জন্য ঝাউ বনে যাওয়াই ভালো। সেখান থেকেই সূর্যোদয় ভালো দেখা যায়, সমুদ্রের পেট চিড়ে কিভাবে সূর্য উঠে তা দেখার জন্য অনেক লোকই আগে চলে যাবে সেখানে। সকাল বেলা হেটে হেটে ঝাউ বনে যেতে সময় লাগবে ২০ মিনিট। আর ভ্যানে বা মোটরসাইকেলে গেলে অল্প সময়ে যাওয়া যায়। সেখানে সারি সারি ঝাউ গাছ নিঃসন্দেহে সুন্দর। এই বনটি সরকার বনায়ন পরিকল্পনার অধীনে তৈরি করেছে। সূর্যোদয়ের চেয়ে সূর্যাস্তের দৃশ্যটা বোধহয় বেশি চমৎকার। সূর্যটা সমুদ্রে ডুবে যাওয়ার সময় রংয়ের পরিবর্তনটা আপনি স্পষ্টই দেখাতে পাবেন। কুয়াকাটা সৈকতের যেকোন প্রান্ত থেকে সূর্যাস্ত দেখা যায়। তবে দৃষ্টিনন্দন সূর্যাস্ত দেখার জন্য পর্যটকরা ভিড় জমান কুয়াকাটা সৈকতের পশ্চিম প্রান্ত ‘লেবুর বনে’।

ছবি ও তথ্য ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

সাজেক নাকি হুগিমন!!!রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগিছড়ায় হুগিমন পাহাড়ে পাঙ্খুয়া আদিবাসীদের বসবাস। এরা যেহেতু খ্রিস্টান...
13/12/2020

সাজেক নাকি হুগিমন!!!

রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগিছড়ায় হুগিমন পাহাড়ে পাঙ্খুয়া আদিবাসীদের বসবাস। এরা যেহেতু খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, তাই ২৫ শে ডিসেম্বর গেলে তাঁদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান দেখা যায়। সাজকের চেয়েও সুন্দর, যেখানে গেলে মেঘের রাজ্য হারিয়ে যাবে যে কেউ! বর্ষাকাল ছাড়া অন্য যে কোন সময় সরাসরি গাড়ি নিয়ে হুগিমনের চুড়ায় উঠা যায়। রাংগামাটি থেকে লঞ্চ, বোট বা স্পীড বোটে বনযোগীছড়া পর্যন্ত লঞ্চ ভাড়া ১০০ টাকা, স্পীড বোট ভাড়া জনপ্রতি ৫০০ টাকা। লঞ্চ প্রতিদিন সকাল ৭:৩০ ও ১০.৩০ এ ছাড়ে দৈনিক দুইবার। ওইদিক থেকেও একি সময়ে ফিরে আসা যায় প্রতিদিন দুইবার। চুড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্প আছে। চাইলে রাতে ক্যাম্পিং বা পাহড়িদের জুম ঘরে রাত কাটানো যায়। খাবার ও পানি নিজ থেকে নিয়ে গেলে ভালো হবে। বনযোগীছড়ায় বিদুৎ রয়েছে। তবে পাহাড়চুড়ায় বিদুৎ নেই পাংখুপাড়ায়।

ছবি ও তথ্যঃ ইন্টারনেট

ঢাকা থেকে সরাসরি রেলে শিলিগুড়িঃআগামি ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির দিন থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা থেকে এনজিপি...
13/12/2020

ঢাকা থেকে সরাসরি রেলে শিলিগুড়িঃ
আগামি ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির দিন থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা থেকে এনজিপি,শিলিগুড়ি সরাসরি যাত্রীবাহি রেল সার্ভিস।
বাংলাদেশ ও ভারতের টুরিজম সেক্টরে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন দিগন্ত। এবার সরাসরি ঢাকা থেকে রেলে করে শিলিগুড়ি হয়ে সাদা পাহাড়ের ভ্যালি, দার্জিলিং ও সিকিম, কালিম্পং, মিরিক, কাশিয়াং, ডুয়ার্সে অতি সহজেই যাওয়া যাবে, পাশিপাশি ভুটান ও নেপাল যাওয়া যাবে অতি সহজেই। বাংলাদেশের মানুষ যেমন সাদা পাহাড় দেখতে যাবে, তেমনি উত্তর পূর্ব ভারতের মানুষের পাশাপাশি, নেপাল ও ভুটানের মানুষেরা খুব সহজেই বাংলাদেশে যাতায়াত করতে পারবে, আমাদের কক্সবাজার সহ বিকশিত হবে অত্র অঞ্চলের টুরিজম ব্যবসার....🤩

**ছবি ও তথ্য ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

সান্দাকফু থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘাঃপশ্চিম বঙ্গের সর্বোচ্চ চুড়া সান্দাকফু, উচ্চতা ৩৬০০ মিটার। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের মধ্যে অবস...
12/12/2020

সান্দাকফু থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘাঃ
পশ্চিম বঙ্গের সর্বোচ্চ চুড়া সান্দাকফু, উচ্চতা ৩৬০০ মিটার। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের মধ্যে অবস্থিত অপূর্ব নৈসর্গিক লীলাভূমি। সান্দাকফু বলতে দুই-তিন দিনের ট্রেক করে সান্দাকফু যাওয়াই বুঝি। কিন্তু বর্তমানে সান্দাকফু ল্যান্ড রোভার গাড়িতে করেই পরিবার নিয়ে ঘুরে আসা যায় সহজেই। সান্দাকফুর প্রধান আকর্ষণ কাঞ্চনজঙ্ঘার উপর থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা।
বিস্তারিত ভ্রমন তথ্যঃ
https://ajanapathe.com/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AB%E0%A7%81/
ফটোঃ সান্দাকফু ভ্যালি থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা, ক্রেডিটঃ Ahoshanuzzaman Toukir, a great adventurer 🤩

GOOD NEWS !!!Aquaholic Tourist Caravan trip will be starts from 4th December 2020(Friday).Aquaholic Tourist Caravan is a...
03/12/2020

GOOD NEWS !!!

Aquaholic Tourist Caravan trip will be starts from 4th December 2020(Friday).

Aquaholic Tourist Caravan is a Double Decker bus for the tourists to explore the entire marine drive in Cox'sBazar. It is the first Hop on Hop off service in Bangladesh. Aquaholic provides you a new way of seeing mountains and the sea together.
📷First Hop on Hop off in Bangladesh ''Aquaholic Tourist Caravan''
📷 : 9am - 6pm (A day long trip Covering all the spots of Marine Drive)
📷 : Marine_Drive (Kolatoli-Teknaf-Kolatoli)
📷 :
📷Welcome Breakfast
📷Lunch Platter
📷Evening Snacks
📷All Entry Tickets of Hopping Destinations of Marine Drive
📷Caravan is facilitated with:
📷Washroom
📷Kitchen
📷Library
📷Under CC Camera Surveillance
📷Skilled Guide & Chef
📷 :
📷Himchori
📷Patuartak
📷Shamlapur Hill View Beach
📷Teknaf Beach
📷Aqua Zone 1
📷Aqua Zone 2
📷Sabrang Zero Point
📷 : 2000 BDT Only
📷 Booking Start From Now.
📷Grab Your Ticket :
Call: 01787-27 37 27
Online: www.aquaholic.com.bd
Address: Ground Floor, Motel Upal, Shaibal Road, Cox’s Bazar.
[📷Wearing Masks is Mandatory]

To get tour and tourism information, stay with us. Like and share our page.

https://aquaholic.com.bd/

Address

Banglamotor
Dhaka
1000

Telephone

+8801783803537

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trip&Trek ভ্রমন বন্ধু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share