28/05/2026
যার আরাফা হাতছাড়া হয়েছে…
সে যেন “ইয়াওমুল ক্বার” হাতছাড়া না করে।
আরাফার দিন চলে গেলেও
আল্লাহর রহমতের দরজা এখনো খোলা।
“ইয়াওমুল ক্বার” — অর্থাৎ ১১ জিলহজ,
যা কুরবানির দিনের পরের দিন,
এটি দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হলো ইয়াওমুন নাহর (কুরবানির দিন),
এরপর ইয়াওমুল ক্বার।
— মুসনাদে আহমদ
“ইয়াওমুল ক্বার” বলা হয় এজন্য যে,
হাজীরা কুরবানি, তাওয়াফ ও অন্যান্য আমল শেষ করে
এদিন মিনায় অবস্থান করে বিশ্রাম নেন।
এ দিনগুলো শুধু আনন্দের নয়,
বরং যিকির, দোয়া ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের দিন।
তাই যদি কারো আরাফার দিন ইবাদতে ঘাটতি থেকে যায়,
তবে সে যেন এই দিনগুলোকে অবহেলা না করে।
কারণ আল্লাহর রহমত কোনো একটি দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
সালাফগণ আইয়ামে তাশরীকে বেশি বেশি এই দোয়া পড়তে পছন্দ করতেন—
﴿ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴾
হে আমাদের রব,
আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন,
আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন
এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
আমিন।