Musafir Hajj Kafela

Musafir Hajj Kafela +8801701881081

28/05/2026

যার আরাফা হাতছাড়া হয়েছে…
সে যেন “ইয়াওমুল ক্বার” হাতছাড়া না করে।

আরাফার দিন চলে গেলেও
আল্লাহর রহমতের দরজা এখনো খোলা।

“ইয়াওমুল ক্বার” — অর্থাৎ ১১ জিলহজ,
যা কুরবানির দিনের পরের দিন,
এটি দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিন হলো ইয়াওমুন নাহর (কুরবানির দিন),
এরপর ইয়াওমুল ক্বার।

— মুসনাদে আহমদ

“ইয়াওমুল ক্বার” বলা হয় এজন্য যে,
হাজীরা কুরবানি, তাওয়াফ ও অন্যান্য আমল শেষ করে
এদিন মিনায় অবস্থান করে বিশ্রাম নেন।

এ দিনগুলো শুধু আনন্দের নয়,
বরং যিকির, দোয়া ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের দিন।

তাই যদি কারো আরাফার দিন ইবাদতে ঘাটতি থেকে যায়,
তবে সে যেন এই দিনগুলোকে অবহেলা না করে।

কারণ আল্লাহর রহমত কোনো একটি দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

সালাফগণ আইয়ামে তাশরীকে বেশি বেশি এই দোয়া পড়তে পছন্দ করতেন—

﴿ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ ﴾

হে আমাদের রব,
আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান করুন,
আখিরাতেও কল্যাণ দান করুন
এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
আমিন।

বদলি হজের বিধান ও পদ্ধতি (কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে) হজ ফরজ হওয়ার দলিলআল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—"وَلِلَّهِ عَلَى النَّاس...
23/05/2026

বদলি হজের বিধান ও পদ্ধতি
(কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে)

হজ ফরজ হওয়ার দলিল
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—
"وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا"
"যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে, তার জন্য আল্লাহর উদ্দেশ্যে এই ঘরের হজ করা ফরজ।"
(সূরা আলে ইমরান: ৯৭)

বদলি হজ কী?
যে ব্যক্তি শারীরিক অক্ষমতা, দুরারোগ্য রোগ বা মৃত্যুর কারণে নিজে হজ আদায় করতে পারেননি — তাঁর পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে হজ আদায় করানোকে "বদলি হজ" বলা হয়। এটি ইসলামে সম্পূর্ণ জায়েয।

বদলি হজের সহীহ দলিল
দলিল ১ — সহীহ বুখারী
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, খাসআম গোত্রের এক মহিলা নবীজি ﷺ-কে বললেন:
"আমার পিতার উপর হজ ফরজ হয়েছে, কিন্তু তিনি অতিবৃদ্ধ ও দুর্বল। আমি কি তাঁর পক্ষ থেকে হজ করতে পারব?"
নবীজি ﷺ বললেন: "হ্যাঁ, পারবে।"
(সহীহ বুখারী: ১৫১৩)
দলিল ২ — সহীহ বুখারী
যরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বললেন: "আমার বোন হজের মানত করেছিলেন কিন্তু মারা গেছেন।"
নবীজি ﷺ বললেন: "তোমার বোনের যদি ঋণ থাকত, তুমি কি তা পরিশোধ করতে না? আল্লাহর ঋণ পরিশোধ করো — তিনি এর অধিক হকদার।"
(সহীহ বুখারী: ১৮৫২)
দলিল ৩ — সুনানে আবু দাউদ
নবীজি ﷺ এক ব্যক্তিকে "শুবরুমার পক্ষ থেকে লাব্বাইক" বলতে শুনলেন। জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি নিজের হজ করেছ?" সে বলল: না। নবীজি বললেন:
"حُجَّ عَنْ نَفْسِكَ ثُمَّ حُجَّ عَنْ شُبْرُمَةَ"
"আগে নিজের হজ করো, তারপর শুবরুমার পক্ষ থেকে করো।"
(সুনানে আবু দাউদ: ১৮১১)

বদলি হজকারীর শর্ত
১. নিজের ফরজ হজ আগে আদায় করা থাকতে হবে।
(দলিল: সুনানে আবু দাউদ: ১৮১১)
২. নিয়তে নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে হবে।
৩. পুরুষ বা নারী — যে কেউ বদলি হজ করতে পারবেন।
(দলিল: সহীহ বুখারী: ১৫১৩ — মহিলা তার পিতার পক্ষ থেকে হজের অনুমতি পেয়েছিলেন)
বদলি হজের নিয়ত (মীকাত থেকে
ইহরাম বাঁধার সময় বলবেন:
"اللَّهُمَّ إِنِّي أُرِيدُ الْحَجَّ عَنْ فُلَانٍ فَيَسِّرْهُ لِي وَتَقَبَّلْهُ مِنِّي وَمِنْهُ"
"হে আল্লাহ! আমি অমুকের পক্ষ থেকে হজের ইহরাম বাঁধছি। আমার ও তাঁর পক্ষ থেকে তা কবুল করুন।"

কোন ধরনের হজ করবেন?
তিন ধরনের হজই জায়েয—
ইফরাদ — কোরবানি ওয়াজিব নয়
কিরান — কোরবানি ওয়াজিব
তামাত্তু — কোরবানি ওয়াজিব
(ফাতাওয়া শামী, ফাতাওয়া আলমগীরী)
গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
মৃত ও জীবিত — উভয়ের জন্য বদলি হজ জায়েয।
জীবিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া উত্তম, তবে ফরজ নয়।
এক সফরে একজনের পক্ষ থেকেই ফরজ বদলি হজ করা যাবে।
বদলি হজকারী, খরচদাতা এবং যাঁর পক্ষ থেকে হজ — তিনজনই সওয়াব পাবেন।
(ফাতাওয়া শামী, বাদায়িউস সানায়ি, আল-মুগনী — ইবনে কুদামা)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে হজে মাবরুর নসীব করুন।
যাঁরা যেতে পারছেন না, তাঁদের পক্ষ থেকে বদলি হজ আদায়ের তাওফিক দিন।
আমীন।

📚 তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী | সুনানে আবু দাউদ | ফাতাওয়া শামী | ফাতাওয়া আলমগীরী | বাদায়িউস সানায়ি |

23/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ!এ বছর আরাফার ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববীর সিনিয়র ইমাম ও খতিব, শায়খ আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী (হাফ...
18/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
এ বছর আরাফার ময়দানে খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববীর সিনিয়র ইমাম ও খতিব, শায়খ আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী (হাফিযাহুল্লাহ)।

দীর্ঘ দশকের ইমামতি, গাম্ভীর্যপূর্ণ কণ্ঠ এবং অত্যন্ত heart touching তিলাওয়াতের মাধ্যমে তিনি মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে অর্জন করেছেন বিশেষ মর্যাদা।

আল্লাহ তাআলা তাঁর ইলম, হায়াত ও খিদমতে আরও বরকত দান করুন আমীন।

03/05/2026

হজ্ব ২০২৬ - হাজীদের খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে উট জবাই করা হচ্ছে।

ইব্রাহিম খলিল রোড এবং হিজরা রোড।এই দুই রোডের মাঝে মুন্সিয়া রোড। এই রোডের অধিকাংশ হোটেল উচ্ছেদ করা হবে। সবুজ সংকেত দেয়া...
01/05/2026

ইব্রাহিম খলিল রোড এবং হিজরা রোড।
এই দুই রোডের মাঝে মুন্সিয়া রোড। এই রোডের অধিকাংশ হোটেল উচ্ছেদ করা হবে। সবুজ সংকেত দেয়া হোটেল গুলো থাকবে। লাল গোলাকার চিহ্নিত হোটেল গুলো অচিরেই ভেঙ্গে ফেলা হবে। সবুজ চিহ্নিত হোটেল গুলো ব্যতীত সব গুলো হোটেল ই পর্যায়ক্রমে ভেঙ্গে ফেলা হবে।
অতীব নিকটে থেকে হজ্ব ও উমরাহ সম্পাদন করা এখন স্বপ্ন হয়ে যাবে।

মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন। তিনি কূপের পাড়ে বসে...
27/04/2026

মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।
এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন। তিনি কূপের পাড়ে বসে তাঁর পবিত্র পায়ের কাপড় উন্মোচন করে দুই পা কূপের ভিতরে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন।
তার পাশে বসেছিলেন দুই মহান সাহাবি—
আবু বকর সিদ্দীক এবং উমর ইবন খাত্তাব (রাযি.), এবং তারাও রাসূল ﷺ যেমন করেছিলেন তেমনই করেছিলেন। এরপর উসমান ইবন আফফান (রাযি.) এসে তাঁদের বিপরীত পাশে বসেন এবং তাঁরাও একইভাবে করেন।
এই কূপের কাছেই রাসূল ﷺ, আবু বকর ও উমর (রাযি.)-কে জান্নাতের সুসংবাদ দেন। আর উসমান (রাযি.)-কেও জান্নাতের সুসংবাদ দেন, তবে এমন এক পরীক্ষার (বিপদের) কথা জানান যা তাঁর ওপর আসবে।
এই কূপের আরেক নাম “বিরে খাতাম” (আংটির কূপ)। কারণ, রাসূল ﷺ-এর আংটি এখানে পড়ে গিয়েছিল। আংটিটি প্রথমে রাসূল ﷺ-এর হাতে ছিল তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত। এরপর তা ছিল তাঁর খলিফা আবু বকর (রাযি.)-এর হাতে, তারপর উমর (রাযি.)-এর হাতে, এরপর উসমান (রাযি.)-এর হাতে তাঁর খেলাফতকালে। তখন সেটি তাঁর হাত থেকে এই কূপে পড়ে যায়। তিনি তিন দিন পর্যন্ত কূপ খালি করার নির্দেশ দেন, কিন্তু আংটি পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে অনেকেই শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা ও ফিতনার সূচনার লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো—একজন সাহাবি জায়েদ ইবন খারিজা (রাযি.)-এর থেকে একটি অলৌকিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তিনি মৃত্যুর পর কথা বলেছিলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর বুকে শব্দ শুনতে পান, তারপর তিনি বলেন:
“আহমদ, আহমদ—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
আবু বকর সিদ্দীক—নিজে দুর্বল কিন্তু আল্লাহর কাজে শক্তিশালী—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উমর ইবন খাত্তাব—শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উসমান ইবন আফফান—তাঁদের পথেই আছেন।
চার বছর কেটে গেছে, দুই বছর বাকি।
ফিতনা এসে গেছে, শক্তিশালী দুর্বলকে গ্রাস করছে, কিয়ামত নিকটবর্তী।
তোমাদের কাছে বিরে আরিসের খবর আসবে—বিরে আরিস কী!”
এই ঘটনা উসমান (রাযি.)-এর খেলাফতের চার বছর পর ঘটেছিল এবং আংটি হারানোর দুই বছর আগে।
এই কূপ একসময় দৃশ্যমান ছিল। পরে এর উপর কুবা মসজিদের খাদেমের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়, এরপর একটি গম্বুজ তৈরি হয়। পরে মসজিদে কুবার সম্প্রসারণের সময় এগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। কূপটি ভরাট করা হয়নি, বরং মার্বেল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি এর স্থান পুনরায় চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে একটি পরিচিতিমূলক ফলক স্থাপন করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
(সংগৃহীত)

Address

Dhaka

Telephone

+8801701881081

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Musafir Hajj Kafela posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Musafir Hajj Kafela:

Share

Category