09/09/2026
এই দেশে দেখবেন একদিন অটোরিকশা মালিকরা বড়লোক হয়ে যাবে যাদের আপনারা বলেন ভাই মাইরেন না গরীব মানুষ,আর মধ্যবিত্তরা গরীব হয়ে যাবে..🤯🤯
নীতিমালা দিয়ে সরকার বিআরটিএ চাইলে স্লীপার সংশোধন করতে পারতো..কিন্ত করবেনা⚠️
মধ্যবিত্তরা অল্প টাকায় এসিতে যাতায়াতে নন এসি বড় বড় কোম্পানির বাস ট্রিপ পায়না,বলির বকড়া বরাবর ই মধ্যবিত্তরাই যাদের পকেট কেটেই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট..😎
অনেকে বলবে সুরক্ষার জন্য করা,সুরক্ষাই যদি এতোই বড় ইস্যু হতো কেউ স্লীপারে ঘুমাতে পারতোনা এত নিশ্চিন্তে😴
বাংলাদেশের এসি বাসগুলোতেও কোনো ইমার্জেন্সি এক্সিট থাকেনা।চেসিস এর সাথে বডির মাপ,এবং সুরক্ষা টুলস এড করে দিলে মধ্যবিত্তরা ১৩০০/১৪০০ টাকায় কক্স যেতে পারতো তবে তা কখনোই দিবেনা বলবে ১১০০ তে নন এসিতে যাও,যেখানে স্পীড লিমিট এর কোনো তোয়াক্কা নেই,নন এসি এক্সিডেন্ট এর হার স্লীপারের চেয়ে বেশি,রাফ ড্রাইভিং বেশি,বর্তমানে যে তাপমাত্রা দেশের দিনে এই বাসগুলোতে বসে থাকা কঠিন।
সর্বোপরি দোষ চেসিস এর আমি বলবো💯💯
তবে এই চেসিসগুলোতেও নিয়ম মেনে বডি করলে এবং সুরক্ষা টুল এড করলে স্লীপার চলা সম্ভব,পাশাপাশি উন্নতমানের চেসিস আনায় সরকারকে অবশ্যই বাস মালিকদের সাহায্য করতে হবে যাতে তারা তেল খরচ ও ডলার রেট বিবেচনা করে বাস চালাতে পারে,এমন না যে সেই বাসের কক্স এর ভাড়া হয়ে গেলো ৩০০০ যা অধিকাংশ মানুষের নাগালের বাইরে
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাস লাভার রা এ নিয়ে অনেক আগে থেকেই লেখে আসছে তবে এই দেশে মানুষের নিরাপত্তাই প্রধান স্বার্থ হলে পিংক বাস যা স্লীপারের চেয়েও উচু তা এমন চালকের হাতে দেয়া হতোনা যে ফ্লাইওভারে গাড়ি উঠাতে পারেনা এবং আন্দোলনের ভয়ে অটোরিকশার দ্বারা ঢাকা শহরকে পঙ্গু করা হতো না।
আপনার নিরাপত্তা সরকারের কাছে এত বেশি ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়নি যে জনগন এই স্লীপার বন্ধ করার দাবী না করতেই সরকার নিজে থেকে বন্ধ করে দিচ্ছে