Heritage Hike Bangladesh

Heritage Hike Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Heritage Hike Bangladesh, Tourist Information Center, House-11, Road/8, Dhanmondi, Dhaka.

"সোনার বাংলা":: পর্ব:- উত্থান ::১৬শ ও ১৭শ শতকে বিশ্বের রেশম ও সুতির বস্ত্র, ইস্পাত, সল্টপিটার এবং কৃষি ও শিল্পজাত পণ্যের...
31/08/2025

"সোনার বাংলা"
:: পর্ব:- উত্থান ::
১৬শ ও ১৭শ শতকে বিশ্বের রেশম ও সুতির বস্ত্র, ইস্পাত, সল্টপিটার এবং কৃষি ও শিল্পজাত পণ্যের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক ছিল সুবে বাংলা। এশিয়া থেকে ডাচ আমদানির শতকরা ৪০ ভাগ যেতো এখান থেকে। একই সাথে বিশ্বব্যাপী মসলিন, পাট এবং রেশম ব্যবসার কেন্দ্র হয়ে ওঠে ঢাকা। গুণগতমানের জন্যে বিশ্ববাজারে বাংলার পাট এবং তুলার ছিল প্রচুর চাহিদা।
ধীরে ধীরে মুঘল দরবারের আর্থিক মেরুদণ্ড হয়ে আবির্ভূত হয় সুবে বাংলা; রাজকোষে প্রবাহিত অর্থের অর্ধেকেরও বেশি এখান থেকে যেতো।
অভ্যন্তরীণভাবে, ভারতের বেশিরভাগ অংশই চাল, রেশম এবং সুতির বস্ত্রের মতো বাঙালি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা ছিল। বিদেশে, ইউরোপীয়রা তুলা বস্ত্র, সিল্ক এবং আফিমের মতো বাঙালি পণ্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।
সমসাময়িক সময়ে বাংলায় জাহাজ নির্মাণ ছিল বিশাল এক শিল্প। বহির্বিশ্বে এখানকার জাহাজ মেরামতের কাজকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ন করা হত। অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ ইন্দ্রজিৎ রায়ের মতে, বস্ত্র উৎপাদন এবং জাহাজ নির্মাণের মতো শিল্পে বিশ্বব্যাপী আমরা সমাদৃত ছিলাম। মূলত এই সময়ই বাংলার আদি-শিল্পায়ন (Proto - Industrialization) শুরু হয়।
এই সময়ের বাংলার চাল বহনকারী জাহাজগুলোর কাঠামো আরো শক্তিশালী ও মজবুত করার জন্যে সংযুক্ত পাটাতনের নকশা ব্যাবহার করা হয়। বাঙালির উদ্ভাবিত এই কৌশলের বাস্তব সফলতা দেখে পরবর্তীতে ১৭৬০-এর দশকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই নতুন নকশা অনুকরণ করে, ফলে পরবর্তী ব্রিটিশ ও ইউরোপীয় জাহাজগুলির সমুদ্র উপযোগিতা এবং নৌচলাচলের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে।
এছাড়াও বাংলায় তৈরি জাহাজ ব্রিটিশদের পক্ষে ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার নৌযুদ্ধ আর অটোমানদের পক্ষে ১৮০৬ সালের রুশ - অটোমান যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।
:: পর্ব:- পরিকল্পিত পতন ::
ঐতিহাসিক আর. সি. দত্তের মতে, "বাংলার লুণ্ঠন ব্রিটেনের শিল্প বিপ্লবে সরাসরি অবদান রেখেছিল।" বাংলা থেকে সংগৃহীত মূলধন শিল্প বিপ্লবের সময় ব্রিটিশ শিল্পে বিনিয়োগ করা হয়। প্রথম শিল্পবিপ্লবের সময় ১৮৩০ থেকে ১৮৫০ এর দশকে বাংলায় গড়ে ওঠা শিল্পগুলোকে পদ্ধতিগত ও পরিকল্পিত ভাবে ভেঙে ফেলা হয়।
আগে বাংলা বস্ত্র শিল্পে, বিশেষ করে মসলিন শিল্পে, বিশ্বব্যাপী শীর্ষস্থানীয় ছিল। ব্রিটিশরা তাদের নিজস্ব বস্ত্র শিল্পের সাথে প্রতিযোগিতা দূর করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই শিল্পকে ভেঙে দেয়।
উচ্চ খাজনা এবং ভারী করের বোঝায় কৃষি জমি উন্নয়নের জন্য চারপাশে মূলধনের অভাব তৈরি হয়। মহাজনদের ঋণের জালে আটকে উনিশ শতকে বাংলার কৃষি উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
এদিকে সমৃদ্ধ শিল্পগুলিকে ধুলিস্মাৎ করে বাংলাকে ব্রিটেনের কাঁচামাল সরবরাহকারী এবং পণ্যের বাজারে রূপান্তরিত করা হয়। ফলে একসময়ের সমৃদ্ধ অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে যায়, চারপাশে ব্যাপক দারিদ্র্যতা ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে এদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে যায়।
১৭৭০ সালে পর্যাপ্ত খাদ্য থাকা সত্ত্বেও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সৃষ্ট বাংলার মহাদুর্ভিক্ষে আনুমানিক ১ কোটি মানুষ মারা যায়। আর ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষে বাংলায় প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
এই পদ্ধতিগত অবহেলা, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও শোষণমূলক নীতির কারণে, নিশ্চিত হয় বাংলা যেন দরিদ্র্য থাকে।
হারিয়ে যায় "সোনার বাংলা"।
অনুবাদ ও লেখা - শূন্য সাগর
Heritage Hike Bangladesh
Hendrik van Schuylenburgh: The Trading Post of the Dutch East India Company in Hooghly, Bengal (1665)

::: গৌড়, বাংলার এক হারিয়ে যাওয়া রাজধানী::: প্রায় ১১২ বছর ধরে বাংলা সালতানাতের রাজধানী ছিল গৌড়। ১৫০০ সালে গৌড় পৃথিব...
28/08/2025

::: গৌড়, বাংলার এক হারিয়ে যাওয়া রাজধানী:::
প্রায় ১১২ বছর ধরে বাংলা সালতানাতের রাজধানী ছিল গৌড়। ১৫০০ সালে গৌড় পৃথিবীর ৫ম বড় শহরে পরিণত হয় (ঘন-বসতির দিক দিয়ে), যেখানে প্রায় ২০০,০০০ উপরে মানুষের বসতি ছিল।


সে সময় বাংলায় আসা পর্তুগিজদের বর্ণনায় সুলতানদের তৈরি দুর্গ, মসজিদ, রাজপ্রাসাদ, সেতু সহ অনেক স্থাপনার এক গুছানো শহরের অস্তিত্বের জানান দেয়।


১৬শ শতকে বাংলা সালতানাতের পতনের আগে দারুন সমৃদ্ধ ছিল গৌড়। মুঘলদের আক্রমণে গৌড়ের পতন হয়; তখন সম্রাট হুমায়ূন গৌড়ের নতুন নাম দেন জান্নাতাবাদ।


তবে এর পরে শের শাহ্ শুরীর আক্রমণ ও লুটপাটে গৌড়ের বেশ ক্ষতি হয়। এর পরে আগমন হয় প্লেগ মহামরীর ; শহরের বাকি জনসংখ্যাও কমে যেতে থাকে দ্রুততার সাথে।


গৌড় মুঘল দখলে ফেরৎ গেলেও কমতে থাকে এর গুরুত্ব। সময়ের সাথে গঙ্গা নদী তার পথ বদলে পদ্মার সাথে মিলে গেলে গৌড়ের সাথে বাংলা দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে নৌ পথ অগভীর হয়ে পড়ে। ব্যবসা বাণিজ্যে বেঘাতের সৃষ্টি হয়।


গৌড়ের উপরে শেষ আঘাত হিসেবে আসে মুঘলদের আমলে বাংলার নতুন রাজধানী; প্রথমে রাজমহল আর এর পরে ঢাকা। নতুন রাজধানী হয়ে ওঠে সুবে বাংলার ক্ষমতার কেন্দ্রস্থল। এর ফলে ধীরে ধীরে এক সময়ের পরাক্রমশালী রাজধানী গৌড় পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।


দেড়শ বছরের মধ্যে হারিয়ে যায় ইতিহাসের অতল গহ্বরে।


১৭ ও ১৮শ শতকে পরিত্যক্ত গৌড়ের ধ্বংসাবশেষ আবার পুনঃ আবিষ্কার হয় নীল চাষ করতে গিয়ে।


ধারণা করা হয় গৌড় শহরের পত্তন বা শুরু অনেক আগে থেকে। ঐতিহাসিকদের মতে ৪র্থ শতক আগে থেকেই গৌড় রাজ্য ছিল। সেটা গুপ্ত সম্রাজ্যের উত্থানে ৪র্থ শতকে দখল হয়ে যায়। পরবর্তীতে ৬ঠ মতান্তরে ৭ম শতাব্দীতে রাজা শশাঙ্ক পুরো বাংলাকে এক করে স্থাপন করেন গৌড় রাজ্য, যার রাজধানী করা হয় কর্নসুবর্নকে। পরবর্তীতে পাল রাজাদের হাত ধরে পাল সম্রাজ্যের অংশ হয় গৌড়। পাল সম্রাটরা তাদের উপাধিতে গৌড়ের প্রভু বা Lord of Gauda ধারণ করতেন। পালদের সময় থেকেই গৌড়, বাংলা এর বাঙালি একে অপরের সমার্থক হয়ে ওঠে।


পালদের পতনের পরে সেন আমলে রাজা লক্ষণ সেনের নাম অনুযায়ী গৌড়ের নাম হয়ে যায় লাখনৌতি।

১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজীর হাতে লাখনৌতির পতন হয়। ১২৮১ সাল থেকে লাখনৌতি বাংলার সুলতানদের দ্বারা স্বাধীনভাবে শাসিত হতে থাকে।


১৩৪২ সালে আলাউদ্দিন আলী শাহ্ কে ক্ষমতাচ্যুত করে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ লাখনৌতি তথা গৌড় দখল করেন। ১৩৫২ এর মধ্যে দিল্লি থেকে স্বাধীন হয়ে পুরো বাংলাকে একত্রিত করে রাজধানী পুন্ড্রোতে নিয়ে যান ইলিয়াস শাহ্।


১৪৫৩ সালে শেষ বারের মত রাজধানী হয়ে গৌড়। এর পরের ১১২ বছর ধরে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বাংলার ক্ষমতা আবর্তিত হত এই গৌড়কে ঘিরেই।


আজও গৌড় তার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প নিয়ে দাড়িয়ে আছে ভারতের মালদাহ ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।


ছবিতে ১৯ শতকের গৌড়ের দক্ষিণ দরওয়াজা। আরও কিছু ছবি কমেন্টে দিয়ে দেয়া হল।


ছবি সংগৃহীত (ফিলিপ থর্নটন)

দূরে দেখা যাচ্ছে বিশাল চত্বর মঞ্জিল, নবাবদের আবাসস্থল। তবে ডানদিকের মাছের আকৃতির এই নৌকা ছিল নবাবদের নৌ পারাপারের মাধ্যম...
25/08/2025

দূরে দেখা যাচ্ছে বিশাল চত্বর মঞ্জিল, নবাবদের আবাসস্থল। তবে ডানদিকের মাছের আকৃতির এই নৌকা ছিল নবাবদের নৌ পারাপারের মাধ্যম।
বলা হয় ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ তথা ভারত উপমহাদেশের প্রথম মুক্তিসংগ্রাম শেষ হয় এই নৌকা ডুবিয়ে দেয়ার মাধ্যমে।
সাহসী ও বুদ্ধিমত্তার প্রতীক হিসেবে মাছকে অযোধ্যার নবাবরা তাদের বর্ম প্রতীক (Coat of Arms) হিসেবে ব্যবহার করত। সেই জন্যে এই নৌকাকে মাছের আকৃতিতে বানানো হয়েছে। অযোধ্যার শেষ নবাব ওয়াজিদ আলী শাহ্ গোমতী নদীর ঘুরতে ও পার হতে এটি ব্যবহার করতেন। এ ছাড়াও অযোধ্যার দরবারের ঐশ্বর্যের প্রতীক ছিল এটি।
১৮৫৬ সালে ব্রিটিশরা অযোধ্যার নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করলে চত্বর মঞ্জিল ও নবাবী নৌকা অযত্নে পড়ে থাকে, যেটা পরের বছর ডুবিয়ে দেয়ার হয়। ২০১৯ সালে চত্বর মহল খননকলে ১৯ ফিট খনন করে উদ্ধার করা হয় এই নৌকার তোলাকে। এর মাধ্যমে দুইশো বছরেরও বেশি সময় থেকে বয়ে চলা মাছ আকৃতির নৌকার কিংবদন্তি সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়।
এই ছবিটি অযোধ্যার নবাবদের পতনের এক প্রতীকী চিহ্ন। ছবি তুলেছেন Felice Beato, ১৮৫৭ সালে।

রাসবিহারী সাহার বাড়ির রাজকীয় সদর তোরণ। মুড়াকরি, লাখাই, হবিগঞ্জ। রাসবিহারী সাহা ছিলেন মুড়াকরির ধনাঢ্য ব্যবসায়ী।বসবাসের জ...
19/02/2025

রাসবিহারী সাহার বাড়ির রাজকীয় সদর তোরণ।
মুড়াকরি, লাখাই, হবিগঞ্জ।

রাসবিহারী সাহা ছিলেন মুড়াকরির ধনাঢ্য ব্যবসায়ী।বসবাসের জন্য তৈরি করেছিলেন বিলাশ বহুল এই রাজকীয় স্হাপনা।

'ওকে হোটেল' ঢাকার প্রথম হোটেল ও রেস্তোরাঁ। ব্রিটিশ আমলে ইংরেজ ও বিদেশি পর্যটকেরা বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক কাজে ঢাকায় এলে স...
18/02/2025

'ওকে হোটেল' ঢাকার প্রথম হোটেল ও রেস্তোরাঁ। ব্রিটিশ আমলে ইংরেজ ও বিদেশি পর্যটকেরা বাণিজ্যিক বা প্রশাসনিক কাজে ঢাকায় এলে সরকারি বাংলো বা অতিথিশালায় থাকতেন। ঢাকায় কোনো হোটেল ছিল না। ঢাকার জনসন রোডে বর্তমান আজাদ সিনেমার পাশে ওকে হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের আবির্ভাব ঘটে। বিদেশি অতিথি ও পর্যটকদের আবাসস্থল হিসেবে ওকে হোটেলের নাম ছিল।

১৯৬০ এর দশকে ঢাকা ওয়ারী এলাকার একটি রাস্তা।A street road in Wari, Dacca 1960s, East Pakistan, Now Bangladesh.
10/12/2024

১৯৬০ এর দশকে ঢাকা ওয়ারী এলাকার একটি রাস্তা।A street road in Wari, Dacca 1960s,
East Pakistan, Now Bangladesh.

বলা হচ্ছে ক্যামেরায় তোলা  বজ্রপাতের প্রথম ছবি। জানতে চাচ্ছি আসলেই কি তাই?ফটোগ্রাফারঃ উইলিয়াম জেনিংস সময়কালঃ ২'রা সেপ্টেম...
08/11/2024

বলা হচ্ছে ক্যামেরায় তোলা বজ্রপাতের প্রথম ছবি। জানতে চাচ্ছি আসলেই কি তাই?

ফটোগ্রাফারঃ উইলিয়াম জেনিংস
সময়কালঃ ২'রা সেপ্টেম্বর ১৮৮২ সাল।

১৯৬২  সালে সদরঘাট, ঢাকা, বাংলাদেশ,ফটোগ্রাফার: রজার উড।
19/09/2024

১৯৬২ সালে সদরঘাট, ঢাকা, বাংলাদেশ,
ফটোগ্রাফার: রজার উড।

সময়টা তখন ঊনবিংশ শতক। বাংলায় চলছে ব্রিটিশ রাজের শাসন। দার্জিলিং অংশ নিয়ে সিকিমের চোগয়াল রাজা আর নেপালের গোর্খাদের মা...
24/06/2024

সময়টা তখন ঊনবিংশ শতক। বাংলায় চলছে ব্রিটিশ রাজের শাসন।
দার্জিলিং অংশ নিয়ে সিকিমের চোগয়াল রাজা আর নেপালের গোর্খাদের মাঝে বেশ ভালো বিরোধ ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় গোর্খারা দার্জিলিং দখল করে নেয়। তখন সিকিমের রাজা ব্রিটিশদের সাহায্য চান ও তাদের সহযোগিতায় দার্জিলিং সহ সিকিমের অনেক এলাকা ফিরে পান। দার্জিলিং এর আবহাওয়া পছন্দ হওয়ায় ব্রিটিশরা এই এলাকা উপহার হিসেবে সিকিমের থেকে নিয়ে নেয়, এর পরে পত্তন হয় দার্জিলিং শহরের।
বলতে পারবেন ছবিতে কোন পাহাড় রেঞ্জ দেখা যাচ্ছে?
19th Century, British India, Bengal.

An early view of Darjeeling from the Town Hall/Clock Tower, Darjeeling.

Das Studio.
Restored from a water-damaged print.
- (P. Thornton)

ছবিটা ১৪৪ বছর আগের, তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ রাজের সময়ের ঢাকার। ফটোগ্রাফার বা আরো তথ্য খুজে পাওয়া যায়নি। সময়:- ১৮৮০জায...
08/06/2024

ছবিটা ১৪৪ বছর আগের, তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ রাজের সময়ের ঢাকার। ফটোগ্রাফার বা আরো তথ্য খুজে পাওয়া যায়নি।
সময়:- ১৮৮০
জায়গা:- তৎকালীন ব্রিটিশ ইন্ডিয়া (ঢাকা, বাংলাদেশ)
1880's British India, Dacca (Bangladesh, Dhaka).
Large House at Dacca.
Photographer Unknown.
Restored Image.

1880's British India, Dacca (Bangladesh, Dhaka).Rare photograph of the Bhulbhuliya Tower Maze, Dilkhusha.Restored Image....
07/06/2024

1880's British India, Dacca (Bangladesh, Dhaka).

Rare photograph of the Bhulbhuliya Tower Maze, Dilkhusha.

Restored Image. (From Philip Thornton's post)

১৮০৪ সালে আঁকা ছবিতে বর্তমান কুমিল্লা যা তৎকালে ত্রিপুরা রাজ্যের কালেক্টরের বাসভবন। ছবিটি এঁকেছেন জেমস হান্টার।প্রেক্ষাপ...
16/03/2024

১৮০৪ সালে আঁকা ছবিতে বর্তমান কুমিল্লা যা তৎকালে ত্রিপুরা রাজ্যের কালেক্টরের বাসভবন। ছবিটি এঁকেছেন জেমস হান্টার।

প্রেক্ষাপটঃ জন বুলার নামে একজন ইংরেজ তরুণ ভারতবর্ষে আসেন। তিনি ১৭৭৭ সালে তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে বাংলা রাইটার হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীকালে প্রমোশন পেতে পেতে ত্রিপুরার কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ সময় তিনি ত্রিপুরার অন্তর্গত কুমিল্লায় অবস্থান করেন।

জেমস হান্টারের তুলির ছোঁয়ায় ফুটে উঠেছে সে সময়কার কালেক্টরের বাসভবনের ছবি। বাসভবনের পাশেই ছিল একটা বড় দিঘি। তার পাড়ে অপেক্ষায় আছে একটা পালকি। পালকির বেহারারা সেটার পাশেই বিশ্রাম নিচ্ছেন।

কার্টেসিঃ ‍Saikat Bhowmik

Address

House-11, Road/8, Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heritage Hike Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share