17/12/2019
দেশকে যারা স্বাধীন করেছেন তাদেরকে বলি মুক্তিযোদ্ধা আর প্রবাসীদেরকে আমরা বলি রেমিট্যান্স যোদ্ধা, যাদের টাকায় সচল আমাদের অর্থনীতি।মুক্তিযুদ্ধারা দিয়েছেন আমাদের একটি পতাকা,একটি স্বাধীন দেশ আর প্রবাসীরা দিয়েছেন আমাদের সেই দেশকে বিশ্বের দরবারে উঁচু করে ধরার জন্য, দেশের উন্নয়ন ও উন্নয়নশীলদেশে পরিনত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রধান রসদ রেমিটেন্স বা বৈদেশিক মুদ্রা। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান দুই উৎস।রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের আয়। প্রবাসীদেরকে আমরা মুখেই বলি রেমিট্যান্স যোদ্ধা,তাদের টাকা যাতে বৈধ পথে আসে তাই দেই ২% সুবিধা। বাস্তবে তাদেরকে আমরা সম্মান করি না,তাদের নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না।বরং পারলে যতটুকু পারি ব্যবসা করি।প্রবাসীরা হলো টাকা বানানোর মেশিন।পরিবারের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য জায়গা -জমি বিক্রি করে, দালালদের দাবি পূর্ণ করে আসেন বিদেশে।এসে দেখেন চতুর্থর্দিকে অন্ধকার। যে আশা করে এসেছেন বিদেশে, তা সবি মিছা।ফলে একটা সময় তারা ঝুঁকি নিয়ে হয়ে যান অবৈধ।যার কারনে তারা অনেক সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়েন, খাটেন জেল,দেন জরিমানা।
তাই বৈদেশিক মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বশীলসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আবেদন করি -যদি সত্যিই প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে আপনার সরকার ও দেশের কোন উপকার হয়ে থাকে থাকে তবে তার কৃতজ্ঞতা স্বরুপ অন্তত মালয়েশিয়া সরকারের দেয়া সুবিধা নিয়ে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসিদের জন্য ১০-১৫ হাজার টাকার টিকিটে স্পেশাল বিমান পাঠিয়ে দেশে আনুন।আর যারা জেলে আছে তাদরেকে মুক্ত করার ব্যবস্থা করুন।আর তাদের রক্তের টাকা কাউকে খেতে দিয়েন না।প্লিজ, প্লিজ, প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি তাদের জন্য কিছু করুন।প্রবাসীরা সবাই আপনার জন্য দোয়া করবে, আপনাকে স্বরন রাখবে।
আর প্রবাসীদেরসহ যারা বিদেশে যেতে ইচ্ছুক বা পাঠাতে ইচ্ছুক অভিভাবকদের বলি আপনারা কেহ এশিয়ার কোন দেশে বৈধ ভিসা এবং এক-দুই লাখের বেশি দিয়ে কোন দেশে যাবেন না বা পাঠাবেন না।কারন পৃথিবীর কোন দেশের লোকের যেতে ১ লাখের বেশি খরচ হয়ে না।আমরা বেশি খরচে যাই বলে সবাই সুযোগ নেয়।আর এই খরচের টাকা তুলতে পরিবারকে বাঁচাতে বিদেশে যেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ হতে হয়।যারা কম টাকায় যায় তাদের কোন ধরনের ঝুঁকি নিতে হয় না তাই তারা অবৈধ হন না।সবাই সচেতন হোন,সচেতনতাই মুক্তি।আবেগ দিয়ে বিদেশে আসবেন না,বিবেক দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আসুন।যদি একমত হোন পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
১৭/১২/১৯, সকাল ৯টা,আবু সুফিয়ান।