Al Afif Overseas

Al Afif Overseas Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Afif Overseas, Travel Company, Dhaka.

20/02/2026
🔸ইউনূস আসলেন, দেখলেন, জয় করলেন, চলে যাচ্ছেন। 🔸এইযে সুদিইউনূস, ইউনূইচ্ছা, কত সুন্দর করে মনের মাধুরী মিশিয়ে বলে ফেললেন, এ...
11/02/2026

🔸ইউনূস আসলেন, দেখলেন, জয় করলেন, চলে যাচ্ছেন।

🔸এইযে সুদিইউনূস, ইউনূইচ্ছা, কত সুন্দর করে মনের মাধুরী মিশিয়ে বলে ফেললেন, এমন নির্ভয়ে কোনো সরকার প্রধানকে আগে বলতে পেরেছেন কি ? পারেননি। ভবিষ্যতেও পারবেন না। এমন বাকস্বাধীনতা হয়তো আর পাবেন না।

🔸এই দেশের মানুষ ইউনূসকে ভালোবেসেছে। এবং ইউনূসও এই দেশের মানুষকে ভালোবেসেছে। তাই তিনি মানুষকে মুক্তির পথ দেখাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি কতিপয় রাজনৈতিক দল, ফ‍্যাসিবাদি চরিত্র এবং আমলাতান্ত্রিক বাধার কারণে পুরোপুরি পারেননি।

🔸তারপরেও তিনি শেষ বলটা বানিয়ে তুলে দিয়েছেন আপনার আমার হাতে। এখন সিদ্ধান্ত আপনার আমার। যদি আমরা আমাদের মঙ্গল চাই তাহলে “হ‍্যাঁ” ভোট দিন।

🔸ইউনূসের বিরোধী হচ্ছে কায়েমি স্বার্থবাদী গুটিকয়েক ব্যক্তি, লুটেরা দলকানা, আমলাতন্ত্র এবং কিছু সিন্ডিকেট। এর বাইরে ইউনূসের কোন শত্রু নাই। দেশ এবং সাধারণ জনগণের ভালো চাইতে গিয়েই ইউনূস লুটেরাদের শত্রু হয়েছেন। ডানে-বামে তিনি শত্রু নিয়ে প্রতিনিয়ত দেশ ও জনগণের জন‍্য লড়ে গেছেন।

🔸এই দেশের মানুষ ইউনূসকে ভালোবাসে। ভালোবাসবে। এবং ইউনূসকে আজীবন মনে রাখবে। এই ইউনূস বাংলাদেশে আর হয়তো জন্মাবে কিনা আল্লাহই ভালো জানেন।

🔸আপনি ভালো থাকুন স‍্যার।

নীরব সমর্থন নয়, সরাসরি প্রশ্ন: যে রাজনীতি আমরা চেয়েছিলাম আমি তরুণদের, বিশেষ করে এনসিপির তরুণদের নির্বাচনী প্রচারণা খুব...
29/01/2026

নীরব সমর্থন নয়, সরাসরি প্রশ্ন: যে রাজনীতি আমরা চেয়েছিলাম

আমি তরুণদের, বিশেষ করে এনসিপির তরুণদের নির্বাচনী প্রচারণা খুব মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি। এর পেছনে একটি স্পষ্ট কারণ আছে। পুরোনো, প্রবীণ রাজনীতিকদের প্রচারণা আমরা বহুবার দেখেছি। কী বলবেন, কতটুকু বলবেন, কোথায় থামবেন - এই হিসাবটা মোটামুটি জানা। সেখানে নতুন কিছু আর থাকে না।

কিন্তু তরুণদের মধ্যে আমি ভিন্ন একটি প্রবণতা দেখছি। তারা নিজেদের গড়ে তুলতে আন্তরিক চেষ্টা করছে, মানুষের সঙ্গে সরাসরি মিশছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো / মানুষকে কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে। শুধু শোনা নয়, মানুষের মতামত প্রকাশের জন্য একটি খোলা পরিসর তৈরি হচ্ছে।

এরই মধ্যে ঢাকা–৮ আসনে আমরা এর স্পষ্ট উদাহরণ দেখেছি। এই এলাকার মানুষ তাদের পছন্দ-অপছন্দ কোনো রাখঢাক না রেখেই জানাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রার্থী পাটোয়ারীর গায়ে ময়লা পানি ছিটানো হয়েছে, ডিম নিক্ষেপ হয়েছে। মানুষ প্রকাশ্যে বলছে তারা ভোট দেবে কি দেবে না। এখানেই বিষয়টি থেমে নেই। তারা প্রার্থীর আয়ের উৎস জানতে চাইছে। ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যে ত্রাণের টাকা সরকারের তহবিলে জমা আছে, সেই টাকার হিসাবও চাইছে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে এই প্রশ্নগুলোর সমর্থন করি। এগুলো খুবই জরুরি প্রশ্ন। আমার বিশ্বাস, যারা আজ এই প্রশ্নগুলো করছেন, তারা সামনে আরও দৃঢ়ভাবে তা চালিয়ে যাবেন। শুধু পাটোয়ারী নন, মির্জা ব্রাদার্স হোক কিংবা ‘বড় ভাইজান’ - সবার কাছেই আয়ের উৎস, ক্ষমতার ব্যবহার আর দায়বদ্ধতার হিসাব চাওয়া হবে। ঠিক এমনটাই তো আমরা চেয়েছি।

আমরা চেয়েছি এসি রুমের রাজনীতি ভেঙে পড়ুক। নেতা নামুক রাস্তায়। সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়াক। নাহিদ হাসনাতদের মতো কুলি-মজুরদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে কথা বলুক, তাদের ঘামে ভেজা শরীর জড়িয়ে ধরুক। এই দৃশ্যের মধ্যেই রাজনীতির সৌন্দর্য আছে।

এই পরিবর্তন দেখে সত্যিই ভালো লাগছে। ধীরে ধীরে আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের এমনভাবেই দেখতে পাবো - এই আশাটুকু এখন বাস্তব বলে মনে হচ্ছে।

আইলাভবেয়াদবস
গনভোটে হ‍্যাঁ দিন

রওশন হক
১/২৯/২৬
নিউইয়র্ক

#গনভোট
#রাজনীতি



যদি আপনারা চান, বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা যথাযথভাবে লেখাপড়া করে ভালো চাকরি পাক, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকবেন।- হাসন...
27/01/2026

যদি আপনারা চান, বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা যথাযথভাবে লেখাপড়া করে ভালো চাকরি পাক, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকবেন।

- হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল), এনসিপি

আলহামদুলিল্লাহ
27/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ

নির্বাচিত মানবিকতা ও রাজনীতির দ্বিচারিতারাজনীতি যখন শোককে হাতিয়ার বানায়, তখন মানবিকতার মুখোশ খুলে পড়ে। ব্যক্তিগত বা দলীয়...
27/01/2026

নির্বাচিত মানবিকতা ও রাজনীতির দ্বিচারিতা
রাজনীতি যখন শোককে হাতিয়ার বানায়, তখন মানবিকতার মুখোশ খুলে পড়ে। ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে কোনো পরিবারের ট্র্যাজেডিকে ব্যবহার করা শুধু অরুচিকর নয়, তা সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে সাদ্দাম প্রসঙ্গে যে আবেগঘন বয়ান তৈরি করা হচ্ছে, তা মূলত এই নির্বাচিত মানবিকতারই একটি উদাহরণ।
লুৎফুজ্জামান বাবর ১৭ বছর এবং ব্যারিস্টার আরমান ৮ বছর গুম বা দীর্ঘ কারাবন্দিত্বের শিকার ছিলেন। তাদের স্ত্রীদের জীবনের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা ছিল অনিশ্চয়তা—স্বামী জীবিত না মৃত, সে খবর জানারও কোনো সুযোগ ছিল না। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের এই দীর্ঘ সময়ে তারা প্রতিবাদকে আবেগী রাজনীতিতে পরিণত করেননি। নীরব সহনশীলতার মধ্য দিয়েই তারা সময় পার করেছেন।
সাদ্দামের স্ত্রীর মৃত্যু নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। যে কোনো মৃত্যু আমাদের সংবেদনশীল হওয়া উচিত। কিন্তু আবেগের জায়গা থেকে দায় নির্ধারণ করতে গিয়ে বাস্তবতা উপেক্ষা করা ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। প্যারোলে মুক্তির জন্য কোনো আবেদনই যখন করা হয়নি, তখন সম্পূর্ণ দায় রাষ্ট্রের ওপর চাপানো যুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এখানে রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতা নয়, বরং রাজনৈতিক বয়ান নির্মাণের তাড়নাই বেশি স্পষ্ট।
এই মৃত্যুকে রাজনৈতিক নিপীড়নের সরাসরি ফল হিসেবে উপস্থাপন করাও বাস্তবতাবিরোধী। একজন রাজনৈতিক কর্মীর দায়িত্ব কেবল নিজের জন্য নয়, তার পরিবারের নিরাপত্তা ও মানসিক স্থিতির প্রতিও। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক অবস্থানের পরিণতি অনেক সময় পরিবারকে বহন করতে হয়—এটি নির্মম হলেও বাস্তব সত্য।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো—গত ১৬ বছরে যেসব গুম, খুন ও নিপীড়নের ঘটনায় অসংখ্য পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে, তখন এই মানবিকতা কোথায় ছিল? তখন যারা নীরব ছিলেন, তারা আজ কোন নৈতিক অবস্থান থেকে রাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করছেন?
ন্যায়বিচার মানে একপেশে সহানুভূতি নয়। মানবিকতা যদি সবার জন্য সমান না হয়, তবে তা মানবিকতা থাকে না; তা কেবল রাজনীতির একটি কৌশলে পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় জুলুমের বিরোধিতা যেমন জরুরি, তেমনি ব্যক্তিগত ব্যর্থতা ও রাজনৈতিক দায়ও সৎভাবে স্বীকার করা প্রয়োজন। অন্যথায় রাজনীতি শুদ্ধ হওয়ার বদলে আরও নিষ্ঠুর হয়ে উঠবে।

দেশের স্বার্থে গণভোটে হ্যাঁ দিন।
26/01/2026

দেশের স্বার্থে গণভোটে হ্যাঁ দিন।

বলুন তো কাহিনী কি?
04/11/2025

বলুন তো কাহিনী কি?

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে বিএনপি এখন মাইনকার চিপায়।বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তা হলো  “জুলাই স...
31/10/2025

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে বিএনপি এখন মাইনকার চিপায়।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত, তা হলো “জুলাই সনদ”। এই সনদে বাস্তবায়ন মানে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো, নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের নতুন দিক নির্ধারণ করা। কিন্তু এই সনদে বিএনপি যে ভাবে জড়িয়ে গেছে, সেটি এখন তাদের জন্য এক বিরাট সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এক কথায়— বিএনপি এখন মাইনকার চিপায়।

অন্যদিকে জামায়াত ইসলামি, এনসিপি, আর ড. মোহাম্মদ ইউনুস নেতৃত্বাধীন সরকার জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়ে এই সনদ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার আগে জামায়াত ইসলামি কিছুটা সময় নিয়েছিল। অনেকে ভেবেছিল, তারা হয়তো এটা নিয়ে গরিমশি করছে, দ্বিধায় আছে, স্বাক্ষর করবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা ছিল কৌশলগত। কারণ, যদি জামায়াত প্রথমেই ঘোষণা দিত যে তারা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে, তাহলে বিএনপি হয়তো বলেত— “আমরা এটা মানি না বা আমরা স্বাক্ষর করব না।”

বিএনপির পুরনো স্বভাব হলো— যেটা অন্য কোনো দল চায়, তারা তার উল্টোটা করতে পছন্দ করে। সেটা জনগণের পক্ষে যাক বা বিপক্ষে, সেটা তাদের চিন্তার বিষয় না। বিএনপি চায়, সবকিছুতে তার নিজের আধিপত্য বজায় থাকুক।

তাই জামায়াত বুঝেশুনে একটু সময় নিয়ে পরে অবস্থান নিয়েছে। তারা জানে, এখন জনগণের পাশে দাঁড়ানোই টিকে থাকার একমাত্র উপায়। জুলাই সনদ সেই পথ খুলে দিয়েছে।

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা মানে শুধু একটা কাগজে সই নয়। এর মানে হলো— জনগণের গণভোটের মাধ্যমে সেই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। এখন বিএনপি যেহেতু তাতে সই করেছে, তাই তাদের সেই ভোটের মুখোমুখি হতেই হবে।

এখন সমস্যা হচ্ছে— গণভোট মানে হলো জনগণের সিদ্ধান্ত। আর জনগণ এখন চাইছে পরিবর্তন, চায় স্থিতিশীলতা, চায় নতুন নেতৃত্ব। সেই নেতৃত্বের প্রতীক এখন ড. ইউনুস সরকার ও জুলাই সনদ।

বিএনপি জানে, যদি সত্যিকারের গণভোট হয়, তাহলে জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে, আর সেই ভোট মানেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন। আর সেই বাস্তবায়ন মানেই— রাজনীতিতে একক আধিপত্যের সমাপ্তি।

এখানেই বিএনপি মাইনকার চিপায়। এখন না পারছে পিছাতে, না পারছে সামনে যেতে।

দেশের অনেক পত্রিকা, টিভি চ্যানেল এবং অনলাইন জরিপে দেখা যাচ্ছে, বেশিরভাগ মানুষ জুলাই সনদের পক্ষে। জনগণ মনে করছে, এই সনদ বাস্তবায়িত হলে রাজনীতি নতুন ধারায় যাবে— দলীয় আধিপত্যের বদলে জনগণের মতামতের মূল্য বাড়বে।

এটাই বিএনপির সবচেয়ে বড় ভয়। কিছু কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন বিএনপির অনেক নেতারা চাই একক আধিপত্য । তারা জুলাই বিপ্লব পরবর্তী এখনো ‘একক সিদ্ধান্ত’ 'নিজেদের দলের মধ্যেই গনতন্ত্র নেই' বা পরিবার কেন্দ্রিক রাজনীতি রাজনীতি করেছে।

এখন জনগণ যেদিকে যাচ্ছে, বিএনপি সেদিকের উল্টো পথে হাঁটছে। তাই তারা যতই চেঁচামেচি করুক, জনগণ ধীরে ধীরে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

বিএনপির রাজনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো— তারা সবকিছুতেই “না” খোঁজে। সরকার কিছু করলে বলে “না”, অন্য দল কিছু প্রস্তাব দিলে বলে “না”, এমনকি নিজেরা কিছু করার সুযোগ পেলেও বিভ্রান্তিতে ভোগে।

এই “না না” মনোভাবই তাদের রাজনীতি দুর্বল করে ফেলেছে।

জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। শুরুতে তারা বলল— “আমরা এটা মানি না।”
পরে দেখল, জনগন, জামায়াত, এনসিপি, এমনকি আন্তর্জাতিক মহলও এটিকে সমর্থন দিচ্ছে। তখন চুপিচুপি স্বাক্ষর করল। কিন্তু এখন বুঝতে পারছে, সই করার মানে নিজেদের জন্য ফাঁদ তৈরি করা।

তারা এখন এমন এক অবস্থায়— পিছাতে গেলে জনগণ বলবে, “বিএনপি প্রতিশ্রুতি ভাঙছে।”
আর সামনে যেতে গেলে জনগণের ভোটে তাদের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে।

ড. মোহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশে একটি বিকল্প রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন— যেখানে দলীয় আধিপত্য নয়, জনগণের মতামতই হবে মূল শক্তি।

জুলাই সনদ সেই ধারণার বাস্তব রূপ। এখানে বলা হয়েছে— জনগণের অংশগ্রহণ, গণভোট, স্বচ্ছতা, ও জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো সরকার টিকে থাকতে পারবে না।

এই নীতিতে একমত হয়েছে অনেক রাজনৈতিক দল। তারা বুঝেছে— জনগণের পাশে থাকলে রাজনীতি টিকে থাকবে, ক্ষমতার দম্ভে নয়।

আর বিএনপি ঠিক তার উল্টো— তারা এখনো ভাবে, জনগণকে ভুলিয়ে, ভীত করে বা বিভ্রান্ত করে ক্ষমতায় ফেরা যায়।

কিন্তু সময় বদলেছে। এখন তথ্যপ্রযুক্তির যুগ, সোশ্যাল মিডিয়া ও মুক্ত চিন্তার যুগে কেউ আর অন্ধভাবে দলীয় নির্দেশ মেনে চলে না। জনগণ এখন নিজের স্বার্থ বোঝে, সিদ্ধান্ত নেয়।

জরিপে দেখা যাচ্ছে, ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে।
এমন ফল বিএনপির জন্য এক ধরনের নৈতিক পরাজয়।

তারা এতদিন বলত— “আমরাই জনগণের দল।” কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, জনগণ তাদের চাইছে না, বরং চায় পরিবর্তন।

যে দলের রাজনীতি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, সেই দল দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। বিএনপি এখন সেই অবস্থায় পৌঁছে গেছে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যেহেতু গণভোট হবে, তাই সেটাই হবে আসল পরীক্ষা। জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়, তাহলে এই দেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

তখন আর কোনো দল এককভাবে ক্ষমতা দখল করে স্বৈরাচারী শাসন করতে পারবে না। প্রতিটি সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

আর বিএনপি যদি সেই গণভোট বাধাগ্রস্ত করতে চায় বা বয়কটের পথে যায়, তাহলে সেটা হবে তাদের রাজনৈতিক আত্মহত্যা। কারণ মানুষ তখন বুঝে যাবে— বিএনপি জনগণকে ভয় পায়।

জামায়াত ইসলামি, এনসিপি সহ অনেক রাজনৈতিক দল এবার ভিন্ন পথে হাঁটছে। তারা বুঝেছে— একক আধিপত্যের রাজনীতি এখন টিকে না।
তারা চায়, জনগণের সিদ্ধান্তই হোক দেশের দিকনির্দেশনা।

তাদের এই অবস্থানই জনগণের মধ্যে আস্থা তৈরি করছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এখন আর স্লোগান বা বক্তৃতা শুনে ভোট দেয় না— তারা দেখে কে বাস্তবে কাজ করছে, কে সত্যিকার অর্থে জনগণের পাশে আছে।

জামায়াত ও এনসিপি এই বাস্তবতাটা ধরতে পেরেছে, কিন্তু বিএনপি এখনো পুরনো ঢঙে আটকে আছে।

এখন পুরো দেশের দৃষ্টি ড. মোহাম্মদ ইউনুস সরকারের দিকে।
তারা কীভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে, কবে গণভোট হবে, জনগণ কীভাবে অংশ নেবে— এই প্রশ্নগুলো এখন সবার মুখে মুখে।

ইউনুস সরকারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো— এই প্রক্রিয়াটি যেন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও জনগণনির্ভর হয়। জনগণ যেন মনে করে, এটা তাদের নিজের লড়াই।

যদি তারা সেটা করতে পারে, তাহলে জুলাই সনদ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এখন বিএনপির সামনে দুইটা পথ—
১️ তারা যদি জনগণের পথে হাঁটে, তাহলে সনদের সঙ্গে থেকে নতুন ধারার রাজনীতিতে অংশ নিতে পারে।
২️ আর যদি পুরনো “না না” মনোভাব নিয়ে থাকে, তাহলে ধীরে ধীরে রাজনীতির বাইরে চলে যাবে।

এখন জনগণ আর তাদের পুরনো অভিযোগ শুনতে চায় না।
মানুষ চায় কাজ, পরিবর্তন, এবং স্থিতিশীলতা চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি মুক্ত নতুন বাংলাদেশ।

বিএনপি এখন এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যেখানে তারা যেদিকেই যাক— সমস্যা।
সনদে সই করেছে— মানে গণভোটের মুখোমুখি হতে হবে।
পিছালে— মানে জনগণের বিশ্বাস হারাবে।

এটাই আজকের বাস্তবতা—
বিএনপি “না না” রাজনীতিতে বন্দী,
আর জনগণ এগিয়ে যাচ্ছে “হ্যাঁ” রাজনীতির পথে।

এটাই সময়ের রায়—
যে দল জনগণের পক্ষে, তার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল;
আর যে দল নিজের আধিপত্যেই মত্ত, তার দিন শেষ।

মো. আশরাফুল ইসলাম

#হ্যা আমি বাংলাদেশের পক্ষে!
#হ্যাঁ আমি জনগণের পক্ষে!!
#না আমি দুর্নীতি আর চাঁদাবাজের পক্ষে #না!!!
-by-asraful

Address

Dhaka
1213

Telephone

+8801728875729

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Afif Overseas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Afif Overseas:

Share

Category