NBC Tour & Travel

NBC Tour & Travel Visa Process, Air Ticket, Package Tour & Hotel Booking (ভিসা প্রসেস, বিমান টিকেট, প্যাকেজ ট্যুর ও হোটেল বুকিং).

ভিটামিন সি অভাবের লক্ষণ সমূহ | Vitamin C Deficiency Symptomsভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিডের অভাবের ফলে স্কার্ভি রোগ হ...
04/07/2024

ভিটামিন সি অভাবের লক্ষণ সমূহ | Vitamin C Deficiency Symptoms

ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিডের অভাবের ফলে স্কার্ভি রোগ হয়। স্কার্ভি রোগ হলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, জয়েন্টে ব্যথা, ত্বকের ফুসকুড়ি সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও ভিটামিন সি এর অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ও ক্ষত সারাতে দেরি হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত পরিমাণ মত ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান।



 #সংরক্ষিত বনে ছোট শহর ডুলাহাজারা! #কাগজে-কলমে সংরক্ষিতই বটে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা বনাঞ্চল। কিন্তু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ...
27/03/2022

#সংরক্ষিত বনে ছোট শহর ডুলাহাজারা!

#কাগজে-কলমে সংরক্ষিতই বটে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা বনাঞ্চল। কিন্তু চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আঞ্চলিক মহাসড়কের দু'পাশের এই বনভূমির মালুমঘাট অংশে গেলেই চমকে উঠতে হয়। মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান মিশনারিজ হাসপাতালের পাশ দিয়ে যেতে চোখে পড়ে, বনজুড়ে গড়ে উঠেছে একটি ছোট শহর। সেখানে সংরক্ষিত বনের সেগুন, গর্জনসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নির্মাণ করা হয়েছে কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি, দোকানপাট, এমনকি বাণিজ্যিক স্থাপনাও। গড়ে উঠেছে মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, এমনকি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়। বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থাও করা হয়েছে এই শহরে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলছেন, বনভূমির দখলদারদের ৮০ ভাগই জনপ্রতিনিধি। বন বিভাগেরই একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতায় তারা এসব দখল করে রেখেছেন। বেদখল ভূমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি দখলকারীদের একটি তালিকা করতে বন বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান উপমন্ত্রী।

শুধু ডুলাহাজারা বনবিটের মালুমঘাটের নয়; স্থানীয় হাছিনাপাড়া, ছগিরশাহ কাটা, রংমহল ডোমখালীতেও দেখা গেছে প্রায় অভিন্ন চিত্র। ডুলাহাজারা বনবিট ছাড়াও বন বিভাগের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের আওতায় আরও চারটি বনবিট রয়েছে। এগুলো হলো- রিংভং, কাকারা, নলভিলা ও মানিকপুর বনাঞ্চল। এর মধ্যে হাতির অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত রিংভং বনবিটের উচিতার বিল, ছায়রাখালী ও অফিসপাড়া, নলবিলা বনবিটের ইসলামনগর ও বার আউলিয়া নগর, কাকারা বনবিটের শাহ ওমরনগর, পুলেরছড়া পাহাড়তলী শাহ ওমর মজারসংলগ্ন নরসিঙ্গা পাহাড়, পাহাড়তলী, মানিকপুর বিটের উত্তর মানিকপুর, ফাইতং এবং পূর্ব সুরেশপুরের শান্তিপুর এলাকাও ভরে গেছে ঘরবাড়ি, দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনায়।

চকরিয়ার পাঁচটি বনাঞ্চলের দায়িত্বে রয়েছেন কক্সবাজার বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। তিনি সমকালকে বলেন, 'বহু আগে থেকেই বনের জায়গা বেদখল হয়ে যাচ্ছে। দখলবাজরা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী, অনেকেই জনপ্রতিনিধি। তাই চাইলেও অনেক সময় কোনো কথা বলা যায় না। তবে এখন আর নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে দেওয়া হচ্ছে না।' টাকার বিনিময়ে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

ছোট শহর 'মালুমঘাট': ডুলাহাজারা এলাকায় মালুমঘাটে সড়কের পূর্ব পাশে গড়ে উঠেছে মালুমঘাট বাজার। এর বেশিরভাগ দোকানপাটই পাকা। বেশ কয়েকটি বহুতল ভবনও রয়েছে এখানে। রয়েছে চা-সিগারেটের দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় মুদি দোকান, টাইলস-বেসিন, ক্রোকারিজ ও রড-সিমেন্টের দোকান। মালুমঘাট বাজার কমিটির দেওয়া হিসাবমতে, শুধু এই বাজারেই রয়েছে অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ দোকানপাট ও বাণিজ্যিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই বাজারে নতুন নতুন দোকানপাট নির্মাণ করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডুলাহাজারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আহসানুল ইসলাম আদর।

মালুমঘাট বাজারের সভাপতি মনজুর আলম বলেন, 'মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতাল হওয়ার পর থেকে মালুমঘাটে লোকজন বসতি গড়ে তুলতে থাকে। তবে ১৯৯৬-৯৭ সালের দিকে সরকারিভাবে বাজারটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বন বিভাগ ও আমরা মাঝেমধ্যে চেষ্টা করি, যাতে আর কোনো বনের জায়গা বেদখল না হয়। নানা কারণে তা পারা যায় না।'

বনের মধ্যে বস্তি: মালুমঘাট বাজারের পশ্চিম পাশে বনের ভেতরে বহু ঝুপড়িঘর। জায়গার নাম হাছিনাপাড়া। লোকজন জানান, বন বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে সমঝোতা করে এসব ঘর বানিয়েছেন তারা।

ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর জানালেন, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় পুরোটাই পড়েছে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। ২, ৩, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড় একটি অংশও এই বনাঞ্চলের। ইউনিয়নের ৩০-৩৫ হাজার মানুষ বনভূমির এলাকায় ঘরবাড়ি তুলে বসবাস করছে।

কথিত আছে, সম্রাট শাহজাহানের ছেলে শাহ সুজা ১৭৬০ সালে আরাকান রাজ্যে যাওয়ার পথে অনেক ডুলি (মূলত মোগল নারীদের বাহন) নিয়ে যাওয়ার সময় এখানে ক্যাম্প করেন। তাই এই এলাকার নাম হয়ে যায় ডুলিহাজরা, যা পরে 'ডুলাহাজারা' হয়ে যায়। এ বনাঞ্চলে রয়েছে হাতিসহ বিভিন্ন প্রাণীর আবাস ও চলাচলের করিডোর।

আগর বাগানে ইট-কংক্রিট: ডুলাহাজারা মালুমঘাট বাজারের পূর্ব পাশে বনবিটের আগর বাগান। চৈত্রের ভরদুপুরে সবুজ সেই বাগান থেকে যেন চোখ ধাঁধানো লাল রঙের ঝলকানি বের হচ্ছিল। সেখানে প্রায় এক একর বনভূমি দখল করে ও আগরগাছ কেটে ফেলে তৈরি করা হয়েছে ব্যবসাকেন্দ্র। এখানকার ইট-কংক্রিটের ব্যবসায়ী মো. সেলিম জানালেন, বেশ ক'বছর ধরে এখানে ইট-কংক্রিটের ব্যবসা করছেন তিনি। বন বিভাগের কর্মীদের নিয়মিত নজরানা দিতে হচ্ছে।

স্ট্যাম্পে বনভূমি বেচাকেনা: বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন। এই রেললাইন স্থাপনের জন্য চকরিয়ার বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের রিংভং বনবিটের ছগিরশাহ কাটা এলাকা থেকে বেশকিছু পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। তারা এখন বসতি গড়ে তুলেছেন বনের আরও ভেতরে। ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ছগিরশাহ কাটা গ্রামটি এভাবে গড়ে উঠেছে সংরক্ষিত বনভূমিতে।

ছগিরশাহ কাটা গ্রামে কথা হয় চায়ের দোকানদার আবুল হাশেমের সঙ্গে। তিনি জানালেন, এখানে ঘরবাড়ি কিংবা দোকানপাট নির্মাণ করা কঠিন কিছু নয়। তবে এ জন্য বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খুশি করতে হয়। একই দোকানে কথা হয় পাশের রাইস মিলের কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি জানান, বনে গড়ে ওঠা গ্রামের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকায় নিয়মিত হাতবদলও হয়ে থাকে।

হাতির অভয়ারণ্যে ইটের ভাটা: ফাঁসিয়াখালী রেঞ্চের রিংভং বনবিটের উচিতার বিলে রয়েছে হাতি চলাচলের করিডোর। এখানে গিয়ে দেখা গেছে, করিডোরটি দখল করে গড়ে উঠেছে ইটের ভাটা! জেএমবি নামে এই ইটভাটার মালিক চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, 'চকরিয়ায় ১৮টি ইটভাটা রয়েছে। আমার ইটভাটা যেখানে, সেখানে হাতির কোনো করিডোর নেই। আর আমার ইটভাটা পরিবেশদূষণ করলে অন্যগুলো কি করছে না?' কার্টেসি: সমকাল

 #পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ইউএনও প্রিয়াংকা #চা বাগান ও হাওর বেষ্টিত মৌলভীবাজার জেলায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের বা...
26/03/2022

#পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ইউএনও প্রিয়াংকা
#চা বাগান ও হাওর বেষ্টিত মৌলভীবাজার জেলায় প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের বাস। জেলার একটা বড় অংশের মানুষ প্রবাসে থাকেন। তাই এ জেলাকে প্রবাসী জেলা হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে। কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ে নারীরা নেই বললেই চলে। অনেক পরিবার নারীদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত কিংবা চাকুরি করার সুযোগ দিচ্ছে না। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরেই পশ্চিমা কিংবা উন্নত দেশে বসবাসরত বাংলাদেশী প্রবাসী পাত্র দেখে মেয়েদের বিয়ে দেয়াই পিতা-মাতার মূল লক্ষ্য। এই অনগ্রসর জেলার পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে নিতে কাজ করছেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা পাল।

নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে তিনি এ উপজেলার বল্যবিয়ে বন্ধ, নারীদের উচ্চ শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রসর করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।

প্রিয়াংকা বরিশাল জেলার গৌড়নদী উপজেলায় ১৯৮৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জন্ম গ্রহণ করেন। ৩১ তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে প্রশাসন ক্যাডার যোগ দেন তিনি। বাবা জীবনকৃঞ্চ পাল একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।
মৌলভীবাজারের বাল্যবিয়ে ও নারীদের অনগ্রসতার প্রিয়াংকা বলেন, ‘মৌলভীবাজারের দুই তৃতীয়াংশ পরিবার মেয়েদের উন্নত দেশের প্রবাসীর কাছে বিয়ে দিতে চায়। চাকুরির ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ নেই। দেশে থাকতে চায় না তারা। এ থেকে তাদের বের করে আনতে আমি নিয়মিত উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছি।’

বিশেষ কিশোরীদের নিয়ে কাজ করছেন প্রিয়াংকা। উচ্চ শিক্ষায় নারীদের এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে তিনি বলেন, ‘হাওর পার ও চা শ্রমিক জনগোষ্টির অনেক পরিবার মেয়েদের পড়ালেখার ক্ষেত্রে অনেকটা উদাসীন। এছাড়াও জেলার বেশির ভাগ পরিবার তাদের মেয়েদের প্রাথমিক শিক্ষা দিয়েই পাত্রস্থ করতে চায়। তাদের ধারণা মেয়েরা লেখাপড়া করে কি করবে। বিদেশী জামাই দেখে বিয়ে দেয়াই ভালো।’

একজন নারী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে কী ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয় এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন,‘এটা মানসিকতার বিষয়। কাজ করতে হলে নারী পুরুষের কোনো ভেদাভেদ নেই। অনেকে বলে নারীরা মাঠে দৌঁড়াতে পারে না। পরিশ্রম করতে পারে না। এ কথা ঠিক নয়।’

মাটির নিচে ৩০০০ মানুষের বসবাসমাটির নিচে বিস্ময়কর এক গ্রাম। সেখানেই বসবাস করছেন হাজার হাজার মানুষ। তবে উপর থেকে দেখলে তা ...
05/03/2022

মাটির নিচে ৩০০০ মানুষের বসবাস

মাটির নিচে বিস্ময়কর এক গ্রাম। সেখানেই বসবাস করছেন হাজার হাজার মানুষ। তবে উপর থেকে দেখলে তা ঠাহর করার জো নেই। মাটি থেকে ২২-২৩ ফুট গভীরে গড়ে ওঠা এই গ্রাম বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত।

এই গ্রামের প্রতিটি বাড়ির স্থাপত্য পরিকল্পনা এক কথায় অসাধারণ! গ্রামের ঘরগুলোতে তাপমাত্রা শীতকালে ১০ ডিগ্রি কম হয় না। অন্যদিকে গরমে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে না।

সেখানকার বাসিন্দারা বেশ আনন্দের সঙ্গেই বাস করেন ভূ-গর্ভস্থ এই গ্রামে। বিস্ময়কর গ্রামটির অবস্থান কোথায়, জানেন কি? বলছি চীনের হেনান প্রদেশের সানমেনক্সিয়া নামক অদ্ভুত গ্রামের কথা।

হেনানের সানমেনক্সিয়া নামক এই গ্রামে মোট ১০ হাজার বাড়ি আছে। তবে বেশিরভাগই বর্তমানে পরিত্যক্ত। জানা যায়, এক সময় সেখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষের বসবাস ছিল।

তবে আধুনিক সুযোগ সুবিধার অভাব ও প্রতিকূল জীবনযাত্রার চাপে অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন। তবুও প্রায় ৩০০০ মানুষের বাস সেখানে।

মাটি থেকে ২২-২৩ ফুট গভীরে তৈরি এই ঘরগুলো লম্বায় ৩৩ থেকে ৩৯ ফুট পর্যন্ত হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, হেনান প্রদেশের এই ইয়ায়োডংয়ে বসবাসের ইতিহাস ২০০ বছরের বেশি প্রাচীন নয়।

তবে চীনের পার্বত্য এলাকায় আজ থেকে প্রায় ৪০০০ বছর আগে, ব্রোঞ্জ যুগে এই ধরনের গুহা ঘর তৈরি করে বসবাস করতেন একদল মানুষ।

বিগত ২০০ বছর ধরে সেখানে ইয়াওডং (গুহা) নামক ঘরগুলো ৬ প্রজন্ম বাস করছে। ইয়াওডং বা গুহায় তৈরি হওয়া এমন ঘরগুলোর উৎপত্তি ঘটে ব্রোঞ্জ যুগে।

যখন মানুষেরা গভীর গর্তের মধ্যে বাস করতো। তারা মিং ও কিং রাজবংশের সময় ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়েছিল। বর্তমানে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি চাইনিজরা এ ধরনের ঘরে বসবাস করেন।

এ ধরনের ঘরের কাঠামোগুলোও ভূমিকম্পরোধী ও সাউন্ড-প্রুফিং। এমনকি বন্যা ও ঝড় প্রতিরোধকারী প্রশস্ত কূপও আছে সেখানে।

২০১১ সাল থেকে গ্রামটির সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে গুহার ঘরগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগসহ সব ধরনের আধুনিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা আছে।

স্থানীয়দের দাবি, মাটির নিচের এই ঘরগুলো দেখতে ওই এলাকায় পর্যটকদের আনাগোনাও ঘটে প্রচুর। পর্যটকদের থাকার জন্যও ইয়ায়োডং ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা আছে।

এক মাসের জন্য এই গুহার ঘরে থাকতে আপনাকে গুনতে হবে প্রায় ২১ পাউন্ড বা ২৪০০ টাকা। পছন্দ হয়ে গেলে কিনতেও পারবেন। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই ইয়ায়োডং এর দাম প্রায় ৩২ হাজার পাউন্ড বা ৩৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

 #ভাষার মাস উপলক্ষে 21 টি রেস্টুরেন্ট পাবে ফ্রী রেস্টুরেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আপনি আপনার রেস্টুরেন্টের সফটওয়্যার ...
23/02/2022

#ভাষার মাস উপলক্ষে 21 টি রেস্টুরেন্ট পাবে ফ্রী রেস্টুরেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার আপনি আপনার রেস্টুরেন্টের সফটওয়্যার জন্য নিচের ফরমটি ফিলাপ করুন
https://docs.google.com/forms/d/1BO11RtdbAkXYdVcoCO7C9wgHKQ4m2PESL4tuyWoghMY/edit

  Software for Mobile Shop  features:> Product list entry and stock reports> Sale invoice / memo / challan / delivery in...
10/02/2022

Software for Mobile Shop

features:

> Product list entry and stock reports

> Sale invoice / memo / challan / delivery invoice create

> Product stock in system supplier wise

> Daily sales and profit loss reports

> Daily shop expense entry

> Staff salary and other cost entry

> Limit stock reports

> Davit voucher and credit voucher entry

> Serial number wise product in and out

> All reports excel download

 #৫রাত ৬দিনের নেপাল গ্রুপ ট্যুর (কাঠমান্ডু+ পোখরা+ নাগরকোট) মাত্র ৩৭,০০০ টাকা। #প্যাকেজের অন্তর্ভুক্তঃ 👉 ঢাকা-কাঠমান্ডু-...
01/11/2021

#৫রাত ৬দিনের নেপাল গ্রুপ ট্যুর (কাঠমান্ডু+ পোখরা+ নাগরকোট) মাত্র ৩৭,০০০ টাকা।
#প্যাকেজের অন্তর্ভুক্তঃ
👉 ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা বিমান টিকেট।
👉 থ্রী ষ্টার মানের হোটেলে ৫ রাত (কাঠমান্ডু ২রাত+ পোখরা ২রাত + নাগরকোট ১রাত)
👉 ট্রান্সপোর্ট (এয়ারপোর্ট পিক এন্ড ড্রপ, লোকাল ট্রাভেল ও সাইটসীন)
👉 প্রতিদিনের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার।
👉 লোকাল গাইড

 #মৌলভীবাজারে কম খরচে মিলবে ট্যুরিস্ট বাস #মৌলভীবাজার: পর্যটন অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে প্রথমবারের মতো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ...
01/11/2021

#মৌলভীবাজারে কম খরচে মিলবে ট্যুরিস্ট বাস
#মৌলভীবাজার: পর্যটন অধ্যুষিত মৌলভীবাজারে প্রথমবারের মতো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সুবিধার্থে চালু হয়েছে ট্যুরিস্ট বাস সার্ভিস। কম সময় ও কম খরচে পর্যটন কেন্দ্র দর্শনের সুযোগ দিতে জেলা প্রশাসন এ বাস সার্ভিস চালু করেছে।
#বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে ট্যুরিস্ট বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, পৌরসভার মেয়র মো. ফজলুর রহমান, সহকারী কমিশনার নুসরাত লায়লা নীরাসহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। ইতোমধ্যে ট্যুরিস্ট বাসের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার বড়লেখা, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে রয়েছে চা বাগান, প্রাকৃতিক ঝরনা মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, গগণটিলা পাহাড়, খাসিয়া পল্লী, হাকালুকি হাওর, মাধবপুর লেক, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, মনু ব্যারেজ, বাইক্কা বিলসহ অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।

প্রতিদিন প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। কিন্তু যাতায়াতের সঠিক ধারণা না থাকায় পর্যটকরা ২-৪টি দর্শনীয় স্থান দেখেই ফিরে যান। এতে বাকি পর্যটন কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ করা থেকে তারা বঞ্চিত হন। আবার মাঝেমধ্যে বিড়ম্বনায় পড়েন। কম সময় ও কম খরচে এসব পর্যটন কেন্দ্র দর্শনের ব্যবস্থা নিতেই জেলা প্রশাসন চালু করছে ‘ট্যুরিস্ট বাস’। ৪০ সিটের দু’টি বাস দিয়ে দু’ই প্যাকেজে এই সার্ভিস চালু হচ্ছে এবং দু’টি প্যাকেজে মিলবে টিকেট।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শুক্রবার ও শনিবার দু’টি বাস সকাল ৯টায় জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পটে যাওয়া-আসা করবে। প্রতি পর্যটকদের খাওয়াসহ ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ টাকা। ট্যুরিস্ট বাসে ভ্রমণকারীদের ট্যুরিস্ট স্পটে এন্ট্রি ফি নেওয়া হবে না। টিকেট পাওয়া যাবে শ্রীমঙ্গলের হবিগঞ্জ রোডের শ্যামলী, মৌলভীবাজারের হানিফ ও বড়লেখার শ্যামলী বাস কাউন্টারে। ০১৭৭৮-২৩৩০৮৫, ০১৭৭৮-২৩৭৩৯২ এই দুই নম্বরে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাবে।

 #সীতাকুণ্ড পাহাড়ের গম্ভীর্যে নিঝুম গিরিপথের কান্না #নামকরণের ইতিহাস:পুরো চট্টগ্রাম জেলার অনেক দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে ...
29/10/2021

#সীতাকুণ্ড পাহাড়ের গম্ভীর্যে নিঝুম গিরিপথের কান্না
#নামকরণের ইতিহাস:
পুরো চট্টগ্রাম জেলার অনেক দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে পুরো সীতাকুণ্ড উপজেলা একটি। নামকরণের ইতিহাস ঘেঁটে তেমন কিছু একটা না পাওয়া গেলেও, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে 'রামের স্ত্রী সীতা এই উপজেলায় আসেন, এবং একটি কুণ্ডে স্নান করেন', এরপর থেকে ওই জায়গাকে সীতার কুণ্ড নামে ডাকা হতো। বেশিরভাগ প্রচলিত কাহিনীগুলোই 'সীতা' এবং 'একটি কুণ্ড'র সঙ্গে সম্পর্কিত।
#কি কি আছে সীতাকুণ্ডে:
সীতাকুণ্ড উপজেলাটি সীতাকুণ্ড পাহাড় এবং প্রায় ৩৫ কিলোমিটার বিস্তৃত সমুদ্র সৈকত দিয়ে ঘেরা। এ উপজেলায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থানগুলো হচ্ছে সীতাকুণ্ড পাহাড়, সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, সুপ্তধারা এবং সহস্রধারা ঝর্ণা, বাঁশবাড়িয়া এবং গুলিয়াখালি সৈকত। এছাড়া সীতাকুণ্ড পাহাড়ে রয়েছে তিনটি মন্দির। পাহাড় যেখানে শুরু সেখানে একটি, রাম-সীতা মন্দির। প্রচলিত আছে সত্য যুগে এক দক্ষ রাজা মহাদেবের ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য এক যজ্ঞের আয়োজন করে। এ যজ্ঞের কারণ ছিল ওই দক্ষ রাজার কন্যা 'সতী'। কারণ পিতার অনুমতি ছাড়াই সতী বিয়ে করেছিল মহাদেবকে। দক্ষ নারাজ ছিলেন নিজের মেয়ের ওপর, বিরক্ত ছিলেন মহাদেবের ওপরও। দক্ষ রাজা মহাদেব ও সতী ছাড়া বাকি সকল দেব-দেবীকে সেই যজ্ঞে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। মহাদেবের অনিচ্ছা থাকার পরও সতী মহাদেবের সকল অনুসারীদের নিয়ে যজ্ঞের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

সতী আমন্ত্রণ না পেয়ে অনুষ্ঠানে আসেন। দক্ষ রাজা তাকে কোনও সম্মান তো করেনই না, উল্টো মহাদেবকে প্রবল অপমান করেন। স্বামীর এই অপমান সইতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে আত্মহত্যা করে বসেন সতী। সতীর মৃত্যু সংবাদ শুনে মহাদেব শোকে ও অপমানে প্রচণ্ড রেগে যান। দক্ষের যজ্ঞের বারোটা তো বাজানই, সতীর দেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী এক প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। মহাদেবের এই কাণ্ডে পৃথিবী ধ্বংস হবার উপক্রম হয়। অন্যান্য দেবতা অনেক অনুরোধ করে মহাদেবকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং সকল দেবতার অনুরোধে বিষ্ণুদেব তার সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহকে ছেদন করেন। ফলে তার দেহের বিভিন্ন অংশ ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়ে পড়ে। তার দেহের অংশবিশেষ যেসব অঞ্চলে গিয়ে পড়ে সেসব অঞ্চলকে শক্তি-পীঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিংবদন্তী অনুসারে, সতীর দেহের বাম হাত এসে পড়েছিল সীতাকুণ্ডের এই চন্দ্রনাথ পাহাড় এলাকায়।

বাকি দুটো মন্দির আছে পাহাড়ের ওপরে। একটি পাহাড়ের মাঝে, নাম বীরুপাক্ষ মন্দির এবং একদম চূড়ায় একটি, নাম চন্দ্রনাথ মন্দির। চন্দ্রনাথে উঠার পর দেখতে পাবেন কি পরম নিশ্চিন্তে, সমুদ্রের কোলে শুয়ে আছে সীতাকুণ্ড উপজেলা। হালকা বৃষ্টির দিনে গেলে পাবেন পাহাড়ের জলদগম্ভীর রূপ। ঘন মেঘে বেষ্টিত সীতাকুণ্ড পাহাড়টাকে মনে হবে সাদা ঢাল হাতে দাঁড়ানো পৌরাণিক কোনও যোদ্ধা। যে যুদ্ধ জয় করে এসে টানটান চিত্তে সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

সীতাকুণ্ডে আরও আছে হাজারীখিল ওয়াইল্ড লাইফ স্যাংচুয়ারি, কালের আবর্তনে দুর্গম হয়ে যাওয়া রহস্যময় পাতালকালী মন্দির, গহীন জঙ্গলের মাঝে বুক চিরে ঝরঝরি ঝর্ণায় চলে যাওয়া ঝরঝরি ট্রেইলসহ আরও অনেক কিছু!

#কীভাবে যাবেন:

ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড বাসে অথবা ট্রেনে যাওয়া যায়। রাতে বাস ধরলে একেবারে কাক ভোরে নেমে যেতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। বাঁশবাড়িয়া এবং গুলিয়াখালী দুইদিনের দুই বিকেলবেলার জন্য রেখে দিয়ে দিনের বেলা ঘুরে আসুন অন্যান্য স্পটগুলো। বিকেলবেলার সমুদ্র প্রাকৃতিক ফিল্টার হিসেবে কাজ কোরে, সারাদিনের ক্লান্তি ধুয়ে মুছে নিয়ে যাবে। পুরোপুরি রিফ্রেশড হয়ে ফিরে আসতে পারবেন নিজ নিজ কর্মস্থুলে।

#কোথায় থাকবেন:

সীতাকুণ্ডে থাকার মতো জায়গা তেমন একটা নেই। বাজারে 'সাইমুন' এবং 'সন্দ্বীপ' নামের দুটি হোটেল আছে। পাশে বড় কুমিরায় ঘাটের পাশে আছে ‘থ্রি স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ নামের আরেকটি হোটেল। সীতাকুণ্ডের হোটেলগুলোর মান ভালো না থাকলেও বড় কুমিরার থ্রি স্টার হোটেলে গিয়ে আরামসে কাটিয়ে দিতে পারবেন দুই রাত।

(সীতাকুণ্ড থেকে ঘুরে এসে লিখেছেন মঈন উল তৌহিদ)

25/10/2021

Sales Representative (SR) (Internship)
Vacancy: 15
Job Responsibilities
• Must be prepared to visit physically 25+ existing shops everyday
• Responsible for achieving the monthly sales target in acquiring vendors and driving sales in xyz.com to consumers.
• Responsible for building relationship approach to the prospective Vendors.
• Collect, forecast and analyse the market data for operating plans.
• Visit the target Vendors and ensure Vendor satisfaction.
• Develops and implements strategic sales plans to accommodate goals and achieve sales targets.
• Presenting company products and services to the Vendors.
• Devising and presenting ideas and strategies
• Sales Target oriented
• Analysis the competitor market data.
Employment Status
Full-time
Educational Requirements
• H.S.C / Fresh Graduate
Experience Requirements
• 1 to 2 year(s)
Additional Requirements
• 1 - 2 years of full Time Experience in field level sales, order Collection, event management, branding etc.
• it's a core field job , if you are unable to visit the field then no need to apply.
• E-commerce experienced people will get preference
• The applicants should have knowledge in Sales, Marketing and Business Development.
• Excellent communication skill
• Must be able to use smart phone & APP
• Experienced in Sales & Marketing in any renowned E-commerce people will get high preference.
Job Location
Dhaka
Salary
Negotiable
Compensation & Other Benefits
• Target Achievement Commission
• Transport allowance
• Mobile allowance

 #বিছনাকান্দি ভ্রমণের উপযুক্ত সময় #আমরা সবাই জানি অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনি...
22/10/2021

#বিছনাকান্দি ভ্রমণের উপযুক্ত সময়

#আমরা সবাই জানি অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের মধ্যে অবস্থিত। তবে বিছনাকান্দির মায়াময় সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে জুন সেপ্টেম্বরেই আদর্শ সময়। চারদিকে প্রচুর পানি প্রবাহ থাকার কারণে এ সময় বিছনাকান্দির প্রকৃত সৌন্দর্য দেখা যায়। শুকনো সময়ে এখন পাথরখোকোদের জন্য বিছনাকান্দি ভ্রমণ ততটা উপযুক্ত নয়। কিন্তু বর্ষায় পাথর তৈরির উৎপাত না থাকার কারণে পাহাড়, নদী, ঝর্ণা ও মেঘের সমন্বয়ে বিছনাকান্দি হয়ে ওঠে অনিন্দ্য সুন্দর এক গন্তব্য।

বিছনাকান্দি গেলে দেখতে পাবেন পাথরের পর পাথর যেন বিছানা পেতে শুয়ে আছে। সেইসঙ্গে মেঘালয় পাহাড় থেকে আসা ঠাণ্ডা পানি আর সবুজের সমারোহ ক্ষণিকের জন্য হলেও অন্য এক জগতে নিয়ে যাবে।

বিছনাকান্দিতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে খাসিয়া পাহাড়ের অনেকগুলো ধাপ দুই পাশ থেকে এক বিন্দুতে এসে মিলেছে। পাথরের খাঁজে রয়েছে সুউচ্চ ঝর্ণা। ভ্রমণবিলাসীদের জন্য এই স্পটের মূল আকর্ষণ হলো পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা পানির প্রবাহ। তাছাড়া বর্ষায় থোকা থোকা মেঘ আটকে থাকে পাহাড়ের গায়ে, দেখে মনে হতে পারে মেঘেরা কোলে বাসা বেঁধেছে।

পূর্ব দিক থেকে পিয়াইন নদীর একটি শাখা পাহাড়ের নিচ দিয়ে চলে গেছে ভোলাগঞ্জের দিকে। সব মিলিয়ে পাহাড়, নদী, ঝর্ণা আর পাথরের এক সম্মিলিত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই বিছনাকান্দি। সম্প্রতি বছরগুলোতে এখানকার নদী দেখতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
#যেভাবে যাবেন বিছানাকান্দি:

দেশের যেকোনো স্থান থেকে বিছনাকান্দি যাওয়ার জন্য আপনাকে প্রথমে সিলেট জেলা শহরে যেতে হবে। তারপর সিলেট থেকে বিছানাকান্দি যেতে হবে।

#ঢাকা থেকে সিলেট যাবেন যেভাবে:

ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে অথবা প্লেনে আপনি সিলেট যেতে পারবেন। ফকিরাপুল, সায়দাবাদ, ও মহাখালী বাসস্টেশন গ্রীন লাইন, শ্যামলি, সৌদিয়া, এস আলম ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে। এছাড়াও ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক ও এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা ভাড়ায় পাবেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণসঙ্গী হিসেবে। ট্রেনে যেতে সময় লাগবে সাড়ে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা।

ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়ার, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান প্রতিদিন সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

 #বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের ওপর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা মালদ্বীপের #করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মালদ্বীপ সরকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার...
22/10/2021

#বাংলাদেশসহ সাতটি দেশের ওপর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা মালদ্বীপের

#করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মালদ্বীপ সরকার বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার (০৮ মে) এ নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা দেয়। তারা বলছে, আজ রোববার (৯ মে) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

এই তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটান।

মালদ্বীপের ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের পর্যটকদের মালদ্বীপে প্রবেশ ও অবস্থানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এর পাশাপাশি এই দেশগুলোর ওয়ার্ক পারমিটধারী ব্যক্তিদের মালদ্বীপে পৌঁছানোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

Address

Darus Salam Arcade (9th Floor), 14 Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NBC Tour & Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category