21/09/2025
“৪০০ বছরের প্রাচীন ফরিদপুরের ‘গেরদা দরগাহবাড়ি মসজিদে’ সংরক্ষিত রয়েছে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র দাঁড়ি মোবারক। এ দৃশ্য একনজর দেখার জন্য প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে ভিড় জমান অগণিত দর্শনার্থী।”
এছাড়াও কাঁচের বাক্সে এ মসজিদে সংরক্ষিত আছে- হজরত ইমাম হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হজরত ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর জুলফ মোবারক। সংরক্ষিত আছে বড় পীর হজরত শেখ সাইয়েদ আবদুল কাদের জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর গায়ের জামা, হজরত শাহ মাদার রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর ফতুয়া ও হজরত শাহ আলী বাগদাদি রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর ব্যবহৃত পাগড়ি, জায়নামাজ, মাছের দাঁতের তৈরি তসবিহ ও চন্দন কাঠের তৈরি খাওয়ার থালা-বাসন।
মসজিদ কমিটি জানিয়েছেন, ইসলামের চার খলিফার অন্যতম হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর ছেলে ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর বংশধর হজরত শাহ আলী বাগদাদি রহমতুল্লাহি আলাইহি ইসলামের প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্যে ৯০০ হিজরির দিকে অর্থাৎ প্রায় ৫৫০ বছর আগে সুদুর বাগদাদ থেকে ভারতের দিল্লিতে আসেন। সেখানে তিনি তৎকালীন দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন শাহ আলীর ইসলাম প্রচারে মুগ্ধ হয়ে তার মুরিদ হন। তখন নজরানা হিসেবে সুলতান আলাউদ্দিন শাহ তার মেয়ের সাথে হজরত শাহ আলী বাগদাদি রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর বিয়ে দেন।
সে সময় বাংলাদেশের ফরিদপুরের গেরদা গ্রামের ব্যবসায়ী গুল মোহাম্মদ সওদাগরের সাথে হজরত শাহ আলী বাগদাদি রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর পরিচয় হয়। এ পরিচয়ের সুবাদে ইসলাম প্রচারের জন্য স্ত্রীকে নিয়ে তার সাথে ফরিদপুরের গেরদা গ্রামে এসে বসতি গড়েন হজরত শাহ আলী বাগদাদি রহমতুল্লাহি আলাইহি। গেরদা আসার সময় তিনি পবিত্র এ নিদর্শনগুলো সঙ্গে নিয়ে আসেন।